Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঈশ্বরের বাগান – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প1863 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঈশ্বরের বাগান – ৭৫

    ।। পঁচাত্তর।।

    মানুষ এ-ভাবে নানা সত্যাসত্যের মুখোমুখি হয়। অতীশ এসেই কি যে রহস্যের ভেতর পড়ে গেল। এক এক করে মঞ্জু ওকে অবাক করে দিচ্ছে। যেন মঞ্জু এখনও কিছু ভোলেনি, ভুলতে পারেনি। এমন কি সে দেখল, সেই চায়ের কাপটা পর্যন্ত হুবহু এক। সে কিছুক্ষণ কেবল মঞ্জুকে দেখছিল। চা যে ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে খেয়াল নেই।

    আর মঞ্জুও ভারি উদাসীন মুখে অতীশকে দেখছে। ওরও মনে হচ্ছে না একবার মনে করিয়ে দেওয়া দরকার, অতীশ তোমার চা ঠান্ডা হচ্ছে। তুমি এ-ভাবে বসে থাকলে চা ঠান্ডা হয়ে যাবে। ঠান্ডা চা মানুষ খেতে পারে না।

    ঘাটের কাঞ্চন ফুল গাছটার ফাঁক দিয়ে এলোমেলো সূর্যের আলো এসে পড়েছে বারান্দায়। বেশ দুটো একটা ডাহুক পাখির সাড়াশব্দ এখনও পাওয়া যাচ্ছে। বেলা হলেও ওরা ঝোপের ভেতর আশ্রয় নেয় না, বরং মনে হয় এখানে এরা নির্ভাবনায় আছে। কোন ভয় নেই এদের। মঞ্জু থাকলে বুঝি কারো কোনও ভয় থাকতে নেই। সেদিন রাতে কি যে একটা হয়েছিল, সে এখনও যেন বিশ্বাস করতে পারে না, দরজায় এমন শব্দ হয়! এবং মঞ্জুর মুখ দেখে এখন সাহসও হচ্ছে না, মঞ্জু তুমি সত্যি করে বলতো সে-রাতে ঠিক ঠিক কি হয়েছিল! কারণ মঞ্জুর মুখে ভারী আশ্চর্য কঠিন হাসি এখন, সে বুঝি আর কিছুক্ষণ এ-ভাবে চুপচাপ হাঁ করে তাকিয়ে থাকলে মঞ্জু হেসে দেবে জোরে।

    সে তাড়াতাড়ি চায়ের কাপটা তুলে নিল। এবং দেখল, বেশ তাজা চা। সুন্দর গন্ধ। মঞ্জুর শাড়িতে এখনও বাসি গন্ধ জেগে থাকতে পারে, কিন্তু দেখেতো মনে হয় না, মঞ্জু শাড়ি না পাল্টে তার এত কাছে এসে দাঁড়াতে পারে। সে বরং এইসব ভাবনা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে চাইছে। মঞ্জু আরও কাছে এসে দাঁড়াল। কি দেখল যেন মাথায়, বলল, তোমার দুটো একটা চুল পেকেছে অতীশ।

    —অতীশ বলল, তা পেকেছে। বয়স হয়েছে, চুলের কি দোষ বল।

    —চুল পাকার তোমার বয়স হয়নি। আমার তো তুমি যতই খোঁজো একটাও পাকা চুল পাবে না।

    —তোমার বয়সে মেয়েদের চুল পাকে না। মেয়েদের একটু বেশি বয়সে পাকে।

    —কি যে বল! চাটা কেমন হয়েছে বললে নাতো?

    —খুব ভাল। এখানেও তাজা চা পাওয়া যায় ভাবতে অবাক লাগে।

    —চা ভালই পাবে। কিছুই তো বাইরে যাচ্ছে না। চা তো আমাদের ফরেন আর্নিঙস গুডস্। এখন তাও বন্ধ। আমরা খেয়ে ফুরোতে পারছি না।

    অতীশ বলল, তোমার ছেলে কেমন আছে?

    —ভাল। কাল ওর ভালো ঘুম হয়েছে।

    —ওকে নিয়ে তুমি একবার কলকাতায় ঘুরে এলে পার! আমরাতো আছি।

    —কি হবে?

    —ওখানে ভাল ব্যবস্থা আছে। বড় ডাক্তার আছে।

    —এখানে নেই তোমাকে এমন কে বলেছে!

    —থাকতে পারে কিন্তু আমার ভরসা কম।

    —তুমি চলে গেছ বলে এটা হয়েছে।

    —চলে যাওয়ার কথা না মঞ্জু, তোমার কোনো কোনো ব্যাপারে আমার মনে হয় খুব একটা একগুঁয়েমি আছে। ওটা মেয়েদের থাকা খুব ভাল না। কলকাতা অনেক বড় শহর। অনেক সুযোগ- সুবিধা, ঢাকাতে এত সুযোগ-সুবিধা আছে বলে আমার ধারণা হয় না।

    মঞ্জু হাসল।—তুমি দেখছি এসেই খুব অস্বস্তি ফিল করছ!

    —অস্বস্তি কি এটা?

    —অস্বস্তি না। আসলে তুমি ওর অসুখে কিছুটা কাতর হয়ে পড়েছ। আমার খুব কী ভাল লাগছে!

    —এখানে তো অনেককে দেখালে, ওখানে অন্তত কেউ দেখুক।

    এবার ভীষণ সিরিয়াস হয়ে গেল মঞ্জু। সে বলল, তুমি জান না এখানে বিদেশ থেকে ভিজিটিও ডাক্তার মাঝে মাঝে এসে থাকেন। বিখ্যাত হার্ট স্পেশালিস্ট ডাঃ রাইম এসেছিলেন। তিনি শুধু বলেছেন, ওটা পাল্টে না ফেললে কিছু করার নেই। আর একটা হার্টের দরকার। অবশ্য সেটা আমার আছে। বলে মঞ্জু থামল। কি বলতে গিয়ে সে থেমে গেল। যেন বাকিটা এই সকালে বলা কিছুটা বাড়াবাড়ি হবে। অতীশের দিকে সে মুখ না তুলে বলল, এসব কথা থাক। এটা আমার খুব ব্যক্তিগত চিন্তা এতে তোমাকে জড়াতে এখানে ডেকে আনিনি। অনেক কথা জমা হয়ে আছে। তোমাকে বাদে আর কাউকে বলা যাবে না। না বলতে পারলে আমার আফশোস থাকবে।

    কি এমন কথা অতীশ বুঝতে পারে না। কখন যে ওর সময় হবে! তবু কিছু বলতে হবে বলে বলা, তুমি সকালে এখন চা খাও না মঞ্জু?

    —খাব না কেন?

    —আমাকে দিলে, অথচ তুমি নিলে না।

    —আমারটা হচ্ছে। হলেই কেয়া নিয়ে আসবে।

    —তোমারটা আবার আলাদা নাকি?

    —তা একটু আলাদা বৈকি।

    —সেটা খেয়ে দেখতে হয়।

    —দেখতে দিলে তো! বলে প্রায় দৌড়ে ঘরে চলে যাবে এমন ভাবে তাকাল অতীশের দিকে। অতীশ বলল, তুমি আমাকে কেন জরুরী তলব পাঠালে বুঝতে পারছি না। আর খুব ভয় হচ্ছে। সেই লোকটার কথাও অতীশের বলতে ইচ্ছা হ’ল।

    —ভয় পাবার মতো আমি তোমাকে কিছু বলব না।

    —এখন তো ইচ্ছা করলে বলতে পার মঞ্জু। কেউ তো কাছে নেই।

    —তোমার কি মাথা খারাপ। হাতে আমার এখন কত কাজ। দ্যাখো না, বলেই সে কাঞ্চন গাছটার ফাঁক দিয়ে কি দেখল, ঐ তো আসছে। জব্বার চাচা আসছে।

    হঠাৎ এ-সকালে জব্বার চাচা আসছে, কি ব্যাপার। এখানে যেন মঞ্জু এতক্ষণ জব্বার চাচার জন্যই দাঁড়িয়ে আছে। জব্বার চাচা না ফিরলে সে ভেতরে যেতে পারে না ভেবে, অতীশ বলল, জব্বার চাচা বাদে চারপাশে আর কেউ নেই! বলে ঠাট্টার মতো জোরে হাসার চেষ্টা করল।

    —থাকবে না কেন। আছে, থাকবে। কিন্তু জব্বার চাচা এলে ঠিক হবে সেটা। থাকবে কি যাবে।

    —মানে।

    —মানে ওকে আসতে দাও।

    অতীশ দেখল জব্বার চাচা লগি মেরে নৌকা এদিকে নিয়ে আসছেন। এখন শরৎকাল, এবং এসময় এ-অঞ্চলে জল কমতে আরম্ভ করে। জলের একটা ঘাস-পচা গন্ধ ওঠে চারপাশে। জলের সব জলজ ঘাস জলের ওপর ভেসে ওঠার স্বভাব। জল বাড়লে যতটা সহজে নৌকা চালানো যায়, জল কমলে ঠিক ততটা সহজ হয় না, চারপাশের জলজ ঘাস ভেসে উঠলে নৌকা তাড়াতাড়ি চালানো যায় না।

    জব্বার চাচা জলের ঘাস, শাপলা পাতা ঠেলে ঠেলে আসছেন। বুড়ো মানুষ। একটা গামছা পরেছেন। এবং সে, নৌকার গলুইতে কটা চাঁই পড়ে আছে দেখতে পেল। তাহলে জব্বার চাচা সকালে মাছের সন্ধানে বের হয়েছেন। গতকাল চাঁই পেতে রেখেছিলেন জলে, এখন সেগুলো তুলে আনছেন। মঞ্জু এবং একটু পর কেয়া এসে পর্যন্ত দাঁড়িয়ে গেছে বারান্দায়। জব্বার চাচা কি মাছ পেলেন সেটা খুব সকালে ওদের দেখার কৌতুহল। এমন কি সেই রুগ্‌ণ ছেলেটার পর্যন্ত। তাকে জানালায় মাছ তুলে দেখিয়ে আনতে হবে হয়তো।

    অতীশ বলল, জব্বার চাচা মাছ না পেলে আমাকে বাজার পাঠাবে ভাবছ।

    —দেখা যাক্। মঞ্জু ঠোটে বেশ সামান্য হাসি টেনে বলল।

    অতীশ ভেবে পায় না, মেয়েটা এখনও এত বেঁচে থাকার প্রেরণা অথবা সব কিছু উপভোগ করার বাসনা জীবনের ভেতর টিকিয়ে রেখেছে কি করে! এতটা তছনছ জীবন, মেয়েদের যা কিছু দুঃখের, সব কিছুর সে হয়তো অংশীদার, অথচ মুখেচোখে এতটুকু সেজন্য হীনমন্যতার ছাপ নেই! সরল, অনাড়ম্বর, ঠিক সেই আগের মঞ্জুর মতো। কথায় কথায় হেসে ফেলতে পারে। অথচ সব সময় কেমন একটা উদাসীনভাব। অতীশ বলল, যাই বল, বাজারে আমি যেতে পারব না।

    —জব্বার চাচা এলে সেটা ঠিক হবে।

    আসলে জব্বার চাচা এলে কিছুই ঠিক হল না। অনেকদিন পর এত মাছ দেখে অতীশ কি করবে ভেবে পাচ্ছিল না। বারান্দায় এসেই জব্বার চাচা চাঁইগুলো খুলে ঝাঁকিয়ে ঝাঁকিয়ে সব মাছ বের করে দিলেন। কত মাছ! বড় বড় গলদা চিংড়ি, বেলে মাছ, কটা আশ্চর্য লাল নীল রঙের কই এবং বড় ট্যাংরা, পাবদা। একটা মাছও মরেনি। এবং মাছগুলো সারা বারান্দায় যেন এখন ছড়িয়ে যাবে। কেয়া লাফিয়ে লাফিয়ে সব মাছ তুলছে। অতীশও দাঁড়িয়ে থাকতে পারল না। সে পর্যন্ত ছুটে গিয়ে একটা ছিড়ির মাথা চেপে ধরেছে। মঞ্জু দরজায় দাঁড়িয়ে আছে কিছুটা অভিজ্ঞ মানুষের মতো। কেয়া এবং অতীশের ছেলেমানুষী দেখে মনে মনে বোধ হয় মজা পাচ্ছে।

    এবং এই সকালের সূর্য বেশ তখন হলুদ আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে গাছের মাথায়। বাঁ দিকে ডাকঘর, ডানদিকে ডিসপেনসারি, সামনে ঘাসের লন, লন পার হলে নানা-বর্ণের ফুল নিয়ে বাগান, এবং সকাল বলেই ঘাসে ঘাসে এখন কুয়াশার জল। শরতের বিন্দু বিন্দু আকাশ ধোয়া শিশির দানা মুক্তো হয়ে ছড়িয়ে আছে ঘাসে ঘাসে। দূরে কোথাও কোনও মোরগের ডাক। চারপাশের কলরবের ভেতর এমন একটা ছবি দেখতে বোধ হয় মঞ্জুর ভীষণ ভাল লাগছে। কি সুন্দর লাগছে সকালটা। ওর একমাত্র যে ছেলে, যে আজ কাল অথবা পরশু মরে যেতে পারে, মঞ্জুর চোখ দেখে তা মনেই হয় না। যেন

    মঞ্জু এমন সকাল অনেকদিন পর, ঠিক অনেকদিন পর বললে ভুল হবে, যেন দীর্ঘদিন সে এমন একটা সকালের প্রতীক্ষায় সারাজীবন বসেছিল। সে এবং অতীশ। এক নির্জন মাঠে যেন দাঁড়িয়ে ঈশ্বরের অনন্ত রহস্য আবিষ্কার করে ফেলে অবাক হয়ে গেছে। যেন বলছে, যা, কি যে হয়ে গেল!

    আসলে মঞ্জুর চোখদুটো দেখলে বোঝা যায় সে এখন খুব সুদূরে চলে গেছে। জব্বার চাচা এখন ওদের মাছ তুলে দিতে সাহায্য করছেন। মাছগুলো একটা ঝুড়িতে তুলে তিনি চাঁইগুলো পরিষ্কার করে ফেললেন। তারপর মুখ বেঁধে শেফালীগাছের নিচে রেখে দেখলেন বেলা কত হল। ডিসপেনসারির দরজা খুলে দিচ্ছে অলিমদ্দি। সকালের রোদ ঘাসের ছায়া পার হয়ে লম্বা হয়ে ঢুকে গেছে জানালায়। বড় বড় কাচের আলমারিতে রোদের ছায়া চিকমিক করছে। ওঁর নামাজের সময় চলে যায়। তাড়াতাড়ি অজু করে ডিসপেনসারি ঘরের লম্বা চকিতে ছোট একটা গামছা পেতে, তিনি সেই যে পৃথিবীর নিয়ামক অথবা আরও সব কি আছে, পৃথিবীর বাইরে বা সূর্যের মতো তেজী এবং অনেক দূরের সব গ্রহনক্ষত্র মিলে যে অনন্তলোক সেখানে যেন কোনও খবর পৌঁছে দেবার জন্য সামনে দু’হাত প্রসারিত করে দিতে চান।

    কেয়া ভেতরে যাবার সময় ফিসফিস গলায় কানের কাছে মঞ্জুকে বলল, মুর্শেদ উঠে বসে আছে। জানালা দিয়ে দুবার মুখ বার করেছে।

    —গলা শুকিয়ে গেছে। তাড়াতাড়ি চা দিয়ে আয়।

    কেয়া বলল, এখন তো সোনাবাবু এসেছে। ও সোনাবাবুর সঙ্গে এসেছে এমন চালিয়ে দিলে কেমন হয়।

    —মন্দ হয় না।

    —তবে মুর্শেদকে বলি বের হয়ে আসতে। দাদার সঙ্গে আলাপ করিয়ে দি।

    —এত তাড়াতাড়ি করিস না কেয়া। আগে যে মানুষটা এল তাকে দ্যাখ সে কোন জাতের। ওরা কথা বলতে বলতে, ও-পাশের উঠোনের দিকে চলে যাচ্ছে। ওরা ঘরের ভেতর দিয়ে বেশ হালকা পায়ে চলে গেল যেন। যাবার সময় না মঞ্জু, না কেয়া কোনও কথা বলে গেল! যেন ওরা কি গোপনে সলাপরামর্শ করতে চলে গেল। অতীশ ঠায় আবার বসে থাকল। কিন্তু হাতটা মাছের, হাতটা ধোয়া দরকার। না হলে আঁসটে গন্ধ উঠছে। সে উঠে দাঁড়াল। ভাবল একবার বাথরুমে যাবে। কিন্তু মনে হল, বাথরুমে না গিয়ে সে কেয়াকে বলবে একটু জল দিতে। আসলে ওর এখন এই বারান্দায় একা একা বসে থাকতে ভাল লাগছে না। সে ইচ্ছে করলে, একটু ঘুরে বেড়াতে পারত। এবং নরেণ দাসের বাড়ির পাশ দিয়ে অর্জুন গাছের নিচে গিয়ে দাঁড়াতে পারত। বাড়ির জঙ্গলটায় ঢুকে যেতে ইচ্ছে হচ্ছে। কিংবা পুকুর পারের কয়েৎবেল গাছটার নিচে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে ইচ্ছে হচ্ছে। ঠাকুরদার শ্মশানের উপর মন্দিরটা জরাজীর্ণ। ঝোপ জঙ্গলে পা দেওয়া যায় না।

    সে এভাবে যখন কত কিছু ভাবতে ভাবতে ও-দিকের বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াল, তখন সে দেখে অবাক, কেয়া চা নিয়ে আবার সেই পুরোনো ঘরটার দিকে যাচ্ছে। এবং এ-সময় এ-দিকটায় অতীশ আসবে মঞ্জু যেন ভাবতে পারেনি। মঞ্জু তাড়াতাড়ি এলোমেলো কথা আরম্ভ করে দিল। বলল, কেমন লাগছে সকালটা।

    —ভাল না।

    —ভাল না কেন!

    —ধ্যাৎ একেবারে কিচ্ছু নেই।

    —কি থাকবে আবার!

    —সব কেমন চুপচাপ। কোন লাইফ নেই।

    —কেয়াকে নিয়ে একবার ঘুরে এস না!

    —কোথা থেকে ঘুরে আসব?

    —তোমাদের বাড়ি থেকে।

    —অতীশ ঠাট্টা করে বলল, কেয়ার বুঝি খুব লাইফ আছে।

    —দেখ না নিয়ে গিয়ে!

    —কেয়া ও-দিকে বন জঙ্গলে ঢুকে গেল কেন?

    —ও ওর অভ্যাস। ও চা বসে খেতে পারে না। কিছু শাক তুলতে বললাম, বলালম চা-টা খেয়ে যা, কিছুতেই খেয়ে গেল না। পুকুর পাড়ে খুব গিমাশাক হয়েছে। শাকও তুলবে, চাও খাবে। তুমি তো গিমাশাক খেতে খুব ভালবাসতে।

    অতীশের আবার বলার ইচ্ছে হল, আচ্ছা মঞ্জু কাল রাতে দেখলাম কে যেন একজন মানুষ ঐ বন-জঙ্গলের দিকে………তোমাদের পুরোনো আমলের বেহারাদের ঘরটা আছে সেদিকে হেঁটে যাচ্ছে। বেশ লম্বা, তাজা মানুষ। এবং ওকে সুপুরুষই বলা যায়। বলতে গিয়েও সে থেমে গেল। কেমন যেন এই বাড়িতে সব কিছুই এখন রহস্যে ঘেরা। আসলে কেয়া যাচ্ছে সেই ঘরটার দিকে। সেই ঘরটায় যে মানুষটা থাকে তার জন্য কেয়া চা নিয়ে যাচ্ছে। সে এসব বলে দিতে পারত। বলে দিতে পারত, মঞ্জু তুমি আমার সঙ্গে মিছে কথা বলছ। তুমি মিছে কথা বললে ভীষণ খারাপ লাগে। সে বস্তুত মঞ্জুর মুখের দিকে তাকিয়ে সত্য কথাটা বলতে পারল না। মঞ্জুকে যেন অযথা নির্যাতনের ভেতর ফেলে দেওয়া হবে।

    আর সে লক্ষ্য করছিল, মঞ্জু ভীষণ অস্বস্তিতে আছে। সে যেন এখানে দাঁড়িয়ে থাকলে মঞ্জুর অস্বস্তি আরও বেড়ে যাবে। কারণ একটা মিথ্যাকে ঢাকতে গিয়ে আরও দশটা কথা বানিয়ে বলতে হবে। কারণ কেয়া এখনই ফিরে আসতে পারে। ওর হাতে চায়ের কাপ নাও থাকতে পারে। কোঁচড়ে গিমাশাক না থাকলে মঞ্জু বানিয়ে বানিয়ে আর কি বলতে পারে, এ-সব মনে হলে অতীশ আর দাঁড়াল না। সে সোজা করিডর দিয়ে ঢুকে রুগ্‌ণ ছেলেটার ঘরে এসে দাঁড়ালে দেখল, জানালা দিয়ে রোদ, পাশে কাঠমালতি গাছ, দুটো একটা ফুল, অসময়ের ফুল কিনা সে জানে না। কারণ কখন কোন গাছে কি ফুল ফোটে কলকাতায় থেকে তা প্রায় ভুলতে বসেছে। সে দেখল, সুন্দর দুটো পাখি, কি রঙ-বেরঙের পাখি, আহা, ছেলেটির চোখমুখ এখন একেবারে সাদা। এমন কি অতীশ যে এ-ঘরে এসেছে, ছোট্ট ছেলেটা চোখ মেলে যেন তাও দেখছে না। ওর বুকের ভেতরে ভীষণ কষ্ট পুরে রেখেছেন ঈশ্বর। বার বার টুটুলের মুখ ভেসে উঠছে। টুটুল, হাসপাতাল, ইমারজেনসি, রাতের ফোন এবং অবিকল সেই চিৎকার বাতিদানটা হাতে নিয়ে বনির মতো সেই প্রতিধ্বনি—আই উইল প্রেইজ দ্য লর্ড নো মেটার হোয়াট হেপেনস্! যখন চারপাশে সব গাছগাছালি, এমন সুন্দর শরতের রোদ, নীল আকাশ, এবং মাছেরা জলের নিচে ঘোরাফেরা করছে তখন এক রুগ্‌ণ বালক চুপচাপ শুয়ে থাকলে খুব খারাপ লাগার কথা। সে এ-ঘরে এলেই মঞ্জুর কষ্ট কি যে আসহনীয়, এবং কত সহজে মঞ্জু সব ভুলে থাকার চেষ্টা করছে নিজেকে দিয়ে বোঝার চেষ্টা করে। এবং তখনই মনে হল সে মঞ্জুকে কখনও সেই মানুষটার সম্পর্কে কোনও প্রশ্ন করতে পারবে না। মঞ্জু না বললে, সে নিজে জেনে নিতে পারবে না। সে নিজে বলতে চাইলে যেন মঞ্জুকে খুব খাটো করা হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআওরঙ্গজেব : ব্যক্তি ও কল্পকথা – অড্রি ট্রুসকে
    Next Article মানুষের ঘরবাড়ি – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }