Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উজান-যাত্রা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প255 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উজান-যাত্রা – ১৬

    ১৬) চতুর্থ পর্ব

    টাটা সুমোয় বলরামপুর। মাঠটা পেরিয়ে ড্রাইভার অর্জুন সিং বললেন, এবার আপনারা একটু বিশ্রাম করে আহার করে নিন। এই দুকানে আমরা খাই। মা, আপনারা খেতে পারেন।

    শালের খুঁটির ওপর পাতার ছাউনি। ভেতরে দু’—চারখানা বেঞ্চি। নিচু আর উঁচু।

    কীসে দেব? খালি না শালপাতা? দোকানে পাতা মাটির উনুনের পাশে বসা লোকটি বলল।

    শালপাতা শালপাতা—কলরব করে উঠল দুই মেয়ে। কাঁচা শালপাতায় ভাত আর শাক!

    এত লোক! —কস্তুরী বললেন, বারোমাসই কি এদের রথযাত্রা? কে জানে কে কোথায় যাচ্ছে! কাজে, নিজের বাড়ি, আমোদ—প্রমোদের সন্ধানে, বিশুদ্ধ প্রকৃতি দেখতে ভ্রমণ—পিপাসুরা। তাঁর মতো কি কেউ আছে? এমন পাগল? আতুর?

    বুঝলি, বিভূতিভূষণ এসব জায়গা চষে ফেলেছিলেন।

    তখন এসব আরও দুর্গম ছিল, জঙ্গল ঘন, জন্তু—জানোয়ার ছিল অনেক। এখন কী আছে জিজ্ঞেস করবে ওই অর্জুন সিংকে? —শিখরিণী ভয়ে ভয়ে বলল।

    আমার মনে হয় এইসব বনে—জঙ্গলে ঘুরতে ঘুরতেই প্রথম ‘চাঁদের পাহাড়’—এর কল্পনা ওঁর মাথায় আসে।

    হতে পারে। একেবারে জঙ্গল—খ্যাপা লোক। অথচ দ্যাখো বাংলার ঝোপ—ঝাড় থেকে শুরু করে সাঁওতাল পরগনা, সিংভূম, পালামৌ, ছোটনাগপুর—জাস্ট একজন মার্কামারা ডাল—ভাত খাওয়া মানুষ এসব গহন জঙ্গলে জঙ্গলে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তুমি ওঁর ডায়েরিগুলো পড়ো—অভিযাত্রিক, বনে পাহাড়ে, তৃণাঙ্কুর…।

    কথা হচ্ছিল মিঠু আর শিখরিণীর মধ্যে। মাঝেমাঝে ওরা বিভূতিভূষণ ও তাঁর অরণ্য—প্রেমের কথা পাশে বসা অন্যমনস্ক কস্তুরীর কাছে ব্যাখ্যা করছিল। একবার উনি বললেন হ্যাঁ, হ্যাঁ, ‘পথের পাঞ্চালি’ আমি জানি।

    সত্যজিৎ রায়ের ‘পথের পাঁচালী’। —শিখরিণী বলল।

    সত্যি কীভাবে যে একজন মহৎ লেখক একজন মহৎ পরিচালকের আড়ালে অস্ত গেলেন। সবাই জানে সত্যজিৎ রায়ের ‘পথের পাঁচালী’।

     

     

    কস্তুরী বলে উঠলেন, আমি জানি—বিভূতিভূষোণ ব্যানার্জির। মিঠু, তোমার মতো ব্যানার্জি। তোমার গোর্ব কোরা উচিত।

    মিঠু জিভ কাটল—এ মা, ব্যানার্জি পদবির যে কত চোর, জোচ্চোর, বদমাশ, স্বার্থপর লোক আছে কে জানে দিদি! সবাই কি আমরা বিভূতিভূষণের বংশধর। কয়েক জন্ম ঘুরে আসতে হবে।

    কাজল খাচ্ছিল কি খাচ্ছিল না, খালি স্থানীয় লোক খুঁজে খুঁজে আলাপ করছিল। —এখানে কি কোথাও মা…মানে মা থাকেন?

    মা? সবার ঘরেই তো মা রয়েছেন।

    না, অন্যরকম মা! ধরুন কেন সবাই মা বলে তাঁকে।

    কীরকম! কথা বাড়ায় না লোকটি, বলে, আপনি খুঁজে দেখুন না। তারপর তাকে আর দেখতে পায় না। এরকম দু’—তিন বার হল। চতুর্থ লোকটির বেলায় একটু কাজ হল।

     

     

    আপনার নাম কী?

    নিরঞ্জন মাহাতো, আপনি?

    কাজল মুণ্ডা।

    আচ্ছা! আচ্ছা! আপনি কি পলিটিকসের লোক?

    না, না, আমি কলকাতায় থাকি, গবেষণার কাজ করি।

    লোকটি অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল—গবেষণা! গবেষণা কথাটা সে কখনও শোনেনি।

    হ্যাঁ ধরুন, এখন আমি ট্রাইব্যালদের ইতিহাস নিয়ে কাজ করছি।

    ট্রাইব্যাল? এস. টি?

     

     

    আজ্ঞে হ্যাঁ।

    তা হলে….আপনি যদি মুণ্ডা হন, যদি কী বললেন? ইতিহাস লেখেন? তো বাগমুণ্ডিতে মাধ্ব মুণ্ডার কাছে যান, দাদা, উনি অনেক জানেন।

    তা—ই? আচ্ছা এখানে কাছাকাছি কোনও মহিলা নেই, যিনি…ধরুন শিক্ষা—সংস্কৃতির কাজ করেন!

    ট্রাইব্যাল ওয়েলফেয়ারের কথা বলছেন?

    না। সরকারি কিছু নয়।

    আপনি মাধ্ব মুণ্ডার কাছে যান, উনি অনেক খবর রাখেন। আমি তো পুরুলিয়া শহরে কম্পাউন্ডারি করি, এসেছি লক্ষ্মীকান্তপুর থেকে, অত জানা নাই।

    বালিরাম ভুক্তা বা ও অঞ্চলের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ কানাই সরেন কেউই ঠিকঠাক মায়ের ঠিকানা বলতে পারেননি। পারেননি, না চাননি কাজল খুব ভাল বুঝতে পারেনি।

     

     

    কানাই সরেন বললেন, তিনি বিহান হতে না হতে চলে যান। যাবার কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু কবে কখন তো বলেননি! একদিন উঠে চারদিকে শোর পড়ল—মা নাই, মা নাই। তখন বাবাই আমাদের বুঝালেন, শান্ত করলেন। কেউ না কেউ কখনও না কখনও আমাদের খবর ঠিক নিয়ে যায়। কিন্তু তিনি পুরুলিয়া জিলার কোথাও আছেন এ বাদে আর কিছুই বলতে পারব না।

    —এখানে উনি কী করতেন?

    —ওঁর ছিল সব মেয়্যাঁদের নিয়ে কাজ। নার্সিং, ফেমিলি প্ল্যান, মেয়েদের লেখাপড়া শিক্ষা, বিশ্বের কথা জানানো, গান শিখানো। কত বড় বড় মানুষদের কথা বলতেন। সন্ধেবেলা আমরা সব স্কুল বাড়িতে কি বাগানে জড়ো হতুম। কত গান, গল্প, ট্র্যানজিস্টর রেডিও চলত। খবরাখবর জানতুম। তারপর যেদিন ওঁর মনে হল কাজ শিখে গেছি, চলে গেলেন। তবে কাজ চলছে। এখনও! ছড়াচ্ছে কম। লোকপাড়া থেকে একটু দূর দূর।

    —মাধ্ব মুণ্ডা মশায়ের ঘর কোথায় বলতে পারবেন?

     

     

    —ওস্তাদ? কেন পারব না? ওই যো লইতন খড়ের চাল ছাওয়া ঘরটি? সামনে দুটা ঝিঙা খেলা করে। লোকটি স্নেহের হাসি হাসল।

    —মাধ্ব মুণ্ডা মশায়, ওস্তাদজি! ঘরে আছেন হে!

    —কে?

    নিচু চালের তলা দিয়ে এক বৃদ্ধ বেরিয়ে এলেন। মাথায় টোপরের মতো সাদা চুল, পাকা দাড়ি গোল করে কাটা।

    —কে বটে?

    —আমি কাজল মুণ্ডা, কলকাতার কলেজ থেকে আসছি।

    —কাজল মুণ্ডা? চিনতে লারলাম। কার ছেল্যা? বাপ কে? মা কে?

     

     

    —বাপ মনোহর মুণ্ডা, সাকিন জামবনী, ঝাড়গ্রাম। মা বাসন্তী মুণ্ডা।

    —দূর থেকে আসা হচ্ছে?

    —আজ্ঞে।

    —এঁরা কাঁরা?

    —ওঁরাও সব আমার সঙ্গে এসেছেন।

    —ইন্টারভিউ লিবেন? টিবি পগ্রাম?

    —না দাদু, টিভি. নয়। আমি ইতিহাস গবেষণা করি। রিসার্চ।

    —অ। টেপ—ক্যাসেট আনছো?

     

     

    —আছে দাদু।

    —তো বসতে আজ্ঞা হোক মায়েরা। বুঢ়ার দোষ লিবেন নাই। বুঢ়ার সব স্মরণ থাকে না। লিন, শুরু করুন।—মাধ্ব মুণ্ডা সঙ্গে সঙ্গে প্রস্তুত। কাজলও রেডি। সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন—

    —আচ্ছা দাদু, এই যে আমাদের নামের সঙ্গে একটা করে সিং জুড়ে আছে—এটা কেন?

    টেপ চালিয়ে দেয় সে। বৃদ্ধের মনে যেন কোনও সন্দেহ না জাগে।

    একগাল হেসে মাধ্ব মুণ্ডা ইন্টারভিউ দিতে শুরু করেন। একেবারে মহড়া দেওয়া, তৈরি। ভাঙা সুরে বলেন—

    কে বলে বুঢ়া মরলো

    কে বলে আছে

     

     

    ঝাড় কোলে বসিয়া

    রাঙ্গা মাটি মাখিয়া

    বুঢ়া কুরমুরে গ

    বুঢ়া কুরমুরে

    না মা এ বুঢ়া মরে নাই। কুরমুরায় নাই। রাগঝাল নাই। এই কথাটো জানবেন। কথাটো হল সকল ঘেরওয়াল তো একসময়ে এক ঘরই ছিল। কিন্তু শবর মানুষ ঠেলু মারলো, খেলো—ঠেলু আপনারা যারে বানর বলেন, উ তো আমাদেরই আগের জাতি কিনা। বানর মারা বারণ আছে। শুনলো নাই, খিদা লাগলো। কাঁড় মেরে দিল। তো সেই হতেই তারা আর মোদের জাত না। সাঁওতাল, মুণ্ডা, কুঁড়বি সব আলাদা আলাদা হল। কুঁড়বি তো হিন্দুদের সঙ্গে লেনাদেনা খানাপিনা—হিন্দুই হঁয়ে গেল। মুণ্ডাগণও হিন্দু সিং—দের সঙ্গে খানাপিনা করায় তাঁদের ছেল্যারা অনেকে সিং হইল। পুরাতন দেশে মুণ্ডা সিং এখনও রাজা আছে। সেই রাজ্য আর নাই। কিন্তুক রাজা এখনও থাকে। বলি শুনো মা—বাবাগণ, পূর্বকালে একজন সিং—এর কিসকু রাজার মেয়ের সঙ্গে পিরিত হয়। একটি সন্তান হয়, তাকে বনে পেয়ে কুড়িয়ে আনে এক মারাণ্ডি। টাকাপয়সাঅলা লোক। সে ছেলের নাম হয় মান্দো সিং। মস্ত বীর ছেল্যা, তেমন বুদ্ধি। দেওয়ান হইল। তো বিহার বয়স হইল। কেহ বিহা দেয় না। বলে কী জারজ। জন্মের ঠিকা নাই। মান্দো কুপিত হইল। বলে কী, সকল মেয়্যাঁর কপালে সিন্দুর ঘষিব। সব লন্ডভন্ড করিব। ভয়ে অনেক পলাইয়া যায়।

     

     

    কিছু লোক আবার বলে—মন্দো বড় বীর, তুড়ুকদের সঙ্গে এমন যুদ্ধ করলো, যে সূর্য ঢাকা পড়ে যায়। লাদলুদ লাদলুদ কর‍্যাঁ তুড়ুক পলাইয়া গেল।

    এহসব রাতকহানি আছে কতক। শুনছি কতদিন বুঢ়া—বুঢ়িদের থেকে। রাতের বেলা পিড়িতে বসে। আরও বলি শুনো—পুঞ্চা থানার ন’পাড়ায় হইল কৈড়া মৌজা। তার নির্ভয়পুর গ্রাম। উত্তরে কংসাবতী নদী। ওই ঠেঁ দুই দেবদেবী আছেন। বাঁইড়্যার থান বলে। হাজার বসর পূর্বে মুণ্ডারা প্রতিষ্ঠা করেন।

    —আচ্ছা! মুণ্ডারা বেশ প্রভাবশালী ছিল, বলুন—মিঠু একটু ভরসা পেয়ে কথা বলে।

    যত সময় যায় কস্তুরীবেনের মুখ শুকনো হয়ে যেতে থাকে। বুঢ়ার চোখ এড়িয়ে কাজল তাঁকে ধৈর্য ধরতে ইশারা করে। শিখরিণী চমৎকৃত হয়ে ভাবে পুরাকালে মুণ্ডারা রাজা ছিল? বহুদিন স্বাধীন রাজা হিসাবে বাস করেছে। সেই ‘আরণ্যক’—এর রাজকন্যা ভানমতীর কথা মনে পড়ে যায় তার। সেইজন্যে?—সে আপন মনে হাসে।

    কাজল বলল, আচ্ছা দাদু, এই ধরুন নতুন নতুন রাত কহানি তৈরি হয় না আপনাদের? প্রাচীন কথা নয়, এই ধরুন পঞ্চাশ বছরের মধ্যে কী হয়েছে না হয়েছে।

     

     

    বুঢ়া শুনতে পেল বলে মনে হল না।

    —আদিনারায়ণ সিং, বিহারের রাজা—সে হঠাৎ দ্বিগুণ উৎসাহে বলতে শুরু করে—তাঁরার পুত্র দেবনারায়ণ সিং শ্রীজগন্নাথ দরশনে পুরী যাচ্ছেন, লক—লশকর, রানি, বান্দি সব। চলতে চলতে রানির প্রসব বেদনা হল। কিছু লক, লশকর, ব্রামহন, রেখে তাঁরা সব চলে গেলেন। জঙ্গলে রানির চাঁন্দের মতো ছেল্যা জন্মায়। দিনের পর দিন যায় কেহ আসে না, খাবার নাই, রানি বিপদে পড়ল্যান। ওই রাজাটি ছিল মহাবীর সিং মুণ্ডার। ছোটনাগপুর—গ্রাম—উলিডি। রাজা এঁরার কথা জানতে পারলেন। বাগিচা বাড়িতে আশ্রয় দিলেন। সে ছেল্যার নাম হয় নিরঞ্জন সিং মুণ্ডা। মহাবীর তাঁকে খুব ভালবাসতেন, রাজ্যের ভার দিল্যান। রাজ্য সব মেনে যায় মুণ্ডা কিনা রাজা! রাজার কন্যা শক্তিশ্বরীর সঙ্গে বিহা হল। সুখে থাকেন। রাজ্য সুখে থাকে। ওঁরাদের সাত ছেল্যা। ক্রমে মহাবীরের ছেল্যাদের সঙ্গে বিবাদ হল। তাঁরা এঁরাদের তাড়াই দিলেন। কৈড়া গ্রামের রাজাকে হারিয়ে ওইখানে এঁরা বাস—বসত করলেন। নিরঞ্জন সিংয়ের ছেল্যারা আর সঙ্গে কুলের দেবতা। ছয় ভাই ক্রমে চারদিকে চলে যান। কিন্তু পাঁচ বসর পরপর সব কৈড়াতে মিলা হয়। বড় ভাই একদিন দ্যাখেন—কাঁড় হাতে, শিরে পুষ্প এক পরম সুন্দরী শিকারিণী দাঁড়িয়ে আছেন।

     

     

    পেরনাম করে বলেন, কে মা তুমি?

    উনি বললেন, আমি তোমারদের দেবী দুর্গা, কিরাতিনী বেশে শিকার করছিলাম। এখানেই আমার পূজা করিবে।

    সব মূর্খ লক কিরাতিনী বলতে পারে না, বলে কিয়াইসনি। এই যেমন এই মা, দশটি বাহু নাই, কাঁড় নাই, কিন্তু কিয়াসিনি বটে।

    বুঢ়া অপলকে চেয়ে থাকে অপ্রতিভ শিখরিণীর দিকে। হাত জোড় করে নমস্কার করে। তারপর ঘুরে ঘুরে সবাইকে নমস্কার করে, বলে—নিরঞ্জনের বড় পুত্র যখন কুলদেবতা বাঁইড়্যাকে আনতে গেলেন, দেবতা বললেন—আমি লকালয়ে যাবো নাই। নিরালায় থাকবো।

    সেই বাঁইড়্যার থান। বড় জাগরূক দেবতা। আর কিয়াইসিনী। নদীর দক্ষিণ কিনারে পূজা হয়। সিখানে শবরদের কুলি উঠেছে। কিয়াইকচা। ঘাটের নাম হয় কিয়াইসিনির ঘাট।

    আচ্ছা দাদু—কাজল বলল, এই যেমন বনের মধ্যে রানি, কি হঠাৎ কিরাতিনী বেশে মা দেখা দিলেন। তেমন আপনাদের কালে আপনারা দেখেননি!

    উত্তরে বুঢ়া বলল, বাঘরাই সিং মুণ্ডা ওই বংশের পূজারী। কিন্তু খুব বীর। পঞ্চকোট রাজদরবারে অঁরার কাজ হল। বাঘরাইয়ের এমন দাপুট যে রাতের পাহারা সব নিদ্রা গেলে বাঘরাই একাকীই প্রাসাদ পাহারা দিতেন। মানবাজারের রাজার সহিত লড়াই হল। রাজা ভাল লক নয়, তাঁকে ভুলিয়ে ডেকে এনে খুন করলেন। তো তাঁরার ভূতপ্রেত বিরাট মূর্তি যুদ্ধ করতেই লাগল। তখন রাজা হার মানলেন—তাঁর মন্দির গড়লেন। প্রতি মঙ্গলবার হাট হয়। এ যদি ইতিহাস লিখো তো ছেল্যা ওইখানে যাবে। ছোট ডুংরিতে দেবতার থান। বাঁইড়্যা কি বানর, লেজ নাই। কোনও মূর্তি নাই, মাটির ঘোড়া, সিন্দূর, আতপ চাল, তুলসী, ধূপ, দীপ সব দিয়া পূজা হয়। যা মানসিক করবে পেয়েঁ যাবেক। কংসাবতী সেকালে ছিল সোঁতা। এখন নদী বটে। আপনারা পৌষ সংক্রান্তি, কি ফালগুন মাসে সাত তারিখে আসবেন, দেখবেন ভারী মেলা, মোরগ লড়াই।

    শিখরিণী কাজলের দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হেসে বলল, তাই বলি! এমন বীরপুরুষদের বংশধর তো বীরই হবে!

    কাজল হেসে বলল, তাই বলি! এমন শিখরিণী দেবীর বংশধর তো শিখরিণীই হবে।

    বুঢ়া বলল, আপনারা এই সময়ে আসছেন। না পাবেন শিকার পরব দেখতে, না পাবেন ছো—নাচ। জাঁক গানও তো হইয়াঁ গেলঁ। এ বসরের মতো মা মনসার পূজা শেষ।

    আপনি তো ছো নাচেরই ওস্তাদ, দাদু?—কাজল বলল।

    আমি আর তেমন ওস্তাদ কী। ওস্তাদ হইলেন প্রহ্লাদ সইস, যাঁর ঠেঁ আমি শিখেছি।

    কখন হয় ছৌ নাচ?—শিখরিণীর খুব দেখবার ইচ্ছে।

    মার্চ মাসের পয়লা তারিখ আখ্যান যাত্রার দিন থেকে আখড়ায় মহড়া লিতে হয়। চৈত সংক্রান্তির দিন থেকে নাচ শুরু হয়। রহিন—এর দিন পর্যন্ত চলে। রহিন হল্য পয়লা জ্যৈষ্ঠ। রহিন ফল খায় সব। সাপে কাটে না। তবে এখন কেউ সময়কাল মানছে না। বারো মাসই নাচ করছে। আপনারা দেখবেন মা?

    হঠাৎ কস্তুরী বললেন, আপনার দোল আছে? কারা কোরে নাচ?

    ই সব সিং, মড়ল, মাহাতো, হাড়ি, মুচি, কামার, কুমার, রাজুয়াড়—এরা বারো মুনিস খাটে, ভাতুয়া খাটে, কি হয়তো তাদের কিছু জমি কাছে। আজকাল বড় লোকেরাও করছে। পুরুষ মানুষের নাচ মা। দল আমার আছে। হাঁক দিলেই সব জড়ো হবে। দূর দূর থেকে চলে আসবে। পাহাড় থেকে নামবে, ইদিক উদিক। ছো—র বাজনা অসুরা বাজনা। বাজনা একেবারে চঁ করে লিবেই। বিশ—পঁচিশ লোকের নাচ!

    কস্তুরী কাজলকে একান্তে ডেকে বললেন, উনি বলছেন দূর দূর থেকে সব আসে। কাজল, তাদের কাছে খোঁজ পাবে না?

    অন্যমনস্কভাবে কাজল বলল, পেতে পারি। খারাপ আইডিয়া না। আসলে সে ভাবছিল—কেমন একটা গোপনীয়তা রক্ষা করা হচ্ছে। সে টের পাচ্ছে। বালিরাম ভুক্তা বলেছিলেন সাংবাদিকরা এসে বিরক্ত করে, ইন্টারভিউ… অভিনিবেশ নষ্ট হয়।—যত এদিকে আসা যাচ্ছে—সেই গোপনীয়তা যেন বেড়ে যাচ্ছে। সে একদম নিশ্চিত যে এই মাধ্ব সিং একবার—দু’বার তার প্রশ্নের জবাব দেননি। কথা ঘুরিয়ে নিয়েছেন।

    অন্ধকার গাঢ় হয়ে এসেছে। হ্যাজাক জ্বলছে চারদিকে। ঢোল, মাদল, ধামসা বেজে উঠল। অসুরা বাজনাই বটে। লোক জড়ো হয়েছে খুব। মাঝখানে চমৎকার সব মুখোশ পরা নাচিয়ের দল। শিঙা হাতে এক বাজিয়ে তুড়ুক করে লাফিয়ে উঠল।

    মাধ্ব সিং মাঝখানে এসে দাঁড়ালেন।

    শোনেন সব—ভাই, বুন, মা, যে যিখানে আছেন। ছো হল কি খাটিয়ে লকদের ডান্স। সারাবছর খাটেখুটে, কখন কখন নাচ করে। এক আনন্দ ফুর্তির নাচ।

    চড়িদা থেকে ভাল মুখোশ আছে ওস্তাদের ঘরে। সানাই, ঝাঁঝ স—ব আছে। সিবার একাডেমি টাকা দিয়েছিল। সাজ—বাজনা কিনেছি মা।

    —আমার কথা কী—রাজনীতি করে দলগুলি ভাঙেন না। মানুষের ফুর্তি আনন্দ লষ্ট করেন না। আমি দেখছি—সব ভাঙছে, দলাদলি বাড়ছে। ছো—এর মধ্যে কোনও পার্টি নাই। এ একবার লষ্ট হয়ে গেলে পরে পস্তাবেন।

    ওরা বসেছে সামনে। কতকগুলো প্লাস্টিক চেয়ারে। কাজল সবার অলক্ষ্যে উঠে অন্ধকারের সঙ্গে মিশে গেল।

    —কোথাত্থে আসছেন গ!

    —অযোধ্যা পাহাড় থে।

    —জোর নাচ, না? বাজনা একবার বাজলে হল।

    —যা বলিছেন—লোকটি সাদা দাঁত বার করে হাসল।

    —পাহাড় এখন কেমন?

    —পাহাড় আর আগের পাহাড় নাই। ম্যালেরিয়ার মশা খুব।

    —ওখানে আপনাদের ইস্কুল—পাঠ কিছু হয়েছে। তেমন!

    —তা হঁয়েছে, তবে তেমন তেমন হলেঁ…

    গণেশ—বন্দনা শুরু হল। লোকটি মুখে কুলুপ আঁটল।

    সিঁদুর বরণ অঙ্গ

    মূষিকবাহন

    সর্ব আগে পূজা করি

    হর-গৌরীর নন্দন

    নমঃ নমঃ নারায়ণ

    গুড় গুড় গুড় করে বাজনা আরম্ভ হল। মাদল ধামসা ক্রমেই উত্তেজক হয়ে উঠছে—ঝাগিন গেঝাগিন, একজিন, গেজাগিন, গেজাগিন ঝাঁ।

    গণেশের নাচ শুরু হল বাজনার সঙ্গে।

    —কী বলেছিলেন তেমন…তেমন!

    লোকটি উত্তর দিল না। একমনে নাচ দেখছে, তালে তালে মাথা ঝাঁকাচ্ছে। কাজল আস্তে আস্তে সরে যায়। একদম অন্য দিকে চলে যায়। ভিড়ের সঙ্গে মিশে সে—ও তালে তালে মাথা ঝাঁকায়। আলগাভাবে বলে, ওস্তাদ ঠিক বলিছে, এমন নাচ—ফুর্তি রাজনীতিতে সব লষ্ট করি দিল। তাই তো মা বলেন—আর যা করিস করিস—হাঁড়িয়া ছুঁবি নাই। রাজনীতি করবি নাই।

    পাশের লোকটি বলল, ঠিক। রাজনীতিটি কেমন হল জানেন? আরেক নাচ, আরেক বাজনা। অসুরা বাজনা। চঁ করে টেনে লিবে।

    আর একজন বলল, মা যেমন পাহাড়ে জঙ্গলে ঘুরেন, উখানে রাজনীতি ঘিঁষতে পারবেক নাই। কিন্তু যখন টান্ডিতে আসেন, খুব বলেন—নিজের পড়া কর, চাষ কর, তাঁত বুন, ঘট গড়, আর আনন্দ কর। হাঁড়িয়া—আনন্দ নয়।

    আর একটি গলা, রাজনীতিও এক রসি জিনিস।

    কার্তিক আসছে, কার্তিক আসছে, শোর উঠল।

    আসিছে যে জন ময়ূর বাহন

    চড়া দিয়া ধনুর্বাণেতে

    ও ভাই আজ কী হইবে রণেতে।

    গেড়েন, ঝাঁ ঝাঁ গেজাঘেন—বাজনা বাজে—ঔর তা তেরে কেটে তা ঝাঁ—গেঁজাগেন, ঝাঁ গেঁজাগেন, তাক, তাক তাক

    —মার উখানে কুনও রাজনীতি নাই, দলাদলি নাই—কাজল বলল

    —কুন সেন্টারের কথা বলছেন? —নিমডি?

    —হাঁ, উখানেই তো উঁর কথা শুনেছি…কাজল বলল। ভিড়ের ধার ঘেঁষে ঘেঁষে আর এক দিকে চলে গেল—দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতে লাগল।

    অনেক রাত হল—মাধ্ব সিং আবার মাঝখানে চলে এলেন—আপনারা সব চলি যাবেন না। ইখানে আজ পরব—দিনের খাওয়া। এক মা এসেছেন গুজজর পদেশ থেকে। নাচ দেখছেন, পরব দেখছেন, আমাদের হিস্ট্রি শুনছেন—বড় পণ্ডিত আছেন মায়ী—সঙ্গে তেনার ছেল্যা ছুলা। উনি আপনাদের সব ভোজ দিবেন।

    একটা বিরাট শোর উঠল। সঙ্গে সঙ্গে চত্বর পরিষ্কার হয়ে গেল, পাতা পড়ে গেল। বিরাট বিরাট ডোলে কড়ায় খাবার হয়েছে। আর্টিস্ট, দর্শক, আচার্য, অতিথি, সব বসে গেলেন। খিচুড়ি, লাবড়া, মাছভাজা, চাটনি আর বোঁদে। এখানে কোনও মতেই ভাল রসগোল্লা জোগাড় করা গেল না।

    —উনি আমিষ খান না। মাকে আলাদা দাও। মা, আলুভাজা খাবেন তো? বেগুন ভাজা?

    —হ্যাঁ, নিশ্চয়ই।

    —আমিও মাছ খাব না—কাজল গিয়ে একটু দূরে বসে পড়ল কস্তুরীর পাশে। খেতে খেতে বলল, দিদি, কাজ হয়ে গেছে।

    চমকে উঠলেন কস্তুরী।

    —একসাইটেড হবেন না। জায়গাটার নাম বার করতে পেরেছি। তবে ওঁর একাধিক সেন্টার আছে। দেখি কী করতে পারি!

    মাধ্ব সিং বললেন, ছেল্যা। শেষ পালাটি বুঝলেন তো? মায়েরা বুঝেছেন?

    কাজল তেমন মন দিয়ে কিছু দেখেইনি।

    শিখরিণী বলল, ওটা তো মা—দুর্গার মহিষাসুর বধ মনে হল, কী মিঠু? তাই না? মিঠু মাথা নাড়ল।

    চারদিকে একটা হো—হো মতো শব্দ উঠল। মাধ্ব সিং এক হাত তুলে সবাইকে থামালেন। বললেন, না মায়েরা ওইটি মহিষাসুর নন, উনি হলেন দৌরদণ্ডপ্রতাপ হড়দের রাজা—হুদুড়—দুর্গা। আর্য—মানুষদের সর্দার ইন্দ্র তাঁর সঙ্গে রণে এঁটে উঠতে লারছিলেন। তখন একটি কৌশল করিলেন। এক পরমাসুন্দরী আর্য কন্যাকে হুদুড়—দুর্গার সকাশে ভোট পাঠশইলেন। এই হইল রাজার কাল। তিনি আর কিছু চক্ষে দেখেন না। সমরকালে মনে পড়ে থাকে যুবতীতে। শেষে মহারণ হইল। হুদুড় জিততে লারলেন। পরাজিত হয়্যাঁ মৃত্যুবরণ করলেন। হড় জাতি চাম্পা রাজ্য থেকে তাড়া খেয়ে অন্যত্র চলে গেল। লককথা বলে কী এই সুন্দরীর জন্য হুদুড়কে জয় করেন তাই ইন্দ্রর আজ্ঞাক্রমে এঁরই নাম হয়ে গেল দুর্গা। পূজা পেতে লাগলেন। দুর্গা বললেন আপনারা, কিন্তু দুর্গা শব্দে সাঁওতালিতে ছেল্যা বুঝায়। বিটিছেল্যা হলে হবে—দুর্গী।

    আশ্চর্য হয়ে কাজল বলল, এমন গল্প তো কখনও শুনিনি ওস্তাদজি!

    ওস্তাদ বলেন, লককথায় আছে। এ দেশ মাটি তো ঘেরওয়াল হড়হপনদেরই ছিল বাবা। সেই ঠাকুরজিউ যবে থেকে সৃষ্টি করলেন। আর্য মানুষ এসে তাদের ক্রমেই তাড়ায়, ক্রমেই তাড়ায়। এরা তো পূর্বে জংলিও ছিল না। শহর বাজার ছিল, জমি—মাটি, গড়, সেনা স—ব। স—ব যাঁইছে। তারপর তুড়ুক এল, তারপর গোরা সাহেব এল, ব্যস, সব শেষ হইয়্যাঁ গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগান্ধর্বী – বাণী বসু
    Next Article অমৃতা – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Our Picks

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }