Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উজান-যাত্রা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প255 Mins Read0
    ⤶

    উজান-যাত্রা – ১৭

    ১৭) পঞ্চম পর্ব

    গর্তের মধ্যে পড়ে প্রচণ্ড লাফিয়ে উঠল গাড়ি। মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। যাত্রা শুরুর সময়ে মেঘ—ছাওয়া ছিল আকাশ। কিন্তু এমন বৃষ্টি হবে ড্রাইভারজিও ভাবতে পারেননি। না হলে হয়তো একটা দিন থেকে আসতেই হত।

    চান্ডিল থানার ছোট্ট গ্রাম নিমডিতে যাচ্ছি আমরা। রাস্তা খুব খারাপ, আশেপাশে কিছু নেই, খালি ধুধু লাল ডাঙায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে কিছু কিছু গাছ। গর্ত এড়াবার প্রাণপণ চেষ্টায় এক এক সময় গাড়ি একদিকে বিশ্রীভাবে হেলে যাচ্ছে। শিখরিণী পড়ছে আমার গায়ে, আমি নিজেকে প্রাণপণে সামলাচ্ছি, পাছে দিদির ঘাড়ে পড়ে যাই। সবসময়ে যে সামলাতে পারছি তা—ও না। কাজল যেহেতু সামনে বসেছে ওর কোনও হেলদোল নেই। দু’পাশ থেকে ছিটকে উঠছে কাদা। গাড়ির কাচ বন্ধ করে আমরা ঘামছি।

    আপনি ঠিক যাচ্ছেন তো ড্রাইভারজি! কাজল জিজ্ঞেস করল।

    ঠিকই তো! চিনা জায়গা।—বলে বেশ নিশ্চিন্তে স্টিয়ারিংয়ের ওপর হাত রাখেন অর্জুন সিং।

    এসব ফাঁকা জায়গা বাজ পড়লে খুব বিপদ! কাজল আরও নিশ্চিন্ত গলায় বলল।

    কস্তুরীবেন বসে আছেন একদম নিশ্চুপ। তিনি কিছু শুনছেন, গাড়ির লাফানি টের পাচ্ছেন বলে মনে হচ্ছে না। একবার আমাকে বললেন, তুমি তো মাউন্টেনিয়ারিং করেছ দিদিমোণি। দার্জিলিং থেকে সন্দকফু ট্রেকিং তুমি কেন ঘাবড়াচ্ছো?

    আমি ঘাবড়াইনি দিদি, আপনার খুব কষ্ট হচ্ছে।

    আমার কুনও কোষ্ট নাই। তুমি ওতো এমব্যারাসড হচ্ছো কেন? ঠেসো, যত খুশি ঠেসো আমাকে। কিচ্ছু হোবে না। দিদি ট্রেকিং না পারে, পাহাড় চড়া না পারে, কিন্তু দুবলা নোয়, স্ট্যামিনা আচে।

    বাগমুণ্ডি থেকে উনি আমাদের দু’জনকে ফিরে যেতে বলছিলেন।

    ওনেক অ্যাডভেঞ্চার তো হল, এবার অগাস্ট গরম, বৃষ্টি হচ্ছে, রাস্তা ভাল নোয়। তুমরা ফিরে যাও। কাজলও ফিরে যেতে পারে।

    কাজল কোনও মন্তব্যই করেনি। কোনও জোরজার, যুক্তি দেখানো কিচ্ছু না। খুব পরিষ্কার যে সে তার দায়িত্ব পালন করবেই। শিখরিণীর বোধহয় ফেরবার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু আমি ফিরছি না বলে ও—ও ফিরবে না। হয়তো বাধোবাধো ঠেকছে। কিংবা হয়তো অন্য কোনও কারণ আছে। যাক, স্পেকুলেট করে লাভ নেই। আমি যাচ্ছি, দায়িত্ব আছে বলে, আবার ভাল লাগছে বলেও। কত নতুন নতুন অভিজ্ঞতা হল। সাধারণত আমি যখনই বেরোই একটা ডায়েরি রাখি। এবারেও রেখেছি। তবে মাধ্ব সিং মুণ্ডার উচ্চারণ বুঝতে আমার একটু অসুবিধে হয়েছে। পরে কাজলকে জিজ্ঞেস করে নিতে হবে। উনি আবার ভাল ভাল শব্দ ব্যবহার করছিলেন, মাঝখানে মাঝখানে স্থানীয় উচ্চারণে ক্রিয়াপদ। আমাদের কথা ভেবেই বোধহয় আবার কখনও কখনও উচ্চারণটা শুদ্ধ করবার চেষ্টা করছিলেন। হইয়্যাঁ আবার হয়ে। একটা অনুনাসিক টান আছে। খুব অদ্ভুত লাগছিল। গ্রাম, গাছপালা, স্থানীয় মানুষ, ছো নাচ সব কিছু মিলিয়ে খুব চমৎকার মানিয়ে গিয়েছিল এই অনুনাসিকতা। আমি ছৌ আগে দেখেছি, কিন্তু সে শহুরে আবহাওয়ায়, খুব জাঁকজমকের মধ্যে। এরকম বৃষ্টিহীন ভাদুরে সন্ধ্যার দিকে আকাশের তলায়, হ্যাজাকের আলোয় নয়। আলো পড়ে মুখোশের ঘামতেল জ্বলজ্বল করছিল। তাইই, এখন মনে করে দেখলুম শেষের পালাটাতে অসুরকেই প্রধান করে দেখাল। জনা দশেক সঙ্গী—সাথী, কালো মুখোশে সাদা লাল ঠোঁট। তামাটে বাবরি চুল, ওদের হাতে ছিল বল্লম, কাঁধে ধনুক, বাণ। আরও জনা দশেক ছিল—সাদা মুখোশ, কালো চুল, লাল ঠোঁট। তার মানে কালোরা হচ্ছে অসুর বা হড় জাতি, যারা মহেঞ্জোদড়ো থেকে সরতে সরতে মেদিনীপুর পর্যন্ত এসেছে। এরপর কোথায় যাবে জানে না। আর সাদারা হচ্ছে সুর বা আর্য জাতি। দুর্গার মুখোশ সবচেয়ে সুন্দর। চাঁপা রঙের মুখোশ। কুঁচি কুঁচি চুল। টানা টানা চোখ, ভ্রূ। হাতে একটা ছোট ঢাল আর বল্লম ছিল ঠিকই। কিন্তু দুর্গা দুই দলের মধ্যে ঘুরে ঘুরে যেন খেলাখেলা লড়াই করছিলেন। অন্যদের লড়াইয়ের প্রচণ্ডতা নেই। তা হলে এ সবই সেই আর্যকুমারীর ছলনা।

     

     

    দুর্গা—অসুরের এই সাঁওতালি মিথ আমাকে স্তম্ভিত করেছে। এক পক্ষের কাছে যিনি দেবী, অন্য পক্ষের কাছে তিনি মায়াবিনী! এক পক্ষের কাছে যিনি বীর, অন্য পক্ষের কাছে তিনি দস্যু। এই ‘মোহিনী’ ব্যাপারটা তো আরও আছে আমাদের পুরাণে। শিখরিণীকে বললাম। ও এসব ভাল জানে। ও বলল, সুন্দ—উপসুন্দর গল্পেও তো এমনই তিলোত্তমাকে সৃষ্টি করলেন দেবতারা! আর শুম্ভ নিশুম্ভ জানিস তো? কৌশিকী নামে এক অপূর্ব সুন্দরী নারী বা চণ্ডিকা সৃষ্টি হল। তবে এবারে ওদের নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব নয়। যুদ্ধে হারলে তবে কৌশিকীকে পাবে এই শর্ত হয়েছিল। কৌশিকী—চণ্ডীই ওদের মারেন। প্রতিবারেই মোহিনী নারীর দরকার পড়েছে, আর দেবতারা তাকে বানিয়ে নিয়েছেন। এমনকী অমৃত ভাগের সময়েও অসুরকে কী অন্যায়ভাবে ঠকাল দেখ দেবতারা! বিষ্ণু নিজে ‘মোহিনী’ সেজে অসুরদের মোহিত করে অমৃতের বাটি সরিয়ে নিলেন! অথচ দুই পক্ষ মিলেই সমুদ্র মন্থন করেছিল। তবে কী জানো মিঠু! পুরাণের অসুর—অশুভ প্রতীক, আর দেবতা—শুভ শক্তির।

    কিন্তু প্রতীক হলেও তো তাকে এথিকসঠা মানতে হবে!—আমি বলি। আসলে আমি অবাক হয়ে ভাবছিলাম—আমরা কে! হুদুড় দুর্গাদের? না অভয়া বরদা মহিষাসুরমর্দিনীর। যিনি অতুল রূপলাবণ্যের সঙ্গে সঙ্গে আবার প্রত্যেক দেবতার কাছ থেকে অস্ত্র—শস্ত্রও পেয়েছিলেন।

     

     

    দেবতারা অমৃতভাণ্ড চুরি করে নিয়েছিলেন, সেই থেকে অসুররা হাঁড়িয়া খাচ্ছে। এই আর কী! নাকের বদলে নরুন।—সামনের সিট থেকে কাজল বলল। তার গলায় সামান্য হাসির ছোঁয়া।

    আমি বললাম—তুই এই সাঁওতালি মিথটা জানতিস? —আমার খুব কৌতূহল হচ্ছিল জানতে যে ও জানে কিনা।

    না। এখন জানলাম।

    তা হলে তুই কীসের গবেষণা করছিস?

    সামহাউ ওটা আমি মিস করে গেছি।

    ছৌ তো আরও দেখেছিস, এই পালাটা দেখেছিস?

    নাঃ! এই প্রথম। আমি এতদিন তেমন ফিল্ড—ওয়ার্ক করিনি মিঠু। স্যরি। ভেরি স্যরি।

     

     

    মা, বাঁদিক বরাবর রেললাইন গেছে। ওই দেখুন দূরে ট্রেন যাচ্ছে। আদ্রা—চক্রধরপুর ধরে এলে আপনাদের আর এত কষ্ট করতে হত না। অর্জুন সিং বললেন।

    আমরা তো কলকাতা থেকে সোজা আসিনি, কাজল বলল—ঘুরতে ঘুরতে এসেছি।

    এবার আমরা একেবারে মাটির রাস্তা দিয়ে যাব—সতর্ক করলেন অর্জুন সিং। আর বলতে না বলতেই গাড়িটা ঝপাং করে এটা গাড্ডায় পড়ে গেল। বৃষ্টি থেকে গেছে, জানলার কাচ খুলেছিলাম, একগাদা কাদাজল ছিটকে এসে শিখরিণী আর আমাকে ভিজিয়ে দিল। এমা!! শিখরিণী প্রায় কেঁদে ফেলে আর কী!

    কাজল তার অবস্থা দেখে বলল—দিদি তো বলেইছিলেন—তোরা ফিরে যা। দুর্গম গিরি কান্তার মরু দুস্তর পারবার—সে অ্যাডভেঞ্চার কি আর শখের অ্যাডভেঞ্চার থাকে শেষ পর্যন্ত?

    কিন্তু গাড়ি চলছে না। গাড্ডা থেকে তুলতে হবে। আমাদের দিকটাই কাত হয়েছে। কাজল লাফ মেরে নামল। অর্জুন সিংও কাজলের পেছন পেছন। দু’জনেই কাদা—মাখা।

     

     

    এ দু’জনের কাজ নয়।—কাজল বলল। তারপর ওরা দু’জনে পরস্পর কী আলোচনা করে সামনের দিকে এগোতে থাকল। মেঘে—ঢাকা সাদাটে আকাশের তলা দিয়ে ওরা ছোট হতে হতে একটা বাঁশ ফিরে অদৃশ্য হয়ে গেল।

    আমি বললাম, আমরাও একটু নামতে পারলে ভাল হত।

    শিখরিণী রাগ করে বলল, আমাদের আর নামতে হবে না। গাড়ি তো অর্ধেকটা নামিয়েই দিয়েছে, বাকিটুকুও দেবে।

    দিদির দিকটা উঠে আছে। উনি খুব অসুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছেন।

    মিনিট দশেক এইভাবে কেটেছে। হঠাৎ দেখি আমাদের গাড়ি ঘিরে এক গাদা ছেলে। প্যান্ট গুটিয়ে পরা, গায়ে গামবুট। সবজে মতো জামা, হাতে সরু সরু বন্দুক না কী! স্থানীয় ছেলেই হবে মনে হয়।

    —কে আপনারা?

    —কোথায় যাচ্ছেন?

     

     

    —কোথা থেকে এসেছেন?

    —ড্রাইভার কোথায়?

    একটার পর একটা বুলেটের মতো প্রশ্ন ছুটে আসছে। শিখরিণী ভয়ে ভয়ে কাঁপছে। দিদি বললেন, তুমরা কে? কোথায় যাচ্ছো? কোথা থেকে এসেচো?

    কথার উত্তর দিন। কঠিন গলায় নির্দেশ এল।

    —নিমডি যাব—আমি বলি।

    —এটাই তো নিমডি!

    —একানে কি কুনও সোশ্যাল সার্ভিস সেন্টার আচে? দিদি বললেন।

     

     

    —তাতে আপনার দরকার?

    আমরা সেকানে যাবো। গাড্ডায় পড়েচি। গাড়িটা তুলে দিলে যেতে পারবো—দিদি অমায়িকভাবে বললেন।

    হঠাৎ একটা ছেলে দরজা খুলে তড়াক করে লাফিয়ে গাড়িতে উঠল।

    শিখরিণী আঁক করে উঠেছে।

    এই চোপ—ছেলেটি রাগত চোখে পেছন ফিরে বলল।

    শিখরিণী আমার হাত দুটো এমন খামচে ধরেছে যে আমার রীতিমতো লাগছে। ওর হাত সাপের গায়ের মতো ঠান্ডা। আমি প্রাণপণে আমার তাপ থেকে ওকে ধার দেবার চেষ্টা করে যাচ্ছি। বিপদে পড়লে আমার শরীর দিয়ে হলকা ছোটে। চরম সর্বনাশের জন্য আমরা প্রস্তুত। অন্ততপক্ষে আমি এরকমই হয়। জীবনটা এক গিয়ারে চলেছে। তিরিশ—চল্লিশ সাবধানী স্পিড রেখে যাচ্ছে। হঠাৎ কিছুর মধ্যে কিছু না স্পিড বেড়ে গেল। ষাট সত্তর আশি নম্বুই শ’ একশ চল্লিশ ক্র্যাশশ্।

     

     

    বাবা, তুমি হয়তো কাগজে পড়বে পুরুলিয়া জেলার নিমডি গ্রামের রাস্তার দু’টি তরুণী ও একজন প্রৌঢ়ার মৃতদেহ পাওয়া গেছে। সম্ভবত খুন হবার আগে এঁরা প্রত্যেকেই ধর্ষিত হয়েছিলেন। বডি পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে। রুটিন খবর। তুমি আজকাল এইরকম খবর পড়তে চাও না। তবু বাবা, এইটুকু যদি পড়ে ফেলো, হয়তো তোমার চোখে পড়বে নীচে তিনটে ছাপকা ছাপকা ছবি। তুমি সেভাবে আমাকে আইডেন্টিফাই করতে পারবে না, কেননা বন্দুকের গুলিতে, বাঁটে, চুরি দিয়ে ওরা আমাদের মুখ তো ফালাফালাই করে দেবে। আরও কিছু! হয়তো যোনিদ্বারে গুলি করবে ধর্ষণের প্রমাণ লোপ করতে। মণিপুরে জওয়ানরা মনোরমাকে যেমন করেছিল। আমি জানি না এরা কারা। কিন্তু যে—কোনও দলের হাতে মেয়েদের এখন এই—ই নিয়তি! তাই প্রস্তুত হচ্ছি। এই কাদাজল এবড়ো—খেবড়ো মাটির ওপর দিয়ে ওরা টানতে টানতে আমাদের নিয়ে যাবে। শিখরিণী, ইসস, তোকে কত বারণ করেছিলেন কেন এলি? আর দিদি, দিদি! সেই সুদূর উত্তর—পশ্চিমে অত প্রাণ—বাঁচাবার পর এই হতভাগ্য দক্ষিণ—পূর্বে প্রাণটা দিতে এলেন! কী খুঁজতে এসেছিলেন দিদি! কী কুক্ষণে!

    হঠাৎ শুনতে পেলাম একটা গলা বলছে, আমি এস্টার্ট দিচ্ছি, তোমরা জোরসে ঠ্যাল। দু’পাশেও থাক। পেছনেও যা। অনেকগুলো হ্যান্ড লাগবে।

     

     

    তারপর স্টার্ট দেবার শব্দ। হড়হপন হড়হপন করে গাড়িটা গাড্ডা ছেড়ে রাস্তায় উঠে গেল।

    একটু শ্বাস নেওয়ার সময়। ওরা আপাতত গাড়িটাও চুরি করছে। এই জঙ্গলের মধ্যে চট করে কেউ খুঁজতে আসবে না। এলেও গ্রেনেড, ল্যান্ডলাইন সব রেডি আছে।

    দিদি বললেন, ইউ হ্যাভ ডান আ গুড জব। ভাল কাজ করেচো। থ্যাঙ্কিউ। আমাদের ড্রাইভারজি আসছেন বোধহয়। হ্যাঁ ওই তো! তুমাদের আর কোষ্টো করতে হোবে না। ব্লেস ইউ বয়েজ, আশিস করছি তুমাদের।

    দূর থেকেই অর্জুন সিং হেঁকে বলছেন শুনছি, কাজলবাবু, গাড়ি উঠে গেছে। উঠে গেছে। আসুন।

    ছেলেগুলি বলাবলি করছিল, ওহ, অর্জুন! অর্জুন সিং।

    ওরা একটু দৌড়ে গেল। অর্জুন সিং ও কাজলের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলল। তারপর যেমন এসেছিল তেমনই উবে গেল আশপাশের বনবাদাড়ে!

     

     

    ওরা দু’জনে গাড়িতে উঠলে দিদি বেশ খুশিখুশি গলায় বললেন—তুমরা এত দূর গেলে, চেষ্টা করলে, পারলে না। দ্যাকো আমি এইকানে বসে বসে লোক জোগাড় করে ফেললুম।

    কাজল বলল, ভালই হল, ঠিকঠাক ডিরেকশনটাও পেয়ে গেলাম। এবার স্ট্রেট চলে যাব। কী রে ভয় পেয়েছিলি নাকি মিঠু, শিখরিণী? কথা বলছিস না কেন?

    আমাকে আর জবাব দিতে হল না। দিদিই বললেন, ট্রেকিং করেচে দার্জিলিং থেকে সন্দকফু, মাউন্টেনিয়ারিং শিকেচে, তুমার মুন্ডু ভয় পেয়েচে।

    ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে সরু পথ। কোনওক্রমে গাড়িটা দুলতে দুলতে যাচ্ছে। অনেকগুলো বাঁক নিল। এইবার বুঝতে পারছি আস্তে আস্তে কমছে বন, বাড়ছে খোলা জায়গা। একটা বিশেষ এলাকায় ঢুকছি। দিগন্তে মেঘমেঘ পাহাড়। ধানের খেত। মাঝখানে দিয়ে পেটা সুরকির রাস্তা। বৃষ্টি থেমে গেছে, কিন্তু জলে ছলছল করছে চারদিক। শুরু হল দু’ধারে শাল, মহুয়া, সেগুন, ছাতিম ছাওয়া পথ। দু’ধারে দুটো বিশাল অশত্থগাছের মধ্য দিয়ে আমরা ঢুকলাম। এখনও বীথিকা ফুরোয় না। কাজল হেঁকে বলল, দিদি, দেখুন দু’পাশে পলাশ, কুসুমগাছ। বসন্তকালে এই গাছগুলোতে আগুন জ্বলে। দেকোরা দলে দলে দেখতে আসে, বুঝলি মিঠু?

     

     

    মোড়ের মাথায় বাঁক নিল গাড়ি। রে রে করে দু’পাশ থেকে ছুটে এল কিছু লোক। হাঁটু অবদি ধুতি পরা। চকচকে গা। ঝাঁকড়া চুল, হাতে লাঠি।

    কে? কে? কোথায় যাচ্ছেন?

    অর্জুন সিং মুখ বাড়িয়ে বললেন, সেন্টার।

    ভোটের লোক আনোনি তো? সেবারের মতো টিভির লোক?

    না না—অর্জুন সিং পেছন ফিরে আমাদের দিকে তাকালেন —কী দিদি আপনারা টিভি—র লোক নন তো! ভিডিও ক্যামেরা নিয়ে এসেছেন?

    দিদি বললেন, কখুনোই না।

    আপনি যদি ডিরেকশন সব জানতেনই আমাদের এত ভোগালেন কেন? —কাজল জিজ্ঞেস করল।

     

     

    বাপ রে! মেরে ফেলে দিবে—অর্জুন সিংয়ের নিজস্ব বুলি বেরিয়ে এল। তাঁর মুখে চাপা হাসি।

    দু’দিকেই টালি ছাওয়া খড়ে ছাওয়া বেশ বড় বড় কুটির। পাকা ছাদঅলা একতলা বিল্ডিংও দেখা গেল। কী অদ্ভুত এক গন্ধে ভরপুর জায়গাটা। গাছের, ফুলের, ভেজা মাটির।

    দিদি থামতে বললেন, অর্জুন সিংকে। তারপর কেউ কিছু বোঝবার আগেই অদ্ভুত ক্ষিপ্রতায় গাড়ি থেকে নেমে গেলেন। হাঁটছেন গটগট করে, যেন এতক্ষণ একভাবে বসে আসেননি, পা ধরে যায়নি, যেন গাড়ি গাড্ডায় পড়ে যায়নি, যেন বন্দুকের সামনে পড়তে হয়নি। আমরাও নামলাম। কাদায় ভিজে জামাকাপড়, পাঁক লেগেছে দু’জনের মুখে। হাতের তালু দিয়ে মুখে নেবার চেষ্টা করলাম। লোকগুলি পেছন পেছন আসছে। তাদের সঙ্গে কথা বলতে বলতে গড়গড় করে এগিয়ে যেতে লাগলেন তিনি। শুধু আমরা কেন, কাজলও পেছনে পড়ে যেতে লাগল।

    মেঘ ভেঙে এবার নীল আকাশ বেরিয়ে এসেছে। সেই ঝাড়গ্রাম থেকেই এই অদ্ভুত উজ্জ্বল নীলমণি আকা আমাদের সঙ্গে সঙ্গে আসছে। তবু যেন আজকের আকাশ আরও নীল। পৌরাণিক নীল। গোলাপি আভা ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে। দূরে পাহাড়গুলোর মাথা কমলা, গোলাপি বেগুনি। একটা মস্ত দাওয়া—অলা কুটির। দু’পাশ থেকে ভিজে মাধবীলতা জড়ানো। মাঝখানে এটা চেয়ারে লাল পাড় গেরুয়া রঙের শাড়ি পরা ঠাকরান। বেশি পাকা কম কাঁচা চুলের চালচিত্রের মাঝখানে একটা ঝলমলে হাসিমুখ ফুটে রয়েছে।

    কস্তুরীদি বললেন, মিঠু, কাজল, শিখরিণী, ওই দ্যাখো আমার মা।

    আমরা ছবির মতো দাঁড়িয়ে আছি। দিদি এগিয়ে যাচ্ছেন, উনি দু’হাত বাড়িয়ে বলছেন—আয় কিকি। জানব না কেন? রমাই তো খবর পাঠিয়েছিল।

    আমরা বুঝতে পারছি দিদির ভেতরে ঢেউ। প্রায় অর্ধশতাব্দী পরে দ্যাখা। এক হারানো জেনারেশনের সঙ্গে এক সন্ধানী জেনারেশনের। কখনও পাঁচজনের সামনে আবেগ প্রকাশ করেননি। ভীষণ যুঝছেন নিজের সঙ্গে।

    পরস্পরকে চোখের ইশারা করি। ঘাসজলের ওপর দিয়ে ছপছপ করে হাঁটতে থাকি পেছন ফিরে। আশেপাশে ছেলে, মেয়ে, ছোট বড়, ওদের জিজ্ঞেস করতে থাকি।—কোথায় কী? কেন? কী ভাবে?

    ওই যে তাঁতঘর। ওখানে আমাদের কাপড় বোনা হয়। ওই দেখুন টিচার্স ট্রেনিং সেন্টার। দোতলা বাড়িটা স্কুল। না, ওই একটাই, কো—এডুকেশন। না, কলেজ সেভাবে নেই, হায়ার এডুকেশনের জন্যে আমরা বাইরে যাই। ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিক্যাল, আরও যা টেকনিক্যাল ট্রেনিং। এখানে বৃত্তিশিক্ষা। অ্যাগ্রিকালচার, পিসিকালচার, দূর দূর থেকে ট্রেনিং নিতে আসে। ধরুন বাঁকুড়া, বীরভূম, মেদিনীপুর, ওদিকে রাঁচি, হাজারিবাগ…আমাদের সেন্টার তো একটা নয় দিদি। অযোধ্যা পাহাড়ে আছে, পুঞ্চায় আছে। দলমার ওপর ঘন জঙ্গলের মধ্যে আছে। সারা পুরুলিয়ায় কুয়ো কাটছি, রাস্তা গড়ছি আমরা। এই যেসব বিল্ডিং দেখছেন—সব করেছে সেন্টারের লোক।…মা তো দলমাতেই থাকেন। বর্ষায় নিমডি কি আর কোথাও নেমে আসেন। নিমডিতেই বেশির ভাগ। হ্যাঁ—ফুলের চাষও হয়, এখন বেল, জুঁই, কামিনী…হ্যাঁ ওটা গন্ধরাজেরই বাস। মা এনে পুঁতেছিলেন। কী জানি আমাদের এখানে সারা গ্রীষ্ম, সারা বর্ষা ফোটে। ফুটে ফুটে হদ্দ হয়ে যাই ভাই। তবে হ্যাঁ, ফুল দেখতে হয় শীতকালে। একেবারে রঙিন। সেসব ফুল মার্কেটিং হয়। আমাদের মৌ, ছাতু এসব নিয়মিত বাজারে যায়। মুরগি চাষ হয়, দুধ প্রচুর। আমাদের খেয়েও প্রচুর থাকে। ঘি, মাখন, ক্ষীর হয়, বাজারে যায়।

    ওঁরা দেখান—ওই যে দেখছেন পাহাড় সব—তিল্লা, ভাঙ্গাট, দলমা, চাণ্ডিল পাহাড়। পাহাড়ের দিকে এগোলে দেখতে পাবেন ঘাঘরা নদী। এখন তো খুব জল। এ বছর বৃষ্টি হচ্ছে খুব। আমরা বড় বড় চৌবাচ্চায় ধরে রাখি। কাল ঘাঘরা দেখিয়ে আনব। তবে আমাদের সীমানার মধ্যেও একটা নদী আছে। ঠিক নদী নয়, ঝরনা। আমরা বলি কপিলা। সেটাতে বাঁধ দিয়েছেন আমাদেরই পুরনো ছাত্র—এক ইঞ্জিনিয়ার। নিশ্চয়ই! যাঁরা ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, বা অন্য কোনও টেকনিশিয়ান হয়েছেন তাঁরা সাহায্য করেন, নিয়মিত আসা—যাওয়া করেন। এখন হাসপাতালে আছেন ডক্টর বীরেন্দ্রনাথ বাস্কে। নাসিং সেন্টার আছে, অ্যাম্বুলেন্স আছে। তবে কী জানেন—এখানকার জলহাওয়া এত ভাল, আর আমাদের জীবনযাত্রা এত স্বাস্থ্যকর, সে নার্সরাই বেশির ভাগ সামলে দিতে পারেন। ওই তো কপিলা। বর্ষার জল আর তার আওয়াজ শুনেছেন? কাছেই ওটা আমাদের আর্ট স্কুল। সামনের মূর্তিটি আমাদের বাবার। গড়েছে এখানকার ছাত্র সুধন্বা কোটাল। এখন দিল্লির ললিতকলায় আছে। হ্যাঁ হ্যাঁ, আমাদের এখানে আটকে থাকার দরকার নেই তো! বহু দেশে—বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছেন আমাদের লোকেরা। মা তো তা—ই চান। যাক। কত দূর থেকে এসেছন সব, কী কষ্ট করে, এই আমাদের অতিথিনিবাস। সব রেডি আছে। গরম জল, সাবান—আসুন আপনাদের ঘর দেখাই। চানটান করে নিন। খাওয়াদাওয়া করুন।

    সময়ের ব্যবহার কী অদ্ভুত! কত কাল আগের ঘটনা, মনে হয়, এই তো কাল ঘটল! আমার মাত্র দু মাস আগের কথা মনে হয় কত দিন! মায়ের যন্ত্রণা, মায়ের চলে—যাওয়া, প্রতিদিনকার খুঁটিনাটি কথাবার্তা সমস্ত এখনও আমার মনের মধ্যে টাটকা। এখনও সেই তীব্র কষ্ট পাকিয়ে উঠতে থাকে নাভি থেকে চোখ পর্যন্ত, ছড়িয়ে যায় মাথার তন্তুতে তন্তুতে। মানি নি, মানব না। মা একটা জলজ্যান্ত সত্য আমার জীবনে। মায়ের কষ্ট একটা জলজ্যান্ত সত্য। কিন্তু কস্তুরীদির সঙ্গে ক’মাস, ঝাড়গ্রাম, জামবনি, গিধনি, পুরুলিয়া, নিমডি…রতনদা…মাধ্ব মুণ্ডা….নির্ভয়পুর…?

    এই তো সেদিন পুরো জেলা সার্ভে করে মোটা মোটা খাতা নিয়ে ফিরলাম! রীতিমতো ফিল্ড—ওয়ার্ক, মানুষ নিয়ে, মানুষের দশা তাদের গল্পকথা সমস্ত নিয়ে। অথচ মনে হয় কতদিন! এই তো সেদিন কস্তুরীদিকে হাওড়া—আমদাবাদের ফিরতি ট্রেনে তুলে দিয়ে এলাম! তাঁকে আসতেই হল। ফিরতেই হল। কিন্তু সে যেন আরেকবার মায়ের নাড়ি ছেঁড়ার কষ্ট। আমাদেরই তো ছিঁড়ে নিয়ে আসতে হল। নিঃসংকোচে কাঁদছিলেন। এই তো সেদিন! অথচ মনে হয় কত কত দিন আগে! হয়তো বা স্বপ্ন দেখেছিলাম। ব্রিটিশ মিউজিয়ামের কাজ সেরে রাসেল স্কোয়্যারের পেভমেন্ট দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে আমরা বলাবলি করি।

    —কী রে, স্বপ্ন হলেও সত্যি, না?

    —কিংবা সত্যি হলেও স্বপ্ন!

    বলি, পাহাড়টার নাম ভাঙ্গাটই তো? ভাঙা ঘাট! আর ঝরনাটা? কপিলা, না কলকল্লোলা!

    আর যারা তোদের ধরেছিল? কী করে ভাবলি ওরা রেপিস্ট? ওরা কি পুলিশ? জওয়ান?

    —স্যরি। কিন্তু এনকাউন্টার উইথ মাও—গেরিয়া, বেঁচে ফিরেছি—বিশ্বাসই হয় না। এখনও নিজেকে নিজে চিমটি কাটি।

    —তা যদি বলিস তুই ইনকরিজিবল স্কেপটিক একটা। তোকে কিছুই বিশ্বাস করানো যায় না। আমাকে বিশ্বাস করিসনি। আমরা যেটা করছি সেটা যে মূল্যবান কিছু, নিছক পণ্ডিতি গজল্লা নয়, সেটাও বিশ্বাস করিস না।

    —বলি, আর তুই!

    —তুইই বল।

    —অ্যান ইনকরিজিবল রোম্যান্টিক!

    জনবহুল লণ্ডনের রাস্তা দিয়ে কপিলা কলকল্লোলে বইতে থাকে। মেঘের ওপারে দলমা….তিল্লা…ভাঙ্গাট….। জল ছলছল ঘাসের ওপর দিয়ে আমরা স্বপ্নের দিকে সম্ভবের দিকে হেঁটে যাই।

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগান্ধর্বী – বাণী বসু
    Next Article অমৃতা – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }