Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উজান-যাত্রা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প255 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উজান-যাত্রা – ৫

    ৫) সে

    এত সবুজ সত্ত্বেও গ্রীষ্মকালে সল্ট লেক ফার্নেস হয়ে থাকে। সন্ধের পর একটা মিনি কালবৈশাখী হল। চড়বড় করে একটু শিলাবৃষ্টি। যত না জল তার চাইতে বেশি শিলা। সকলেই বলছিল, রাতটা ঠান্ডা হবে। পার্কের পাশে একটা গাছ পড়েছে। এইগুলো খুব গোলমেলে ব্যাপার। কোন গাছটার মূল আলগা হয়ে গেছে, কোনটার ভেতর ফোঁপড়া, চট করে বাইরে থেকে বোঝা যায় না। গাছটা পুরো রাস্তা জুড়ে আড়াআড়ি পড়েছিল। ভাগ্যিস ঝড়—বৃষ্টির সময়ে কেউ ধারেকাছে ছিল না! পড়ার সামান্য আগেই কাজল বাড়ি ফিরেছে। যাঁদের বাড়িতে পেয়িং গেস্ট থাকে সেই অধিকারী মাসিমা খবরটা দিলেন।

    ঝড়—বৃষ্টির সময়ে বাইরে থাকাটা খুব অনিরাপদ হয়ে যাচ্ছে, বুঝলে কাজল? ঝড় দেখলেই কোনও না কোনও শেড—এ দাঁড়িয়ে পড়বে।

    অধিকারী দম্পতি তার একদা অধ্যাপক রমেন সান্যালের পরিচিত। ওঁর সূত্রেই এখানে ও জায়গা পেয়েছে। ঠিক যে ধরনের মধ্যশ্রেণীর জন্যে বিধান রায় সল্ট লেক সিটির পরিকল্পনা করেছিলেন এঁরা একদম সেই জাতের। সচ্ছল কিন্তু তার জন্য পরিশ্রম করতে হয়। হিসেব করে চলতে হয়। ওঁদের মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে, সে বিদেশে থাকে। সাগরপার। ঠিক কোথায় কাজল জানে না। তার কৌতূহল নেই। আর ছেলেটি বাঙ্গালোরে পড়াশোনা করছে। ছেলেটির খরচের জন্যই বোধহয় ওঁদের পেয়িং গেস্ট দরকার পড়েছিল। জমানো টাকা প্রায় নিঃশেষ করে ছেলেকে পড়ানো! ও পেয়েছে মেজানিনটা। একতলায় দু’টি ঘর ও একটা কলঘর শেয়ার করে থাকে আরও তিনটি ছেলে। অধিকারীদের ছেলে যেমন পড়তে গেছে বাঙ্গালোর, এরা তেমন চাকরি করতে এসেছে কলকাতায়। একজন বোধহয় কম্পিউটার—বিশারদ, কাছাকাছি সল্ট লেকেই অফিস। অন্য দুজন দক্ষিণী—এরা মুম্বই থেকে বেসরকারি কোম্পানিতে এসেছে। আবার হয়তো মুম্বই ফিরে যাবে। কম্পিউটারের ফেরার কোনও নির্দিষ্ট টাইম নেই। অফিসেই বোধহয় খাওয়াদাওয়া করে। দক্ষিণীরাও বাইরে। ওদের খাওয়াদাওয়া আলাদা। তবু তিনজনকেই ব্রেকফাস্ট পাঠান মাসিমা। কাজলের সঙ্গে তিনবেলারই বন্দোবস্ত। কোনওদিন বাইরে আটকে গেলে, কোথাও খেয়ে নিতে হলে—ও মাসিমাকে ফোন করে দেয়। যদিও কাজল কারও সঙ্গেই খুব ঘনিষ্ঠতা করতে চায় না, তবু এঁদের সঙ্গে তার একটা চমৎকার সম্পর্ক দাঁড়িয়েছে। ছেলের মতোই স্নেহ করেন তাকে। ওঁদের খাবার সময় কাঁটায় কাঁটায় ন’টা। তার মধ্যে কাজল না ফিরলে ওর ঘরে ক্যাসেরোলে খাবার এসে যায়।

    শেডে দাঁড়ানো সম্পর্কিত পরামর্শটা দিয়েই ওঁরা রাতের মতো বিদায় নিলেন। কাজল আগে চান করল ভাল করে। এই ঝরঝর চানটা তার একটা বাতিক। সব সময়েই মনে হয় কোথাও কোনও ময়লা রয়ে গেল। বড্ড বেশি ঘাম, দুর্গন্ধ বেরোচ্ছে বোধহয়। বোধহয়। সত্যি হয় সবসময়ে। তাই এটাকে বাতিক বলাই ভাল। কোথায়, কোন অভিজ্ঞতায় এই বাতিকের মূল! শাওয়ারটা ছেড়ে সে ঊর্ধ্বমুখে চোখ বুজে দাঁড়ায়। কাজল কখনও উলঙ্গ হতে পারে না। একটা না একটা কটিবস্ত্র চানের সময়ে তার চাই—ই। একটা মেরুন রঙের মাদ্রাজি গামছা পরে সে শাওয়ার অনুভব করে। যেন সে বৃষ্টিতে ভিজছে। ভিজতে চাইছে। সব বৃষ্টি একরকম নয়, শাওয়ারের নবটা পুরোপুরি ঘুরিয়ে দেবার পর যখন ফিনকি দিয়ে জল ছোটে তখনও সেটা বর্ষার বৃষ্টি হয় না। বর্ষার বৃষ্টির ধারা কী মোটা এবং বল্লমের মতো ফলাঅলা। তেমন তেমন হলে তোমাকে উড়িয়ে নিয়ে যাবে। চামড়ার তলায় হাড়ের কাঠামোসুদ্ধ ভিজে যাবে। অন্য দুই ঋতুর বৃষ্টির স্বাদ মোটের ওপর শাওয়ারে বোঝা যায়—ফাগুনের বৃষ্টি, শালমঞ্জরীর গন্ধ মাখানো। আশ্বিনের হালকা বৃষ্টি, হাসির মতো। উচ্চরবে হাসছে কে আড়ালে, চট করে আকাশ নীল, তাতে কাশঝাড় ভেসে যাচ্ছে। উদোম, একেবারে উদোম একটা ছোট ছেলে ভিজছে, সপাটে ভিজছে, হি হি করে কাঁপছে ঠান্ডায়। তারপর ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে চলেছে। বৃষ্টির তোড় তাকে ক্রমেই পেছনে ঠেলে দিচ্ছে, আবার কখনও কখনও পেছন থেকে দমকা হাওয়া এসে সামনে হুমড়ি খাইয়ে দিচ্ছে প্রায়। কিন্তু তার পলকা শরীর, পড়ে গেলেও সে উঠে দাঁড়াতে অসুবিধে বোধ করে না। ছুটছে, সে ছুটছে। হঠাৎ খেয়াল হয়, বৃষ্টি থেমে গেছে। কিন্তু আকাশ দেখা যাচ্ছে না। কী হল? এত জল সে রাতবিরেতে ব্যবহার করে ফেলেছে যে ট্যাঙ্কের জল শেষ?

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বইয়ের
    বইয়ের
    বই পড়ুন
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    অনলাইন বুকস্টোর

     

    মোছামুছি শেষ করে, তাড়াতাড়ি বেরিয়ে আসে সে। পায়জামা শার্ট পরে নেয়। চোরের মতো চুপিচুপি নীচে চলে যায়। পাম্প ঘরে রাত্তিরের তালা লাগানোটা তারই কাজ। তালা লাগানো, নীচের সব কোল্যাপসিবল, গ্রিল চেক করা। সে পাম্পটা চালিয়ে দেয়। রাত্তিরে জল দরকার হলে কেউ পাবে না। একটা মৃদু ঝাঁকুনি দিয়ে পাম্প চলতে শুরু করে। ভীষণ লজ্জা পায় কাজল। যদি ওঁদের ঘুম ভেঙে যায় শব্দে! কী মনে করবেন? কাজল মুণ্ডা সব জল শেষ করে দিয়েছে। ওঁরা এসব ব্যাপারে খুব সতর্ক। দু’বারের বেশি পাম্প চলে না। ছি, ছি, কী করল? কেন, কাজল কেন? কী এমন করেছ যে তোমার এত সংকোচ! হতেই পারে, একদিন হয়ে যেতেই পারে। ঈশ্বরের দেওয়া জলে, হাওয়ায়, ভূমিতে ও ভূমিজ উদ্ভিদে সকলের অধিকার। সেই অধিকার একটার পর একটা কেড়ে নেবে তারপরে কৈফিয়ত চাইবে? না কাজল। এ শুধু ঈশ্বরের দেওয়া জল নয়, এর ওপর মানুষের যান্ত্রিক হাত পড়েছে। ইলেকট্রিসিটি পোড়ে, খরচ বেশি হয়, বাঙ্গালোরে ছেলেটির জন্যে কত লাখ টাকা গুনে দিতে হয়েছে কে জানে? কম্পিউটার পড়ছে। পাশ করে বেরোলে অমন কত লাখ টাকা উশুল হয়ে যেতে পারে, আবার না—ও পারে। ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। উপেন্দ্র, লখাই, গমস্তাপ্রসাদ, সুন্দরী, বুধুয়াদের থেকেও অনিশ্চিত? দূর, ভুল হল। ভবিষ্যৎ বলে কিছু নেই দুনিয়ায়, কে ভাবতে যাচ্ছে ভবিষ্যতের কথা? বর্তমানটাকে কোনওক্রমে টিঁকিয়ে রাখা। মরে গেছে? মাত্র তেত্রিশ বছর বয়সে তেষট্টির বার্ধক্যে পৌঁছে মরে গেছে? পেট এসে পিঠে ঠেকেছিল! ভবিষ্যৎ আবার কী! বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে, ভীষণ শব্দে অদূরে বাজ পড়ল। উদোম ছেলেটা দেখল সেই উদোম বাজ—একটা যমজ নারকেল গাছ তুমুল বৃষ্টির মধ্যেও জ্বলছে, জ্বলে যাচ্ছে। আবার পেছন দিকে দৌড়োনো, আবার পাশ কাটিয়ে সামনে। ভবিষ্যতের ভয়হীন। অথচ ভবিষ্যতের সন্ধানে অন্ধ দৌড়োনো।

     

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    বই
    Books
    বাংলা বই
    বই পড়ুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বইয়ের
    রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্য
    কৌতুক সংগ্রহ

     

    ক্যাসেরোলের ঢাকা খুলতেই চমৎকার একটা গন্ধ নাকে আসে, দৃশ্যটাও চমৎকার। আজ বৃহস্পতিবার। এঁরা নিরামিষ খান। নিরামিষের সৌজন্যে ভাল ভাল কিছু পদ খাওয়া হয়ে যায়। বড় বাটিতে পোলাও। ছোট বাটিতে ছানার ডালনা। অধিকারী মাসিমা! এভাবে পোলাও টোলাও দেবার দরকার নেই। কেন কষ্ট করে করতে যান? ভাত—শুধু গরম ধোঁয়া ওঠা ভাত, সঙ্গে একটু আলু পেঁয়াজ লঙ্কা—বিশ্বাস করুন—এই আমার রাজভোগ। এখনও। ছোটবেলায় মানুষ যা শেখে, আর কখনও ভোলে না।

    খেতে খেতে সুস্বাদে স্বাস্থ্যবান জিভ লালায় ভরে যায়। একই সঙ্গে কাঁটা ফুটতে থাকে, মাছের কাঁটা, ক্যাকটাসের কাঁটা…ক্যাকটাস ঝাড়ে ঝাড়। বিস্তৃত টাঁড়ভূমি, ক্রমাগতই বৃক্ষচ্ছেদ, ভূমিক্ষয়, এবং মরুভূমি। তাকে ক্যাকটাস।

    কাজল জানে আজকের এই অপরিমিত চান ও ঠাকুরের প্রসাদের মতো খাওয়ার পরে, কাজ করতে করতে তার চোখের ঝাঁপ পড়বে, ঝাঁপ পড়ে যাবে কণ্টকময় মরুবালুতে, সে নিবিড় ঘুমোবে। সুস্থ শরীরের, স্বাস্থ্যবান মানুষের নিশ্ছিদ্র ঘুম। ঈষদুষ্ণ উদ্দীপ্ত আলস্যে ভরে থাকবে কালকের দিন। আলস্য ঠিক নয়—শান্তি। শরীরটা যেন ধ্যানমগ্ন কিন্তু অফুরন্ত কাজ করবার ক্ষমতা। মিঠু তার চকচকে চোখে কৌতুক ও বিস্ময় মাখিয়ে জিজ্ঞেস করে—তুই তো অদ্ভুত! দেখে তো মনে হচ্ছে শান্তস্য শান্ত, কিন্তু বেশ তো দুটো উচিত কথা শুনিয়ে দিলি। এমন করে দিলি আবার কিছু মনে করতেও পারবে না লোকটা। দেখে মনে হচ্ছে ঘুমন্ত পুলিশ, কিন্তু গুচ্ছেরখানিক ইনফর্মেশন, আর্টিকল ডাউনলোড করে ফেলেছিস। রাধিকাদির পেপারটা পুরো হয়ে গেল? চব্বিশ পাতা, ওই খুদি খুদি হাতের লেখায়! নমস্য বাবা তুই।

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    বই পড়ুন
    কৌতুক সংগ্রহ
    বইয়ের
    রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বইয়ের তালিকা

     

    মিঠুকে কাজল ঠাট্টা করে বলে—হিরো—হান্টার। সবসময়ে নমস্য করার খোঁজে রয়েছে। ‘ভক্তিমতী বালিকা’ বলেও সে ডাকে ওকে। বেশ কথা কী, মিঠুর লাল—নীল সবুজ—হলুদ—গোলাপি হ্যান্ড—মেড পেপারের অটোগ্রাফ খাতায় জ্বলজ্বল করছে তার সই। এত চালাক যে অটোগ্রাফ বলে চায়নি। বলেছিল তুই বেশ সুন্দর সুন্দর বাণী জানিস, একটা লিখে দে না রে, তলায় বেশ তোর নাম লিখে দিবি।

    তার মানে? অন্য লোকের বাণী দেব, তলায় লিখব আমার নাম!

    তাতে কী হয়েছে? তুই কি কারও বাণী চুরি করছিস? তাঁর নামটাও লিখে দে, সোর্সটা জানতে আমার সুবিধে হবে, তোর কাছ থেকে পেয়েছি সেটাও জানা থাকবে। ভুলভাল লিখলে ক্যাঁক করে ধরব।

    কী ব্যাপার বল তো!

    তাড়াতাড়ি মিঠু বলে, ব্যাপার তেমন কিছু নয়। আই জাস্ট ওয়ন্ট টু লার্ন। বাণী জমাচ্ছি। ভীষণ দরকার হয়, আমাকে পপুলার আর্টিকল লিখতে হয় তো গুচ্ছের! জানিসই তো সব!

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা কৌতুক বই
    বই ডাউনলোড
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বইয়ের
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল

     

    কাজলের ঘুণাক্ষরেও সন্দেহ হয়নি মিঠু এইসব ভ্যানতাড়া করে তার অটোগ্রাফ নিচ্ছে। এ পর্যন্ত কেউ তার অটোগ্রাফ নেয়নি, ভবিষ্যতেও নেবে না। বাণী চাই? আরে! মানুষের কত বাণী দলে দলে/ অলক্ষিত পথে উড়ে চলে/অস্পষ্ট অতীত হতে অস্ফুট সুদূর যুগান্তরে…। বাণীর অভাব কী? অভাব সেইসব মানুষের যারা সেইসব বাণী অনুযায়ী কাজ করবে। হঠাৎ কিছু না ভেবেই সে লিখে ফেলেছিল—লুক অ্যাট দা লিলিজ হাউ দে গ্রো—দি বাইবেল। নিউ টেস্টামেন্ট, সাপোজেডলি আটার্ড বাই জিশাস। পরে নিজের নামটা কীভাবে দেবে ভেবে না পেয়ে অবশেষে লিখেছিল—কোটেশন কার্টসি কাজল মুণ্ডা।

    সে কী খুশি মিঠু! যেন হাতে স্বর্গ পেয়েছে!

    কেমন কায়দা করে তোর অটোগ্রাফটা নিয়ে নিলাম বল!

    অটোগ্রাফ! আমার? তা বলতে হয়! লিখে দিতুম একটা লাগসই বাণী, যেটা তোর পক্ষে লাগসই হত!

    মিঠু বিমর্ষ হয়ে বলেছিল, এ মা! তাহলে তো কায়দাটা বৃথাই গেল। এত বুদ্ধি খাটালাম। দে না রে নিজস্ব একটা বাণী!

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    ডিকশনারি
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা বই
    গল্প, কবিতা

     

    আর হয় না। কাজল মুণ্ডা ইজ নট দ্যাট অটোগ্রাফ ফ্রেন্ডলি!

    আচ্ছা, কেন খ্রিস্টের কথাগুলো সর্বপ্রথম তার কলমে উঠে এসেছিল! স্মৃতির খাতায় কীভাবে কী ক্রম অনুযায়ী কথারা সাজানো থাকে? নিজের কোনও বিশ্বাসের ক্রম? ভাল লাগার ক্রম? না কি প্রথমে ও বারে বারে শোনার ক্রম? ফাদার মরিসন তাদের মুণ্ডাদের সম্পর্কে কথাগুলো প্রায়ই বলতেন। সাঁলতাল, মুণ্ডা, লোধা, শবর! তিনি আরও বলতেন—ব্লেসেড আর দা মিক, ফর দেয়ার্স ইজ দা কিংডম অব হেভন। এখন, তিনি কি সত্যিই এই সারল্য পছন্দ করতেন, না তাদের খোশামুদি করতেন সে জানে না। ফাদার মরিসন তার জীবনের প্রথম মানুষ যাঁকে সে শ্রদ্ধা করেছে, বিশ্বাস করেছে। কিন্তু সারল্যই যদি কাম্য, তাহলে কেন শিক্ষা? কেন আপামর মানুষ ও সমাজের সঙ্গে মানিয়ে চলার ট্রেনিং? ঈষৎ তিক্ততার সঙ্গে মনে হল—হ্যাঁ স্বর্গের দরজা তো গরিবদের জন্যে বটেই। তাড়াতাড়ি চলে যায়।

    ফাদার যাই বলুন, লিলির মতো সহজে গজিয়ে উঠে অপরের চিত্তবিনোদন করার বিন্দুমাত্র সাধ তার নেই। থাকা উচিত নয় কারও। শিক্ষা মানুষের সহজাত নয়। বুদ্ধি খানিকটা, স্মৃতি খানিকটা। কিন্তু তাদেরও অভ্যাসে অভ্যাসে বাড়াতে হয়। এবং সেই বুদ্ধি দিয়ে মনন হয়, আবিষ্কার হয় নতুন নতুন চিন্তাপথ। এটা সহজাত আহার—নিদ্রা—আমোদ—মৈথুনের বাইরে। সুতরাং খ্রিস্টের উক্তি নেহাতই কবিতার পঙক্তি তার কাছে। লিলিজ? —অর্ধভুক্ত নেংটি পরা অকালবৃদ্ধ শরীর, যেটুকু বা টাঁড়জমি, মহাজনের গর্ভে গেছে। বনের কাঠকুটো, কন্দমূল, ইঁদুর, সাপ, ব্যাঙ ভরসা। ফসল ওঠার সময়ে নামলে হাওয়া, ইট—ভাটার হাড় ভাঙা খাটুনি, পরব বলতে কতকগুলো জটিল আচারের মিশ্রণ, ঠাকুরের ভোগে হাঁড়িয়া, আমোদে হাঁড়িয়া, বৃদ্ধ—বৃদ্ধরা, শুধু হাঁড়িয়া খেয়েই ঢুলতে থাকে সন্ধ্যা হলে। এখন সে বোঝে মানুষ হয়ে জন্মে কোথাও কোনও সার্থকতার আনন্দের উপায় নেই, তাই এইভাবে হাঁড়িয়ায় ভুলে থাকা। দূরদেশি কোন রাখাল ছেলে…, রাখাল, বাগাল, বেগার,—দূর থেকে কী চমৎকার পল্লিদৃশ্য! লিলিজ?

     

    আরও দেখুন
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা কৌতুক বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    গল্প, কবিতা
    নতুন বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    Books
    ডিকশনারি
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন

     

    আজ সে ছুটি নিয়ে নিয়েছে। ব্যায়াম সেরে ইডলি দিয়ে প্রাতরাশ সেরে সে কম্পিউটার নিয়ে বসে পড়ল। আজ সে সাড়ে তিনটের সময়ে কস্তুরীবেনের সঙ্গে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করেছে। ভদ্রমহিলা সেই এসে থেকে কই একবারও তার সাহায্য টাহায্য চাননি। অথচ তারই ওপর ওঁর ভার দিয়েছেন কানাইদা। সে অবশ্য প্রায় প্রতিদিনই খবর নেয়। উনি সোব সময়েই ভালো আচেন, আর ওঁর কিছুতেই অসুবিদা হচ্ছে না। বললে হবে? উনি এখন একজন নামকরা মহিলা। চিরকালই ছিলেন। কিন্তু কে, কোথায়, কী ধরনের কাজ করছেন, সবসময়ে তো জানা সম্ভব হয় না! গুজরাত কাণ্ডের পর উনি ভারতবিখ্যাত হয়ে পড়েছেন। নিজের প্রাণ বিপন্ন করে কীভাবে উনি বন্দুক নিয়ে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন, তিয়াত্তর জন মহিলা—পুরুষকে কীভাবে বাঁচান, সেসব এখন গল্প কথা। মিডিয়ার কল্যাণে মুখে মুখে ফেরে। সে সুদূর গুজরাতের হলেও। নিজের কী ব্যক্তিগত কাজে উনি একেবারে চুপিচুপি কলকাতায় আসছেন এবং সেই সূত্রেই কানাইদাকে চিঠি দিয়েছিলেন। কানাইদা কাজে গেছেন জলপাইগুড়ির দিকে ফালাকাটা সেন্টারে। তাকে এবং মিঠুকে ওঁর দেখাশোনার ভার দিয়ে গেছেন। তা ওরা ওঁর ভার নেবে কী? উনিই ওদের ভার নিলে ভাল হয়। তার ওপর তো ওঁর সারা ছোটবেলাই নাকি কলকাতায় কেটেছে। কলকাতার অনেক কিছুই ওঁর জানা। কলকাতা যে কত পাল্টে গেছে, এপাশ ওপাশ ঘিরেছে, উনি হয় সেগুলো জানেন না বা মানতেই চান না। —ও, এই সেই রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অব কালচার। এখানে কতকগুলো কদমগাছ ছিল। খুব ফুল দিত। এইখানে তো বাঁকতে হোবে। আরে এ ড্রাইভারজি হমকো ফার্ন রোড জানা। ছটফট করে সারাক্ষণ কলকাতা সম্পর্কে নিজের জ্ঞান প্রমাণ করতে করতে আসছিলেন। তবে এখানে ওঁর যে যথেষ্ট ভাল একটা বাড়ি আছে, তার দারোয়ানও মজুত, অতশত ওরা জানত না। উনি না আসলে কী হবে? ওঁর চেনাশোনা বহু লোক কলকাতায় এলে সেই বাড়িতে ওঠে। অর্থাৎ একটা চালু ব্যবস্থা আছে। কী ব্যক্তিগত কাজে উনি এসেছেন তা তারা জানে না। কিন্তু এইরকম মজবুত ব্যাকগ্রাউন্ড যাঁর তাঁকে দেখাশোনার কাজটা বাহুল্য ছাড়া কী! সে ওঁকে খানিকটা বুঝতে পারে, জানে, স্বাধীনচেতা মানুষরা নিজেদের স্বাধীনতা স্বাবলম্বিতা সম্পর্কে অতিমাত্রায় স্পর্শকাতর, হয়তো ভেতরে কোথাও বশ্যতা আছে বলেই। কিংবা সম্পূর্ণ স্বাধীনতা অসম্ভব বলেই। সে নিজেও তো এই চরিত্রের। কত জন তাকে নির্ভরযোগ্য, দারুণ সাহসী, একেবারে অচল—অটল বলে মনে করে। সে তো জানে কত সাবধানে নিজের ভেতরের শূন্যতা, ক্ষতগুলোকে লুকিয়ে রাখতে হয়। আপাতদৃষ্টিতে সে মিশে গেছে এই জনস্রোতে। এদেরই একজন, নিজের কাজ নিয়ে থাকে। কিন্তু অনেক সময়ে সে সকালে ঘুম ভেঙে পারিপার্শ্ব চিনতে পারে না। এটা কি বাঁকুড়া মিশন? নাকি দেওঘর? নাকি মধ্য কলকাতার সেই নয়ানজুলির মতো সংকীর্ণ রাস্তাটার লাল বাড়ির অন্ধকার একতলায়? কী যেন নাম? ডিকসন লেন। তা হলে এত আলো কীসের? রোদ কেন এত?

     

     

    মহুল পিয়াশালের পাতার মধ্য দিয়ে চুঁইয়ে পড়ছে জোছনা। লাল—কাজল মাটি জোছনায় মাখামাখি, তার সঙ্গে মাখামাখি হাঁড়িয়ার তীব্র গন্ধ! মা—টা মাতাল হয়ে লাচছে? কে মা? কোন মা? বাবা? আপা নাই তার? আছে বটেক। দু’সন আগে নামাল খাটতে গেল আর আসলো নাই। তো কী? আমি তোর বাপ বটেক!

    উঁহু না না, সে প্রাণপণে মাখা ঝাঁকিয়ে নেয়, সেই প্রাগৈতিহাসিক ছন্ন জোছনার মদগন্ধময় রাতে সে আর ফিরবে না। কোনও মোহ, মায়া নেই তার। এই বিরাট জঙ্গম পৃথিবীতে প্রকৃতির খেয়ালে—না, না, মানুষেরই ষড়যন্ত্রে সামান্য কিছু মানুষ আটকে গেছে মজা দঁকে, তাদের মাচায় তাদের মাদল ধামসায় এবং হাঁড়িয়ায় মহুলমদে। মিউজিয়ম—পিস। প্রাপ্য কী? অবহেলা, বড় জোর করুণা, ভাতের জন্যে ট্রাইব্যাল আইনের দোরে দোরে ভিখ মাঙা। নিজের মাটি হল ঝাড়খণ্ড। চৈতন্যচরিতের ঝারিখণ্ড। বুঝি ফিরে এল সেই ছত্রিশগড়ের স্বরাজের দিনগুলো। চাম্পাগড়। কত দূর থেকে ভাঙতে ভাঙতে আসছে! সেই হারাপ্পার কাছ থেকে এই সিংভূম, ধলভূম, মেদিনীপুরে। কোথায় সেই নতুন দিনের নতুন চাম্পাগড়? নিজের মাটিতে নিজের সরকার। সরেন, হেমব্রম, মুণ্ডা, হাঁসদা, মুর্মু…যে আসছে তার ঘরে ধনদৌলত উপছে যাচ্ছে। মানুষগুলি যে কে সেই। পরনে ত্যানা, অবিশ্রান্ত খাটুনির দড়িপাক শরীরে, ঝড়ে—জলে রোদে ঘামে। প্রতি বসন্তে এক একখানা গাছ নতুন হয়ে ওঠে। মানুষের জীবনবৃত্তে এরকম কোনও প্রাকৃতিক নিয়ম নেই। এই নিয়ে আবার শিল্পী মানুষগুলির চূড়ান্ত ন্যাকামি। কতজন যে ধরে তাকে ওই জোছনারাতের মাতাল নাচ দেখাবার জন্যে। নাচের পেছনে অবশ্য আছে নাচনিও।

     

    আরও দেখুন
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা ই-বুক রিডার
    Library
    বই ডাউনলোড
    রেসিপি বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্য

     

    সে স্পষ্ট বুঝতে পারে। ওরা সোজাসুজি বলে না কেননা কাজল মুণ্ডাকে তারা চেনে। ভয় পায়। কিন্তু কাজল এ—ও বোঝে না টিভির পরদায় নিতুই যেসব লোভনীয় আধখোলা, সিকিখোলা নারী—শরীর দেখায় তার থেকেও অশ্লীল, আদিরসগন্ধী শরীর কি তার মুণ্ডানি—সাঁওতালনিদের? আবৃত হবার কাপড় পায় না, সিনেমার নাচে তো লাল পাড় সাদা ধ্বধবে শাড়ি দেখে চোখ জুড়িয়ে যায়। আদতে কি তা আছে? নেই। খাটেখোটে, অত দরকারও মনে করে না, ধান রোয়া থেকে কাঠ কুড়োনো, খেতমজুরি, কুলিগিরি, খনির কামিন—’মেঝেন’ সর্বত্র পুরুষের পাশাপাশি দাঁড়িয়ে অবিশ্রান্ত খেটে যাচ্ছে। দেহ দেখাবার জন্যে কি তারা দেখায়? তাদের সংস্কৃতির নিয়ম বা বলা উচিত সংস্কার আলাদা। তবে কেন টিভিনিদের ছেড়ে মুণ্ডানিদের দিকে লোভের দৃষ্টি হানছে ওরা? তারা সরল বলে? সহজলভ্যও না কি?

    কাজলের রক্তে আগুন ঝলসে ওঠে এসব ভাবলে। সে যে ভাবতে চায় তা—ও না। কিন্তু কমলি ছোড়ে না। ঘুমের মধ্যে, ঘুম ভাঙার অসতর্ক মুহূর্তে অতর্কিতে হানা দেয়।

    সে কি তবে এত করেও একলা হয়ে গেছে? কোনও দুঃখের কথা নয়। একটা জ্বলজ্যান্ত সত্য। যাদের ছেড়ে এসেছে তারা তাদের মূল ছড়িয়ে রেখেছে তার দেহে, মনে। শালপাতার দোনায় করে খুদ সেদ্ধ আর বামলা আলু, যা নাকি তার মা বন থেকে তেড়ে নিয়ে আসত সে কি ভুলতে পারে! প্রত্যেকটি গ্রাসে এখনও তার যন্ত্রণাময় স্বাদ। সে কি ভুলতে পারে উপোসি বালক ছেঁড়া জামা গায়ে পাঁচ মাইল হেঁটে নিম্ন বিদ্যালয়ে যাচ্ছে—রাস্তায় হোঁচট খেয়ে গোড়ালি থেকে গলগল রক্ত বেরিয়ে এল। পঞ্চা মাস্টার ঠিক সেইখানটাতে খুঁচিয়ে দিল। উঃ! শয়তানি হাসি হাসছে, তারপরেই ক্রোধে চোখ লাল। বই আনিসনি কেন? আঁক কষিসনি কেন? লাঠির ডগা দিয়ে ছেঁড়া জামাটা আরও ছিঁড়ে বলল—জামা কিনতে পারিস না! নোংরা ছোটলোক, বজ্জাত। অন্ধ আক্রোশে সে ঘুসি চালাচ্ছে। ছোট ছোট হাতে খুসি। তারপর তার জ্ঞান নেই। কেননা চতুর্দিক থেকে ইট পাটকেলের মতো মার পড়ছে। পিঠে বুকে মাথায়, মুখে। ফাঁকা মাঠে মাঝরাত্তিরে জ্ঞান এল। এ কোথায় সে? ওই তো চেনা চাঁদ! না। ও চাঁদ আমার নয়, ও আকাশ, এ বাতাস, এ মাটি আমার নয় তো! ভোরবেলা বৃষ্টি এল। মুষলধারে বৃষ্টি। ভিজছে। বৃষ্টির ঠান্ডা লাগছে শরীরের ফোলা জায়গাগুলোয়, কাটা ঠোঁটে, থ্যাতলানো কানে, ব্যথায় ভেঙে পড়া হাড়ে। সাদা পোশাক পরা একজন সাহেব খুব আসেন তাদের বস্তিতে। শুনো, তুমরা লিখাপঢ়া শিখবে? হস্টেল, থাকিবে, খাইবে, পড়িবে, কোনও ব্যয় নাই।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    পিডিএফ
    Library
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বইয়ের
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    মুখিয়া বললে, তা সাহেব মাঙনা দিবে সব? টিপছাপ লাগবে নাই?

    না, তুমরা শিখবে, মহাজন ও দুষ্ট রিসিভার কিছু করতে পারবে না। ঠকিবে না।

    মুণ্ডাবস্তি লোধাবস্তি ভেঙে পড়েছে —রাজকোঠিতে থাকছি এ মাস। যে কেহ পড়িতে চাইবে, পড়িবে। আমরা দিব। ক্রাইস্ট দিবেন। —উনি বললেন।

    চলে গেলে জল্পনা—কল্পনা। এ বোধহয় ছোট ছেলেগুলোকে খাদানে নিয়ে যাবার ষড়যন্ত্র। নইলে আর কী হতে পারে!

    ব্যথা ভুলে, দপদপে যন্ত্রণা বৃষ্টি সব অগ্রাহ্য করে সে ছুটছে, ছুটছে, ডুলুং নদীর পুল পার হয়ে যাচ্ছে, কনকদুর্গা পার, রাজকোঠি তুমি আর কত্তদূর।

    রাজনীতিতে যাবার ডাক সে অনেকবার পেয়েছে। এতটা উচ্চশিক্ষিত, শিক্ষিত সমাজের সঙ্গে এমন অঙ্গাঙ্গী মিশে গেছে এমন ট্রাইবালে ক’জন আছে? সে শুধু কতকগুলো প্রশ্ন রাখে:

     

    আরও দেখুন
    ডিকশনারি
    লাইব্রেরি
    রেসিপি বই
    বুক শেল্ফ
    বইয়ের
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    অনলাইনে বই
    PDF বই
    বই

     

    —দাঁড়াতে বলছেন? নির্বাচনে? বেশ, কোন দল? আমার কোনও দল নেই। ঢুকতে ইচ্ছা করি না।

    বেশ তো, নির্দল হয়ে দাঁড়াবে।

    নির্দল মানে কি সত্যি নির্দল? কারও সঙ্গে যোগ দেব না। ইচ্ছের বিরুদ্ধে বোঝাপড়ায় যাব না ‘রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা’র জন্যে। নিজের বিবেক মতো চলব!

    তাহলে তো কোনও কাজ—কাম করতে পারবে না, উন্নয়ন তো করতে হবে।

    উন্নয়ন বলতে?

    ইস্কুল—কলেজ হবে, হাসপাতাল হবে, দেশের ধন দেশে থাকবে। আম—মানুষ খেতে পরতে পাবে, কামকাজ পাবে।

    তা এ সবই তো ভাল কাজ। নির্বাচন বুঝি। কিন্তু এই কাজগুলো করবার জন্য দলে না ভিড়লে কাজ করতে পারব না? মানে?

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    গল্প, কবিতা
    বাংলা সাহিত্য
    বাইশে শ্রাবণ
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    কৌতুক সংগ্রহ

     

    নির্বাচনওয়ালারা এই ‘মানে’র মানেটা বলতে পারেনি।

    কাজল বলেছিল, আমার নিজস্ব কাজ আছে। কারও স্বার্থে লাগলেই মিথ্যে অপবাদে ফাঁসা কিংবা খুন হয়ে যাওয়ার ইচ্ছে আমার নেই।

    আমি সমাজ—সংস্কারক নই, রাজনৈতিক আদর্শ নামে সোনার পাথরবাটিতে বিশ্বাস করি না। আমি গবেষক। তবে হ্যাঁ, যথাসম্ভব মানুষের কাজে লাগা; আপাদমস্তক সৎ ও যুক্তিশীল থাকা—এগুলো আমার দায়। একটা জীবনে মানুষ আর এর চেয়ে বেশি কী করতে পারে?

    —নতুন ওয়েবসাইট হচ্ছে ইনস্টিটিউটের, সে কাজে মগ্ন হয়ে গেল। খেয়াল হল তিনটেয়। লাফিয়ে উঠে সে প্রায় ছুটতে লাগল। গড়িয়াহাটের বাস ধরল। উলটোডাঙায় পড়তে না পড়তে হঠাৎ আকাশ কালো করে মেঘ জমল। এবং সে বুঝল নামবার সময়ে সম্ভবত তাকে প্রবল বারিপাতের মধ্যে পড়তে হবে। বাসে এক ভদ্রলোক আর একজনকে বলছিলেন ছাতা নিয়ে না বেরোলে বৃষ্টি হবেই। একরকম গ্যারান্টি, বুঝলেন দাদা। কিন্তু যদি ইচ্ছে করে ছাতা না নিয়ে বেরোন, তুকটা কাজ করবে না। তুক, তুকতাক এইসব শব্দ শুনলেই তার মনে পড়ে যায় আরও অনেক তুকের কথা। ছোট ছেলেমেয়ের কপালে ভুষো কালির টিপ। নজর লাগলে কয়লা আর ঠুঁটো ঝাঁটার কাঠি এক নিশ্বাসে দু’বার ‘আহা’ অর্থাৎ নজর লাগা লোকটির গায়ে বুলিয়ে নিজের পায়ের নীচ দিয়ে গলিয়ে বাস্তুতে ফেলে দেওয়া। আচ্ছা এই যে নজর লাগা মানুষটাকে ‘আহা’ বলে, বাংলার ‘আহা রে—বেচারা’ এর সঙ্গে কি কোনও সম্পর্ক আছে?

    আর এক ভদ্রলোক বললেন, লোক্যালাইজড রেন, শুরু হয়েছে তা ধরুন গত দশ বছর তো হবেই। নর্থ বৃষ্টিতে ভেসে যাচ্ছে দক্ষিণ খটখটে। দক্ষিণে হাঁটুজল, খিদিরপুরে ফার্স্টক্লাস কাজকর্ম হচ্ছে। মাল্টিস্টোরিড আর ডিজেল মিলে ওয়েদারের মেজাজ বিগড়ে দিয়েছে। আরও কত কী দেখতে হবে কে জানে!

    বৃষ্টিতে ভিজতে লাগল কাজল। প্রবল হাওয়ার তোড়ে চলার গতি কমছে। কিন্তু বৃষ্টি মুক্তি এক অন্ধকার জীবনের কারাগার থেকে। দূরে বজ্রপাত হয়। যমজ তালগাছ জ্বলে যায়। জ্বলে চিত্তের গভীরে, এক ভয়ংকর দৃশ্য অভিজ্ঞান হয়ে থাকে মুক্তির। গতকাল রাতে শাওয়ার ছেড়ে কীরকম আলুনি লেগেছিল মনে পড়ল। প্রতিদিনই লাগে, খেয়াল করে না। কাল করেছিল বলেই কি বৃষ্টি তার নিজস্ব স্বাদ দিয়ে গেল তাকে? তবে হ্যাঁ, ভেবে—চিন্তে যদি খেয়ালটা করো তাহলে তুকটা খাটবে না। বাসের ভদ্রলোকটির যেমন বিশ্বাস।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগান্ধর্বী – বাণী বসু
    Next Article অমৃতা – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }