Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উজান-যাত্রা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প255 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উজান-যাত্রা – ৭

    ৭) তিনি ও স্মৃতিসত্তা

    মনটা খিঁচড়ে গেছে। বৃষ্টি সুস্বাগতম। কিন্তু এভাবে অ্যাপয়েন্টমেন্ট রাখতে না পারায় কস্তুরী উদ্ভ্রান্ত। ধরো যদি কালও এমনি বৃষ্টি পড়ে! ধরো পরশুও। হেসে ফেললেন—কী অধৈর্য! এত অধৈর্য হলে কোনও কাজ হয় না। দু’—তিনবার স্নেহলতা ঘোষের বাড়ি ফোন করেছেন, পিঁ পিঁ করে যাচ্ছে। তারপর খবরে শুনলেন বৃষ্টিতে অনেক জায়গাতেই টেলিফোন বিকল হয়ে গেছে। বাঃ! অতঃপর কী করণীয়? সময় অনন্ত নয়। নাঃ ঠিক হল না। সময় অবশ্যই অনন্ত। কিন্তু তাঁর সময় খুবই সীমিত। বাবা বেশ কয়েক বছর পলিয়েস্টার খাদি শুরু করেছিলেন, তার নানারকম বৈচিত্র্যও আসছে, রঙে টেক্সচারে। নানা রং আরম্ভ হয়েছে ইদানীং। ভীষণ পপুলার হয়েছে। সারা ভারতবর্ষে যাচ্ছে, এখন ভারতের বাইরেও প্রচুর চাহিদা। সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে তাঁর কাজ, ব্যস্ততা, কমেছে সময়। নিজের এলাকাতে ব্যাবসার দেখাশোনার বাইরে তাঁর যে কাজ তা—ও প্রচুর সময় দাবি করে। সবরমতী আশ্রমের উৎপাদন মার্কেটিং করা তাঁর কাছে একটা ব্রতর মতন। আছে ব্লাইন্ড স্কুল, মানসিক প্রতিবন্ধীদের জন্য সংস্থা। দরিদ্র মেয়েদের উপার্জনের জন্য একটা বড় সংস্থাও রয়েছে, তারা শাখা—প্রশাখা বিস্তারও শুরু হয়েছে। এই সবগুলোরই তিনি কর্ণধার। কলকাতায় এসে অনির্দিষ্টকাল বিনা কাজে বসে থাকার সময় বা মানসিকতা কোনওটাই তাঁর নেই। কিন্তু এই ভিজে গরম ও মুষলধার বৃষ্টির দেশে অধৈর্য হয়ে তো কোনও লাভ নেই!

    ক্রমশ রাত হয়। তাঁর বরাদ্দের রুটি ভাজি দহি খাইয়ে যায় রামলাখন যত্ন করে। কস্তুরী বই পড়বার চেষ্টা করেন। বিক্ষিপ্ত মন শান্ত করার যা যা উপায় আছে সবই একটু একটু চেষ্টা করেন। কিন্তু মন শান্ত হয় না। শেষে দুরন্ত শিশুর মতো ছুটে যেতে চায় পাঁচের দশকের কলকাতায় যখন ভোরের রাস্তায় হাইড্রান্ট্রের মুখে পাইপ লাগিয়ে রাস্তা ধোয়ার শব্দে চোখ মেলছেন, আবার ঘুমিয়ে পড়ছেন, ছায়াময় রাস্তা নিয়ে ব্যান্ড বাজিয়ে, গান করতে করতে চলে যাচ্ছে প্রভাতফেরি, দৌড়ে এসেছেন বারান্দায়—’হও ধরমেতে ধীর, হও করমেতে বীর, হও উন্নতশির নাহি ভয়/ভুলি ভেদাভেদ জ্ঞান হও সবে আগুয়ান সাথে আছে ভগবান, হবে জয়।’

    কী অমোঘ সব উচ্চারণ, কত সরল অথচ সত্য! তখন তো কথাগুলোর মানে বুঝতে পারতেন না। গানের সুরে শব্দ বিভাগও হয়ে যেত আলাদা। হও ধরো, মেতে ধীর, হও উন, নত শির, নাহি ভয়। হও এবং ধরো, কী ধরতে হবে ভেবে পেতেন না। মেতে আবার ধীর কী করে হওয়া যায়! নত শির, মানে বড়দের সামনে মাথা নিচু করে থাকতে হবে তা হলেই আর ভয়ের কারণ থাকবে না, চড়চাপড় পড়বে না। কিন্তু উন জিনিসটা কী, আর কী করেই বা তা হওয়া যায়! ভেদাভেদটাকে ছোট্ট মেয়েটি অভেদানন্দের সঙ্গে মিলিয়ে ধরত, অভেদ ও ভেদাভেদ, তবে এঁদের তো মনে রাখতেই বলা হয়। ভুলতে হবে কেন? বাকিটুকু সোজা, বুক ফুলিয়ে এগিয়ে গেলে যে দুষ্টু বন্ধুরা ঘাবড়ে যায় তা বেশ দ্যাখা আছে। একদিন একটা কী ছোট্ট প্রশ্ন করেছিল মাকে, তাইতেই মা বিদ্যের দৌড় বুঝে যান। খুব সুন্দর করে বুঝিয়ে দেন। ধরম বা ধর্ম মানে এইসব পুজো—অর্চনা করা নয়, নামাজ পড়াটড়া নয়, ধর্ম মানে ভারচু, অর্থাৎ কিনা মানুষের যে মৌলিক গুণ, মানবিকতা, সেই মনুষ্যত্বে ধীর থাকতে হবে, উন্নতশির। মাথা উঁচু করে চলতে হবে, মানে উদ্ধত নয়, কিন্তু আত্মমর্যাদাসম্পন্ন। অস্পষ্টভাবে হলেও কেমন গভীরভাবে সে বুঝেছিল কথাগুলো, মুদ্রিত হয়ে গিয়েছিল এক দফা মূল্যবোধ। মানবধর্ম থেকে কখনও বিচ্যুত হবে না। আত্মসম্মান হারাবে না। মানুষে মানুষে ভেদজ্ঞান ভাল নয়, কে কৃষক, কে বণিক, কে ধনী, কে দরিদ্র, কে উচ্চবর্ণ কে নিম্নবর্ণ, কে মুসলমান কে শিখ, এই বিভেদ ভুলে একটি অখণ্ড সামাজিক একক হয়ে এগোতে হবে—জ্ঞানে, বিজ্ঞানে, মন্ত্র সাধনে, ঐশ্বর্য আহরণে, কুসংস্কার দূর করতে, সুসংস্কার রক্ষা করতে। এত কথা আস্তে আস্তে অনুভব করেছেন। একটা টেক্সট—এর ব্যাখ্যা যেমন ক্রমেই প্রসারিত হতে থাকে, এই দুটি সরল পঙক্তির অর্থও তাঁর মননে, চেতনায় তেমন হচ্ছে। ঝোঁকটা যখন ‘ধরম’ থেকে ‘ধীরে’র ওপর পড়ে, তিনি ভাবতে থাকেন। ধীর মানে কি শুধু স্টেডি? না। তোমার মানবিকতার ধর্মকে প্রয়োগ করার সময়ে তুমি শান্ত, ধীর থাকবে, মিলিট্যান্ট হবার দরকার নেই। কর্মে বীর হওয়া যে কত কঠিন তা তো তিনি হাড়েহাড়েই বোঝেন। সাহস, প্রচণ্ড সাহস প্রয়োজন হয়, ধ্যান দরকার হয় যে কোনও কর্ম সম্পন্ন করতে গেলে। অনেক খারাপ সময় এসেছে গেছে, শরদকাকার সঙ্গে ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাবা এক সময়ে দিশেহারা হয়ে গিয়েছিলেন। তখন শরদ শার সঙ্গে কথাবার্তা তাঁকেই বলতে হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত যখন দেখলেন তাঁদের পারিবারিক গুডউইলের সুযোগ অন্যায়ভাবে নিয়েই চলেছেন কাকা, তখন তাঁকে একটা অত্যন্ত সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। জুয়েলারি থেকে তখন তিনি বাবাকে কাপড়ের ব্যবসায়ে আসতে পরামর্শ দিলেন। নরেন্দ্র অবাক হয়ে গিয়েছিলেন—বলিস কী, কিকি? এত দিনের ফ্যামিলি ট্র্যাডিশন….। নতুন ব্রাঞ্চ…আমি কি পারব?

     

     

    —তুমি তো অনেক কিছুই পেরেছ বাবা, এটাও পারবে।

    তখন তাঁর কত বয়স? বাইশ? তেইশ! সবে আইন পরীক্ষা দিয়েছেন।

    তারপর কাগজে কাগজে ফলাও করে নোটিশ চলে গেল ‘ইট ইজ হিয়ারবাই নোটিফায়েড দ্যাট নরেন্দ্রভাই অব নরেন্দ্রভাই শরদভাই ইজ নো লঙ্গার উইথ দা মেহতা জুয়েলার্স। শরদকাকাকে নিজের অংশ যখন বেচে দিলেন অবলীলায়, তখন শরদকাকা খুব অনুনয়—বিনয় করেছিলেন। তিনি অন্যায় করেছেন, নরেন্দ্র যেন তাঁকে মাফ করেন।

    নিজের ভাই—ই বিশ্বাসঘাতকতা করে শরদ, আর তুমি তো পাতানো ভাই। কোনও আদর্শই বিত্তলালসার ওপরে নয়—আমি বুঝতে পেরেছি। তোমার অসুবিধে কীসের? গুড উইলটাই তো তোমাকে বেচলাম। আমাদের বাপ—বেটির চলে যাবে একরকম।

    একেবারে চুপ শরদ শা। কোনও কথা বলতে পারেননি। উদ্ধত জবাব, অন্যায় অপমানজনক আচরণ, কিচ্ছু না। চলে গেলে বাবা বলেছিলেন, সত্যি চলে যাবে কিকি? সত্যি পারব?

     

     

    —পারবে না কেন? আমি রয়েছি তো!

    হঠাৎ নরেন্দ্র বলে উঠেছিলেন, হ্যাঁ, সে—ও একথাই বলত। আমি আছি তো!

    —কে বাবা? আমার মা?

    নিঃশব্দে মুখ নিচু করেছিলেন বাবা। কন্যা আর প্রশ্ন করেনি। কাপড়ের কারবার ফলাও করতে তাঁদের তিন বছরের বেশি সময় লাগেনি। প্রথমে নামী মিলের এজেন্সি নিলেন। তারপর মিলটাই কিনে নিলেন। এখন কোথায় শরদ শা’র জুয়েলারি আর কোথায় নরেন্দ্রর কটন সাম্রাজ্য।

    বড্ড ছটফট করছে মনটা। বড্ড। ছেলেমেয়ে দুটো যতক্ষণ ছিল বেশ ছিলেন। বয়স হলে তরুণ—তরুণীদের সঙ্গ বোধহয় স্বাস্থ্যকর। অবশ্য তেমন তেমন তরুণ—তরুণী। চতুর্দিকে যাদের দ্যাখেন দেখে খুব আরাম পান না কস্তুরী। তাঁরা ছোটবেলায় কত অন্যরকম ছিলেন। কত সুন্দর ছোটবেলা কেটেছিল। বাড়িতে সর্বক্ষণই লোক। মাকে কম পেতেন। তাতেও কিন্তু কোনও অসুবিধে হয়নি। তাঁর নিজস্ব জগৎ ছিল, খেলাধুলো, পড়াশুনো, কুৎরী, বেড়াতে যাওয়া, গান শোনা, মায়ের হাতের মাছের ঝোল। আশ্চর্য! এখন আর মাছ মাংস খেতে পারেন না তিনি। গন্ধ লাগে। ঘিন্নাও লাগে। এখন থাকরা, কড়হি, পুরণপুরী, ধোকলা, গাঁঠিয়া খমণ্ড। বাবা যে বাবা দীর্ঘদিন মাছ ছাড়া অন্যান্য বাঙালি খাবার খেয়েছেন মায়ের হাতে, তিনি সুদ্ধ রোটলি, ভাকড়ি, মেখিলি ভাজি, চেওড়ো জলেবি—এসব ছাড়া খেতে পারতেন না। শেষ পাতে একটু দুধপাক তাঁর চাই—ই চাই।

     

     

    শাহপুরের পুরনো বাড়ি। দাদা, দাদি। সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা। একটা বিরাট উঁচু উঁচু ঘর। দালান। একটু উঁচু কিন্তু চওড়া চওড়া সিঁড়ি। জাফরির কাজ করা জানলা, আর ছোট ছোট ঝুলবারান্দা। একটু গম্ভীর, শান্ত। ছোট মেয়ের ভাল লাগার মতো নয়। কিন্তু আস্তে আস্তে ওই স্থাপত্যের গাম্ভীর্য থেকে শান্তি ছড়িয়ে গেল ছোট্ট মেয়েটির শরীরে, মনে। কেমন করে যেন বাবার বন্ধু হয়ে গেলেন। আগে তো বাবার সঙ্গে এত ভাব ছিল না! তাঁর আঠারো বছর বয়স থেকেই তো বাবা ব্যাবসার ব্যাপারে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করতেন। খাঁটি ব্যাবসাদারি রক্ত শরীরে, ঝলকে ঝলকে আসতে থাকত সমঝদারি, নতুন নতুন আইডিয়া। তাঁর, তাঁদের তারুণ্যও ছিল অন্যরকমের। এদের মতো নয়। শুধু নিজেকে নিয়ে কাটত না তো দিন! বাবা ছিলেন। ব্যাবসার চিন্তা ছিল, পড়াশোনা ছিল, সবরমতী আশ্রম ছিল, কত ছোট থেকে ছোট ছোট বাচ্চাদের ধরে এনে পড়াতেন। কস্তুরীর মনের মধ্যে জ্বলজ্বল করত নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। মহাত্মা গাঁধী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। একটা মহৎ সংসারের মধ্যে ছিল তাঁদের বসবাস। মারা গেছেন। তো কী? হাওয়ায় ভাসছে তাঁদের সুবাস। ট্রাম চলেছে নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গের তালে। ‘মারের সাগর পাড়ি দেব গো’ গেয়ে উঠলেন নিবেদিতা মাসি—এই বিষম ঝড়ের বায়ে/আমার হালভাঙা এই নায়ে!

     

     

    নরেন্দ্র মেহতা ও শরদ শাহ আমদাবাদে সেবাদলে ছিলেন। হরিপুরা কংগ্রেসের অধিবেশনে স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করেছেন। তারপরে সুভাষচন্দ্রের ভাষণ, তাঁর ব্যক্তিত্ব, তাঁর সংকল্প আস্তে আস্তে সম্মোহিত করে ফেলল তাঁদের। না, একানে আর নয়, সুভাষ, অরবিন্দ, রামকৃষ্ণ, রবীন্দ্রনাথের পবিত্র চুম্বকী চতুষ্কোণে যেতে হবে পথ খুঁজতে। বাবাকে লুকিয়ে চলে এসেছিলেন। পরে কুইট ইন্ডিয়ায় যোগ দিয়ে প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়ে দ্যাখেন, আরে, সেবাদলের সেই শরদ না? গুজরাতি সাহিত্য সম্মেলনে হাঁ করে যমনালাল বাজাজের দিকে তাকিয়েছিল?

    পাত্তা করতে পেরে বাবাই কিনে দিলেন ফার্ন রোডের বাড়ি। জাত ব্যবসাদার, বললেন, দেশের সেবা তো করবে, যুব আন্দোলন করবে, আধ্যাত্মিক করবে, কবিতা—কাব্য করবে তো পয়সা লাগবে না? হগ মার্কেটে দোকান দাও। তোমার ধর্মভাইকে নিয়ে ব্যাবসা করো। পয়সা না হলে কিচ্ছু হবে না। গলা ফাটিয়ে খালি চেঁচালে মুখে রক্তই উঠবে।

    বাবার কাছ থেকে এইসব শুনতে শুনতে উত্তেজিত হয়ে উঠতেন কস্তুরী।

    —বাবা তুমি রবীন্দ্রনাথকে দেখেছ?

     

     

    —একবার। অনেক দূর থেকে। জোড়াসাঁকোয়। জন্মদিন ছিল। অনেক লোক। এক কোণে দাঁড়িয়ে ছিলুম।

    —কী দেখলে বাবা? কীরকম?

    —তখন উনি বেশ বৃদ্ধ। পুরো মানুষটাই রুপোলি। সন্তের মতো মনে হচ্ছিল, যেন চারদিকে একটা প্রভা ছড়িয়ে যাচ্ছে।

    —প্রভা, কিন্তু প্রভাব কি? বাবা? ওঁর মতো দূরদর্শী কর্মী এবং ভাবুক, অত হৃদয়বান। এ সবের কম্বিনেশন তো একসঙ্গে ঘটে না। তবু তো ওঁর দেশের লোকেরা শুনতে পাই ওঁর গান আর ডান্স ড্রামা নিয়েই মেতে রয়েছে।

    —শান্তিনিকেতনও আর শান্তিতে নেই কিকি—বাবা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলতেন।

    —তবে?

    —কেউ প্রচার করল উনি মেয়েলি পুরুষ, কেউ বলল উনি সুন্দরী মেয়েদের সঙ্গ ভালবাসেন, কেউ বলল নিজে নিজের ওপর গুরুদেব কথাটা উনিই আরোপ করেছেন। কেউ বলল উনি নিজের মান, যশ, খ্যাতি ছাড়া কিছু বুঝতেন না, কতরকম কথা, কিকি—কেউ দেখল না, জালিয়ানওয়ালাবাগের পর মহাত্মা যখন প্রতিবাদ করতে রাজি হলেন না, তখন একটি অতুলনীয় চিঠি দিয়ে কীভাবে তিনি নাইটহুড প্রত্যাখ্যান করলেন। এর মর্ম যে কী, আজকালকার ছেলেমেয়েরা বুঝবে না। একক প্রতিবাদ।

     

     

    আজকালকার কেন বলছ বাবা! কোনওদিনই এর গুরুত্ব তেমন করে কেউ বোঝেনি। উনি তো কবি! রাজনৈতিক ব্যাপারে ওঁকে আন্ডারপাবলিসাইজ করাই বোধহয় সচেতন নীতি ছিল তখন।

    রাইট। নরেন্দ্র হঠাৎ তার দিকে মুখ তুলে তাকিয়েছিলেন। —কিকি, তুমি তার মতো করে ভাবো। কী করে শিখলে? উত্তরাধিকার?

    রক্তেরও। শিক্ষারও। সেই পাঁচ—ছ’ বছর বয়সে তাঁর মধ্যে কতকগুলো আইডিয়া ঢুকে গিয়েছিল, পরে তিনি সেগুলোকে নিয়ে মনের ভেতর অনেক নাড়াচাড়া করে তাঁর নিজস্ব দর্শন তৈরি করেছেন।

    পেছন ফিরে চেয়ে দেখলে কস্তুরীর মনে হয়, তাঁর সারা জীবনটা বাস্তব দিয়ে গড়া স্বপ্ন একটা। রূঢ়, কঠিন বাস্তব। তাঁকে একের পর এক কষ্ট ও সমস্যার মোকাবিলা করতে করতে বড় হতে হয়েছে। কিন্তু সবটাই স্বপ্নময়।

    মা স্বল্পভাষী, অন্যমনস্ক। খেলাধুলোর ব্যাপারে কোনও বাধা দিতেন না। কিন্তু দুষ্টুমি বিশৃঙ্খলা সহ্য করতেন না একদম। বলতেন এই নাও ‘ক্ষীরের পুতুল’ পড়ো, তারপরে দশটা পর্যন্ত নামতা লিখবে, তারপর ‘আবোল—তাবোল’ থেকে যে কোনও একটা কবিতা মুখস্থ করবে। রাতে স—ব ধরব। বাস, আর একটা কথাও নয়। কত ছোটবেলায় পড়তে শিখেছিলেন ভুলেই গেছেন। মাকে দারুণ ভয় পেতেন, কিন্তু সেই ভয়ের অঙ্গে অঙ্গে দুর্মর ভালবাসা জড়িয়ে দিল। কখন মা একবার তাকাবেন, চুড়ির আওয়াজ শোনা যাবে, কখন মা রান্নাঘরে ঢুকবেন এবং অপূর্ব সুগন্ধ বেরোবে। কখন মা সবার সঙ্গে গলা মিলিয়ে গান ধরবেন—

     

     

    তবে বজ্রানলে

    আপন বুকের পাঁজর জ্বালিয়ে নিয়ে একলা চলো রে।

    এই গানটা হলেই মনে হত, বুকের ভেতর দারুণ শক্তি সাহস এসেছে। কিকি আর কিকি নেই। সে মা—বাবা—কাকা—পিসি—মাসিমাদের গানের আসরে বসে তার বাচ্চা গলা মেলাত। বজজানলে, আপন বুকে পাঁজর জ্বালিয়ে নিয়ে একলা চলো রে।

    কত সময়ে সেসব আসরেও আলোচনার মধ্যে সবার অলক্ষ্যে বসে থাকতেন। সব বুঝতেন না, মনেও নেই সব। কিন্তু অহিংস পন্থা, আর সুভাষ পন্থার একটা তুলনামূলক আলোচনা প্রায়ই হত। এখন জানেন নরেন্দ্র ও শরদ মেহতা দু’জনেই গুজরাত ছেড়ে এসেছিলেন সুভাষের খোঁজে। সব উলটেপালটে গেল। কলকাতায় তখন সুভাষপন্থীদের সংখ্যা গাঁধীপন্থীদের থেকে অনেক বেশি। ওঁরা ভাবতেন—নিজেদের তৈরি করতে হবে, যে মুহূর্তে সুভাষ উত্তর—পূর্বে ভারত সীমান্তে এসে পৌঁছোবেন অমনি খুলে যাবে দ্বার। সমস্ত মণিপুর, আসাম, ত্রিপুরা, বাংলা তাঁকে স্বাগত জানাবে। তারপরে যোগ দেবে সমগ্র ভারতবর্ষ। ভেঙ্গে যাবে আজাত—হিন্দ ফৌজ আর গণ—অভ্যুত্থানের মুখে ইংরেজের সমস্ত প্রতিরোধ। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী সবই প্রস্তুত ছিল। তবু স্বপ্ন পূরণ হল না।

     

     

    কিন্তু তখন তো ১৯৪৬, ৪৭, ৪৮—এর ৩১ জানুয়ারি সব পেরিয়ে গেছে। তখন এ ধরনের সভা—সমিতির কারণ কী?

    —আমরা একটা সমন্বয় করতে চাইছিলাম, কিকি। কেউ কেউ ছিল কট্টর। কিন্তু সবাই মিলে চোখ রাখতাম নতুন নেহরু সরকারের ওপর, কীভাবে সুভাষের বলবীর্য, গাঁধীজির জনশিক্ষা ও নেহরুর আধুনিকতার একটা সুষ্ঠু মিশ্রণ হয় তারই জন্য আলোচনা করতাম। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল একটা সম্পূর্ণ নতুন দল গড়ব, যার মধ্যে এই সমন্বয় থাকবে। কী হতে পারে আমাদের কনস্টিটিউশন, আমাদের ম্যানিফেস্টো…এই নিয়েই আলোচনা হত।

    —করতে পেরেছিলে দলটা?

    —না কিকি, পারিনি। আলোচনার স্তরেই ছিল। কেননা অনেকেই ভিন্ন মত পোষণ করতেন।

    —কে, কে? বাবা!

    এইখানে বাবা একেবারে চুপ করে যেতেন। বেশি চাপাচাপি করলে বলতেন—মনে নেই। সে আজ অনেক যুগ হয়ে গেল। তাছাড়া শেষ দিকটাতে তো আমি ব্যস্ত হয়ে পড়লাম। ব্যাবসা শুরু করলে আর থামা যায় না কিকি।

     

     

    হঠাৎ মনস্থির করে ফেললেন কস্তুরী। কালকেই স্নেহলতা ঘোষের বাড়ি যাবেন। যাবেনই। একটা গাড়ি ভাড়া নেবেন। এই শহর আর শহরতলি তো! যতই বদল হোক সেই কলকাতাই তো! রাস্তা ভরতি পথচলতি মানুষ, দোকানদার, ট্যাক্সি—ড্রাইভার, রিকশাঅলা। খুঁজে বার করতে অসুবিধে হতে পারে, অসম্ভব কিছু নয়। স্থির করে নিয়ে শান্তিতে ঘুমিয়ে পড়লেন।

    হঠাৎ সরু মোটা গলায় নানান হাসি বাজে। সারারাত ধরে শুধু কথা, কথা আর কথা। কে কী বলছে ধরা যায় না। কিন্তু কেউ কেউ যেন খুব উত্তেজিত। রাগারাগি হচ্ছে নাকি? তোমরা হাসো, কথা বলো, গান করো। কিন্তু রাগারাগি কোরো না। কিকি ভয় পায়। তার বুকের মধ্যে থম ধরে যায়। বাবা মা যে বড্ড কথা কাটাকাটি করেন। বাবা খুব রেগে যান। মা’র মুখ থমথম করে। কী যেন একটা কঠোরভাবে বলেন, তারপর চলে যান। এই কস্তুরী তুই অ্যালিসের গল্প পড়েছিস? এই কস্তুরী কিতকিত খেলবি? এই কস্তুরী তোর আলুর পুতুলটাকে একটু পাড় না, জামা পরিয়ে দেব। জামা তো পরানোই আছে। নতুন জামা পরাব। দে না রে! ননা, মা রাগ করবেন, ওই পুতুলটার অনেক দাম, বাবা কিনে দিয়েছে। কাউকে দেব না।

     

     

    কিকি! তুতুল তোমার বন্ধু অত করে খেলতে চাইছে পুতুলটা একটু দিতে পারছ না? ছিঃ! কে বলেছে আমি রাগ করব? যাও, টুলে ওঠো, পাড়ো, ওঠো বলছি। গোঁজ হয়ে বসে রইলে? ওঠো! নইলে…এই শিখেছ? বারবার বলেছি না সবার সঙ্গে সব ভাগ করে নিতে হয়! এত খারাপ হয়ে গেছ তুমি! কস্তুরী ফোঁপাতে ফোঁপাতে জেগে উঠলেন। একদম কিকির মতো। অনেকটা জল খেলেন, চোখ ভেঙে ঘুম আসছে আবার ঘুমিয়ে পড়লেন।

    খুব নিবিড় গান হচ্ছে—সুজলাং সুফলাং মলয়জ শীতলাং শস্য শ্যামলাং মাতরম। কী যে চমৎকার সুর এই গান, না স্তোত্রটার! না তো, মন্ত্র! ওঁরা সবাই বলেন এটা মন্ত্র। মন্ত্র কাকে বলে! পূজায় মন্ত্র লাগে, কার পূজা? দুর্গাঠাকুর? কালী? সরস্বতী—এইসব পূজার মন্ত্র সে কিছু কিছু জানে। যা দেবী সর্বভূতেষু শক্তিরূপেণ সংস্থিতা, নমস্তস্যৈ, নমস্তস্যৈ, নমস্তস্যৈ নমো নমহ। মা দুর্গাকে এইভাবে ডাকতে হয়। মহালয়াতে সব গায়ক মিলে রেডিয়োতে ডাকেন। গায়ক হলে তবেই ওইভাবে ডাকা যায়, অন্ধকারে রাতে মন্ত্র মর্মে প্রবেশ করে যায়, মা বাবা উঠে বসে শুনছেন, এত সকালে ওঁদের চান হয়ে গেছে, দু’জনে মেঝেতে বসে পিঠ সোজা করে শুনছেন। কালী? কালীপূজার মন্ত্রও সে জানে। অত শক্ত নয়। গানই! —শ্যামা মা কি আমার কালো রে, শ্যামা মা কি আমার কালো/কালো রূপে জগৎ আলো…নির্ভুল বাণীতে সুরেতে মাখামাখি পঙক্তিগুলো অবিশ্বাস্যভাবে বাজতে থাকে চেতনায়, একটুও ভুল হয় না। সরস্বতীরটা আর গান নয়, স্তব। শ্বেত পদ্মাসনা দেবী শ্বেত পুষ্পোপশোভিতা…এ তা হলে কোন দেবীর পুজোর মন্ত্র! অন্ধকার মনের গলিতে গলিতে খুঁজে বেড়াতে থাকে। ঝনঝন করে কে গেয়ে ওঠে—ওগো মা, তোমায় দেখে দেখে আঁখি না ফিরে, তোমার দুয়ার আজি খুলে গেছে সোনার মন্দিরে ওগো মা!

     

     

    চমকে জেগে উঠলেন কস্তুরী, স্মৃতিভ্রষ্ট মানুষ যেন স্মৃতি ফিরে পেয়েছে। সুধাকাকা গাইছেন, দরাজ গলায়, ঘরের কড়িবরগা কাঁপিয়ে গাইছেন। বাংলাদেশের হৃদয় হতে কখন আপনি/তুমি এই অপরূপ রূপে বাহির হলে জননী!

    তাই তো! সুধাকাকার গলা যেত সবার ওপরে। মা বলতেন, সুধা, তুমি যদি অত চড়ায় ধরো, কী করে গাইব?

    স্নেহকাকিমা বলছেন, সব গান সবাইকে গাইতেই হবে তার কী মানে আছে কল্যাণী! ও একা গাক। আমরা মনে মনে গাইব। একাকী গায়কের নহে তো গান, মিলিতে হবে দুইজনে/গাহিবে একজন খুলিয়া গলা/আর একজন গাবে মনে।

    ওঁর কথা বলতেন কবিতায়। অনর্গল, প্রত্যেকটি মানুষ। —বাংলা ছাড়া অন্য দেশের মানুষও আছে এখানে ভাবী—শরদকাকা বললেন—হ্যাভ সাম কনসিডারেশন ফর দেম।

    মা অবাক চোখে চেয়ে আছেন—শরদভাই, বাংলাকে নিজভূমি মনে করেই এসেছিলেন না! বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ, রামকৃষ্ণ, সুভাষচন্দ্রের বাংলা।

    শরদকাকা লজ্জিত—না, না, ওটা এমনি ঠাট্টা।

    মা গাইতে আরম্ভ করলেন—পঞ্জাব সিন্ধু গুজরাট মারাঠা দ্রাবিড় উৎকল বঙ্গ—কী শরদভাই, এটাও তো আছে। আর তা যদি বলেন, বাংলা সবাইকে বুকে টেনে নিয়েছে, কেউ বাংলার পর নয়। বাংলার কবি, বাংলার দার্শনিক, বাংলার বিপ্লবী ছিলেন সবার।

    বাবা বলছেন—বাংলা ভারতবর্ষের সেই ভূমি সেখানে আর্য—অনার্য রক্ত মিশেছে সবচেয়ে বেশি। কে জানে বাংলায় ভারতের ভাগ্য গড়া হবে কিনা।

    ছাতে একটা পুতুল কিংবা কাঠি নিয়ে ঘুরে বেড়ায় কিকি আর তোতাপাখির মতো মুখস্থ বলে যেত যা যা শুনেছে সব। বাংলা ভারতবসসের সেই ভূমি যেখানে আযয, অনাযয রক্ত মিশেছে সবচেযে বেশি।

    দপ করে মনে পড়ে গেল—কাজল মুণ্ডা। মৈত্রী বলছিল—আসলে বাঙালি তো সংকর জাতি দিদি। সাদা, কালো, ব্রাউন কীভাবে কখন মিশেছে কেউ বলতে পারে না। কাজল নিজেকে বলে আদি বাঙালি। …কখনও জিজ্ঞেস করিনি…ও বলতে চায় না…মিশনে যখন মানুষ হয়েছে তখন নিশ্চয়—অনাথ।

    অনাথ! অরফ্যান! তাঁর অনেক কাজ কারবার আছে অনাথ নিয়ে। তারা কত রকমের আলাদা আলাদা ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে এসেছে। কই, তাদের কাউকে তো এভাবে দাঁড়াতে, বসতে, কথা বলতে দ্যাখেননি। বেশি কথা বলে না ছেলেটা, কিন্তু গভীর চিন্তাশক্তির নির্ভুল ছাপ আছে ওর মুখে। আদিবাসীদের নিয়েই ওর রিসার্চ। শুধু একটা পিএইচ. ডি—র জন্য গবেষণা? না কৌতূহল? না ইতিহাসবোধ! নাকি এ ওর ব্যক্তিগত অন্বেষণ! নিজের শেকড় খুঁজছে। পরিষ্কার জানতে চায় সব।

    তার মানে কাজল মুণ্ডা ঠিক তাঁর মতো। তিনিও তো তাঁর অতীত জানতে এত দূর এসেছেন। আটচল্লিশ বছর অভিমানে মুখ ফিরিয়ে ছিলেন, তারপর আর পারলেন না, মনে হল নিজের উৎস না জানলে বৃথা জীবন। কোথাও কোনও রহস্য রেখে তিনি মরতে পারবেন না। বাবা পারলেন। কী করে যে রহস্যের ভার একা বইলেন, তিনিই জানেন, কিন্তু কস্তুরী তা পারবেন না।

    চানটান করে পাও ভাজি আর চা খাচ্ছেন, ফোনটা এল।

    —হ্যালো…

    —দিদি আমি কাজল।

    —হ্যাঁ বল।

    —আজকের কাগজটা দেখেছেন? স্নেহলতা ঘোষ প্রাক্তন বিপ্লবী মারা গেছেন। বয়স হয়েছিল সাতাশি। দিদি আমি এক্ষুনি আসছি।

    সঙ্গে সঙ্গে কাজল ফোন অফ করে দিল।

    কস্তুরী স্তব্ধ হয়ে বসে রইলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগান্ধর্বী – বাণী বসু
    Next Article অমৃতা – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Our Picks

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }