Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উজান-যাত্রা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প255 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উজান-যাত্রা – ৮

    ৮) তিনি ও জেঠু

    মৈত্রী যখন কাজলকে নিয়ে পৌঁছোল, কস্তুরী সেদিনের বাংলা কাগজ আর একটা পুরনো ডায়েরি হাতে করে বসেছিলেন। চুপচাপ। ওরা একবার সাবধানে চোখ চাওয়াচাওয়ি করল। কাজল আবেগের সামনে অপ্রতিভ হয়ে থাকে। যদিও তার নিজের আবেগ যথেষ্ট এবং তা সে ভেতরে কোথাও লুকিয়ে রাখে। কিন্তু মৈত্রী সবকিছু সামলাতে পারে। সে এগিয়ে গিয়ে মাটিতে হাঁটু গেড়ে কস্তুরীর কোলে হাত রাখল।

    দিদি যাবেন?

    কোথায়?

    স্নেহলতা ঘোষের বাড়ি, এঁড়েদ’! আমরা ঠিক নিয়ে যাব।

    জানো মৈত্রী, একটা মাত্র বাংলা কাগজের ভেতরের পাতায় নীচের দিকে ছোট্ট করে খবরটা ছেপেছে। নো অবিচুয়ারি, নাথথিং। স্নেহলতা ঘোষ আরও কয়েকজনের মতো ছিলেন সুভাষপন্থী। উনি গাইতেন ‘ব্যর্থ প্রাণের আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলে—আগুন জ্বালো, আগুন জ্বালো।’ শুনেচ গানটা?

    হ্যাঁ, শুনেছি দিদি।

    —উনি অতি ওল্প বোয়েস থেকে সুভাষচন্দ্রের স্বেচ্ছাসেবোক দোলে ছিলেন। আমার বাবার ধারণা ছিল উনি অতি গোপনে শোরৎচন্দ্র বসুর মারফত নেতাজির সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। ‘আজাদ হিন্দ ফৌজ’ আসবে, তাদের অভ্যর্থনা জানাতে হবে বোলে উনি তোখনকার দিনে সাড়ে তিনশো মেয়ের একটি গুপ্তবাহিনী গোড়েছিলেন। কেউ জানত না। ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা ছাড়া। এমিলি শেঙ্কলের সঙ্গে বিয়ের খবরে যখন সারা বাংলা তোলপাড়, নেতাজিকে ধিক্কার দিচ্ছে, তখন উনি একা বিবৃতি দিয়েছিলেন—সুভাষচন্দ্র যদি কাউকে বিয়ে করে থাকেন, সে মহিলা নিশ্চিত তাঁর উপযুক্ত, তাঁর কর্মসঙ্গী। যদি উনি ব্রহ্মচারী থাকবেন বলে কখনও স্থির করে থাকেন সে তাঁর ইচ্চা। পোরে যদি তা ভেঙে থাকেন সেও তাঁর ইচ্চা। তার পেছনে সঙ্গত কারণ থাকবেই। আর বিবাহ বা অবিবাহ কিছুতেই তাঁর মহিমা যাবে না।

    দুজনে চুপ করে আছে দেখে উনি বললেন, চিনো না, না! শোরৎচন্দ্র বসু—চিনো না।

    —চিনি দিদি, সুভাষচন্দ্রের দাদা।

     

     

    —মেজোদাদা। বাট হি ওয়জ আ গ্রেট স্টেটসম্যান ইন হিজ ওন রাইট। ওঁর সোম্পর্কে কিচু জানো না তো স্নেহলতা ঘোষকে কী বুঝবে? নেতাজিকে কী বুঝবে? ডু ইউ নো হাউ বেঙ্গল, অ্যান্ড হিজ ওন পার্টি রি—অ্যাক্টেড অ্যাট দা নিউজ অব হিজ ম্যারেজ।

    —জানতাম না দিদি, এইমাত্র জানলাম, আপনি বললেন না তোলপাড়, ধিক্কার।

    কাজল চুপ করে ওঁর উত্তেজনা দেখছিল। উনি এসেছেন ওঁর মা—ল্যান্ডে। ওঁর কথা অনুযায়ী। কিছু খুঁজছেন, অতীতের কিছু সূত্র। উনি অতীতকে জানতে চান। এই মানুষটি, প্রাক্তন বিপ্লবী স্নেহলতা ঘোষ ওঁর একটা সূত্র ছিলেন। খুব গভীর এবং গুরুত্বপূর্ণ ওঁর এই খোঁজ। তার থেকেও! হ্যাঁ, বোধহয় তার থেকেও। কেননা সে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে একটা ধারাবাহিক ইতিহাসের খোঁজ করছে। সম্পূর্ণ নৈর্ব্যক্তিক তা বলা যায় না। কিন্তু এই প্যাশন তার নেই। নেই। সে ফিল্ডে যায় না এভাবে। এখনও যায়নি। সে প্রভূত রেফারেন্স বই নিয়ে কম্পিউটারে কাজ করে। ইন্টারনেট লাইব্রেরি…। কিন্তু কস্তুরীবেনের তাগিদ এতটাই যে উনি সোজা ফিল্ডে চলে এসেছেন। নিজের পুরনো ডায়েরি থেকে ঠিকানা বার করছেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যে উনি অনেককে খুঁজেপেতে তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে চাইছেন। ওঁর রেফারেন্স হলেন জ্যান্ত মানুষেরা। কস্তুরী মেহতা ওঁর অতীতকে এত ভালবাসেন! কী নিদারুণ ভালবাসা! ছুটবেলাই সোব বেলা। কী জানি ম্যাডাম, কত সুন্দর, সুখের ছিল সে ছোটবেলা যে আপনি একজন সফল ব্যাবসাদার, প্রখ্যাত সমাজসেবিকা এভাবে এই বয়সে ছুটে আসতে পেরেছেন!

     

     

    সে? সে তার অতীতের প্রতি বিতৃষ্ণা অনুভব করে। অজেয় বিতৃষ্ণা। কিন্তু সে একজন গবেষক, এই জনজাতিদের অতীত পরিচয় এবং তার ধারাবাহিকতা তাকে বার করতেই হবে, না হলে যেন সে, কাজল মুণ্ডা মিথ্যে হয়ে যায়। ওঁর যদি প্যাশন হয়, তা হলে তারটা হল মিশন।

    মহেঞ্জোদড়ো হরপ্পা থেকে সে এই জনজাতিদের খুঁজতে খুঁজতে এসেছে। হিন্দিতে বলে—হড়প্পা। হড় মানে মানুষ, আদিবাসীরা সবাই হড়। শুধু বিরহড়রা নয়। তপা মানে সমাধি, হড়প্পা তা হলে মানুষের সমাধি। কোন বিস্মৃত অতীতে, বন্যা, ভূমিকম্প, কি অন্য দুর্যোগে একটা সভ্যতা মৃতের সমাধিতে পরিণত হয়েছিল। ‘মহে’র সঙ্গে ‘য়েন’ দিলে ‘মহেন’ হয়, যার মানে প্রস্ফুটিত। ‘জ’ মানে ফল, মুণ্ডারিতে দারে বা দারু হল বৃক্ষ। এ শব্দ মুণ্ডারি থেকেই তাহলে সংস্কৃতে ঢুকেছে!

    মহেঞ্জোদড়ো মানে তা হলে দাঁড়াচ্ছে—প্রস্ফুটিত ফল, বৃক্ষ। দুটি সিল দেখে তাদের পূজা—অর্চনা, সাজপোশাকের কথা এবং সাত পূজারীর কথা যা পণ্ডিতরা অনুমান করেছেন, তা সাঁওতাল সংস্কৃতির সঙ্গে অনেকটা মিলে যায়।

     

     

    কস্তুরী বললেন, না। গিয়ে একটি হোতাশ বিফোল বৃদ্ধ মৃত মুখ দেখে আমারও কুনও লাভ না, ওঁরও না। তুমরা ভেবো না। শান্ত হও। শান্তি করে বস। যোদি ইচ্চা হয় আমরা তিনজনে প্রে করতে পারি। উনি যেন ওঁর চাওয়ার জিনিস একদিন পান। যেন কোনওদিন সোৎ, শ্রেণীহীন, সুশাসিত ভারতবোর্ষ দেখতে পান। এ তো আমাদেরও চাহত, কী না?

    হ্যাঁ দিদি, আমি প্রে করব, নিশ্চয়ই।

    কাজল কোনও পরজন্মে বিশ্বাস করে না। কিন্তু সে গোঁড়া নয়, চুপ করে বসে থাকলেই তো হয়। এ জন্ম যাঁর শেষ হয়ে গেল তাঁর দেহাবশেষ পুড়ে যাবে, সামান্য কিছু অস্থি আর নাভি যাবে নদীগর্ভে। সেখানকার মাখনের মতো মাটির সঙ্গে ক্রমশ মিশতে থাকবে জলতলের অজানা রসায়নে। আর দেহের সঙ্গে সঙ্গে প্রাণবায়ু মিশে যাবে বাতাসের আবহমান দীর্ঘশ্বাসে। কেননা সে তো পৃথিবীরই বাতাস। মহাকাশের নির্লিপ্ততার সঙ্গে তার কোনও যোগ নেই। পৃথিবীর মানুষের প্রাণবায়ু নিয়ে সে যেমন ঋদ্ধ হয়, তেমনই বিষণ্ণও হয়। তবে হ্যাঁ, সৎ, শ্রেণীবৈষম্যহীন, সমৃদ্ধ, সুশাসিত, সুশিক্ষিত এক ভারতের স্বপ্ন সে দ্যাখে। তার জন্য প্রার্থনা করাই যায়। সে দেখতে পাবে না, ভোগ করতে পারবে না, কিন্তু ভবিষ্যতের মানুষ পারবে। কোনও সুদূর অপরিচিত ভবিষ্যৎ যেখানে সবই সম্ভব হতে পারে।

     

     

    মিনিট দশেক নীরব প্রার্থনার পর কস্তুরীবেন উঠে পড়লেন—রামলাখন, রামলাখন!

    —হাঁ মাজি, রামলাখন হন্তদন্ত হয়ে ছুটে আসে। ছুটতে পারে না—একটু নোদল—গোদল করতে করতে আসে। উনি তাকে পাঁচশো টাকা গুনে গুনে দ্যান।

    —গোলপার্ক সে ফুল লাও! মালা গুলাব, রজনীগন্ধা, অউর সোব।

    মৈত্রী লাফিয়ে উঠে দাঁড়াল—আমি যাচ্ছি দিদি, ও পারবে না।

    তাহলে সোকালে খাওয়া এনো। রাধাবল্লভি আলুদম। অমৃতি, গোজা।

    মৈত্রী হাসি—হাসি মুখ করে চলে গেল।

    কস্তুরী উঠে দাঁড়িয়ে প্রত্যেকটি ফটো খুঁটিয়ে দেখতে লাগলেন। বাইরে এলেন। বাঁ দিকে সিঁড়ি বরাবর সমান ব্যবদানে হুক আছে। আপন মনেই বললেন—এইখানে যতীন সেনগুপ্তো ছিলেন, এইখানে যতীন দাস, বৈকুণ্ঠ শুকুলের রেয়ার ছবি বাবা—মা রেখেছিলেন। ক্যাপ্টেন সায়গল, ধীলন, ঝাঁসি রানি, লকসমি স্বামীনাথন। এখন মিসেস সায়গল হয়েছেন। কী স্টুডেন্ট হাঙ্গামা হল সিক্সটিজে—সেভেনটিজে, ভেতরে ঢুকে পড়ে কিছু মানুষ সব ভেঙে দিলে, ওরা ভাল নয়, তার ভাল। বিদ্যাসাগর বাজে, রাসবিহারী বসু বাজে, শ্যামাপ্রসাদ বাজে, আশুতোষ বাজে—তারা, তারা শুধু কাজের।

     

     

    —ট্র্যাম পুড়াবে না তুমরা?

    কাজল হেসে ফেলল। —দিদি আমাকে কি হুলিগান—টাইপ মনে হচ্ছে?

    —হুলিগান দোরকার নাই। ক্রাউডে সোব হুলিগান হোয়। য়ু হ্যাভ আ পাওয়ারফুল বডি।

    —তো তাই আমি ট্র্যাম—বাস ভাঙব? কাজল ঈষৎ হেসে বলল, আমি তাহলে চললাম।

    —এই এই তুমি ঠাট্টা বুঝো না! বোসো, একানে চুপ করে বোসো, যোতখন না ফুল, খাবার সোব আসে।

    ঘণ্টাদেড়েক পরে মিঠু ও রামলাখন রাশি রাশি ফুল আর মালা নিয়ে এল। চারজনে মিলে সব ছবিতে মালা পরানো হল। যাঁদের মালা কুলোল না, কস্তুরী বড় বড় প্রাচীন ফুলদানি বার করে ফুল সাজিয়ে তাঁদের ফটোর তলায় রাখলেন। বিবর্ণ পেতলের ফুলদানে জ্বলতে থাকল লাল গোলাপ, হলুদ সূর্যমুখী, সাদা রজনীগন্ধা। মুহূর্তে ঘর ফুলের গন্ধে ভরে গেল। কস্তুরী বললেন, ফুলের মতুন জিনিস নাই। এসো এবার পেটপুজো কোরা চাই।…ও কী! তুমরা ওতো হাসচো কেন!

     

     

    মিঠু কিছুতেই তার হাসি থামাতে পারে না।

    কস্তুরী আস্তে আস্তে বললেন—হ্যাভ য়ু নোন ডেথ?

    মিঠু মাথা নাড়ল। তার মুখ থেকে সব হাসি হারিয়ে গেছে।

    কে?

    আমার দাদু…আমার মা!

    অনেকক্ষণ চুপ করে থেকে কাজলকে বললেন, তুমি, বীরপুরুষ?

    খানিক ভেবে কাজল বলল, ফাদার মরিসন, মেদিনীপুরের ব্যাপটিস্ট মিশন চার্চের। স্কুলটার উনি রেকটার ছিলেন।

    —ডেথ যদি খুব বোয়েসে আসে যেমন স্নেহলতা ঘোষ, যেমন আমার বাবা, যেমন আই গেস, তুমার ফাদার মরিসন—ইয়াং ম্যান—তেমন ডেথ ইজ রিলিজ অ্যান্ড ইউনিয়ন উইথ ইনফিনিটি। কিন্তু যোখন ইয়াং পিপল ডাই! মৈত্রী! মা কী ওসুখ করেছিল?

     

     

    —দিদি আমি এ প্রসঙ্গ চাই না, প্লিজ।

    তাদের অপরিচিত স্নেহলতা ঘোষের মৃত্যুতে যে বিষাদ আসব আসব করেও হঠাৎ অসময়ের মেঘের মতো হারিয়ে গিয়েছিল, সে ফিরে এল হাসিখুশি, ছটফটে মিঠুর চোখেমুখে। সেখান থেকে আবহাওয়ায়। এবং কস্তুরীর গাম্ভীর্যে, কাজলের নিশ্চলতায়।

    একটা কচুরি ছিঁড়েছিল মিঠু, একটু নাড়াচাড়া করে হঠাৎ বলল, দিদি, আমি আজ চলি।

    —মৈত্রী, মৈত্রী প্লিজ বসো। স্যরি, আ’য়্যাম স্যরি মাই ডিয়ার।

    —না না, স্যরি কেন…এমনি….মানে আমার কাজ…মিঠু মুহূর্তে লম্বা লম্বা পায়ে চৌকাঠ পেরিয়ে সিঁড়িতে নেমে গেল। কোনও শব্দ হল না। যেন সে চলে যাওয়ার কোনও চিহ্ন রাখতে চায় না।

    কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে কস্তুরী খুব অভিমানী স্বরে বললেন—কাজল, তুমিও কি খাবে না?

     

     

    কাজল একঝলক হেসে বলল—এই তো খাচ্ছি। সে কচুরিতে আলুর দম মুড়ে মুখে পুরল—আপনি খান!

    —এই যে খাই।

    নিঃশব্দে দু’জনে খাচ্ছেন। চারদিক থেকে ফুলের গন্ধ ডুবিয়ে দিয়েছে আর যা যা গন্ধ আছে, হাওয়া আছে সব।

    কস্তুরী ছোট্ট গলায় বললেন, মৈত্রীর মা কতদিন চলে গেছেন? ওঁর কী হয়েছিল কাজল!

    কাজল একটা অমৃতিতে কামড় বসিয়েছিল। রসটা সামলে নিয়ে বলল, আই হ্যাভ নো আইডিয়া!

    —হোয়াট?

    —আমি জানি না দিদি। সত্যি, কখনও জিজ্ঞেস করিনি।

    —স্ট্রেঞ্জ! তুমরা খুব বন্ধু না?

     

     

    —হ্যাঁ, নিশ্চয়ই!

    —তোবে?

    তবেটা কাজল কী করে বোঝাবে? তার নিজের কোনও পরিবার নেই। সে মনে করতে পারে না তার বাবার মুখ। তার ছ’বছরে ছেড়ে—আসা মায়ের মুখ। ফ্যামিলি আপনজনহীন একটা সম্পূর্ণ একলা অস্তিত্ব সে। তার এসব সম্পর্কে কোনও কৌতূহল নেই। জিজ্ঞেস করার কথা মনেই হয়নি।

    দেখেছে মিঠুর বাড়িতে ওর পাঞ্জাবি—পাজামা পরা গম্ভীর বাবা আরামকেদারায় শুয়ে শুয়ে ভগবদগীতা আর রাসেলের অটোবায়োগ্রাফি পড়ছেন। বাড়িতে আর কেউ নেই। মিঠু বলল—কী রে চা না কফি?

    যেটা তোর সুবিধে!

    কফিটাই করি তা হলে?

     

     

    সুতরাং মিঠুর মা দৃশ্যমান নয়। নামাল খাটতে গিয়ে ফেরেননি? না কী? মিঠুর টেবিলে সিরিয়াস মুখ এক মহিলার ফোটো। কত বয়স হবে? চল্লিশের কোঠায় হবেন? চশমার কাচের আড়ালে ঝিলিক দিচ্ছে চোখ। ঠোঁটে হাসি নেই, কিন্তু চোখ হাসছে। প্রথম দর্শনেই যা নজর কাড়ে তা হল আলো। পরিপূর্ণ শিক্ষা মানুষের চেহারায় একটা অন্যতর আলো দেয়, সেটা কাজল যত তাড়াতাড়ি পড়তে পারে, আর কেউ পারবে কিনা সন্দেহ। মিতু চা—কফি করতে গেলে সে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ফোটোটা দেখত। অস্পষ্ট একটা টান। নাঃ, তার চরিত্রে সেন্টিমেন্ট নেই। সে চোখ ফিরিয়ে নিচ্ছে পৃথিবীর যাবতীয় রক্ত—সম্পর্কের দিক থেকে। তার ভয় করতে লাগল—এবার কি কস্তুরীবেন তার মা—বাবার কথা জানতে চাইবেন? তখন তো তাকেও বলতেই হবে—এ প্রসঙ্গ থাক দিদি, প্লিজ। মিঠু রূঢ়ভাবে বলেনি, কিন্তু তার গলায় নির্ঘাত রূঢ়তা এসে যাবে।

    ফাদার মরিসন তাকে মাঝেমাঝেই জিজ্ঞেস করতেন—সে তার আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করতে চায় কিনা। সে কঠিন চোখে তাকিয়ে বলেছে, আমার কেউ নেই, ফাদার।

    —আর ইউ শিয়োর?

     

     

    —হ্যাঁ।

    না, কস্তুরী কিচ্ছু জিজ্ঞেস করলেন না। হঠাৎ তাঁর মনে হল তাঁকে যদি কেউ এই ধরনের জিজ্ঞাসাবাদ করে তিনি কী বলবেন? তাঁকেও হয়তো বলতে হবে—এ প্রসঙ্গ তিনি চান না। এভাবে বলবেন না, শুধু নিপুণভাবে প্রসঙ্গটা ঘুরিয়ে দেবেন। এদের থেকে বয়স বলো, অভিজ্ঞতা বলো সবই তো তাঁর অনেক অনেক বেশি!

    তিনি কাজলের অন্যমনস্ক ভাব লক্ষ করেছিলেন। গ্র্যানাইট না কষ্টিপাথরের ছেলেটি এখন তার ভাস্কর্য—অস্তিত্বে ফিরে গেছে। ও কি দেখেছে ইলোরার কৈলাস মন্দির? ও জানে না ও অন্য কোনও জায়গা নয়, ওই কৈলাস মন্দির টন্দির থেকেই বেরিয়ে এসেছে। সর্বত্র যোদ্ধা দ্বারপাল প্রভৃতির মূর্তিতে এই আদল। হঠাৎ ঈষৎ কৌতুকের সঙ্গে তাঁর মনে হল তিনি যদি যুবতী হতেন নির্ঘাত এর প্রেমে পড়তেন। সেক্ষেত্রে মেহতা আর মুণ্ডা, আমদাবাদ, আর সাঁওতাল পরগনায় কী উত্তাল অশান্তিই না হত! আচ্ছা, ওই চমৎকার বুদ্ধিমতী মেয়েটি, মৈত্রী, যে নাকি তার মায়ের মৃত্যুকে এখনও মেনে নিতে না পারার মতো সহৃদয় আছে, ওই মেয়েটির সঙ্গে কাজলের সম্পর্ক কী? শুধু কি বন্ধুত্ব? না প্রেম? আজকালকার ছেলেমেয়েদের বোঝা যায় না। তাঁর অল্প বয়সে ডাণ্ডিয়া নাচের সময়ে কত ছোটখাটো রোম্যান্স হত, এখন ছেলেমেয়েগুলো যেন ডাণ্ডিয়ার লাঠিটার মতোই শুষ্কং কাষ্ঠং হয়ে গেছে। যদি বা কিছু বোঝে তো সে আদৌ রোম্যান্স নয়, মন নয়।

    কাজল বলল, আপনার লিস্টে আর কে কে আছেন, যদি জানতে পারি অঞ্চল হিসেবে, একটা প্ল্যান ছকে ফেলতে পারি দিদি। আপনি অত সহজে পারবেন না। আমাকে বলেই দেখুন না। আমি জাস্ট আপনাকে ঢুকিয়ে দিয়ে বাইরে চলে আসব। আপনার প্রাইভেসি আপনার থাকবে। ইউ নিড নট ওয়ারি অ্যাবাউট দ্যাট।

    কিছু বললেন না উনি। গোজায় প্রচণ্ডভাবে মনোনিবেশ করলেন। ছেলেটার চোখ আছে।

    আপনার নোটবুকটা বার করুন। আমাকে বলুন, দেখি একটা শর্ট লিস্ট করতে পারি কিনা।

    কাজল অপেক্ষা করছে, দৃঢ় সংকল্প নিয়ে, মেহতা ম্যাডামকে সে হেলপ করবেই। কারণ ও স্পষ্ট বুঝতে পারছে, উনি অন্ধকারে হাতড়াচ্ছেন।

    ধীরেসুস্থে খাওয়া শেষ করে পড়ার চশমাটা চোখে লাগলেন কস্তুরী, নোটবইটা বার করলেন। যেন তিনি কাজলের প্রবল ইচ্ছাশক্তি দ্বারা চালিত হচ্ছেন এই মুহূর্তে।

    ১। রবিপ্রসাদ বর্মন—৪৫, শিকদারবাগান লেন, কলকাতা—৪।

    ২। রমা সরকার—৩০/১/এ, গরচা ফার্স্ট লেন।

    ৩। যতীন মণ্ডল—৫, শিমলা স্ট্রিট।

    ৪। স্বরূপচাঁদ রোহাদগি—৩৩, নাগের বাজার, দমদম।

    ৫। সিরাজ আলি—২৫এ, সার্কাস রো।

    ৬। তৃপ্তিকণা মজুমদার—বেহালা? একটা প্রশ্নচিহ্ন। নির্দিষ্ট ঠিকানা নেই।

    লিস্টটা পড়ে কীরকম বোকার মতো কস্তুরী চোখ তুললেন। যেন উদ্ভ্রান্ত।

    দিদি, কতকগুলো নর্থ ক্যালকাটা, বেশ দূর। আপনি যদি এই সার্কাস রো আর গরচা আগে যান। অবশ্য আপনার প্রেফারেন্সটা কী বলবেন।

    কাজল, আমি শিকদারবাগানে রবিজ্যাঠা মানে রবিপ্রসাদ বর্মনের বাড়ি যেতে চাই। আগে।

    ঠিক আছে। আমরা তো এখনই যেতে পারি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগান্ধর্বী – বাণী বসু
    Next Article অমৃতা – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }