Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উজান-যাত্রা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প255 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উজান-যাত্রা – ৯

    ৯) ওরা, তিনি, জেঠু

    মিঠু খুব ভারী পা ফেলে চলছিল। চারদিকে বাস—ট্যাক্সির আওয়াজ হঠাৎ যেন প্রবল বেড়ে গেছে। চারদিকে চলেছে অপরিচিত এমনকী বৈরী জনস্রোত। যে—কোনও মুহূর্তে এরা সব ভাঙবে চুরবে, গাড়িগুলো তাকে চাপা দেবার জন্যেই আসছে। সে একটা দোকানে ঢুকে বসে পড়ল। ঘামছে। মাথা ঘুরছে। একটা অন্ধ কষ্ট শরীর ছেয়ে ফেলছে ক্রমশ। কেন এরকম হল, হঠাৎ? সে কি প্রতিদিন একটু একটু করে ভুলছে না সেই কষ্ট, অসহ্য যন্ত্রণা দ্যাখার, কিছু করতে না পারবার সেই কষ্ট! একজন সদাব্যস্ত পুরো কর্মশক্তি ও স্বাস্থ্যসম্পন্ন মানুষকে হঠাৎ অমন ভেঙে যেতে দ্যাখার নিদারুণ কষ্ট! ভুলছে তো! সময়ের নিজস্ব নিয়মেই ভুলছে! কষ্ট চলে যাবে, স্মৃতি থাকবে। স্মৃতি পবিত্র, স্মৃতির মধ্যে এই দহনকারী শোক নেই। থাকবে না। বাবার মধ্যে স্মৃতির সঙ্গে সঙ্গে একটা শূন্যতাবোধ আছে—সে বোঝে। কিন্তু এ—ও বোঝে ওই শূন্যতার সঙ্গে মোকাবিলা বাবাকেই করতে হবে! সে সাহায্য করতে পারবে না। বাবার স্ত্রী আর তার মা তো এক ব্যক্তি হয়েও এক নয়! দু’জনের অভিজ্ঞতাও আলাদা, মোকাবিলা করার রীতিও আলাদা। সে কষ্ট দেখা যায় না, তবু করে নিতে। সেই ভগবানকে অনন্যমনে ডাকত, যাঁর অস্তিত্বে তার বিশ্বাস পোক্ত নয়। বাবাও ডাকতেন, বাবা বিশ্বাসও করতেন, কিন্তু বাবা দেখতে পারতেন না, পালিয়ে যেতেন। ওহ, দিদি আমাকে কেন ওই ভয়ংকর প্রশ্নটা করলেন?

    —মৈত্রী, মৈত্রী, কী হয়েছে? এত ঘামছ কেন? শরীর খারাপ করছে?

    ক্যাসেটের দোকানটা, এখন গাঢ় সকাল, খরিদ্দার কম। শিখরিণী। সি.ডি. কিনছে। শিখরিণী উঠে এসেছে।

    নিজের ব্যাগ থেকে ঠান্ডা টিস্যু বার করে তার কপালে চেপে ধরতে লাগল শিখরিণী।—আপনাদের কাছে একটু ঠান্ডা জল হবে? একজন কাছাকাছি দোকান থেকে ঠান্ডা পানীয় কিনে আনল। খানিক মুখেচোখে দিয়ে, বাকিটা আস্তে আস্তে খাওয়াচ্ছে তাকে শিখরিণী।

    মিঠু এবার হাসে, জোর করে হাসা, তবু তো হাসি। ভাল জিনিসের ভানও ভাল। আর হাসির মতো তাপহর আর কী আছে?

    —কী করলি দ্যাখ তো! কপাল—টপাল সব চটচট করছে।

    —করুক, একটু তো ঠান্ডা হলে! যা গরম! এখন একটু ভাল বোধ করছ!

    —হ্যাঁ, ঠিক আছি। শিখরিণী, আমাকে এক্ষুনি এক জায়গায় যেতে হবে। খুব অভদ্রতা করে চলে এসেছি।

     

     

    —এক্ষুনি যাবার দরকার কী! পরে গিয়ে ক্ষমা—টমা যা চাওয়ার চেয়ো।

    —না, না, আমার ডিউটি আছে।

    —ঠিক আছে। মিঠু, ভাগ্যক্রমে আজ আমার সঙ্গে গাড়ি আছে। চলো তোমায় পৌঁছে দিই।

    তিনের একের সামনে এসে মিঠু বলল, শিখরিণী, এখানে একজন অন্যরকম মানুষ আছেন, তুমি যখন এতটাই এসেছ, চলো না আলাপ করিয়ে দিই।

    —আলাপটা তত জরুরি নয় মিঠু। তোমার সঙ্গে যাওয়াটা জরুরি, এখনও তুমি ফ্যাকাশে হয়ে রয়েছ।

    —এসো তবে, এসো না!

    কস্তুরী দরজার দিকে মুখ করে বসে ছিলেন। তাঁর পায়ের কাছে কাজল। শালপাতাগুলো সব জড়ো করছে। দেখলেন মিঠু উঠে আসছে, তার সঙ্গে— বাপ রে এ যে স্বয়ং দেবী অম্বিকা। তাঁকে কি বর দান করতে আসছেন? মা ভৈঃ, পারবে, পাবে! এই জাতীয় কোনও বর?

    বিস্ময়ে তিনি প্রায় চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়েছিলেন। মিঠু এসে মেঝেতে বসে পড়ল। মেয়েটিকে দেখে কাজল বলে উঠল, শিখরিণী! তুমি এখানে?

     

     

    শিখরিণী কড়া চোখে কাজলের দিকে তাকিয়ে বলল, তুমি না মৈত্রীর বন্ধু! ওকে এমন অবস্থায় ছেড়ে দিয়েছ, ও যদি গাড়ির ধাক্কা খেত, যদি অজ্ঞান হয়ে রাস্তায় পড়ে যেত…যদি…

    কস্তুরী বললেন—সেকী! মৈত্রী!

    হঠাৎ শরীরটা কেমন করে উঠল দিদি, প্লিজ ডোন্ট মাইন্ড।

    মাইন্ড করব কী! আমি কি পাগল? এসো তো!

    তিনি ওর মাথায় হাত দিলেন। —এঃ চটচট করছে যে!

    হেসে মিঠু বলল, এই যে আমার বন্ধু শিখরিণী, ও ঠান্ডা জল না পেয়ে, কোল্ড ড্রিঙ্কস ঢেলেছে আমার মাথায়।

    —দাঁড়াও। তখনই কলঘর থেকে জল নিয়ে এসে তোয়ালে দিয়ে তার মাথা, কপাল, ঘাড় সব মুছে দিলেন কস্তুরী। মিঠু চেষ্টা করেছিল ওঁকে নিরস্ত করতে। পারেনি।

     

     

    নিজের কোলের ওপর ওর মাথাটা রেখে হাত বুলিয়ে দিতে থাকলেন কস্তুরী। প্রতিরোধহীন, মিঠু বসে থাকল ওইভাবে!

     

     

    খুব খানিকটা আদর খেয়ে নিলি, হ্যাঁ! —কাজল মুচকি হেসে বলল।

    শিখরিণী বলল, হ্যাঁ। তোমার যখন দরকার হবে, তখন তোমাকেও দেখব। কত আদর—যত্ন লাগে।

    আমার প্রযোজন খুব অল্প—কাজল, অনমনীয়।

    আচ্ছা, আচ্ছা হয়েছে। তুমি বীরপুরুষ, মৈত্রী একটু ভাল বোধ করছ?

    মাথা হেলিয়ে জবাব দিল মিঠু। তার মাথা এখনও কস্তুরীর কোলের ওপর। খুব নরম গদির মতো কোলটা। শাড়ি থেকে খুব শুভ্র একটা আভা আর সুগন্ধ তার মস্তিষ্কে প্রবেশ করছে। মিঠু চোখ বুজল।

    —কাজল তুমি এর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দাও। কস্তুরী বললেন—

    ও শিখরিণী, মিঠুর বন্ধু। খুব, মানে প্রাণের বন্ধু।

    সে তো শুনলুম। আর…

    শিখরিণী বলল, আমি আর মৈত্রী এক ইউনিভার্সিটিতে পড়তুম দিদি। ও তুলনামূলক সাহিত্য মানে কমপ্যারেটিভ লিটারেচার, আমি বাংলা। সেই থেকে ভাব। ওর সঙ্গে আসলে আমার মতামতের মিল আছে। এখানে তো আমি মামার বাড়ি থাকি এখন। কলেজে পার্ট—টাইম পড়াই।

    —কোন কলেজে?

    —মুরলিধর।

    —মুরুলিধর? তবে তো তুমি আমারও বন্ধু।

    —আমি এমনিই আপনার বন্ধু হতে পারি, মুরলিধরের সঙ্গে সম্পর্ক কী?

    —আমি যে ছুটবেলায় মুরুলিধর স্কুলে পড়েচি।

    কাজল বলল, উনি কস্তুরীবেন। কস্তুরী মেহতা। গুজরাতে থাকেন। সমাজসেবিকা। এখানেও সমাজসেবা করবার জন্য এসেছেন, দেখছ না মিঠুরূপ সমাজকে উনি কীরকম সেবা করছেন!

    এবার মিঠু মাথা তুলে একটা মুঠো তুলে কাজলকে দ্যাখাল। তারপর সোজা হয়ে বসল।

    ফিলিং ওয়েল?

    শিখরিণী বলল, এরকম রুড বন্ধু হলে ভাল না হয়ে উপায় কী?

    কস্তুরী এবার উঠে টেবিলের ওপর থেকে চ্যাঙারি—ভরতি কচুরি, ভাঁড়ে আলুর দম নিয়ে এলেন।

    —স্যরি শিখরিণী, তুমাদের এই চ্যাংড়াতেই খেতে হবে।

    —তাতে কী হয়েছে?

    শিখরিণী তক্ষুনি উঠে শালপাতা আলাদা করে সাজাতে লাগল খাবারগুলো।

    —না না। আমরা—আমি আর কাজল খেয়েচি। তুমাদের দু’জন বাকি আচে।

    কাজল বলল, আমরা কি আজকে যাচ্ছি, দিদি?

    —শিয়োর, আমার না গেলে চলবে না। মৈত্রীকে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে আমরা যাব।

    —না, না, আমি যাব দিদি। আমি কখনও স্বাধীনতা—সংগ্রামী দেখিনি।

     

     

    —ওর্কম ততো নন ইনি, তবে হ্যাঁ জেল খেটেচেন, কুইট ইন্ডিয়া করেচেন।

    —আপনারা কোথায় যাচ্ছেন? —শিখরিণী জিজ্ঞেস করল।

    কাজল বলল, শিকদারবাগান, রবিপ্রসাদ বর্মনের বাড়ি!

    —শিকদারবাগান? আমিই তো আপনাদের পৌঁছে দিতে পারি। আমার মামার বাড়ি হাতিবাগান গ্রে—স্ট্রিট। ওদিকেই তো যাচ্ছি। কস্তুরীদি, আপনার যদি অসুবিধে না থাকে আমিও স্বাধীনতা—সংগ্রামী দেখে আসতে পারি।

    কাজল বলল—আমরা তো রেন্টাল গাড়ির ব্যবস্থা করছিলাম দিদি।

    —আমার গাড়িতে যেতে কোনও আপত্তি আছে? আমরা বরং গাড়িতে যাই। তুমি পেছন পেছন মেট্রোয় এসো, এখান থেকে অটোয় কালীঘাট যাবে। সেন্ট্রাল অ্যাভেনিউয়ে নামবে, তারপর..কলুটোলা পার হয়ে, কলেজ স্ট্রিট থেকে ট্র্যাম নেবে। চমৎকার পৌঁছে যাবে।

    কস্তুরী হাসতে লাগলেন—যের্কম একটা জার্নি বললে শিখরিণী, তাতে ও বেচারার আর এবার ফ্রিডম ফাইটার দেখা হল না।

    —আমি গাড়িটা পুরো এবেলার জন্য পেয়েছি দিদি। কোনও ভাবনা নেই। আসলে আমি কলেজ আসি তো, পার্ট—টাইম, এগারোটায় আজ আমার ক্লাস শেষ।

    সামনে কাজল, পেছনে তিনজন—পুরনো অ্যামবাসাডর, ভালই ধরে গেল।

    —তুষার পার্ট—টাইম কেন শিখরিণী! সময় পাচ্ছে না?

    —আরে আর বলবেন না। এখন তো কলেজের চাকরির জন্য নেট স্লেট পরীক্ষা চালু করেছে কলেজে সার্ভিস কমিশন, স্কুলের চাকরির জন্য আছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। কখনও পাশ করবেন, কখনও করবেন না। কেন, এসব প্রশ্নের কোনও জবাব নেই। তার ওপরে আবার সব জায়গায় এস.সি—এস.টি সংরক্ষণ। হাজারে হাজারে পোস্ট খালি পড়ে রয়েছে। এস.সি.—এস.টি পাওয়া যাচ্ছে না। পোস্টগুলোকে ফাঁকা কর! তা নয়, পড়েই রয়েছে। ভাল না! সরকারকে মাইনে দিতে হচ্ছে না। স্যরি কাজল, হঠাৎ থেমে গেল শিখরিণী, সে মিঠুর কাছ থেকে একটা চিমটি খেয়েছে।

    আমাকেই শুধু দুঃখিত হতে হবে কেন—তোমরা দুঃখিত নয়, যে স্বাধীনতার ছাপ্পান্ন বছর পরেও উপযুক্ত এস.সি, এস.টি পাওয়া যায় না! কাজলের গলায় ঝাঁঝ নেই, খুব নির্লিপ্ত প্রশ্ন।

     

     

    একটু পরে সে বলল, সংরক্ষণের একটা নীতি থাকা উচিত। স্পষ্ট নীতি। ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারিং এসব পড়ার ক্ষেত্রে। সংরক্ষণ খুব বিপজ্জনক, গ্রেস দিয়ে তো ডাক্তারি পাশ করানো যায় না। কিন্তু সকলের জন্য যে মিনিমাম শিক্ষা এখনও চালু হল না তার কী কৈফিয়ত?

    শিখরিণী বলল, অফিসের নিচুতলার চাকরিতে সংরক্ষণ থাক। কিন্তু স্কুল—কলেজে পড়াতে হলে উপযুক্ত প্রতিযোগিতা করে আসাই উচিত, তুমি যাই বলো কাজল।

    —তার পরেও আমার প্রশ্নটা একই থাকে—স্বাধীনতার এত বছর পরেও সকলের জন্য মিনিমাম শিক্ষা কেন চালু হল না!

    কস্তুরী বললেন—মিনিমাম শিক্ষা বলতে তুমরা কী বুঝো জানি না। আমি মনে করি—কারু জন্যেই মিনিমাম শিক্ষা চালু হোয়নি। কী শিখে? ডিসিপ্লিন? নিজেরটা নিজে করে নেওয়া! অন্যকে সাহায্য করা! হিউম্যান ভ্যালুজ কিছু শিখছে, কেউ? যে শিখে সে আপনি শিখে। কাউকে শিখানো হয় না, ব্যবস্থা নাই। সহবত নাই, কনসিডারেশন নাই, রেসপেক্ট নাই, সংযম নাই, খালি লোভ, খালি জিনিস, জিনিসের পিছন ছুটতে শিখাচ্ছে। আর হোতাশায়, ডেসপ্যারেশন, ডাকাত চোর আত্মহত্যা।

    রবিপ্রসাদ বর্মনের বাড়ির সামনে এসে শিখরিণী বলল, এ বাড়ি আমি চিনি। বর্মন বাড়ির একটি মেয়ের সঙ্গে আমার ছোটবেলায় খুব আলাপ ছিল। ওরই কি দাদু? রবিপ্রসাদ বর্মন? নামটা তো আমি শুনিনি। তবে একজন বুড়ো মানুষ এখানে থাকেন আমি জানি। অঙ্গনাদের দাদু, কি কী, আমি জানি না।

    বাড়িটার সামনে এসে কাজল বলল, দিদি আপনি যান। আমরা ঘণ্টা খানেক পরে এসে ফ্রিডম—ফাইটার দেখব।

    —না না তুমরা এসো না!

    ওরা কিছুতেই এল না।

    কস্তুরী সত্যি বলতে কি স্বস্তিই পেলেন। ছেলেমেয়েগুলির বিবেচনার প্রশংসা করলেন মনে মনে। এখন তিনি একা এবং অদূরে তাঁর অতীত। মোকাবিলা করতে যাচ্ছেন। মাঝখানে সময়ের সমুদ্র। তিনি জানেন না সেই সমুদ্রে ভাসতে জাহাজ লাগবে না নৌকো কি ভেলাই যথেষ্ট।

    বাড়িটা বেশ পুরনো হলেও শক্তপোক্ত। লাল ইটের বাড়ি। মার্কামারা ব্রিটিশ সময়ের গাঁথিনি। সবুজ জানলা। সবুজ দরজা। একটা ছোট প্যাসেজ দিয়ে উঠোনে পড়লেন কস্তুরী। বড় বড় দরজা খোলাই ছিল।

    উলটো দিকের ঘর থেকে এক বৃদ্ধ মানুষ বেরিয়ে এলেন। সাদা ফতুয়া, ধুতি, ভুরুগুলো পাকা। চোখের ওপর ঝুঁকে পড়েছে। একহারা মানুষটি, বেশ মজবুত।

     

     

    গলাটা একটু তুলে কস্তুরী বললেন, এখানে কি রবিপ্রসাদ বর্মন থাকছেন?

    ভদ্রলোক এগিয়ে এসে বললেন, আমিই। আপনাকে তো ঠিক…

    আমি কস্তুরী মেহতা, কিকি, জ্যাঠামশায়। —উনি নিচু হয়ে প্রণাম করলেন। এত সহজে অতীতের মুখোমুখি হওয়া যাবে তিনি ভাবতে পারেননি। অজিতমোহন অন্য লোকে গিয়ে বসে আছেন। নিবেদিতা মাসির মধ্যে অতীতকে পাওয়া গেল, তবু আসল কেন্দ্রীয় প্রশ্নের উত্তর মিলল না। স্নেহকাকিমা এতদিন, সাতাশি বছর বেঁচে রইলেন। কিকির জন্য আর দু’ এক মাস থাকতে পারলেন না। সব সময়েই তাই মনে হয় ফসকে গেল। বুঝি ফসকে গেল।

    কিকি! কিকি! তুমি এখানে, এতদিন পরে…ভদ্রলোক বিস্ময়ে আনন্দে দিশাহারা হয়ে গেলেন।

    একটু সামলে বললেন, যাক, একেবারে চলে যাবার আগে এমন কারও সঙ্গে দেখা হল যার সঙ্গে কথা বলা যায়। এসো মা। এসো এসো।

    এটাই ওঁর ঘর। বেশ বড়। একদিকে শোবার খাট। আর একদিকে টেবিল চেয়ার। মাঝখানে দুটো মুখোমুখি সোফা। মনে হয় এগুলো যেন নতুন যোগ হয়েছে। কোণে টেলিফোন, তার পাশে আলমারি।

    বুঝলে কিকি—এদের সঙ্গে কথা বলা যায় না। নোবডি নোজ এনিথিং। কেউ কথা বলতে জানে না। আক্ষেপে ফেটে পড়লেন রবি জ্যাঠামশায়। বুদ্ধদেব সেই চিরন্তন আক্ষেপ ভুরু কুঁচকে বললেন—কী বিষয়ে কথা বলবে! জীবন সম্পর্কে কোনও ধারণা আছে? জগৎ সম্পর্কে? এসব নিয়ে কখনও কিছু ভেবেছে? জিজ্ঞেস করলে বলে—দাদামশায়, বই লিখুন না, এখন আর মুখে মুখে ফিলসফি কেউ মানে চর্চা করে না। আরে বাবা, ফিলসফি কে চেয়েছে তোদের থেকে? ডাক্তারি ইঞ্জিনিয়ারিং দুটোতেই চান্স পাচ্ছিস। ইঞ্জিনিয়ার হবার ইচ্ছে নেই। তবু তাইতেই ঢুকছে। ডাক্তারিতে এসট্যাবলিশ হতে সময় লাগে। তা ছাড়া ঝামেলা আছে। ডাক্তার পিটোচ্ছে, প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধ করে দিচ্ছে। আরে বাবা, অন্যায় করছিস তাই পিটছে। ভাল করে দরদ দিয়ে চিকিৎসা কর, মাথায় করে রেখে দেবে, তা না, দ্যাখাতে যাও চেম্বারে বসেই আছি, বসেই আছি। আরে আমার পরে এসে তিনটে টাই—পরা যুবক ছেলে ঢুকে গেল, হাতে ওই ব্রিফকেস। একেক জন কুড়ি মিনিট আধঘণ্টা নিচ্ছে। এ কী অন্যাই! কমপ্লেন করি, বলে কি ওরা নাকি মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ। বোঝো! রুগি বসে আছে ঘর ভরতি। আমার মতো বুড়ো মানুষ, তা ছাড়া হয়তো কারও জ্বর, মাথা ঘুরছে, কারও বা পেটের যনতন্না। সব বসানো রইল, দেড় ঘণ্টা ধরে দেনা—পাওনার মিটিং হচ্ছে মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভের সঙ্গে। পিটুনি এরা খাবে না তো কে খাবে!

    হঠাৎ ওঁর চৈতন্য হয়—এ হে হে, দ্যাখো তো তোমাকে বসিয়ে রেখেছি। বক বক বক। আমার ছেলেরা বলে—বাবা, এবার আপনাকে দেখলে লোকে পালাবে। —খুব হাসলেন উনি। —তা কিকি, কত বড়টা হয়ে গেছ মা। দেখতে দেখতে কত দিন কেটে গেল। সেই ছোট্ট কিকি, কোলে কুকুর নিয়ে ঘুরত, কাঁখে পুতুল। —নাঃ আমি ভাবতে পারছি না। চেনা যায় না। তবে নরেন্দ্রর মুখের আদলটা—হ্যাঁ এইবারে ধরতে পেরেছি। রংটা, চুলের ধরন, জ্বলজ্বলে চোখ দু’টি। সে কেমন আছে?

     

     

    তিনি শান্তি পেয়েছেন জেঠু। আমার মা কোথায়, আপনার কাছে কোনও খবর আছে? —কস্তুরী আর ভণিতা করতে পারছেন না।

    একদম চুপ করে গেলেন বৃদ্ধ মানুষটি। অনেকক্ষণ পরে বললেন, কেন জানতে চাও কিকি? জানলে যদি কষ্ট পাও!

    —কষ্ট পাব না। কষ্ট সহ্য করা আমার অভ্যাস আচে। আপনি বলুন।

    —সে যে আমাকে সত্যবদ্ধ করে গেছে মা! তা ছাড়া দরকারই বা কী! সে তো তোমার সত্যি মা নয়?

    —নয়?

    —না, সৎমা যাকে বলে। তুমি নরেন্দ্র ভাইয়ের প্রথম পক্ষের মেয়ে। তোমার বাবার খুব অল্প বয়সে বিয়ে হয়েছিল। উনি তো আন্দোলন করতে কলকাতায় চলে এলেন। এখানে নরেন্দ্র কল্যাণীকে বিয়ে করলেন, মাঝেমাঝে দেশে যেতেন। কী জানো, সে আগুনের মেয়ে, যখন জানল আগের বিয়ের কথা নরেন্দ্র গোপন করেছেন, ক্ষমা করেনি। তারপর তোমার মা আমদাবাদে তোমার জন্মের সময়েই মারা গেলেন। কল্যাণীর জেদেই তুমি এখানে এলে মা। ছোট্ট একটুকুনি পুতুলের মতো মেয়ে। তখনও কথা বলতে শেখোনি।

    —তা হলে যাঁকে সৎ মা বলছেন, তিনিই তো আমার মা। বাবার যে আর একটা বিয়ে ছিল বাবা আমাকে বলেছিলেন, কিন্তু আমি যে তাঁর মেয়ে একথা বাবা কখনও বলেননি। আপনারা ঠিক জানেন না। আমি এই মায়েরই মেয়ে।

    —বেশ মা। তাই। তুমি যা ভেবে শান্তি পাও। হয়তো তুমি শক পাবে বলেই নরেন্দ্র বলেনি। আর…কিকি…হয়তো…হয়তো তুমি নিজের মেয়ে নয় বলেই সে তোমাকে ছেড়ে চলে যেতে পেরেছিল। ওভাবে কেউ যায়?… কোথায়? আমি ঠিকঠাক জানি না। তবে নানান জায়গায় ঘুরতে ঘুরতে সে আর সুধা এখন মেদনিপুরের কোন গ্রামে সেটল করেছে শুনি।

    মাঝিহিড়া?

    না না, ওরকম অদ্ভুত নাম তো নয়! ট্রাইবাল বেল্টেই বোধহয়। কিকি, ছেড়ে দাও মা। যে গেছে তাকে যেতে দেওয়াই ভাল। তার বয়সও কি কম হল? পঁচাত্তর—ছিয়াত্তর! হ্যাঁ…তা হবে। তার বেশিও হতে পারে…। আমারই তো হল নব্বুই কমপ্লিট।

    কাজল, মিঠু আর শিখরিণী যখন এক ঘণ্টা পরে ঘুরে এল, বাড়ির ভেতর থেকে চিড়ে—বাদামভাজা চা সন্দেশ এসে গেল। রবিপ্রসাদ বর্মনের পুত্রবধূ নিয়ে এলেন সব, তাঁর এক পুত্রবধূর সঙ্গে। খাওয়াদাওয়া হতে লাগল। কস্তুরী এদের সঙ্গে রবিপ্রসাদ ও তাঁর বাড়ির লোকেদের পরিচয় করিয়ে দিলেন। রসিকতা, পুরনো দিনের বহু কথা গল্প করতে লাগলেন রবিপ্রসাদ। তাঁকে চট করে থামানো যায় না। রাসবিহারী বসু পুলিশ এড়াতে কীভাবে জমাদার সেজে মলভাণ্ড মাথায় নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন, সুভাষচন্দ্র কীভাবে আফগানের ছদ্মবেশ ধরেছিলেন, শরৎচন্দ্রের ‘পথের দাবী’তে কীভাবে সুভাষের ছায়া পড়েছিল, বন্দেমাতরম জাতীয় সংগীত করা নিয়ে কত পলিটিকস হয়েছিল, জিন্না সাহেব কংগ্রেসের নেতাদের কাছ থেকে, বিশেষত মহাত্মাজির কাছে গুরুত্ব না পেয়ে শেষ পর্যন্ত মুসলিম লিগে যোগ দিলেন, তারপরে পাকিস্তানের জিগির তুললেন, তাঁর সাহেবি পোশাক—আশাককে মহাত্মাজি কীভাবে উপহাস করতেন। একবার গোসলখানা থেকে জিন্না সাহেবের জন্য কুরসি আনতে বলেছিলেন তাঁর আশ্রমে চেয়ারের ব্যবহার ছিল না বলে, সুইজারল্যান্ডে কমলা নেহরুর মৃত্যুশয্যায় সুভাষ কীভাবে তাঁর ও জেনিভাতে বিঠলভাই প্যাটেলের সেবা করেছিলেন। বিঠলভাইয়ের নাম আজ কেউ জানে না, তিনি বল্লভভাইয়ের বড় ভাই ছিলেন, প্রকৃতই উদার স্বভাবের, কীভাবে সুভাষের বিদেশি প্রচারের জন্য উইল করা তাঁর একলাখ টাকা থেকে ট্রাস্টিরা পলিটিকস করে সুভাষকে বঞ্চিত করেছিল, সরোজিনী নাইডু কীরকম চোখা চোখা কথা বলতেন, ভারতে স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠিত হবার পরও কীভাবে সেই মন্ত্রীসভা আন্দামানের বন্দিদের মুক্ত করেনি, কেন ফজলুল হক লিগে যোগ দিলেন—এরকম অজস্র কথা দাঁড়ি—কমাহীন বলে যেতে লাগলেন। তাঁর পুত্রবধূ ও তাঁর পুত্রবধূ মুখ টিপে মুচকি হেসে চলে গেলেন, ওঁর এক নাতি এসে বলল, ওঃ দাদু, তুমি একটু থামবে, এইসব ইয়াং ছেলেমেয়েরা কী জানে! উনি বললেন, জানা উচিত, নাতি বললেন এইটুকু সময়ের মধ্যে এত আয়ত্ত করা যায় নাকি! ওরা বলল, না না। আমাদের ভাল লাগছে। কাজল বলল, আমি ইতিহাসের ছাত্র। আমার খুব ইনটারেস্টিং লাগছে, তাতে রবিপ্রসাদ উৎসাহিত হয়ে আরও বলতে লাগলেন, আরও আরও, কিন্তু মিঠু, কাজল এমনকি শিখরিণী পর্যন্ত অনুভব করল—পরিবেশের মধ্যে কোথাও অন্ধকার, কোথাও বেসুর এবং স্বভাব—স্নেহশীলা চটপটে ম্যাডাম চুপচাপ। গম্ভীর, অন্যমনা, নেই তাঁর প্রতিদিনকার কৌতুক, উৎসাহ, কস্তুরীবেন যেন এক ঘণ্টার মধ্যে আমূল পালটে গেছেন।

    শিখরিণী নিজের বাড়ি অর্থাৎ মামার বাড়ি চলে গেল। যাবার সময়ে বলল, দিদি, যদি আমায় কোনও দরকার লাগে ডাকবেন প্লিজ। আমার আজকের দিনটা মনে থাকবে। মানিকতলায় নেমে গেল কাজল, নামবার সময়ে মিঠুর সঙ্গে একবার চোখাচোখি হল। তারপর ট্যাক্সি ছুটল পুরনো মারহাট্টা ডিচের ইতিহাসের ওপর দিয়ে মৌলালিতে বাঁক নিয়ে, আমির আলি অ্যাভেনিউ দিয়ে গোলপার্কের দিকে।

    মিঠু খুব সন্তর্পণে বলল, দিদি আপনি কি খুব ক্লান্ত? আমি আপনার সঙ্গে থাকি একটু।

    উনি তার হাতটা জড়িয়ে ধরে বললেন, সেরকম কিচু না, তুমি আসচ না। স্ট্রেট বাড়ি যাবে।

    তিনের একে নামবার সময়ে উনি পুরো ট্যাক্সি ভাড়াটা দিয়ে দিলেন। তারপর হঠাৎ মিঠুর কপালে একটু হালকা চুমু খেলেন। বললেন, লক্ষ্মী মেয়ে, মিঠু দেখল ওঁর হাত, ওঁর ঠোঁট সব ঠান্ডা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগান্ধর্বী – বাণী বসু
    Next Article অমৃতা – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }