Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উত্তরঙ্গ – সমরেশ বসু

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প229 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৪. তেলেনীপাড়ার চটকল

    ভোরবেলা।

    তেলেনীপাড়ার চটকল। বস্তবড় উঁচু দেওয়ালের একটানা লম্বা ঘর, পেটানো ছাদ। গোল গোল ইটের থাম ও চৌকো। কাঠ দু ফুট, স্কোয়ার, তার উপরে কড়ি। হলের এক অংশে পাট পেঁজা করা ও সুতোর মেশিন বসানো। মাঝে একটা চওড়া ছেদ পড়েছে। তারপর শুরু হয়েছে তাঁতের সারি। হলের কিছুটা পুবে বয়লার ঘর; তার সঙ্গে পাইপ সংযুক্ত স্টিম এঞ্জিনের পাথর বাঁধানো দোতলা ঘর।

    ভোর ছটা বেজে গেলেও এখনও মাত্র কয়েকজন মেয়েপুরুষ এসেছে। তারাও এসে কারখানার মধ্যে ঢুকে নিজেদের মধ্যে গালগল্প শুরু করল। অনেকেরই ধারণা হয়তো ছটা বাজেনি এখনও। বাজলে কলের বাঁশি এতক্ষণ বেজে উঠত নিশ্চয়ই।

    কারখানার অদূরেই পুব-দক্ষিণ কোণ ঘেঁষে গোরা সাহেবদের কুঠি। রাজপ্রাসাদের মতো দোতলা অট্টালিকা। একতলার পেছনে ও সামনে কত সারি সারি জোড়া জোড়া থাম চলে গেছে। সুপ্রশস্ত ঝকঝকে বারান্দা। দেওয়াল প্রায় দু ফুট চওড়া। দরজার মাথায় কোনও চৌকাঠ নেই, দুর্গের মতো অর্ধগোলাকার দেওয়ালের মাথায় মাথায় দরজাও গোল করে কাটা। কারখানার দিকের দরজা জানলাগুলি বন্ধ, খিলানে কার্নিশে অসংখ্য পায়রার ভিড়। সেই দরজা বন্ধ প্রাসাদ থেকে পিয়ানোর মিষ্টি শব্দ আসছে ভেসে ভেসে। সেই বাজনার শব্দে ও আকাশের গায়ে হেলান দেওয়া ঢেউ খেলানো আলসে দেখে মনে হয় জগতের সমস্ত ভিড়ের বাইরে যেন একটি সুপ্ত স্বর্গপুরী। সামনে বিস্তৃত জমির উপর দেশি বাগান। কয়েকটি এ দেশিয় লোক নিয়ে এক সাহ্বে বাগানের কাজকর্ম দেখছে। বাঁধাকপির চাষটার দিকেই সাহেবের নজর বেশি। বাগানের গেটে একজন বন্দুকধারী প্রহরী।

    কারখানার অদূরের উত্তর কোণে কোম্পানির জায়গাতেই একটা লম্বা ব্যারাকের মতো সুদীর্ঘ চালাঘর। ছোট ছোট আলাদা ঘর করা হয়েছে তার মধ্যে বেড়া দিয়ে। সেখানে থাকে যারা অন্যত্র থেকে এখানে এসেছে। কোম্পানির পয়সার বাঁশ মাটি দড়ি বিচুলি ইত্যাদি কিনে বাসিন্দারা নিজেরাই তৈরি করে নিয়েছে এ ঘর।

    ম্যানেজার রবাসেন আর মিস্তিরি আহের আলী অর্থাৎ রবার্টসন এবং ওয়ালিক আসতেই কিছুটা তাড়া পড়ল কারখানার মধ্যে। কিন্তু আসল যন্ত্রই এখনও চালু হয়নিকাজ সবাই করবে কী?

    ওয়ালিক তাড়াতাড়ি স্টিম ঘরের দিকে গেল। সেখানে মেশিনের ধারে খানিক বাঁধানো জায়গায় জনা দুয়েক অপুট মিস্ত্রি শুয়ে আছে। সাহেবকে দেখেই লাফিয়ে উঠে বলল, কেদার এখনও আসেনি সায়েব।

    কেদার হল এখানকার সাহেবদের চোখের মণি। শুধু স্টিম বলে কথা নয়, সারা চটকলের সমস্ত মেশিন তার নখদর্পণে।

    ওয়ালিক জিজ্ঞেস করল, নারান কাঁহা, নারান?

    মিস্তিরি দুজন পরস্পরের দিকে তাকিয়ে মুখ টিপে হেসে একজন বলল, সে এখন সগগে আছে, মিস্তিরি সায়েব।

    ক্যায়া?

    মদ–বুঝলে? দারু খেয়ে ঘর মে পড়ে আছে।

    রবার্টসনও সেখানেই এসে হাজির হল। রবার্টসন অপেক্ষাকৃত গম্ভীর এবং অহঙ্কারী। সে কোনওমতে কখনওই তুষ্ট নয়। তার ধারণা এ-দেশের লোকগুলো শুধু নয়, পৃথিবীর সমস্ত কালো মানুষকেই একদিন সাদা হতে হবে। কারণ এদের মনুষ্যজন্ম খুব বেশিদিনের নয়। আর কালোই হচ্ছে মানুষের আদিম রূপ। যে জাতির অগ্রগতির সেদিক থেকে বেশি, সে জাতিই সাদা হয়েছে। সেইজন্যই সে এ দেশিয় কোনও ফরসা মানুষ দেখলেই তার বংশ সম্পর্কে অনুসন্ধিৎসু হয়ে ওঠে। তা ছাড়া, এরা ধর্মান্ধ তো বটেই, এবং এক দুরন্ত ধর্মান্ধর পাল্লায় তাকে একবার পড়তেও হয়েছিল ওপারে গাড়লিয়ার এদেশিয় এক ব্ল্যাক দেবতার মন্দিরে। সে লোকটার কথা সে জীবনে কোনও দিন ভুলবে না। সে চেয়েছিল লোকটাকে খুনি বলে পুলিশের হাতে তুলে দিতে। কিন্তু আর কেউ ব্যাপারটাকে আমল দিল না বসে সে রীতিমতো ক্ষুব্ধ হয়েছিল। সে বেশ খানিকটা তাজ্জব হয়ে যায়—ওয়ালিক এবং তার অন্যান্য কর্মীরা অনেকেই রীতিমতো ঠাণ্ডা মাথায় এদের সঙ্গে কথা বলতে পারে।

    সে যখন ওয়ালিকের মুখে শুনল, কেদার আসেনি, স্পষ্টই বলল, ওকে পুলিশের হাতে দিয়ে দাও, কারখানার দায়িত্ব সে পালন করেনি।

    ওয়ালিক একটু হেসে তাকে নানান কথা বুঝিয়ে বাইরে নিয়ে গেল। তারপর সে কুঠির আস্তাবলে ঢুকে এক্কার সঙ্গে নিজের হাতেই ঘোড়া জুতে বেরিয়ে গেল মাথার উপর চাবুক ঘুরিয়ে।

    যে সব মেয়েপুরুষ বাইরে দাঁড়িয়েছিল রবার্টসন তাদের ধর্মকে ভিতরে পাঠিয়ে দিল। তারপর নিজে সে এগুল চালাঘরটার দিকে। যে সব ঘরের দরজা তখনও ভিতর থেকে বন্ধ, সেগুলো ধাক্কা দিতে লাগল।

    একটা ঘরের দরজা খুলে উঁকি দিল মদন কৈবর্তের বউ কাতু। সদ্য ঘমভাঙা। আরক্ত চোখ, বিস্ত বেশবাস, দরজা খুলেই রবাসেনকে দেখে রুষ্ট হয়ে উঠল সে। বলল, আ মলো মুখপোড়া, দরজা ধাক্কাচ্ছ কেন?

    রবার্টসন বাংলা দূরের কথা, এখনও হিন্দিই ভাল বলতে পারে না। বলল, হোয়াট?

    কাতু বলল, বলছি কেয়া হুয়া?

    টুম কাম মে নই গিয়া কেঁও?

    তোর বাঁশি বাজেনি তো যাব কী। বলে সে মুখ টিপে হেসে আবার বলল, শ্যামের বাঁশি তো নেহি হুয়া।

    রবাসর্টসন বুঝল না কিছু। বলল, নারান কাহাঁ?

    কাতু এবার ঝোঁজে উঠল, আ মলো, নারান কি আমার ভাতার যে ওর কথা এসে আমাকে জিজ্ঞেস করো?

    রবার্টসন কিছু না বুঝে কাতুর গায়ের উপর দিয়ে জানালাহীন অন্ধকার ঘরটার মধ্যে ঢুকে গেল। গিয়েই থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল। দেখল দুটো মেয়েমানুষ প্রায় অর্ধ উলঙ্গ অবস্থায় শুয়ে আছে কাঁচা মেঝের উপর। এবং দুজনেই যে অন্তঃসত্ত্বা তা বুঝতে রবার্টসনের দেরি হল না ওদের গোল এবং  উঁচু পেট দেখে।

    জিজ্ঞেস করল কাতুকে, ই লোক কৌন্ হ্যায় কল মে কাম কটা হ্যায়?

    হ্যাঁ গো সায়েব, কারখানার কামিনদেরও চেনো না?

    টুমকো রিলেটিভ হ্যায়?

    তোমার মরণ হ্যায়। বলে কাতু ঘরের মধ্যে ঢুকে সাহেবকে বলল, তুমি যাও সাহেব, হাম্‌ যারা হ্যায়।

    রবার্টসন বলল, গেট আপ, জলডি চল। মগর নারান কাহাঁ? কাতু বউ দুটোকে ধাক্কা দিয়ে তুলে বলল, চল তাড়াতাড়ি, সায়েব এয়েছেন? বলিহারি ঘুম বাপু তোদের। ছিনাথ কেঠুরে তোদের ঘুম ভাঙাত কী করে?

    এ সেই শ্রীনাথের পলাতক জোড়া বউ, চোখ বড় বড় করে হঠাৎ ঘুম ভাঙার চমকানি নিয়ে উঠে বসল। শ্রীনাথের ঔরসে হাজার চেষ্টাতেও সন্তান পেটে ধরতে পারেনি ওরা। আর আজ একটা একটা নয়, দুটো বউয়েরই পেটে সন্তান এসেছে। নিজেদের নারীত্ব সম্পর্কে সন্দেহ ঘুচেছে, তা ছাড়া তারা আজ স্বাধীনভাবে রোজগার করে পেট চালায়। কিন্তু যত দিন ঘনিয়ে আসছে তত ওদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে!

    সেই সঙ্গে কাতুরও দুশ্চিন্তা। তা হলে পূর্বের কথা একটু বলে নিতে হয়।

    নারান কাতুকে নিয়ে প্রথম রিষড়ের চটকলে গিয়েছিল। কিন্তু রিষড়ে শুধু দূর নয়, চেনাশোনা লোকের মুখ পর্যন্ত একটা দেখতে পেত না সে। আর যে কাতু অধরার ছেলের বউ এবং দুর্দান্ত নারানের তাঁবে একেবারে ভয়ে কুঁকড়ে থাকত, একবার ঘরের বাইরে এসে সে অকস্মাৎ সমস্ত ভয় সঙ্কোচ কাটিয়ে সোজাসুজি নিজের ইচ্ছেয় চলতে লাগল। নারান তাকে মেরেছে, সে মার খেয়েছে। কিন্তু বেশি দিন সে মার সইল না। নরানের বিরুদ্ধে সে অপর পুরুষকে খেপিয়ে দিল। সেই দিন থেকে নারান বুঝেছিল, কাতু আর সে সেনপাড়ার সন্ত্রস্ত মদনের বউটি মাত্র নয়, তার হাতেও আজ অস্ত্র আছে। তখন নারানের একবার ইচ্ছে হয়েছিল বাড়ি ফিরে যাবার। কিন্তু যে মুহূর্তে সবকথা মনে পড়ে গেল, কাঞ্চন-লখাইয়ের কথা, মারামারির কথা এবং কাতুকে নিয়ে চলে আসার কুৎসিত অপবাদের কথা, তখন সে সে-বিষয়ে নিরস্ত হয়ে কাতুর প্রতি ব্যবহার পরিবর্তন করল। কিন্তু কাতু ঘা-খাওয়া মেয়ে। সে সহজে টলল না।

    ইতিমধ্যে তেলেনিপাড়ার চটকল চালু হতে নারান কাতুর আশা ছেড়ে একলাই চলে এল এবং দু-একজন বেশ পরিচিত লোক যে পেল না তা নয়। কিন্তু তার যেন সমস্ত বুকটা খালি হয়ে গেছে, সমস্ত বোধশক্তি শেষ হয়ে গেছে মনের। এখানে এসে সে অন্যান্য সমস্ত কিছু ভুলে কাজে মনোেযোগ দিল খুব। ওয়ালিকের নজর পড়ল তার প্রতি। কেদার মিস্ত্রি তখন সর্বেসর্বা, আজও অবশ্য তাই। কেদারের সম্পর্কে লোকে বলে মরাকে বাঁচাতে পারে সে। অর্থাৎ এত ওস্তাদ মিস্ত্রি যে কাটাকে ভাঙাকে জোড়া লাগাতে পারত সে। ওয়ালিক কেদারের সাকরেদ করে দিল নারানকে। নারানও তা মেনে নিয়ে কেদারকে দাদা বলে সম্মান দিল। কেদারও খুশি হল।

    ওয়ালিক এ টমাসডম কোম্পানির একজন সত্যকার কর্মী। সে প্রতিমুহূর্তে ভাবত কী করে এ যন্ত্রবিদ্বেষী ও বিরোধী কালা মানুষগুলোর কাছ থেকে কাজ আদায় করে নেবে। সে সবসময় এদের সঙ্গে মিশত, কথা বলত। দরকার হলে মদ খাওয়াত, পয়সা দিয়ে ফরাসডাঙার মেয়েমানুষের ঘরে পাঠিয়ে দিত কিন্তু কাজের বেলা চেপে ধরে ঠিক! ফলে এ ওয়ালিক সায়েব আফিমের মতো মিষ্টি ও মধুর ছিল সকলের কাছে।

    নারানকে প্রায়ই থম ধরে বসে থাকতে দেখে সে বারবারই বলত, কী হয়েছে আমাকে বলো।

    শেষটায় নারান তাকে বলেছিল কাতুর কথা। ওয়ালিক সাহেব সেই দিনই টাকা দিয়ে লোক পাঠিয়ে প্রলোভন দেখিয়ে আনিয়েছিল কাতুকে রিষড়ে থেকে!

    কিন্তু আশ্চর্য, নারানের কিছু পরিবর্তন হল না। কাতুকে নিয়েই রইল সে কিন্তু এত নিস্পৃহ ও নির্বিকার যে কাতু পর্যন্ত অবাক মানল। মনের বালাইহীনা কাতু তার চোখের সামনে পরপুরুষের সঙ্গ করে দেখেও কোনও নালিশ জানাল না নারান। উপরন্তু ওয়ালিককে নিরাশ করে কাজের দিকে ঝোঁকও তার কমে এল। প্রায় সব সময়েই তাড়ি মদে ড়ুবে থাকে। কোনও কোনও সময়ে দেখা যায় মত্ত অবস্থায় কামাতুর রক্তচক্ষু নিয়ে কাতুকে টেনে নেয়। একটু আদর সোহাগ করে পরমুহূর্তেই ঠেলে সরিয়ে দিয়ে পাগলের মতো ঘুরতে থাকে এদিকে-সেদিকে দিগবিদিক ভুলে।

    পবন চাঁড়াল যেদিন এল তার বউ তারাকে নিয়ে সেদিন সে কিছুটা সুস্থভাবে তাকিয়েছিল—যেন কতদিন সে মেয়েমানুষ দেখেনি। তারা একটু হেসে তাকে কাতুর কথা জিজ্ঞেস করতেই এক ধমকে পবন তাকে চুপ করিয়ে দিয়েছিল। বলেছিল, কারও কথা জানবার তোর দরকার নেই এখেনে। থাকবি, রাঁধবি, খাবি।

    এ-সময় বোধ করি তাদের তিনজনেরই সেই ফেলে আসা গ্রাম, তাদের বাল্যকাল, খেলাধুলো, গানবাজনা মনে পড়েছিল। তাই সেই ধমকে তারা কেঁদে ফেলেছিল, পবন ধমকে উঠেই নারানের দিকে ক্ষমাপ্রার্থনার দৃষ্টিতে তাকিয়েছিল আর নারান নির্বাক হয়ে তাকিয়েছিল শুন্যে।

    সেই থেকে নারান আর একদিনও যায়নি পবনের কাছে। পবনও আসেনি তার কাছে। বরং তারাকে দেখা গেছে দূর থেকে দেখে হাসতে নারানকে। নারানের কাছে সে হাসি অর্থহীন। সুখ দুঃখের অতীত ভাঙাচোরা মুখটা তুলে অর্থহীন চোখেই সে তারার দিকে তাকিয়ে থেকেছে।

    কী বিচিত্র আবহাওয়া এখানকার। এখানে সমাজ সংসার সব থেকেও যেন তার কোনও বালাই নেই। মানুষ রাত পোহালে মাঠে যায়, সেখানেও তাদের সুখদুঃখের কথা হয়, নানান চর্চা হয়। এখানকার কারখানাতেও তা হয়। কিন্তু তার রূপ যেন ভিন্ন। কথা হাসি গান সবই যেন পাট পিষ্ট করার মতো বিরাট লৌহচাকাটার মতো কঠিন, পেঁজা পাটের মতো শাসরোধী নরম, স্টিম ইঞ্জিনটার বিচিত্র বহু অংশ ও গায়ের বিঘুটে তেলের গন্ধের মতো। ওই ইঞ্জিনটার জন্যই মানুষের বেঁচে থাকার দরকার। ওই সিলিন্ডার আর পিস্টনের নিছক ওজন, মাপা ও মসৃণ, অবিরত গড়ানো লৌহজীবন।

    মাঠের ও যন্ত্রের সমাজের ফারাক আছে। যন্ত্রকে তার নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তুষ্ট করলেই দায়িত্ব শেষ, তারপরে তুমি যা খুশি তাই করতে পারো। কোন বাধা নেই। বারোমাসের তেরো পার্বণ বা প্রকৃতির সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধ নেই। নাই বা থাকল তোমার কোনও সমাজ-সংসার, না থাক প্রীতি-ভালবাসা-স্নেহ। কিছু আসে যায় না।

    যন্ত্রকে চালাতে যন্ত্র-হিসাবেই তোমার দাম। তুমিও যন্ত্র। একথা মানতে মানুষ পারে না। সে ছুটতে চায় তার জীবনের দিগবিদিকে। কিন্তু কী অদ্ভুতভাবে সে নিজেকে মিশিয়ে ফেলে যন্ত্রের সঙ্গে। সে প্রতিমুহূর্তে অবরোধের প্রাচীর দিয়ে দাঁড়াচ্ছে সামনে।

    ওয়ালিক সায়েব বলে, যব তুম মেশিন মে হাত লাগায়েগা, সমঝো তুমভি মেশিন।

    পবন মাথা মুড়িয়ে এসে দেখল সেই মাথাই আবার মুড়িয়ে দিতে চাইছে যন্ত্রের অনুশাসন। খির পাড়ার মাটি ও রসে গড়া জীবনের স্বাভাবিকতা একটা বেয়াদপি মাত্র যন্ত্রের কাছে। অতএব সাবধান! একটি সূক্ষ্ম প্যাঁচকাটা বলটুর মতো নিজেকে স্বস্থানে লাগিয়ে রাখো। বিচ্যুত হলে অদরকারি মালের স্তুপে ফেলে দেওয়া হবে।

    কিন্তু না, যন্ত্র ততখানি শিকড় এখনও গাড়তে পারেনি এ দেশের মাটিতে। হাড্ডিসার প্রেতিনী তখন সবেমাত্র কাঁচা পয়সার ওড়না ঢেকে মিছে ভাবনাহীন জীবনের ডাক দিয়েছে। তবু একবার তার বক্ষলগ্ন হলে মুক্তি নেই।

    পবন কিছু দিন কেবলি ভাবল ফিরে যাব। কিন্তু কোথায়? ভাবতে ভাবতেই এক একটি সপ্তাহ অতিক্রম করে গেল। পেটে দানা পড়তে লাগল। আবার ভাবল, কিন্তু কোথায়? কী আছে? আবার সপ্তাহের বেতনে ঘাড়ে করে চাল নিয়ে এল। একটু মাংসও বা। কিংবা ফরাসডাঙার রকমারি মদের দোকানে কয়েক পাত্র উজাড় করে দিল। লখাইয়ের কথা মনে পড়ে, মনে পড়ে আন্নাচুনুরীর কথা, আদালি বন্ধুর কথা। না, সে যেন কতদিনের কথা, আর অনুরাগ ও বিরাগ এক সঙ্গেই কাতর করে তোলে তাকে। …অসহ্য জ্বালায়, এক বিচিত্র কটু তিক্ততায় তার জন্মো পিরিতের বউ, সব গিয়েও যা এবং যে রয়েছে সেই তারাকেও হঠাৎ মারধোর করে বসে। তারা কাঁদলে তার আরও খারাপ লাগে। যখন সোহাগে আদরে সে হাসে তখন বন বলে, রি, চল কোথাও চলে যাই।

    সে কথায় তারা আরও ভয় পায়। পবন তার কাছে দুর্বোধ্য হয়ে উঠছে। ভরসা করে সে আর প্রাণ খুলতে পারে না তার কাছে। কিন্তু তার বলিষ্ঠ শরীরের মধ্যে উদ্বেলিত চাঁড়াল রক্ত প্রবাহিত। মারের পর পবনের সোহাগ তার কাছে অসহ্য অপমানকর হয়ে উঠল। সে পবনের মুখের উপর বলে দিল, অমন পিরিতে তার দরকার নেই।…কী এত বড় কথা? সাঁড়াশির মতো দুটো হাত দিয়ে গলা টিপতে গিয়েও পবন হঠাৎ থেমে গেল। অবাক বিস্ময়ে নিজের হাত দুটো দেখে দু হাতে তারাকে বুকের কাছে টেনে এনে বলল, আমাকে তুই ঘেন্না করিস, না রে তারি? তারপর একটু থেমে বলল, দাঁড়া কোনও রকমে করে কন্মে কিছু টাকা জমিয়ে গাঁয়ে চলে যাব আবার। ভিটে ছাড়াব, অ্যাঁ?…ফিরে যাব, তখন দেখিস

    পবনের বুকে মুখ রেখে প্রাণভরে তারা কাঁদল। হ্যাঁ চলো ফিরে যাই। ধান ভেনে শাকপাতা কুড়িয়ে খাব। পরের জমিতেই না হয় তুমি খাটবে।

    নারান কিন্তু দেখল অন্য জিনিস। সে দেখল করসেন সায়েব অর্থাৎ ক্রুকসান ফাঁক পেলেই তারার কাছে গিয়ে আলাপ জমাবার চেষ্টা করছে। নিষ্কর্মার ধাড়ি এ কুরুসেন নাকি এ কোম্পানির মালিকের ভাগিনেয়। লোকে বলে, কোম্পানির ভাগনে। লোকটার বউ নেই এখানে, আছে নাকি তাও কেউ জানে না। সুন্দরী-অসুন্দরী পর্যন্ত বাছে না এক এক সময় এমন ভাবে কামিনদের পেছনে কুরুসেন লেগে থাক। তার এ দুস্কার্যের সহায় এখানে কাতু।

    লোকটা ফিটফাট সেজে মুখে একটা পাইপ লাগিয়ে একটা ছড়ি হাতে ঘুরে বেরায়। মেয়েমানুষ দেখলেই ইশারা-ইঙ্গিত করে। কারখানার মধ্যে মেয়েরা যেখানে কাজ করে, সেখানে গিয়ে তাদের। সঙ্গে চেষ্টা করে কুৎসিত আলাপ জমাবার। সুযোগ পেলে ছড়ি দিয়ে কারও শাড়ি তুলে দেওয়ার চেষ্টা করে, হাত দিয়ে গায়ে থাবলা দিলে অপরিসীম আনন্দে হোহো করে হেসে ওঠে।

    এজন্য যে তাকে কোনও বাধা পেতে হয় না, তা নয়। অনেক সময়েই অপমান সইতে হয়। কোন এক মেয়ে তাকে মেরেছিল পর্যন্ত। কিন্তু তার অপমানজ্ঞান যেমন নেই, তেমনি আছে জানোয়ারের মতো ক্রোধ।

    শ্রীনাথের বউ দুটো যখন এল কাতুই তাদের আশ্রয় দিয়ে নিজের ঘরে তুলল। কুরুসেন খুব খুশি। কিন্তু নারান সাক্ষাৎ যমদূতের মতো দাঁড়াল তার সামনে। ভিতু কুরুসেন গতিক দেখে সরে, দাঁড়াল। কন্তু নারান নিজেই তার মনের ভাব বোঝে না। উৎফুল্ল হয়ে দুদিন সে বউ দুটো নিয়ে নাড়াচাড়া করল! তার পরে আবার যেমন তেমনি।

    বউ দুটো পড়ল কুরুসেনের পাল্লায়। কাতু বলেছিল বউ দুটোকে পেট পুরিয়ে ফেলতে, কিন্তু বউ দুটো ঘর ছেড়ে শুধু মুখরা নয়, উদ্দাম হয়ে উঠেছে। বলেছিল, মরে গেলেও পেট পোব না, সে তোমার পেটে সাপই আসুক আর বাঘই আসুক।

    জীবনভর আকাঙ্ক্ষার চরম পরীক্ষায় তারা উত্তীর্ণ হল। পেটে তাদের সন্তান এল। কিন্তু কুরুসেন হল তাদের কাল। সে সবসময় চেষ্টা করছে কী করে এ গর্ভবতী বউ দুটো সরিয়ে দেওয়া যায়। ফলে এখন বউ দুটো সবসময়েই লুকিয়ে লুকিয়ে বেড়ায়।

    নারান একবার ভাবল কুরুসেন সম্পর্কে সে পবনকে সাবধান করে দেয়। আবার ভাবল, তারাকেই সে বুঝিয়ে দেবে।

    কিন্তু তা সে পারল না। ভাবল, তারা কি কুরুসেনের মন বোঝে না? সে কী বলে সায়েবের সামনে দাঁড়ায়। আর পবন হয় তো তাকে বিশ্বাসই করবে না। থাক, মানুষ তার পথ নিজেই করে। নারানকে তার জন্য কিছু করতে হবে না।

    রবার্টসনের ডাকে শেষ পর্যন্ত নারানকে খুঁজে পাওয়া গেল অন্য একজনের ঘরে। সে চোখ মুছতে মুছতে স্টিম ঘরের দিকে এগিয়ে গেল।

    লোকজন আবার সব সামনের মাঠে এসে ভিড় করেছে। কুরুসেন তার ছড়ি নিয়ে ঘোরাফেরা করছে মেয়েদের আশেপাশেই। কয়েকবার চেষ্টা করেছে শ্রীনাথের বউ দুটোর পেটে ছড়ি দিয়ে

    খোঁচা দেওয়ার। বউ দুটোও সেয়ানা। তারা পুরুষের ভিড়ের মাঝখানে চলে গেল।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা গেল ওয়ালিকের এক্কা ছুটে আসছে চাবুকের সপাং সপাং শব্দে ধুলো উড়িয়ে।

    ওয়ালিকের পাশে বসে আছে কেদার।

    লোকজন সব হইহই করে কারখানার মধ্যে ঢুকে পড়ল।

    ওয়ালিক আর কেদার এসে দেখল নারান স্টিম দিয়ে মেশিন প্রায় তাতিয়ে ফেলেছে। টাইট দিচ্ছে সিলিন্ডার।

    কেদার বলল, বাঃ সারেদ, চালাও। বেরথা কেন ডেকে নে এলে সায়েব। শুয়োরের বাচ্ছার নড়িটা ধরে আমি ছিঁড়তুম ওভেনে।

    ওয়ালিক নারানের পিঠ চাপড়ে, কেদারকে নিয়ে পড়ল। সে পরিষ্কার বাংলায় বলল, টুমার ছেলে শুয়ার কি বাচ্ছা হোবে কেন, টবে শুয়র টুমি হলে কিনা? তারপর হেসে বলল, আমাকে বোলো টুমার ছেলে কেননা এটো ডিগরি কোরে, কামে কেনো আইসে না।

    কেদার বলল, সায়েব, সে হারামজাদা এখন মেয়েমানুষ চিনেছে, ওকে বে দিতে হবে।

    হাঁ, জরুর ডিটে হোটে। সাডি কেন দিচ্ছে না টুমি?

    কেদার চুপ করে রইল।

    ওয়ালিক বলল, টাকা চাই? কেটনা বোলো, বলল কিডার। শও টাকা?

    কেদার হতভম্ব হয়ে সায়েবের দিকে তাকিয়ে রইল।

    ওয়ালিক তার পিঠে চাপড় দিয়ে বলল, দেড়শো টাকা ডিবে হামি, ছেলের সাডি ডেও টুমি, হাঁ উকো টুমার কাম শিখাও, অওর দু-চারটে ছোক্রাকে কাম বুঝাও।

    কেদার আবেগে ওয়ালিকের হাত ধরে বলল, ভগমান তোমাকে রাজা করবে সায়েব। একটা ঘর তুলতে পারলে আমার ছেলের বে আটকাবে না।

    হঠাৎ ভীমগর্জনে একটা শব্দ করে মেশিন চলতে আরম্ভ করল। ওয়ালিক ও কেদার বিস্মিত আনন্দে নারানকে জড়িয়ে ধরল।

    নারান এই প্রথম নিজের হাতে মেশিন চালাল।

    ওয়ালিক বলল কেদারকে, টুমার সাকরে আছে।

    কিন্তু নারান কপাল থেকে ঘাম ঝেরে ফেলে আস্তে আস্তে দরজার দিকে এগিয়ে গেল।

    কেদার বলল, চললি যে?

    নারান বলল, ভাল লাগে না। গাঁয়ের চটকল হলে সেখেনে কাজ করব। এখেনে আর থাকব না।

    ওয়ালিক বলল, কেনো কী তখলি আছে আমাকে বোলো।

    নারান একবার সাহেবের দিকে তাকিয়ে মাথা নেড়ে চলে গেল। ওয়ালিক আর কেদার পরস্পরের দিকে বিস্মিত-চোখে তাকিয়ে রইল।

    নারান বাইরে বেরিয়ে এসে দেখল অধরার ছেলে মদন মাঠের উপর দাঁড়িয়ে তার দিকে তাকাচ্ছে। তাকে দেখতে পেয়েই মদন কাছে ছুটে এল।

    নারান বলল, কী রে মদ্‌না?

    মদন নারানের হাত দুটো ধরে বলল, নারান, ভাই, কাতু কোথা? আমি সব ছেড়ে ছুড়ে চলে এসেছি। আমি এখেনেই থাকব, কাতুর কাছে। আর সেখেনে যাব না।

    নারান তার কাছে তাদের বাড়ি ও গ্রামের সব কথা খুঁটিয়ে জিজ্ঞেস করে তারপরে বলল, কাতুর কাছে থাকবি?

    মদন বলল, হ্যাঁ। মা আমাকে আর এট্টা বে দিইচে। সে বউকে আমার ভাল লাগে না।

    এ বউকে ভাল লাগবে? বলে বিচিত্র হেসে নারান তাকে কারখানার দরজাটা দেখিয়ে দিয়ে কাতুর ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়ল।

    এমন সময় রবার্টস বাইরে এসে মদনকে দেখে বলল, কেয়া, কাম মাংটা?

    মদন বলল, না, কাতু কোথায় সায়েব, কাতুমণি?

    কাতুমণি? অন্ডর দেখো। বলে রবার্টসন কুঠির দিকে চলে গেল। মদন এক পা এক পা করে ভিতরে গিয়ে মেশিন চলা দেখে হাঁ করে দাঁড়িয়ে রইল। কতক্ষণ এমন দাঁড়িয়ে থাকত বলা যায় না। হঠাৎ ধাক্কা খেয়ে তার সম্বিত ফিরল। দেখল কাতু দাঁড়িয়ে তার সামনে।

    কাতু বলল, মরণ! এখানে কী করতে এসেছ?

    মদন আবেগে আনন্দে বলে উঠল, তোর কাছে। আমি তোর কাছে থাকব, মাকে ছেড়ে এসেছি আমি।

    কেন, আর একটা বউ রয়েছে যে?

    থাকুক, সে আমার কেউ নয়।

    আশ্চর্যরকম গম্ভীর হয়ে কাতু বলল, মিসে জানো না, আমি খারাপ মেয়েমানুষ?

    মদন বলল, সে তো মায়ের দোষে।

    সেদিন বোঝোনি সে কথা?

    করুণ মুখে মদন বলল, মাকে তো তুই চিনিস্‌।

    কাতু বলল, কিন্তু আজ আর মায়ের দোষে নয়, আমি খারাপ হয়ে গেছি একেবারে।

    উদ্বেগে আবেগে অস্থির গলায় মদন বলল, খারাপ হলেও মদন তো তোর পর নয় কাতু। তোকে ছেড়ে আমি থাকতে পারব না।

    কাতু বাবুলোকের প্রেম-পিরিতের কথা শুনেছে কিন্তু তার রীতি দেখে ওই বস্তুটির তার কাছে ঘৃণিত ও ক্লেদাক্তই মনে হয়েছে। কিন্তু মদনের এ পিরিত যেন সৃষ্টিছাড়া। এও কি তবে পিরিত! চোখ ফেটে জল আসতে চাইল তার। ভাবল, এ মুখপুড়ীর জন্য ও আবার কোন মানুষের প্রাণ পোড়ে?বলল, তোমার পান চাইলে কেন থাকবে না? তুমি রাখতে পারোনি আমাকে এবার আমিই তোমাকে রাখব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতরাই – সমরেশ বসু
    Next Article অলিন্দ – সমরেশ বসু

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    বিবর – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }