Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একদা এক পানশালাতে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প170 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একদা এক পানশালাতে – ৬

    ৷৷ ৬ ৷৷

    আজ মঙ্গলবার৷ সেদিন রাতে বিদিশা থেকে অপূর্ব ঘোষালের সঙ্গে পানাহার করে ফিরে আসার পর তিনটে দিন যেন দেখতে দেখতেই কেটে গেল৷ নিজের বেশ কয়েকটা লেখার চাপ, তার ওপর চন্দনের কয়েকটা বই সামনের মাসে পয়লা বৈশাখ প্রকাশিত হতে চলেছে৷ সে সব লেখার সংশোধন, প্রুফ দেখা ইত্যাদি কাজে তিন দিন ব্যস্ত ছিল চন্দন৷ তবে দুপুরের দিকে অথবা রাত্রের দিকে যখনই একটু অবসর মিলেছে তখনই তার মনে পড়েছে বিদিশা বারের কথা৷ সত্যিই হয়তো জায়গাটার প্রতি আকর্ষণ বেড়ে চলেছে চন্দনের৷ শুধু লেখার রসদ সংগ্রহের জন্য নয়, দু-দিন মদ্যপানের জন্য নয়, জায়গাটার প্রতি যেন একটা অদ্ভুত ভালা লাগা তৈরি হয়েছে চন্দনের মনে৷ এমনও হতে পারে যে মানুষ দেখার আকর্ষণই তাকে টেনে নিয়ে যেতে চাচ্ছে বিদিশাতে৷ সঠিক কারণটা চন্দনের জানা না থাকলেও চন্দন অনুভব করছে এই আকর্ষণের ব্যাপারটা৷ আজ থেকে পরপর কয়েকদিন চন্দনকে কলেজ স্ট্রিট যেতে হবে বেশ কয়েকজন পাবলিশারের কাছে৷ চন্দন ঠিক করে নিয়েছে এ-কদিন একবার করে ঘুরে আসবে সেখানে৷ তবে এক ঘণ্টার বেশি সেখানে চন্দনের থাকা হবে না৷ সন্ধ্যার মধ্যে বাড়ি ফিরে আবার পরদিন কলেজ স্ট্রিট যাবার জন্য কাজ গোছাতে হবে৷

    এগারোটা নাগাদ কলেজ স্ট্রিটে পৌঁছোল চন্দন৷ মনে মনে সে এদিনের পরিকল্পনা ছকে নিয়েছে৷ তিনটে নাগাদ কলেজ স্ট্রিট থেকে বেরিয়ে সাড়ে তিনটে নাগাদ সে পৌঁছোবে বিদিশাতে৷ সেখানে এক ঘণ্টা কাটিয়ে শিয়ালদা যাবার জন্য বাস ধরবে যাতে সে সন্ধ্যার মধ্যে বাড়ি ফিরতে পারে৷

    কলেজ স্ট্রিটে ঢুকে সে প্রথমে এক প্রকাশকের ঘর থেকে একটা বইয়ের প্রুফের বান্ডিল সংগ্রহ করল৷ তারপর অন্য এক প্রকাশকের ঘরে গিয়ে সেখান থেকে তার যে বই প্রকাশিত হতে চলেছে তার ফাইনাল প্রুফ দেখতে বসল৷ বইয়ের কাউন্টারে কাস্টমারদের আনাগোনা, রাস্তাতে লোকজনের চিৎকার- হাঁকডাক৷ তারই মধ্যে বই বিপণির মধ্যে বসে কাজ করে চলল চন্দন৷ একবার কাউন্টারে এক কাস্টমার ভিতরে বসে থাকা চন্দনকে চিনতে পেরে তার থেকে একটা বইতে অটোগ্রাফ করিয়ে নিল৷ সময় এগিয়ে চলল, কাজের মধ্যে একবার তাকে চা আর ফিশফ্রাই দিয়ে গেল এক কর্মচারী৷ তিনটে নাগাদ কাজ শেষ করে চন্দন যখন বেরোতে যাচ্ছে ঠিক তখনই সেখানে ঢুকলেন প্রবীণ কথাসাহিত্যিক অঞ্জন বসাক৷ লোকটা মানুষ হিসাবে ভালো৷ চন্দন যখন প্রথম লেখার জগতে পা রাখে তখন অনেক কাগজের সঙ্গে অঞ্জনদা চন্দনের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন৷ চন্দন তাঁকে শ্রদ্ধা করে৷ কাজেই তিনি ভিতরে প্রবেশ করাতে বাইরে বেরিয়ে যেতে গিয়েও দাঁড়িয়ে পড়ল চন্দন৷ তাকে দেখেই অঞ্জনদা মিষ্টি হেসে বললেন, ‘কেমন আছ চন্দন? আমি তোমার কথা অনেককে বলি৷ এই বয়সে কী ভালো লিখছ তুমি! পাঠকদের মুখে যখন তোমার লেখার প্রশংসা শুনি তখন খুব আনন্দ হয় আমার৷’

    চন্দনদের লেখালেখির জগতে পারস্পরিক আকচাআকচি লেগেই থাকে৷ প্রায় কোনো লেখকই তাঁর সহ-লেখকদের প্রশংসা করেন না৷ অঞ্জনদা ব্যতিক্রমী মানুষ৷ প্রবীণ লেখকের মুখে নিজের লেখার প্রশংসা শুনে চন্দন তাঁর কাছে এগিয়ে এসে বলল, ‘এ সবই আপনাদের মতো মানুষদের আশীর্বাদ দাদা৷ যতটুকু করতে পেরেছি আপনাদের কয়েকজনের জন্য৷ আপনারাই তো একদিন আমার হাত ধরে প্রকাশকের দরজা চিনিয়েছেন, তাদের সুপারিশ করেছেন আমার লেখা ছাপাবার জন্য৷’

    তিনি মৃদু হেসে বললেন, ‘সে তো অনেকের জন্যই করেছি৷ ওটা কোনো বড়ো ব্যাপার নয়৷ সুপারিশের কারণে প্রকাশক হয়তো একটা লেখা বা একটা বই ছাপাতেন তোমার, কিন্তু তার বেশি নয়৷ তুমি টিকে গেলে তোমার লেখার জোরে৷’

    এ কথা বলার পর অঞ্জনদা বললেন, ‘এর মধ্যে একদিন চাঁদনিতে গেছিলাম রবিবারের কাগজের জন্য গল্প জমা দিতে৷ আমি তোমাকে একটা বারে ঢুকতে দেখলাম৷ একবার ভাবলাম ডাকি, তারপর আর ডাকলাম না৷’

    অঞ্জনদার কাছে কথাটা গোপন করার ব্যাপার নেই, চন্দন তাই বলল, ‘ডাকতে পারতেন দাদা৷ একসঙ্গে বসে কিছু খাওয়া যেত৷ আসলে সামনের একটা পুজোসংখ্যার জন্য পানশালা নিয়ে একটা উপন্যাস লিখব ভাবছি৷ তাই ওখানে ক’দিন ধরে আসা-যাওয়া করছি৷ আমার এক বন্ধু ওই পানশালার মালিকের সঙ্গে পরিচিত৷ সেই ব্যবস্থা করে দিয়েছে৷’

    কথাটা শুনে অঞ্জনদা বললেন, ‘বাঃ, বেশ ভালো সাবজেক্ট৷ বাংলা বইয়ের পাঠক বলতে তো এখন আমাদের কাছে মধ্যবিত্ত বাঙালি, কিছু বয়স্ক পাঠকও বটে৷ এখনও তাদের কাছে ‘পানশালা’ মানে একটা প্রায় নিষিদ্ধ জায়গা৷ আর যে কোনো নিষিদ্ধ জায়গা নিয়ে লিখলে তার প্রতি মানুষের আকর্ষণ বেশি হয়৷ তবে সব জায়গাতে তো নেগেটিভ আর পজেটিভ ব্যাপার থাকে৷ সেদিকটাও তুলে ধরার চেষ্টা কোরো৷’

    চন্দন বলল, ‘আপনার পরামর্শ মনে রাখব দাদা৷ এ ব্যাপারে আপনার কোনো অভিজ্ঞতা আছে?’

    চন্দনের প্রশ্ন শুনে তিনি প্রথমে বললেন, ‘পানশালার ব্যাপারে খুব বেশি অভিজ্ঞতা না থাকলেও কয়েকটা পানশালাতে আমি গেছি৷ না, কোনো বিখ্যাত সাহিত্যিকদের সঙ্গে নয়৷ ইলাসট্রেটর প্রশান্ত চৌধুরী আমার পুরোনো বন্ধু৷ তার উৎসাহতেই যেতাম, ওই যেমন পার্ক স্ট্রিটের ‘ড্রিংক-আস’ বার সহ আরও কয়েকটা বারে৷ আমার হার্ট অ্যাটাক হবার আগে, অর্থাৎ এই সাত-আটবছর আগে আমি শেষ গেছিলাম লেনিন সরণি আর ধর্মতলা ক্রসিং-এর কাছে ‘সোনা বার’ নামের একটা বারে৷ ভারী অদ্ভুত লেগেছিল সেটা৷ ওই ‘ড্রিংক-আস’ বা পার্ক স্ট্রিট, চাঁদনি চত্বরে আমরা বার বলতে যা বুঝি সেটা ঠিক তেমন নয়, একটা বিরাট হলঘরের মধ্যে স্কুলে যেমন বেঞ্চ পাতা থাকে, তেমনই সার সার কাঠের হাইবেঞ্চ, লোবেঞ্চ পাতা৷ পাঁচ টাকা বা দশ টাকা টিকিট কেটে ভেতরে ঢুকতে হয়৷ তার বিনিময় পাওয়া যায় একটা কাচের গ্লাস আর এক বোতল জল৷ যারা ড্রিংস সার্ভ করে তারা বাদামঅলার ডালার মতো কাঠের ডালাতে সস্তা বিলিতি মদের বোতল গলায় ঝুলিয়ে ঘোরে৷ পয়সা দিলে পেগ মেপে তারা গ্লাসে ঢেলে দেয়৷ আগে পয়সা তার পর মদ৷ মাতাল হয়ে পয়সা না দেবার হ্যাঙ্গাম এড়াতে এই ব্যবস্থা৷ ছোলা, বাদাম, এসবও পাওয়া যায় কিন্তু ওই একই নিয়ম৷ অফিস-ফেরতা ব্রিফকেস হাতে কেরানি, কলকাতাতে কাজে আসা মধ্যবিত্ত মানুষ খুব সস্তায় মদ খেতে যায় ওখানে৷’ এ কথা বলার পর তিনি বললেন, ‘আমার জীবনের একটা মজার অভিজ্ঞতা মনে পড়ে গেল৷ তখন আমার তেইশ-চবিবশ বছর বয়স৷ উত্তরপাড়া থেকে ট্রেনে চেপে হাওড়া হয়ে কলকাতাতে ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করতে আসি৷ এক সহপাঠীর মুখে শুনেছিলাম, হাওড়া স্টেশন থেকে বেরিয়ে গঙ্গার পাড় বরাবর এগোলে একটা বাংলা মদের ঠেক আছে৷ চাঁদনি রাতে গঙ্গার ধারে দাঁড়িয়ে বাংলা মদ খাওয়া নাকি এক স্বর্গীয় ব্যাপার! যে বয়সের কথা বললাম সে বয়সে এ সব ব্যাপারে প্রবল আকর্ষণ থাকে৷ তার ওপর আমি আবার সে বয়সে কবিতা লিখতাম৷ কাজেই একদিন যেদিন আমার বাড়িতে সেদিন রাতে কেউ ছিল না, সেদিন ইউনিভার্সিটি ফেরত ট্রেন ধরার আগে এক সন্ধ্যায় গিয়ে হাজির হলাম নির্দিষ্ট বাংলা মদের ঠেকে৷ ফাঁকা জায়গাতে রাস্তার ওপরই গঙ্গার ঠিক গায়ে একটা ঝাঁপবন্ধ দোকান৷ তার পিছনের দরজা দিয়ে মদ বিক্রি হয়৷ দোকানটার আড়ালে গঙ্গার পাড়ে দাঁড়িয়ে মদ খায় খদ্দেররা৷ আমি ছাড়াও আরও দু-তিনজন খদ্দের এখন জড়ো হয়েছে সন্ধ্যাবেলা বাংলা মদ খাবার জন্য৷ তাদেরই সঙ্গে আমি প্রথমে একটা মাটির গ্লাসে বাংলা মদ নিয়ে গঙ্গার ধারে দাঁড়িয়ে খেতে শুরু করলাম৷ বেশ কড়া মদ৷ এক ভাঁড় খেতেই মাথাটা বেশ ঝিমঝিম করতে শুরু করেছে গঙ্গার ফুরফুরে বাতাসে৷ এরপর আমি দ্বিতীয় ভাঁড় মদ নিয়ে ধীরে ধীরে চুমুক দিতে লাগলাম৷ ততক্ষণে চাঁদ উঠতে শুরু করেছে আকাশে৷ সোনার থালার মতো গোল চাঁদের প্রতিবিম্ব গঙ্গার জলে৷ পায়ের কাছেই নদীর জলের ছলাৎ ছল শব্দ আর তার সঙ্গে গঙ্গার ঠান্ডা বাতাস৷ কোথাও কোনো শব্দ নেই কাছাকাছি৷ মদ্যপ্রেমীদের জন্য আদর্শ পরিবেশই বটে৷ আমার ঠিক পাশে দাঁড়িয়েই মদ খাচ্ছিল আর একজন লোক৷ নদীর দিকে তাকিয়ে আমি একসময় তার উদ্দেশে বললাম, ‘চাঁদের আলোতে নদীটা কী সুন্দর লাগছে তাই না?’

    আমার প্রশ্ন শুনে লোকটা প্রশ্নের কোনো জবাব না দিয়ে আমাকে পালটা প্রশ্ন করল, ‘আপনি সাঁতার জানেন তো?’

    আমি লোকটার দিকে ফিরে জবাব দিলাম, ‘জানি না৷ কিন্তু কেন বলুন তো?’

    লোকটা মদের ভাঁড়ে চুমুক দিয়ে নিস্পৃহভাবে জবাব দিল, ‘আসলে এখানে মাঝেমধ্যেই পুলিশ রেইড করে৷ তখন আমরা গঙ্গাতে ঝাঁপ দেই৷ যারা জানে না তারা ধরা পড়ে৷ এক রাত অন্তত লকাপে থাকতে হয়৷’

    তার সে কথা শুনে আমার নেশা কেটে গেল৷ মদের ভাঁড় আমি সেই মুহূর্তেই গঙ্গায় ছুড়ে ফেলে সে জায়গা ছেড়ে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটতে শুরু করলাম হাওড়া স্টেশনের দিকে৷’—গল্পটা শেষ করে হো হো করে হেসে উঠলেন প্রবীণ কথাসাহিত্যিক অঞ্জন বসাক৷ চন্দনও তাঁর জীবনের মজার কাহিনি শুনে হাসল কিছুক্ষণ৷ এরপর আরও কয়েকটা কথা তাঁর সঙ্গে বলে চন্দন বেরিয়ে পড়ল বিদিশাতে যাবার জন্য৷

    ভিড় বাস৷ গরমও তেমনই৷ অন্যদের সঙ্গে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে মাথার ওপরের রড ধরে দাঁড়িয়ে ছিল চন্দন৷ বুকের কাছে অন্য হাতে ধরা পাণ্ডুলিপির ব্যাগ৷ চাঁদনীর ঠিক আগের ক্রসিং-এ মোবাইল ফোনটা বেজে উঠল৷ কোনো রকমে সে অবস্থাতেই ফোন বার করে কলটা রিসিভ করল চন্দন৷ শীর্ষেন্দুর ফোন৷ সে কলটা রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে শীর্ষেন্দু চাপা গলাতে বলল, ‘বিদিশার ব্যাপারে কিছু শুনেছিস? টিভিতে খবরটা দেখাচ্ছে!’

    ‘কী খবর?’ জানতে চাইল চন্দন৷

    শীর্ষেন্দু বলল, ‘একটা রেপ কেস৷ বিদিশার নাম জড়িয়ে গেছে!’

    কথাটা শুনে চন্দন বিস্মিতভাবে জানতে চাইল, ‘ঘটনাটা কী ঘটেছে?’

    কিন্তু এরপরই যান্ত্রিক শব্দ তুলে লাইনটা কেটে গেল৷ চন্দন দু-বার চেষ্টা করল তাকে ফোন করার জন্য৷ কিন্তু শীর্ষেন্দুর ফোনে কল ঢুকল না সম্ভবত নেটওয়ার্ক প্রবলেমের জন্য৷ দেখতে দেখতে চাঁদনি স্টপেজ এসে গেল৷ বাস থেকে নেমে পড়ল চন্দন৷ খবরটা শোনার পর থেকেই একটা উত্তেজনা কাজ করতে শুরু হল চন্দনের মনে৷ ব্যাপারটা ঠিক কী ঘটেছে? বিদিশা কি তবে বন্ধ আছে? বাস থেকে নেমে চন্দন রাস্তা ক্রস করে এগোল বিদিশার দিকে৷

    বার খোলাই আছে৷ দরজাতে রমানাথও দাঁড়িয়ে৷ ব্যাপারটা দেখে একটু আশ্বস্ত হল চন্দন৷ চন্দন রমানাথের সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই সে অন্যদিনের মতোই দরজা খুলে দিল৷ কিন্তু তার মুখে চন্দনের প্রতি অন্যদিনের মতো হাসি নেই৷ কিছু জিজ্ঞেস করলে তা রমানাথকে জিজ্ঞেস না করে অপূর্ববাবুকেই করা উচিত, তাই রমানাথের সঙ্গে কথা না বলে বিদিশার ভিতর ঢুকে পড়ল চন্দন৷ বারের ভিতরটা আপাতদৃষ্টিতে একই রকম মনে হল চন্দনের৷ দুপুরের দিকে অন্যদিন বারের ভিতর যেমন অবস্থা থাকে ঠিক তেমনই৷ বেশি ভিড় নেই৷ কিছু টেবিল খালি, আবার কিছু টেবিলে বসে মদ্যপান করছে কয়েকজন৷ তবে ওয়েটারদের মুখে কেমন যেন একটা চাপা উত্তেজনার ভাব৷ কাউন্টারের সামনে গিয়ে দাঁড়াল চন্দন৷ ভিতরে বসে চাপা স্বরে কী যেন আলোচনা করছেন ক্যাশিয়ার শুভঙ্কর আর বিরাজ৷ চন্দনকে দেখে তাঁরাও কিন্তু হাসলেন না৷ বিরাজ, চন্দনকে বললেন, ‘আপনি একটা টেবিলে বসুন, অপূর্বদা কিছুক্ষণের মধ্যে এসে পড়বেন৷

    চন্দন একটা টেবিলে গিয়ে বসল৷ চারপাশে তাকিয়ে চেনা মুখ বলতে সেই বৃদ্ধ পরিমল ভট্টাচার্যকে দেখতে পেল৷ যিনি সময় কাটাবার জন্য, একাকিত্ব কাটাবার জন্য এখানে খেতে থাকেন৷ ভদ্রলোক সম্ভবত চন্দনকে খেয়াল করেননি৷ চন্দনের দিকে পিছন ফিরে কিছুটা তফাতে তিনি বসে৷ চন্দন আর কাছে গেল না৷ অপূর্ব ঘোষালের জন্য সে প্রতীক্ষা করতে লাগল৷

    কাচের দরজা ঠেলে রুমাল দিয়ে মুখের ঘাম মুছতে মুছতে বিদিশা বারের ম্যানেজার অপূর্ব ঘোষাল ভিতরে ঢুকলেন৷ তাঁকে দেখেই ওয়েটাররা কাজ করতে করতে কৌতূহলী ভাবে তাকাতে লাগল তাঁর দিকে৷ সবার মুখেই যেন একটা চাপা উত্তেজনার ভাব৷ অপূর্ব ঘোষালের মুখেও যেন কেমন একটা বিধ্বস্ত ভাব৷ অপূর্ব তাঁকে দেখে উঠে দাঁড়াতে তিনিও আজ গুড ইভিনিং সম্ভাষণ জানালেন না৷ হাতের ইশারাতে চন্দনকে সেখানেই বসে থাকতে বলে প্রথমে চলে গেলেন ওয়াশরুমে৷ সম্ভবত তিনি সেখানে গিয়ে হাতে-মুখে জল দিয়ে সোজা গিয়ে ঢুকলেন কাউন্টারের ভিতর৷ কাউন্টারে কাচের পর্দার আড়ালে সহকর্মীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা সেরে বাইরে বেরিয়ে চন্দনের উদ্দেশে তিনি বললেন, ‘আসুন, ওপরে যাব৷’

    চন্দন উঠে এগোল সিঁড়ির দিকে৷ নিশ্চুপভাবে চন্দনকে নিয়ে ওপরে উঠে গতদিনের সেই পারসোনাল কেবিনে ঢুকে ভিতর থেকে দরজাটা বন্ধ করে দিলেন বিদিশা বারের ম্যানেজার অপূর্ব ঘোষাল৷ ক্যাম্পখাটটাতে পাশাপাশি বসল তারা দুজন৷ স্পষ্টতই থমথম করছে তাঁর মুখ৷ একটু চুপ থাকার পর অপূর্ব ঘোষাল চন্দনকে প্রশ্ন করলেন৷ ‘আমাদের বার নিয়ে কোনো কথা কোথাও শুনেছেন? কোনো বাজে খবর?’

    চন্দন একটু ইতস্তত করে বলল, ‘এখানে বাসে আসার পথে শীর্ষেন্দুর একটা ফোন এসেছিল৷ সে বলল, টিভিতে নাকি দেখাচ্ছে, একটা রেপ কেস হয়েছে, আর তার সঙ্গে বিদিশার নাম জড়িয়েছে৷ ব্যস এটুকুই শুনেছি৷ তারপরই লাইনটা কেটে গেল৷’

    অপূর্ব ঘোষাল বললেন, ‘তার মানে খবরটা ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে! এই ভয়টাই পাচ্ছিলাম! পুলিশ চেষ্টা করলেও কি এসব খবর গোপন রাখতে পারে? আমি এখন লালবাজার থেকেই ফিরলাম৷ আবারও একটু পর সেখানে যেতে হবে৷ হ্যাঁ, খবরটা সত্যি৷ মারিয়া নামের এক ব্রিটিশ তরুণী গতরাতে ধর্ষিতা হয়েছেন বাইপাসের ধারে একটা ফাঁকা জায়গাতে৷ বাইশ বছর বয়স মেয়েটার৷ গতরাতে সে আমাদের এখানে খেতেও এসেছিল৷ কলকাতায় সে কয়েকদিন আগে এসেছিল কী একটা গবেষণার কাজে৷’

    চন্দন জানতে চাইল, ‘কিন্তু ওই দুর্ঘটনার সঙ্গে বিদিশার নাম জড়াল কীভাবে? এখানে খেতে এসেছিল বলেই কি?

    অপূর্ব ঘোষাল বললেন, ‘আপনাকে সব কথা খুলে বলছি৷ মেয়েটা গতকাল আটটা নাগাদ আমাদের এখানে ঢোকে৷ তিন পেগ ভোদকা আর খাবার খেয়ে ঠিক দশটাতে সে বার ছাড়ে৷ একলাই সে এখানে এসেছিল৷ পার্ক স্ট্রিট, ধর্মতলা, চাঁদনির বারগুলোতে মাঝে মাঝেই বিদেশিরা কাজ করে৷ ব্যাপারটা নতুন নয় আমাদের কাছে৷ যাই হোক কাল রাত বারোটা নাগাদ একটা নির্মাণ সংস্থার কয়েকজন শ্রমিক কাজ সেরে সাইকেল করে ও পথে বাড়ি ফিরছিল৷ বাইপাসের ওই জায়গাটা বেশ ফাঁকা, বড়ো বড়ো ঝোপঝাড় আছে৷ হঠাৎই তারা তাদের রাস্তার অন্যপাশে একটা বড় ঝোপের আড়াল থেকে একটা চিৎকার শুনতে পায়৷ তারা দেখে ওই ঝোপ-জঙ্গলের বাইরে একটা গাছের আড়ালে একটা মোটরবাইকও রয়েছে৷ ওই তিনজন শ্রমিক চিৎকার শুনে আর বাইকটা দেখে রাস্তার অন্যপাশে দাঁড়িয়ে পড়ে৷ তাদের একজন বলে ওঠে, ‘এত রাতে কে ওখানে?’

    আর ঠিক সেই মুহূর্তে একজন লোক বেরিয়ে আসে ঝোপের আড়াল থেকে৷ সে লোকগুলো রাস্তা পেরিয়ে লোকটাকে ধরার আগেই মুহূর্তের মধ্যে লোকটা বাইকে উঠে চম্পট দেয়৷ এরপর ওই শ্রমিকরা ঝোপের কাছে গিয়ে দেখতে পায় ঝোপের আড়ালে যন্ত্রণাতে কাতরাচ্ছে এক উলঙ্গ বিদেশিনি! কিছুক্ষণের মধ্যেই একটা পুলিশের গাড়িকে হাত দেখিয়ে থামায় লোকগুলো৷ পুলিশই মেয়েটাকে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যায়৷’

    এ কথা বলে একটু থেমে বোতল থেকে ঢক ঢক করে জল খেয়ে বিদিশা বারের ম্যানেজার আবার বলতে শুরু করলেন, ‘জ্ঞান হারাবার আগে পুলিশের গাড়িতে হাসপাতালে যাবার আগে ভয়ার্ত-ধর্ষিতা মেয়েটা নিজের নাম-পরিচয় ছাড়া যতটুকু বলতে পেরেছে তা হল এই বার থেকে বেরিয়ে রাস্তার ক্রসিং-এ সে ট্যাক্সির জন্য অপেক্ষা করছিল ওই বাইপাসের ধারেই তার হোটেলে ফিরে যাবার জন্য৷ দু-একটা ট্যাক্সিকে সে থামালেও তারা তাকে রিফিউজ করে৷ সাড়ে দশটা নাগাদ হেলমেট পরা এক বাইক আরোহী এসে দাঁড়ায় তার কাছে৷ সে বলে সে বিদিশা বারের কর্মী৷ ম্যাডাম যে এতক্ষণ সেখানে খাচ্ছিলেন তা সে দেখেছে৷ রাতে মাঝে মাঝে সে কাস্টমারদের তার বাইকে গন্তব্যে পৌঁছে দেয় উপযুক্ত বখশিশ পেলে৷ তখন মারিয়া বলে সে বাইপাসে যেতে চায়, এবং তা শুনে লোকটা বলে যে দুশো টাকা বখশিশ দিলে সে মারিয়াকে তার গন্তব্যে পৌঁছে দেবে৷ ব্যাপারটাতে রাজি হয়ে মেয়েটা উঠে বসে লোকটার বাইকে৷ বাইপাসের দিকেই মারিয়াকে নিয়ে এগিয়ে ছিল লোকটা, কাজেই মারিয়ার সন্দেহের কিছু ছিল না৷ কিন্তু ওই নির্জন স্থানে গিয়ে বাইক থামিয়ে দেয় সে৷ তারপর একটা ছুরি দেখিয়ে মেয়েটাকে ঝোপের আড়ালে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে৷ এ কথা বলার পরই মেয়েটা সেই যে জ্ঞান হারিয়েছে, আর তার জ্ঞান ফেরেনি৷’ কথা শেষ করে থামলেন অপূর্ব ঘোষাল৷

    তাঁর কথা শুনে চন্দন বিস্মিতভাবে বলল, ‘আপনার বারের কেউ এ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত? নাকি মিথ্যা পরিচয় দিয়ে কেউ তাকে তুলে নিয়ে গেছিল?’

    অপূর্ব ঘোষাল জবাব দিলেন, ‘আমার ধারণা, দ্বিতীয়টা৷ মিথ্যা পরিচয় দিয়েই মেয়েটাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল৷’

    চন্দন বলল, ‘ওই বিদেশিনি, বিদিশা বারে খেতে এসেছিল, আর ধর্ষক তাকে বিদিশা বারের কর্মী হিসাবে পরিচয় দিয়েছিল বলেই কি আপনাদের হ্যারাস হতে হবে? পুলিশ নিশ্চয়ই খতিয়ে দেখবে ঘটনাটা?’

    অপূর্ব ঘোষাল বললেন, ‘হ্যারাস হতে হবে নয়, হওয়া শুরু হয়েছে৷ দুটো কারণে পুলিশের সন্দেহ কিন্তু আমাদের দিকে৷ লালবাজারের পুলিশ অফিসার প্রথমেই আমাকে যে প্রশ্ন করলেন তা হল, আমাদের কর্মীরা কালো প্যান্ট, সাদা শার্ট পরেন কি না? কারণ, ওই মেয়েটা পুলিশকে বলেছে যে তাকে ধর্ষণ করেছে তার পরনে কালো প্যান্ট, সাদা শার্ট ছিল৷ যারা লোকটাকে পালাতে দেখেছিল তারাও একই সাক্ষ্য দিয়েছে৷ মেয়েটা পুলিশকে বলেছে যে বিদিশা বারে সে ওই পোশাকের ওয়েটার দেখেছে৷ তাই সে বিশ্বাস করে বাইকের পিছনে উঠেছিল৷ মেয়েটা নীচে বসলেও ওপরের ফ্লোরে ও পোশাকে ডিউটিতে ছিল পল্টু, বিকাশ আর শ্যামল৷ হয়তো তারা যখন নীচের ফ্লোরের থেকে খাবার আর ড্রিংস আনার জন্য যাওয়া-আসা করছিল তখন মেয়েটার চোখে পড়েছিল তাদের পোশাক৷ এই পোশাকের ব্যাপারটা হল আমাদের প্রতি সন্দেহের প্রথম কারণ৷ আর দ্বিতীয় সন্দেহের পিছনে অবশ্য আমারই একটু গাফিলতি আছে৷ দিন তিনেক হল আমাদের সিসি টিভির ক্যামেরাগুলো কানেকশনের গণ্ডগোলের কারণে কাজ করছে না৷ লোক ডেকে সারাব ভেবেও কাজটা হয়নি৷ পুলিশ গতরাতের সিসি টিভির ফুটেজ চাচ্ছে৷ যেটা আমি দিতে পারছি না৷ ফলে আমাদের ওপর পুলিশের সন্দেহ বাড়ছে৷’

    চন্দন জানতে চাইল, ‘ওয়েটারদের সঙ্গে কথা বলেছেন? তারা কী বলছে?’

    তিনি জবাব দিলেন, ‘কাল মোটামুটি দশটা নাগাদই বার ফাঁকা হয়ে গেছিল৷ যে তিনজন কাল ও পোশাকে ছিল তারা সবাই সাড়ে দশটার মধ্যেই বাইরে বেরিয়ে গেছিল৷ তিনজনই কলকাতাতেই থাকে৷ ওরা তো বলছে বার থেকে বেরিয়ে ওরা সোজা যে যার বাড়ির দিকে রওনা হয়ে গেছিল৷ রাস্তায় মেমসাহেবকে তারা দেখেই নি৷ এখন আমাকে এখানকার সব কর্মচারীদের ছবি তুলে, ঠিকানা, ফোন নম্বর নিয়ে লালবাজারে জমা দিতে যেতে হবে৷ আর কাল সকাল দশটাতে তাদের নিয়ে হাজির হতে হবে লালবাজারে৷ আগামী রবিবার বিদিশার পঞ্চাশতম জন্মদিন৷ মালিকের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করা হয়েছিল ওই দিন পুরোনো কাস্টমারদের ইনভাইট করা হবে৷ এখন কী হবে কে জানে?’ —শেষ কথাটা বলে দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন বিদিশা বারের ম্যানেজার অপূর্ব ঘোষাল৷

    মালিকের প্রসঙ্গ উঠতেই চন্দন জানতে চাইল, ‘আপনাদের মালিক দীনেশবাবুও কি লালবাজারে গেছিলেন?’

    অপূর্ব ঘোষাল বললেন ‘সেখানেই তো আরো সমস্যা৷ স্যার তাঁর মায়ের চিকিৎসার জন্য তাঁকে নিয়ে আমেরিকা রওনা হয়েছিলেন৷ সেখানে তিনি পৌঁছেও গেছেন৷ লালবাজার থেকে ফোন করা হয়েছিল তাঁকে, আমিও করেছিলাম৷ তিনি এখানে থাকলে নিজেই ব্যাপারটা সামলাবার চেষ্টা করতে পারতেন, এখন আমার ওপরই সব দায়িত্ব৷ মেয়েটার যতক্ষণ জ্ঞান না ফিরছে ততক্ষণ আর কিছু করার নেই৷ সে যদি আমাদের কর্মচারীদের তার ধর্ষক হিসাবে শনাক্ত না করে তবেই বাঁচব আমরা৷ নইলে কী হবে কে জানে? তবে আমি এখনও বিশ্বাস করি আমার কর্মীরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়৷’—এ কথা বলে উঠে দাঁড়ালেন অপূর্ব ঘোষাল৷

    চন্দন বুঝতে পারল তাঁকে আর এ সময় কোনো প্রশ্ন করে আটকে রাখা ঠিক নয়৷ বিপদ নেমে এসেছে বিদিশা বারের ম্যানেজারের ওপর৷ চন্দনও তাই উঠে দাঁড়িয়ে তাঁকে বলল, ‘মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করবেন৷ বিপদ নিশ্চয়ই কেটে যাবে৷ কাল দুপুর বা বিকালের দিকে কলেজ স্ট্রিট হয়ে আমি একবার এখানে আসব ব্যাপারটা সম্বন্ধে খোঁজ নিতে৷’

    অপূর্ব ঘোষাল চন্দনের কথার জবাবে চিন্তিতভাবে বললেন, ‘হ্যাঁ, আমার মাথা তো ঠান্ডা রাখতেই হবে৷ হ্যাঁ, আসবেন৷ আর আপনার থেকে কোনো সাহায্যের প্রয়োজন হলে তা পাব আশা করি?’

    চন্দন বলল, ‘হ্যাঁ, নিশ্চয়ই৷ ফোন নম্বর তো আপনার কাছে আছেই, প্রয়োজন হলে ফোন করবেন৷’

    তারা দুজন এরপর নীচে নেমে এল৷ সামনেই দাঁড়িয়ে ছিল ফিরোজ৷ তাকে দেখে অপূর্ব ঘোষাল বললেন, ‘আশাবরী বা পম্পা এলে ওদের বলে দিও আজ আর গান হবে না৷ আর অর্জুনকে, রমানাথকেও বলো যারা আসবে -যাবে তাদের ওপর নজর রাখতে৷ ফালতু লোক মনে হলে কাউকে যেন ঢুকতে না দেওয়া হয়৷’ কথাগুলো বলে, চন্দনের থেকে বিদায় নিয়ে তিনি চলে গেলেন কাউন্টারের ভিতর৷ আর চন্দনও বারের বাইরে বেরিয়ে একটা ট্যাক্সি ধরে নিল৷

    সন্ধ্যা নামার আগেই চন্দন এদিন বাড়ি ফিরে এল৷ এ বাড়িতে চন্দন আর তার মা থাকে৷ মায়ের ঘরেই টেলিভিশন সেটটা৷ মা সেটা খুলে নিউজ চ্যানেল দেখছেন৷ সে ঘরের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে চন্দন দেখল টেলিভিশনে ব্রেকিং নিউজ হিসাবে দেখানো হচ্ছে—‘বিদেশিনি ধর্ষণ৷’

    বেশ বড়ো বড়ো হরফেই দেখাচ্ছে খবরটা৷ অর্থাৎ খবরটা এবার দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে৷ হাত-মুখ ধুয়ে টিফিন সেরে প্রকাশকের ঘর থেকে আনা পাণ্ডুলিপি নিয়ে কাজে বসল চন্দন৷ কিন্তু কিছুতেই যেন তার কাজে মন বসছে না৷ খালি তার মনে ঘুরপাক খেতে লাগল দুর্ঘটনার কথাটা৷ কে ধর্ষণ করেছে ওই বিদেশিনিকে? সত্যিই কি বিদিশা বারের চন্দনের মুখচেনা কোনো লোক যুক্ত এই পাশবিক ঘটনার সঙ্গে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালো ঘুড়ি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article ভয়ংকর স্বীকারোক্তি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }