Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একুশে পা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প300 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একুশে পা – ১৮

    ১৮

    ‘তারা যেন রূঢ় হাতে পর্দা সরিয়ে ওদের তিনজনের …’

    সুহাস পুনেতে একটা খুব পছন্দসই কাজ পেয়েছে। এতদিন সে খালি ধরছিল আর ছাড়ছিল। এবার মনে হচ্ছে স্থিত হবে। ‘এক্সপ্রেশনস’ নামে এই প্রতিষ্ঠানটি সারা মহারাষ্ট্র জুড়ে পাবলিক থিয়েটার, স্থায়ী প্রদর্শনী কক্ষ, বাগান, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি বানাচ্ছে। খুব নাম করেছে শিল্পসম্মত কাজের জন্য। সুহাস এর আগে ওদের একটি ‘লোগো’ প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়। এবারে ওরা একটা আর্ট গ্যালারির লে-আউট চেয়েছিল অ্যাপ্লিকেশনের সঙ্গে। স্কোয়্যার ফুটেজ, মোটামুটি ব্যয়ের একটা হিসেবও দিয়ে দিয়েছিল। তারই বিচারে সুহাস চাকরিটা পেয়েছে। এটা ছিল বলতে গেলে তার একটা স্বপ্নই। ও একটা ছোট বাংলো পাবে পুনের শহরতলিতে।

    সুহাস বলল, ‘মা, ধরো যদি একটা বিয়ে শাদি করি এবার।’

    ‘বিয়ে তো একটাই করবি।’ তার মা হাসি-হাসি মুখে জবাব দিলেন।

    ‘তা নয়। আসলে, আমার একজনকে বিশেষ পছন্দ।’

    ‘সে তো খুব ভালো কথা। নিয়ে আয় একদিন মেয়েটিকে, আলাপ করি।’

    ‘চেনো তাকে, আসে মাঝে মধ্যে, মিঠুর বন্ধু।’

    মিঠু ছিল। খুব উৎসাহিত হয়ে বলল, ‘কে? ঋতু?’ যদিও ঋতু দাদার বউ হবার সম্ভাবনায় সে খুব খুশি নয়।

    ‘উঁহু, ইমন।’ সুহাস বলল। তার মুখে একটু একটু লজ্জার হাসি।

    অনুরাধা অবাক হয়ে বললেন, ‘ইমন? কিন্তু ইমন তো একটা স্টার। ওকি এখন .. কিংবা তোকে বিয়ে করতে চাইবে? বলেছিস?’

    ‘না মা। বলি টলিনি। তোমরা বলো, ইমনের মাকে জানাও।’ সুহাস কেমন একটা সহজাতবোধে বোঝে ইমনের মার ভীষণ গুরুত্ব।

    ‘সুহাস, ওরা আবার তার ওপর মুখার্জি। মফস্বলের পরিবার। আমাদের বাড়ি … রাজি না-ও হতে পারে। না হবার সম্ভাবনাই বেশি।’ অনুরাধার মুখটা বলতে বলতে চুপসে যেতে থাকে।

     

     

    সুহাস অসহিষ্ণু হয়ে বলল, ‘ইমন খুব প্রোগ্রেসিভ মা।’

    ‘ইমন হতে পারে। কিন্তু ওর মা না-ও হতে পারেন সুহাস। সে ক্ষেত্রে … তা ছাড়া ওর খেলা!’

    ‘ও যাতে খেলার সুযোগ পায় সেটা আমি সব সময়েই দেখব। খেলা আর কতদিন। ধরো দশ বছর! তার পর টেবল-টেনিস প্লেয়ারের আর ধার থাকে না। ও যদি চালাতে পারে, নিশ্চয় চালাবে।’

    মিঠু বলল, ‘কিন্তু দাদা ওর যদি কাউকে পছন্দ থাকে!’ সে ঋতুর কথাগুলো মনে করে বলল।

    ‘না, সে রকম কিছু নেই।’ সুহাস জোর দিয়ে বলল।

    ‘তুই কী করে জানলি? তুই তো ওর সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলিসনি।’

    সুহাস এবার একটু লাল হয়ে বলল, ‘আমি ওসব খেলার জগতের খবরাখবর রাখি। ইমনের তেমন কোনও বন্ধু নেই।’

     

     

    মিঠু অনেকক্ষণ ধরেই আনন্দ চেপে রাখতে পারছে না। সে বলল, ‘দাদা, তুই এতদিনে একটা কাজের মতো কাজ করলি।’

    অনুরাধা বললেন, ‘বাজে কথা ছাড় তো! গাছে না উঠতেই এক কাঁদি! ইমনকে অনেক দিন দেখি না। একদিন ডাক। এসে থাকুক কদিন। সেই সময়ে ওকে বলা হবে।’

    মিঠু খবর নিয়ে এলো ইমন বাড়ি গেছে। কবে ফিরবে ঠিক নেই। মিঠু ওর ঠিকানা নিয়ে ফিরেছে। ওরা তিনজন রানাঘাট যাবে। ওদের ইচ্ছে বাবাও যান। কিন্তু সাদেক কিছুতেই রাজি হলেন না। বললেন, ‘কোনও সামাজিক ব্যাপারের শুরুতে তোমরা আমাকে নিয়ে যাবার কথা কী করে ভাবো? দেখবে হয়ত আমার জন্যেই ব্যাপারটা আটকে যাবে।’ ছেলে-মেয়ের শুকনো মুখের দিকে তাকিয়ে তিনি বললেন, ‘কী আশ্চর্য! বী প্র্যাকটিক্যাল।’

    মিঠু চুপিচুপি দাদাকে বলল, ‘আচ্ছা দাদা, ইমনের মা যদি খুব গোঁড়া হন, রাজি না হন, তাহলে?’

    সুহাস বলল, ‘ইমন নিজে যদি সংস্কার কাটাতে না পারে, তাহলে আর কী! হবে না!’ ‘হবে না’টা সে খুব হতাশভাবে উচ্চারণ করল।

     

     

    কৃষ্ণনগর লোক্যালে ওরা যখন রানাঘাটে পৌঁছল বারোটা বেজে গেছে। ইছাপুর ছাড়িয়ে ট্রেন থেমে রইল বহুক্ষণ। হট্টগোল, মারামারি, কয়েক দফা নালিশ নিয়ে রেল রোকো আন্দোলন শুরু হয়ে গেল হঠাৎ। উদ্বিগ্ন হয়ে কোনও লাভ নেই। এসব লাইনে এইরকমই হচ্ছে আজকাল। দুটো সাইকেল রিকশা করে রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে পৌঁছল ওরা সাড়ে বারো নাগাদ।

    ‘জকপুর রোডের হাসপাতাল বলতে এটাই’, রিকশাওয়ালা বললে, ‘সব আছে, বাচ্চাদের, ছোঁয়াচে রোগের স-ব। টি. বি হাসপাতাল অন্য দিকে।’

    ‘না না, এটাই আমাদের দরকার’, অনুরাধা ঠিকানা-লেখা কাগজটার দিকে চোখ রেখে বললেন।

    বিরাট চত্বর জুড়ে, ঘেরা পাঁচিলের মধ্যে হাসপাতাল। মেন বিল্ডিংটার দিকে যেতে যেতে অনুরাধা বললেন, ‘হাসপাতালের ঠিকানা কেন রে মিঠু?’ তাঁর হাসপাতাল একেবারে ভালো লাগে না।

    সুহাস বলল, ‘কত বড় জায়গা দেখছ না, এখানেই নিশ্চয়ই কোয়ার্টার্স। অফিস বলে মনে হল যে ঘরটাকে, সেটাতে ঢুকে সুহাস বলল, ‘আচ্ছা, মিসেস শান্তি মুখার্জি নামে একজন সিসটারকে আমরা খুঁজছি…। ওঁর কোয়ার্টার্স…?’

     

     

    ভদ্রলোক বললেন, ‘দক্ষিণের বিল্ডিংটা দেখছেন, ওইখানে স্টাফ কোয়ার্টার্স, ওখানে গিয়ে জিজ্ঞেস করুন।’

    পাশ থেকে আরেকজন বললেন, ‘কী নাম বললেন—শান্তি মুখুজ্জে? আমাদের পরিতোষ মুখুজ্জ্যের স্ত্রী নাকি? কিন্তু নার্স তো নয়! এই মহাদেব! স্মৃতি আছে কি না দেখো তো!’

    তিনি ওদের দিকে ফিরে সহানুভূতির সুরে বললেন, ‘প্যারালিসিসের কেস নাকি? ট্রেইন্ড আয়া চাইলে কিন্তু শান্তি মুখুজ্জ্যেকে দিয়ে হবে না। ওর কোনও ট্রেনিং নেই।’ অনুরাধা বা সুহাসের দিক থেকে কোনও সাড়া না পেয়ে ভদ্রলোক দেশলাই কাঠির পেছন দিয়ে নিজের কান খোঁচাতে আরম্ভ করলেন।

    কিছুক্ষণ পর নীল পাড় সাদা শাড়ি পরা একজন মহিলা এসে দাঁড়াতে ভদ্রলোক বললেন, ‘শান্তি ডিউটিতে এসেছে নাকি স্মৃতি?’

    স্মৃতি নামের মহিলা বললেন, ‘শান্তিদি তো এক তলাতেই ৩ নম্বর কেবিনে ডিউটিতে রয়েছে? কেন?’

     

     

    ‘এঁদের দরকার, একবারটি ডাকো দিকিনি!’

    স্মৃতি বললেন, ‘আপনারা বাইরে এসে দাঁড়ান, আমি ডেকে আনছি।’

    বাইরে অপেক্ষা করতে করতেই ওরা দেখতে পেল, ভেতর দিক থেকে নীল পাড় সাদা শাড়ি পরা বিশুষ্ক চেহারার এক মহিলা স্মৃতির সঙ্গে কথা বলতে বলতে এগিয়ে আসছেন, ‘এঁরা।’ ওদের দেখিয়ে স্মৃতি বললেন।

    ‘তাড়াতাড়ি বলুন, পেশেন্ট বড় খিটখিটে, এক্ষুনি তেড়েমেড়ে উঠবে।’

    ‘আমরা ইমনের খোঁজে এসেছি। এ ইমনের বন্ধু মিঠু,’ মিঠুর পিঠে হাত রেখে অনুরাধা বললেন।

    ভদ্রমহিলার মুখ লাল হয়ে গেল। তিনি মুখ নিচু করে আঁচল দিয়ে মুখ মুছতে লাগলেন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে।

    ‘আমরা আপনার বাড়ি যাব, যদি একটু দেখিয়ে দেন।’

     

     

    শান্তি দৌড়ে গিয়ে স্মৃতি নামের সেই মহিলাকে কী বলে এলেন, তারপর অনুরাধার দিকে ফিরে, চোখ না তুলে বললেন, ‘আসুন।’

    হাসপাতালের গেট পেছনে ফেলে, জকপুর রোড পেছনে ফেলে একটা সরু রাস্তার মধ্যে ঢুকলেন ইমনের মা। একটা ছাল-চামড়া ওঠা টালির চালের বাড়ি। ইঁট বার করা সিঁড়ি দিয়ে দাওয়ায় উঠল সবাই। কালো রঙের দরজাটা ঠেলে মহিলা খুব আস্তে গলায় ডাকলেন, ‘ইমন।’

    কালো চেক-চেক শাড়ি পরা হিলহিলে ইমন কোমর থেকে পায়ের পাতা অবধি ফ্রেম-আঁটা ভাইকে হাঁটাচ্ছে। সবে এসেছে এই ফ্রেম, জুতো। মুখ তুলেই সে ছবির মতো দাঁড়িয়ে গেল। তার মুখের সব রক্ত কে শুষে নিয়েছে।

    একপাশে ইঁটের সারির ওপর বসানো তক্তাপোশ। তার ওপর চৌখুপি কাটা বেডকভার পাতা। তলায় হাঁড়িকুড়ি, শিলনোড়া, বাসনপত্র। কোণে স্টোভ। দেয়ালে দড়ি টাঙানো। তাতে শাড়ি, প্যান্ট, গামছা।

    ‘তুই অনেক দিন যাসনি ইমন, তোকে অনেক দিন..’ মিঠু কথা শেষ করতে পারল না। ইমনের মুখের সেই পরিচিত হাসি, অভ্যর্থনা এসব সে খুঁজে পাচ্ছে না। ইমন এখনও তাকে বসতে বলেনি। কোনও রকম আনন্দ প্রকাশ করেনি। ইমনের মা তক্তাপোশটা হাত দিয়ে ঝেড়ে বললেন, ‘বসুন আপনারা, আমি যাই, ডিউটি ফেলে এসেছি।’

     

     

    অনুরাধা সুহাসের দিকে একবার তাকিয়ে কী বুঝলেন তিনিই জানেন, হঠাৎ বললেন, ‘আপনি একটু দাঁড়িয়ে যান মিসেস মুখার্জি। আপনার কাছে আমার একটা জরুরি আর্জি ছিল।’

    মা মেয়ে দুজনেই তাকিয়ে তাঁর মুখের দিকে। অনুরাধা বললেন, ‘আমাদের ইচ্ছে আপনার মেয়েটিকে আমাদের ঘরের মেয়ে করে নিই। এই যে আমাদের ছেলে সুহাস। পঁচিশ বছর বয়স ওর। আর্কিটেক্ট। পুনাতে চাকরি করছে। প্রস্তাবটা আজ রেখে গেলাম। আপনি… আপনারা বিবেচনা করে জবাব দেবেন।’

    ইমনের মা হঠাৎ কেঁদে ফেলে মুখ ঢাকলেন, ‘ওই মেয়েই সব, মেয়ে ছাড়া তো আমার কেউই নেই।’ তারপর মুখ মুছে ফেলে অন্য দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘পেশেন্ট খুব খিটখিটে। আমি যাই।’ তিনি নিঃশব্দে দরজা দিয়ে বার হয়ে গেলেন।

    অনুরাধা বললেন, ‘ইমন, আমার সঙ্গে কথা বলবি না?’

    ইমন জোর করে হাসবার চেষ্টা করে বলল, ‘মাসি, আপনাদের জন্যে খিচুড়ি চাপিয়ে দিচ্ছি, এখুনি হয়ে যাবে। প্রেশার কুকার আছে। বসুন।’

     

     

    ‘তুই অত ব্যস্ত হস নি। আমরা একেবারে না বলে-কয়ে হুট করে এসে পড়েছি। স্টেশনের কাছে অনেক হোটেল আছে। কোনও একটাতে খেয়ে নেবো। আমরা চলি রে!’

    ‘না না, যাবেন না, আমি এখুনি রেডি করে দিতে পারব, সময় লাগবে না।’

    মিঠু বলল, ‘আমি ওকে হেল্প করি না মা, চট করে হয়ে যাবে।’

    অনুরাধা কী ভেবে বললেন, ‘ঠিক আছে কর। সুহাস আমরা বরং একটু ঘুরে আসি।’ তিনি তাঁর ঝোলা থেকে কমলা, আপেল, আঙুর আর কলকাতার উৎকৃষ্ট সন্দেশের বাক্স বার করে ইমনের ভাইয়ের দিকে এগিয়ে দিলেন, হাসিমুখে বললেন, ‘তোমার নাম কী?’ ছেলেটি তাঁর দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে জবাব দিল, ‘কল্যাণ।’

    সুহাসকে নিয়ে তিনি বাইরে বেরিয়ে এলেন। শীতকাল হলে কী হবে, এই ঘিঞ্জি মফঃস্বল টাউনে মাথার পর এখনও প্রখর রোদ। অনুরাধা শালটা মাথায় ঘোমটার মতো করে জড়িয়ে নিলেন। এলাকাটা নীরবে পার হলেন দুজনে। সুহাস বলল, ‘মা কোথায় যাবে? একটা রিকশা নিই। না হলে চিনতে পারব না।’

     

     

    রিকশায় উঠে অনুরাধা বললেন, ‘কোনও একটা দোকান থেকে একটু ভাজা মাছটাছ যদি পাওয়া যায়।’

    সুহাস বলল, ‘ছাড় তো, এই রিকশা ভাই এখানে নদী আছে না একটা।’

    ‘আছে বাবু।’

    ‘ওইদিকে নিয়ে চলো তো, একটু ঘুরব।’

    খানিকটা ঘুরিয়ে রিকশা-অলা বলল, ‘ওই দেখুন বাবু, ওপারে কলাইঘাটা, রামকৃষ্ণ ঠাকুর এসেছিলেন। পালচৌধুরীদের বাড়ি দেখবেন?’

    সুহাস বলল, ‘নাঃ। মা… এভাবে না বলেকয়ে আসাটা আমাদের খুব অন্যায় হয়ে গেছে।’

    ‘অনুরাধা শুধু বললেন, ‘হুঁ।’

     

     

    একটু পরে সুহাস বলল, ‘মা!’

    ‘বল্।’

    ‘তোমার কি আপত্তি হচ্ছে এখন?’

    ‘আমার? আপত্তি? সুহাস আমার আপত্তি নেই, আপত্তির কোনও অধিকার আছে বলেও আমি মনে করি না। কিন্তু ইমন কেন এমন ব্যবহার করল? ওর যে সরল সহজ চেহারাটা আমার চেনা আছে সেটা যেন ভেঙে ভেঙে যাচ্ছে…’ অনুরাধার মুখে বেদনার চিহ্ন, তিনি বললেন, ‘ওর মায়ের তো খুব স্পষ্টই আপত্তি। শুনলি তো। মেয়েটা আসলে ওঁর একমাত্র অবলম্বন। সুহাস আমি বুঝতেই পারছি না তুই কী করে অ্যাট অল…’

    দুজনে একটা রাস্তার ধারের দোকান থেকে অনেক কষ্টে কিছু মাছ ভাজিয়ে নিতে পারলেন, বাজার বন্ধ, তবু ধরাধরি করে এক গোছা কলাপাতা। ঘণ্টা দেড়েক পরে যখন ফিরলেন তখন তক্তাপোশের একপাশে শুয়ে ইমনের ভাইটি ঘুমিয়ে পড়েছে। তার অসহায় পা দুটোর ওপর কম্বল চাপা। ইমন ঘরের মেঝে ভালো করে মুছে ফেলেছে। খিচুড়ির গন্ধ বেরোচ্ছে।

     

     

    মেঝেতে শতরঞ্চি বিছিয়ে, কলাপাতায় খিচুড়ি বেগুনভাজা আর মাছভাজা পরিবেশন করল মিঠু আর ইমন। অনুরাধা বললেন, ‘ইমন তুমি বসবে না? কল্যাণ বসবে না?’

    ‘আমাদের তো অনেকক্ষণ খাওয়া হয়ে গেছে মাসি!’ এইবারে ইমন একটু লাজুক হাসল।

    ‘ওমা, তাও তো বটে। বেলা তো অনেক। ইসস, এত মাছ ভাজাটাজা এ কি আমাদের জন্যে এনেছি নাকি? রেখে দাও ইমন, রাতে খেও। খাবে কিন্তু ঠিক।’

    খেয়ে-টেয়ে উঠে অনুরাধা বললেন, ‘আমরা এগোই ইমন, যত তাড়াতাড়ি ট্রেন ধরতে পারি ততই ভালো। তোমাকে খুব কষ্ট দিলুম। শুধু শুধু।’ ইমন মুখ তুলে অনুরাধার দিকে চাইল। তার চোখ দুটো যেন কী বলতে চাইছে। ভীষণ দুরূহ কিছু। বলতে পারছে না।

    মিঠু বলল, ‘ফিরে আমাদের বাড়ি যাস। ওখান থেকেই পরীক্ষাটা দিলে খুব ভাল হবে। দুজনেরই সুবিধে হবে। যাস ইমন!’ ইমন ম্লান হেসে মিঠুর হাতটা ধরল শুধু।

    কিন্তু কলকাতায় ফিরে তো ইমন মিঠুদের বাড়ি গেল না! হোস্টেল থেকেই পরীক্ষা দিল। তা দিক। কিন্তু গেল না তো একবারও! পরীক্ষার সময়ে একেবারে হলে দেখা হল। তখন মিঠুর নিজেরও মাথার মধ্যে গজগজ করছে পড়া, ইমনও একটা লম্বা খাতা নিয়ে চুপচাপ। কেমন হচ্ছে, কীরকম প্রশ্ন এসেছে এই সবই কথা হল। শেষ পেপারটার পর মিঠু খুব তাড়াতাড়ি উজ্জয়িনীর সঙ্গে বাড়ি ফিরে গেল। বেশ খানিকটা যাবার পর তার মনে হল, যাঃ ইমনের সঙ্গে তো দেখা করে আসা হল না! কিন্তু তখন আর ফেরবার সময় নেই।

    পরীক্ষার পর মাথাটা অবকাশ পেয়েছে অনেকটা। এখন সামনে লম্বা ছুটির দিন। ওরা সবাই পুনে যাচ্ছে দাদার কোয়ার্টার্সে। লম্বা প্রোগ্রাম। মহাবালেশ্বর, গোয়া, কেরালার উপকূল। সুটকেস গোছাতে গোছাতে মিঠুর হাত দুটো হঠাৎ শ্লথ হয়ে যায়। ইমন কি খুব রাগ করেছে? কেন? তারা যেন রূঢ় হাতে পর্দা সরিয়ে ওদের তিনজনের ঘরে উঁকি দিয়েছে। ইমন যেন ক্ষুব্ধ, অপমানিত। সেদিন ওদের বাড়িতে মা আর দাদা চলে যাওয়ার পর মিঠু যতই সহজ হতে গেছে, ইমন হয়ে গেছে ততই আড়ষ্ট, অস্বচ্ছন্দ। কী এমন ঘটল! বিয়ের প্রস্তাবের জন্যেই কি ও লজ্জা পেল? না কি তাদের ওখানে যাওয়াটাই অনধিকার প্রবেশ! আসবার সময়ে ইমন জোর করে মুখে হাসি টেনে এনে বলল, ‘আচ্ছা।’ শোনাই যায় না এমন। সে কারও দিকে তাকাল না। পরে মা দাদাকে বলল, ‘তোর আগে মেয়েটার মন বুঝে নেওয়া উচিত ছিল। দেখ তো কী বিশ্রী হল! এ কি ছেলেখেলা?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅমৃতা – বাণী বসু
    Next Article উত্তরসাধক – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }