Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একুশে পা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প300 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একুশে পা – ৪

    ৪

    ‘গোধূলি! গোধূলি’…ওই ডাকটা…দুপুরটা..অ্যাসোসিয়েশনটা…

    আকাশ কালো করে আসছে। গুম গুম মেঘের ডাক। এ বছর বৃষ্টি আর ফুরোতেই চায় না। গরমও তেমনি। কদিন অসহ্য গুমোট হচ্ছে। দু তিনদিন চলতে থাকছে একই রকম। তার পরেই গুম গুম গুড় গুড়, ঝমাঝ্ঝম। রাস্তার অবস্থা যা তাতে সর্বত্রই চোরা পুকুর। তাতে ভেসে রয়েছে ময়লা, গাড়ির তেলকালি। উজ্জয়িনী পেছন ফিরে বলল, ‘এই মিঠু, তুই কি বি. কে. সি-র ক্লাসটা করবি না কি? আমি বাবা বাড়ি চললাম। বৃষ্টি নাবলে আর ফিরতে হচ্ছে না।’ আজকে অনেকেই আসেনি। ছেলেগুলো তো মনে হয় মাঝে মাঝে বেড়াতে আসে। রোজ বইখাতা নিয়ে কলেজে বেরয়। অর্ধেক দিনই কলেজে ঢোকে না, কোথাও না কোথাও গিয়ে আড্ডা জমায়। কলেজে ঢুকলেও দেখো কমনরুমে, কী লাইব্রেরিতেও। ক্লাসে মুখ দেখায় কম। আজকাল পলিটিকসের ধার মরে গেছে। সে রকম জোর পলিটিকসের আলোচনাও শোনা যায় না। ইউনিয়ন যা করতে বলে সব্বাই মুখ বুজে মোটামুটি তাই করে যায়। কী যে এত আড্ডা মারে ছেলেগুলো। উজ্জয়িনীরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে। আড্ডার বিষয়বস্তু কি? মিঠু একটু পিছিয়ে ছিল, বলল, ‘বি কে সি কিন্তু আজ নতুন চ্যাপ্টার শুরু করবেন।’

    ‘কাকে নিয়ে শুরু করবেন? অর্ধেক তো আসেইনি! আমরা কিছু যদি কেটে যাই তো পরের দিন। চল এই বেলা পালাই। আজ গাড়ি আছে। আয় না।’ উজ্জয়িনী মিঠুর কনুই ধরে টান দিল।

    ভিক্টোরিয়ার কাছাকাছি আসতে ওরা একটা অদ্ভুত সুন্দর দৃশ্য দেখল। জলভরা নীল রঙের মেঘের প্রেক্ষাপটে আরও সাদা হয়ে ভিক্টোরিয়ার গম্বুজটা ফুটে আছে। দু’পাশে একটু একটু আকাশ, আবার মেঘ। উজ্জয়িনী বলল, ‘মোহনদা, একটু থামাও তো! মিঠু ভিক্টোরিয়ায় যাবি?

    ‘যেতে তো খুব ইচ্ছে করছে, কিন্তু বৃষ্টি এলে?’

    ‘এলে ভিজব। চট করে বাড়ি পৌঁছে যাব তো! এ তো আর কলেজ স্ট্রিট নয় যে জ্যামে পড়ব, কি গাড়িতে জল ঢুকে যাবে!’

    ‘চল’— দুজনে নেমে দৌড়ল। গেটের কাছ থেকে ঝালমুড়ি কিনে নিয়ে ঢুকল।

    মিঠু বলল, ‘ঝালমুড়িতে আজকাল নাকি ব্রাউন শুগার মিশিয়ে দিচ্ছে, জানিস?’

     

     

    ‘তাহলে আর এক টাকাতে ঠোঙা দিতে হত না!’

    ‘কি জানি! বাড়িতে তো বাইরের এসব খেতে একদম বারণ করে, কাগজে নাকি বেরিয়েছিল।’

    ‘তো তুই খাস নি!’ এক ঝটকা দিল উজ্জয়িনী, ‘—ফ্যাল, ফ্যাল ঠোঙাটা’, মিঠুর হাত থেকে ঠোঙাটা কেড়ে নিয়ে সে অনেক দূরে ছুঁড়ে ফেলে দিল, একটা চিল সেটাতে ছোঁ মারল, যতই ওপরে যাচ্ছে ছড়িয়ে পড়ছে মুড়ি, ছোলা, বাদাম, পেঁয়াজ, ঝুরিভাজা, কাঁচালংকা।’

    মিঠুর মুখটা বিবর্ণ হয়ে গেছে। উজ্জয়িনী আস্তে বলল, ‘সরি, এই মিঠু এক্সট্রীমলি সরি রে!’

    মিঠু কেঁদে ফেলল। তার শামলা রঙের চিকণ গালের ওপর দিয়ে জলের ধারা নামছে। চোখদুটো ঈষৎ লাল। একগুচ্ছ চুল হাওয়ার বেগে খালি কপালের ওপর এসে লুটোপুটি খাচ্ছে। খয়েরি রং-এর স্কার্ট দুলছে সে হাতের উল্টো পিঠ দিয়ে চোখ মুছতে লাগল।

     

     

    উজ্জয়িনী বলল, ‘যাঃ, তুই কেঁদে ফেললি! আমি না আসলে মাথাটা না কি রকম গরম হয়ে গেল…আচ্ছা আমরা তো একটা ঠোঙা থেকেই খেতে পারি, পারি না?’

    মিঠু ধরা-ধরা গলায় বলল, ‘তুই খা। আমার লাগবে না। ব্যাপারটা যে ঠিক খাওয়া না খাওয়ার নয়, সেটুকুও তুই বুঝতে পারিস নি।’

    উজ্জয়িনী বলল, ‘এখানে বাঁদর থাকলে বেশ হত। এই ঠোঙাটাও সে ব্যাটাকে দিয়ে দিতাম। আয়, এই বেঞ্চটাতে বসি।’

    মিঠু বলল, ‘না, জলের ধারে বসব, অবশ্য তুই যদি আমায় ঠেলে ফেলে না দিস।’

    ‘তার মানে?’ উজ্জয়িনী চোখ বড় বড় করে বলল, ‘তোর মনে হয় আমি তোকে ঠেলে ফেলে দিতে পারি?’

    ‘হ্যাঁ, তোর ধর হঠাৎ ইচ্ছে হল, তুই বোধ হয় নিজেই জানিস না কী পারিস আর কী না পারিস!’ জলের ধারের একটা বেঞ্চ দেখে মিঠু বসে পড়ল।

     

     

    ‘ওখানে বসলি যে? যদি তোকে ঠেলে ফেলে দিই?’

    ‘এখানে ঠেলা মারলে, মাটিতে পড়ব, জলে পড়ব না, পড়লেও সাঁতারটা তো জানি’ বলে মিঠু হেসে ফেলল।

    উজ্জয়িনী পাশে বসে বলল, ‘না রে মিঠু, সত্যিই। হাসি নয়। তুই বোধ হয় না জেনেই আমার সম্পর্কে একটা সত্যি কথা বলেছিস। আমি নিজেই জানি না কী পারি আর কী না পারি। আমার ভেতরে একটা ভীষণ ক্রুয়েলটি আছে, আমি টের পাই…’

    ‘কী বাজে কথা বলছিস?’

    ‘বাজে কথা নয়। কারণ আছে, শুধু শুধু বলছি না বাবা। আসলে বাবার থেকে বোধ হয় এটা পেয়েছি আমি।’

    ‘মিঠু ভয়ের চোখে তার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘য্যাঃ, বাবার সম্পর্কে ওভাবে ভাবতে আছে না কি?’

    ‘তুই আর কতদিন খুকী থাকবি মিঠু!’ উজ্জয়িনী বিরক্ত হয়ে বলল, ‘বাবা মা বলে কি সব সমালোচনার উর্ধ্বে? না স্বর্গের দেব-দেবী? আমি দেখছি, প্রতিদিন দেখছি মাই ফাদার ইজ আ ক্রুয়েল ম্যান, আর্ধেক দিন আমার মা রাতে ঘুমোয় না, খায় না ভালো করে, বাবার অপমানকর ব্যবহারের জন্যে, আর বলতে পাব না সেটা..!’

     

     

    ‘আরে? তোমরা এখানে?’ ওরা পেছন ফিরে দেখল বিষ্ণুপ্রিয়া আর তন্ময়।

    ‘তোরা?’ বিষ্ণুপ্রিয়ার চোখে চোখ রেখে বলল উজ্জয়িনী।

    তন্ময় পাতলা চেহারার, গম্ভীর, একটু ভাবুক ধরনের একটি ছেলে। খুব নিয়মিত ক্লাস করে। তন্ময় বিষ্ণুপ্রিয়া দুজনেই পলিটিক্যাল সায়েন্সে অনার্স। শোনা যাচ্ছে তন্ময় সায়েন্স স্ট্রিম থেকে এসেছে। ও নাকি খুবই ভালো ছেলে। ইকো, স্ট্যাট্‌স্ নিয়েছে পল সায়েন্সের সঙ্গে।

    বিষ্ণুপ্রিয়া একটু বেঁটে। খুব কাটা কাটা চোখ মুখ। উজ্জ্বল রঙ। প্রচুর চুলে একটা বেণী বাঁধা। সে বলল, ‘আজ তো আমাদের ডিপার্টমেন্টে প্রায় সব প্রোফেসরই অ্যাবসেন্ট। কী নাকি সেমিনার আছে, সব ঝেঁটিয়ে গেছে। অনেকেই আগে জানত, আসেনি। আমি আর তন্ময় একা পড়ে গেলুম। তাই চলে এলুম। ও কী দারুণ নোটস রাখে! ওয়ার্ড ফর ওয়ার্ড। এই তন্ময়, খাতাটা দেখা না রে ওদের!’

    তন্ময় বলল, ‘ডোন্ট বি সিলি। এই তোমরা ঘাসের ওপর এসে বসো না! বেঞ্চে চারজন কমফর্টেবলি বসতে পারবে না।’

     

     

    ‘যদি হয় সজ্জন!’ বলে উজ্জয়িনী সরে বসে। মিঠুকেও টেনে আনল। ওরা বসতে উজ্জয়িনী বলল, ‘তোমরা তো বেড়াচ্ছিলে! আমরা আবার তোমাদের ডিসটার্ব করলাম না তো!’

    বিষ্ণুপ্রিয়ার গাল লাল হয়ে গেল। সে বলল, ‘দেখ, ইচ্ছে করলে অনায়াসে তোদের এড়িয়ে চলে যেতে পারতুম। দেখতেও পেতিস না। তন্ময়টা তলে তলে…জানিস ইকোতে সেভেনটি এইট পার্সেন্ট পেয়েছিল। ম্যাথসে লেটার।’

    তন্ময় বলল, ‘কী হচ্ছে বিষ্ণুপ্রিয়া! বাজে বকলে আমি কিন্তু উঠে যাচ্ছি।’

    ‘আহা!’ বিষ্ণুপ্রিয়া দমবার পাত্রী নয় ‘জানিস, তন্ময় টি ভি-তে প্রোগ্রাম করে, ইয়ুথ টাইমে কুইজ কনডাক্ট করেছিল।’

    ‘দেখি দেখি’, মিঠু মুখ বাড়িয়ে বলল, ‘তাই ওর মুখটা আমার কেমন চেনা চেনা লাগছিল। তুই বোধ হয় প্রায়ই করিস, না রে তন্ময়!’

    তন্ময় বলল, ‘মাঝে মাঝে। আসলে রেডিওতে অনেক দিন আগে থেকেই করছি। “বিদ্যার্থীর জন্য”তে বিদ্যার্থী সেজে যে কতবার বসেছি! তোরা কেউ আবৃত্তিতে ইন্টরেস্টেড?’

     

     

    মিঠু গীতিকবিতা খুব ভালো আবৃত্তি করে, ওর গলাটা মাইকে আসে মিষ্টি, রিনরিনে, অথচ স্পষ্ট, তীক্ষ্ণ নয়। সে বলল, ‘কেন রে?’

    ‘আমাদের একটা খুব ভালো আবৃত্তির ক্লাস হয়। ভয়েস থ্রো কনট্রোল, মডুলেশন, উচ্চারণ খুব ভালো শেখানো হচ্ছে। আমি তো জাস্ট তিন চারটে ক্লাস করার পরেই অনেকটা ইমপ্রুভ করে গেছি।’

    ‘কোথায়?’ মিঠু জিজ্ঞেস করল।

    ‘সল্ট লেক। করুণাময়ী।’

    ‘ও ব্বাবা!’

    ‘কেন? তুই থাকিস কোথায়?’

    ‘বালিগঞ্জ ফাঁড়ির কাছে।’

     

     

    ‘বাস রয়েছে। অসুবিধে কী?’

    ‘না বাবা। কলেজ করতেই প্রাণ বেরিয়ে যাচ্ছে। তারপর গানের ক্লাস।’

    ‘ওঃ হো, বলতে ভুলে গেছি, ফ্রেশার্স-এ বিউটিফুল গেয়েছিলি তুমি যে সুরের আগুন…’

    ‘থ্যাংকস—’ মিঠু বলল, ‘তা বিষ্ণুপ্রিয়াকে বল না তোদের ক্লাসে ভর্তি হতে, ও তো মানিকতলায় থাকে।’

    ‘বিষ্ণুপ্রিয়ার কোনও আগ্রহই নেই।’

    উজ্জয়িনী বলল, ‘মিঠু দেখ, মেঘ কেটে গেছে। বৃষ্টিটা তার মানে হল না। ইস্ শুধু শুধু বি কে সি-র ক্লাসটা করা হল না।’

    বিষ্ণুপ্রিয়া হেসে উঠল, ‘আরে বি কে সি তো সেমিনারে। ক্লাস হতই না, বললুম না!’

     

     

    মিঠুর হাতে একটা চোরা টান দিয়ে উজ্জয়িনী উঠে পড়ল, বলল, আমরা চলি রে। এই মিঠু দেরি হয়ে যাবে কিন্তু, মোহনদাকে আবার ছাড়তে হবে।’ বলেই সে হনহন করে প্রায় ছুটতে লাগল। মিঠু অন্য দুজনের দিকে তাকিয়ে বিদায় জানিয়ে কয়েক পা দৌড়ে উজ্জয়িনীকে ধরে ফেলল। উজ্জয়িনী বাঁকা চোখে ওর দিকে তাকিয়ে মুখ টিপে হেসে বলল, ‘টু ইজ কম্প্যানি, থ্রি ইজ…!’ মিঠু হাসতে হাসতে বলল, ‘য্যাঃ, আমরা এতদিন পর্যন্ত গার্লস স্কুলে পড়েছি বলেই আমাদের ওরকম মনে হয়। জাস্ট ফ্রেন্ডস ওরা।’

    ‘ওই আনন্দেই থাক। প্রিয়াটা কী রকম কনজারভেটিভ বাড়ির মেয়ে জানিস? এখনকার দিনেও ওদের মা-কাকিমারা ঘোমটা দিয়ে থাকে। আর কী বিরাট জয়েন্ট ফ্যামিলি। বাপরে। তোর দম বন্ধ হয়ে আসবে ওদের বাড়ি গেলে! এ ঘর থেকে একজন কাকা বেরোল তো ও ঘর থেকে একজন জেঠী! ঠাকুর্দা, ঠাকুমা! একেবারে সেভেনটিন্‌থ্ সেঞ্চুরি। প্রথম চান্স পেয়েই প্রিয়াটা…’ বলে উজ্জয়িনী হাসিতে ফাটতে ফাটতে ছুটতে লাগল। ওদের গাড়ি লোয়ার সার্কুলার রোডে ঢোকবার পর হঠাৎ ঝমঝম করে বৃষ্টি নামল। উজ্জয়িনী বলল, ‘দুটোতে খুব ভিজবে এবার।’

    ‘এমা সত্যিই তো!’ মিঠু বলে উঠল, ‘বৃষ্টিটা কী অসভ্য।’

     

     

    উজ্জয়িনী বলল, ‘ভিজুক না। না ভিজলে প্রেম হয়? জলে ভিজবে, রোদে পুড়বে, মাইলের পর মাইল হাঁটবে। ঝড়ো কাকের মতো চেহারা হবে, তবে না? ‘বলে সে ভীষণ হাসতে লাগল। মিঠু ড্রাইভারের দিকে ইশারা করে দেখাতে উজ্জয়িনী বলল, ‘এবারে নিজেকেই ড্রাইভ করতে হবে দেখছি। নইলে সব মজাই মাটি। কী বলো মোহনদা?’

    মোহনলাল পাঁড়ে স্টীয়ারিং-এর দিকে চোখ রেখে বলল, ‘জী?’ আরেক দফা হাসি শুরু হল উজ্জয়িনীর।

    দূর থেকেই কিন্তু বৃষ্টিটাকে আসতে দেখেছিল বিষ্ণুপ্রিয়া। উজ্জয়িনীরা বাঁ দিকের প্রধান গেট দিয়ে বেরিয়ে গেছে। বিষ্ণুপ্রিয়া তন্ময়কে বলল, ‘শিগগির চল, ভিক্টোরিয়ায় উঠতে হবে। বৃষ্টি আসছে।’ দৌড়চ্ছে দুজনেই। বৃষ্টিটা ওদের একটুর জন্যে ধরে ফেলল। চুন্নি দিয়ে মাথাটা আলতো করে মুছতে মুছতে বিষ্ণুপ্রিয়া খিলখিল করে হাসছিল। তন্ময়ও তার রুমাল দিয়ে মাথাটা মুছছে। চশমাটা খুলে নিয়ে মুছে নিল কাচগুলো। তারপর বলল, ‘আচ্ছা তোমরা মেয়েরা অকারণে এত হাসো কেন বলো তো?’

    ‘অকারণে? এতটা দৌড়লুম। বৃষ্টির সঙ্গে কমপিটিশনে নামলুম। একটুর জন্যে সেকন্ড এলুম। হাসব না? হোয়াট ফান!’

     

     

    তন্ময় বলল, ‘কি জানি! আমার তো কই হাসি পাচ্ছে না! যাই বলো, তোমাদের সঙ্গে আমাদের কতকগুলো ফান্ডামেন্টাল ডিফরেন্স আছে।’

    ‘সবাই, আই মিন, সব মেয়েই কি হাসে আমার মতন?’

    ‘মোর অর লেস সব্‌বাই। মিঠু হাসে, উজ্জয়িনী হাসে…’

    ‘ইমন? ইমনকে আমি এভাবে হাসতে দেখিনি। অবশ্য এরকম পরিস্থিতিতেও পড়িনি কখনও ইমনের সঙ্গে।’ বিষ্ণুপ্রিয়া বলল।

    ‘ইমন স্পোর্টসওম্যান তো! একটু আলাদা, অত মেয়েলি নয়,’ তন্ময় মন্তব্য করল।

    ‘ঠিক আছে বাবা, আর হাসব না, গ্রাম্পি-ফেস হয়ে থাকব, মেয়েলি-টেয়েলি কত গালাগালি!’

    ‘গালাগালি? মেয়েকে মেয়েলি বললে গালাগালি হয়? আচ্ছা তো!’ তন্ময় বলল, ‘এবার বোধ হয় কাঁদবে।’

     

     

    ঝাঁঝাল গলায় বিষ্ণুপ্রিয়া বলল, ‘ভারি বয়ে গেছে কাঁদতে, অত সস্তা না।’

    তন্ময় বলল, ‘কিন্তু সত্যি, খেয়াল করে দেখবে মেয়েরা অল্পে হাসে, অল্পে কাঁদে। ফলে ওরা কিন্তু ভেতরে কোন কিছুই জমিয়ে রাখতে পারে না। মেয়েদের হার্ট অ্যাটাক কম হয় ওই জন্যে। হাউ স্ট্রেঞ্জ আর নেচার্স ওয়েজ!’

    বিষ্ণুপ্রিয়ার ক্রমশই রাগ বেড়ে যাচ্ছে। বলল, ‘মেয়েদের গভীরতা নেই, এই বলতে চাইছ তো? মেয়েরাই, কিন্তু জগতে বেশি ফেইথফুল, দায়িত্বশীল, নির্ভরযোগ্য বলে প্রমাণিত হয়েছে।’

    ‘আমি কিন্তু বলতে কিছু চাইনি,’ ভাবুক মুখ করে তন্ময় বলল, ‘আই ওয়াজ জাস্ট কিউরিয়াস! বুঝতে চাইছিলাম। আর তুমি যে গুণগুলোর উল্লেখ করলে সেগুলোর জন্যেও বোধ হয় হাসিকান্নার সেফটি-ভালভের দরবার হয়। নার্ভ জিনিসটা মেয়েদের খুব স্ট্রং। দায়িত্বশীল, নির্ভরযোগ্য…এসব হতে গেলে নার্ভাস সিসটেমে একটা ব্যালান্স দরকার হয়।’

    ‘সব কিছুরই একটা করে ফিজিওলজিক্যাল এক্সপ্ল্যানেশন আছে বুঝি! মনটা কিছু না!’

    ‘ফিজিওলজিক্যাল এক্সপ্ল্যানেশন তো থাকবেই! তা নয়ত মেয়েরা অ্যাজ এ ক্লাস আলাদা কেন? ছেলে অ্যাজ এ ক্লাস আলাদা কেন? ব্যক্তির কথা হচ্ছে না। ক্লাসের কথা হচ্ছে। আর মন? মনটার তো আংশিকভাবে শরীরেরই সৃষ্টি। মেডিক্যাল সায়েন্স তো এদিকেই এগোচ্ছে!’

    ‘ওঃ, পারও তুমি!’

    ‘না, আমার খুব আশ্চর্য লাগে, শরীর আগে না মন আগে! বস্তুবাদ ক্রমেই শরীরকে পয়লা নম্বরে রাখছে। আরেকটা জিনিস দেখো। মেয়েরা এখন ক্লেম করছে তারা পুরুষের সব কাজ করতে পারে। করছেও। বাট আই হ্যাভ মাই ডাউটস!’

    ‘কী রকম? তুমি কি মেয়েদের রান্নাঘরে ফিরে যেতে বলছ?’

    ‘আরে দূর! তা নয়! কিন্তু কোথাও একটা সীমারেখা আছে। বেসিক্যালি দে আর ডিফরেন্ট। মেন্ট ফর ডিফরেন্ট কাইন্ডস অফ জবস্। ভেবে দেখো, আজকের দিনে অনেক ফ্যামিলিতেই ছেলে আর মেয়েকে বাবা-মা একইভাবে মানুষ করে। আমার বাড়িতেই ধরো না। ছোট থেকে আমি আর আমার বোন এক ধরনের খেলনা পেয়েছি। একসঙ্গে বাড়ির কাজ শিখেছি। ইন ফ্যাক্ট আমাদের পাঁচ জনের ফ্যামিলি। আমরা চার জন আর দিদা। মানে বাবার পিসিমা। তিনিও সব সময়ে থাকেন না। তুমি বোর হচ্ছ না তো!’ তন্ময় বিষ্ণুপ্রিয়ার দিকে তাকাল।

    ‘উঁহু, বলো না, ইনট্‌রেস্টিং, লাগছে।’

    ‘কী যেন বলছিলাম!’

    ‘তোমাদের বাড়ির কথা!’

    ‘ও হ্যাঁ, তো ছোট থেকেই আমি আর বোন ভাগাভাগি করে কাজ করি। আমাদের খুব ছোট্ট ফ্ল্যাট। কোনও কাজের লোক নেই। বাবা বাজার, ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস এইসব বাইরের কাজ করে, দিদা রান্না করেন, জাস্ট রান্নাটুকু। মা দিদাকে সাহায্য করে। ঘর-টর পরিষ্কার করে। আমি বাসন মাজি। যে যার কাপড় কেচে নিই। আমার বোন ঘর মোছে। এই রকম ছেলেমেয়ে নির্বিশেষে কাজের ভাগ তো! কিন্তু আমার বোন বাইরের কাজের চেয়ে রান্নাটাই প্রেফার করে। বাবার হয়ত অসুবিধে আছে ব্যাংকে যেতে পারবে না। বোন বলবে—তুই যা আমি তোর বাসন মেজে রাখছি। আমাকে রান্নার কাজ দিলে, ও বলবে, আমি রান্নাটা করি না মা, দাদা বাজার করবে।’

    ‘তুমি রান্না করো! তুমি?’

    ‘খাবে না কি এক দিন! ভাত, ডাল, মাছের ঝোল, সুকতো, মাংস, ফ্রায়েড রাইস, চচ্চড়ি—সব পারি। আনাজপাতি ছুরি দিয়ে, মাছ খুব ভালো ড্রেস করতে পারি।’

    ‘মা!’

    ‘মা? ওরে বাব্বা, মা একটা ভীষণ গোলমেলে কলেজের প্রিন্সিপ্যাল। দশটা থেকে চারটে তো সেখানে এনগেজড্ বটেই, বাড়িতে এত ফাইল নিয়ে আসবে। অনবরত ফোন আসবে, এখান সেখান, রাইটার্স, সি এস সি দৌড়াদৌড়ি। এর ওপর বাড়ির কাজের চাপ পড়লে…সম্ভব নয়। বাবা বরং অনেক ফ্রি। অফিসের কাজ অফিসে সেরে বাড়ি চলে এলো। ব্যাস, নো মোর ঝঞ্ঝাট!’

    বিষ্ণুপ্রিয়া চুন্নির প্রান্ত পাকাতে পাকাতে বলল, ‘আমাদের বাড়িতে এসব ভাবতেই পারবে না। আমার ছোটকাকিমাও তো ব্যাঙ্কে কাজ করে! সকালবেলায় ব্রেকফাস্ট তৈরি করবার ভার কাকিমার। সেসব করে তবে অফিস যায়। সন্ধেবেলায় কাকা-কাকিমা প্রায় একই সঙ্গে ফেরে কিন্তু চা-জলখাবার এসব দেয় কাকিমা। এ রকমই সিসটেম আমাদের। আমি আমার দাদার জুতো পালিশ করি, শার্ট-টার্ট ইস্ত্রি করে দিই। একবার বাড়িতে অনেকদিন কাজের লোক ছিল না, তো মা বলেছিল—খেয়ে দেয়ে যে যার বাসন তুলে দেবে। দাদা যেই তুলতে গেছে ঠাম্মা এসে বলল, ‘ব্যাটাছেলেকে দিয়ে আর এঁটো বাসনটা নাই তোলালে বউমা।’

    বিষ্ণুপ্রিয়া এখন একটু গম্ভীর হয়ে গেছে। তন্ময় বলল, ‘চলো, দরকার হলে ঢোকা যাক।’

    এখনও বৃষ্টি ভালোই পড়ছে। সমান ধারে। কারো কাছেই ছাতা নেই। তন্ময় ছাতা ব্যবহারই করে না। বিষ্ণুপ্রিয়ার ছাতা বাড়িতে পড়ে আছে। ছবি দেখতে দেখতে বিষ্ণুপ্রিয়া বলল, ‘তন্ময় তোমার কোন পেপারটা সবচেয়ে ভালো লাগে?’

    ‘থিয়োরি, অফ কোর্স। ফোর্থ পেপারও ভালো লাগে।’

    ‘দূর, আমি থিয়োরি ভালো বুঝতে পারি না।’

    ‘বল, আর ল্যাসকিটা ভালো করে পড়, আর বি কে সি-র ক্লাসগুলো মন দিয়ে করো। ওতেই হবে।’

    ‘আচ্ছা তন্ময়, তোমার যা রেজাল্ট তাতে তো তুমি আরও নাম-করা কলেজে যেতে পারতে। আর্টসে। পেতে না?’

    ‘পেতাম। কিন্তু আমি চেষ্টা করিনি। আমার বাবা মা সব এই কলেজের। তা ছাড়াও সত্যিকার কারণটা শুনবে?’

    ‘এ ছাড়াও একটা সত্যিকার কারণ আছে? আলাদা? বলো বলো’, বিষ্ণুপ্রিয়া উৎসুক হয়ে বলল।

    তখন দুপুরবেলা। এপ্রিল। এখানে সীট পড়েছিল। ফার্স্ট হাফটা দিয়ে উঠেছি, সেকেন্ড হাফে আমার কিছু নেই। বাইরে এসে, কৃষ্ণচূড়াটা দেখেছ তো? দেখি মাথাটা একেবারে হোরিখেলা হয়ে আছে। গেট দিয়ে বেরিয়ে হাঁটছি। ভীষণ চুপচাপ চারিদিক। হঠাৎ খুব দূর থেকে কে যেন ডাকল —গোধূলি! গোধূলি! ছেলে গলার ডাক। আমি ফিরে চাইলুম, কাউকে দেখতে পেলুম না। তারপর আরও দূর থেকে আরও ক্ষীণ হয়ে ডাকটা ভেসে এল —গোধূলি! গোধূলি! তখনই মনে মনে ঠিক করলুম আমি এখানেই পড়ব।’

    বিষ্ণুপ্রিয়া আশ্চর্য হয়ে বলল, ‘গোধূলির জন্যে গোধূলি নামের কোনও মেয়ের জন্যে? স্ট্রেঞ্জ! তুমি একদম খ্যাপা তন্ময়! তা পেলে খুঁজে তোমার গোধূলিকে?’

    তন্ময় বলল, ‘খুঁজিনি তো!’

    ‘সে কি? খোঁজনি? গোধূলির জন্যে এলে। তাকেই খুঁজলে না!’

    ‘ঠিক গোধূলি নামের কোনও মেয়ের জন্যে এসেছি ভেবেছ নাকি? পা-গল! জাস্ট ওই ডাকটা, ওই দুপুরটা, অ্যাসোসিয়েশনটা, সব মিলিয়ে আমাকে চুম্বকের মতো টানল। আমি বুঝে গেলুম এটাই আমার জায়গা।’

    ‘স্ট্রেঞ্জ!’ বিষ্ণুপ্রিয়া বলল, ‘তুমি কি কবি টবি নাকি?’

    ‘হতে পারি। তবে এখনও লিখিনি এক লাইনও। আবৃত্তি করি। বললুম না তোমায়, করুণাময়ীতে আমাদের একটা ক্লাস হয়। একটা শুনবে?’ তন্ময় একটু চুপ করে থেকে হঠাৎ ভিন্ন স্বরগ্রামে ভিন্ন গলায় বলে উঠল—

    “শুধু কবিতার জন্য এই জন্ম, শুধু কবিতার

    জন্য কিছু খেলা, শুধু কবিতার জন্য একা হিম সন্ধেবেলা

    ভুবন পেরিয়ে আসা, শুধু কবিতার জন্য

    অপলক মুখশ্রীর শান্তি একঝলক

    শুধু কবিতার জন্য তুমি নারী, শুধু

    কবিতার জন্য এত রক্তপাত, মেঘে গাঙ্গেয় প্রপাত

    শুধু কবিতার জন্য, আরো দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে লোভ হয়।

    মানুষের মতো ক্ষোভময় বেঁচে থাকা, শুধু কবিতার

    জন্য আমি অমরত্ব তাচ্ছিল্য করেছি।”

    ‘বাঃ খুব সুন্দর আবৃত্তি করো তো! গলাটাকে যেন গড়িয়ে দিলে, বেশ অল্প অল্প থেমে বাঁক নিতে নিতে এগিয়ে গেল!’

    ‘ভালো লাগল? ধন্যবাদ! ওই যে গলাটাকে গড়িয়ে দেওয়া বললে, একটা কনটিনিউয়িটির ব্যাপার, এটা এই কবিতাটার বৈশিষ্ট্য, যখন এটা পড়তে গিয়ে কেউ অযথা যতি চিহ্ন খরচ করে আমার খুব অসোয়াস্তি হয়। তুমি এটা বুঝতে পারো কিনা দেখবার জন্যে এই কবিতাটাই বললাম, খুব দমও লাগে।’

    ‘ও মা! তুমি খুব ডেঞ্জারাস তো! আরও অনেক পরীক্ষা করছ না কি আমাকে লুকিয়ে লুকিয়ে?’

    ‘তুমিও করো না। কে বারণ করেছে? নইলে কে কার বন্ধু হতে পারে কী করে বোঝা যাবে! তোমার নামটা কিন্তু বড্ড বড় আর ভারী।’ তন্ময়ের মুখে হাসির আভাস।

    বিষ্ণুপ্রিয়া বলল, ‘আমার বন্ধুরা তো সবাই ছোট করে ডাকে।’

    চাপা হাসিতে মুখ ভাসিয়ে তন্ময় বলল, ‘আমার পক্ষে ওই শর্ট ফর্মে ডাকাটা খুব অকওয়ার্ড হবে না?’

    এক মুহূর্ত থেমে দু জনেই দরবার ঘর ফাটিয়ে হেসে উঠল। আরও যারা ঘুরে ঘুরে ছবি দেখছিল তারা আশপাশ থেকে, পেছন ফিরে, মুখ বাড়িয়ে ওদের দেখতে থাকল সকৌতূহলে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅমৃতা – বাণী বসু
    Next Article উত্তরসাধক – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }