Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একুশে পা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প300 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একুশে পা – ৮

    ৮

    ‘আসল কথা না জেনেই এরকম করছিস…’

    উজ্জয়িনী বাড়ি পৌঁছতে ওদের যে রান্না করে সেই যমুনাদি বলল, ‘জুনিদিদি মা তো আজও খেল না সকালে। কয়েক কাপ চা খেয়ে আছে খালি। এমনি করলে যে একটা অসুখ করে যাবে!’

    মা-বাবাকে নিয়ে উজ্জয়িনী পড়েছে মহা মুশকিলে। দুজনের মধ্যে কথা-বার্তা নেই। প্রায় এক বছর হতে চলল। সে মাঝখানে সংযোগ রক্ষা করে চলেছে। বাবা ডক্টর রজত মিত্র, প্রচণ্ড রুক্ষ ভাষী, মেজাজী। বদরাগী। মা অমিতা মিত্র অনেকগুলো মেয়েদের সংস্থা চালান। কোথাও সেক্রেটারি, কোথাও প্রেসিডেন্ট। মার অভিমান, আত্মমর্যাদাজ্ঞান খুব বেশি। মা-বাবার মধ্যে শীতল যুদ্ধ চলছে অনেক দিন। যখন সে খুব ছোট ছিল, মনে পড়ে মা-বাবার হাত ধরে বেড়াতে যেত হংকং, সিঙ্গাপুর, ইয়োরোপ। সে-সব দিনগুলো কী সুন্দর ছিল। হাত ভরে যেত উপহারে। গাল ভরে যেত চুমোয়। মার কোলে, বাবার কোলে। সাত-আট বছর বয়স পর্যন্ত সে কোলে চড়েছে বাবার। এখনকার বাবাকে সে চিনতে পারে না।

    সাড়ে ছটা প্রায়। সে মায়ের ঘরে ঢুকে ডাকল, ‘মা’।

    মা বলল, ‘আজ এত দেরি করলি?’

    ‘ঋতুদের বাড়ি হয়ে এলাম, দরকার ছিল।’

    ‘কী খাবি?’

    ‘আমি খেয়ে এসেছি। এখন তুমি কী খাবে বলো?’

    ‘আমি আবার এখন…’

    ‘মা, এরকম যদি করো, আমি কিন্তু কোথাও চলে যাব।’

    ‘চলে যাবার ব্যবস্থাই তো হচ্ছে।’

    ‘মানে?’

    ‘তোমার বাবা তোমাকে স্টেটসে পড়তে পাঠাবেন।’

    ‘আমার তো এখনও পার্ট ওয়ানই হল না।’

    ‘তা জানি না, তুমি টোয়েফ্‌ল আর স্যাটে বসেছিলে, ভালো করেছ, কোন কোন য়ুনিভার্সিটিতে অ্যাপ্লাই করতে হবে, সেইসব বলছিলেন।’

    ‘তাই কি তুমি খাওনি?’ উজ্জয়িনী মৃদু স্বরে বলল, ‘মা, চলো না তুমি আমি দুজনেই চলে যাই। ওখানে আমরা বেশ থাকব দুজনে। কোনও ঝামেলা থাকবে না।’

     

     

    তিক্ত হাসি হেসে অমিতা বললেন, ‘আমার কাছ থেকে দূরে রাখবার জন্যেই তো এত ব্যবস্থা! আমার যাওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।’

    ‘তোমার কাছ থেকে দূরে? আমি থাকতেই পারব না! আমি বাবাকে বলব মা? বলি, হ্যাঁ? যে আমরা দুজনে…’

    ‘খবর্দার জুনি। বলো না। হিতে বিপরীত হয়ে যাবে। ওঁর ধারণা হয়েছে তোমার ওপর আমার প্রভাবটা বেশি হয়ে যাচ্ছে। সে জন্যেই এ ব্যবস্থা নিচ্ছেন। এখন যদি তুমি আমাকে পাঠাবার কথা বলো তো ওঁর আরও জেদ চেপে যাবে।’

    উজ্জয়িনীর ঘরে একটা বেল বাজল। এখান থেকে শোনা যায়। এটা বাজছে বাবার চেম্বার থেকে। উন্নয়িনীর একদম যাবার ইচ্ছে নেই। সে বাবাকে, বাবার চেম্বারের ওই অংশটাকে একদম পছন্দ করে না। এই মাল্টি স্টোরিড বাড়িটাতে তাদের দুটো ফ্ল্যাট। আট তলায় একটা আর দোতলায় একটা। দোতলার ফ্ল্যাটটা বাবার চেম্বার, রোগীদের ওয়েটিং রুম, খাবার, রেস্ট রুম, কিচেন, টয়লেট সবই আছে। বেশির ভাগ সময়েই বাবা ওখানেই কাটান। দুপুরের খাবার ওখানে দিয়ে আসতে হয়। রাতটা ওপরে এসে খান। নিজের আলাদা ঘরে শোন। গত কয়েক মাস ধরে নিচেই শুচ্ছেন। সে অত্যন্ত অনিচ্ছুক পায়ে বেরিয়ে গেল, ইচ্ছে করে সিঁড়ি ভাঙতে লাগল, যাতে দেরি হয়। পাশের দরজা দিয়ে, বাবার রেস্ট রুম দিয়ে সে চেম্বারে ঢুকল। পেছন থেকে দেখতে পেল বাবাকে। গাঢ় ব্রাউন রঙের সুট পরা। মাথার পেছন দিকটা পুরো টাক। টাকটার পর্যন্ত গোলাপি রং। ইস, সেই মহিলা ঘরে ঢুকছে। দেখে আপাদমস্তক জ্বলে গেল উজ্জয়িনীর। কী নির্লজ্জ, কী বেহায়া। এই বদমাস মহিলার জন্য তার মায়ের যত কষ্ট, যত অপমান! খুব নাকি সুদক্ষ ও. টি. নার্স। বাবার চেম্বারেও গত কয়েক বছর ধরে সন্ধে বেলায় ডিউটি দেয়। মানে চাকরি করে। একজন নাম্বার ওয়ান ও. টি. নার্স ডাক্তারের প্রাইভেট চেম্বারে রোগী পরীক্ষায় সাহায্য করবার কাজ নিয়েছে! উজ্জয়িনীকে দেখে এক মুখ হেসে আবার বলছে, ‘কী জুনি! কেমন আছ!’ বিরস মুখে উজ্জয়িনী বলল, ‘ভালো।’ ফিরে ‘আপনি কেমন আছেন’টা সে বলল না। কেমন আছে দেখাই তো যাচ্ছে। গালে লালচে আভা। একটা দামী সিল্কের শাড়ি পরেছে। আজকে নার্সের পোশাকে নেই। কী মতলব, কে জানে!

     

     

    বাবা চেয়ারটা ঘুরিয়ে উজ্জয়িনীর মুখোমুখি হল, বলল, ‘আমি কদিনের জন্যে শিলিগুড়ি যাচ্ছি। খুব জরুরি কেস আছে। কবে ফিরব বলতে পারছি না।’ বাবা পকেট থেকে একটা চেক-বই বার করে দুটো তিনটে ফাঁকা চেক খস খস করে সই করে দিল তলায়। বলল, ‘এটা রাখো।’ তারপর তার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ফিরে আসি তোমার স্টেটস যাবার ব্যবস্থা সব পাকা করে ফেলব তারপর! এখানে কী হবে? কিস্যু হবে না।’ ভদ্রমহিলার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘চলো শীলা, চলো।’ মসমস করে বেরিয়ে গেল বাবা, পেছন-পেছন সেই মহিলা—শীলা না অনুশীলা। হাতে আবার পাতলা একটা লাগেজ। উজ্জয়িনী তাড়াতাড়ি বারান্দায় ছুটে গেল। একটু পরেই সাদা অ্যামবাসাডর গাড়িটায় বাবা উঠল, পাশে উঠে বসল শীলা। মদন গাড়ির বুটে দুটো সুটকেস তুলে দিল। তারপর গাড়িটা দ্রুত বেরিয়ে গেল। যতক্ষণ দেখা গেল সাদা বিন্দুটার দিকে তাকিয়ে রইল উজ্জয়িনী। তারপর লিফটে চড়ে ওপরে চলে এলো।

    সাড়ে আটটা নাগাদ উজ্জয়িনী বলল, ‘মা বড্ড খিদে পেয়েছে। দেবে?’ মা সেন্টারের কি সব মিলোনোর কাজ করছিল। বলল, ‘চল দিচ্ছি।’

    ‘দুজনে এক সঙ্গে বসব কিন্তু।’

    ‘ঠিক আছে।’

    আস্তে আস্তে বসে বসে গল্প করতে করতে মাকে খাওয়ালো উজ্জয়িনী। সারা দিনের পর এই রাত সাড়ে আটটায় বোধ হয় কিছু পড়ল তাঁর পেটে। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে অমিতা বললেন, ‘যমুনা, সাহেবের খাবারটা রেডি করো, সময় হয়ে আসছে।’

    ন’টার সময়ে ডক্টর মিত্র খান দুখানা আটার রুটি, এক বাটি চিকেন স্টু, একটু স্যালাড। এক গ্লাস দুধ খাবেন আরও রাতে, শোবার সময়ে।

     

     

    উজ্জয়িনী বলল, ‘মা, বাবা জরুরি কল-এ শিলিগুড়ি চলে গেল।’

    ‘কখন?’ অমিতা ভুরু কুঁচকে বললেন।

    ‘এই তো, যখন আমায় ডাকল।’

    ‘সে তো অনেকক্ষণ। এতক্ষণ বলিসনি!’ অমিতা ফেলে ছড়িয়ে খেতে লাগলেন। কিছুক্ষণ পর মায়ের খাওয়া মোটামুটি শেষ বুঝতে পেরে উজ্জয়িনী বলল, ‘ওই মহিলা সঙ্গে গেল, অপারেশন আছে বোধ হয়।’

    সতর্ক হয়ে বসলেন অমিতা, ‘কে? শীলা ভার্গব? শিলিগুড়ি গেল?’

    গ্লাসের জলটা শেষ করে, অমিতা উঠে পড়লেন। নিজের ঘরে গিয়ে একটা বেতের চেয়ারে গা এলিয়ে দিয়েছেন। একটু পরেই আবার উঠে পড়লেন। উজ্জয়িনী নিজের ঘর থেকে মায়ের চলা-ফেরা দেখতে পাচ্ছে। মা পায়চারি করছে, হাত মুঠো করল, রাগে মুখ থমথম করছে, তার পরেই মুখ কালো হয়ে গেল, মা আলো নিবিয়ে দিল, চেয়ারে পিঠ হেলিয়ে দিয়েছে, চোখের ওপর হাত চাপা।

     

     

    এই প্রথম উজ্জয়িনী এমনি সময়ে মার ঘরে ঢুকতে সাহস করল, ডাকল ‘মা।’ চমকে চোখের ওপর থেকে হাত সরালেন অমিতা।

    ‘দিনের পর দিন এভাবে…কী লাভ?’

    ‘তুই গান-টান শুনগে যা জুনি!’

    ‘গান-টান শুনিয়ে ভুলিয়ে রাখবার দিন আমার চলে গেছে মা!’ তার গলার স্বর রূঢ়।

    অমিতা আবার চমকে উঠলেন, বললেন, ‘কী বলবি, বল?’

    ‘তুমি সহ্য করছ কেন এ সব? আজ শীলা, কাল শর্বরী। পরশু রোজি। তোমরা মনে করো খুব স্থূলভাবে কিছু চোখের ওপর না দেখলে আমি বুঝতে পারব না? আমি এখন বড় হয়েছি, বন্ধু-বান্ধবের একটা সার্কল আছে আমার। আমি আর কতদিন এভাবে মরমে মরে থাকব? তোমরা একটা কিছু স্থির করো! কিছু একটা করো মা! সক্কলে জানে। তুমি মনে করো কেউ কারো খবর রাখে না? আমার পরিচয় পেলেই লোকে দ্বিতীয়বার ফিরে তাকায় তা জানো? আমি আর সহ্য করব না। সহ্য করতে পারছি না।

    ‘তোর বাবা তো তোকে খুব ভালোবাসে জুনি!’ একটু পরে অমিতা বললেন।

    ‘ওকে ভালোবাসা বলে না, দিবারাত্র মেয়ের চোখের সামনে মাকে অপমান করে, “জুনি আমি তোমাকে স্টেটস পাঠাব।” ভেংচে উঠল উজ্জয়িনী। ‘নিজের ক্ষমতা দেখানো হচ্ছে? আমার চাই না ওই বাজে লোকটার ভালোবাসা, যে তোমাকে এভাবে কষ্ট দিচ্ছে, তাকে আমি বাবা বলে মানতে পারব না। বলে দিলাম এই শেষ কথা।’

    শিউরে উঠে অমিতা বললেন, ‘এদিকে আয় জুনি।’

    মেঝেতে কার্পেটের ওপর বসে জুনি চেয়ারে বসা মায়ের কোলো মাথা রাখল। অমিতা তার চুলে হাত বুলোতে বুলোতে বললেন, ‘যতই হোক। তোর বাবা। বাবার সম্পর্কে ওভাবে বলিস নি।’

    ‘তাহলে তুমি প্লিজ এবার ডক্টর মিত্রকে আলটিমেটাম দাও।’

     

     

    ‘কী হবে দিয়ে? উনি বলবেন, তোমার না পোষায় তুমি চলে যেতে পার।’

    ‘যাব। তাই যাব মা। তুমি আর আমি চলে যাব।’

    ‘ডিভোর্স করতে বলছিস?’

    ‘হ্যাঁ, তাই করবে দরকার হলে।’

    ‘অনেকবার ভেবেছি। তোর কথা মনে করে পারি না যে জুনি।’

    ‘আমার কথা? এই অশান্তির চেয়ে লজ্জার চেয়ে বরং আমি অন্য যে কোনও অবস্থায় থাকতে রাজি আছি। এই লজ্জা, এই ঘেন্না নিয়ে দিনের পর দিন…’

    উজ্জয়িনীর চোখ দিয়ে গরম জল পড়তে লাগল।

    অমিতা বললেন, ‘তুই চিরদিন খুব আদরে মানুষ জুনি। পারবি না। বলা সোজা, কিন্তু কষ্ট সহ্য করা ভীষণ শক্ত কাজ, পারবি না।’

    ‘কী বলছ মা! আমি এত মীন যে তোমার এত অপমানের পরও স্রেফ বিলাসের লোভে এই ঘৃণ্য বাড়িতে ওই ঘৃণ্য ভদ্রলোকের সঙ্গে থাকব? আমাকে তুমি এত ছোট মনে করো?’

    ‘তুই আমাকে খুব ভালোবাসিস না রে?’ অমিতা ভিজে-ভিজে গলায় বললেন।

    উজ্জয়িনী জবাবে মায়ের হাঁটু দুটো আরো জোরে চেপে ধরল, সজল গলায় বলল, ‘তোমাকে ভালোবাসায় আমার তো কোনও বাহাদুরি নেই মা। মাকে সবাই ভালোবাসে। কিন্তু তুমি তো কবে থেকেই আমার মা-বাবা সবই। তোমাকে কেউ কষ্ট দিলে আমার মনে হয় তাকে…তাকে.. তা ছাড়া ওই ভদ্রলোককে আমার আজকাল বাবা বলে মনে হয় না।’

     

     

    ‘জুনি, তোর বাবাকে ডিভোর্স করা আমার পক্ষে এখন আর সম্ভব নয়।’

     

     

    ‘কেন? ঠিক আছে এবার বাবা ফিরলে আমি, আমিই যা বলার বলব, আই’ল হ্যাভ এ শো-ডাউন উইথ হিম।’

    ‘না না’, ভীষণ ব্যস্ত হয়ে অমিতা বললেন, ‘অমন কাজও করিস নি, মাথা গরম করিস নি। সর্বনাশ হয়ে যাবে।’

    ‘কিসের সর্বনাশ! একজন চরিত্রহীন লোককে বাবা বলে পরিচয় দেবার চেয়েও সর্বনাশ! মা তোমাকে আমি এই কদিন ভাববার সময় দিলাম। এর মধ্যে তুমি যা হয় ঠিক করো।’

    ‘ওরে না না, এসব বলিস নি, জুনি এসব বলিস নি।’ অমিতা আকুলভাবে মাথা নাড়তে লাগলেন।

    ‘তাহলে, তুমি কি এখনও, এসব সত্ত্বেও বাবাকে ভালোবাসো? বলো! জবাব দাও!’

    অমিতা মাথা নাড়তে থাকেন।

    ‘তাহলে এই সুখ, ঐশ্বর্য, বিলাস, স্ট্যাটাস এই সবের জন্যে ছাড়তে পারছ না? বুঝেছি।’

    ‘কিছুই বুঝিস নি। শোন জুনি, তোর একটা ভালো দেখে বিয়ে হয়ে যাক। তারপর, তার-পর আমি তোর বাবাকে ছেড়ে চিরদিনের মতো চলে যাব। ডিভোর্স-টিভোর্স কিচ্ছু লাগবে না। স্রেফ এ বাড়ি ছেড়ে চলে যাব। আমার যা গয়নায়গাঁটি আর নিজস্ব টাকা আছে তাতে আমার কোনক্রমে চলে যাবে। জুনি ভালো পাত্র দেখা আছে আমার, দেখলেই তোর পছন্দ হবে। তুই বাবাকে বলবি তোর পছন্দের কথা, উনি এটাতে আপত্তি করবেন না, তারপর…’

    ‘কী বাজে কথা বলছ? মোটেই আমি এখন বিয়ে করতে রাজি নই মা! তোমাদের দেখে দেখে বিয়েতেই আমার ঘেন্না ধরে গেছে।’

    ‘তোর সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেব ছেলেটির, শুভংকর, তোর বড় মেসোর বন্ধুর ছেলে, দেখেছিস না দেবারতির বিয়েতে!’

    ভুরু কুচকে উজ্জয়িনী বলল, ‘তুমি কি ভাবছ, ডিভোর্স করলে বা ওই রকম কিছু করলে আমার বিয়ের অসুবিধে হবে? সে রকম ছেলেকে আমি বিয়েই করব না জেনে রাখো সেটা।’

    ‘আমার বড্ড মাথা ধরেছে জুনি, আমায় একটু চোখ বুজোতে দে এবার। সামনে ক্যাশ মিলিয়েছি আর ক্যাশমেমো কেটেছি সকাল থেকে। একটু বিশ্রাম দরকার।’

    ‘ঠিক আছে, আমি চলে যাচ্ছি এখন, কিন্তু এ প্রশ্নের জবাব না দিলে ভালো হবে না।’ উজ্জয়িনী চলে গেল নিজের ঘরে। সামনে একটা আমজাদ আলির ক্যাসেট পেলো, সেটাই চড়িয়ে বিছানায় শুয়ে পড়ল।

    কিছুক্ষণ পর একটা বিশ্রী আওয়াজ পেয়ে অমিতা মেয়ের ঘরে ছুটে এলেন। উজ্জয়িনী ক্যাসেটটাকে বার করে প্রচণ্ড জোরে ঘরের কোণে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। সে আরও ক্যাসেট বার করছে, সেগুলো দুমড়ে ভেতরে থেকে টেপগুলো বার করবার চেষ্টা করছে। তার মুখ-চোখ রাগে, চোখের জলে মাখামাখি। সে একটা বহু মূল্যবান পাথরের চতুর্ভুজ বিষ্ণুমূর্তি তুলে ধরতে যাচ্ছিল, অমিতা তাড়াতাড়ি এসে তার হাত ধরলেন, ‘ছাড় জুনি, ছাড় বলছি! উজ্জয়িনী হাত তুলে নিল মূর্তিটা থেকে, তারপর ক্ষিপ্ত গলায় বলল, ‘সব ভেঙে চুরে ফেলব, যা যা দিয়ে এতদিন এই নরকটা সাজিয়েছ, সব, স-ব চুরমার করে ফেলব, ফেলে যে দিকে দু চোখ যায় চলো যাব।’

     

     

    অমিতার চোখদুটো ভয়ে বড় বড় হয়ে উঠেছে, তিনি বললেন, ‘আসল কথা না জেনেই এরকম করছিস? জানলে তাহলে কী করবি? ওঃ ভগবান, কী বিপদেই পড়লুম।’

    হঠাৎ উজ্জয়িনী শান্ত হয়ে গেল। বলল, ‘কী আসল কথা মা? বলো না, আমি তো বড় হয়ে গেছি, এত বড় মেয়ের কাছ থেকে কিছু লুকোনো যায় না। আমি অন্যভাবে জেনে নেবই। তখন তোমার মুখ কোথায় থাকবে?’

    অমিতা তার চোখের জলে ভেজা লালচে মুখের দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইলেন, তারপর বললেন, ‘তুই যে আগে তোর বাবার মেয়ে। তোর বাবা দয়া করে আমার হাতে তুলে দিয়েছে তাই আমার হয়েছিস মা।’

    অমিতার চোখ ছলছল করছে, ঘরে ঘড়ির বাজনা শুরু হল। সাড়ে ন’টা বাজছে। অমিতা বললেন, ‘তুই একজন অ্যাংলো ইন্ডিয়ান নার্সের মেয়ে। তোর জন্মের সময়ে সে মেয়েটি মারা যায়। রাঁচির ভেতর দিকে একটা মিশনারি হাসপাতালে ডেলিভারি হয়েছিল। ওরাই তোকে রাখতে চেয়েছিল। আমি নিঃসন্তান। স্বামী থেকেও নেই। তোকে আমি চেয়ে নিই। সবাই জানে তুই আমারই মেয়ে, তোক নিয়ে পুরো এক বছর আমি ওই মিশনারি প্রতিষ্ঠানে কাটাই। আত্মীয়রা জানত আমি স্বামীর ওপর রাগ করে চলে গেছি, তারপর—বাচ্চা হবে বুঝতে পেরে আবার ফিরে এসেছি। তোর বাবা আর আমি ছাড়া এ কথা আর কেউ জানে না। রাগারাগি করে যদি আমরা পরস্পরকে ছাড়ি, তুই যদি আমার কাছে থাকতে চাস, তোর বাবা সেটা হতে দেবে না। তোর আসল জন্মবৃত্তান্ত প্রকাশ করে দেবে।’

    পাথরের মতো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শুনছিল উজ্জয়িনী। তার দেহ কি রকম অসাড় হয়ে যাচ্ছে। চোখ ঝাপসা। পায়ের তলায় মাটি দুলছে। অমিতা তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে আস্তে আস্তে বিছানায় নিয়ে গিয়ে শুইয়ে দিলেন। মাথায় হাত বুলোতে বুলোতে বললেন, ‘তোর পাঁচ দিন বয়স থেকে তোকে বুকে করে বড় করেছি। আমি নিজেই ভুলে গেছি তুই আমার কোলে জন্মাসনি। আমিই তোর সত্যি মা। তুই ছাড়া পৃথিবীতে আমার কেউই নেই। চলছি যে এতদিন ধরে, কাজ করছি, সংসার করছি, সামাজিকতা করছি, সবই তোর জোরে। তুই না থাকলে আমিও নেই। আজ এইভাবে তোর বাবা এক দিক থেকে তুই আরেক দিক থেকে আমাকে বড্ড কোণঠাসা করলি, নইলে কোনও দরকার ছিল না তোর জানবার। তোর বার্থ সার্টিফিকেট পর্যন্ত আমার নামে। তোর বাবা নিজে ডেলিভারি করিয়েছে বাড়িতে এই মর্মে করিয়ে নিয়েছিল, সেটা তো তোর ফাইলে দেখেছিস…..’

    উজ্জয়িনীর চোখের সামনেটা ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে। এই মা সাদা খোলের টাঙাইল শাড়ি পরা মাথার খোঁপা ভেঙে পড়েছে, মার চুলগুলো ডান দিকের খানিকটা সাদা হয়ে গেছে। কপালে ছোট লাল টিপ। অনেক দূর থেকে এই মূর্তিটা দেখতে পাচ্ছে উজ্জয়িনী। মা বক্তৃতা করছে, মুখ দিয়ে অনর্গল শব্দ বেরিয়ে আসছে, উদ্দীপিত হচ্ছে কত সমাজসেবী, মহিলাদের উন্নয়নের জন্য মা ভীষণ পরিশ্রম করে, অনেক পদস্থ লোক খাতির করেন মাকে। যেমন রাজ্যপাল, মন্ত্রী, এম.পি, বড় বড় ব্যবসায়ী বাড়ি, বিশেষ সম্মান দিয়ে কথা বলেন মার সঙ্গে। এই মাতৃমূর্তি উজ্জয়িনীকে গর্বে, আনন্দে, আশায়, বিশ্বাসে ভরে দেয়। এই মা তার না!

    ভালো করে মার দিকে চাইল উজ্জয়িনী, অমিতা বললেন, ‘এই নিয়ে তুই ব্রুড করলে আমিও আমার মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে পারব কি না বলতে পারছি না। সারা জীবনটা বড্ড ঝড় গেল রে জুনি, আর কি পারব…’

    অমিতা কাঁদছেন না। তিনি খুব শক্ত মেয়ে। কিন্তু কান্নার জন্য শুধু চোখের জলই দরকার হয় না। উজ্জয়িনী দেখল তার মার দু চোখে অতল অন্ধকার, তিনি যেন কোথাও আর এতটুকু আলো দেখতে পাচ্ছেন না।

    সে আস্তে আস্তে মার ডান হাতটা জড়িয়ে ধরে বলল, ‘মা। আমি ব্রুড করব না। করব না কথা দিচ্ছি তোমায়। সার্টিফিকেটে তো তোমারই নাম আছে। তাহলে তুমি ভয় পাচ্ছ কেন?’

    ‘আসলটা, রাঁচির সেই হসপিটালের ডিসচার্জ সার্টিফিকেটটা তোর বাবা নিজের কাছে রেখে দিয়েছে।’

    মা এখন উজ্জয়িনীর খাটে তার পাশে শুয়ে পড়েছে। উজ্জয়িনী পাশ ফিরে ডান হাত দিয়ে তার মাকে জড়িয়ে আছে। এক বালিশে দু’জনের মাথা। মায়ের দু চোখ বোজা। উজ্জয়িনী লুকিয়ে লুকিয়ে মাকে দেখছে। কী ক্লান্ত! কী সর্বহারার মতো দেখাচ্ছে। কী দুঃখিনী এই মা তার! কত আশা নিয়ে হয়ত একদিন জীবন আরম্ভ করেছিলো, কানাঘুষায় শুনেছে বাবা মাকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিল, প্রচণ্ড আপত্তির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে। সেই বিবাহের এই পরিণতি! ‘স্বামীর মিসট্রেস’ বাংলা প্রতিশব্দটা মনে মনেও উচ্চারণ করতে পারল না সে, স্বামীর ‘মিসট্রেস’-এর মেয়েকে নিজের সন্তানের মতো মানুষ করেছেন, এখন তাকেও কেড়ে নেবার পরিকল্পনা হচ্ছে। উজ্জয়িনী মনে মনে প্রতিজ্ঞা করল—সে কখনও কাউকে বিয়ে করবে না, কোনও পুরুষকে সে ভালোবাসবে না। বাবার যে প্রিয় ছাত্রটি গত জন্মদিনে তাকে এক বাক্স ফরাসী পারফুম দিয়েছে, সে বুঝতে পারে বাবার প্রশ্রয়ে সে একটু একটু করে তার দিকে এগোচ্ছে, তাকে তো না-ই, মায়ের নির্বাচিত ওই শুভঙ্করকেও কদাপি নয়। পুরুষ জাতির প্রতি নিবিড় নির্মম ঘৃণায় তার শরীর-মনের প্রতিটি রন্ধ্র পূর্ণ হয়ে গেল বুঝি বা। কেউ কেউ বলে তাকে বাবার মতো দেখতে। কিন্তু বেশির ভাগেরই মত সে নাকি বসানো অমিতা মিত্র। স্নেহ-ভালোবাসার মধ্যে দিয়ে মায়ের আদলটুকুও কি অলৌকিকভাবে তার শরীরে বয়ে এসেছে? বেশ কিছুক্ষণ এইভাবে ভাববার পর উজ্জয়িনী একেবারে স্থির নিশ্চিত হয়ে গেল অলৌকিক ব্যাপার পৃথিবীতে আছে। এবং সবার ওপরে ভাগ্য সত্য। অবিবাহিত অ্যাংলো ইন্ডিয়ান নার্সের মেয়ে, রাঁচির মিশনে আর পাঁচজন অনাথ এবং আদিবাসীর সঙ্গে মানুষ হবার কথা তার। এখন হয়ত তার জন্মদাত্রী মায়ের মতো সে নার্সিংই শিখছে, কিংবা শর্ট-হ্যাণ্ড টাইপ-রাইটিং। এত জ্বলজ্বলে রঙ তার, সুন্দরী বলে সবাই। সে এতদিনে আবার কোনও নারীখাদকের গর্ভে যাবার জন্যে তৈরি হচ্ছে, হত। এই অমিতা মিত্র যদি সমস্ত লজ্জা-ঘেন্না-কষ্ট চেপে তাকে বুকে করে না নিতেন। অতুল ঐশ্চর্য, বংশ পরিচয়, স্ট্যাটাস, নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা, সবার ওপরে এই মা, এই মহীয়সীকে মা বলে সে পেয়েছে। এত ভাগ্য কল্পনা করা যায়!

    দুজনের কেউই ঘুমোচ্ছে না। দুজনে দুজনকে পৃথিবীর একমাত্র নির্ভরযোগ্য প্রিয়জন বলে অনুভব করছে। এভাবে থাকতে থাকতেই উজ্জয়িনী বুঝতে পারল—এই স্ট্যাটাস, এই নিজের হাতে গড়া সাজানো-গোছানো বাড়ি, ঘরসংসার, সামাজিক প্রতিষ্ঠা এই বয়সে ছাড়তে মায়ের কী অসহ্য কষ্ট, কী লজ্জা হবে। প্রধানত তার জন্য, তাঁর মেয়ের জন্যই তিনি তাঁর শূন্যগর্ভ ঘরের চারপাশ এমনিভাবে গড়ে তুলেছেন, তারপর এক সময়ে এটাই তাঁর অভ্যাস, তাঁর জীবন হয়ে গেছে। স্টেটস যাওয়াটা সে যেমন করে হোক ঠেকিয়ে রাখবে, যেভাবে হোক, খুব সাবধানে কূট বুদ্ধি করে চলতে হবে। বুঝতে দিলে চলবে না মাকে ফেলে যেতে হবে বলেই সে যেতে চায় না। কিন্তু কী উপায়ে মাকে এই প্রতিদিনের অপমান থেকে বাঁচানো যায়, কিভাবে?’

    ভাবতে ভাবতে একটা দিবাস্বপ্নের মধ্যে ঢুকে পড়ল উজ্জয়িনী। বাবা যেন ঘুমোচ্ছে। ওই তো ওদিকের ঘরে। রাত এগারোটা কি বারোটার সময়ে। এক গ্লাস দুধ নিয়ে যাচ্ছে সে বাবার জন্যে, বাবা ওপরে শুলে সে সব সময়েই এটা নিয়ে যায়। বাবা রাত-আলোটা জ্বেলেছে। পায়জামা পাঞ্জাবি পরেছে, রুক্ষ চোখে যতটা সম্ভব স্নেহ নিয়ে বাবা তাকাচ্ছে উজ্জয়িনীর দিকে। —‘কী রকম পড়াশোনা চলছে? জুনি, তোমাকে আমি স্টেটস পাঠিয়ে দেব। এখানে কী হবে? কিস্যু হবে না।’ দুধটা এগিয়ে দিচ্ছে উজ্জয়িনী, ড্রয়ার থেকে একগাদা ওষুধ বার করে খাচ্ছে বাবা, দুধের সঙ্গে, শুয়ে পড়ল। ঘুমিয়ে পড়েছে। পাশের বালিশটা আস্তে আস্তে তুলে নিয়েছে সে, বাবার মুখের ওপর জোর করে চেপে ধরেছে। হাই ডোজে ঘুমের ওষুধ খায় বাবা। নেতিয়ে থাকে এখন। দুর্বলভাবে নড়াচড়া করছে। কিন্তু উজ্জয়িনীর গায়ে খুব জোর। সে প্রাণপণে বালিশটা চেপে উপুড় হয়ে আছে।

    ‘জুনিদিদি, চা এনেছি, মুখ ধুয়ে এসো’ —চমকে উঠে বসল উজ্জয়িনী। সে ঘামে ভিজে গেছে। সামনে যমুনাদি। মা ঘরে ঢুকছে। বোধ হয় মুখ-চোখে জল দিয়ে এলো। সেই কালচে ভাবটা এখনও মায়ের মুখ থেকে পুরোপুরি যায়নি। কিন্তু মুখ এখন শান্ত। কাল রাতে যে নিদারুণ মনঃকষ্ট, দ্বন্দ্ব আর দিশা হারানোর আঁচড় দেখেছিল, সেগুলো আর দেখা যাচ্ছে না। মা তুমিও কি দিবাস্বপ্নে কাউকে? …না মায়ের দিবাস্বপ্ন অন্য রকম হবে। মাকে দেখেই বুঝতে পারছে উজ্জয়িনী। পরে, অনেক পরে, যদি পরিবেশ অনুকূল বলে বুঝতে পারে, তা হলে মায়ের দিবাস্বপ্নের কথা সে জিজ্ঞেস করবে। আপাতত যে কটা দিন বাবা বাইরে থাকে, সে আর মা, তার মা, দুজনে মুক্ত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅমৃতা – বাণী বসু
    Next Article উত্তরসাধক – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Our Picks

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }