Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কবি – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প382 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১১. সুবর্ণের বর্ষা সংখ্যা

    সুবর্ণের বর্ষা সংখ্যা বের হয়েছে। প্রচ্ছদে কদম গাছের ছবি। ফটোগ্রাফকে কি কায়দা করেছে, দেখে মনে হয় জলরঙে আঁকা ছবি। আতাহারের মনে হল, লোকজন প্রচ্ছদ দেখেই পত্রিকা কিনে ফেলবে। হু হু করে সুবর্ণ বিক্রি হয়ে যাবে। আতাহার সূচিপত্রে চোখ বুলাল—

    আবু কায়সার : রবীন্দ্রনাথের বর্ষা।

    বুকের ভেতর আতাহার নিঃশ্বাস চাপিল। আবার রবীন্দ্রনাথ? এই বুড়োর হাত থেকে কি নিস্তার নেই?

    মনিরুল হাসান। জীবনানন্দের বর্ষাবিদ্বেষ।

    জীবনানন্দের বর্ষাবিদ্বেষ ছিল না-কি? হেমন্ত, শীত, এইসব নিয়ে ভদ্রলোকের তামাতি আছে–তার মানে এই না যে তার বর্ষা বিদ্বেষ ছিল। বাঙালী ছেলের বর্ষাবিদ্বেষ থাকলে বুঝতে হবে সে অসুস্থ। তার ভাল চিকিৎসা হওয়া দরকার।

    বর্ষায় নিবেদিত কবিতাগুচ্ছ :

    বেশ কটি কবিতা আছে। আতাহারের বুক ধ্বক ধ্বক করছে। কখন তার নিজের নামটা পাওয়া যাবে। নাম নেই। আশ্চর্য কাণ্ড তো—নাম থাকবে না কেন? তরুণদের কবিতা কি আলাদা কোন শিরোনামে যাচ্ছে? আতাহার দ্রুত পুরো সূচিপত্রে চোখ বুলাল। তারপর পড়ল আস্তে আস্তে–দ্রুত চোখ বুলালে অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায়। আতাহার বা সাজ্জাদ দুজনের কারো নামই নেই।

    এমন অবশ্যি হতে পারে যে, ভুলে সূচিপত্রে নাম আসেনি। তরুণ কবি, তরুণ গল্পকারদের ক্ষেত্রে এ জাতীয় ভুল হয়। তাদের ক্ষেত্রেও হয়েছে। ভেতরে কবিতা ঠিকই ছাপা হয়েছে, শুধুসূচিপত্রে নাম নেই।

    আতাহার একটা একটা করে পাতা উল্টাল। না, কবিতা ছাপা হয়নি। গনি সাহেব তাদের ডিজ দিয়েছেন। নিউজ স্ট্যান্ডের ছেলেটা বলল, কিনবেন স্যার? আতাহার বলল, টাকা থাকলে কিনতাম। টাকা নেই। পত্রিকা ঘাটাঘাটি করেছি। এই বাবদ তুই বরং একটা ঢাকা রেখে দে। ছেলেটা রাগী চোখে তাকাল। তবে আতাহারের সঙ্গে অন্য যে ভদ্রলোক গভীর মনযোগে একটার পর একটা খবরের কাগজ পড়ে যাচ্ছেন, তিনি মজা পেয়ে হো হো করে হাসতে লাগলেন। আতাহারের মনে হল বর্ষার এই সকালটা একজনকে গভীর আনন্দ দানের মাধ্যমে শুরু হল। কবিতা ছাপা না হবার পরেও হয়ত আজকের দিনটা ভাল যাবে। যদিও তার সম্ভাবনা ক্ষীণ। সকালে বাড়ি থেকে বেরুবার সময় একটা কাক বসে থাকতে দেখা গেছে। কাকযাত্রা অসম্ভব অশুভ।

    কাক বলে কা কা
    চার পাশ খা খা।

    শিয়ালযাত্রা শুভ। ঢাকা শহরে শিয়াল কোথায় পাওয়া যাবে? গ্রামেই শিয়াল নেই আর ঢাকা শহরে শিয়াল।

    শিয়াল বলে হুক্কাহুয়া
    তার কাছে জগৎ ভুয়া।

    আজ হচ্ছেটা কি? ব্যর্থ কবি ছড়াকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। মাথার ভেতর একের পর এক ছড়া তৈরি হচ্ছে। আতাহার রিকশা নিয়ে নিল। সে যাবে মূগদাপাড়া। কণার ঠিকানা শেষ পর্যন্ত পাওয়া গেছে। সে থাকে মুগদাপাড়ায় আটার কলের পশ্চিম পাশে। ইউনানী দাওয়াখানার দোতলায়। নম্বর-টম্বর কিছু নেই। খুঁজে বের করতে জীবন বের হয় যাবে। জীবন বের হলে বের হবে। ব্যর্থ কবির জীবন এমন কিছু মূল্যবান নয়।

    কণাকে চিড়িয়াখানা দেখানোর জন্যে সময়টা ভাল না। প্যাঁচপ্যাঁচে বর্ষ। এখন বৃষ্টি হচ্ছে না, তবে যে কোন সময় বৃষ্টি নামবে। আকাশ ঘন কালো হয়ে আছে। বর্ষায় পশুপাখি দেখতে ভাল লাগার নয়। বর্ষায় দেখতে হয় গাছপালা–। বৃষ্টি নামলে এদের যাবার উপায় নেই–এদের নিজ নিজ জায়গায় দাঁড়িয়ে ভিজতে হবে। পশুপাখি চেষ্টা করবে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচবার। সম্পূর্ণ দুরকম ব্যাপার।

     

    অনেকক্ষণ কড়া নাড়ার পর যে মেয়েটি দরজা খুলে দিল, মনে হচ্ছে সেই কণা। কালো রোগা একটা মেয়ে, চোখ দুটি বিষন্ন। চোখ বিষন্ন নাও হতে পারে। ব্যাপারটা হয়ত তার কল্পনা। মেয়েটি এলোমেলো ভঙ্গিতে হালকা নীল একটা শাড়ি পরেছে। নীল শাড়ি পরা মেয়েদের চোখ বিষন্ন দেখায়। শাড়ির ছায়া পড়ে চোখে। মেয়েটি বলল, কে?

    আতাহার বলল, আমাকে চিনবেন না। আমার নাম আতাহার। সাজ্জাদ আমাকে পাঠিয়েছে। ওর সঙ্গে একদিন মাত্র আপনার দেখা হয়েছে। জানি না। ওর কথা আপনার মনে আছে কিনা।

    কণা উৎফুল্ল গলায় বলল, আরে, সাজ্জাদ ভাইজানের কথা মনে থাকব না? আপনে যে কি বলেন।

    উনি বলেছিলেন, আপনাকে আর আপনার স্বামীকে চিড়িয়াখানা দেখবেন।

    হ্যাঁ, বলেছিলেন।

    আমাকে পাঠিয়েছেন। বললে আমি একটা গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে আসি।

    এখন?

    আপনাদের অসুবিধা না থাকলে আমি এখনি নিয়ে যাব। চিড়িয়াখানা সকাল নটা থেকে খুলে। এখন বাজছে এগারোটা।

    আতাহার লক্ষ্য করল, মেয়েটার চোখে চাপা আনন্দ ঝলমল করছে। আনন্দের চেয়ে কৌতূহল এবং বিস্ময় থাকাটা উচিত ছিল না? কথা নেই বার্তা নেই, একটা লোক চিড়িয়াখানা দেখানোর ব্যবস্থা করছে এতে বিস্মিত হবার কথা, মেয়েটা বিস্মিত হচ্ছে না।

    কণা বলল, আমার স্বামীরে একটু জিজ্ঞেস করা লাগবে ও এখন যাবে কিনা।

    জিজ্ঞেস করুন।

    সে তো ফামেসিতে কাজে আছে।

    আমি শুনেছিলাম ফর্মেসির চাকরি চলে গেছে।

    একটা গেছে। আরেকটা পেয়েছে। ফার্মেসির কাজ যারা জানে তাদের কাজের অসাবধা হয় না।

    উনার ফর্মেসিটা কোথায়?

    কাছেই রাস্তার মাথায়।

    আতাহার বলল, আপনি কি জিজ্ঞেস করে আসবেন, না। আমিই গিয়ে জিজ্ঞেস করব?

    চলেন দুইজনে মিলে যাই।

    আতাহার মেয়েটির বিশেষত্বগুলি ধরার চেষ্টা করছে। চোখে পড়ার মত বিশেষত্ব থাকতেই হবে। সাজ্জাদের মত ছেলে কোন কারণ ছাড়া হুট করে মেয়েটাকে চিড়িয়াখানা দেখানোর জন্যে ব্যস্ত হয়ে যাবে, তা হয় না। অনেক উদ্ভট উদ্ভট কাণ্ড সে করে, তবে তার প্রতিটি উদ্ভট কাণ্ডের পেছনে ভাল লজিক থাকে। এই মেয়েটির ক্ষেত্রেও আছে, তবে তা আতাহারের চোখে ধরা পড়ছে না। কণাকে আর দশটা সাধারণ মেয়ের মতই লাগছে। তবে কথাবার্তা বলছে সহজ ভঙ্গিতে। অচেনা পুরুষের সঙ্গে কথা বলার আড়ষ্টতা তার মধ্যে নেই। না থাকারই কথা। যে শিল্পীর সামনে মডেল হয়ে পোজ দেয় সে অচেনা পুরুষের সামনে লজ্জায় জড়সড় হবে না, এটাই স্বাভাবিক।

    কণার স্বামী থলথলে ধরনের বেঁটে একজন মানুষ। কয়েক রাত ঘুম না হলে চোখে যে ঘোর ঘোর ভাব চলে আসে তার চোখেও তাই চলে এসেছে। মনে হচ্ছে সুযোগ-সুবিধা মত অযুদ্ধ বিক্রি করতে করতে সে খানিকটা ঘুমিয়ে নেবে। চিড়িয়াখানায় যাবার প্রস্তাবে সে বিস্মিত হল না। হাই তুলতে তুলতে বলল, কাজকর্ম ফেলে চিড়িয়াখানা কি? ছুটির দিনে আসেন। শুক্রবার দোকান একবেল ছুটি থাকে। শুক্রবার সকালে আসেন।

    আতাহার অত্যন্ত আনন্দিত হবার ভঙ্গিতে হেসে বলল, জ্বি আচ্ছা।

    এই শুক্রবার না, তার পরের শুক্রবারে আসেন। এই শুক্রবারে কাজ আছে।

    জ্বি আচ্ছা। কণা-সমস্যার সমাধান হবার পর আতাহার স্বস্তির একটা নিঃশ্বাস ফেলল। মানুষ

    খোঁজার ঝামেলা থেকে আপাতত মুক্তি পাওয়া গেছে। সাজ্জাদ জিজ্ঞেস করলে সে এখন বলতে পারবে–কণাকে পাওয়া গেছে। এতে সাজ্জাদের আগ্রহও খানিকটা কমে যাবার কথা। পাওয়া না গেলেই আগ্রহ বাড়তে থাকে–একবার পাওয়া গেলে আগ্রহ কমে যায়।

    মডার্ন ফার্মেসি থেকে বের হয়েই আতাহার কণার দিকে তাকিয়ে বলল, আমি তাহলে যাই।

    কণা হাসিমুখে বলল, জ্বি আচ্ছা।

    এই শুক্রবারের পরের শুক্রবার গাড়ি নিয়ে চলে আসব।

    ইনশাল্লাহ বলেন। ইনশাল্লাহ না বললে একটা বেড়াছেড়া হয়।

    ইনশাল্লাহ।

    কণা বলল, আমি একটা পান খাব। মিষ্টি পান। রাস্তার মোড়ে পান সিগারেটের দোকান।

    আতাহার কণাকে মিষ্টি পান। কিনে দিল। এবং মনে মনে স্বীকার করতে বাধ্য হল মেয়েটি স্মাটা। আতাহার বলল, আমি আমার বাড়ির ঠিকানা তোমাকে লিখে দিয়ে যাচ্ছি। যদি তোমরা অন্য কোথাও চলে যাও আমাকে জানিও।

    কণা হাসিমুখে বলল, জ্বি আচ্ছা। বলেই সে ঠোঁট গোল করে ফুটপাতে লাল পানের পিক ফেলল। আগের চেয়ে অনেক বেশি হাসিখুশি গলায় সে বলল, ভাইজান, প্রথম আপনি আমারে আপনে কইরা বলতেছিলেন। এখন তুমি বলতেছেন। কারণটা কি?

    আতাহার হকচকিয়ে গেল। কারণ, কেন সে তুমি বলা শুরু করেছে সে নিজেও জানে না। কণা হাসছে। আতাহারের হকচকানোয় মনে হয় সে খুব মজা পাচ্ছে। কণা আবারো রাস্তায় পিচ করে পিক ফেলল। অতহারের মনে হল, মেয়েদের পান খেয়ে রাস্তায় পিক ফেলার দৃশ্যটাও তো সুন্দর। খুব সুন্দর। আমরা কখনো তুচ্ছ ব্যাপারগুলি লক্ষ্য করি না। বিভূতিভূষণ কিংবা মাণিকবাবু কি তাদের কোন গ্রন্থে লিখে গেছেন, জগতের সুন্দরতম দৃশ্যের একটি হচ্ছে রাস্তায় মেয়েদের পানের পিক ফেলা?

    কণা, আমি যাই?

    কই যাইবেন?

    যাবার অনেক জায়গা আছে। কোন এক জায়গায় চলে যাব।

    আতাহার বাস স্ট্যান্ডের দিকে এগুচ্ছে। তার পেছনে পেছনে আসছে কণা। সে মনে হচ্ছে তাকে বাস পর্যন্ত এগিয়ে দেবে। বাস না, শেষ পর্যন্ত আতাহার একটা রিকশা নিল। দিনটা মেঘলা। মেঘলা দিনে ভালবাসার বাস বের হয়। কাজেই বাসের গাদাগাদি ভিড়ে এবং মানুষের গায়ের বিষাক্ত ঘামের গন্ধে দিনটা নষ্ট করা ঠিক না। রিকশাওয়ালা বলল, কই যাইবেন? আতাহার বলল, চল না দেখি। রিকশা চলছে–কণা হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে। মেঘলা দিনের রিকশাযাত্রায় কণার মত একটি মেয়ে পাশে থাকলে কেমন হত? দুজনে মিলে আকাশ দেখতে দেখতে যাওয়া যেত। এখন পর্যন্ত আতাহার কোন তরুণীকে পাশে বসিয়ে আকাশ দেখেনি।

    ময়না ভাই আতাহারকে দেখে গম্ভীর গলায় বললেন, তোকে বলেছিলাম না। আঠারো তারিখ টকা নিয়ে আসতে? এসেছিলি?

    না।

    না কেন?

    সামান্য দুই লাখ টাকা জোগাড় হল না?

    দুই লাখ টাকা সামান্য না। আমার কাছে না।

    টাকা জোগাড় করতে পারবি না। আগে বললি না কেন?

    আগে ভেবেছিলাম পারব। বড় আপার ফ্ল্যাট বিক্রি হবে, সেখান থেকে ধার নেব। ফ্ল্যাট এখনো বিক্রি হয়নি।

    তোর আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব এমন কেউ ছিল না যে টাকাটা ধার হিসেবে দিতে পারে?

    কিন্তু কি?

    সাজ্জাদ দিতে পারত…কিন্তু…

    কিন্তু কি?

    আতাহার হাসল। ময়না ভাই রাগী গলায় বললেন, হাসবি না। খবদার, হাসবি না। তোর হাসি দেখে আমার মাথায় রক্ত উঠে যাচ্ছে। তোকে আমি স্নেহ করি। আমি তোর একটা উপকার করতে চেয়েছিলাম। টাকা জোগাড় হচ্ছিল না–আমাকে তো এসে বলবি। একটা কিছু ব্যবস্থা করতাম।

    জাপানের ভিসা কি হয়েছে?

    অবশ্যই হয়েছে। ময়না মিয়া কাচা কাজ করে না। সাতটা ছেলের গতি করে দিয়েছি, শুধু তোর কিছু করতে পারলাম না। আফসোস! বড়ই আফসোস! চা—নাশতা কিছু খাবি?

    পানি খাব।

    পানি তো খাবি। তুই কপাল করে এসেছিস পানি খাবার। আমি খুব কম মানুষকে স্নেহ করি। তুই সেই কম মানুষগুলির একজন। সিনসিয়ারলি তোর একটা উপকার করতে চেয়েছিলাম…।

    ময়না ভাই বিরক্ত মুখে সিগারেট ধরলেন। আতাহার পানির জন্যে অপেক্ষা করতে লাগল। ময়না ভাই নিউ মুভিজ অফিসের ম্যানেজারের ঘরে বসে আছেন। বসার ভঙ্গি অ্যাগের মত। টেবিলের উপর পা তোলা। তার প্যায়ে লাল মোজা। মোজা এক জায়গায় ছেড়া। সেই ছেড়া দিয়ে তার পায়ের বুড়ো আঙুল বের হেয়ে আছে। ময়না ভাই সেই আঙুল আবার একটু পর পর নাড়াচ্ছেন।

    আতাহার?

    জ্বি।

    ছবিতে অভিনয় করবি?

    ছবিতে অভিনয়?

    হ্যাঁ। করলে বল, ব্যবস্থা করে দেই। তোর চেহারা সুন্দর আছে। চোখের এক্সপ্রেশনও ভাল। শুধু দাড়ি-টারি চেছে ফেলতে হবে। ডাইরেক্টর মনসুর আলি আমার বন্ধু মানুষ। নতুন নায়ক খুঁজছে। তুই চাইলে তোকে ওর কাছে নিয়ে যেতে পারি। ফার্স্ট ছবি হিট করলে–ধাই ধাই করে উঠে যাবি। নায়িকাদের কোলে হাত রেখে এসি দেয়া ঠাণ্ডা গাড়িতে ঘুরতে পারবি।

    ছবির নাম কি?

    ছবির নাম দিয়ে তোর দরকার কি? কমাশিয়াল ছবির নাম-কাহিনীতে কিছুই যায় আসে না। তোর ইচ্ছা আছে কিনা বল। আমি মনসুর আলিকে বললে ও আমার কথা ফেলবে না। ওর লেজ আমার কাছে বাধা। ভেবে দেখা করবি কিনা।

    করব।

    গুড। জীবন সম্পর্কে তোর তাহলে পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি আছে। অধিকাংশ সময় তোর বয়েসী যুবকরা হতাশায় ড়ুবে যায়। ফেনসিভিল খাওয়া শুরু করে। তোর এইসব অভ্যাস নেই তো?

    না।

    একসেলেন্ট। যে দেশের তরুণ সমাজ কফ, সিরাপ খেয়ে নেশা করে সেই দেশের ভবিষ্যৎ কি? ভবিষ্যৎ হচ্ছে–খ্যক খ্যক করে কাশা। বুঝলি, তোদের সোনার বাংলার ভবিষ্যৎ হচ্ছে খ্যক খ্যক করে কাশা।

    পিওন পানি এনেছে। অফিসে মনে হচ্ছে পানি খাওয়ার গ্রাস নেই। চায়ের কাপে করে পানি এনেছে। এক কাপ পানি খেয়ে আতাহারের তৃষ্ণা বেড়ে গেল। দ্বিতীয় কাপ পানির জন্যে বলতে ইচ্ছা করছে না। পিওনের হাবভাব ভাল না। সে তাকাচ্ছে কঠিন দৃষ্টিতে।

    ময়না ভাই চেয়ার থেকে পা নামিয়েছেন। পকেট থেকে নোটবই বের করেছেন। নোটবই ভর্তি দুনিয়ার মানুষের টেলিফোন। মনসুর আলির টেলিফোন নাম্বার বের করতে সময় লাগল। তিনি গম্ভীর গলায় বললেন, ম্যানেজার, দেখি মনসুরকে টেলিফোনে ধর। প্রথমে এই নাস্বারটা ট্রাই কর। এখানে না পেলে পোজার লাগাও। তিনি আতাহারের দিকে, তাকিয়ে বললেন, তোর কাজ নেই তো? বোস আরাম করে। যা করার আজকের মধ্যেই করতে হবে। কাল সারাদিন ব্যস্ত থাকব। পরশু যাচ্ছি জাপান।

    আতাহার ধৈর্য ধরে বসে রইল। ময়না ভাই অনেক চেষ্টা করে ও মনসুর আলিকে ধরতে পারলেন না।

     

    বর্ষা মনে হয় এ বছর আগে আগে চলে এসেছে। দুপুর থেকে ঝুম বৃষ্টি। এ রকম বৃষ্টিকেই ইংরেজিতে হয়ত বলে ক্যাটস এন্ড ডগস। তবে আজ বৃষ্টি যা নেমেছে তাকে ক্যাটস এন্ড ডগস বলা ঠিক হবে না। একে বলা উচিত হস এন্ড এলিফেন্ট।

    এ রকম বৃষ্টি দেখতে হলে হয় বৃষ্টিতে ভিজতে হয় কিংবা নিজের ঘরের বিছানায় কাথামুড়ি দিয়ে বসে জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকতে হয়। মাঝামাঝি কোন পথ নেই। আতাহার তার বাসার খুব কাছাকাছি আছে! হেঁটে যেতে পাঁচ মিনিট লাগবে। বৃষ্টিতে হেটে যাওয়ার প্রশ্ন ওঠে না। তাকে যেতে হবে দৌড়ে–দুমিনিটের বেশি লাগবে না। কেন জানি যেতে ইচ্ছা করছে না। সে মমতা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে বসে আছে। ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে একগাদা মানুষ। এরা বৃষ্টি দেখে দোকানে আশ্ৰয় নিয়েছে। তারা বৃষ্টি দেখছে ভয়াবহ বিতৃষ্ণা নিয়ে।

    আতাহার, মমতা জেনারেল স্টোরের মালিকের ভাগ্নেকে বলল (সে এই স্টোরের ক্যাশিয়ার। আতাহারের সঙ্গে তার ভাল খাতির আছে। শুধু যখন আতাহার টেলিফোন করতে চায় তখন তার চোখ-মুখ শক্ত হয়ে যায়), মোবারক, একটা টেলিফোন করব।

    মোবারক বিরক্ত মুখে টেলিফোন সেট বের করল। টেলিফোনের তালা খোলার চাবি বের করল।

    আতাহার ঢাকা শহরে মাত্র একজনের টেলিফোন নাম্বারই জানে, সাজ্জাদের নাম্বার। এই নাম্পবারে আতাহার পারতপক্ষে টেলিফোন করে না। কারণ টেলিফোনটা হোসেন সাহেবের ঘরে। রিং বাজামাত্রই তিনি টেলিফোন ধরেন এবং অতি মধুর গলায় বলেন, হ্যালো। কে কথা বলছেন? কথা যিনিই বলুন তিনি পীয়তাল্লিশ মিনিটের আগে টেলিফোন ছাড়েন না। আতাহার এখন আর রিস্ক নেয় না। হোসেন সাহেবের গলা শোনামাত্র খািট করে রিসিভার নামিয়ে রাখে। আজও সে ধরেই নিয়েছিল হোসেন সাহেব টেলিফোন ধরবেন। তাকে বিস্মিত করে দিয়ে টেলিফোন ধরল। নীত্। আতাহার খুশি খুশি গলায় বলল, তোদের ওখানে বৃষ্টি হচ্ছে নাকি রে নীতু?

    নীতু বলল, হচ্ছে।

    এ রকম শুকনো গলায় হচ্ছে বললি কেন? তোর গলা শুনে মনে হচ্ছে বৃষ্টি হওয়াটা খুব খারাপ। গলায় আনন্দ নেই কেন?

    আমি তো আর ব্যাঙ না যে বৃষ্টি হলেই আনন্দে লাফাব।

    গলার স্বরটা তো ব্যাঙের মতই লাগছে! সর্দি বাঁধিয়েছিস?

    নীতু কঠিন গলায় বলল, আপনি কি ভাইয়ার সঙ্গে কথা বলবেন?

    হ্যাঁ।

    ধরে থাকুন, ভাইয়াকে দিচ্ছি।

    এ রকম বৃষ্টিতে সে ঘরে বসে আছে? বৃষ্টিতে ভিজছে না? আশ্চর্য তো। আপনি ধরে থাকুন।

    তুই যা, খবর দে। আমি ধরে আছি। আমার কোন কাজকর্ম নেই। প্রয়োজনে আমি অনন্তকাল টেলিফোন ধরে বসে থাকতে পারি।

    আতাহারকে বেশিক্ষণ বসে থাকতে হল না। সাজ্জাদ এসে টেলিফোন ধরে বিরক্ত গলায় বলল, তোকে কতবার বলেছি কখনো আমাকে টেলিফোন করবি না। টেলিফোনে কথা বলতে আমার ভাল লাগে না। চট করে বল কি ব্যাপার?

    কণার ঠিকানা জোগাড় করেছি। এই শুক্রবারের পরের শুক্রবার তাকে চিড়িয়াখানা দেখাতে নিয়ে যাব।

    আর কিছু বলবি?

    সুবর্ণ বের হয়েছে।

    তোর কবিতা ছাপা হয়নি?

    না।

    গু-চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। গু-চিকিৎসা ছাড়া কাজ হবে না। মেথরূপটিতে গিয়ে আমি ব্যবস্থা করব। তুই কি আর কিছু বলবি?

    না।

    কণা মেয়েটিকে কেমন দেখলি?

    চমৎকার। বুঝতে পারছি না কি জন্যে চমৎকার লাগল। পান খেয়ে রাস্তায় পিক ফেলছিল–এই দৃশ্য দেখে হঠাৎ মনে হল মেয়েটা চমৎকার।

    তুই ঠিকই ধরেছিস। মেয়েটার মধ্যে সহজ একটা ব্যাপার আছে। জলের মত সহজ। এ হল সহজিয়া নারীগোত্রের একজন। সচরাচর দেখা যায় না বলেই তোর ভাল লাগছে। যাই হোক, আমি এখন আর কথা বলব না। ছাদে গিয়ে বৃষ্টিতে ভিজব। নে, তুই বাবার সঙ্গে কথা বল। বাবা তোর সঙ্গে কথা বলার জন্যে পাশে দাঁড়িয়ে আছেন।

    আতাহার টেলিফোন রিসিভার হাতে নিয়ে আতংকে প্রায় জমে গেল। মনে হচ্ছে এই মুহুতে তার ছোটখাট কোন স্ট্রোকের মত হচ্ছে।

    কে, আতাহার?

    জ্বি, চাচা?

    তুমি কেমন আছ?

    জ্বি, ভাল আছি।

    অনেক দিন তোমাকে দেখি না।

    পরশু দিনই আপনার সঙ্গে দেখা হয়েছে। দুই ঘণ্টার মত কথা হল। খুনের মামলা নিয়ে কথা বলছিলেন।

    ও হ্যাঁ, জামশেদ ভার্সাস স্টেট। অসাধারণ একটা মামলা। আইনের ইতিহাসে স্বণাক্ষরে লেখা থাকবে।

    জ্বি জ্বি।

    আতাহার, তুমি কি আগামীকাল কিংবা পরশু একটু আসতে পারবে?

    কেন বলুন তো চাচা?

    সজ্জিাদ এত বড় একটা চাকরি পেয়েছে সেলিব্রেট করবো বলে ভাবছি। কোন একটা ভাল হোটেলে গিয়ে সামান্য খাওয়া-দাওয়া

    সজিদ চাকরি পেয়েছে নাকি?

    তুমি জান না?

    জ্বি না।

    তুমি হচ্ছে তার বেস্ট ফ্রেন্ড, আর তুমি জান না? আশ্চর্য! আবশ্যি আশ্চর্য হবার কিছু নেই। ওর স্বভাবটি এই রকম। আমিই কিছু জানতাম না। বিদ্যুৎ এবং জ্বালানীমন্ত্রী টেলিফোন করায় জানলাম। সাজ্জাদ অবশ্যি একমাস আগেই এপিয়েন্টমেন্ট লেটার পেয়েছে। চাকরিতে জয়েনও করেনি, আমাকেও কিছু জানায়নি।

    এখন কি চাকরিতে জয়েন করবে?

    করবে তো বটেই। না করে পথ কি? কিছু একটা করে তো খেতে হবে। বৃষ্টিতে ভিজা আর জোছনা গায়ে মেখে বেড়ালে তো হবে না–তাই না?

    জ্বি, তা তো বটেই।

    সাজ্জাদ-নীতু দুজনের ব্যবস্থা করে ফেলতে পারলে আমি নিশ্চিন্ত হতে পারি। শরীরের অবস্থা তো ভাল না। হাটের উপর দিয়ে একটা ঝড় গিয়েছে। দ্বিতীয়বার সামলাতে পারব বলে মনে হয় না। ঠিক বলছি না?

    জ্বি।

    সাজ্জাদের তো একটা গতি হল। বাকি আছে নীতু। ওর বিয়ের কথাবার্তা চালাচ্ছি।

    বাচ্চা মেয়ে, এখনি কিসের বিয়ে?

    বাচ্চা কোথায়? এই ডিসেম্বরে কুড়ি হবে। নীতুর মাকে আমি যখন বিয়ে করি তখন নীতুর মার বয়স ছিল বিলো সেভেনটিন।

    দিন বদলাচ্ছে।

    এই তো আতাহার তুমি ভুল বললে। দিন ঠিকই আছে, মানুষ বদলাচ্ছে। সেই বদলানোটা কি ঠিক তা বিচারের সময় এসে গেছে। নীতু কিছুতেই বিয়েতে রাজি না–এইসব যুক্তি দিয়ে তাকে বুঝিয়েছি।

    এখন কি সে রাজি?

    তাই তো মনে হয়। একটা ছেলে পাওয়া গেছে। আমাদের দূর সম্পর্কের আত্মীয়। ছেলে ভাল, সারাজীবন ফার্স্ট-সেকেন্ড হয়েছে। দরিদ্র ফ্যামিলির ছেলে, টাকা পয়সার লোভে রাজি হয়েছে বলে আমার ধরাণ–নীতু দেখতে তো আবার তেমন ইয়ে না। আমার মত হয়েছে। ওর মার মত হলে কোন চিন্তা ছিল না। নীতুর মার চেহারা পেয়েছে সাজ্জাদ।

    রিসিভার ধরে রাখতে রাখতে আতাহারের হাত ব্যথা করছে। এ কি যন্ত্রণার মধ্যে পড়া গেল–টেলিফোনের এই দীর্ঘ কথাবার্তা মনে হচ্ছে অনন্তকাল ধরে চলবে। শেষ বিচারের আগে ইস্রাফিল যখন শিঙ্গা ফুকবে তখনই শুধু হোসেন সাহেব বলবেন, আতাহার, একটু ধর তো কে যেন বিকট শব্দে বাঁশি বাজাচ্ছে–ব্যাপারটা কি দেখে আসি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকোথাও কেউ নেই – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article একজন মায়াবতী – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }