Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কবি – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প382 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৪. লীলাবতীদের বাড়ি

    লীলাবতীদের বাড়ি ওয়ারীতে। বাড়ি না বলে দুর্গ বললেও খুব ভুল হবে না। জেলখানার মত উঁচু পাচিলে বাড়ি ঘেরা। গেট নিশ্চিছন্দ্ৰ লোহার। ফাঁক-ফোকর নেই যে ভেতরের কোন দৃশ্য হঠাৎ চোখে পড়বে। এই জাতীয় বাড়ির ভেতরটা সাধারণত অন্য রকম হয়ে থাকে। গেট পেরিয়ে ভেতরে পা দিলেই আধুনিক কেতার বাংলো টাইপ বাড়ি দেখা যায়। লীলাবতীদের বাড়ি সে রকম নয়। নোনা ও শ্যাওলা ধরা পঁচিলের মত বাড়িটাও নোনা ও শ্যাওলা ধরা। ফরিদার মা জাহানারা গত দশ বছর ধরে এই বাড়ি ভেঙে নতুন বাড়ি করার পরিকল্পনা করছেন। জাহানারা এমন এক মহিলা যিনি তার সমস্ত প্রতিভা শুধুমাত্র পরিকল্পনাতেই ব্যয় করেন। অর্থ-বিত্তহীন মানুষদের প্রধান বিলাস পরিকল্পনা। জাহানারা বেগমের অর্থবিত্ত দুটাই আছে। বেশি পরিমাণেই আছে। জাহানারার স্বামী ওয়াকিল আহমেদ অর্থ ও বিত্ত দুটোই প্রচুর পরিমাণে রেখে মারা গেছেন। জাহানারা সেই সঞ্চিত অর্থ কিছুই খরচ করতে পারেননি।

    মেয়েকে নিয়ে সারা পৃথিবী ঘুরে বেড়াবেন এই জাতীয় পরিকল্পনা তাঁর ছিল। এখনো আছে–সেই পরিকল্পনাও বাস্তবায়িত হয়নি।

    আজ লীলাবতীর ১৮তম জন্মদিন।

    এই জন্মদিন তিনি কিভাবে পালন করবেন তা নিয়ে গত তিনমাস ধরে চিন্তা করেছেন। একটি মেয়ের ১৮তম জন্মদিন খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারটি ঠিকঠাকমত হোক তিনি মনে-প্ৰাণে তা চেয়েছিলেন। বয়স ১৮ হয়েছে। লীলাবতী ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে পারবে–কাজেই তিনি ভেবেছিলেন মেয়েকে ছোট্ট একটা গাড়ি কিনে দেবেন। সেই গাড়ি শেষ পর্যন্ত কেনা হয়নি। তাঁর রঙ পছন্দ হয়নি। তাঁর পছন্দ লাল রঙ। সেই লাল–রঙের লাল না। সূর্য ডোবার পরে পরে আকাশে যে লাল রঙ দেখা যায়। সেই রঙ। তেমন পাওয়া যায়নি। কোন লাল রঙ তার চোখে লাগল না।

    জন্মদিনে বাড়ির ছাদে একটা গানের আসর করবেন–এই পরিকলল্পনাও ছিল। কয়েকজন গায়িকার সঙ্গে যোগাযোগও করেছিলেন। তিনজনের একটা তালিকা করেছিলেন। যেহেতু একক গানের অনুষ্ঠান সেহেতু তিনজনের ভেতর কাকে বলবেন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সেটা ঠিক করতে পারলেন না। জন্মদিনের অনুষ্ঠান অবশ্যি তার পরেও ভালমত হয়েছে। লীলাবতীর বন্ধুবান্ধবরা ঝাক বেঁধে এসেছে। জাহানারা কখনো কোন অনুষ্ঠানে তার বা তার শ্বশুরবাড়ির কাউকে আসতে বলেন না। তারপরেও অনেকে এসেছে। বাড়ির প্রধান দরজায় লাল-নীল ক্ৰীশমাস বাতি জ্বলছে–নিভাছে। লীলাবতী এই বাতি দেখে মার সঙ্গে খানিকক্ষণ রাগারগি করল। সে মাথা ঝাকিয়ে বলল, মা, আমার কি বিয়ে না-কি? বাতি-ফ্যাতি কেন?

    জাহানারা বিরক্ত গলায় বললেন, উৎসবে বাতি জ্বলে। এটা নতুন কিছু না। তুই ও রকম মাথা ঝাকিয়ে কথা বলবি না তো। অসহ্য লাগে।

    লীলাবতী বলল, (আবার মাথা ঝাকিয়ে–সে মাথা না বঁকিয়ে কথা বলতে পারে না)। আমার সব কিছুই তোমার অসহ্য লাগে?

    জাহানারার মুখে এসে গিয়েছিল বলেন–হ্যাঁ লাগে। শেষ মুহুর্তে নিজেকে সামলালেন। বললেন না। মেয়ের জন্মদিন। এই দিনে কঠিন কঠিন কথা না বলাই ভাল। তবে সত্যি কথা হচ্ছে লীলাবতীর বেশিরভাগ জিনিশই তার অসহ্য লাগছে। বিশেষ করে জন্মদিন উপলক্ষে যে পোশাকটা পরেছে–সেটা তো রীতিমত অশালীন।

    জাহানারা বললেন, তুই এটা কি পরেছিস?

    লীলাবতী বলল, রাজস্থানী একটা ড্রেস পরেছি মা।

    আজকের দিনে রাজস্থানী ড্রেস কেন? এটা কি রাজস্থান? তুই কি রাজস্থানের মরুভূমিতে বাস করছিস?

    হ্যাঁ–আমার কাছে বাড়িটাকে রাজস্থানের মরুভূমির মতই লাগছে মা।

    সুন্দর দেখে একটা শাড়ি পর। আঠারো বছরের জন্মদিনে সব মেয়েরা শাড়ি পরে। লীলাবতী বলল, আমি পরি না। আমি রাজস্থানী ড্রেস পরি। তা ছাড়া আজ আমি নাচব। শাড়ি পরে নাচব কিভাবে?

    জাহানারা মনে মনে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেললেন। তাঁর মনে হল, তার একচল্লিশ বছরের জীবনে তিনি যে কয়টা বড় ভুল করেছিলেন–তার মধ্যে একটা হচ্ছে মেয়েকে নাচ শেখানো। আট বছর বয়সে তিনি নিজে নাচের স্বকুলে ভর্তি করিয়ে দিলেন। সঙ্গে সঙ্গে

    লীলাবতীর বাবা ওয়াকিল আহমেদ সাহেব এক পর্যায়ে বিরক্ত হয়ে বললেন, দিনরাত বাসায় নূপূরের শব্দ, এইসব কি? নাচ হচ্ছে এক ধরনের লাফালাফি–এর মধ্যে শেখার কি আছে? শিখতে চাইলে গান শিখুক।

    জাহানারা বিরক্ত হয়ে বললেন, নাচ যদি লাফালাফি হয় তাহলে তো গানও চিৎকার। গান শিখে তাহলে লাভ কি?

    জাহানারা মেয়েকে গান শেখাননি–নাচই শিখিয়েছেন। এখন মনে হচ্ছে তিনি ভুল করেছেন। লীলাবতী হয়ছে দুর্বিনীত, অহংকারী ও জেদী। তার মাথায় কিছু একটা ঢুকলে তা আর বের হয় না। স্থায়ীভাবে বসে যায়। নাচ মেয়ের মাথায় বসে গেছে। এখন তাঁর মনে হয় কাঁটা দিয়ে মাথার ভেতর থেকে জিনিস তোলার ব্যবস্থা থাকলে তিনি তুলে ফেললেন।

    লীলাবতীর বন্ধুরা খুব হৈ-চৈ করছে। এদের মধ্যে একজন ম্যাজিশিয়ান আছে যে ম্যাজিক দেখাচ্ছে এবং যা দেখাচ্ছে তার রহস্যই বের হয়ে পড়ছে। তাতে দর্শকদের আনন্দের কোন ঘাটতি হচ্ছে না। দড়ি কাটা খেলার সময় ম্যাজিশিয়ান দড়ি এবং কাচি হাতে উঠে দাঁড়াতেই একজন বলল, দেখুন, আপনার হাতের তালুতে কি? ম্যাজিশিয়ান বলল, কেঁচি।

    হাত উপুড় করে দেখান। মনে হচ্ছে আরো কিছু আছে।

    আর কিছু নেই, শুধুই কেঁচি।

    দেখি না।

    না, দেখানো যাবে না।

    দেখাতে হবে।

    বাধ্য হয়ে ম্যাজিশিয়ান হাত উপুড় করল। দেখা গেল হাতের তালুতে দড়ির একটা ছোট্ট টুকরা লুকানো। চারদিকে আনন্দের বান ডেকে গেল। ম্যাজিকের কৌশল ধরা পড়ে যাচ্ছে এই আনন্দ ম্যাজিকের আনন্দের চেয়েও বেশি।

    জাহানারা বারবিকিউ তদারক করছেন। স্টেজ তৈরি হচ্ছে। বারবিকিউ-এর কয়লার আঁচ ঠিক আছে কি-না–— মাংস ঠিকমত ঝলসানো হচ্ছে কি-না। তিনি তাই দেখছেন। বার ঘণ্টা ধরে মাংস সিরকায় ড়ুবিয়ে রাখার কথা–তাঁর ধারণা, বাবুর্চি এই কাজটা করেনি। তিনি ভুরু কুঁচকে একটু পর পর আকাশের দিকে তাকাচ্ছেন। বৃষ্টি এখন বন্ধ হয়েছে, তবে আকাশে মেঘের যেমন আনাগোনা, আবারো শুরু হবে। চুলা নিয়ে হলঘরে চলে যেতে হবে। ঘরের ভেতর বারবাকিউ, এ রকম হ্যাস্যকর কথা কে কবে শুনেছে? গাড়ির হৰ্ণ শুনে তিনি বারান্দা থেকে গাড়ি-বারান্দায় নেমে এলেন। লীলাবতীর বন্ধুবান্ধব কে কে আসছে তিনি দেখে রাখতে চান। লীলাবতীর বন্ধুবান্ধবদের ধরণ পাল্টে যাচ্ছে। এইসব খেয়াল রাখা দরকার। অহংকারী, জেদী ও দুর্বিনীত মেয়েদের মা হওয়া

    গাড়ি থেকে সাজ্জাদ নোমছে। সাজ্জাদের সঙ্গের ছেলেটিকে তিনি চেনেন না। অপরিচিত যে কোন মানুষ দেখলে জাহানারার ভুরু কুঁচকে যায়–এবার কুচকালে না। সাজ্জাজের কোন বন্ধু হবে। এ বাড়ির দরজা সাজ্জাদের জন্যে যেমন খোলা–সাজ্জাদের বন্ধুর জন্যেও খোলা।

    সাজ্জাদ বলল, কেমন আছেন খালা?

    জাহানারা আনন্দিত গলায় বললেন, তুই কেমন আছিস?

    খুব ভাল আছি। আপনার কন্যার জন্মদিনে বন্ধু নিয়ে এসেছি–এর নাম আতাহার। বাংলাদেশের সবচে বড় কবি হবার মত প্রতিভা দিয়ে জন্মেছিল–প্রতিভা ঠিকমত কাজ করছে না বলে আজেবাজে জিনিশ লিখে বেড়াচ্ছে। আর আতাহার–এই অসম্ভব রূপবতী মহিলার নাম জাহানারা। আমার দূর সম্পর্কের খালা। তাঁর কন্যা বিখ্যাত নর্তকী লীলাবতী। মায়ের রূপ মেয়ে পুরোপুরি পায়নি, যা পেয়েছে তাও কম না।

    জাহানারা বললেন, তুই তো কখনো এক সঙ্গে এতগুলি কথা বলিস না। আজ বললি কি করে?

    সাজ্জাদ বলল, আজ গাঁজা খেয়ে এসেছি খালা।

    গাঁজা খেয়ে এসেছিস মানে?

    বিকট গন্ধ পাচ্ছেন না? এই গন্ধ বিখ্যাত গ্রাসের গন্ধ।

    জাহানারার মনটা খারাপ হয়ে গেল। এমন চমৎকার একটা ছেলের এই অদ্ভুত স্বভাব কেন? জন্মদিনের উৎসবে সে গাঁজা খেয়ে আসবে কেন? আর যদি আসেই—বলার দরকার কি?

    জাহানারা বললেন, জন্মদিনের খবর তোকে কে দিল?

    লীলাবতী কাল রাত দুটার সময় টেলিফোন করে জানিয়েছে। সে না-কি রাজস্থানী নাচ নাচবে। রাজস্থানী নাচ আবার কি কে জানে? কথকফথতের নাম শুনেছি।

    জাহানারার কাছে লীলাবতীর রাজস্থানী পোশাক পরে বসে থাকার কারণ স্পষ্ট হল। তবে মনে মনে এক ধরনের তীব্র আংশিকা বোধ করলনে। সাজ্জাদ চমৎকার ছেলে কিন্তু এই ছেলের কাছ থেকে দূরে থাকা সবচে মঙ্গল। এইসব ছেলেদের খুব কাছাকাছি যেতে নেই। এই তথ্য তিনি তার মেয়েকে দিতে চান। কিন্তু ভরসা পান না। সাজ্জাদের ব্যাপারে তার মেয়ের ভেতর এক ধরনের ঘোর কাজ করছে। এই ঘোর হঠাৎ করে কাটাতে গেলে সমস্যা হবে। বড় ধরনের সমস্যা হবে।

    জাহানারা বললেন, ভেতরে চলে যাও। লীলাবতী বন্ধুদের সঙ্গে ম্যাজিক দেখছে।

    ম্যাজিক হচ্ছে না-কি?

    হুঁ।

    ভালই হল, অনেকদিন ম্যাজিক দেখি না। খালা যাই তাহলে, ম্যাজিক দেখি গিয়ে।

    তারা যখন ভেতরে ঢুকল তখন ম্যাজিকপর্ব শেষ হয়েছে। একটা মেয়ে মূকাভিনয় জাতীয় কিছু করছে। নিশ্চয়ই খুব মজাদার কিছু কারণ সবাই খুব হাসছে। সাজ্জাদকে ঘরে ঢুকতে দেখে লীলাবতী ছুটে এল। মূকাভিনয় থেমে গেল। ছেলেমেয়েরা হাসি হঠাৎ বন্ধ করে দেয়ায় সাজ্জাদের নিজেরই খারাপ লাগছে। একটু পরে ঘরে ঢুকলেই হত।

    সাজ্জাদ বলল, তোমার জন্মদিনে এক বন্ধুকে নিয়ে এসেছি।

    লীলাবতী আতাহারের দিকে না তাকিয়েই বলল, ভাল করেছেন। আমি ভেবেছিলাম। আপনি আসবেন না।

    তুমি তো আসতে বললে?

    আমি তো অনেকবারই আসতে বলি, আপনি আসেন না। তারপরে একবার আমি নিজেই গেলাম। আপনি ঘরে থেকেও বলে পাঠালেন, বাসায় নেই–পার্কে বেড়াতে গেছেন।

    বুঝলে কি করে ঘরে ছিলাম?

    দারোয়ানকে জিজ্ঞেস করলাম, সে বলল, ভাইয়া ঘরে। আমি আপনাদের বসার ঘরে গিয়ে বসলাম, কাজের মেয়ে কিছুক্ষণ পরে এসে বলল, আপনি পাকে বেড়াতে গেছেন।

    সাজ্জাদ হেসে বলল, ঘরে বসে থেকেও অনেক সময় পাকে বেড়ানো যায়। আমার শরীরটা ঘরে ছিল–মন ছিল পার্কে। তুমি নিশ্চয়ই আমার শরীরের সঙ্গে দেখা করতে যাওনি। দেখা করতে গিয়েছিলে মনের সঙ্গে।

    লীলাবতী তাকিয়ে আছে। আতাহার লক্ষ্য করছে মেয়েটির চোখে পানি জমতে শুরু করেছে। চোখ পানিতে ভরে উঠতে শুরু করছে। কি আশ্চর্য সুন্দর দৃশ্য! সে অনেকবার ভেবেছে এই পৃথিবীর অপূর্ব কিছু দৃশ্যের সে একটা তালিকা করবে। যেমন–

    ১. গরমের দুপুরে মেঝেতে শুধুমাত্র একটা বালিশ পেতে তরুণী শুয়ে ঘুমুচ্ছে। তার মাথার উপর ফ্যান ঘুরছে। ফ্যানের হাওয়ায় মাথার কিছু চুল উড়ছে।

    ২. বাচ্চা একটা ছেলের হাত থেকে গ্যাস বেলুন ছুটে গেছে। বেলুনটা আকাশে উঠে যাচ্ছে। ছেলেটা হতভম্ব হয়ে বেলুনটার দিকে তাকিয়ে আছে। কান্ন। তার বুকের কাছে জমা হয়ে উঠেছে, এখনো গলার কাছে আসেনি।

    ৩. প্রেমিক-প্রেমিকা রিকশা করে যাচ্ছে। রিকশার হুড় খোলা। ছেলেটা ক্ৰমাগত বক বক করছে, হাত-পা নাড়ছে, মেয়েটা বসে আছে মাথা নিচু করে। তার ঠোঁটের কোণায় চাপা হাসি।

    ৪. বাচ্চা মেয়ে মায়ের হাইহিল। পরে হাঁটার চেষ্টা করছে। এঁকেবেঁকে যাচ্ছে।

    ৫. একটি তরুণীর চোখ ধীরে ধীরে পানিতে ভরে উঠছে। শেষ পর্যন্ত সে অবশ্যি কাঁদবে না। চোখের জল চোখেই শুকিয়ে ফেলবে।

    ৬. স্ত্রী রাতে স্বামীর জন্যে এক কাপ চা নিয়ে এসেছেন। স্বামী বিস্মিত হয়ে বললেন, চা চাইনি তো? তারপর–অতি আনন্দের সঙ্গে চায়ের কাপের জন্যে হাত বাড়ালেন।…

    লীলাবতীর চোখের কোণে জমে ওঠা অশ্রু গাড়িয়ে পড়ল না। চোখেই মিশে গেল। সে আতাহারের দিকে তাকিয়ে বলল, আপনি বসে বসে অরুর পেন্টোমাইম দেখুন, আমি সাজ্জাদ ভাইয়ের সঙ্গে দুটা কথা বলে আসি। অসম্ভব জরুরী।

    লীলাবতী সাজ্জাদকে তার নিজের ঘরে নিয়ে এসেছে। ঘরটা প্ৰকাণ্ড। এক কোণায় ছোট্ট খািট। জাহানারা তার ছোট্ট মেয়ের জন্যে অর্ডার দিয়ে ছোঢ় খাট বানিয়েছিলেন। সেই মেয়ে বড় হয়েছে। এই খাটে ঘুমুলে তার পা খানিকটা বের হয়ে থাকে। কিন্তু খাট লীলাবতী বদলাবে না, সে তার ছোট্ট খাটেই এখনো ঘুমায়। ঘরে পাশাপাশি দুটা সোফা। সাজ্জাদ সোফায় বসতে গেল। লীলাবতী বলল, আপনি খাটে বসুন। পা তুলে বসুন।

    কেন?

    কারণ আমি আপনাকে নাচ দেখাব। আপনি কখনো আমার নোচ দেখেননি। আজ দেখতে হবে। ঘরটা আমি নাচের জন্যে তৈরি করে রেখেছি।

    ভাল কথা। তোমার এই ঘরে সিগারেট খাওয়া যায়?

    যায়। তবে এখন খেতে পারবেন না। নাচ শেষ হোক, তারপর খাবেন। যতক্ষণ আমি নাচব, এক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে।

    এই রকম সব কঠিন শর্ত মেনে নাচ দেখাটার কি কোন প্রয়োজন আছে?

    হ্যাঁ আছে। আমার অনেক দিনের শখ আপনাকে নাচ দেখাব। কাজেই আপনাকে দেখতে হবে। নাচটা আপনার জন্যে হয়ত জরুরী না, আমরা জন্যে জরুরী।

    কেন?

    আপনাকে আমি ঠিক বুঝতে পারব না কেন। নাচ হচ্ছে নিবেদন।

    সেই নিবেদন তো শরীরের নিবেদন। শরীরের নিবেদন কি স্থূল নিবেদন না?

    শরীরের নিবেদন কেন বলছেন? মনের নিবেদন বলতে অসুবিধা কি? মনটা চোখে দেখা যাচ্ছে না। শরীরের ছন্দে আমি প্রকাশ করছি আমার মন।

    তাও তো তুমি ঠিকমত প্রকাশ করতে পারছি না। তোমার শরীর তুমি ঢেকে রেখেছ কাপড়ে। ছন্দ ধরার জন্যে তোমার শরীর দেখতে হবে না?

    লীলাবতী হতভম্ব হয়ে বলল, আপনি কি বুঝতে পারছেন। আপনি খুব কুৎসিত কথে বলছেন?

    কুৎসিত কথা বলছি?

    হ্যাঁ।

    তাহলে সম্ভবত গাঁজা খেয়ে আসার কারণে বলছি। তোমার এখনো আসার আগে গাঁজা খেয়েছি। যাই হোক, দেখি তোমার নাচ।

    আপনাকে কিছু দেখতে হবে না। আপনি চলে যান।

    চলে যাব?

    অবশ্যই চলে যাবেন। আপনার বন্ধু থাকুক। আপনার জন্যে আপনার বন্ধুকে বাসা থেকে বের করে দেব তা ঠিক হবে না।

    লীলাবতী কাঁদছে। সাজ্জাদ সিগারেট টানতে টানতে বের হয়ে এল।

    আবার ঝেঁপে বৃষ্টি নেমেছে। জাহানারা বারবিকিউয়ার সরাতে ব্যস্ত। তিনি সাজ্জাদের চলে যাওয়া দেখলেন না।

    আতাহার মুগ্ধ হয়ে পেন্টোমাইম দেখছে। অরু মেয়েটা মূকাভিনয় এত সুন্দর করে! আগে সবাই হাসছিল। এখন কেউ হাসছে না। অরু মেয়েটি মূকাভিনয়ের মাধ্যমে একটি দুঃখী মেয়ের জীবন-কাহিনী দেখাচ্ছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকোথাও কেউ নেই – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article একজন মায়াবতী – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }