Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কবি – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প382 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৬. হোসেন সাহেব লক্ষ্য করেছেন

    হোসেন সাহেব লক্ষ্য করেছেন তিনি যখন খুব আনন্দে থাকেন তখনই বড় বড় নিরানন্দের ব্যাপারগুলি ঘটতে থাকে। মনে করা যাক, তিনি খুব আগ্রহের সঙ্গে তাঁর প্রিয় খাবার কই মাছের ঝোল খাচ্ছেন, হঠাৎ দেখা গেল ঝোলের ভেতর মরা একটা মাছি। মাছিটা শুরুতেই দেখেছিলেন, তখন ভেবেছেন পেয়াজের খোসা। শুরুতে পরীক্ষা করার প্রয়োজন বোধ করেননি। আরাম করে বেশ কিছুক্ষণ খাওয়ার পর হঠাৎ চামচ দিয়ে সেই পেয়াজের খোসা পাতে নিয়ে দেখবেন–হাত-পা কুকড়ে একটা মরা মাছি পড়ে আছে। এতক্ষণ তিনি তাড়িয়ে তাড়িয়ে মৃত মাছির রসমািখানো ঝোল খাচ্ছিলেন।

    সাজ্জাদের চাকরির পর তিনি মোটামুটি নিশ্চিন্ত হয়েছিলেন, পিতা হিসেবে তিনি তাঁর দায়িত্ব শেষ করেছেন। এখন সত্যিকার অবসর জীবন শুরু করতে পারেন, তখনই দেখলেন সাজ্জাদ অফিসে যাওয়া বন্ধ করেছে। এর মানে কি? তিনি ভেবেছেন ছুটি নিয়েছেন। শরীর খারাপ সেই জন্যে ছুটি। কারণ সাজ্জাদ এই কদিন ঘরেই আছে, কোথাও বের হচ্ছে না। শরীর খারাপ বলেই বের হচ্ছে না। ছেলেকে ডেকে জিজ্ঞেস করতে তাঁর ভয়ভয় লাগছে। জিজ্ঞেস করবেন, সে বলে দেবে, অফিস আর ভাল লাগছে। না বাবা। এরচে না জিজ্ঞেস করাই ভাল। নীতুকে জিজ্ঞেস করলেন, কি রে, সাজ্জাদ অফিসে যাচ্ছে না কেন?

    নীতু চোখ-মুখ শক্ত করে বলল, আমি কি জানি?

    তুই জিজ্ঞেস করিসনি?

    আমি কেন জিজ্ঞেস করব? তুমি জিজ্ঞেস কর।

    নীতু বেশ কিছুদিন থেকেই তার সঙ্গে ক্যাট ক্যাট করে কথা বলছে। তিনি বুঝতে পারছেন না–হঠাৎ করে তিনি কি সবার কাছে অপ্রিয় হয়ে গেলেন? সেদিন তথ্যমন্ত্রীর বাসায় গেলেন। তাঁর অনেক দিনের পরিচিত মানুষ। ভাবলেন, দেখা করা যাক। সেইজন্য সাক্ষাত। সাজ্জাদের চাকরির খবরটা দেবেন। নীতুর বিয়ে হচ্ছে সেই খবর দেবেন।

    তথ্যমন্ত্রীর বাড়িভতি মানুষ। সবাই দর্শনপ্রার্থী। মন্ত্রীর পিএ বলল, কি জন্যে দেখা করতে এসেছেন? নাম-ঠিকানা এইসব একটা কাগজ লিখুন।

    হোসেন সাহেব বললেন, কিছু লিখতে হবে না। তুমি গিয়ে বল, হোসেন আলি সাহেব এসেছেন। সেতাবগঞ্জের হোসেন আলি। আর কিছুই বলতে হবে না। নাম শুনলেই ছুঢ়তে ছুড়তে আসবে।

    আপনাকে একটু বসতে হবে। ভেতরে এখন ভিজিটার আছে।

    ঠিক আছে, বসলাম খানিকক্ষণ।

    আপনার কোন কার্ড থাকলে দিন। ভেতরে পাঠিয়ে দেই।

    আমার কোন কার্ড নেই। আমি তো আর ছুটকা-ফটিকা বিজনেস করি না যে কার্ড নিয়ে ঘুরব। হা হা হা।

    কার্ড আজকাল শুধু বিজনেসম্যানরাই রাখেন না–সবাই রাখেন।

    তুমি রাগ করছ নাকি বাবা? এম্নি বললাম, দেখি একটা কাগজ দাও, আমি নামঠিকানা লিখে দেই। কাগজটা দুলুর হাতে দেবে। ম্যাজিক দেখবে। তোমাদের মন্ত্রীর ডাকনাম দুলু। তোমরা বোধ হয় জান না।

    পিএ গম্ভীর মুখে কাগজ এনে দিল। হোসেন সাহেব সেই কাগজে লিখলেন–

    দুলু,
    কেমন আছিস?
    অনেক দিন খোঁজ নেই। খোঁজ নিতে এলাম।
    হোসেন আলি

    পিএ নিজেই কাগজ নিয়ে গেল। কিছুক্ষণের ভেতরই ফিরে এসে বলল, স্যার এখন খুব ব্যস্ত। আপনাকে কিছুদিন পরে আসতে বলেছেন।

    হোসেন সাহেব কল্পনাও করেননি। এ জাতীয় ব্যাপার ঘটতে পারে। দুলু কি তাকে চিনতে পারেনি? চিঠিতে তিনি অবশ্যি সেতাবগঞ্জ লিখেননি। তার প্রয়োজন বোধ করেননি। নাকি দুলু লেখায় সে রাগ করেছে? রাগ করার তো কথা না।

    হোসেন সাহেব লজ্জিত হয়ে বাসায় ফিরলেন। দুপুরে ভাত পর্যন্ত খেতে পারলেন না। ইদানীং তাঁকে ঘন ঘন লজ্জা পেতে হচ্ছে। সেদিন নীতুর কারণেও খুব লজ্জা পেলেন। যে ছেলেটির সঙ্গে নীতুর বিয়ে হচ্ছে তার কিছু ভাগ্নে-ভাগ্নি নীতুকে নিয়ে চায়নীজ খাবে। সব ঠিকঠাক করা আছে। হোসেন সাহেব নীতুকে টাকা দিয়ে দিলেন, খাওয়া-দাওয়ার পরে বিলটা যেন নীতু দেয়। নীতু টাকা নিল। বিকেলে সে হঠাৎ বলল, সে যাবে না। তার প্রচণ্ড মাথাধরা।

    হোসেন সাহেব বললেন, মাথাধরার দুটা ট্যাবলেট খেয়ে শুয়ে থোক। ব্যথা কমে যাবে। এখনো তো দেরি আছে। সাতটার সময় যাবি।

    নীতু কঠিন মুখে বলল, আমি যাব না। বাবা। তুমি ওদের টেলিফোন করে জানিয়ে পাওঁ।

    যাবি না কেন?

    বললাম না মাথাব্যথা। তুমি এক্ষুণি ওদের টেলিফোন করে দাও।

    টেলিফোনটা তুই কর। মাথাব্যথার ব্যাপারটা বুঝিয়ে বল।

    না, আমি করতে পারব না। তুমি কর।

    আমার করা কি ঠিক হবে?

    অবশ্যই ঠিক হবে।

    আমি টেলিফোন করলে ওরা নানানভাবে চাপাচাপি করতে থাকবে। তুমি করলে তোমাকে কিছু বলতে পারবে না।

    হোসেন সাহেব টেলিফোন করলেন। মাথাব্যথার কথাটা তিনি বলতে পারলেন না। মাথাব্যথা মেয়েদের সহজ এক্সকিউজ। মাথাব্যথার জন্যে কেউ কোন প্রোগ্রামে যেতে পারছে না শুনলেই মনে হয় মিথ্যা কথা। কাজেই তিনি বললেন, নীতু আজ দোতলা থেকে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় হঠাৎ পা মচকে পড়ে গেছে। পায়ে অসম্ভব ব্যথা। তিনি চিৎকার শুনে ভেবেছিলেন পা ভেঙেই গেছে। তবে আসলে ভাঙেনি। হলুদের পুলটিশ লাগিয়ে বিছানায় শুয়ে আছে। সে তো কোনক্রমেই চায়নীজে যেতে পারবে না।

    নীতুর কথাই ঠিক। ওরা আর চাপাচাপি করল না। তবে সন্ধ্যাবেল দল বেঁধে নীতুকে দেখতে চলে এল।

    তিনি তখন বারান্দায় বসেছিলেন আর নীতু বাগানে হাঁটাহাঁটি করছিল। কি ভয়ংকর লজ্জার কথা! সেই লজ্জা তিনগুণ বাড়িয়ে দিয়ে নীতু তাদের সঙ্গে চায়নীজ খেতে চলে গেল। একা একা বারান্দায় বসে থাকতে থাকতে তাঁর মনে হল–কিছু কিছু মানুষের বোধহয় জন্মই হয় লজ্জা পাবার জন্যে। সারাজীবনে তিনি কতবার লজ্জা পেয়েছেন তার তালিকা তৈরি করলে সেই তালিকার জন্যে দশ-বারো দিস্তা কাগজ লাগার কথা। এর মধ্যে রাশিচক্রের কোন ব্যাপার আছে কি? জন্মতারিখ অনুসারে তিনি মীন রাশির জাতক। এই রাশিতে যাদের জন্ম তারা কি ক্রমাগতই লজ্জা পায়? রাশিচক্রের কিছু বইপত্র এনে পড়তে হয়। খবরের কাগজে রোজদিনকার রাশিফল ছাপা হয় তিনি খুব আগ্রহ নিয়ে পড়েন। তিনি অবাক হয়ে লক্ষ্য করেছেন, ভাল ভাল কথা কোনটাই মিলে না। কিন্তু খারাপ কথা সবই মিলে। এও এক রহস্য। এই রহস্য নিয়ে আতাহারের সঙ্গে কথা বলা দরকার।

    আতাহারের সঙ্গে অনেকদিন হল বসা হচ্ছে না। বাবার মৃত্যুর পর সে এ বাড়িতে আসা কমিয়ে দিয়েছে। আর এলেও তার সঙ্গে দেখা হচ্ছে না। আতাহারকে সান্তুনা দিয়ে তিনি যেসব কথা বলবেন বলে ঠিক করে রেখেছিলেন তার কোনটিই এখনো বলা হয়নি। আত্যহারের জন্যে তিনি মৃত্যু-বিষয়ে বেশ পড়াশোনাও করেছেন। কোরআন শরীফ থেকে কিছু আয়াত টুকে রেখেছেন। সব গুছিয়ে বলতে হবে। মৃত্যুশোকে কাতর মানুষকে সান্ত্ৰনা দেয়া কঠিন কর্ম। কোরআন শরীফ থেকে তিনি রহস্যময় একটা আয়াত খুঁজে বের করেছেন। সবশেষে এই আয়াত নিয়েও কথাবার্তা বলা যাবে।

    তিনি ঠিক করেছেন, আতাহারকে নিয়ে বাগানে চলে যাবেন। গাছের নিচে বেতের চেয়ার নিয়ে দুজন মুখোমুখি বসবেন। তিনি বলবেন, আতাহার শোন, মৃত্যু সম্পর্কে আমাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থে অনেক কিছু আছে। তার ভেতর সবচে রহস্যময় কথাগুলি শোন। সূরা আল-যুকারে বিয়াল্লিশ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলছেন–

    মরণ এলে আল্লাহ প্ৰাণ নেন,
    যারা মারা যায় না তাদেরও, ওরা যখন ঘুমিয়ে থাকে।
    তারপর যার জন্যে মৃত্যু অবধারিত করেছেন, তিনি তার প্রাণ রেখে দেন।
    আর অপরদের এক নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ফিরিয়ে দেন।
    এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে।

    বুঝতে পারছি কিছু আতাহার–কি রহস্যময় কথা আল্লাহ পাক বলছেন। আল্লাহ যারা মারা যায় না। তাদের প্রাণও নেন যখন তারা ঘুমিয়ে থাকে। এর অর্থ কিছু বুঝতে পারছি? গভীরভাবে চিন্তা কর। গভীরভাবে চিন্তা করলেই দেখবে, সব পরিষ্কার হতে শুরু করেছে। এই জগৎ, এই সংসার যে কি বিশাল মায়া আতাহার–আমরা তা বুঝতে পারি না। বুঝতে পারি না বলেই প্রিয়জনদের মৃত্যুতে কাতর হই। ব্যথিত হই। বরং আমাদের উল্টোটা হওয়া উচিত। মৃত্যু প্রসঙ্গে মহামতি বালজাকের একটা কথাও আমার খুব প্রিয়। তিনি তাঁর বিখ্যাত Le Pere Goriot গ্রন্থে বলেছেন–মৃত্যু আছে বলেই জীবন সুন্দর। মৃত্যু না থাকলে জীবনের মত কুৎসিত আর কিছু হত না।

    আতাহারকে বলার জন্যে তিনি আরো অনেক তথ্য জোগাড় করে রেখেছেন। সে আসছে না। এই ছেলেটিকে তিনি অত্যন্ত পছন্দ করেন। তার দুঃসময়ে তিনি কিছু করতে পারছেন না, এটা দুঃখজনক ব্যাপার। তাঁর মনের খুবই গোপন বাসনা–নীত্র সঙ্গে আতাহারের বিয়ে হোক। একদিন তিনি স্বপ্নেও দেখেছেন। নীতুর বিয়ে হচ্ছে–বর আসতে দেরি করছে। সবাই চিন্তিত। গুজব শোনা যাচ্ছে–বর আসছে না। তিনি নিজে দুঃশ্চিন্তায় মারা যাচ্ছেন, এমন সময় আতাহারের সঙ্গে দেখা। সে লুঙ্গি এবং গেঞ্জি পরে বিয়ের গেট সাজাচ্ছে। তিনি আতাহারকে প্রচণ্ড ধমক দিলেন–এরকম শুভদিনে তুমি লুঙ্গি-গেঞ্জি পরে বসে আছ? তোমার কি স্বাভাবিক বৃদ্ধিও নেই? আতাহার বলল, চাচা, আমার পায়জামা-পাঞ্জাবি ইস্ত্রি করতে দিয়েছি, এখনো আসেনি। গেট সাজানোর কাজটা শেষ করেই আমি পায়জামা-পাঞ্জাবি পরব।

    তিনি আরো রেগে গিয়ে বললেন, তুমি গেট নিয়ে ব্যস্ত আর এদিকে শুনছি। বর আসছে না। মেয়েরা কান্নাকাটি করছে।

    আতাহার বিস্মিত হয়ে বলল, মেয়েরা কান্নকাটি করবে। কেন? আমিই তো কর। আমি আলাদা করে আসব কিভাবে? আমি তো এসেই আছি। এই সময় তীব্র ঘুম ভেঙে গেল। ঘুম ভাঙার পর তিনি বুঝলেন যে, তার গভীর আনন্দ হচ্ছে। আনন্দে তাঁর চোখ পর্যন্ত ভিজে গেল। আর তখনি তার মনে হল এই বিয়ে সম্ভব না। আতাহার নীতুকে ছোটবোনের মত দেখে। তুই—তোকারি করে। নীতু তাকে ঠিক পছন্দও করে না। সব সময় কঠিন কঠিন কথা বলছে। তিনি অনেকবার নীতুকে বলতে শুনেছেন, রোজ রোজ মানুষের বাড়িতে এসে নাশতা খেতে আপনার লজ্জা লাগে না? সকালবেল ভিখিরীর মত এসে বসে থাকেন। ওদের সঙ্গে আপনার তফাৎ একটাই–ওরা থালা হাতে আসে, আপনি থালা ছাড়া আসেন।

    যে ছেলের প্রতি নীতুর এরকম মনোভাব সেই ছেলের সঙ্গে বিয়ে হওয়া ঠিক না। স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের প্রতি শ্ৰদ্ধাবোধ থাকা দরকার। একজন আরেকজনকে শ্রদ্ধা করবে। তবেই না সংসার সুন্দর হবে। প্রথমে শ্রদ্ধা তারপর ভালবাসা।

    এখন যে ছেলেটির সঙ্গে নীতুর বিয়ে হচ্ছে তার প্রতি নীতুর শুদ্ধাবোধ কতটুক তিনি জানেন না। জানতে পারলে ভাল হত। এইসব বিষয় নিয়ে মেয়ের সঙ্গে কথা বলতে তার অস্বস্তি লাগে, তবু একদিন তিনি বলবেন। দীর্ঘ একটা বক্তৃতা দেবেন। তিনি এটা নিয়ে ভাবছেন। গভীরভাবেই স্বভাবছেন।

    হোসেন সাহেব বাগানে হাঁটছিলেন। ঘাসগুলি অনেক বড় বড় হয়েছে। কাটা দরকার। মালি বাগানের দেখাশোনা কিছুই করছে না। বর্ষাকালে নাকি বাগানে হাত দিতে নেই। সব গাছ যে রকম আছে সেরকম রেখে দিতে হয়। গাছকে বিরক্ত না করে বর্ষার পানি খাওয়াতে হয়। বাগানের কাজ বর্ষার শেষে। মালির কথা তিনি বিশ্বাস করবেন কি করবেন না বুঝতে পারছেন না। তার কথাবার্তা খুব বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হচ্ছে না–তবে কথা খুব জোরালোভাবে বলে। হোসেন সাহেব লক্ষ্য করলেন, সাজ্জাদ বেরুচ্ছে। সন্ধ্যাবেলায় ছেলেমেয়েদের ঘর থেকে বের হতে দেখলে ভাল লাগে না। সন্ধ্যা ঘরে ফেরার সময়, ঘর থেকে বেরুবার সময় না। সাজ্জাদ। বাবার দিকে তাকাল। হোসেন সাহেব হাসলেন। এত দূর থেকে সাজ্জাদ তার হাসি দেখবে না, তারপরেও অভ্যাসবশে হাসলেন–বুঝানোর চেষ্টা করলেন, আছি, আমি তোমাদের সঙ্গেই আছি। তোমাদের সুসময়ে এবং দুঃসময়ে আছি। হোসেন সাহেব মনে মনে আশা করছিলেন সাজ্জাদ তাকে একা বাগানে হাঁটতে দেখে এগিয়ে আসবে। দুজনে কিছু কথাবার্তা বলবেন। কথা অনেক বড় ব্যাপার–মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক তৈরি হয় কথায়। সাজ্জাদ গেটের কাছে চলে গিয়েছে। হোসেন সাহেবের ইচ্ছা করল গলা উচিয়ে ছেলেকে ডাকেন। সাজ্জাদ গেটের কাছে আরো কিছুক্ষণ থাকলে হয়ত ডাকতেন। সে গেট খুলে দ্রুত বের হয়ে গেল।

    নীতু বাসায় নেই। কোন এক বান্ধবীর জন্মদিনে নাকি গেছে। বান্ধবীর বাড়ি উত্তরায়। ফিরতে দেরি হবে। খুব বেশি দেরি হলে সে থেকে যাবে। কে জানে সাজ্জাদও হয়ত রাতে ফিরবে না। এতবড় বাড়িতে রাত কাটাতে হবে একা। আজকের দিনের রাশিফলে লিখেছিল, অপ্রত্যাশিত আনন্দের ঘটনা ঘটতে পারে। শরীরের প্রতি লক্ষ্য রাখুন। স্বাস্থ্যহানির সম্ভাবনা।

    অপ্রত্যাশিত আনন্দের কিছু এখনো ঘটেনি। সম্ভাবনা একেবারে যে শেষ হয়ে গেছে তা না। তিনি আতাহারকে আনার জন্যে গাড়ি পাঠিয়েছেন। বলে দিয়েছেন যত রােতই হোক গাড়ি আতাহারের জন্যে অপেক্ষা করবে। তাকে সাথে করে নিয়ে আসবে। অনেকদিন ছেলেটাকে দেখা যায় না। সে সন্ধ্যায় চলে এলে তাকে নিয়ে বাজারে যাবেন। নীতুর বিয়ের কার্ড পছন্দ করবেন। এবং আজ তিনি আতাহারকে দামী একটা পাঞ্জাবি কিনে দেবেন। ছেলেটার দুটা মাত্র পাঞ্জাবি।

     

    আতাহার বসে আছে মনসুর আলির বাড়ির বারান্দায়। তার সামনে চানাচুর এবং চা। চানাচুর দীর্ঘদিনের পুরানো, খেতে টক টক লাগছে। চায়ে চিনি-দুধের পরিমাণ বেশি, খেতে গরম লাচ্ছির মত লাগছে। আতাহার চানাচুর এবং চা। দুইই আগ্রহের সঙ্গে খাচ্ছে।

    মনসুর আলি বাড়িতে নেই–সেলুনে চুল কাটাতে গিয়েছেন। বাড়িতে খবর দিয়ে গিয়েছেন–আতাহার এলে যেন বসতে বলা হয়। আর মনসুর আলি তাকে নিয়ে চিত্রনায়িকা মৌ-এর এপার্টমেন্ট হাউসে যাবেন। মৌ আজ সন্ধ্যার পর যেতে বলেছেন।

    আতাহার ইস্ত্রি করা পায়জামা-পাঞ্জাবি পরে এসেছে। আসার আগে আয়নায় নিজেকে দেখেছে–নিজেকে নায়কের মতই লেগেছে। ভদ্র বিনয়ী মধ্যবিত্ত নায়ক এরকমই হওয়া উচিত। তবে জানি দুশমন ছবির নায়ক কেমন হওয়া উচিত কে জানে। নাম থেকে আন্দাজ করা যায় কংফু, কেরাতে পারদশী নায়ক। প্রয়োজনে সাব-মেশিনগান বের করে ট্যা ট্যা শব্দে গুলি চালাতে হবে। নায়িকাকে নিয়ে যখন-তখন পার্কে লুকোচুরি খেলতে খেলতে গান ধরতে হবে–

    ও আমার জন
    তোমাকে দেখে আমার উড়ে গেছে প্ৰাণ
    আ আ আ
    উ উ উ।

    এইসব জটিল প্রক্রিয়া শিখতে আতাহারের কোন আপত্তি নেই। বরং আগ্রহ আছে। সত্যি সত্যি ছবির জগতে নায়ক হয়ে গেলে কবিতা ছাপানো তার জন্যে সহজ হবে। কে জানে গনি সাহেব নিজেই হয়ত বাসায় চলে এসে বলবেন, এই যে নায়ক, বর্ষ শুরু সংখ্যার জন্যে কিছু দাও। বর্ষ শুরু সংখ্যায় তোমার কবিতা থাকবে না এটা কেমন কথা

    প্রচুর ইন্টারভ্যু তখন ছাপা হবে। প্রশ্ন কর্তারা বিচিত্র সব প্রশ্ন করবে। তাদের প্রশ্নের বিচিত্ৰ উত্তর দেয়া যাবে। সেই সব সাক্ষাতকার বিশাল ছবিসহ ছাপা হবে।

    প্রশ্ন : আতাহার ভাই, অভিনয় এবং কবিতা এই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন মাধ্যমে আপনি কাজ করছেন–আপনার অনুভতি কি?

    উত্তর : নিজেকে প্রথম শ্রেণীর গর্দভের মত লাগছে।

    প্রশ্ন : আপনার কথা ঠিক বুঝতে পারছি না–একটু কি ব্যাখ্যা করবেন?

    উত্তর : দুটি ভিন্ন মাধ্যমে কাজ করা মানে প্রচুর কাজ করা। প্রচণ্ড পরিশ্রম করা। গাধা। যা করে। সেই অর্থে বলেছি।

    প্রশ্ন : আপনার প্রথম কবিতা লেখার অনুভূতি এবং প্রথম অভিনয়ের অনুভূতি সম্পর্কে কি কিছু বলবেন?

    উত্তর : একটিতে পেয়েছি সৃষ্টির অনুভূতি, অন্যটি অনাসৃষ্টির অনুভূতি।

    প্রশ্ন : দয়া করে একটু যদি ব্যাখ্যা করেন।

    উত্তর : ব্যাখ্যা করতে পারছি না। আমার স্টুডিওতে যাবার সময় হয়ে গেছে। গাড়ি চলে এসেছে। অন্য একদিন আমার সেক্রেটারির সঙ্গে কথা বলে তারপর আসবেন। আমার ব্যস্ততা বুঝতেই পারছেন।

    প্রশ্ন : অবশ্যই বঝতে পারছি। আপনি হচ্ছেন বাংলাদেশের সবচে ব্যস্ত নায়ক। যাবার আগে আপনি কি দয়া করে নয়া চিত্র ভুবনের পাঠকপাঠিকাদের জন্যে কোন বাণী দেবেন?

    উত্তর : তোমরা ভাল হও। সুন্দর হও।

    প্রশ্ন : খুব সুন্দর বলেছেন আতাহার ভাই। একটু যদি কষ্ট করে লিখে দেন তাহলে অফসেটে প্রিন্ট করে ছাপিয়ে দেব। পাঠক-পাঠিকারা স্বচক্ষে আপনার হাতের লেখা দেখবে। এই একটা বাড়তি পাওনা।

     

    মনসুর আলি আতাহারকে সন্ধ্যা ছাঁটার আগেই আসতে বলেছেন। সে এসেছে সাড়ে পাঁচটায়। এখন প্রায় নটা বাজতে চলল। নাপিতকে দিয়ে তিনি যদি একটা একটা করে চুলও কাটান তাহলেও এত সময় লাগার কথা না। আতাহারকে দ্বিতীয় দফায় চা দেয়া হয়েছে। চায়ের সঙ্গে ক্রম বিসকিট। এবারের বিস্কিটগুলিও ভাল, চা-টাও ভাল। আরো ঘণ্টা দুই পরে যদি চা দেয় তাহলে দেখা যাবে সেই চা এর চেয়েও ভাল। চায়ের সঙ্গে নাশতাও ভাল।

    মনসুর আলি সাহেবের একতলা বাড়িটা মফঃস্বলের বাড়ির মত। চারদিকে ফাঁকা। মূল বাড়ি থেকে বারান্দা বড় হয়ে এসেছে। শুধু মফঃস্বলের বারান্দায় এত মশা থাকে না–এই বারান্দায় হাজারে-বিজারে মশা। মনে হয় কাছেই কোথাও মশার চাষ হচ্ছে। উন্নত মানের মশা। যাদের শরীর স্বাস্থ্য এবং কামড়াবার শক্তি সবই উন্নত মানের।

    বাড়ির ভেতর থেকে ন-দশ বছরের একটা ছেলে এসে বলল, চাচা, আপনি কি ভিতরে এসে বসবেন?

    আতাহার সঙ্গে সঙ্গে ভেতরে চলে এল। সে জানে মশারা এতে বিভ্রান্ত হবে না–তাকে খুঁজে বের করে ফেলবে। তবু এক জায়গায় আর কতক্ষণ বসে থাকা যায়। হাতপায়ে ঝি-ঝি ধরেছে। বসার ঘরে কিছু ম্যাগাজিন বা বই-টই থাকতে পারে। বইম্যাগাজিন পড়ে যদি সময় কিছুটা কাটে। আতাহার ঠিক করে রেখেছে সে ঠিক এগারোটা পর্যন্ত অপেক্ষা করবে, যাতে মনসুর আলি সাহেব পরবর্তী সময়ে তাকে বলতে না পারেন–আরে, তুমি হুট করে চলে যাবে? সামান্য দু-তিন মিনিট অপেক্ষা করতে পারলে না? তোমরা এত ব্যস্ত–ব্যস্ততার জন্যেই কিছু হয় না।

    মনসুর আলি সাহেব এলেন রাত দশটা কুড়ি মিনিটে। আতাহারকে বসে থাকতে দেখে তিনি অবাকও হলেন না, অস্বস্তিও বোধ করলেন না। স্বাভাবিক গলায় বললেন, আতাহার শোন–আমার সঙ্গে ম্যাডামের কথা হয়েছে। উনার বাড়ি থেকেই এখন আসছি। ম্যাডাম এই রোল নতুন কাউকে দিতে চন না। পুরানো কাউকে দিয়ে করাতে চান। উনার পছন্দের একজন আছে, বুঝতেই পারছি, ম্যাডামের কথামত কাজ করতে হবে। ময়না ভাইকে ব্যাপারটা বুঝিয়ে বলবে। উনি হয়ত মনে করছেন আমি কোন চেষ্টা করিনি। এটা ঠিক না, চেষ্টা করেছি। তবে তোমার কথা মনে থাকবে। তুমি তোমার ঠিকানা এবং টেলিফোন নাম্বার লিখে রেখে যাও। কোন ব্যবস্থা হলে খবর দেব।

    চা-টা কিছু খেয়েছ আতাহার?

    জ্বি।

    মনসুর আলি গলা উচিয়ে ডাকলেন, কুহু, একটা কাগজ আর কলম দাও।

    কুহু কাগজ আর বলপয়েন্ট দিয়ে গেল। সেই বলপয়েন্টে লেখা হয় না। আতাহার সেই কলমেই তার নাম-ঠিকানা লিখলা। কেউ পড়তে পারবে না। তাতে কি? তার লেখার কথা, সে লিখল। অদৃশ্য কালিতে নাম লিখে আতাহারের মনটা ভাল লাগছে। কেন লাগছে তা সে জানে না। সে হেঁটে হেঁটে রওনা হল হাসপাতালের দিকে।

    আশ্চর্য, পথে নামতেই আতাহারের মাথায় পঙতি ওড়াউড়ি করতে লাগল। এরকম তো কখনো হয় না।

    টেবিলের চারপাশে আমরা ছজন।
    চারজন চারদিকেল দুজন কোনাকুনি
    দাবার বোড়ের মত
    খেলা শুরু হলেই একজন আরেকজনকে খেয়ে ফেলতে উদ্যত।
    আমরা চারজন শান্ত, শুধু দুজন নিঃশ্বাস বন্ধ করে বসে আছে।
    তাদের স্নায়ু টানটান।
    বাড়ালের নখের মত তাদের হৃদয় থেকে
    বেরিয়ে আসবে তীক্ষ্ণ নখ।
    খেলা শুরু হতে দেরি হচ্ছে,
    আম্পায়ার এখনো আসেনি।
    খেলার সরঞ্জাম একটা ধবধবে সাদা পাতা
    আর একটা কলম।
    কলমটা মিউজিক্যাল পিলো হাতে হাতে ঘুরবে
    আমরা চারজন চারটে পদ লিখব।
    শুধু যে দুজন নখ বের করে কোনাকুনি বসে আছে
    তারা কিছু লিখবে না।
    তারা তাদের নখ ধারালো করবে
    লেখার মত সময় তাদের কোথায়?
    প্রথম কলম পেয়েছি আমি,
    আম্পায়ার এসে গেছেন।
    পিস্তল আকাশের দিকে তাক করে তিনি বললেন
    এ এক ভয়ংকর খেলা,
    কবিতার রাশান রোলেট–
    যিনি সবচে ভাল পদ লিখবেন
    তাকে তৎক্ষণাৎ মেরে ফেলা হবে।
    আমার হাতের কলম কম্পমান
    সবচে সুন্দর পদ এসে গেছে আমার মুঠোয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকোথাও কেউ নেই – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article একজন মায়াবতী – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }