Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কমলা কেমন আছে – গৌরকিশোর ঘোষ

    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী) এক পাতা গল্প156 Mins Read0
    ⤶

    বিকাশের সিদ্ধান্ত

    ট্রেন থেকে নেমে কমলা এক মহিলার সঙ্গে কথা বলতে বলতে ওভারব্রিজের গোড়ায় এসে থামল। মহিলার কোলের বাচ্চাটার গাল টিপে দিল।

    মহিলা বললেন, কী হল কমলি, থামলি যে।

    আমি উপর দিয়ে যাব।

    ও বাবা, অতটা উঠবি? আমি বাবা পারিনে। আয় না, লাইন টপকেই যাই। এখন তো আর ট্রেন নেই। নাকি কত্তার হুকুম?

    কত্তা?

    তুই ডুবে ডুবে জল খাস বলে কি তোর ধারণা শিবের বাবাও তা টের পায় না। আমি তো বাড়িতে পা দিয়েই শুনেছি যে তোর কত্তা তোর কাছে ফিরে এসেছে। তুই তাকে আঁচল চাপা দিয়ে ঢেকে রেখেছিস।

    তুই এলি কবে?

    এক মধ্যবয়সী ভদ্রলোক দুহাতে দুটো ভারী বোঝা নিয়ে হাঁসফাঁস করতে করতে ওদের পিছনে এসে দাঁড়ালেন।

    মহিলা বললেন, আমার কর্তা, কমলি। আর এ কমলা। ও আমার বিয়েতে ছিল না। ইস্কুলে এক সঙ্গে পড়েছি। আমার খুব বন্ধু। কতকাল বাদে দেখা। বাব্‌বা!

    ভদ্রলোক শশব্যস্তে কমলাকে নমস্কার জানাবার চেষ্টা করতে লাগলেন।

    কমলা তাকে নমস্কার করে বলল, থাক থাক, ওতেই হবে।

    এসেছি তো দু হপ্তা। ও আবার যাবে। তাই পরশু গিয়েছিলাম শ্বশুরবাড়ি। এই ফিরছি।

    তুই কি চলে যাবি নাকি?

    ওগো তুমি এগোও। আমি আসছি।

    ভদ্রলোক মুখে একটা হাসি টেনে ঘাড় নুইয়ে কমলাকে নমস্কার জানালেন। তারপর বোঝা দুটো টানতে টানতে চলে গেলেন।

    আমি পুজোর পর যাব। কতদিন বাপের বাড়ির পুজো দেখিনি। তুই আয় না একদিন। দিনরাত বরের মুখে মুখ ঠেকিয়ে পড়ে থেকে কী হবে?

    সেই সময় আর পাই কোথায়? সকাল-সন্ধে তো ডেলি প্যাসেঞ্জারিতেই কেটে যায়।

    কমলি শোন।

    মহিলা কমলার গা ঘেঁষে দাঁড়ালেন। কানে কানে কী বললেন। কমলার মুখ ঝপ করে লাল হয়ে গেল।

    মহিলা মুখ টিপে হাসতে হাসতে বললেন, ধরা পড়ে গেলি তো? বাবা, এ টুনি বামনির চোখ। পালাবি কোথায়? আসিস একদিন। চলি।

    কমলা ওভারব্রিজে উঠতে উঠতে টের পেতে লাগল যে টুনির কথা ওকে ক্ষণে ক্ষণে বেসামাল করে তুলছে। ওভারব্রিজের উপর উঠেই সে বিকাশকে ওদিকের প্ল্যাটফর্মের বেঞ্চিতে তার জন্য বসে থাকতে দেখল। সেই রকমই কথা ছিল তার সঙ্গে। আজ চুঁচড়ো কোর্টে গিয়েছিল বিকাশ উকিলের সঙ্গে ডাইভোর্স নেবার পরামর্শ করতে। টুনির কথায় কমলার যে অপ্রস্তুত ভাবটা হয়েছিল সেটা সামাল দিতে কমলা ওভারব্রিজের রেলিংয়ে ভর দিয়ে দাঁড়াল। কমলা দেখল, বিকাশ তাকে দেখতে পেয়েছে বেঞ্চিতে সে বসে আছে একা। কমলা ওখানে দাঁড়িয়ে অনেক দূর পর্যন্ত দেখতে পাচ্ছিল। একটা চিল অলস গতিতে তাদের ইস্কুলের দিকে চলে গেল। মাঠগুলো ধানে ভর্তি। ঐ দূরে এক সার ঘন গাছপালার সারির মধ্যে কয়েকটা দালানবাড়ি উকি মারছে। ওরই কোনও একটা তাদের কলেজ। ইস্কুল ডিঙিয়ে কলেজে পৌঁছুতে তাকে কি কম হুজ্জুতি পোয়াতে হয়েছিল। বাবা। টুনি কলেজে ভর্তি হল দেখে তবে ওর বাবা রাজি হলেন। তা টুনির তো ছ’মাসের মধ্যেই বিয়ে হয়ে গেল। টুনি সাইকেল করে ইস্কুলে যেত। কমলার সাইকেল কেনা নিয়েও কি কম হুজ্জুতি পোয়াতে হয়েছে তাকে। বাবা। কমলার জন্য উদ্বেগে বাবা সর্বদাই অস্থির হয়ে থাকতেন। মরলেনও সেই উদ্বেগ বুকে নিয়ে। তোর কী হবে কমলা? এই ছিল বাবার শেষ কথা। না, বাবার উপর আজ আর কোনও রাগ নেই কমলার। সুকুমারের উপরেও আজ আর তার কোনও রাগ বা বিদ্বেষ নেই। অন্তত কমলা সেটা বোধ করে না। কীভাবে সব ঘটে যায়!

    বাবা, এ টুনি বামনির চোখ! পালাবি কোথায়?

    তুমি আমার জন্য অনেক করেছ কমলা। আমাকে চলার শক্তি ফিরে দিয়েছ। আমাকে এক অসহায়ত্ব থেকে তুমি মুক্তি দিয়েছ। এক নতুন জীবনই দিয়েছ। এবার আমাকে তোমার ঋণ খানিকটা অন্তত শোধ করতে দাও।

    বিকাশ কাল কাতরভাবে বলেছিল। কমলা টের পাচ্ছিল ক’দিন ধরেই যে এক দারুণ যন্ত্রণায় ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাচ্ছে বিকাশ।

    আমার কাছে তোমার কোনও ঋণ নেই বিকাশ। তুমি একথা বিশ্বাস করো। আমি তোমাকে কিছু দিতে চাই কমলা! তুমি নেবে না?

    কী তুমি দিতে চাও বিকাশ?

    মুক্তি।

    মুক্তি? তার মানে?

    কমলা বিকাশের কথা শুনে একটু অবাকই হয়ে গিয়েছিল। একটা ট্রেন আসছে খুব দ্রুত। বড় একটা ডিজেল ইঞ্জিন মালগাড়িকে টেনে আনছে ঝড়ের গতিতে। গাঁ গাঁ আওয়াজ করে কমলাকে থরথর করে কাঁপিয়ে দিয়ে তার পায়ের নীচে দিয়ে ঝড়ের গতিতে ছুটে চলে গেল মালগাড়িটা। বিকাশ তার মুক্তির ব্যবস্থা করে এসেছে। অপেক্ষা করছে প্ল্যাটফরমের বেঞ্চিতে তার জন্য। তাকে খবরটা শোনাবে। মিউচুয়ালি ডাইভোর্স পিটিশন করতে চায় বিকাশ চুঁচুড়ার জেলা কোর্টে। উকিলের পরামর্শ আনতে গিয়েছিল সে। এতে আপত্তি করার কোনও কারণ খুঁজে পায়নি কমলা।

    এতে তোমার মনে শাস্তি আসবে?

    একটা গ্লানির হাত থেকে মুক্ত হতে পারব কমলা।

    আমাকে বিয়ে করার গ্লানি?

    হ্যাঁ কমলা। তোমাকে বিয়ে করে তোমার প্রতি চরম অন্যায় কাজ করেছি।

    একটা কথা বলবে বিকাশ? তুমি কি তোমার মনের গ্লানি থেকে মুক্ত হবার জন্যই জেল থেকে বেরিয়ে সটান আমার কাছে চলে এসেছিলে?

    না কমলা। না।

    তবে? তুমি স্বামিত্বের অধিকারেই এ বাড়িতে জায়গা পাবে, এটা ধরে নিয়েই কি এসেছিলে তা হলে?

    না। না। আমি ওসব কিছুই ভাবিনি তখন? একটা নববধূর জেদি মুখ আমাকে এ বাড়িতে হিড়হিড় করে টেনে নিয়ে এসেছিল। নিপীড়ন চরমে পৌঁছুতে থাকলে নিজেকে আয়ত্তে রাখার জন্য আমি চোখ বুজে সেই মুখটাকে দেখতে চেষ্টা করতাম। তার ধ্যান করতাম। জ্ঞানে অজ্ঞানে সেই জেদি মুখটাকে দেখতে পেতাম কমলা। সে মাঝে মাঝে এক জলকন্যা হয়ে যেত। একেবারে রূপকথা। না কমলা? এখানে আসার যুক্তিসঙ্গত কারণ হিসাবে এটা ধোপে টেকবার কথা নয়। কেন না কোনও যুক্তি, বুদ্ধি, বিবেচনা, কি কোনও রকম হিসেবের বশবর্তী হয়ে আমি জেল থেকে এ বাড়িতে আসিনি কমলা। একটা যুক্তিহীন, বিবেচনা অন্ধ আবেগ আমাকে ঠেলতে ঠেলতে এখানে এনে আছড়ে ফেলে দিয়ে গিয়েছিল।

    কমলা কিছুটা অন্যমনস্ক হয়ে গিয়েছিল। হঠাৎ দেখল দু’দিকের প্ল্যাটফর্মেই ব্যস্ততা দেখা দিয়েছে। গাড়ি আসবে এক্ষুনি। এতক্ষণ দাঁড়িয়ে আছে সে!

    কমলা চেয়ে দেখল ভিড়ের মধ্যে বিকাশ হারিয়ে গিয়েছে। সে চলতে শুরু করল। গাড়ি এসে গেল। দুটোই লোকাল। কমলা বিকাশের কাছে পৌঁছুতে পৌঁছুতে প্ল্যাটফর্ম প্রায় খালি হয়ে গেল।

    বিকাশ উদ্বিগ্ন হয়ে জিজ্ঞেস করল, শরীর খারাপ করেনি তো কমলা?

    না। উপর থেকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতে এত ভাল লাগছিল…

    তা হলে এসো না এই বেঞ্চিটাতেই একটু বসে যাই। আজ চট করে বাড়ি ফিরতে ইচ্ছে করছে না। এই চা-

    চাওয়ালাটা পয়সা গুনতে গুনতে ফিরে যাচ্ছে। একগাল হেসে বলল, চা আর একটুও নেই।

    বেঞ্চিতে বসতে বসতে ক্রাচ দুটো পাশে রেখে বিকাশ অসহায়ভাবে হাত নাড়ল।

    চা খাবে, তুমি বিকাশ? এই ছেলে শোনো। তুমি তো বাবুর দোকানে কাজ করো?

    ছেলেটা পয়সা শুনতে শুনতে মাথা নাড়ল।

    কমলা বলল, তবে যাও, আমাদের জন্য দু কাপ চা এনে দাও লক্ষ্মী।

    আচ্ছা বলে সে চলে গেল।

    তোমার কাজ হল, বিকাশ?

    হ্যাঁ কমলা। একজন ভাল উকিলও পেয়েছি। আমাদের কেসে তো জটিলতা কিছু নেই।

    আমাদের দুজনেরই সম্মতি আছে যেখানে, সেখানে আর জটিলতা কী?

    তা ছাড়া আমাদের কেসটা তো জেনুইন। আমাদের গ্রাউন্ডও খুব সলিড। আমাকে দেখেই উকিলবাবু সেটা বুঝে ফেলেছিলেন। তারপর আমি তাঁকে বললাম, দেখুন স্বামী হিসেবে, আমাকে দেখছেন তো, আমি একেবারে…একেবারে….আমি ঠিক কথাটা মুখ ফুটে বলতে পারছিলাম না। তখন উকিলবাবুই বলে দিলেন, আপনাদের মধ্যে সহবাস হয়নি তো? …

    কমলা দেখল বিকাশ হঠাৎ থেমে গেল। ফ্যাকাসে মুখ নিচু করে বসে থাকল। কমলার প্রচণ্ড অস্বস্তি লাগছিল। আর সে অবাক হয়ে দেখল, প্রচণ্ড আবেগে বিকাশকে জড়িয়ে ধরার একটা দুর্দম ইচ্ছা কমলার মনে জেগে উঠেছে। এতদিন এ ইচ্ছা কোথায় ছিল?

    নিজের চরম দুর্গতির কথা নিজের মুখে অন্যকে বলা, খুবই কঠিন ব্যাপার কমলা।

    আমার চাইতে সে আর বেশি কে জানে বিকাশ?

    বিকাশ কমলার স্থির মুখটার দিকে চাইল। কমলাও। কমলা দেখল, বিকাশের চোখ দুটো টলটল করছে।

    ছেলেটা দু গেলাস গরম চা দিয়ে গেল।

    বিকাশ চায়ে কয়েকটা চুমুক মারল বেশ ঘন ঘন। তারপর গেলাসটা হাতে ধরে কমলার দিকে চাইল। কমলা আঁচল দিয়ে গরম গেলাসটা ধরে ধীরে ধীরে তাতে চুমুক দিয়ে চলেছে।

    বিকাশ বলল, উকিলবাবু বললেন, পুলিশ যখন আপনাকে বাসর ঘর থেকেই অ্যারেস্ট করে নিয়ে গিয়েছে, তখন সেদিন যে আপনি আপনার স্ত্রীর সঙ্গে কোহ্যাবিট করার চান্স পাননি এটা একটা স্ট্রং পয়েন্ট আপনাদের পক্ষে। দ্বিতীয় পয়েন্ট হচ্ছে তারপর আপনাকে ক্রমাগত পুলিশ এবং জেল কাস্টোডিতে থাকতে হয়েছে। বারো বছর বললেন, না? আমি বললাম, আজ্ঞে হ্যাঁ। উকিলবাবু বললেন, তারপর তো এই অবস্থায় বের হলেন। এবারে আপনার স্ত্রীর সঙ্গে যখন ঘর করতে গেলেন, তখন তো আপনি একেবারে ইনকেপেল। একসঙ্গে থাকাও যা না-থাকাও তাই।

    তোমার উকিল কচু জানে।

    কমলাকে হঠাৎ ফুঁসে উঠতে দেখে বিকাশ থতমত খেয়ে বলল, কিন্তু বিয়ের পর থেকে আমরা যে সহবাস করিনি, এইটেই তো আমাদের পক্ষে স্ট্রং পয়েন্ট কমলা।

    আমি ও বিষয়ে কোনও কথা বলছিনে বিকাশ। আমি বলছি এক সঙ্গে থাকা বা না থাকার কথা। এ দুয়ের মধ্যে যে কী বিরাট তফাত তোমার উকিল তা জানে না। আমি জানি বিকাশ। যাকে একা একা কাটাতে হয়েছে দীর্ঘদিন, কেবল সে-ই জানে তফাতটা কোথায়? তুমি দু’রাত ছিলে না বিকাশ! সুকুমারকে শনাক্ত করতে গিয়েছিলে। সেই দু’রাতের যমযন্ত্রণাই আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছে নিঃসঙ্গ জীবনে সঙ্গীর মূল্য কী। নিজের জন্য, নিছক নিজের জন্য, মানুষ কি বাঁচতে চায়?

    এর সঙ্গে আমাদের ডাইভোর্সের মামলার কী সম্পর্ক কমলা?

    কোনও সম্পর্ক নেই বিকাশ। তা ওটার ব্যাপারে আমাদের এখন কী করতে হবে?

    উকিলবাবু একটা পিটিশন করে দিয়েছেন। পড়ে দেখে সেটাতে তোমার সই দিতে হবে।

    আর তোমাকে?

    আমাকেও তাতে সই দিতে হবে। এটা তো মিউচুয়াল ডাইভোর্স। তারপর এটা কোর্টে জমা দিতে হবে কমলা। কাল ওটা গিয়ে জমা দিয়ে আসব। কিন্তু তারপরই খানিকটা ঝামেলা। জানো কমলা, পিটিশন জমা দেবার পর অপেক্ষা করে থাকতে হবে, কবে কোর্টে হাজির হবার ডাক আসে। ছ’ থেকে আঠারো মাসের মধ্যে ডাক আসবে কমলা। ছ মাসের আগে নয়ই

    কেন?

    তা-ই আইন, কমলা।

    তার মানে হ’ মাসের আগে আমাদের কোর্টে যেতে হচ্ছে না।

    না, কমলা।

    বিকাশের মনে হল কমলা মনে মনে কী যেন একটা হিসেব কষে নিল।

    শান্তভাবে কমলা বলল, ও।

    বিকাশ একটু ইতস্তত করে বলল, উকিলবাবু বললেন, জজ সাহেবের যা কিছু জিজ্ঞাসাবাদ সে সব তোমাকেই করবেন।

    আমাকে! তোমাকে নয়?

    আমাকে দু’ একটা কথা জিজ্ঞেস করতেও পারেন হয়তো। কিন্তু বেশির ভাগ কথা হবে তোমারই সঙ্গে। সাধারণ সব প্রশ্ন কমলা। এই ডাইভোর্সে তোমার মত আছে কি না?

    এ-কথা তো আমাদের দরখাস্তের মধ্যেই থাকবে বিকাশ। তা-ই না?

    তা তো থাকবেই। তবুও জজ তোমার মুখ থেকে শুনতে চাইবেন, তোমার সম্মতি আছে কি না। সম্মতি আদায়ের জন্য তোমার উপর উৎপীড়ন করা হয়েছে কি না, তোমাকে উৎকোচ দেওয়া হচ্ছে কি না, নাকি তুমি স্বেচ্ছায় সম্মতি দিয়েছ? তোমার কথা শুনে জজ সাহেবের যদি ধারণা হয় যে এই বিচ্ছেদের দরখাস্ত স্বেচ্ছায় করা হয়েছে, তখন তিনি তোমাকে জিজ্ঞেস করবেন, তুমি খোরপোষ চাও কি না।

    খোরপোষ?

    কমলা এবার হেসে ফেলল।

    আইনের মধ্যে অনেক রকম রসিকতাও থাকে বিকাশ। যা-ই হোক, ঝামেলা বিস্তর।

    কোনও ঝামেলাই কি আমরা জীবনে এড়াতে পেরেছি কমলা?

    এবার দুজনেই চুপ করে গেল। বেশ কিছুক্ষণ চুপ করে বসে রইল তারা।

    এবার উঠবে কমলা?

    বিকাশ ওর ক্রাচ দুটোকে গুছিয়ে নিল।

    বিকাশ, তোমাকে আমারও কিছু জরুরি কথা বলার আছে। আর একটু বোসো।

    বিকাশ বসে পড়ল। অন্ধকার হয়ে এসেছে। প্ল্যাটফর্মে যাত্রীদের ভিড় বাড়ছে। কোনও ট্রেন আসবে বোধ হয়।

    বিকাশ, কদিন ধরে আমার শরীরটা খারাপ হচ্ছিল। আজ ডাক্তার দেখালাম।

    কমলা চুপ করে গেল। কলকাতার দিক থেকে একটা গাড়ি এসে ওদিকের প্ল্যাটফরমে দাঁড়াল। বিকাশ চুপ করে বসে রইল। কোনও জবাব দিল না। ট্রেনটা ছাড়ল। ওদের চোখের সামনে দিয়ে ট্রেনের কামরার আলোগুলো পিছলে পিছলে বেরিয়ে যেতে লাগল। স্টেশন আবার ফাঁকা হয়ে গেল। সেই স্তব্ধতা ভাঙল কমলার কথায়।

    আমি… প্রেগন্যান্ট… বিকাশ।

    আবার স্তব্ধতা। বিকাশের গলা থেকে অসহায় একটা স্বর একটু পরে প্রায় ফিসফিস করে বেরিয়ে এল।

    সুকুমার?

    সুকুমার।

    আবার দুজনে বসে রইল চুপ করে। ওদের কাছে আলো ছিল না। কেউ কারও মুখ স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিল না।

    তিন মাস হয়ে গিয়েছে, বিকাশ।

    তুমি কী করবে কমলা?

    আমি?

    আবার দুজনে চুপ।

    ডাক্তারবাবু কিছু বলেছেন, কমলা?

    চলো উঠি বিকাশ। রাত হয়েছে।

    ওরা দুজনে উঠল। বিকাশ আগে আগে চলেছে। কমলা সতর্ক চোখে তার পিছনে। বাবুর চায়ের দোকানে ওরা গেলাস দুটো জমা দিল।

    রিকশা নেবে, কমলা?

    না।

    না কেন, কমলা?

    তোমার বড় কষ্ট হয় রিকশায় উঠতে।

    কিন্তু তোমার বোধ হয় এখন এতটা পথ হাঁটা উচিত হবে না। সে সময় এখনও আসেনি বিকাশ। আমি বেশ হাঁটতে পারছি।

    ওরা ধীরে ধীরে বাড়ির দরজায় পৌঁছে গেল। কমলা দরজা খুলে বিকাশের জন্য অপেক্ষা করতে লাগল। বিকাশ আস্তে আস্তে পা ফেলে ভিতরে ঢুকে গেল। কমলা ভিতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল। এবার সে বিকাশকে পাশ কাটিয়ে যাবার চেষ্টা করল।

    যেয়ো না কমলা।

    বিকাশ কমলার একটা হাত চেপে ধরল।

    এসো, এই সিঁড়িতে একটু বসি।

    আম গাছের মাথায় তখন একটা ঘোলা চাঁদ। ছেঁড়া ছেঁড়া মেঘ উড়ে চলেছে। চাঁদের আলো কমছে বাড়ছে। কমলা বিকাশের মুখের দিকে তাকিয়ে দেখল। চাঁদের আলো-আঁধারিতে বিকাশের মুখখানাকে আশ্চর্য নরম বলে মনে হতে লাগল তার। বিকাশ ততক্ষণে বসে পড়ে তার ক্রাচ দুটোকে একদিকে গুছিয়ে রেখে দিয়েছে। কমলা একেবারে তার গায়ে গা ঠেকিয়ে বসল। তাদের মুখের উপরেই চাঁদটা ঝুলছে।

    আমি বেশ করে ভেবে দেখলাম কমলা।

    বিকাশ চাঁদের দিকে তাকিয়ে আছে।

    করার আর কী আছে?

    এবার সে কমলার মুখের দিকে চাইল।

    আমাদের আর করার কিছু নেই।

    কমলার মুখটা, বিকাশ দেখল, সেই আবছা আবছা আলোয় কেমন রহস্যময় মনে হচ্ছে। ওর বয়েসটাও যেন কত কমে গিয়েছে।

    তোমার কি লজ্জা হচ্ছে কমলা?

    কমলা যেন ঘুম ভেঙে জেগে উঠল।

    ধরা পড়ে গেলে আপনা থেকেই লজ্জা এসে যায়। ব্যাপারটা তোমরা বুঝবে না।

    তোমার কি কলঙ্কের ভয় হচ্ছে, কমলা?

    আমার মনে কোনও পাপ নেই, বিকাশ। সুকুমার যা-ই হোক, আমার জীবনে সে প্রথম পুরুষ, বিকাশ, যে আমাকে পূর্ণতা দিয়েছে। একটা অবলম্বন দিয়েছে আমাকে। বেঁচে থাকার একটা মানে দিয়ে গিয়েছে।

    একটা কথা মনে পড়ায় কমলা আপন মনেই হেসে উঠল।

    জানো, ফেরার সময় আজ কী হয়েছে?

    বিকাশ উৎসুক হয়ে কমলার দিকে চেয়ে রইল।

    ট্রেন থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে আমার স্কুল জীবনের এক বন্ধুর সঙ্গে প্ল্যাটফর্মেই দেখা। আশ্চর্য চোখ তার। ঠিক ধরে ফেলেছে। এসব কি কপালে ফুটে ওঠে! খুব লজ্জা পেয়েছি বিকাশ। লজ্জা পেতে দেখলাম ভালও লাগল।

    কমলা যেন ক্রমেই তাজা হয়ে উঠছে। একটু যেন ছেলেমানুষও।

    মুখ টিপে টিপে হাসছে কমলা।

    ক্ষেমিও সন্দেহ করেছে জানো? সে অবিশ্যি ধরে নিয়েছে তুমিই বাবা।

    কমলা মুখ টিপে টিপে হেসেই চলেছে।

    আবার আমার বন্ধুও আজ সেই কথা শোনাল।

    বিকাশ অনেকক্ষণ চুপ করে চাঁদের চেয়ে রইল।

    উকিল : পুলিশ যখন আপনাকে বাসর ঘর থেকেই অ্যারেস্ট করে নিয়ে গিয়েছে তখন সেদিন যে আপনি আপনার স্ত্রীর সঙ্গে কোহ্যাবিট করার চান্স পাননি, এটা মশাই একটা স্ট্রং পয়েন্ট আপনার পক্ষে। এটা আপনাদের ফেবারে যাবে। দ্বিতীয়ত, আপনাকে তারপর ক্রমাগত পুলিশ আর জেল কাস্টোডিতে থাকতে হয়েছে। বারো বছর বললেন, না?

    উকিল : আর তারপর যখন খালাস হলেন, তখন তো আপনার এই অবস্থা। তখন তো আপনি একেবারে ইনকেপেবল্। এক সঙ্গে থাকাও যা, না থাকাও তা।

    বিকাশ বলে উঠল, তুমি কচু জানো।

    তুমি কিছু বললে, বিকাশ?

    হ্যাঁ কমলা। তুমি ঠিকই বলেছ, উকিল-ফুকিল কিছু জানে না। ক্ষেমি কি তোমার ঐ ক্লাস ফ্রেন্ড, এদের নলেজ অনেক বেশি।

    কমলা প্রথমটা বিকাশের কথা ধরতে পারল না।

    ক্ষেমি যা জানে, তোমার বন্ধু যা জানে, তুমি সে কথা বিশ্বাস করাতে পারবে কোনও উকিলকে? কক্ষনো না। এমন কি আমি, কমলা…

    বিকাশ দেখল কমলা কেমন সুন্দরভাবে হেসে চলেছে। একেবারে নিঃশব্দে।

    হ্যাঁ কমলা, আমি, আমারও এই কথাটাই বোঝা উচিত ছিল। কারণ এইটেই তো স্বাভাবিক সিদ্ধান্ত। অথচ দ্যাখো, কী বুদ্ধি আমার, এই সহজ কথাটা আমিও আগে বুঝতে পারিনি। আমি একটা গর্দভ, কমলা। ইডিয়ট।

    বিকাশ আবার চুপ করে গেল। কমলা দেখল, বিকাশ গভীর ভাবনার মধ্যে ডুবে গিয়েছে। এ যেন আরেকটা বিকাশ। এ বিকাশকে কমলা আগে দেখেনি। বিকাশের মাথাটা আস্তে টেনে এনে কমলা তার বুকের ভিতর চেপে ধরল। বিকাশ ধীরে কমলার কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়ল লম্বা হয়ে। কমলা চাঁদের আলোয় বিকাশের মুখটা দেখতে লাগল। বিকাশ দেখতে লাগল বিকাশের মুখের উপরেই কমলার মুখ। সেখানে স্বপ্নের, যেন সুখের ঢল নেমেছে। দেখতে দেখতে বিকাশের জীবনে, এই প্রথম, কমলার সুখের, তার স্বপ্নের সেও শরিক, একথা ভেবে এমন এক ধরনের অনুভূতির স্বাদ বিকাশ পেতে থাকল, যা এর আগে সে কখনও পায়নি। একেই কি সুখ বলে? সে নিজেকে প্রশ্ন করল। হয়তো তা-ই।

    জানো কমলা, অনেকক্ষণ বাদে বিকাশ কথা বলল। কিন্তু কমলা সাড়া দিল না।

    কমলা!

    উঁ।

    কমলা এখন কোথায় ঘুরছে?

    জানো কমলা, সুকুমার আমাদের সব হিসেব উল্টে দিয়ে গেল। শুনছ কমলা?

    কমলা সেই রকম দূর থেকেই আওয়াজ দিল, হুঁ।

    আমাদের আবার নতুন করে ভাবতে হবে, কমলা? শুনছ?

    হুঁ উ।

    যে আসছে কমলা, তাকে তো আমাদের লেজিটিমেসি দিতে হবে? না কী, বলো?

    কমলা ঘুম থেকে জেগে উঠল।

    লেজিটিমেসি? শুধুই লেজিটিমেসি, বিকাশ? তুমি ওকে ভালবাসা দেবে না?

    কমলা, আমরা যদি ওকে ভালবাসা না দিই ওকে আমরা বাঁচিয়ে রাখব কী করে? আর তুমি তো বলেছ কমলা যে ও আমাদের বেঁচে থাকার অবলম্বন। আমাদের বেঁচে থাকার মানে হচ্ছে ও। ওকে যদি আমরা বাঁচিয়ে রাখতে না পারি, তবে আমরাই বা বাঁচব কী করে? লেজিটিমেসির কথা তুললাম এই কারণে যে আমরা ডাইভোর্সের পিটিশন করতে যাচ্ছিলাম তো, এই ঘটনার পর ওটার কি আর দরকার হবে, এই কথাটা জানতে। তুমি কি বলো, কমলা? ঐ পিটিশনের তুমিও তো একজন পার্টি?

    আমার কাছে কিছুই যায় আসে না, যদি তুমি আমার কাছে থাকো। তুমি বরাবরই একটা ভুল ধারণা নিয়ে থেকেছ বিকাশ। আমি কখনওই তোমাকে আমার উপর নির্ভরশীল করে রাখতে চাইনি। আমিই ক্রমে ক্রমে তোমার উপর নির্ভর করতে শুরু করেছিলাম। তুমি ছটফট করতে লেগেছিলে। এখান থেকে পালিয়ে যেতে চাইছিলে।

    এখন আর তা সম্ভব নয় কমলা। সুকুমার সে পথ মেরে দিয়ে চলে গিয়েছে।

    বিকাশের গলা গাঢ় হয়ে এল।

    সুকুমার আমাকে দারুণ ভালবাসত কমলা।

    এখন সে আমাদের দুজনের জীবনেরই একটা অংশীদার হয়ে গেল বিকাশ। ঐ বাচ্চার মধ্যেই সে বেঁচে থাকবে বিকাশ। বেঁচে থাকবে আমাদের মধ্যে।

    হ্যাঁ, আমাদের মধ্যে।

    আমরাও বেঁচে যাব বিকাশ। একজন কারোর জন্য বাঁচতে হবে, তার জন্য কিছু করতে হবে। কথাটা ভাবতে তোমার ভাল লাগছে না? একা একা, কতদিন যে আর শূন্যতার বোঝা টেনে নিয়ে চলা যায়!

    আমরা কেবলই তো একটা শূন্যতা থেকে আরেকটা শূন্যতার মধ্যেই ঢুকে পড়ছিলাম কমলা। আমি সেখান থেকেই বেরিয়ে আসবার জন্য ছটফট করছিলাম কমলা, তুমি বিশ্বাস করো।

    আমি তোমার যন্ত্রণা টের পাচ্ছিলাম বিকাশ। আমিও একঘেয়ে দিন কাটানোর ক্লান্তির মধ্যে ক্রমশ ডুবে যেতে বসেছিলাম বিকাশ। এমন সময় তুমি এলে। তুমি জানো না বিকাশ, তুমি আমাকে কী দিয়েছ। তুমি টাকার কথা তুলতে। তোমার জন্য আমার কিছু টাকা খরচ হয়েছে বলে তুমি একটা হীনম্মন্যতায় ভুগতে। কিন্তু তুমি কি জানো তুমি আমাকে যা দিয়েছ তা টাকা দিয়ে কিনতে পারা যায় না?

    আমি তোমাকে কী দিয়েছি কমলা?

    তুমিই প্রথম লোক যে আমার ফাঁকা সময়গুলো ভরে রাখতে তোমার সঙ্গ দিয়ে, তোমার উপস্থিতি দিয়ে। তুমি স্রেফ এ বাড়িতে আছ, এই ঘটনা ঘটিয়ে। তোমার উপস্থিতিই আমাকে আমার অসহায় বোধটা থেকে, একাকিত্বের যন্ত্রণা থেকে, তুমি যাকে ঘাস হওয়া বলো, সেই ঘাস হয়ে যাওয়ার ভয় থেকে মুক্তি দিয়েছে।

    কমলা চুপ করে গেল। একটু পরে আবার কথা বলল।

    মানুষের জীবনে সঙ্গী, এর যে মূল্য কত, যে আমার মত একা একা থাকেনি, সে বুঝবে কী করে?

    আরও একটা সঙ্গী আসছে আমাদের।

    সে আমাদের দুজনের জীবনটাই ভরে দেবে। ওরা বড় পাজি কমলা, এই বাচ্চারা। আমাদের একা থাকতে একটুও সময় দেবে না। বড় স্বার্থপর।

    চলো বিকাশ ঘরে যাই। ওঠো। রাত হল।

    বিকাশ ক্রাচ দুটোকে লাগিয়ে নিয়ে উঠে পড়ল। তারপর কমলার ঘরের পাশ দিয়ে উপরে যাবার সিঁড়ির দিকেই রোজকার মত এগিয়ে যাচ্ছিল।

    কমলা ডাকল, বিকাশ, শোনো। এদিকে এসো।

    বিকাশ কমলার ঘরের ভিতরে ঢুকে দেখল, সে তার বিশাল চওড়া খাটটার চারধারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর কী ভাবছে।

    খাটটা দেখেছ বিকাশ? এটা আমাদের ফুলশয্যার খাট। বাবা নিজে পছন্দ করে এটাকে তৈরি করিয়েছিলেন।

    বিকাশের দিকে জিজ্ঞাসুর চোখে কিছুক্ষণ চেয়ে রইল কমলা।

    কমলা বলল, তুমি ভাল করে চেয়ে দ্যাখো।

    বিকাশের কাছ ঘেঁষে এসে দাঁড়াল কমলা।

    তুমি কী মনে করো বিকাশ

    বিকাশ কিছু বুঝতে পারছে না, কমলা তার কাছ থেকে কী জানতে চাইছে।

    কী মনে হয় তোমার, বিকাশ? এই খাটে আমাদের তিনজনকে ধরবে না?

    কথাটার মানে প্রথমে বিকাশের মগজে ঢোকেনি। যখন ঢুকল, তখন একটা অস্বস্তি আর আবেগ তার মনে প্রচণ্ড আলোড়ন তুলেছে। সে থরথর করে কাঁপতে কাঁপতে কমলার খাটের উপরে ধপ করে বসে পড়ল। কমলা তার একেবারে কাছে দাঁড়িয়ে আছে। তার শরীরের ঘ্রাণ পাচ্ছে বিকাশ। তার মনে একটা ওলোটপালোট হতে শুরু হয়েছে। যন্ত্রণা। যন্ত্রণা। যন্ত্রণা।

    এই খাটে আমাদের তিনজনকে ধরবে না, বিকাশ?

    কমলাকে দু’ হাতে বিকাশ কাছে টেনে নিয়ে ওর পেটের উপর মুখ রেখে বলতে লাগল, ধরবে কমলা, ধরবে।

    তা হলে আজ থেকে তুমি আর উপরে যেয়ো না বিকাশ। এই ঘরেই থাকো। একা একা আমি আর পারিনে।

    বিকাশের মনে হল তার দু চোখের ধারাপথে প্লাবন নেমে আসছে। বিকাশ সেটা প্রাণপণে আটকাবার চেষ্টা করতে লাগল।

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদাসত্ব নয়, স্বাধীনতা – গৌরকিশোর ঘোষ
    Next Article এক ধরনের বিপন্নতা – গৌরকিশোর ঘোষ

    Related Articles

    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    August 8, 2025
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    এই দাহ – গৌরকিশোর ঘোষ

    August 8, 2025
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    জল পড়ে পাতা নড়ে – গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    August 8, 2025
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    মনের বাঘ – গৌরকিশোর ঘোষ

    August 8, 2025
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    গড়িয়াহাট ব্রিজের উপর থেকে, দুজনে – গৌরকিশোর ঘোষ

    August 8, 2025
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    প্রতিবেশী – গৌরকিশোর ঘোষ

    August 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }