Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কলকাতার কাছেই – গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    গজেন্দ্রকুমার মিত্র এক পাতা গল্প415 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. দেন-পনরোর বেশি

    দশম পরিচ্ছেদ

    ওসিআর ভার্সন। ভুল সংশোধন করা হয়নি।

    দেন-পনরোর বেশি থাকতে সাহস হ’ল না শ্যামার। মুখে সে ঘরের অজুহাতই দেখায়, ‘কি জানি মা, মুখপোড়া চক্কত্তী যদি জোর ক’রে তালা ভেঙে এসে ঢেকে সেই ভয়!’ কিন্তু আসল ভয় তার অন্যত্র সেটা উমা বুঝতে পারে। নরেন যদি ইতিমধ্যে এসে ফিরে যায়

    আর যদি কোনদিন না ফেরে রাগ ক’রে চলে যায় চিরকালের মত এই ভয়ই ওর সবচেয়ে বেশি। একদিন উমা সেই কথাই স্পষ্ট তুললে, বললে, ‘অত ভাবিস নি, জামাইবাবু এসে যদি দেখেন ঘরে চাবি দেওয়া ত বুঝতেই পারবেন এখানে

    চলে আসবেন সোজা।’

    এসেছিস ‘হ্যাঁ

    তার ভাবনায় ত আমার ঘুম হচ্ছে না। তুইও যেমন। তা নয় ঘরটার জন্যেই। আশ্রয় চলে গেলে কোথায় দাঁড়াব বল!’

    উমা একটুখানি চুপ ক’রে থেকে বলল, ‘যদি তার ভাবনাই না থাকে ত অত ভাবছিস কেন, আর সেখানে উপোস করতেই বা যাবি কেন? এখানেই থাক না দুজনে থাকলে তবু সুবিধে, যা হয় ক’রে চালাব। না হয় দু বোনে পৈতে কাটব, ঠোঙা গড়ব –তাতেই দুটো ছেলেমেয়ে মানুষ হয়ে যাবে।’

    ‘বাপ রে!’ শিউরে ওঠে শ্যামা, ‘অমন কথা মুখে উচ্চারণ করিস নি ভাই, স্বামীকে ছেড়ে চিরকাল বাপের বাড়ি দাসীবিত্তি করা, সে আমি পারব না। বাপ থাকতে ছেলেমেয়েগুলোকে পিতৃপরিচয়ে বঞ্চিত করলে এর পর ওরা কি বলবে! তার চেয়ে সেখানে উপোস ক’রে পড়ে থাকাও ভাল। আর ক’টা দিন গেলে, ছেলেটা আট বছরের হ’লেই পৈতে দিয়ে দেব যেমন ক’রে পারি— তারপর ত আর ভাবনা নেই। ও ঘরটা ত বজায় থাকবেই চাই কি অন্য যজমানী ক’রেও খেতে পারবে। মেয়ের বিয়ে দিতে হবে– সে ভাবনাও আছে।’

    উমার মুখ আজও অপমানে রাঙা হয়ে উঠল। শ্যামা কি বোঝে না তার কথা না, ইচ্ছে ক’রেই আঘাত দেয়!

    খানিকটা চুপ ক’রে থেকে তবু শান্ত কণ্ঠে বলে, ‘ছেলেকে পুরুত-বামুন করবি?’

    ‘তা কি করব বল্! সবাই কি আর লেখাপড়া শিখতে পারে? অল্প বিদ্যা শাঁখে ফুঁ –চলতি কথাতেই ত আছে। তা ছাড়া শিষ্যি-যজমান দেখা ত ওদের কুলকর্ম।’

    উমা আর কথা বলে না। এদের সামনে দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলতেও তার লজ্জা করে।

    শ্যামা গছিয়ে পুঁটলি বাঁধে। মার কাছ থেকে জোর ক’রে সোনা যোগাড় ক’রে দু’গাছা পেটি গড়িয়ে নেয়। রাসমণি বলেন শুধু, ‘ক’দিন রাখতে পারবি মা ত বাঁধা দিতে হবে, নয়ত বিক্রি করতে হবে!

    আবার

    শ্যামা অম্লান বদনে বলে, সেজন্যেও দরকার। আর বাপের বাড়ি এসেও এমনি কড় নোয়া সার ক’রে যদি যাই ত লোকে বলবে কি?’

    চাল ডাল তেল নুন মশলাপাতি গুছিয়ে নিতে কিছু ভুল হয় না। মায় বাসন-কোসন কাপড়-চোপড় পর্যন্ত। একদিন দিদির বাড়ি গিয়ে তার ছেলের পরিত্যক্ত ছোট-হয়ে- যাওয়া গরম জামা সব চেয়ে নিয়ে আসে। সামনে শীত আসছে। কমলা ওর লোলুপতা দেখে বিস্মিত হয় একটু লজ্জিতও হয় বুঝিবা, বলে ‘আমি না হয় নতুন জামা করিয়ে দিচ্ছি। ওগুলো

    ‘না, না। কি দরকার! সে তুমি বড়জোর দুটোই দেবে দুজনকে। এ আমি অনেকগুলো পাচ্ছি। এ ত তোমার কোন কাজে আসবে না। ঝিয়ের ছেলেমেয়েকে দেবে শেষ পর্যন্ত। তার চেয়ে আমাকে দুটো নগদ টাকা দিও, খেয়ে বাঁচবে ওরা।’

    কমলা ভেবেছিল, কথার কথা! কিন্তু যাবার সময় সত্যিই শ্যামা চাইলে, কৈ দিদি, টাকা দুটো? ভেবে দেখো, নতুন জামা করাতে গেলে কত বেশি পড়ত তোমার!

    কমলা দুটো নয় পাঁচটা টাকাই এনে ওর হাতে দিলে, তার সঙ্গে নিজের দুটো পুরোনো আর একটা নতুন শাড়ি।

    কিন্তু শ্যামার এই নির্লজ্জতায় সে যেন মরমে মরে গেল।

    তার সেই ফুলের মত সুন্দরী বোন! শৌখিন ভদ্র বিবেচক বোনের বদলে সে দেহে এ কে এল? এ কি মৃত্যু ঘটল শ্যামার?

    সব গুছিয়ে নিয়ে গাড়ি ডাকিয়ে যাবার সময় শ্যামা মাকে উপদেশ দিয়ে গেল, ‘আপনার গুরুদেবকে ডাকিয়ে এনে উমিকে যা হোক একটা দীক্ষা দিন মা। তবু পূজো- আস্তায় মনটা ভুলে থাকবে। সত্যি, ও কী নিয়েই বা থাকে বলুন!’

    রাসমণি গম্ভীর কণ্ঠে বললেন, ‘তুমি নিজের চরকায় তেল দাও মা, আমাকে আর জ্ঞান দিতে এসো না।’

    শ্যামাকে মুখে যাই বলুন, কথাটা নিয়ে রাসমণিও খুব নাড়াচাড়া করেন মনে মনে। এ কথা ওঁরও যে মনে হয় নি তা নয়। বংশ পরম্পরায় এই কথাই ত শুনে এসেছে সকলে হিন্দুর ঘরে বিশেষত বাঙালী হিন্দুর ঘরে

    মেয়ের যদি কপাল পুড়ে থাকে তবু ইষ্টকে নিয়ে ভুলে থাকবে।

    ত যা হয় ক’রে তাকে একটা মন্তর দিয়েই দাও ভগবানের দিকে মন থাকলে সংসারের প্রলোভন জয় করতে পারবে।’ এ কথা শুনতে শুনতে সংস্কারে দাঁড়িয়ে গেছে। সে সংস্কার রাসমণির রক্তেও আছে বৈ কি।

    তবু রাসমণির মনে সংশয় জাগে। এ সংশয় বহুকালই জেগেছে হয়ত বা নিজের মন দিয়েই অপরের মনের হদিস পেয়েছেন খানিকটা ঈশ্বরকে চিন্তা ক’রে এ জন্মের দৈহিক ভোগ-সুখ-প্রলোভন কি সত্যিই ভোলা যায়? কোন শক্ত আঘাত পেয়ে মনে বৈরাগ্য না আসা পর্যন্ত মন কি ফেরানো যায় সংসার থেকে?

    সংস্কার ও সংশয়ের, শ্রুতি ও অভিজ্ঞতার এই দ্বন্দ্বে ক্লান্ত হয়ে পড়েন রাসমণি

    ১১০-

    কিন্তু কিছুতেই যেন কূলকিনারা পান না কোথাও– পথ তাঁর চোখে পড়ে না।

    অবশেষে একদিন উমাকেই জিজ্ঞাসা করেন, ‘দুই দীক্ষা নিবি মা? নিতে চাস? শ্যামা সেদিন বলছিল, কিন্তু আমি জোর ক’রে দেব না। নেবার জন্যে পরামর্শও দেব না। তোর মন যা বলে তাই কর্।

    উমা স্তব্ধ হয়ে ভাবে খানিকটা। জীবনতরী তার অকূল সমুদ্রে ভাসছে। নাবিক নেই, পথের সন্ধান নেই। তীরের চিহ্ন পর্যন্ত নজরে পড়ছে না। নিবিড় নিশ্ছিদ্র অন্ধকার ঘিরেছে তাকে

    এর মধ্যে পারবে কি কেউ পথ দেখাতে? ঈশ্বর তিনি কেমন? শুনেছে ত যে তিনিই পরম নাবিক, দিক্‌দিশাহীন জীবনযাত্রার একমাত্র পথ-প্রদর্শক। তাঁকেই অবলম্বন করবে নাকি শেষ পর্যন্ত?

    হয়ত আছে ওখানেই পথের ইঙ্গিত, নূতন উষার স্বর্ণাভাস। তাঁর দিকে টেনে নেবেন বলেই হয়ত ভগবান দুঃখ দিয়ে দিয়ে তার মন ফিরিয়ে নিচ্ছেন সংসার থেকে। পুড়িয়ে পুড়িয়ে তাকে খাঁটি সোনা ক’রে নিতে চান তিনি। হয়ত সুখও আছে ঐখানে– তাঁকে চিনিয়ে দেবেন, হাত ধরে তাঁর কাছে নিয়ে যাবেন যিনি, তিনিই গুরু। অজ্ঞানতিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জনশলাকয়া চক্ষুরুন্মীলিতং যেন তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ।’ ত মাকে প্রত্যহ পাঠ করতে শোনে সে।

    মন্দ কি!

    উমা আরও একটু চুপ ক’রে থেকে বলে, ‘সেই ব্যবস্থাই করুন মা। আমি দীক্ষা নেব।’

    ‘ভাল ক’রে ভেবে দ্যাখো। তাড়াহুড়ে ক’রো না। যে-সে জিনিস নয় ইষ্টমন্ত্র!’ উমা ভেবে দেখেছে বৈ কি। তবু একটা কিছু অবলম্বন ত পাবে। সেই কথাই

    জানায় মাকে সে।

    কুলগুরু আছেন, তাঁর

    কিন্তু রাসমণি আরও বিপদে পড়েন। সেকালে ইচ্ছামত শৌখিন গুরু বেছে নেবার প্রথা ছিল না। কুলগুরু ত্যাগ করতে নেই ‘গুরু ছেড়ে গোবিন্দে ভজে, সে পাপী নরকে মজে’ এই ছিল ওঁদের বিশ্বাস। যে মেয়ের বিয়ে হয়েছে, শ্বশুরবংশের গুরুই তার কুলগুরু। কিন্তু তার সন্ধান দেবে কে? অনেক ভেবেচিন্তে মেয়েকে বললেন, ‘তুই না হয় আমার জবানীতে

    না না কাজ নেই কমলার জবানীতে জামাইকে একটা চিঠি লেখ

    তোদের কে

    ঠিকানাটা যদি পাওয়া যায়!’ উমা শিউরে উঠল অন্ধকার পথে সাপ দেখলে মানুষ যেমন শিউরে ওঠে, তেমনি। থরো-থরো-কাঁপা ঠোঁটে সে বললে, ‘না মা দরকার নেই। সবই যখন ত্যাগ করলুম তখন ও গুরু-ইষ্টও থাক। তবে ওঁরা শাক্ত সেটা জানি শাশুড়ীর ঘরে দশমহাবিদ্যার পট টাঙানো আছে, সেইখানে বসে নিত্য সন্ধ্যা- আহ্নিক করেন তিনি

    ‘না মা। তুমি চিঠি লেখো। কুলগুরু ত্যাগ করতে নেই। তাছাড়া তোমাকে স্বামীর অনুমতিও নিতে হবে।’

    স্বামীকে চিঠি লিখতে হবে! এই প্রথম উমার মন বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। ছেলেখেলা?

    এতকাল পরে তাও পরের জবানীতে!

    কেন তাকে নিয়েই বা বার বার এই

    কুলগুরু? কিসের কুল তার

    কে-ই বা তার স্বামী! যে স্বামী একবার মাত্রও

    স্পর্শ করলেন না তাকে, পায়ে স্থান দিয়েও স্ত্রী ব’লে স্বীকার করলেন না!

    আবার মনে হয়, স্বীকার করেছেন বৈ কি।

    সেদিনের কথাটা মনে পড়ে যায়,

    কাজ কোরো না, ছি!’

    না না উমা, এ আমি ভাবতেই পারি না। এ

    স্বীকার করেছেন বৈ কি। কিন্তু এভাবে চিঠে লেখা?

    তবু লেখে সে। লিখতে বাধ্য হয়। তিন-চারখানা চিঠি ছিঁড়ে দিদির জবানীতে একটা চিঠি লেখে . শুষ্ক, প্রয়োজনীয় চিঠি।

    এই প্রথম চিঠি। প্রথম স্বামী-সম্ভাষণ

    চিঠি লেখার স্বপ্ন দেখে মেয়েরা। হায় রে!

    উত্তর আসে তিন-চার দিনের মধ্যেই। অস্পষ্ট হস্তাক্ষর

    ―

    কৈশোরে পা দেওয়ার পর থেকেই যে

    আঁকাবাঁকা লাইন

    তবু চিঠি। এই প্রথম চিঠি স্বামীর কাছ থেকেও।

    প্রিয়–প্রিয়তম দয়িতের চিঠি

    কল্পনা করতে চেষ্টা করে উমা, খোলবার আগে।

    চিঠিটা তাকেই লেখা

    ‘কল্যাণীয়াসু –তোমার পত্র পাইয়া নিজেকে আরও অপরাধী মনে হইতেছে। ঈশ্বর আমাকে কোনোদিনই ক্ষমা করিবেন না

    অথচ যে জালে জড়াইয়াছি

    ছাড়া পাইবারও উপায় নাই। যাক্ যখন আমাদের কোন সংস্রব রাখ নাই

    গুরুর ব্যাপারেও আর যোগ রাখিও না। তোমার মার গুরুদেবের কাছেই মন্ত্র লইও। আমি অনুমতি দিতেছি, তাহাতে দোষ হইবে না আমার হইবে। ইতি তোমার হতভাগ্য স্বামী শরৎ।

    যদি কোন পাপ হয়

    সেও

    পুঃ কোন অধিকার নাই, তবু সেদিনের কথাটা ভুলিতে না পারিয়া তিন- চারদিন থিয়েটারে গিয়াছিলাম, কিন্তু তোমাকে দেখিতে না পাইয়া বুঝিয়াছি আমারই ভুল, ক্ষমা করিও।’

    বার বার পড়ে উমা। বার বার বুকের কাছে রেখে দেয়। চোখের জলে আর বুকের ঘামে অক্ষর অস্পষ্টতর হয়ে ওঠে মেটে না।

    তবু যেন আশা

    আশাও জাগে কোথায়, হয়ত তার স্বামী তার কাছে একদিন ফিরে আসবেন, নইলে এত খবর রাখতেন না। চিঠিতে অনুতাপের সুরও স্পষ্ট। সারারাত চিঠিটা গালের নিচে রেখে জেগে কাটিয়ে দেয় উমা।

    দুই

    আর এক নতুন সমস্যা দেখা দিল। গুরু কাকে করবেন এই নিয়ে মহা চিন্তায় পড়লেন রাসমণি। সব শুনে কিছুক্ষণ চুপ ক’রে থেকে বললেন ‘যখন কুলগুরুই ত্যাগ করতে হবে তখন আর আমার গুরুবংশ ধরে কাজ নেই। গুরুদেব দেহ রেখেছেন, গুরুভাই যে আছে শুনেছি লোক ভাল নয়, মদ গাঁজা খায়

    ১১২

    হয়ত অভক্তি

    হবে তার ওপর। তার চেয়ে বড় জমাইয়ের সন্ন্যাসী গুরু আছেন এক, তাঁর কাছেই নয়ত দীক্ষা নে। কী বলিস?’

    উমা আর কি বলবে, সে চুপ ক’রেই রইল।

    –

    তবে দিদির গুরুকে দেখে তার শ্রদ্ধাই হ’ল। দীর্ঘদেহ, গৌরবর্ণ প্রৌঢ় সন্ন্যাসী। গেরুয়া পরেন কিন্তু জটা নেই। পিঠ পর্যন্ত এলানো দীর্ঘ কেশ। কপালে তান্ত্রিকদের মত রক্তচন্দনের ফোঁটা। অত্যন্ত মিষ্টভাষী–সস্নেহ ব্যবহার সকলের সঙ্গেই। গানের গলাটি ভাল– যখন-তখন রামপ্রসাদী গান ধরেন, উমা সে গান শুনে

    চোখে জল রাখতে পারে না।

    যত্ন করে দীক্ষা দিলেন, প্রতিদিন এসে অভ্যাস করান, উপদেশ দেন, শিক্ষা দেন। উমা প্রাণপণে আঁকড়ে ধরে এই নতুন জীবনকে। দিনে দিনে অন্তত একটা বেরাগ্য ঘিরে ধরে ওকে, জগৎ থেকে সে যে প্রত্যহই দূরে সরে যাচ্ছে এটা সে অনুভব করে নিজে নিজেই।

    গুরু প্রথম নিত্য আসতেন, তারপর নিয়মিত দুদিন অন্তর আসতে লাগলেন। উমা তাঁকে ভক্তি করে দেবতার মত, সেবা করে সন্তান বা পিতার মত। রাসমণি তার এই ভাব দেখে মনে মনে শান্তি পান।

    হঠাৎ একদিন গুরুদেব বললেন, ‘উমা, তোমাকে মা নিজে পাঠিয়েছেন আমার কাছে। তোমার জীবন সার্থক। মহাভাগ্য তোমার, তাই লোকে যেটাকে সৌভাগ্য বলে তা থেকে বঞ্চিত হয়েছ।’

    হেঁয়ালি বুঝতে না পেরে উমা অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে।

    গুরুদেব হাসেন, ‘পাগলী, এটা আর বুঝলি না! আমার সিদ্ধির জন্যে এমনি একটি মেয়েই দরকার ছিল যখন খুঁজে খুঁজে প্রায় আশা ছেড়ে দিয়েছি তখন মা তোকে মিলিয়ে দিলেন অভাবনীয় ভাবে। এ তাঁর দয়া ছাড়া আর কি? তোর ওপরও দয়া কম ভাবিস নি। সাধনার কাজে লাগবি এ কি এক জন্মের সুকৃতী ভেবেছিস! জন্ম-জন্মান্তরের পূণ্য। স্বামী যদি তোকে গ্রহণ করতেন, তাহ’লে সম্ভব হত না।’

    সর্বাঙ্গে রোমাঞ্চ হয় উমার। সত্যিই কি মার এত দয়া তার ওপর? সত্যিই কি এ তার জন্মান্তরের সুকৃতী? তার জীবন অধিকতর সার্থক করবেন বলেই কি তাকে আপাত-সার্থকতা থেকে বঞ্চিত ক’রে রেখেছেন?

    সে যেন বিশ্বাস করতে পারে না কথাটা, তবু খুশির ঢেউ বয়ে যায় তার মনের ওপর দিয়ে। সাধনার সহায় হবে সে? তপস্যার সঙ্গিনী হবে গুরুদেবের? তপস্বিনী, সন্ন্যাসিনী হবে সে?

    সাগ্রহে প্রশ্ন করে গুরুদেবকে, ‘সে সাধনা কবে শুরু করবেন বাবা? কী করতে হবে তাতে আমাকে?’

    ‘বলব রে, বলব! ওর ডান হাতখানা নিজের হাতে নিয়ে সস্নেহে চাপ দেন তিনি। প্রায়ই প্রশ্ন করে

    চষ্টা করে অনেক রকম কিন্তু কোনটাই

    যেন মেলে না।

    আনার পর ক

    ১১৩

    গুরুদেব ঠিক স্পষ্ট জবাব দেন না। নীরবে সস্নেহে পিঠে হাত বুলোন। নয়ত ওর বিপুল কেশভার-সুদ্ধ মাথাটা নিজের কোলে টেনে নিয়ে মাথায় হাত দিয়ে আদর

    করেন।

    ইদানীং ওর কথাবার্তাও যেন কি রকম অদ্ভুত হয়ে উঠেছে। উনি অবশ্য বলেন, ‘গুরুর কাছে শিষ্যের কোন অবস্থাতেই কোন সঙ্কোচ নেই’ কিন্তু উমা লজ্জাই পায়। উনি পুরাণ থেকে গল্প বলেন, সব আদিরসাত্মক। জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে নানা উদাহরণ দেন উপদেশের মধ্যে, তাও যেন কেমন কেমন!

    উমার ভাল লাগে না এসব। অথচ গুরুদেবের সামনে থেকে যেতেও পারে না। সে কেবল বলে, ‘ওসব কথা থাক বাবা আপনি আমাকে করে তপস্যার কাজে টেনে নেবেন তাই বলুন, কী করতে হবে আমাকে বুঝিয়ে দিন। সন্ন্যাসিনী হ’তেই চাই।’

    অবশেষে একদিন শোনে সে কী করতে হবে তাকে।

    ছুটে এসে মার কাছে মাথা খোঁড়ে –ঢিক্ চিক্ করে।

    ‘কী হ’ল রে, কী হ’ল?’

    ‘মা, কেন গুরুদেবের ওপর ভক্তি রাখতে পারছি না, কেন এমন সব সন্দেহ জাগছে মনে? কী হবে আমার?

    ‘কী হ’ল বল্ ত’, জোর ক’রে ওর মুখখানা তুলে ধরেন রাসমণি।

    ‘উনি ত বলছেন এ বড় পুণ্যের কাজ, ওঁর সাধনার সহায় হওয়া — কিন্তু আমি তা–না মা–সে আমি পারব না। আমি যে ওঁকে সাক্ষাৎ ইষ্ট বলেই জানি মা।’

    পাথর হয়ে যান রাসমণি।

    ‘তুই বোস। আমি আসছি।’ তিনি উঠে এসে গুরুদেবের সামনে হাতজোড় ক’রে বললেন, ‘ভগবান যাকে মারেন তার আশ্রয় কোথাও নেই, এইটেই আজ বুঝলুম। আপনি ওকে অব্যাহতি দিন। আর আপনি আসবেন না।’

    গুরুদেব মুখ কালি ক’রে চলে গেলেন।

    উমা রাসমণির সামনে মাথা খুঁড়তে খুঁড়তে বললে, ‘এ সংশয় কেন এল মা? সত্যিই কি আমার কোথাও আশ্রয় নেই? তবে আমি কি করব?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপাঞ্চজন্য – গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    Next Article উপকণ্ঠে – গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    Related Articles

    গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    পৌষ ফাগুনের পালা – গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    August 7, 2025
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    উপকণ্ঠে – গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    August 7, 2025
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    পাঞ্চজন্য – গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    August 7, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }