Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কলকাতার কাছেই – গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    গজেন্দ্রকুমার মিত্র এক পাতা গল্প415 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১১. বছর কাটে

    একাদশ পরিচ্ছেদ

    ওসিআর ভার্সন। ভুল সংশোধন করা হয়নি।

    একটি একটি ক’রে বছর কাটে।

    মহাকাল তাঁর হিসেবের খাতায় একটি ক’রে পাতা ওল্টান। সেই পাতার মধ্যে বহু সুখদুঃখের বিবরণ চিরকালের মত চাপা পড়ে যায়। কত মর্মান্তিক ইতিহাস বুকভাঙা বেদনা!

    কত

    আজ যা মনে হয় অসহ্য কাল তাই একটা অস্পষ্ট বেদনাদায়ক অনুভূতিতে পরিণত হয়ে স্মৃতির কোন্ সুদূর দিগন্তে মিলিয়ে যায়!

    শ্যামারও বছর কাটে। এক-এক সময় মনে হয় বুঝি কাটল না কিছুতে– মনে হয় এতকাল পরে সংসারের তরণী বুঝি এই ঘূর্ণিতে ডুবল, বুঝিবা এই তুফানে বানচাল হ’ল। আবারও তা কোনমতে হেলে-বেঁকে একসময় সোজা হয়ে দাঁড়ায়। স্তব্ধ নিঃশ্বাস আবার সহজে বেরিয়ে আসে উঁচু পর্দায় বাঁধা স্নায়ুতন্ত্রী আবার নিশ্চিত আলস্যে শিথিল হয়ে যায়। এই ত প্রায় প্রতি দরিদ্র সংসারের ইতিহাস। শ্যামার জীবনেই বা

    তার অন্যথা হবে কেন?

    নরেনের ডুব মারাটা আজকাল সয়ে গেছে শ্যামার। বরং যখন সে আসে তখনই যেন বেশি অসহ্য। চালটা পায় বটে স্বামীকেও কাছে পায় এই পর্যন্ত, কিন্তু তার ঝঞ্ঝাট-ঝামেলাও বড় কম সইতে হয় না। শ্যামার এক-এক সময় মনে হয় আর বুঝি

    সে পারে না।

    মঙ্গলা ঠাকরুণ অবশ্য এদের তাড়াবার চেষ্টা কম করেন নি। আগের পূজারীকে দিয়েই যখন পূজা করাতে হবে অর্ধেক দিন, তখন মিছিমিছি এরা ঘর-জোড়া ক’রে থাকে কেন? তাছাড়া সে পূজারীও বড় গোলমাল করে নরেন মধ্যে মধ্যে এসে দেড়মাস দু’মাস থাকে যখন, তখন তার বরাদ্দ মারা যায়। প্রথম প্রথম ঝগড়া ক’রে নরেনকে দমিয়ে দেবার চেষ্টা করেছিল কিন্তু দু’ একবার মাত্র সে চেষ্টার পরই হাল ছেড়ে দিয়েছে। নরেন একেবারে কাটারী কি বঁটি ধরে। সে সময় তার যা প্রচন্ড মূর্তি হয়, তাতে সামনে দাঁড়ানো শক্ত। অগত্যা চুপ ক’রে সহ্য করা ছাড়া পূজারীর সহ্যই করে, আর মধ্যে মধ্যে অনুযোগ করে মঙ্গলা ঠাকরুণের

    উপায় থাকে না

    কাছে।

    ཨཝ)འི གངས, ༤༑མ པདངས།

    অথচ মঙ্গলাই বা কি করবেন ভেবে পান না! এ হয়েছে তাঁর স্বখাত সলিল। নরেনের দ্বারা ভাল পূজা হবে সে আশা-ভরসা আর তাঁর নেই। ও যেন গেলেই তিনি বাঁচেন। বিশেষত নরেনের প্রস্তুতির যে পরিচয় তিনি পাচ্ছেন দিন দিন, তাতে এ বিশ্বাসও বদ্ধমূল হয়েছে যে, নতুন বামুনঠাকুর এবোরে পাগল। একদিন ত হাতেনাতেই ধরলেন। পাইখানার কাপড়ে এসে, না স্নান না কিছু, পূজো করতে বসে গেল। হাঁ-হাঁ ক’রে এলেন মঙ্গলা ঠাকরুণ, ‘ও কি ঠাকুর, ও কী করলে গো! সর্বনাশ করলে! এখুনি তুমি বেরোও বেরোও বলছি!’

    প্রথমটা নরেনও একটু হচকিয়ে গিয়েছিল, ‘কেন গো, কী হ’ল আবার?’

    ‘কী হ’ল আবার জিজ্ঞেস করছ! সদ্য পাইখানার কাপড়ে এসে ঠাকুর ছুঁলে। আবার বলা, কি হ’ল!’

    কে বললে পাইখানার কাপড়

    না ত!’

    ‘আবার মিছে কথা বলছ ঠাকুর? আমি স্বচক্ষে দেখলুম তুমি মাঠ থেকে পুকুরে গেলে আর সোজা উঠে এসে গাছ থেকে ফুল পেড়ে নিয়ে মন্দিরে ঢুকলে। আমি দাঁড়িয়ে দেখছিলুম আক্কেলখানা। তা এত সাহস যে হবে তা স্বপ্নেও ভাবি নি। ধন্যি বুকের পাটা বাবা। যাক্ যা হয়েছে তা হয়েছে। খুব আক্কেল হয়েছে আমার। এখন বেরোও, আমি বেচা ঠাকুরকে ডেকে অভিষেক করাই। আজই তুমি বিদেয় হয়ে যাবে আমার

    ভিটে থেকে–বলে রাখলুম।’

    মিছে কথা বলে পার পাবার আর উপায় নেই দেখে নরেনও নিজমূর্তি ধরলে, ‘থাম্ মাগী মেলা ভ্যানর ভ্যানর করিস নি। ঠাকুরের সেবা কি হবে না হবে সে কথা বামুন বুঝবে আর ঠাকুর বুঝবে। এ হ’ল গে আমাদের কাজ, যার যা। বলে যার কর্ম তারে সাজে অন্যের মাথায় লাঠি বাজে!’

    তবু মঙ্গলা হাল ছাড়েন না। বলেন, ‘তাই বলে তুমি যা-তা কাপড়ে ঠাকুর ছোঁবে? হেগো-হাতে পূজো করবে?’

    নরেন খিঁচিয়ে ওঠে, ‘আলবত করব। মাগী, এত শান্তর জানিস আর এটা জানিস না যে বামুন এক পা গেলেই শুদ্ধু? হাওয়া লাগলেই বামুন শুচি হয় তা জানিস না? না জানিস ত জিজ্ঞেস ক’রে দেখগে যা কোন টুলো পন্ডিতকে শুনেছি ত মন্তর হয়েছে, সেই গুরুকেই জিজ্ঞেস করিস।’

    এই বলে সে ঠাকুরকে স্নান করাতে শুরু করে দিলে।

    ‘এ ত কম অত্যাচার নয় গা! বামুন বলে যা খুশি তাই করবে?’

    ‘হ্যাঁ হ্যাঁ। করব। বামুনের পায়ের ধূলো ভগবান বুক পেতে নেন। তোরা শুদ্দুর, কি বুঝবি এর মর্ম! আমরা হলুম গে গুরুবংশ। আমরা সব জানি।’

    সম্প্রতি কালনায় গিয়ে কথকতা শুনে এসেছে নরেন। এখনও মনে আছে ঘটনাটা। শুধু ভৃগুর নামটা মনে পড়ল না ব’লে আফসোস হ’তে লাগল।নইলে জমত আরও।

    মঙ্গলা তবু একবার শেষ চেষ্টা করলেন, ‘আমি ঠাকুর তোমাকে রাখব না, আমার খুশি, তুমি আজই পথ দেখবে। সিধে বাত!’

    ১১৬

    তড়াক করে লাফিয়ে উঠে যেন ছিটকে বেরিয়ে আসে নরেন, ‘যেতে পারি আমি, কিন্তু পৈতে ছিঁড়ে ঐ নারায়নের সামনে মাথা খুঁড়ে ব্রহ্মরক্তপাত ক’রে চলে যাবো তা বলে দিলুম। ছেলেপুলে নিয়ে ঘর করো তোমার তাতে ভাল হবে ত;’

    –

    এর পর আর একটি কথাও বলতে সাহসে কুলোয় নি মঙ্গলার। তখনকার দিনে কুলোনো সম্ভবও ছিল না। তিনি এক পা এক পা ক’রে পিছিয়ে চলে গেলেন বিড়বিড় ক’রে বকতে বকতে, ষাট্ ‘ষাট্! এ কি সাংঘাতিক সর্বনেশে লোক রে বাবা! আজই বাছাদের কপালে পাঁচ পয়সা ক’রে ঠেকিয়ে তুলে রাখতে হবে। মার ওখানে যেদিন যাবো পূজো দেব। হে হরি, হে নারায়ণ, রক্ষে করো বাবা!’

    নরেন একা দাঁড়িয়ে হি হি ক’রে হাসতে লাগল সেখানেই।

    সব শুনে শ্যামা বলেছিল, ‘তারপর? তোমার ত হুট্ বলতেই যাওয়া। একা পেয়ে আমাকে যদি একদিন তাড়িয়ে দেয়?’

    ‘ইস্, দিলেই হ’ল! আমার বৌ হয়ে এই কথা তুই মুখে আনলি! ওরে হাজার হোক আমরা হলুম বামুন, গোর্খরো সাপের জাত। আমাদের ঘাঁটাতে সাহস করবে না সহজে। তেমন হয় বলবি এই আমি তিনদিন উপোস ক’রে পড়ে রইলুম। তে- রাত্তির করে তাঁবে বেরোব।’

    তখন সে কথায় অতটা আমল দেয় নি শ্যামা। কিন্তু একসময় কথাটা খুব কাজে লেগে গেল। মঙ্গলা একদিন স-পুত্রকন্যা একেবারে রণচন্ডী মূর্তিতে এসে দাঁড়ালেন, ‘বাম্‌নি, তুই যাবি কিনা, বল্। না বেরোস্ ত জোর করে বার ক’রে দেব। ভাল চাস্ ত মালপত্তর যা নিয়ে যেতে হয় নিয়ে বাপের বাড়ি চলে যা আমি গাড়িভাড়া দিচ্ছি।

    মরিয়া হয়ে মানুষ যা করতে পারে, আগে থেকে তা কল্পনা করা শক্ত। নরেনের মুখে কথাটা শোনবার সময়ে শ্যামা কল্পনাও করে নি যে ঐ কথা- গুলো সত্যিই তার মুখ দিয়ে বেরোবে। কিন্তু এখন, যখন একান্ত অসহায় অবস্থায় পড়ে মনে হ’তে লাগল ওর পায়ের নিচে থেকে মাটি সরে যাচ্ছে, তখন অনায়াসেই সে বলে ফেললে, ‘আমার স্বামী বাড়ি নেই বলে দল বেঁধে গায়ের জোর দেখিয়ে আমাকে তাড়িয়ে দিতে এসেছেন মা-বেশ, গায়ে হাত দিয়ে বার করতে হবে না আমি নিজেই ছেলেমেয়ের হাত ধরে রাস্তায় গিয়ে বসছি। তবে অমনি যাবো না মা

    —

    রাস্তায় ওপর

    ত আর আপনার জোর নেই আপনার বাড়ির সামনে বসে তে-রাত্তির ক’রে যদি যেতে হয় ত তখন যাবো। জিনিসপত্তরে কি দরকার ও আপনারা ফেলে দিন। আয় রে খোকা’

    মঙ্গলা অবাক্ হয়ে গালে হাত দিয়ে থাকেন কিছুকাল।

    ‘শুনলি,তোরা শুনলি একবার!

    ―

    যেমন দ্যাবা তেমনি দেবী। বেইমানের ঝাড়

    একেবারে। এতকাল ঘরে রেখে পুষলুম, তার এই শোধ, আমারই সর্বনাশ করার চেষ্টা! বেশ, তাই তুমি থাকো মা, বলে তাই করো’

    আমার ঘর-জোড়া ক’রে

    । তাই যদি তোমার ধম্মে

    ཝའི་ གས་ ་ ་ ་ ་ ་ ་ ་

    সদলবলে গজ্‌জ্ করতে করতে বেরিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। শ্যামাও সেদিন পাগলই হোক বদমাইশই হোক কিন্তু লোকটার যে বুদ্ধি

    হেসেছিল আপন মনে

    আছে তা মানতেই হবে।

    দুই

    সেদিন থেকে সোজাসুজি তাড়াবার চেষ্টা আর মঙ্গলা করেন নি। কিন্তু তাছাড়া যত রকমে করা যায় তার কোন পথটাই বাদ দেন নি। হেম আর মহাশ্বেতার ওপর ত অত্যাচারের অন্তই ছিল না শ্যামার পক্ষেও সে সব সহ্য করা অসম্ভব হয়ে উঠছিল

    শুধু আর কোথাও কোন পথ

    নেই বলে চুপ্ ক’রে সইতে হ’ত।

    এমনিই ত দিন চলে না। নরেন যখন থাকে না তখন বরাদ্দ চাল বন্ধ হয়ে যায় গহনা যা সামান্য থাকে তাতে কয়েক দিনও চলে না ভাল ক’রে। তারপর উপবাস। খুব অসহ্য হয় যখন; ছেলেমেয়েগুলোকে ঘরে চাবি দিয়ে রেখে শ্যামা চলে যায় হেঁটে কলকাতায় মার কাছে একবেলা খেয়ে কিছু চাল ডাল টাকা নিয়ে আবার হেঁটেই ফিরে আসে। ছেলেমেয়েদের নিয়ে যেতে ভরসা হয় না পায় ফিরে এসে!

    ঘরে যদি আর ঢুকতে না

    থাকে তখন সে নিজেই

    নরেন থাকলে এক-আধবার যখন মেজাজ ভাল ওদের পাঠিয়ে দেয়, বলে, ‘তুই নিশ্চিন্ত হয়ে চলে যায় ছোট বৌ– আমি এই মাটি কামড়ে পড়ে রইলুম, তুই না ফিরলে নড়ছি নি।’ সে রকম ক্ষেত্রেও সাত-আট দিনের বেশি থাকতে ভরসা হয় না। তবু তাতেই ঢের উপায় হয়। রাসমণি নামই দিয়েছেন, দুর্ভিক্ষ অবতার। আসে যখন কঙ্কালসার চেহারা, একমাথা উকুন, গায়ে ময়লা ছেঁড়া কাপড়। এখানে এসে মাথা ঘষে, তেল সবান মেখে চক্‌চকে হয় আবার–নতুন কাপড় পায়, ছেলেমেয়েদের অঙ্গেও জামাকাপড় ওঠে। যাবার সময় পাঁচ-দশটা টাকাও আচলে বেঁধে ফেরে।

    এর বেশি রাসমণি দেন না। প্রথমত তাঁরই সংসার চলা শক্ত। আরও কতদিন বাঁচতে হবে তাঁকে কে জানে, উমারও ত এই অবস্থা বিশেষ ক’রে উমার চিন্তাই যেন তাঁকে আরও বেশি বিব্রত ক’রে তুলেছে। সেক্ষেত্রে কত টাকা ওদের দেওয়া সম্ভব? তাছাড়া নরেনকে বিশ্বাস করেন না তিনি একটুও, বেশি টাকা নিয়ে মেয়ে ফিরলে সে টাকা তার ভোগে হবে কিনা সন্দেহ!

    শ্যামা কিন্তু এতে একটু ক্ষুণ্নই হ’ত। দীর্ঘকাল ধরে অহরহ দারিদ্র্য ও উপবাসের সঙ্গে যুদ্ধ ক’রে ওর মনটাও যেন পাল্টে গেছে অনেকটা। মা বেশি করে টাকা দেন না, সেটা যেন মায়ের অন্যায়। মা কোথায় পাবেন সে কথা একবারও ভাবে না। শুধু এইটেই মনে হয়, নিজেরা ত বেশ ভোগেসুখে আছেন–আমার বেলাই যত নেই নেই! ওর মানসিক পরিবর্তন ও নিজেও যেন অনুভব ক তবু তার প্রভাব এড়াতে পারে না।

    কিন্তু মার আশঙ্কা যে কতটা সত্য তা একদিন প্রমাণিত হয়ে গেল। ইতিমধ্যে আবার অন্তসত্ত্বা হয়েছিল শ্যামা। প্রসবের সময় হিসেব ক’রে রাসমণি চিঠি লিখলেন

    ১১৮-

    তাঁর কাছে যাবার জন্যে। শ্যামার তা সাহসে কুলোল না। একমাস দেড়মাস সেখানে থাকতে হবে হয়ত, কিংবা আরও বেশি। তাহ’লে এ বাসা ঘুচবে চিরকালের মত। মার ওখানে তার আশ্রয় মিললেও মিলতে পারে • নরেনের যে স্থান হবে না এটা ত ঠিক। কাজেই অনেক ভেবেচিন্তে সে মাকে লিখলে, ‘কিছু টাকা যদি সম্ভব হয় ত পাঠান মা

    যাওয়া আমার হবে না।

    হাজার হোক সন্তান। রাসমণি অনেক কষ্টে পঞ্চাশটি টাকাই যোগাড় করে পাঠালেন। টাকা যেদিন এল সেদিন নরেন সেখানে উপস্থিত। লোলুপ দৃষ্টিতে টাকাটার দিকে চেয়ে রইল সে, কিন্তু শ্যামার ভয়ে তখন কিছু বলতে পারলে না। ইদানীং শ্যামাও শক্ত হয়ে উঠেছে। তাকে ভয় দেখিয়ে কিছু করা যায় না।

    সন্ধ্যার সময় শ্যামা রান্না চাপিয়েছে, নরেন কাছে এসে বসল।

    ‘কি খবর বলো দিকি? এত ন্যাওটোপনা করছ কেন?’ তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকায়

    শ্যামা।

    ‘না –এমনি। অনেকদিন যেন তোকে ভাল ক’রে দেখি নি। মাইরি বলছি ছোটবৌ, এত দুঃখ-কষ্টে এখনও তোর রুপটা কিন্তু নষ্ট হয় নি। এখনও আর একবার বিয়ে দিয়ে আনা যায়।’

    এ স্তুতির আড়ালে আর কিছু আছে জেনেও পুলকিত হয় শ্যামা। আগুনের তাতে তার শুভ্র ললাটে স্বেদবিন্দুর মধ্যে যে রক্তিমাভা ফুটে উঠেছিল তা নিবিড়তর হয়ে ওঠে 1

    ‘আর হবে না-ই বা কেন? আমার শাশুড়ী ঠাকরুণের রূপটাই কি কম! অন্ধকারে

    যেন জ্বলে! কত বড় বংশের মেয়ে। রাজা-রাজড়ার ঘরে মানাত তোকে নেহাত আমার হাতে এসে পড়েছিস, তাই।’

    শ্যামা বাঁকা কঠাক্ষে ওর মনের কথাটা বোঝবার চেষ্টা করে কিন্তু বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় না। গলাটা হঠাৎ একটু নামিয়ে বলে, মাইরি, ছোটবৌ,তোর দু’টি পায়ে পড়ি–তিনটে টাকা দিবি?’

    ‘টাকা? টাকা কি হবে? টাকা কোথায় পাবোই বা!

    ‘অনেকদিন নেশাভাঙ্ করি নি, তোর দিব্যি বলছি। আজকে শরীরটাও বড় ম্যাজম্যাজ করছে যাবো আর আসবো। একটু বিলিতি খাবার ইচ্ছে হয়েছে আজ।’

    ‘আচ্ছা তোমার একটু লজ্জা করছে না! আমার আঁতুড়ের খরচা বলে মা পাঠিয়েছেন একমাস আঁতুড় ঠেলতে হবে। দাই আছে, খাওয়া-দাওয়া আছে, তোমার ত পাত্তাই থাকবে না। এ সময় উপোস ক’রে থাকলে চলবে? তোমারই দেওয়ার কথা মা পাঠিয়েছেন, বিধবা মানুষ, তাঁকে দেনে-আলা ত কেউ নেই। তাইতেই ত তোমার লজ্জায় মরে যাওয়া উচিত। আর উটে কি না ছি ছি! তোমার কাছে থেকে ঘেন্না-লজ্জা আর আশা করি না, তবু মানুষের কোন পদাত্ত কি আর নেই!’

    ‘মাইরি বলছি, এই তোর দুটি পায়ে পড়ছি এইবারটি দে, তারপর যদি লক্ষ্মীছেলে হয়ে ঘরে বসে না থাকি ত কি বলেছি। দু’মাস কোথাও নড়ব না এই পৈতে ছুঁয়ে বলছি। তোকে, ছেলেমেয়েদের রেঁদে দিতে হবে না?’

    ১১৯

    কোমল হয়ে আসে শ্যামার মন। সে আস্তে আস্তে গোপন ভাণ্ডার থেকে তিনটি টাকা বার করে দেয়।

    তিন

    সেই দিনই রাত্রে শ্যামার ব্যথা উঠল। তখন আর উপায় নেই— পাড়ার যে দুলে- বৌ দাইয়ের কাজ করে তাকেই ডেকে পাঠাতে হ’ল। ছ’বছরের ছেলে হেম সেই জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে অন্ধকার রাত্রে তাকে ডাকতে গেল– আর দ্বিতীয় লোক কৈ! মঙ্গলা ঠাকরুণ অবশ্য পরে এলেন কিন্তু তাঁর ছেলে মেয়েদের ঘুম থেকে তুলে যে দাই ডাকতে পাঠাতে দেবেন না তিনি –এটা শ্যামা বেশ জানত। হেম ভয়ে চোখ বুঝে হোঁচট খেতে খেতে কোনমতে গেল দুলে-বৌ সঙ্গে এল এই যা ভরসা। কিন্তু ততক্ষণে আপনা থেকেই একটি মৃত সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়েছে শ্যামার। দুলে-বৌ-এর মুখে খবরটা শুনে শ্যামার দু চোখ দিয়ে জল পড়তে লাগল, এত কষ্টের সন্তান যদি বা হ’ল বাঁচল না!

    আসবার সময়

    মঙ্গলা এসে হেঁট হয়ে দেখে বললেন, এ বাছা তোমার সোয়ামীর দোষ। নিশ্চয়ই ওর খারাপ ব্যামো আছে। নইলে এমন হ’ত না। আমি ভাবছিলুম যে রাত-বিরেত অন্ধকারে যাও আমার ফলগাছগুলোর সর্বনাশ করতে পেটের জ্বালায় কিছুই ত মানো না তাই বুঝি কি নজর-টজর লেগেছে! কিন্তু এ ত… দেখছিস বসনের মা?’

    বসনের মা দাই ঘাড় নাড়ল, ‘আমারও তাই মনে হচ্ছে মা।’ ওর জা রাধারাণীর কথা মনে পড়ে যায় শ্যামার

    তা হ’লে কি তার কোন

    ছেলেই আর বাঁচবে না? এর কি কোন প্রতিকার কি চিকিৎসা নেই?

    কিন্তু ক্লান্ত চোখ দুটি অবসন্ন হয়ে বুজে আসে। এ সব কথা এখন আলোচনা করতে ইচ্ছাও করে না।

    মঙ্গলা আবশ্যকীয় জিনিসপত্র গুছিয়ে দিয়ে বললেন, ‘তবে তুই সব ধুইয়ে মুছিয়ে দিয়ে যা বসনের মা। আমার আবার ঘরদোর পড়ে রয়েছে, কর্তাকে দোর দিতে বলেছি, দিয়েছে কি না জানি না হয়ত ঘুমিয়েই পড়ল। মনটা আমার সেইখানেই পড়ে রয়েছে। আমি এখন যাই

    বসনের মাও শেষরাত্রে চলে গেল। ছেলেটা ছেঁড়া কাপড়ে জড়ানো পড়ে রইল নরেন এসে না হয় একটা ব্যবস্থা করবে।

    বসনের মা যাবার সময় প্রশ্ন করলো, ‘দোর?’

    ‘ভেজানো থাক। রাত ত প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। উনিও এসে পড়বেন এখন।

    ছেলেমেয়েরা ঘুমিয়ে পড়েছে অনেকক্ষণ। শ্যামার চোখও তন্দ্রায় অবশ হয়ে আসে। তাই সে টেরও পায় না কখন নরেন এসে ঘরে ঢোকে। নেশায় তার চোখ লাল কিন্তু দৃষ্টিতে ঘুমের আমেজ নেই, তাতে ফুলে উঠেছে অপরিসীম ধূর্ততা। নিঃশব্দে ছেঁড়া কাপড়ের পুঁটলির মধ্যে থেকে ন্যাকড়ায় বাঁধা টাকাগুলো বার করে। সবগুলোই

    কন্যাক

    নিয়ে চলে যাচ্ছিল, কি ভেবে ঘুরে এসে দশটা টাকা রেখে যেমন এসেছিল তেমনিই নিঃশব্দে চলে গেল।

    পরের দিন বসনের মা সকালে এসে ঘুম ভাঙাতে শ্যামা হেমকে বললে টাকা বার ক’রে দিতে। কিন্তু পুঁটলি খুলতেই শ্যামা সব বুঝতে পারলে। লজ্জায় অপমানে ঘৃণায় আড়ষ্ট হয়ে বসে রইল অনেকক্ষণ। নরেন চামার কিন্তু এ যেন তার পক্ষে ও

    বিস্ময়কর আচরণ।

    ব্যাপার গতিক দেখে বসনের মা চারটি টাকা নিয়েই চলে গেল। ক্লান্ত শ্যামা মরা ছেলেটাকে দেখিয়ে বললে, ‘ওটার একটা গতি তুমিই করো বসনের মা, যা হোক

    মঙ্গলা এসেও শুনলেন।

    —

    ‘চামার মা, আস্ত চামার! তুমি যাই সতী-সাধ্বী বউ তাই ওর সঙ্গে ঘর করো। ঘেন্না করে অমন ভাতারের নামে। যাক্ গে, তুমি আজ আর উঠো না, আমিই সাবু ক’রে পাঠিয়ে দিচ্ছি, ছেলেমেয়েদেরও খানকতক রুটি গড়ে দিক পিঁটকী। বামুনের ছেলেমেয়ে, ভাত ত দিতে পারব না। বামুন ঠাকরুণ আবার এই সময় দেশে গেলেন

    কিনা।

    তারপর একটু থেমে দম নিয়ে বললেন, ‘ঐ জন্যেই ত কেবল টিক্‌টিক্ করি দোরটা যদি উঠে দিয়ে রাখতে সোয়ামীই হোক যেই হোক এমন নিঃশব্দে কিছু আর নিয়ে যেতে পারতো না!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপাঞ্চজন্য – গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    Next Article উপকণ্ঠে – গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    Related Articles

    গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    পৌষ ফাগুনের পালা – গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    August 7, 2025
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    উপকণ্ঠে – গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    August 7, 2025
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    পাঞ্চজন্য – গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    August 7, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }