Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কলকাতার কাছেই – গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    গজেন্দ্রকুমার মিত্র এক পাতা গল্প415 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. নরেন যখন কলকাতায়

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ওসিআর ভার্সন। ভুল সংশোধন করা হয়নি।

    দিন তিনেক ওখানে কাটিয়ে নরেন যখন কলকাতায় ফেরবার ইচ্ছা প্রকাশ করলে, তখন স্বাভাবিক ভাবে শাশুড়ী এবং বধূ দুজনেরই মুখে এক প্রশ্ন ফুটে উঠল, ‘তারপর?’

    নরেন বোকার মত হাসতে হাসতে মাথা চুলকোতে লাগল, উত্তর দিতে পারলে না। ক্ষমা একটু কঠিন কণ্ঠেই বললেন, ‘দয়া ক’রে তোমার মাগ-ছেলে তুমি নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করো বাবা তাহ’লেই আমি বাঁচি। মা গঙ্গায় গা ঢেলে নিশ্চিত হই।’

    নরেন হি-হি ক’রে হেসে বললে, ‘এ ত মজা মন্দ নয়। ও কাল রাত্তিরে ঠিক এই কথাই বলছিল যে তোমার মার একটা যা হোক ব্যবস্থা করো তাহ’লে মরে রেহাই পাই। হি হি! দুজনে পরামর্শ ক’রে বলছো বুঝি?’

    ‘এ ত পরামর্শ করবার দরকার নেই বাবা, তোমার মত মানুষের সঙ্গে যাদের ঘর করতে হয়, এ ছাড়া আর তাদের গতি কি বলো।’

    ‘বা-রে, সব দোষ বুঝি আমার! সাত-তাড়াতাড়ি একটা বিয়ে দিয়ে ন্যাঞ্জারি করে দিলে, এখন আমাকে সব সামলাতে হবে!’

    ‘বিয়ে যখন দিয়েছিলুম তখন সম্পত্তিও ছিল। যা ছিল চিরকাল বসে খেলেও খেতে পারতিস। সব খোয়ালি, তার জন্যে দায়ী কি আমি?’

    ‘বা! তা ব’লে পুরুষমানুষ –আমোদ-আহ্লাদ করব না!’

    এ লোকের সঙ্গে কথা কইতে যাওয়া বৃথা জেনেই ক্ষমা চুপ ক’রে গেলেন। খানিকটা ভেবে নিয়ে নরেন বললে, ‘দেখা যাক্ দিন-কতক ত ঘুরে আসি।’

    ‘তারপর? আমাদের এই দিন-কতক চলবে কিসে?’

    ‘রাজা বিনে কি আর রাজ্য আটকায়? এতদিন চলল কি ক’রে? হেঁ হেঁ তাছাড়া তোমার হাতেও কিছু ছিল নিশ্চয়ই। কম চাপা মেয়েমানুষ তুমি!’

    ঘৃণায় এত বড় কথাটারও জবাব দিলেন না ক্ষমা। শুধু ছেলে চলে যাবার পরে তুলসীতলায় এসে ঢিপ্ টিপ্‌ করে মাথা খুঁড়তে লাগলেন, ‘ঠাঁকুর, আমাকে নাও! আজও প্রায়শ্চিত্ত হল না, এত কি পাপ করেছিলুম ঠাকুর?’

    এর পর আবার সেই সুদীর্ঘ প্রতীক্ষা। দিন এবং রাত যেন প্রতিদিন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হতে থাকে। প্রতিটি দিন কিসে কাটাৰে সেই এক সমস্যা। তার ওপর শ্যামার আরও বিপদ তার শাশুড়ীকে নিয়ে। এবার নরেন যাবার পর থেকে তিনি যেন খাওয়া-

    দাওয়াও ছেড়ে দিয়েছেন। যা সামান্য ধানচালের যোগাড় হয় তাও তিনি সঞ্চয় ক’রে রাখেন পৌত্র আর পুত্রবধূর জন্য। একেবারে না বসলে শ্যামাও খাবে না ব’লে মাত্র একবার বসেন। শুধুমাত্র মুখে দেওয়া একটা ছোট পাখীর চেয়েও কম খান তিনি। প্রথম প্রথম অনুযোগ করার চেষ্টা করেছে শ্যামা, ‘মা, এমন খেলে বাঁচবেন কী করে?’

    ‘বাঁচবার কি আর দরকার আছে আমার? আরও আমাকে বাঁচতে বলো? আত্মহত্যা মহাপাপ ব’লেই করি না। নইলে মরবার ভয় আর আমার এক তিল নেই মা

    ‘কিন্তু আমরা কোথায় দাঁড়াবো মা? আমাদের কি উপায় হবে?’ শ্যামা হয়ত বলে। ‘উপায় আমি ত কিছু করতে পারছি না মা, সেইটেই ত দুঃখ। এখন যে ভাবে দিন কাটছে তোমার, তার চেয়ে খারাপ আর কি কাটবে মা? এখনও তোমার মা বেঁচে আছেন এক মুঠো ভাত তোমার মিলবেই সে আমি জানি।’

    বধূ আর দেবার মত উত্তর খুঁজে পায় না।

    নরেনের কোন খবরই পাওয়া যায় না। দেবেনেরও তথৈবচ। রাধারাণী সামান্য কিছু লেখাপড়া জানে কিন্তু চিঠি লেখার অভ্যাস নেই। একখানা মাত্র চিঠি দেবেন দিয়েছিল, তাতে শুধু নরেনের উদ্দেশ্যে অশ্রাব্য গালাগালি –কিন্তু এই দুটি আশ্রয়হীনা মেয়েছেলের এখানে দিন কি ক’রে কাটবে সে কথার উল্লেখমাত্ৰ নেই।

    মধ্যে খুব অসহ্য হওয়ায় মা একখানি চিঠি লিখিয়েছিলেন শ্যামাকে দিয়ে পুত্রবধূর নামে। ছেলেটা কি না খেতে পেয়ে মরে যাবে? অন্তত দেবেন যদি পাঁচটা টাকা পাঠায়! দেবেন পাঠিয়েছিল দুটি টাকা। সেই কুপনে লিখেছিল যে, ‘এখানে এক বেটা ইংরেজী- জানা লোক আসিয়া বসিয়াছে যদিও সে আমার চেয়ে বেশি ডাক্তারী জানে না, তথাপি ইংরেজীর ভুচুং দিয়া আমার পসার মাটি করিতে বসিয়াছে। এক্ষণে আমার সংসার চলাই দায়। নচেৎ শ্রীমানকে দেখা ত আমার কর্তব্যের মধ্যেই’ ইত্যাদি—-

    লেখা চলত তার মাকে, সে ইঙ্গিতও যে ক্ষমা দেন নি তা নয় কিন্তু সেখানে শ্যামা অটল। কোন কারণেই সে মার কাছে এই অবস্থায় হাত পাতবে না। মাকে অন্তত সে জানতে দেবে না তার অবস্থাটা। শাশুড়ীও বধূর মন বুঝে স্পষ্ট ক’রে বলতে সাহসে করেন নি কথাটা।

    কিন্তু মাস ছয়েকের মধ্যেই ক্ষমার শরীর অসম্ভব ভেঙ্গে পড়ল। রক্তাল্পতার সমস্ত লক্ষণ দেখা দিল, হাত পা ফুলতে শুরু হ’ল। এইবার যথার্থ প্রমাদ গুনলে শ্যামা। এই বিদেশ-বিভূঁয়ে একা এই অবস্থায় কি করবে সে? বিশেষ তার অল্প বয়স এবং সে সুশ্রী দেখতে– এটার যে কী বিপদ তা পদে পদেই বুঝতে পারে আজকাল। পাশের তাঁতিগিন্নী খুব দেখাশুনো করেন, তেলিপাড়ার দুটি-তিনটি পরিবারও নিয়মিত সাহায্য করে, সেজন্য বিপদ খুব কাছে আসে না কিন্তু আশেপাশেই যে ঘোরে, সে আভাস শ্যামা পায়।

    অল্পবয়সী ছেলেদের অভাব নেই পাড়ায় তারা দুপুর ও অন্ধকার সন্ধ্যায় পাঁচিলের পাশে পাশে শিস্ দিয়ে, ঘোরে, গাছের ডালে উঠে দ্বিতলের বাতায়নবর্তনীয় দৃষ্টি আকর্ষণ করবার চেষ্টা করে এবং অপেক্ষাকৃত অবস্থাপন্ন যারা, তারা নাপিতিনীকে দিয়ে অলঙ্কারের প্রলোভন দেখায়। শুধু তাঁতিগিন্নীর পাঁচটি জোয়ান ছেলে আছে ঘরে এবং তিনি প্রায়ই বেশ চেঁচিয়ে বলে যান ‘কেউ যদি একটু ওপর-নজরে

    ৫১

    চায় বৌমা, কি কিছু ইশেরা-ইঙ্গিত করে, তখুনি আমাকে বলে দেবে মা দিনে- দুপুরে তা মুণ্ডুটা ধড় থেকে ছিঁড়ে নিয়ে তোমার পায়ের কাছে ফেলে দেবে আমার ব্যাটারা। হ্যাঁ,– ওরা পাঁচ ভাইয়ে লাঠি ধরলে কোম্পানীর ফৌজে কিছু করতে পারবে

    সেইজন্য বাড়াবাড়ি করতে কেউ সাহস করে না।

    না!’

    মাসখানেক ধরে চিন্তা ক’রে শ্যামা ওর মাকেই একখানা চিঠি লিখলে। সব খুলেই লিখতে হ’ল। মিছিমিছি আর গোপন ক’রে লাভ নেই।

    কিন্তু সেই চিঠির যা জবাব এল তা শ্যামাকে আবারও পাথর ক’রে দিলে। স্বামীর কোন ব্যবহারেই আজ ও বিস্মিত বোধ করবে না এমন একটা ধারণা ওর হয়েছিল কিন্তু মার চিঠি পেয়ে বুঝলে যে এখনও ওর সেই লোকটিকে চিনতেই বহু বিলম্ব আছে।

    মা যা লিখেছিলেন তার তারিখ মিলিয়ে শ্যামা দেখলে যে এখান থেকে ফিরে দিনকতক পরেই নরেন রাসমণির সঙ্গে দেখা করে এবং শ্যামা ও খোকার এক কল্পিত রোগের বিস্তৃত বিবরণ দিয়ে কিছু অর্থ সাহায্য চায়। নরেনকে চিনলেও সে বিবরণ শুনে তিনি স্থির থাকতে পারেন নি ঋণ ক’রেও কিছু টাকা দিয়েছিলেন। তারপর আরও বার-দুই কিছু কিছু দেবার পর তাঁর সন্দেহ হয়, তিনি সোজা বলেন যে মেয়ের নিজের হাতের লেখা চিঠি না পেলে তিনি আর এক পয়সাও দেবেন না। নরেন সেখান থেকে ফিরে বড় শালী কমলার কাছে যায় এবং সেখান থেকেও চোখের জল ফেলে দু- দফায় মোটা টাকা আদায় করে। দৈবাৎ কমলা বাপের বাড়ি আসায় কথায় কথায় কথাটা বেরিয়ে পড়ে এবং কমলাও সতর্ক হয়। শেষ কমলার কাছে প্রত্যাখ্যাত হবার পর নরেন আর আসে নি।

    এ ছাড়াও চিঠিতে দুঃসংবাদ ছিল। উমার স্বামী রাত্রে কোনদিনই বাড়ি আসে না। বিবাহের আগে থেকেই সে বেশ্যাসক্ত সে কথা নাকি ফুলশয্যার রাত্রে উমার কাছে অকপটে স্বীকার করেছে। তার ওপর তার শাশুড়ীর যে অমানুষিক নির্যাতনের সংবাদ লোকমুখে রাসমণির কাছে আসছে তা চিঠিতে লেখা যায় না। উমা কিছুই বলে না কিন্তু বহু লোকের মুখে একই কথা শুনছেন তিনি, কাজেই অবিশ্বাসের কোন কারণ নেই। রাসমণির বহুদিন ধরেই ঘুম হ’ত না রাত্রে এখন ফিটের অসুখ দেখা দেয়েছে। একা থাকতে হয় কোন্ দিন মরে পড়ে থাকবেন এই ভয়ে বড়মাসিমাকে আনিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন কিন্তু তিনি দিনকতক থেকে ঝগড়া ক’রে চলে গেছেন। এ অবস্থায় যদি শ্যামা তার শাশুড়িকে বুঝিয়ে কোনমতে ওর কাছে নিয়ে যেতে পারে ত প্রকারান্তরে রাসমণির উপকার করাই হবে।

    চিঠি পড়তে পড়তে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে চোখ দিয়ে ঝরঝর ক’রে জল পড়তে থাকে শ্যমার। ক্ষমা তা লক্ষ্য ক’রে ব্যাকুল হয়ে বলেন, ‘কী লিখেছেন বেয়ান, বৌমা? খারাপ খবর কি কিছু? · আমাকে পড়ে শোনাও না মা

    চোখ মুছে চিঠি পড়বার চেষ্টা করে শ্যামা কিন্তু প্রথম প্রথম কিছুক্ষণ ঠোঁট দুটোই নড়ে শুধু তা দিয়ে স্বর বেরোয় না। অনেকক্ষণ পরে অতিকষ্টে সে একটু একটু ক’রে পড়ল। ক্ষমা প্রথম অংশটা শুনে আর্ত চিৎকার করে উঠেছিলেন একবার, ‘ঠাকুর, আর কত শোনাবে ছেলের কীর্তি! এবার নাও দয়া করো।’ কিন্তু শেষাংশ শুনে কে

    জানে কেন যেন কতকটা শান্ত হয়ে উঠলেন। উমার সুখ-সৌভাগ্যের সংবাদ এলে যেন সেজন্য অপরের, দুর্ভাগ্যের বিবরণ তাঁর কাছে মনের

    তাঁর আরও লজ্জার কারণ হ’ত

    অজ্ঞাতেই সান্ত্বনার কারণ হয়ে উঠল।

    তিনি বললেন, ‘তোমার মার উঁচু মন বৌমা, অমনকরে লিখেছেন। ভিক্ষে কি ক’রে দিতে হয় তা তিনি জানেন। তোমার মাদেবী।’

    শ্যামা নিমেষে আশ্বস্ত হয়ে উঠে বললে, ‘তাহ’লে মাকে লিখে দিই যে আমরা যাচ্ছি?’

    ক্ষমা একটু চুপ ক’রে থেকে বললেন, ‘বৌমা, দীর্ঘ জীবনটা কেটে গেল, আর কটা দিন বা বাঁচব, বেশ বুঝতে পারছি যে ভেতরে ভেতরে শেষ হয়ে এসেছে। আর কেন মা পারো ত অন্তত এ অপমানটা থেকে বাঁচাও আমাকে।’

    এরপর আর অনুরোধ করতে পারে না শ্যামা কিন্তু ভয়ে ওর ঘুম হয় না রাত্রে। দিন দিন ক্ষমা শয্যাগত হয়ে পড়ছেন, এর পর আর নিয়ে যাওয়াও যাবে না।

    কিন্তু দিন-দুই পরে ক্ষমাই কথাটা পাড়লেন। শ্যামাকে ডেকে বললেন, ‘বৌমা, এখানে আর থাকা উচিত নয়। বেশ বুঝতে পারছি এই যে শয্যা পেতেছি এই শেষ। এঁরা অবশ্য আছেন, দেখাশুনোও করবেন জানি, তবু যতটা সম্ভব তোমার মার কাছেই থাকা উচিত এখন। এক কাজ করো মা, ঐ পাড়ায় আমার শ্বশুরের এক শিষ্য আছেন উকিল

    তাঁকে চিঠি দাও, যেন কোনমতে একটা ঘর দেখে দেন তাঁর বাড়ির কাছে। বাসন-কোসনগুলো ত আছে, তাঁতি-বৌয়ের ছেলেদের দিয়ে কতক কতক যদি বিক্রি করাতে পারি ওরা ত নবদ্দীপে যায়, সেখানেও বেচে দিতে পারে তাহ’লে দুটো-একটা মাসের খরচ চলে যাবে। তারপর ওখানে তোমার মা রইলেন, তিনি তোমাকে দেখতে পারবেন।’

    —

    শ্যামা এ ব্যবস্থার সহস্র অসুবিধার কথা ব’লে আর একবার বোঝাতে চেষ্টা করলে, কিন্তু তিনি কেঁদে ওর হাত দুটো চেপে ধরলেন, ‘মা, তার চেয়ে গঙ্গায় গা ঢালাও আমার কাছে ঢের সহজ।

    অগত্যা কলকাতার সেই শিষ্যবাড়ি চিঠি লেখা হ’ল। উকিলবাবুটি পত্রপাঠ উত্তর দিয়ে জানালেন যে তাঁরই একখানা ঘর খালি পড়ে আছে। একেবারে পৃথক মত, স্বচ্ছন্দে তাঁরা গিয়ে থাকতে পারেন। তারপর, যদি সেখানে ওঁদের সুবিধা না হয়, নিজেরা আশেপাশে ঘর দেখে নিতে পারবেন।

    উনি।

    ক্ষমা চিঠিটা শুনে বললেন, ‘যদিও ছেলেদের বিদ্যের বহর দেখে ওরা গুরুবংশ ত্যাগ করেছে, তাহ’লেও আমি জানতুম যে আমাকে একেবারে ত্যাগ করতে পারবে না। ওঁর ছেলেকে দীক্ষা দেবার আগে আমার কাছ থেকেই অনুমতি নিয়ে তবে অন্য গুরু করেন তাই চল মা, স্বামী-শ্বশুরের শিষ্য বংশ, সেখানে তবু জোর আছে কিছু!’ তাঁতিগিন্নীকে বলতে ওর ছেলেরা নবদ্বীপ থেকে কাঁসারি ডেকে আনলে ব্রাহ্মণের বাসন কোন গৃহস্থ ওখানে কিনতে রাজী হ’ল না। যা টাকা পাওয়া গেল তাতে খুচরো দেনা শোধ ক’রে হাতে ত্রিশ-চল্লিশ টাকার বেশি রইল না। সেই ক’টি টাকা

    করে যাতে

    না। সেইল না। ভরসা করেই দুটি স্ত্রীলোক বহু দিনের আশ্রয় গুপ্তিপাড়া একদিন ত্যাগ করলেন।

    —

    তবু

    দুই

    কলকাতায় এসেই ক্ষমার শরীর একেবারে ভেঙে পড়ল। রাসমণি অনেক দেখেছেন– তিনি দিন সাতেক দেখেই মেয়েকে বললেন, ‘ভাল বুঝছি না মা ভাশুরকে লেখা দরকার!’

    তোর

    নরেনের ঠিকানা কারও জানা নেই। এ অবস্থায় দেবেনকে লেখা ছাড়া উপায় কি? শ্যামা বড় জাকে বিস্তৃত চিঠি লিখে দিলে, তবু দেবেনের আসতে দিন চারেক দেরি হ’ল। শেষ পর্যন্ত যখন সে এসে পৌঁছল তখন ক্ষমার প্রায় কথা বন্ধ হয়ে এসেছে। দেবেন পাশে গিয়ে বসে কাঁদতে লাগল। ক্ষমা অতি কষ্টে কম্পিত হাতখানি তুলে ওর চোখ মুছিয়ে দিয়ে মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ করলেন।

    বাবা?

    ‘মা, কিছু খেতে ইচ্ছা হয় তোমার?’

    দেবেন প্রশ্ন করে।

    ক্ষমা হাসলেন একটু। তারপর অতিকষ্টে বললেন, ‘নরেন

    ‘তার কথা আবার মুখে আনছ মা তুমি? তোমার লজ্জা করে না?

    সে নাম আমার কাছে ব’লো না

    সাফ ব’লে দিলুম!’

    রাসমণি ঘোমটা দিয়ে একপাশে বসেছিলেন, বাধ্য হয়ে এবার মুখ খুললেন। বললেন, ‘বাবা, যতই যা হোক তাকে উনি পেটে ধরেছেন। নাড়ীর টান কোথায় যাবে তুমিও ত কম অপরাধ করো নি বাবা, তবু তোমাকেও উনি আশীর্বাদ করেছেন!’ দেবেন জ্বলে উঠে বললে, ‘সে হারামজাদা শুয়োরের বাচ্চা দেখুনগে যান খাকী- বাড়ি পড়ে আছে, আমি সেইখানে যাবো নাকি

    তাকে ডাকতে?’

    রাসমণি আর কথা কইলেন না। কিন্তু দেবেন নিজেই খানিকটা ইতস্তত ক’রে সন্ধ্যার পর বেরিয়ে পড়ল। সন্ধ্যা থেকে রাত্রি গম্ভীর হয়ে এল ক্ষমার শ্বাসকষ্ট শুরু হ’ল তবু কারও দেখা নেই। না দেবেনের না নরেনের। রাসমণি প্রমাদ গুনলেন। শেষে শেষরাত্রে বললেন, তোমরাই একটু একটু গঙ্গাজল দাও আর নাম শোনাও পাষন্ড ছেলেদের হাতে জল নেওয়ার অপমানটা বোধ হয় অদৃষ্টে নেই।’ তিনি নিজেও বেয়ানের বুকে হাত বুলিয়ে নাম শোনাতে লাগলেন।

    দেবেন এল একেবারে সকাল বেলা। তখন ক্ষমার শেষ নিঃশ্বাস বেরিয়ে গেছে। খানিকটা থমকে দাঁড়িয়ে থেকে বললে, ‘তা আমি কী করব! মা মাগীর জন্যেই ত এইটি হল ও শালাকে খুঁজতে গিয়ে খুঁজে ত পেলুমই না লাভে হ’তে পুরোনো জায়গায় গিয়েছি, সেই সব পাল্লায় পড়ে কি আর বেরিয়ে আসা যায়! মাঝখান থেকে মার শেষ সময়টায় মুখে একটু জল পড়ল না! ছো!’

    তিন

    –

    নরেন যে সংবাদটা পায় নি তা নয়– কিন্তু শ্রাদ্ধের খরচের প্রশ্নটা উঠবে বলেই বোধ হয় এল ঘাটের আগের দিন। যেন সংবাদটা এইমাত্র পেলে এই ভাবে ছুটতে ছুটতে এসে ঢুকে, ‘য়্যা– মা নেই। মা, মাগো!’ বলে ডাক ছেড়ে কেঁদে উঠল।

    ৫৪

    দেবেন খানিকটা চুপ ক’রে ছিল কিন্তু তারপরই দিলে এক ধমক, ‘মেলা য়্যাক্টো করিস্ নি নরো– চুপ ক’রে থাক্ তোকে চিনতে কারুর বাকী নেই। খবর কি তুই আজ পেলি?’

    ‘মাইরি দাদা, তোমার দিব্যি বলছি।’ এই বলে নরেন ওর দিকে দু পা এগিয়ে এল হয়ত বা গায়ে হাত দিয়ে দিব্যি গালতেই।

    ‘খবরদার ছুঁস নি। মিথ্যাবাদী কম্‌নেকার

    দাড়িগোঁফ কেন? খালি পায়ে এলি কেন?’

    জানিস না যদি ত মুখে একগাল

    নরেনের- মাথায় অত কথা যায় নি। খানিকটা থতমত খেয়ে চুপ ক’রে থেকে নাকীসুরে বিনিয়ে বিনিয়ে বলতে শুরু করলে, ‘বলে আমি মরতে বসেছিলুম, আজ এক মাস রোগে ভুগছি।’

    ‘হ্যাঁ –এক মাস ভোগারই চেহারা বটে। তোর মিছে কথা শুনলে ঘেন্না করে।’

    ‘দ্যাখো দাদা, বেশি সতীপনা করো না। তুমি সে রাত্তিরে কোথায় কাটিয়েছিলে তা জানি নে?’

    ‘দেখলে দেখলে

    নচ্ছার হারামজাদার মিছে কথা ধরা পড়ে গেল। দেখলে!’

    প্রায় চুলোচুলি বেধে ওঠে দেখে রাসমণি এগিয়ে এলেন। তিনি শ্রাদ্ধের যোগাড় ইত্যাদির ব্যাপারে কদিন এখানেই থাকছেন সারাদিন। খরচও তাঁরই দেবেন খবর পেয়ে এক কাপড়ে চলে এসেছে এই অজুহাত দিয়ে নিশ্চিন্ত হয়ে বসে আছে। রাসমণি ডাকলেন, ‘দেবেন! এই কটা দিনও যদি ভাল থেকে মার কাজটা করতে না পারো বাবা, তাহ’লে আর এ সবে কাজ নেই –জিনিসগুলো গঙ্গায় ভাসিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্ত হও!’

    সে কণ্ঠস্বরে শুধু দেবেন নয়, নরেনও নিস্তব্ধ হয়ে গেল।

    কিন্তু কোনমতে শ্রাদ্ধটা কাটিয়েই নরেন আবার ডুব মারলে। নিয়মভঙ্গের দিনও রইল না। তিনি চার দিন পরে মাথা চুলকে দেবেন বললে, সেখানে বিস্তর ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে আমি ত আর অপেক্ষা করতে পারি না মা!’

    ‘আর কেন অপেক্ষা করবে বাবা, তুমি যাও। আমি যখন ওকে পেটে জায়গা দিয়েছি—- হাঁড়িতেও জায়গা দিতে পারব।’

    রাধারাণী অনেকক্ষণ ধরে কাঁদল শ্যামাকে জড়িয়ে ধরে। তার চেহারা হয়ে গেছে কঙ্কালসার। সর্বাঙ্গে ঘা চোখ দিয়ে নাকি আজকাল পুঁজ পড়ে। বললে, ‘আমি আর

    বেশি দিন বাঁচব না, ভাই, এই হয়ত শেষ দেখা –‘

    ‘ছি! কী যে বলো দিদি!’

    ‘না ভাই, খারাপ ব্যামো ধরিয়েছিল বস্তিতে গিয়ে

    সেই রোগ আমাতেও ছড়িয়ে

    গেছে। আর বাঁচবার সাধও নেই। ভয় শুধু ছেলেটার জন্যেই—-দেখছিস ত ওরও কি অবস্থা। ছেলেটাও বেশি দিন বাঁচবে না তাও বুঝছি। তবে আমি আগে যেতে পারি যাতে, সেই কথা বল্ তোরা।’

    শ্যামা শোনে আর শিউরে ওঠে।

    –

    খারাপ ব্যামো সম্বন্ধে পরিষ্কার কোন ধারণা নেই তার –কিন্তু ওর সন্দেহ হয় নরেনেরও তেমনি একটা কিছু আছে। এর আগের বারে সে তাকে সোজাসুজি প্রশ্ন করেছিল। নরেন সদম্ভে উত্তর দিয়েছিল, ‘হবে না কেন, হয়েছে। ও সব ডাকসাইটে

    ৫৫

    পাড়ায় গেলেই হয়ে –তাই ব’লে আমি কি দাদার মত? আমি দস্তরমত চিকিচ্ছে করিয়েছি। কবিরাজী চিকিচ্ছে!

    কিন্তু সে কথায় শ্যামার আস্থা কম। অথচ তার দেহের মধ্যে আর একটি সন্তানের আগমন-সম্ভাবনা প্রায় আসন্ন হয়ে এসেছে। কী হবে তাই ভেবে এখন থেকেই ওর ঘুম হয় না।

    মা বললেন, ‘তাহ’লে তুই নে তৈরি হয়ে।’

    শ্যামা ঘাড় নেড়ে বললে, ‘আমি যাবো না মা।’

    ‘সে কি রে, এখানে কে তোকে দেখবে? আমিই বা রোজ আসি কি ক’রে?’

    ‘কিন্তু মা–ওখানে গেলে ও আর কোন দিনই আমাকে নিয়ে যাবে না, দিব্যি তোমার ঘাড়ে সব চাপিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্ত হবে, নিজেও দিব্যি হয়ত চেপে বসবে।’

    ‘সে ওষুধ আমার আছে মা। তুমি ভেবো না। তোমাকে রাখব ব’লে ওকে বাড়ি ঢুকতে দেব তা ভেব না।’

    শ্যামা কী করবে ভেবে পায় না। অথচ এখানে একা থাকা, আসন্ন সন্তান-সম্ভাবনা- সে যে অসম্ভব। দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলে চোখের জল মুছতে মুছতে উঠে পড়ে। বহুদিন পরে বাপের বাড়ি যাবে, মার কাছে যাবে কিন্তু কিছুমাত্র আনন্দ হচ্ছে না তার। এমন নিরানন্দে বাপের বাড়ি যাওয়ার কথা কোন মেয়ে কখনও বোধ হয় কল্পনা করতে পারবে না।

    স্বামীকে মা বাড়ি ঢুকতে দেবেন না। সে যদি কোনদিন বাড়িতে না-ই ঢোকে? চিরকাল বাপের বাড়ি থাকা? মার কাছে? মা-ই বা কদিন? দুশ্চিন্তায় হাত পা যেন পাথরের মত হয়ে ওঠে –তাড়াতাড়ি নাড়তেও পারে না।

    চার

    শ্যামাকে বেশিদিন একা থাকতে হ’ল না। উমা এসে জুটল মাসখানেকের মধ্যেই। একদিন সন্ধ্যায় বসে শ্যামা মাকে মহাভারত পড়ে শোনাচ্ছে

    উঠল কট কট কট কট্ ক’রে।

    দরজার কড়া নড়ে

    ‘এমন ভাবে কে কড়া নাড়ে রে!’ রাসমণি বিস্মিত হয়ে ঝিয়ের সঙ্গে সঙ্গে নিচে নেমে এলেন। দরজা খুলে দেখা গেল একটি মোটাসোটা বর্ষীয়সী মহিলা-এক গা গহনা, চওড়া-পেড়ে দামী শাড়ি পরনে তার পিছনে উমা। উমা মাথা হেঁট ক’রে দাঁড়িয়ে কাঁদছে ও কাঁপছে থরথর ক’রে।

    এ কী ব্যাপার!’ রাসমণি অতি কষ্টে বলেন।

    ‘বলি বাছা, তুমি এর মা?’

    ‘আজ্ঞে হ্যাঁ।’

    ‘মাগী, পেটে ঠাঁই দিয়েছিস্ হাঁড়িতে দিতে পারিস্ নি? মেয়েকে কি করতে রেখে দিয়েছিস্ সেখানে? এর চেয়ে দাসীবৃত্তি করলে যে খোরপোশ ছাড়া মাইনে পেত কিছু। সে তাড়কা রাক্কুসীর কাছে কিনে দিলেও ত হ’ত–

    পালার ত

    রখে একগাছা দড়ি আর একটা কলসী

    19

    রাসমণি ততক্ষণে একটু সামলে নিয়েছেন। বললেন, ‘আপনি কে জানি না

    একথা কেন বলছেন তাও জানি না, কিন্তু মা

    মেয়েকে শ্বশুর-বাড়ি থেকে বাপের

    —

    বাড়ি এনে রাখাটা কি খুব সম্মানের কথা? শ্বশুরবাড়িতে দাসীবৃত্তি করাও ভাল এই শিক্ষাই পেয়েছি আমরা!’

    –

    ‘তা কি আমরা জানি নে বাছা’, একটু নরম হয়ে তখন তিনি বললেন, ‘আমরাও হিদুর ঘরের মেয়ে। শ’বাজার রাজবাড়ির মেয়ে আমি উচিত-অনুচিত সবই বুঝি। কিন্তু মা সম্ভব-অসম্ভব আছে ত। আমার বাড়ি বাছা ঐ পাড়াতেই, তোমার বেয়ানবাড়ির উঠোন আমার জানালা দিয়ে দেখা যায় সবই দেখি। আজ তিন দিন এই মেয়েটাকে খেতে দেয় নি, তার ওপর সমানে খাটাচ্ছে। আজ ঘড়া ক’রে রাস্তার কল থেকে জল আনতে গিয়ে উঠোনে আছাড় খেলে, শাশুড়ী মাগী ছুটে এসে আগে ঘড়া দেখছে, আমি আর অচৈরণ সইতে না পেরে বলনু যে আগে ঐ কচি মেয়েটাকে দ্যাখো বাছা। তা বললে কি, বউ গেলে আবার বউ হবে ঘড়া গেলে কিনতে হবে নগদ টাকা দিয়ে। তাও গেল আজও সারাদিন ঐ ছুতো ক’রে খেতে দেয় নি। কি ভাগ্যি সন্ধ্যেবেলা মাগী বেরিয়েছে ছেলের অফিসে না কোথায় সেই ফাঁকে আমি ওকে বার ক’রে নিয়ে এসেছি। এখন পুষতে পারো পোষো নয়ত একটা কলসী কিনে গঙ্গায় দিয়ে এসো নিজে হাতে –‘

    এক নিঃশ্বাসে এতগুলো কথা বলে তিনি যেন হাঁপাতে লাগলেন। রাসমণি হেঁট হয়ে প্রণাম করতে গেলে, এতখানি জিভ্ কেটে বললেন, ‘হাঁ হাঁ বাছা করো কি! তোমরা ব্রাহ্মণ। পাপে ডুবিও না।’

    •

    ‘মা পৈতে থাকলেই ব্রাহ্মণ হয় না আপনি অনেক ব্রাহ্মণের চেয়ে উঁচু!’

    ‘তা হোক বাছা। বাপরে– হাজার হোক তোমরা বামুনের মেয়ে– গোখরো সাপ!’

    তিনি আর বসলেন না

    ওখান থেকেই বিদায় নিলেন। গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে,

    সেই গাড়িতেই ফিরে যাবেন এই অজুহাতে থাকতে রাজী হলেন না।

    –

    সে রাত এই তিনটি প্রাণীর যে ভাবে কাটল, তা অবর্ণনীয়। দুই বোনের চোখের জল একবারও শুকোল না শুধু রাসমণি স্তম্ভিত স্থির ভাবে বসে রইলেন। ভোরের দিকে বার-দুই পর পর ফিট্ হবার পর প্রথম তাঁর চোখের জল এল।

    পরের দিন সকালেই দয়াময়ী এসে হাজির হলেন। ভেতরে ঢুকে উঠোনে দাঁড়িয়ে হাঁক দিলেন, কৈ, কে কোথায় সব! আমার আর দাঁড়াবার সময় নেই।’

    উমা সে কণ্ঠস্বর শুনেই সভয়ে জড়িয়ে ধরল শ্যামাকে। রাসমণি বেরিয়ে এলেন। ‘শোন বাপু। যে শিক্ষা দিয়েছ তোমার মেয়েকে, তার উপযুক্ত কাজই সে করেছে কাল কুলত্যাগ ক’রে বেরিয়ে গেছে সে। কর্তব্য বুঝে জানালুম, এর পর আমার কোন দায়-দোষ নেই। ‘

    ‘শ্বশুরবাড়ির শিক্ষা বেশি দিন পেলে হয়ত তাই করত বেয়ান’, রাসমণি কঠিন কণ্ঠে বলেন, ‘কিন্তু আমার শিক্ষা এখনও ভোলে নি বলেই তা করে নি। তাকে আমি এখানে এনে রেখেছি।

    ཁ་བ། ང་། ངས་ད་འ་དང་

    ‘অ! তাই ত বলি

    মা-মাগীর যোগ-সাজস! দ্যাখো, ভাল চাও ত আমার বৌ

    এখনি বার করো, নইলে আমি থানা-পুলিশ করব!’

    ‘ক্ষমতা থাকে তাই করো। আমার মেয়ে ও বাড়ির চৌকাঠ আর মাড়াবে না! কণ্ঠস্বর শান্ত কিন্তু চোখের দৃষ্টিতে আগুন জ্বলে ওঠে ওঁর।

    ‘তাই বা কেন! আমি থানা-পুলিসের তোয়াক্কা রাখি না, আমি নিজেই নিয়ে যাবো। দেখি কে আটকায়!’ দয়াময়ী দু পা এগিয়ে এলেন।

    দয়াময়ী ছিলেন উঠোনে, রাসমণি রকের ওপরে। অকস্মাৎ তাঁর শরীরের সমস্ত রক্ত যেন ফুটে উঠল টগবগ ক’রে তিনি পাশ থেকে বড় বঁটিখানা তুলে নিলেন।

    ‘নরহত্যা মহাপাপ কিন্তু জানি মা জগজ্জননী এতে অপরাধ নেবেন না। তুমি যা করেছ তারপর তোমার সামনে দাঁড়িয়ে পাগল না হওয়া অসম্ভব! আর যদি এক মিনিট এখানে থাকো ত বঁটি দিয়ে দুখানা ক’রে ফেলব। এই গুরুর দিব্যি বলছি।’

    সে সময় রাসমণির যে রুদ্র মূর্তি ফুটে উঠেছিল তা দেখে দয়াময়ীও ভয় পেয়ে কোনোমতে পা পা ক’রে পিছিয়ে এসে দ্রুত বেরিয়ে গেলেন। আর একটি

    গেলেন

    কথাও বলতে সাহসে কুলোলো না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপাঞ্চজন্য – গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    Next Article উপকণ্ঠে – গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    Related Articles

    গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    পৌষ ফাগুনের পালা – গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    August 7, 2025
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    উপকণ্ঠে – গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    August 7, 2025
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    পাঞ্চজন্য – গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    August 7, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }