Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কলকাতার কাছেই – গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    গজেন্দ্রকুমার মিত্র এক পাতা গল্প415 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. মা আর দুই মেয়ে

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ওসিআর ভার্সন। ভুল সংশোধন করা হয়নি।

    মা আর দুই মেয়ে। বেকার ছোকরাদের ভয়

    একটা গোটা দোতলা বাড়ির মধ্যে মাত্র তিনটি প্রাণী ওরা শ্যামার খোকা ত শিশু। আর অবশ্য একটি ঝি আছে। পাড়ার থাকা সত্ত্বেও চাকর রাখতে আর ভরসা হয় না রাসমণির প্রথমত রূপসী ও তরুণী মেয়েরা রয়েছে বাড়িতে, দ্বিতীয়ত অসহায় তিনটি মেয়েছেলে, চাকর যে কেমন হবে তা কে জানে! খুন ক’রে সর্বস্ব নিয়ে যাওয়ার ইতিহাসও ত বিরল নয়!

    –

    কিন্তু সে যাই হোক্ এদের যেন দিন আর কাটে না। কাজ সামান্য, রাসমণিই সেটুকু করেন। তাছাড়া তাঁর নিত্য গঙ্গাস্নান আছে, পূজা-আহ্নিক আছে। ভগবানের কাছে দুঃখ জানিয়ে কেঁদেও অনেকটা সান্ত্বনা পান। কিশোরী দুটি মেয়েকে সে পরামর্শও কেউ কেউ দেন বৈকি পাড়াপড়শী যারা আসেন, কিন্তু রাসমণি সে চেষ্টা করেন না। তিনি জানেন যে তা নিরর্থক। দেহ যে বয়সে পৌঁছলে মন ঈশ্বরাভিমুখী হয়, সে বয়সের এখনও বহু বিলম্ব ওদের। তিনি বলেন, ‘ওটা ভগবানকে নিয়ে ছেলেখেলা করা। ওতে পাপ আরও বাড়ে। ইষ্টের ছবি সামনে রেখে যদি মানুষকে ভাবে, তার মত পাপ আর কি আছে! তার চেয়ে কাঁদুক ওরা। ভগবান ওদের কাঁদতেই পাঠিয়েছেন পৃথিবীতে, নইলে এমন হবে কেন?’

    উমার এই সময় একটা অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হয়। কারুর মর্মন্তুদ দুঃখের কাহিনী যে ঈর্ষার বিষয় হ’তে পারে, এ নিজে না অনুভব করলে হয়ত বিশ্বাসই করত না। শ্যামা যখন একের পর এক তার দুর্বিষহ বেদনার কাহিনী বিবৃত করতে থাকে তখন সহানুভূতিতে উমার চোখ ছলছল করতে থাকলেও মনে মনে কেমন একটা অকারণ ঈর্ষাই অনুভব করেও। মনে হয়, তবু শ্যামা এত দুঃখের মধ্যেও জীবনের স্বাদ কিছু পেয়েছে। আঘাত পেয়েছে কিন্তু তাইতেই কি এটা প্রমাণ হয় না যে কিছু পেয়েছে সে স্বামীর কাছ থেকে? আঘাত পাওয়াও পাওয়া। তার স্বামীর মত ত উদাসীন নয় শ্যামার বর! জোর ক’রে দখল প্রমাণ ক’রে, সম্ভোগ করে সে পশুর মত বলপ্রয়োগ ক’রে তবু, তবু তা থেকে আসক্তিরই পরিচয় পাওয়া যায়। আর ওর স্বামী? রূপবান, মিষ্টভাষী

    –যে কোন মেয়েরই কামনা করার মত তার কাছে ওর পরিপূর্ণ কৈশোরের সমস্ত কামনা ও অনুরাগের ডালি নিয়ে গিয়ে ফিরে এল, সে কঠোর

    ঔদাসীন্য ও অনাসক্তির কপাট এতটুকু টলাতে পারলে না।

    এক এক সময় মনে হয়

    তার স্বামী অমনি নিষ্ঠুর, অমনি পশু হ’লেও সে নিজের জীবন ধন্য, সার্থক মনে করত। যে সুখের স্বাদ সে কোনদিনই পেলে না, শুধু তার ইঙ্গিত মাত্ৰ পেলে সে সুখের সঙ্গে মিশে যত আঘাতই আসুক না, সানন্দে সহ্য করত সে। আর হয়ত তাই স্বাভাবিক। নইলে শ্যামাও তার দানব স্বামীর জন্য প্রতিটি মুহূর্ত গুনত না

    উমা শোনে আর মধ্যে মধ্যে তার বুক চিরে এক একটা দীর্ঘনিঃশ্বাস পড়ে। শ্যামা মনে করে সেটা তার দুঃখের সমবেদনায় কিন্তু উমা অত্যন্ত লজ্জার সঙ্গে মনে মনে স্বীকার করতে বাধ্য হয় যে তা নয়–যেটা পেয়ে শ্যামার দুঃখ, সেটা না পেয়েই উমার এই দীর্ঘশ্বাস!

    এমনই হয় জীবনে। আমার কাছে যা দৈন্য তা হয়ত তোমার কাছে ঐশ্বর্য পৃথিবীর সব অভাবই তাই আপেক্ষিক। যে মানুষ বৃহত্তর বেদনার ছবি দেখে সামনে, সে নিজের বেদনায় সান্ত্বনা পায় সহজে।

    সে কথা থাক

    শ্যামার প্রসবের সময় এগিয়ে আসে। রাসমণি বিপন্ন বোধ করেন। বড় জামাই ধনী ব্যক্তি,–অর্থসাহায্য করা তার পক্ষে সামান্য কথা। কিন্তু এসব ব্যাপারে অর্থের চেয়ে লোকবলটা বেশি প্রয়োজন। প্রয়োজন একটি পুরুষমানুষের। রাসমণি এক এক সময় আর সহ্য করতে পারেন না– অনুপস্থিত জামাইকে লক্ষ্য ক’রে কটুক্তি করেন, ‘ভাত দেবার ভাতার নয় নাক কাটার গোসাই! এদিক নেই ওদিক আছে। আর তুইও তেমনি বেহায়া মেয়ে।’

    –

    ইত্যাদি।

    কিন্তু তাতে শ্যামার অশ্রুর পরিমাণই শুধু বেড়ে যায়। এক একদিন সে রাগ ক’রে খায় না। স্বামীর বিরহ যত দীর্ঘতর হয় ততই যেন এক অদ্ভুত নিয়মে তার দোষগুলো মুছে যায় ওর মানস-চিত্র থেকে। এমনও ওর মনে হয় এক এক সময়ে যে, সে এখন এসে পড়লে যেন সব সমস্যার সমাধান হ’ত। যদিও নিজের মনেই সে জানে এ-কথা

    কল্পনা করাও হাস্যকর।

    রাসমনি অবশেষে অদ্ভুত ভাবে এক আশ্রয় পেয়ে যান।

    —

    সেটা এক বর্ষার রাত ওঁরা তিনজনে শুয়েছেন একই ঘরে বাকী গোটা বাড়িটা খালি। এমন সময় শোনা গেল গলির দিকের বারান্দায় কার পায়ের শব্দ!

    ভয়ে চেঁচিয়ে ওঠবারই কথা কিন্তু রাসমণি ভিন্ন প্রকৃতির মানুষ। তিনি উঠে জানালার ফাঁক দিয়ে দেখতে গেলেন। তবে যে লোকটিকে নজরে পড়ল তাকে দেখে রাসমণিও মুখ গেল শুকিয়ে। পাড়ার এক বিখ্যাত জমিদার-বাড়ির বেকার ছেলে নিজে গুণ্ডা এবং একটি দুর্ধর্ষ গুণ্ডার দলের প্রতিপালক। ইতিমধ্যেই তার কুকীর্তির ইতিহাসে আকাশবাতাস মুখরিত হয়ে উঠেছে। তবে এতদিন তার স্ত্রীলোক-ঘটিত কুকীর্তিগুলো শহরের দুটি কুখ্যাত বেশ্যাপল্লীতেই আবদ্ধ ছিল। কতকটা সেজন্যও বটে– কতকটা পয়সার জোরেও বটে, পুলিস থাকত উদাসীন। সম্প্রতি কি একটা ব্যাপারে জেল বাঁচানো যায় নি, বছরখানেক জেল খেটে সবে ফিরেছে। এরই মধ্যে যে আবার সে এমন সাহস করবে তা রাসমণির স্বপ্নেরও আগোচর। গ্যাসপোস্ট বেয়ে বারান্দায়

    মণির স্বপ্নেরও উঠেছে। লক্ষ্য সম্বন্ধেও কোন সংশয় থাকাবর কারণ নেই।

    রাসমণি পাথর হয়ে গেলেন। সে লোকটি রজত তার নাম সেও ও কে দেখেছে। সে বেশ সহজ কণ্ঠেই বললে, ‘ভাল চাও ত দোরটি খুলে দিয়ে সরে পড়ো কাকে-বকেও টের পাবে না। নইলে মিছিমিছি হাঙ্গামা হবে পাড়ায় আর কাল

    মুখ দেখাতে পারবে না। আমাকে ত চেনো, যা ধরেছি তা করবই।’

    রাসমণি এই প্রথম ভয় পেলেন। ঠক্ ঠক্ ক’রে কাঁপতে লাগল তাঁর হাত-পা। জবাব দেবেন ভেবেই পেলেন না। অসহিষ্ণু রজতেরও তখন অপেক্ষা করার মত মনের অবস্থা নয়। সে সজোরে মারলে একটা লাথি দোরের ওপর। পুরোনো বাড়ির জরাজীর্ণ দোর ঝন্ ঝন্ ক’রে উঠল সে পদাঘাতে।

    মেয়েরাও উঠে প’ড়েছিল। তারা এবার ভয়ে চিৎকার ক’রে কেঁদে উঠল। সবাই মিলে দোরটা প্রাণপণে চেপে ধরে চেঁচাতে লাগল। ওদিকে রজতেরও মুখ থেকে কটুক্তি এবং পা থেকে লাথি যেন বন্যার মত বেরিয়ে আসছিল।

    সে গোলমালে পাড়ার যে কারুর ঘুম ভাঙে নি তা নয়। জানালাও খুলে গিয়েছিল কয়েকটা আশেপাশে। রাসমণিকে পাড়ায় সবাই শ্রদ্ধা করে। কিন্তু রজতকে এই নাটকের নায়ক দেখে সবাই নিরস্ত রইল। সবাইকার জানালা আবার নিঃশব্দে বন্ধ হয়ে গেল, সকলেই যেন ঘুমে অচেতন।

    শুধু বেরিয়ে এলেন শেষ পর্যন্ত একটি মুসলমান পরিবার। সাদিক মিয়া নাম, রাধাবাজার অঞ্চলে কিসের কারবার আছে।সাতটি জোয়ান ছেলে তাঁর তাঁরাই রজতকে ভয় করতেন কম। হৈ-হৈ ক’রে সাতটি ছেলে এবং চাকরবাকরসুদ্ধ সবাই এসে পড়তে রজত ওপরের বারান্দা থেকেই একটা লাফ মেরে নিচে পড়ল এবং ‘আচ্ছা, পরে দেখে নেব!’ বলে শাসিয়ে গলির অপর দিকে নিমেষে অদৃশ্য হয়ে গেল।

    তখন অবশ্য অনেকেই বেরিয়ে এলেন। হুমকি-হামকিও বিস্তর বর্ষিত হ’তে লাগল অদৃশ্য রজতের ওপর। কিন্তু বুদ্ধিমতী রাসমণির এদের অবস্থা বুঝে নিতে দেরি হয় নি। তিনি মাথায় কাপড়টা টেনে দোর খুলে বেরিয়ে এসে হাত জোড় ক’রে সাদিককে বললেন, ‘বাবা, আপনার দয়াতেই আমার মেয়েদের ইজ্জৎ প্রাণরক্ষা পেয়েছে। ভগবান আপনার মঙ্গল করুন- কী আর বলব। এ ঋণ শোধ দেবার ত আমার কোন ক্ষমতা নেই।’

    –

    সাদিকের চোখ ছলছলিয়ে এল, তিনি বললেন ‘খোদা সাক্ষী রইলেন মা, আমাকে বাবা বলেছ আজ থেকে তুমিও আমার মেয়ে। আমার আর আমার সাত ছেলের গায়ে এক ফোঁটা রক্ত থাকতে কেউ তোমার কোন অনিষ্ট করতে পারবে না কোনদিন। তুমি নির্ভয়ে থাকো।’

    সাদিক সত্যি-সত্যিই যেন ওঁকে মেয়ের মত দেখলেন। পরের দিনই সকালে বৃদ্ধ নিজে মিস্ত্রী সঙ্গে ক’রে এনে দরজায় ভারি লোহার ছিট্‌কিনি লাগিয়ে দিয়ে গেলেন, কাঁটা-তার দিয়ে বারান্দা ঘিরে দিলেন। তারপর থেকে প্রত্যহ সন্ধ্যার সময় মেয়ে কি পুত্রবধূ একজনকে পাঠিয়ে দিতেন এদের খবর নিয়ে যেতে। তারা সন্তর্পণে এসে ভেতরের রকে বসত এবং যথেষ্ট সতর্ক থাকত, এঁদের শুচিতা যাতে অক্ষুণ্ণ থাকে। রাসমণিই পরে জোর করে তাদের আপন ক’রে নিলেন। এক সেট পেতেলের বাসন ও করলেন ওদের খাওয়ানোর জন্য। বাসনগুলো একটু আগুন ঠেকিয়ে মেজে নেওয়া হ’ত

    এবং পৃথক থাকত কিন্তু অতিথিরা কোন স্বতন্ত্র ব্যবস্থা টের পেতেন না। শ্যামা উমাকে সঙ্গে ক’রে রাসমণিও যেতেন মধ্যে মধ্যে ফিরে এসে কাপড় ছাড়তেন। এটুকু সংস্কারও যে থাকা উচিত নয় তা তিনিও স্বীকার করতেন, তবে বলতেন, ‘কী করব বল্, জন্মাবধি যা সংস্কার হয়ে গেছে সেটা ছাড়া কি সহজ? মানুষ মানুষই– তা জানি, তবু

    ক্রমে এ দুটি পরিবারের ঘনিষ্ঠতা বেড়ে গেল। শ্যামা উমা সাদিকের নাতনী রাবেয়া আর নসিবনের সঙ্গে সই পাতিয়ে ফেলল।

    দুই

    শ্যামার এবার মেয়ে হ’ল। ফুটেফুটে সুন্দর মেয়ে। সাদিক মিয়াদের দৌলতে দাই ডাকা, বাজার-হাট করা কোনটাই আটকায় নি। কিন্তু ওদিকটায় নিশ্চিন্ত হ’লেও, রাসমণির ব্যাপারটা ভাল লাগে না। এ কি দুর্দৈব তাঁর। দুটি বিবাহিতা মেয়ে গলায় পড়ল

    একটি আবার ছেলে-মেয়ে সমৃদ্ধ। এদের কি হবে–কি ব্যবস্থা করবেন কিছুই যেন ভেবে পান না। তাঁর ইষ্ট এবং পরকাল এ অভিশপ্ত জীবনের সর্বশেষ সান্ত্বনা, তাও যেন ক্রমে সুদূর হয়ে পড়ে।

    মেয়ের নাম রাখা হয় মহাশ্বেতা। মাসী কমলা নাম রাখে। সে নভেল পড়েছে বিস্তর। ছেলের নামও সে-ই রেখেছিল, চিঠিতে লিখে পাঠিয়েছিল হেমচন্দ্ৰ। মহাশ্বেতা নাম শ্যামার খুব পছন্দ হয় নি কিন্তু রাসমণির ভাল লাগল।

    —

    কোথায় মনের কোণে শ্যামার যেন আশা ছিল যে অন্তত প্রসবের সময়ে নরেন

    এসে পড়বে। এমন ত হঠাৎই আসে সে

    এ আশার যে কি কারণ তা সে জানে না। তবু আশা ছিল ঠিকই।

    কিন্তু দিন সপ্তাহ মাস

    ক্রমে দু’তিন মাস হয়ে গেল, নরেনের কোন খবরই

    নেই। নির্জনে চোখের জল ফেলে শ্যামা। একদিন ব’লে ফেলেছিল, ‘হয় ত ওখানে এসে ফিরে গেল মা আর ক-টা দিন দেখে এলে হ’ত।’ মা তাতে গম্ভীর মুখে জবাব দিয়েছিলেন, ‘বেশ ত, ঘর ভাড়া করে দিচ্ছি, সেখানে গিয়েই থাকো। সে ত এ বাড়ি

    চেনে না, খবর নেয় ত ওখানেই নেবে।’

    তারপর আর সাহস হয় নি কোন দিন শ্যামার সে প্রসঙ্গ তুলতে।

    শেষ পর্যন্ত বুঝি ভগবান ওর ডাক শোনেন।

    একদিন দুপুরবেলা কমলা এল পাল্কী ভাড়া ক’রে এসেছে তার ওখানে, এদের দেখতে চায়। শ্বশুরবাড়ি কুলোয় নি তাই বড় শালীর কাছে গেছে সুপারিশ ধরতে।

    প্রায় ছুটতে ছুটতে। নরেন সোজাসুজি আসতে সাহসে

    শ্যামা উৎসুক নেত্রে চায় মার দিকে। রাসমণি শুধু সংক্ষেপে ঘাড় নেড়ে বলেন, ‘না।’ সকলে স্তম্ভিত। শ্যামার মুখ বিবর্ণ হয়ে গেছে, সে মাটির দিকে চোখ নামিয়ে বসল। কমলা কিছুক্ষণ হতবাক্ হয়ে চেয়ে থেকে অতিকষ্টে যেন উচ্চারণ করে, ‘না?’

    এবার কিছু কঠোর ও দৃঢ়কণ্ঠেই বলেন রাসমণি, ‘না! থাকবার আশ্রয় ঠিক ক’রে, এদের ভরণ-পোষণের ভার নিয়ে যেদিন নিয়ে যেতে পারবে সেদিন যেন গাড়ি নিয়ে এসে বাইরে দাঁড়ায়, আমি মেয়েকে পাঠিয়ে দেব। জামাইয়ের আর স্থান নেই এ-বাড়িতে।’

    ভার নিয়ে

    কিছুক্ষণ সকলেই স্তব্ধ। শেষে কমলা বেশ একটু ক্ষুণ্নভাবেই বলে, ‘এ আপনার কিন্তু অন্যায় মা!’

    রাসমণি শান্ত স্থির দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে উত্তর দেন, ‘আমি তোমার পেটে হই নি মা, তুমি আমার পেটে হয়েছ। ন্যায়-অন্যায় বিচার যদি এতদিনে না জন্মে থাকে ত তোমার কথায় আর তা জন্মাবে না। আমি জানি দুই বিধবা মেয়ে পুষছি বাড়িতে।’

    শ্যামা রাগ ক’রে উঠে চলে গেল। কমলারও চোখে জল ভরে এসেছিল কিন্তু রাসমণির মুখের চেহারা দেখে আর কথা কইতে সাহস হ’ল না। শ্যামাকে সান্ত্বনা দেবার মত কোন কথা খুঁজে না পেয়ে সেই পাল্কীতেই আবার কমলা ফিরে গেল।

    নরেন অবশ্য তখন কমলার দোতলার ঘরে টানাপাখার নিচে আরামে ঘুমোচ্ছে। তার পরনে শত-ছিন্ন কাপড়, খালি পা। সর্বাঙ্গ রুক্ষ। কমলা ওকে দেখামাত্র আনন্দের আতিশয্যে কোনমতে বামুন ঠাকরুণকে ওর খাওয়ার ব্যবস্থা করতে বলেই চলে গিয়েছিল। স্নানের কথা কেউ বলেও নি, সেও আবশ্যক মনে করে নি। মেঝেতে যে ঢালা বিছানার চাদরটা সদ্য পাল্টানো হয়েছে সেটা ইতিমধ্যেই মলিন ও ধুলি-ধূসর হয়ে উঠেছে।

    এই পশুকে আত্মীয় বলে স্বীকার করতে লজ্জাই করে! কিন্তু কমলার মন বড় কোমল, তার ওপর শ্যামার কথা ভেবে সত্যিই ওর রাত্রে ঘুম হয় না। কঠিন কথা মুখে এলেও যত্নে দমন করলে। আস্তে আস্তে ওর ঘুম ভাঙিয়ে রাসমণির আদেশ বা নির্দেশ জানালে।

    নরেন বললে, ‘তাই ত! মাগীর জেদ্ ত কম নয়। মেয়েটাকে দেখি নি তাই নইলে বোয়ের জন্যে অ ঘুম হচ্ছে না!

    দিদি, এবেলা একটু পাটা নুচি খাওয়ান দিকি অনেক দিন ভাল-মন্দ খাই নি।’

    যাক্ গে

    এই বলে সে বিরাট একটা শব্দ ক’রে হাই তুলে আলস্য ত্যাগ করলে আরামে ও অতি নিশ্চিন্ত ভাবে।

    অতিকষ্টে মনোভাব গোপন ক’রে কমলা বললে, ‘আচ্ছা সে ব্যবস্থা হবে তুমি ভাই চান করো দিকি ভাল ক’রে তেল মেখে

    ‘চান? এই। বেলায়?’

    ‘তা হোক।’

    ‘মুশকিল। কাপড়-চোপড়–

    ‘আচ্ছা সে ব্যবস্থা হবে। তুমি উঠে কলঘরে যাও দিকি। বিছানাটার কি হাল করেছ?’

    ‘ইস তাই ত! ময়লা হয়ে গেছে, না? আচ্ছা চানই করছি এক বাটি তেল দিতে বলুন তাহলে আপনার ঝিকে। আর অমনি এক ছিলিম তামাক —

    •

    কমলা স্বামীর একখানা ধোয়া কাপড় বার ক’রে দিলে। একটা জামাও। নরেন অনেকদিন পরে ভাল ক’রে স্নান করে টেরি কেটে গুনগুন ক’রে আদিরস-ঘেঁষা একটা গান গাইতে গাইতে বেরিয়ে এল কলঘর থেকে। তারপর কাপড়জামা পরে আর একটি ঘুম। আহারাদি ক’রে কিন্তু আর রাত্রে থাকতে রাজী হল না কিছুতেই, বললে, ‘দিদি, অনেকদিন পরে আজ বড্ড আরাম হয়েছে। ওটা পুরো ক’রে ফেলি। এখানে শুলে হবে না কিছুতেই একটা টাকা দিন দিকি। নিদেন আট আনা। আমি ফিরিয়ে দেব ঠিক।

    བཌ། ) 1) ( সেজন্যে ভাববেন না!’

    —

    ৬৩

    কমলা একটা দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলে টাকাটা বার ক’রে দিলে!

    ভালই হল, স্বামী সেদিন তখনও ফেরেন নি, বরানগরে বাগানবাড়ি দেখতে গেছেন কাজকর্ম সেরে। এই আত্মীয় তাঁর সামনে দেখাতে যেন লজ্জায় মাথা কাটা যায়!

    এরও দিন-পনরো পরে, ঝিয়ের অসতর্কতার অবসরে দোর খোলা পেয়ে নরেন সটান্ এ-বাড়ির দোতলায় এসে হাজির।

    রাসমণি তখন দ্বিপ্রহরের বিশ্রামের পর উঠে সুপুরি কাটছেন। ওকে দেখে শুধু যে বিস্মিতই হলেন তাই নয় এমন একটা অপরিসীম ঘৃণা ওর কণ্ঠ পর্যন্ত ঠেলে উঠল যে কিছুতেই কোন শব্দ উচ্চারণ করতে পারলেন না, নীরবে শুধু তাকিয়েই রইলেন।

    কথা কইলে নরেনই। নাটকীয় ভাবে হাত-পা নেড়ে বললে, ‘ব্যবস্থা ক’রেই এসেছি। বার করুন দিকি চটপট আমার ছেলেমেয়ে পরিবার।’ এই বলে রাসমনের উত্তরের অপেক্ষা না ক’রেই বেশ গলা ছেড়ে হাঁক দিলে, কৈ গো, কোথায়! তৈরি হয়ে নাও তাড়াতাড়ি।’

    রাসমণি গম্ভীর কণ্ঠে বললেন, ‘তার আগে কি ব্যবস্থা করেছ শুনি?’

    ‘কেন? সে খবরে আপনার দরকার কি? আমার পরিবার আমি যেখানে খুশি নিয়ে গিয়ে তুলব।’

    রাসমণি কী একটা কঠিন জবাব দিতে যাচ্ছিলেন কিন্তু তার আগেই শ্যামা বলে উঠল, ‘কোথায় নিয়ে যাবে না জেনে আমি নড়ব না এক পা-ও। তোমাকে বিশ্বাস নেই, যদি খারাপ পাড়ায় নিয়ে গিয়ে তোলো!’

    যদিও সে এতদিন একান্ত মনে স্বামীকেই কামনা করছিল তবু আজ এই মুহূর্তে তার আশঙ্কাই প্রবল হয়ে উঠল আবার। আর দেখা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটা উদ্ধত অভিমানও।

    নরেন ধমক দিয়ে উঠল, ‘থাম্‌ থাম– মেলা ফ্যাচ্ ফ্যাচ্ করতে হবে না। ছোট মুখে বড় কথা। হাজার হোক আমার গুরুবংশ’ কানে ফুঁ দিলে আমাদের পয়সা খায়

    পদ্মগ্রামের সরকারবাড়ি নিয়ম-সেবার কাজ নিয়েছি। একটা ঘর ছেড়ে দেবে, সেইখানেই নিয়ে গিয়ে তুলব। নাও নাও, চটপট তৈরি হয়ে নাও। এখন হাঁটা দিতে শুরু করলে তবে যদি রাত্তিরে গিয়ে পৌঁছতে পারি!’

    কে?

    ‘হেঁটে যাবেন? এতটা পথ? সে কি?’ উমা প্রশ্ন করে।

    হুঁ। নইলে কি নবাব-নন্দিনীর জন্যে গাড়ি পাল্কী করতে হবে নাকি? অত ক্ষ্যামতা আমার নেই।’

    ,

    রাসমণি ততক্ষণে সামলে নিয়েছেন কতকটা। ঘর থেকে বেরিয়ে গিয়ে উমাকে ডেকে বললেন, ‘বেহায়াটাকে বল উমি রাত্তিরে আমি নাতি-নাতনী পাঠাবো না। অত বাহাদুরিতে কাজ নেই, আজ থাক– কাল সকালে যেন যায়। গাড়ি ক’রেই যায় যেন, গাড়িভাড়া আমি দেব।’

    মুহূর্তে সব আস্ফালন থেমে গেল। একেবারে নিস্পৃহ নিরাসক্ত কণ্ঠে নরেন বললে, ‘দেখুন আপনাদের যা সুবিধে। মোদ্দা, আমি সেধে থাকতে যাই নি, এরপর যেন আমাকে দুষবেন না।’

    གཏོ ། །

    ৬৪

    তারপর বিনা নিমন্ত্রণেই জাঁকিয়ে বসে বললে, উমা, আমার ভাই আবার তামাক খাবার অভ্যেস ঝিটাকে বাজারে পাঠাও দিকি, একটা থেলো হুঁকো আর টিকে

    –

    তামাক কিনে আনুক। ‘

    রাত্রে শ্যামা প্রশ্ন ক’রে সব জেনে নিলে। ঠাকুরঘরের সঙ্গে লাগাও একখানি পাকা ঘর তারা ছেড়ে দেবে। আর মিলবে আধসের আতপ চালের একখানা ক’রে নৈবেদ্য, রাত্রে শেতলের এক পো দুধ আর ক-খানা বাতাসা। এই ভরসাতে নরেন স্ত্রী-পুত্র-কন্যাকে সেই নিবান্দাপুরীতে নিয়ে যাচ্ছে। জায়গাটা কোথায় সে সম্বন্ধে শ্যামার কোন ধারণাই নেই, শুধু শুনলে যে শিবপুর কোম্পানীর বাগান থেকেও প্রায় দু ক্রোশ দূরে, অজ পাড়াগাঁ।

    শ্যামা কিছুক্ষণ স্তম্ভিত আড়ষ্ট হয়ে থেকে বললে, ‘তারপর? চলবে কিসে?’

    শাঁকে ফু! পুরুতগিরি করব। ঢের যজমান জুটে যাবে। বাপঠাকুদ্দা ঐ ক’রে অত পয়সা ক’রে রেখে গেছে আমি শুধু সংসারটা চালাতে পারব না?’

    ‘তাদের পেটের বিদ্যে ছিল। তুমি তো পূজোর মন্তরও জানো না।’ রাগ ক’রে

    বলে শ্যামা।

    ‘আরে

    শাঁখ ঘন্টা ত নাড়তে পারব। তাতেই হবে। তাতেই হবে। মন্তর আবার ক. ঠাকুর হাবলা গোবলা ভোগ খাও ঠাকুর খাবলা খাবলা! এই ত!’

    নিজের রসিকতায় নিজেই হা-হা ক’রে হেসে ওঠে। পাশের ঘরেই মা শুয়ে আছেন মনে পড়ায় শ্যামা তাড়াতাড়ি ওর মুখের ওপর হাতটা চেপে ধরে।

    হাসির ধমকটা সামলে নিয়ে হঠাৎ নরেন বলে, ‘তোমার মা মোদ্দা রাঁধে ভাল। খাওয়াটা বড্ড চাপ হয়েছে।

    তারপর কিছুক্ষণ চুপ ক’রে থেকে একসময়ে বলে, ‘উমিটা ত দিব্যি দেখতে হয়েছে। ভায়রাভাইটা নিরেট বোকা! মাইরি!’

    শ্যামা অন্ধকারেই শিউরে উঠল। ভয়ে না ঘৃণা

    তা নিজেই বুঝল না

    সকালে উঠে জলযোগাদি সেরে নরেন শাশুড়ীর উদ্দেশে বলে, ‘তাহলে কিছু বাসন-কোসন বিছানা-টিছানা অমনি গুছিয়ে দেবেন মা। নতুন ক’রে সংসার পাতা, বুঝতেই ত পারছেন।! গাড়ি ক’রেই যখন যাওয়া হবে তখন দিব্যি গাড়ির চালে চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে’খন।’

    উত্তর দেবেন না মনে করেও কথা কয়ে ফেলেন রাসমণি, ‘অত যে বাসন ছিল সিন্ধুক ভরা তার কিছু নেই?’

    ‘যা পেয়েছি তা আর আছে। কবে বেচে মেরে দিয়েছি। আর বাকী সব লোকের বাড়ি জমা ছিল –দিলে না শালারা মেরে দিলে!

    বেশ নিশ্চিন্ত ভাবেই জবাব দেয়।

    রাসমণি নতুন ক’রে ঘর-বসতের জিনিস সাজিয়ে দেন চোখের জল মুছতে মুছতে। যাবার সময় গাড়িভাড়া ছাড়া পাঁচটা নগদ টাকাও চেয়ে নেয় নরেন, ‘গিয়ে ত বাজার-হাট আছে, বুঝলেন না! আমি ত শুন্যিরেস্ত। আপনি আবার নাতি-নাতনীকে দুধ খাইয়ে খাইয়ে যা নবাব করে তুলেছেন।

    དེ་ལ་གཏག་

    আলার বই

    ਹਰਿ ਨਿਯਤੋ_4

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপাঞ্চজন্য – গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    Next Article উপকণ্ঠে – গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    Related Articles

    গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    পৌষ ফাগুনের পালা – গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    August 7, 2025
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    উপকণ্ঠে – গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    August 7, 2025
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    পাঞ্চজন্য – গজেন্দ্রকুমার মিত্র

    August 7, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }