Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প522 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিশের কাঁটা – ১০

    দশ

    মনোহরপুকুর রোডে বাসু-সাহেব যখন পৌঁছালেন তখন বেলা তিনটে ‘সোনার বাঙলা’ হোটেল খুঁজে বার করতে অসুবিধা হলো না। গাড়িটা পার্ক করে উনি এলেন রিসেপশান কাউন্টারে। একটি বছর ত্রিশ-পঁয়ত্রিশের বাঙালী মহিলা বসেছিলেন কাউন্টারে। উত্তরটা জানাই আছে, তবু বাসু ঐ প্রশ্নটাই করলেন, থ্রি/থ্রি ঘরের মিস্ মঞ্জরী বড়ুয়া কি ঘরেই আছেন?

    মহিলাটি নির্নিমেষ নয়নে বাসু-সাহেবকে যাচাই করলেন। খাতাপত্র না দেখেই বললেন, না, মিস্ বড়ুয়া আজ সকালে চেক-আউট করে বেরিয়ে গেছেন। বেলা সওয়া দশটা নাগাদ।

    –চেক-আউট করে! কী সর্বনাশ! কোনো ফরোয়ার্ডিং আড্রেস রেখে যায়নি?

    —আজ্ঞে না!

    বাসু স্বগতোক্তি করলেন, তবে তো ঝামেলা হলো। কী পাগল মেয়ে, আমাকে একটা খবর দিয়ে হোটেল ছাড়বে তো?

    মহিলা প্রশ্ন করেন, কিছু মনে করবেন না স্যার, আপনি কি ব্যারিস্টার?

    —হ্যাঁ, মা। ঐ মঞ্জরী আমার ক্লায়েন্ট। তাকে বলেছিলাম এই হোটেলে আমার জন্য অপেক্ষা করতে!

    মহিলাটি বললেন, আপনাকে চিনতে পেরেছি। আপনি ‘কাঁটা-সিরিজের’ ব্যারিস্টার পি. কে. বাসু! তাই নয়? কাগজে আপনার ছবি দেখেছি।

    —তা আমি তো সেটা অস্বীকার করছি না…

    —একটু কফি খাবেন, স্যার?

    —কফি। এইমাত্র তো ঘোল খাওয়ালে, মা। তারপর কফি?

    —বাঃ! আমার কী দোষ? আপনার ক্লায়েন্ট যদি আপনার কথা না শোনে!

    —তা বটে!

    —আপনি যদি আমাদের হোটেলের আপ্যায়নে এক পেয়ালা কফি পান করতে রাজি হন তাহলে আপনাকে দু-একটা ক্লু দিতে পারি!

    —‘ক্লু’! কীসের ক্লু?

    —মিস্ বড়ুয়া কোথায় যেতে পারেন!

    —তুমি তো আচ্ছা মেয়ে! বেশ, কফির অর্ডার দাও। শুনি তোমার ব্লু।

    মহিলাটি বেয়ারাকে ডেকে দু পেয়ালা কফি আর বিস্কিটের অর্ডার দিয়ে বললেন, আমার আরও একটা আবদার আপনাকে মানতে হবে কিন্তু…

    —অটোগ্রাফ তো? দাও খাতা।

    — আজ্ঞে না। অটোগ্রাফ জমানোর বাতিক আমার নেই। কৌশিকবাবু কাঁটা-সিরিজের একটি বইতে একটা শব্দ ব্যবহার করেছেন—সংস্কৃত শব্দ—আমি তার মানে বুঝিনি। আমি সংস্কৃত আদৌ পড়িনি। বরাবর মিশনারি কনভেন্টে পড়েছি। আপনি যদি কথাটার মানে বলে দেন…

    —আমিও ম্যাট্রিক পাশ করার পর—অর্থাৎ 1940 এর পর আর সংস্কৃত পড়িনি। পড়েছি আইন। তবু বল, তোমার কী অনুপপত্তি।

    —’অনুপপত্তি’ মানে?

    —মানে ‘র‍্যাসকূট। তাও বুঝলে না? আননোন স্যাংস্কৃট ওয়ার্ড!

    —ও! শুনুন। ‘অ-আ-ক খুনের কাঁটায়’ একটা শব্দ আছে “বেচারাথেরিয়ামৈঃ নমঃ”। ‘নমঃ’ মানে তো প্রণাম করি। ‘বেচারাথেরিয়ামৈঃ’ মানে কী?

    —তুমি সুকুমার রায়ের লেখা ‘হেঁশোরামের ডায়েরি’ পড়েছ?

    —না।

    —তুমি সুকুমার রায়ের নামটা অন্তত শুনেছ?

    —হ্যাঁ। বিখ্যাত চিত্র-পরিচালক সত্যজিৎ রায়ের বাবা।

    —না! বরং বলব, সত্যিজিৎ রায় হচ্ছেন ক্ষণজন্মা সুকুমার রায়ের সুযোগ্য পুত্র। তা সে যাই হোক। ঐ ‘হেঁশোরামের ডায়েরি’তে আছে ‘বেচারাথেরিয়াম্’। ‘হস্’-অন্ত কথা, শব্দটা যে ব্যবহার করেছে সে ভেবেছিল যে, ‘বেচারাথেরিয়াম্’ শব্দটা ‘নরঃ’ শব্দের অনুরূপ। এখন নর শব্দের তৃতীয়ার বহুবচনে হয় ‘নরৈঃ’। সেই হিসাবে ও লিখেছিল, ‘বেচারাথেরিয়ামৈঃ’। তা থেকে বোঝা গিয়েছিল লোকটা সংস্কৃতে আমারই মতো পণ্ডিত। প্রথম কথা, ‘বেচারাথেরিয়াম্’ ‘হস্’-অন্ত যুক্ত শব্দ। তার শব্দরূপ ‘নরঃ’ শব্দের মতো হবে না। দ্বিতীয় কথা, পত্রলেখকের মতে ‘বেচারাথেরিয়াম্’ মাত্র একজন, ফলে বহুবচন হবে না। তৃতীয়ত, ‘নমঃ’ ক্রিয়াপদে যাঁকে প্রণাম করা হচ্ছে তাঁর চতুর্থী বিভক্তির একবচন হবে। যেমন গণেশায় নমঃ, বাস্তুপুরুষায় নমঃ।

    কিন্তু ‘সরস্বতৈ নমঃ’ তো বলি আমরা?

    —তা বলি। তুমি কি এক কাপ কফি পাইয়ে গোটা সংস্কৃত ব্যাকরণটা আমার কাছ থেকে শিখে নিতে চাও, মা? ‘সরস্বতী’ শব্দটা ‘নদী’ শব্দের মতো হবার কথা। ‘নরঃ শব্দের মতো নয়।

    এই সময় কফি এসে পড়ায় প্রসঙ্গটা মুলতুবি থাকল।

    বাসু কাপটা টেনে নিয়ে বললেন, তোমার নামটা জানা হয়নি?

    —রমলা। রমলা সেনগুপ্তা।

    —তা, মা রমলা। এবার বল—কী ‘ক্লু’র কথা বলছিলে?

    —আপনি নিশ্চয় জানেন যে, আপনার ক্লায়েন্টের আসল নাম মাধবী বড়ুয়া, মঞ্জরী নয়? বাসু পকেট থেকে পাইপ-পাউচ বার করে বললেন, হুঁ! সংস্কৃত না জানলেও তুমি একটি পাক্কা বাস্তুঘুঘু!আমার মক্কেলের নাম আমার জানার কথা, তুমি কী করে জানলে সেটাই প্রশ্ন।

    —আমার বাড়ি শিলং। বছরখানেক হলো এই ‘সোনার বাঙলায়’ রিসেপশানিস্টের কাজটা পেয়েছি। শিলঙে টি.ভি.তে. আমরা প্রায়ই গুয়াহাটি স্টেশন ধরতাম। কাল রাত প্রায় সওয়া দশটা নাগাদ ওকে একা আসতে দেখে আমি রীতিমতো চমকে উঠেছিলাম। ও একটা সিঙ্গল- সীটেড রুম বুক করল, ছদ্মনামে। তারপর আমার কাছ থেকে একটা কার্ড চেয়ে নিয়ে বাইরে ট্যাক্সিওয়ালাকে দিতে গেল। দুরন্ত কৌতূহলে আমি উঠে গিয়ে দেখলাম। না ট্যাক্সি নয়। প্রাইভেট কার। চালক রীতিমতো সুদর্শন একজন যুবক। কিন্তু অভদ্র।

    —অভদ্র! কেন? তাকে অভদ্র মনে হলো কেন তোমার?

    —তার উচিত ছিল স্যুটকেসটা হোটেল রিসেপশান পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া। মাধবীকে ধকলটা সহ্য করতে না দেওয়া।

    —আই সী। তারপর?

    —আমি যে ওকে চিনতে পেরেছি তা বলিনি। রুম-বেয়ারার সঙ্গে ঘর দেখে এসে ওর পছন্দ হয়েছিল আগেই। এবার জানতে চাইল, আমাদের টেলিফোনে এস. টি.ডি. আছে কি না। আমি জানালাম, না নেই। তবে কাছেই S.T.D স্টেশন আছে। আমি রুম-বেয়ারাকে সঙ্গে দিতে পারি। মাধবী রুম-বেয়ারাকে নিয়ে ফোন করতে গেল। বোধহয় গুয়াহাটিতে। একটু পরে ফিরেও এল। রাতে আর কিছু হয়নি। আমি এই হোটেলের দোতলায় একাই থাকি। সচরাচর সকাল সাতটায় কাউন্টারে নেমে আসি, বেড-টি দেবার ব্যবস্থাটা হেড-কুক আর বেয়ারার দল নিজেরাই করে। সকালবেলা যখন সিঁড়ি দিয়ে নেমে আসছি—অ্যারাউন্ড পৌনে সাতটা, তখন সিঁড়ির ল্যান্ডিঙে দাঁড়িয়েই শুনতে পেলাম মাধবী কাকে যেন ফোন করছে। ওটাতে পে-ফোন-এর ব্যবস্থা। মুদ্রা ফেলে ফোন করা যায়। আপনার কাছে স্বীকার করব—আমার কৌতূহল রুচিবোধকে অতিক্রম করে গেল। মাধবীকে আমি চিনি, বহুবার তার গান শুনেছি—সে কেন শহর কলকাতায় এসে ছদ্মনাম হোটেলে উঠেছে? তারচেয়েও বড় বিস্ময় সে কেন ট্যাক্সি করে এল না, আর সবচেয়ে অবাককরা কাণ্ড সেই সুদর্শন যুবকটি ওর স্বামীর ছদ্মপরিচয়ে কেন আমার হোটেলে রাত কাটালো না।

    —অলরাইট! অলরাইট! আড়ি পেতে কথা শোনার যথেষ্ট যুক্তি দেখিয়েছ। কী শুনলে তাই বল?

    —ন্যাচারলি একদিকের কথাই আমি শুনেছি। ও নিজের হোটেলের নাম আর টেলিফোন নম্বরটা জানাল। তারপর কিছুক্ষণ শুনে বললে…দ্যাটস্ ইম্পসিবল! তুমি ভাল করে খুঁজে দেখ। গাড়িতেই আছে।…কী? ড্যাশবোর্ডটা খোলা ছিল না বন্ধ? …দ্যটস্ অ্যাবসার্ড! যাক, পরে কথা হবে। লোকজনের যাতয়াত শুরু হয়েছে…না, ঘরে নেই, লাউঞ্জে এই একটাই টেলিফোন…

    —তারপর?

    —তারপর ও নিজের ঘরে চলে গেল। ঘরে বসেই ব্রেকফাস্ট খেল। তারপর অ্যারাউন্ড নয়টা নাগাদ ওর একটা টেলিফোন এল। মহিলা কণ্ঠ। আমি জানতে চাইলাম, “কী নাম বলব?” মেয়েটি বললে, ‘বলুন ওঁর অ্যাটেন্ডিং ফিজিশিয়ান ফোন করছেন।’ আমি অবাক হয়ে বললাম, ‘আপনি ওঁর অ্যাটেন্ডিং ফিজিশিয়ান?’ ও বললে, না, আমি তাঁর নার্স।’ একটা স্লিপে তাই লিখে মাধবীর ঘরে পাঠিয়ে দিলাম বেয়ারার হাতে। ও তৎক্ষণাৎ নেমে এল। আমি খবরের কাগজটা আড়াল করে উৎকর্ণ হয়ে রইলাম। কিন্তু এবার ও কথা বলছিল খুব ফিফিস্ করে, নিচুগলায়। দু-একটা টুকরো কথা কানে এল।…’য়ু প্রমিস্ অন য়োর ওয়ার্ড অব অনার?’…’অ্যাকুইটাল হতে পারে না? কেন?’…ইত্যাদি। বেশ অনেকক্ষণ ডাক্তার-পেশেন্ট কথা হলো—তা প্রায় পাঁচ মিনিট। কিন্তু তার ভিতর অসুখ-বিসুখ, ওষুধপত্র জাতীয় কোনো কথা শুনতে পেলাম না। তারপর একসময় কথোপকথন শেষও হলো। মনে হলো, মেয়েটি যেন আর এ জগতে নেই। এই মনোহরপুকুর রোডের হোটেল, আমার উপস্থিতি কোনো কিছুই যেন ওর খেয়াল নেই। তারপর ও সামনের লেডিজ টয়লেটে ঢুকে গেল। প্রায় দশ মিটি পরে যখন বার হয়ে এল তখন ওর চোখ দুটো ফোলাফোলা, টকটকে লাল। মাথার সামনের চুলগুলো থেকে বিন্দু বিন্দু জল ঝরছে। আঁচল দিয়ে মুখটা মুছে সে আমার কাছে এগিয়ে এল। বললে, ‘আমার বিলটা রেডি করুন। আমি এখনি চেক-আউট করব।’ আমি না বলে পারলাম না, ‘কিছু মনে করবেন না, আমি আপনার মায়ের বয়সী না হলেও দিদির বয়সী। কী হয়েছে আপনার? হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে কেন? কোথায় যাবেন আপনি?’ ও মুখটা নিচু করে বললে, ‘একটা নার্সিংহামে। আমি কলকাতায় থাকি না। কলকাতায় এসেছি একটা অপারেশন করাতে। ডাক্তারবাবু বললেন এখনি ভর্তি হতে।’ আমি জানতে চাইলাম, ‘কোন নার্সিংহোমে?” ও বোধহয় আমার প্রশ্নটা খেয়াল করে শুনল না, অথবা জবাবটা এড়িয়ে যেতে চায় বলে ভান করল যেন শুনতে পায়নি। বললে, ‘ঐ ফোল্ডারটা কিসের বিজ্ঞাপন?’ আমি ‘সোনার বাঙলা রিস্ট্’-এর ফোল্ডারটা ওকে ধরিয়ে দিলাম।

    বাসু-সাহেবও ফোল্ডার-হোল্ডার থেকে বিজ্ঞপ্তিটা তুলে নিলেন। নীলরঙের একটি সুদৃশ্য ফোল্ডার। মাঝখানে একটা অর্ধচন্দ্রাকার চিত্র—একটা বাঙলা চারচালা খড়ের ঘরের পাশে একজোড়া নারকেল গাছ। নিচে ইংরেজি হরফে লেখা ‘সোনার বাঙলা রিস্টস্।

    মহিলাটি বলতে থাকেন, আমি মাধবীকে বললাম, ‘বম্বে রোডে সাঁকরাইল রেল-স্টেশনের কাছে ‘ধূলাগড়ি গ্রামে আমাদের একটা হলিডে রির্স্ট, আছে। এটা তারই বিজ্ঞাপন। মাধবী সেটা নাড়াচাড়া করে বললে, ‘এখন ওখানে ঘর ভাড়া পাওয়া যাবে?’ আমি বলি, ‘কেন বলুন তো? কার জন্য? আপনি তো নার্সিংহোম যাচ্ছেন অপারেশন করাতে।’ মাধবী চট্‌-জলদি জবাব দিল, ‘আমার এক দিদি-জামাইবাবুর জন্য। ওরা টাটানগর থেকে এসেছে আমার অপারেশনের জন্য। কিন্তু যেখানে আছে…আপনি কাইন্ডলি দেখুন না ফোন করে, ওখানে একটা ড-বেড রুম পাওয়া যায় কি না।’ বুঝলাম, সবটাই ধাপ্পাবাজি। ওর দিদি-জামাইবাবু তো অনায়াসে এই হোটেলেই থাকতে পারে, ত্রিশ-চল্লিশ মাইল দূরে ধূলাগড়িতে থাকতে যাবে কেন? কিন্তু ও হচ্ছে খদ্দের! ওর মিথ্যে কথা ধরিয়ে দেওয়ার দায় আমার নয়। আমি ধূলাগড়িতে ফোন করলাম।

    বাসু বাধা দিয়ে বললেন, ধূলাগড়ি গাঁয়ে ফোন আছে?

    —গাঁয়ে থাক-না-থাক, আমাদের ‘সোনার বাঙলা রিস্টস্’-এ আছে, 669-0837; তারপর যা বলছিলাম শুনুন। ওর কথামতো আমি ‘ধূলিগড়ি-তে ফোন করলাম। ঘর পাওয়া গেল। তারপর মাধবী কাকে যেন ফোন করল—ওর ভগ্নীপতিকেই বোধহয়। এবার ও এত ফিফিস্ করে কথা বলল যে, কিছুই শুনতে পেলাম না। না পেলেও আন্দাজ করলাম’ ও নির্ঘাৎ সেই সুন্দরমতো ছেলেটিকে— যে মাধবীকে কাল রাত্রে পৌঁছে দিয়ে গেছিল তাকেই ফোন করে ধূলাগড়ি যেতে বলল। তাহলে আমার হোটেল কী দোষ করল বুঝলাম না।

    বাসু বললেন, তুমি খুবই বুদ্ধিমতী। ধূলাগড়িতে আর একবার ফোন কর তো মা, অ্যাট মাই কস্ট। জেনে নিয়ে আমাকে বল, আজ বেলা এগারোটার পর মাধবীর বর্ণনার সঙ্গে মেলে এমন কোনো মেয়ে একা অথবা যুগলে চেক-ইন করেছে কি না।

    রমলা তৎক্ষমাৎ টেলিফোনটা টেনে নিল। ইতিমধ্যে বোর্ডাররা আসছে যাচ্ছে, চাবি দিচ্ছে, চাবি নিচ্ছে। প্রশ্নও করছে, নানান জাতের। রমলা খুবই করিৎকর্মা। যান্ত্রিকভাবে ডিউটি বজায় রেখে বাসু-সাহবের সঙ্গে আলাপচারিতা চালিয়ে যাচ্ছিল। ফোনে ও-প্রান্তে সাড়া জাগতেই রমলা জানতে চাইল, কৌন? প্রীতম ভেইয়া ক্যা?

    ও-প্রান্তে নিশ্চয়ই ইতিবাচক স্বীকৃতি হলো। কারণ এরপর রমলা পাঞ্জাবি-ঘেঁষা চোস্ত হিন্দিতে যা বলে গেল তার মর্মার্থ : শোন প্রীতম, আজ সকাল নটা চল্লিশ মিনিটে এখান থেকে একটি মেয়ে ‘সোনার বাঙলা, ধূলাগড়ি -র ঠিকানা সংগ্রহ করে ট্যাক্সিতে রওনা হয়েছে। বয়স বাইশ-চব্বিশ। মাথায় বকাট চুল, খুব ফর্সা। উচ্চতা পাঁচ চার হবেই। চোখে সানগ্লাস। কাঁধে শান্তিনিকেতনী ব্যাগ। সঙ্গে একটা গ্রে-রঙের মিডিয়াম সাইজ ভি. আই. পি. স্যুটকেস। পরনে হলুদ রঙের মুর্শিদাবাদী, লাল পাড়। ঐ লাল রঙের ম্যাচিং ব্লাউস। মেয়েটি একাও যেতে পারে, তার স্বামীর সঙ্গেও যেতে পারে—তবে ওর সিঁথিতে সিঁন্দুর নেই। সে কি পৌঁছেছে? কী? নাম? কী বাজে কথা বলছ প্রীতম! নাম তো সে যা-ইচ্ছে নিতে পারে।…না, না, পুলিশ কেস নয়। পারিবারিক অশান্তি। শ্বশুরবাড়িতে নববধূর লাঞ্ছনা, এই আর কি।…তাই বল? ওরা ঘরে আছে? দুজনেই? আল রাইট, জাস্ট হোল্ড অন—

    টেলিফোনের কথামুখে হাত চাপা দিয়ে বাসু-সাহেবের দিকে ফিরে বলে, কপোত-কপোতী দুজনেই আছে। মক্কেলের সঙ্গে কথা বলবেন? ওরা নাম লিখিয়েছে মিস্টার অ্যান্ড মিসেস সমীর সেন।

    বাসু বললেন, না। তুমি শুধু প্রীতমকে বল যে, ওদের দুজনের যে কেউ চেক-আউট করলে যেন আমার রেসিডেন্সে একটা টেলিফোন করে জানায়। আমার কার্ডখানা রাখ। আমি কে জানতে চাইলে বল, ঐ মেয়েটির বাবা। ‘বধূহত্যা’র রিরুদ্ধে সতর্কতা নিচ্ছি আমি। ও. কে.?

    রমলা সেই মতো প্রীতমকে জানিয়ে দিল।

    লাইনটা কেটে দেবার পর বাসু ওর দিকে একটি একশ’ টাকার নোট আর একটি নামাঙ্কিত কার্ড বাড়িয়ে ধরলেন।

    রমলা বলল, নোটটা কেন?

    —টেলিফোন আর তোমার সার্ভিস চার্জ। কফির দাম দিচ্ছি না।

    রমলা রাজি হলো না। বলল, আমি আপনার ফ্যান। আজকের ভারতব্যাপী দুর্নীতির বাজারে আপনি যে ‘সত্যমেব জয়তে’ মন্ত্রটা সার্থক করতে চাইছেন তাতেই আমরা কৃতজ্ঞ। তবে একটা কথা, বর্তমান কেসটা কী, তা আমি জানি না, শুধু জানি মাধবী আপনার মক্কেল। এই ‘ফুলটা যদি কোনো দিন ‘কাঁটা হয়ে ফুটে ওঠে তবে আমাকে একটা অটোগ্রাফড্ কপি পাঠিয়ে দেবেন।

    বাসু হাসলেন। বললেন, সুন্দরভাবে কথাটা বলেছ। দেব! এবার আমার বাড়িতে একটা ফোন কর দিকি।

    ফোন ধরলেন রানী। বাসু বললেন, জরুরী প্রয়োজনে হঠাৎ একটু কলকাতার বাইরে যেতে হচ্ছে। ফিরতে রাত হতে পারে। তবে রাত্রে ফিরব এবং বাড়িতেই ডিনার করব। ইতিমধ্যে কোনো খবর জমেছে?

    —তা জমেছে। জমে পাথর হয়ে গেছে। মিস্টার জালান ঘণ্টাখানেক আগে এসেছেন। তুমি বাড়ি নেই শুনে ফিরে যাননি। পাথর হয়ে রিসেপশানে বসে আছেন। তোমার সঙ্গে তাঁর নাকি অত্যন্ত জরুরী কিছু কথা আছে। আমাকে বলে রেখেছেন, তুমি এলেই যেন তাঁকে খবর দিই। এবং টেলিফোন করলেও।

    —তা তুমি কোথা থেকে কথা বলছ?

    —তোমার চেম্বার থেকে। সুজাতা-কৌশিকও বেরিয়ে গেছে। একা বসে ঘর পাহারা দিচ্ছি। তুমি মিস্টার জালানের সঙ্গে কথা বলে ওঁকে বিদায় করার ব্যবস্থা কর। তাহলে একটু শুতে যেতে পারি।

    —হ্যাং দ্যাট মহাদেব জালান। ও বসে থাকতে চায় থাকুক। বিশেকে বল বাইরের ঘরে…

    হঠাৎ বাসু-সাহেবের কানে ভেসে এল ভারী পুরুষালী কণ্ঠ : এক্সকিউজ মি, মিস্টার বাসু। আমি আপনাকে ‘রিটেইন’ করেছি। আমার কথাও কিছু কিছু আপনাকে শুনতে হবে বইকি।

    বাসু গম্ভীর হয়ে বলেন, আপনি লাইনে এলেন কেমন করে?

    —খুব সহজে। আপনার রিসেপশান-এক্সটেনশানটা ক্র্যাডেলে থেকে উঠিয়ে নিয়ে। —ব্যাট দ্যাট য়ু কান্ট! য়ু শূডন্ট! আপনি ভিজিটার।

    —আপনিও তেমনি ব্যারিস্টার! জজ-সাহেব নন। আপনারও কোনো অধিকার নেই ঐ রায় দেবার, ‘হ্যাং দ্যাট মহাদেব জালান!

    বাসু টেলিফোনের মাউথ-পীসে বলেন, রানী, তুমি লাইনে আছ!

    —আছি।

    —নোটবুক পেন্সিল হাতে নাও। মিস্টার জালানের সঙ্গে আমার যে কথোপকথন হচ্ছে তা নোট করে যাও।

    —এতক্ষণ তাই করে যাচ্ছি।

    —অলরাইট! বলুন মিস্টার জালান, কী বলতে চান?

    —আপনি বলছিলেন কলকাতার বাইরে যাচ্ছেন, তার আগে একবার বাড়ি হয়ে যান। আমার অনেক কথা আছে।

    —সরি! তা সম্ভবপর নয়। আপনার যা বক্তব্য টেলিফোনেই সংক্ষেপে বলুন। আপনাকে পাঁচ মিনিট সময় দিচ্ছি।

    —পাঁচ নয়, দশ।

    —এটা মাছের বাজার নয়!

    —আই নো। আমি বলতে শুরু করলে আপনি কিন্তু বলবেন ‘দশ নয় পনের’। শুনুন স্যার, প্রথম খবর হচ্ছে—অনীশ আগরওয়ালের আলমারির পিছনে একটা যন্তর পাওয়া গেছে নিশ্চয় শুনেছেন। সেটার লাইসেন্স-হোল্ডার কে তা পুলিশে জানতে পেরেছে।

    —কে সে?

    —এই দেখুন, স্যার! আপনি প্রশ্ন করে আমার বরাদ্দ পাঁচ মিনিটের মধ্যে খাবলা মারছেন। ইয়েস! আপনি যা আশঙ্কা করেছেন তাই, গুয়াহাটির সেই ডাক্তারবাবুই। দু নম্বর খবর, পথিক হোটেলের চিড়িয়া চেক-আউট করে বেরিয়ে গেছে। পুলিশ তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছে। তিন নম্বর খবর হচ্ছে পুলিশ পোস্টমটার্ম রিপোর্ট পেয়েছে। অনীশের দেহের ভিতর ফেটাল বুলেটটা পাওয়া গেছে! সিরিয়ালি চার নম্বর খবর যেটা আপনি জানতে চাইবেন, তার জবাব : ‘না’।

    বাসু বলেন, কী জানতে চাইব আমি?

    আপনার ন্যাচরাল নেক্সট কোশ্চেন হবে : ব্যালাসট্রিক এক্সপার্ট কি টেস্ট-বুলেট ছুঁড়ে কম্পারেটিভ মাইক্রোস্কোপের পরীক্ষায় জেনেছে যে, অনীশের হৃদপিণ্ডে আটকে থাকা ফেটাল বুলেটটা ঐ বড়গোঁহাই-এর রিভলভার থেকে ছোঁড়া কি না। তাই : না?

    —তার জবাব, ‘না?

    —আজ্ঞে না। তা বলছি না আমি। বলছি কি, পুলিশ এখনো ব্যালাট্রিক্ এক্সপার্ট-এর রিপোর্ট পায়নি।

    —আপনি অত কথা জানলেন কি করে?

    –পয়সা খরচা করলে বাঘের দুধ ভি পাওয়া যায়। যায় না?

    —ঠিক জানি না। বাঘের দুধ কিনতে কখনো বাজারে যাইনি। কিন্তু আপনি কি আর কিছু বলবেন—

    —আলবাৎ! এতক্ষণ তো শুধু ইনফরমেশান দিচ্ছিলাম। এবার আমার প্রপোজালটা দাখিল করি? আমার প্রস্তাবটা—

    —করুন!

    —পরিস্থিতি যা দাঁড়িয়েছে তাতে বেশ বোঝা যাচ্ছে, মাধুর বিরুদ্ধে মার্ডার চার্জ উঠতেই পারে না। তবে কিছু মাইনর অফেন্সের চার্জ উঠবে। মৃতদেহ দেখার পরে পুলিশে খবর না দেওয়া—এমনকি মার্ডারারকে আড়াল করার চেষ্টা করা। সে বাবদে আপনাকে আগেই রিটেইন করেছি। কেস শেষ হলে আপনার নায্য বিল যা হবে তা আমি মিটিয়ে দেব। এখন আপনাকে আর একটা প্রস্তাব দিচ্ছি : আপনি এই কেস-এ ডক্টর শান্তনু বড়গোঁহাই-এর ডিফেন্সও দিন। আমি মিসেস বাসুর কাছে আপাতত পাঁচ হাজার টাকা রিটেইনার দিয়ে যাচ্ছি। ও.কে.?

    বাসু বিস্মিত হয়ে বলেন, এ কী বলছেন আপনি! ডক্টর বড়গোঁহাই তো আপনার রাইভাল! আই মীন মাধবীর ব্যাপারে। আপনি তার জন্য…

    বাধা দিয়ে মহাদেব বলে ওঠে, প্লীজ মিস্টার, বাসু। দ্যাটস্ নান অব য়োর বিজনেস। আপনাকে আমি ‘রিটেইন’ করেছি, আপনার যাবতীয় ফীজ, এক্সপেন্সেস্ আমি মিটিয়ে দিতে চাইছি—কেন চাইছি তা জানাতে আমি বাধ্য নই।

    বাসু বললেন, কিন্তু এইমাত্র আপনি যে ইনফরমেশন দিলেন…

    —আই নো, আই নো স্যার! বেকসুর খালাস এক্ষেত্রে হতে পারে না। ব্যালাসট্রিক্ এক্সপার্ট যদি প্রমাণ করেন ডক্টর বড়গোঁহাই-এর রিভলভার থেকেই ফেটাল বুলেটটা ছোঁড়া হয়েছে, তাহলে আপনি তো বটেই আপনার গুরু এ. কে. রে. বার-অ্যাট-ল-ও ওকে বেকসুর খালাস করে আনতে পারবেন না। ওর যদি ফাঁসি না হয়, যাবজ্জীবন না হয়, তাহলেই আমি মেনে নেব আপনি সাকসেসফুল। দীর্ঘ-মেয়াদী সশ্রম কারাদণ্ড ঠেকানো যাবে না!

    —আপনি কেন হঠাৎ এভাবে আমাকে এনগেজ করতে চাইছেন, বলুন তো?

    –প্লীজ স্যার। ডোন্ট আস্ক দ্য সেম কোশ্চেন ওভার অ্যান্ড ওভার এগেন।

    —কিন্তু দুজনকে আমি কীভাবে ডিফেন্ড করতে পারি? আদালতে ওরা হয়তো জবানবন্দিতে পরস্পরের ঘাড়ে দোষ চাপাবে…

    আবার ওঁকে মাঝপথে থামিয়ে দেয় মহাদেব, প্লীজ স্যার। আপনি শুধু বিচক্ষণ ব্যারিস্টারই নন। মনুষ্যচরিত্র আপনি ভালমতো বোঝেন। আদালতে ওরা যদি পরস্পরবিরোধী জবানবন্দি দেয় তবে দেখবেন, তার একটাই উদ্দেশ্য—অপরাধটা নিজের নিজের কাঁধে টেনে নেওয়া। ইন ফ্যাক্ট মাধু যাতে সেই মারাত্মক ভুলটা না করতে পারে এটাই আপনাকে দেখতে হবে। মাধু আপনার কথা শুনবে—বিশেষ যদি বুঝতে পারে আপনি ডক্টর বড়গোঁহাইকে বাঁচাতেই চাইছেন। ফাঁসির দড়ি থেকে নামিয়ে যাবজ্জীবন; যাবজ্জীবন থেকে নামিয়ে দীর্ঘ-মেয়াদী; সশ্রম থেকে বিনাশ্রমে।

    বাসু একটু চিন্তা করে বললেন, এটাই আপনার একমাত্র উদ্দেশ্য?

    মহাদেব বলে, ইয়েস স্যার! না হলে সেই স্কাউন্ডেলটার প্রতি আমার দরদ কেন উথলে উঠবে বলুন? মিসেস বাসুকে তাহলে আপাতত পাঁচ হাজার টাকা ক্যাশ ‘রিটেইনার’ দিয়ে যাই—অন্ বিহাফ অব ডক্টর বড়গোঁহাই?

    বাসু টেলিফোনের কথামুখে বলেন, রানু তুমি লাইনে আছ তো?

    —আছি!

    —মিস্টার জালানকে রসিদটা দিয়ে দাও।

    —তুমি দুজনের ডিফেন্সর দায়িত্বই নিচ্ছ?

    —তাই নিচ্ছি!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article রূপমঞ্জরী – ৩য় খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }