Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প522 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিশের কাঁটা – ২

    দুই

    বাসু ঘড়ি দেখলেন। বেলা দশটার কাছাকাছি। বাসু-সাহেবের জানা ছিল সমরেন্দ্র নন্দী আই. পি. এস. দশটার আগেই অফিসে হাজিরা দেন। ফলে কোনো সময় নষ্ট না করে গাড়িটা বার করেন।

    বারান্দায় হুইল চেয়ারে বসেছিলেন রানী। বলেন, কখন ফিরছ?

    –দুপুরে এসে লাঞ্চ খাব। ক্যারামেল পুডিংটা ফ্রিজে আছে তো? না কি কালই খতম হয়ে গেল?

    রানী মুখে আঁচল চাপা দেন। বলেন, বয়স যত বাড়ছে তোমার নোলাও তত বাড়ছে। বাসু স্বীকার করেন, উপায় কী? তোমার নজরদারিতে এখন তো একাহারী হয়ে পড়েছি। ওবেলা তো স্রেফ খ‍ই দুধ!

    ভবানী-ভবনে দুর্নীতিদমন বিভাগের উচ্চপদস্থ অফিসার ডি. সি. ক্রাইম সমরেন্দ্র নন্দীর সঙ্গে বাসু-সাহেবের বিশেষ খাতির। সেটা জানা ছিল তাঁর একান্ত সচিবের। তাই সরাসরি চেম্বারে উপস্থিত হতে কোনো বাধা পেতে হলো না। সুইংডোরে সৌজন্যসূচক নক করে দরজাটা ইঞ্চিখানেক ফাঁক করে বাসু জানতে চান, ভিতরে আসতে পারি? স্যার খুব ব্যস্ত নন তো?

    সমরেন্দ্র চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ান। প্রবীণ ব্যারিস্টারটিকে আরক্ষা বিভাগে সবাই সন্মান করে। নন্দী বলেন, আসুন, আসুন, স্যার। আজ যে এক্কেরে সাত সকালে? খুনটা হলো কোথায়?

    বাসু ভিতরে এসে ওঁর দর্শনার্থীর চেয়ার দখল করে বসলেন। বললেন, অনেকদিন এ-পাড়ায় আসিনি। তোমাদের আধুনিক হালচাল তাই ঠিক জানি না। ইদানিং কি কেউ খুন না হওয়া পর্যন্ত তুমি ভিজিটার্সদের কফি-টফি খাওয়াও না?

    নন্দী প্রাণখোলা হাসি হাসেন। বলেন, আপনি আধাআধি ঠিকই আন্দাজ করেছেন। মানে ভিজিটার্সদের শুধু কফি খাওয়াই। প্রাপ্তবয়স্ক হলে ‘টফি’ খাওয়াই না।

    ইন্টারকমে একান্ত সচিবকে আদেশ দিলেন ঘরে দু-কাপ কফি পাঠিয়ে দিতে। তারপর বলেন, খুন নয় তাহলে? কী কেস? এম্বেড্লমেন্ট?

    বাসু গুয়াহাটির কেসটা সংক্ষেপে বিবৃত করে বলেন, কেসটা যদিও অঙ্কুরিত হয়েছে আসামে, কিন্তু চুক্তিটা স্বাক্ষরিত হয়েছে ধর্মতলায়। ফলে আইনত, ধৰ্মত, ধর্মতলাত, এটা ক্যালকাটা হাইকোর্টের এক্তিয়ারে।

    নন্দী বলেন, জানি। কেসটা নিয়ে আমরা ইতিপূর্বে প্রাথমিক তদন্তও করেছি। একজন ব্যবসাদারের পীড়াপীড়িতে। তিনি ইলেকশনে মোটা চাঁদা দেন, ফলে রাজনৈতিক চাপও ছিল।

    —ব্যবসাদারটি কে? মহাদেব জালান?

    —হ্যাঁ, তাই। আমরা তদন্ত করে জেনেছি যে, অনীশ আগরওয়াল ঐ ফিল্ম কোম্পানির এজেন্ট হক কথা। স্পেশাল পাওয়ার অব অ্যার্টনি হোল্ডার হিসাবে কোম্পানির তরফে সাই করার অধিকার তার ছিল। আবার চুক্তনামার ধারা মোতাবেক সেটা নাকচ করার একতরফা অধিকারও কোম্পানির ছিল। ইতিমধ্যে আপনার মক্কেল মাধবী বড়ুয়া যদি ঘুষ দিতে গিে ফেঁসে যায় তাহলে পুলিশ কী করতে পারে বলুন?

    — বটেই তো! পুলিশ কিছু করতে পারে না। কিন্তু আমরা কিছু করলে পুলিশের আপত্তি নেই তো?

    —আপনি কী করবেন?

    —আমি একবচনে বলিনি নন্দী, বলেছি গৌরবে বহুবচনে, ‘আমরা’। আমি বুড়ো মানুষ, কী আবার করব? তবে আমার নন্দীভৃঙ্গিরা যদি উত্তম-মধ্যমের মাধ্যমে স্বীকৃতি আদায় করে নেয়-

    বাধা দিয়ে সমরেন্দ্র বলেন, ‘উত্তম-মধ্যমে’ আপত্তি নেই—সে তো লক্-আপের ভিতরে আমরাও দিয়ে থাকি। দেখবেন ‘অধম’ না হয়ে যায়। অর্থাৎ ভায়া-হাসপাতাল শ্মশানে না নিয়ে যেতে হয়। ঐ ডাক্তারবাবুকেও আমি সে-কথাই বলেছি।

    —’ডাক্তারবাবু’ মানে?

    —ঐ যে কী যেন নাম—হ্যাঁ, মনে পড়েছে শান্তনু বড়গোঁহাই। কাল বিকালে সে ঐ একই কেসে খোঁজখবর নিতে এসেছিল।

    —তুমি তাকে কী বললে?

    —বললাম ঐ একই কথা। আমাদের হাতে কোনো প্রাইমাফেসি কেসই নেই। কেউ কোনো এফ. আই. আর. করেনি। আর করবেই বা কী করে? অনীশ তো রসিদ দিয়ে টাকাটা নেয়নি। মাধবী কাজ হাঁসিল করতে ঘুষ দিয়েছে, যার কোনো প্রমাণ নেই। এর আবার পুলিশ-কেস হয় নাকি?

    ইতিমধ্যে দু-কাপ কফি এসে গেল। কফি পানান্তে বাসু উঠে দাঁড়ালেন। বলেন, অসংখ্য ধন্যবাদ। তবে আমি যে ঐ কেস সম্বন্ধে খবর নিতে এসেছিলাম এটা ঐ ডাক্তার বা মহাদেবকে জানাবার দরকার নেই।

    সমরেন্দ্র উঠে দাঁড়ান। বলেন, দিন স্যার, অধম-ঘেঁষা উত্তম-মধ্যম দিন। এই অনীশ আগরওয়াল জাতীয় জুয়াচোরেরা হচ্ছে ‘লেজিটিমেট র‍্যাকেটীয়ার’। এরা আইন বাঁচিয়ে মানুষজনকে ঠকায়। এদের আইন-মোতাবেক শাস্তি হয় না।

    .

    বাসু বাড়ি ফিরে এলেন। গাড়িটা গ্যারেজ করতে গিয়ে খেয়াল হলো তামাক ফুরিয়েছে। ওঁর বাড়ির উল্টো দিকে সম্প্রতি একটা বহুতলবিশিষ্ট বাড়ি উঠেছে। তার একতলায় একটা ছোট্ট মনিহারি দোকান খুলে বসেছে অল্পবয়সী একটি মেয়ে। বাসু-সাহেব বিশুকে নির্দেশ দিয়ে রেখেছেন ঐ দোকান থেকেই যাবতীয় মনিহারি জিনিস খরিদ করতে। উনি নিজেও তাই করেন। কী ব্রান্ডের টোব্যাকো ওঁর মনপসন্দ তা জানিয়ে রেখেছেন মেয়েটিকে, যাতে সে আনিয়ে রাখতে পারে। মেয়েটির প্রতি ওঁর কিছু দুর্বলতা আছে। পাড়ারই মেয়ে। ফ্রক পরে বেণী দুলিয়ে পার্কে খেলতে অথবা বাসে চেপে স্কুলে যেতেও দেখেছেন। বাসু-সাহেবের একমাত্র সন্তানটি— যে মোটর অ্যাকসিডেন্টে মারা গেছে—তার সহপাঠিনী ছিল এই মেয়েটি : অর্পণা। পাড়ারই একটি ছেলের সঙ্গে ভালবেসে বিয়ে হলো। কিন্তু বিধি বাম। বছর তিনেকের মধ্যেই অর্পণা বিধবা হলো। বৃদ্ধা শাশুড়ি আর শিশুকন্যাটিকে নিয়ে এই বয়সেই জীবনসংগ্রামে নেমেছে। স্বামীর একটা ইন্সিওরেন্স পলিসি ছিল। সেটুকুই ওর দোকানের মূলধন।

    বাসু এগিয়ে এসে বললেন, অপুদিদি, মুন্না-মা কেমন আছে?

    অপর্ণা হাসিমুখে বললে, ভাল আছে, মেসোমশাই।

    —আমাকে একটা প্যাকেট টোব্যাকো দাও, আর একটা ক্যাডবেরি চকলেটের স্ল্যাব। ম্যাগনাম সাইজ।

    অপর্ণা সওদা দিয়ে দাম নিল। তারপর বাসু-সাহেব ওর কাউন্টারে ক্যাডবেরি চকলেটটা নামিয়ে রেখে বললেন, এটা মুন্না-মাকে দেবে।

    হঠাৎ কেমন যেন ম্লান হয়ে গেল অপর্ণা। বললে, কিছু মনে করবেন না, মেসোমশাই, একটা কথা বলব?

    —বল? একটা ছেড়ে দশটা কথাও বলতে পার।

    —এ কথা ঠিক যে, মুন্নার মায়ের আর্থিক সঙ্গতি নেই মেয়েকে ক্যাডবেরি চকলেট কিনে দেবার। আপনি প্রায়ই…

    হঠাৎ বাসু-সাহেব হাত বাড়িয়ে চেপে ধরলেন অপর্ণার শাখাহীন মণিবন্ধ। ও হতচকিত হয়ে যায়। বাসু চাপা গলায় বললেন, স্টপ ইট, অপর্ণা! ঐদিকে তাকিয়ে দেখ একবার। রাস্তার ওদিকের বাড়ির বারান্দায়। তারপর তোমার বক্তব্যটা শেষ কর বরং। দেখতে পাচ্ছ? হুইল- চেয়ারে-বসা ঐ বৃদ্ধাকে? উনি কেন ঐ চেয়ারটা ব্যবহার করেন তা জান?

    অর্পণার সাদা-সিঁথি মাথাটা নিচু হয়ে যায়। পাড়ার মেয়ে। সে জানে, বিশ বছর আগেকার সেই দুর্ঘটার কথাটা। ওর বাল্যবান্ধবীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ইতিবৃত্ত। বাসু ধরা গলায় বললেন, বেঁচে থাকলে সে হতভাগী আজ তোমার বয়সীই হতো। হ্যাঁ, এবার বল, কী বলছিলে?

    অপর্ণা বললে, আপনাকে একটু অপেক্ষা করতে বলছিলাম। একটা প্রণাম করবার কথা বলতে যাচ্ছিলাম।

    কাউন্টারের এপারে এসে মেয়েটি বাসু-সাহেবকে প্রণাম করল।

    বাসু বললেন, তোমার দোকান তো বিষ্যুদ্বারে বন্ধ থাকে। বিষ্যুদ্বারে বিকালে এস না আমাদের বাড়িতে। মা-মেয়েকে নিয়ে।

    অর্পণা বলল, আসব।

    বাসু সওদা নিয়ে বাড়ি-পানে রওনা হচ্ছিলেন। হঠাৎ নজর হলো ওঁদের বাড়ি থেকেই বার হয়ে আসছে কৌশিক আর মহাদেব। কাছাকাছি আসতে বাসু বললেন, এতক্ষণ ধরে তোমরা কী এত আলোচনা করলে?

    মহাদেব বললেন, এন্টায়ার কেস হিস্ট্রিটা ডিটেলে শোনাতে হলো কিনা।

    মিস্টার মিত্র কিছু ফটো চেয়েছেন। ওবেলা দিয়ে যাব। গুয়াহাটির লোকাল কাগজে অনেক ছবি ছাপা হয়েছিল। তাছাড়া ঐ এম. পি.-র পার্টিতে একজন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারকে এনগেজ করা হয়েছিল। ওদের সকলের ফটোই আছে আমাদের কাছে—মধু, আই মীন মাধবী, অনীশ এবং শান্তনু ডাক্তারের! ওবেলা সব নিয়ে আসব। আমি উঠেছি হোটেল ডিউকে। রুম নম্বর ২০৭, দরকার হলে ফোন করবেন। হোটেলের ঘরে ঘরে ফোন আছে।

    বাসু কিছু বলার আগেই মহাদেব চোখ তুলে দেখতে পেল অপর্ণাকে। একটু যেন চমকে উঠল। তারপর রাস্তা ছেড়ে এগিয়ে গেল অপর্ণার স্টলে। ক্লাসিক সিগারেটের কার্টন দেখিয়ে বললে, পাঁচ প্যাকেট দিবেন তো, দিদি।

    অপর্ণার কাছে পাঁচ প্যাকেটই ছিল। নামিয়ে দিল। মহাদেব উঠে এল দোকানে। ম্যাগাজিনগুলো ঘাঁটতে থাকে—স্টার ডাস্ট, ডেবনেয়ার, আলোকপাত, মনোহর কহানিয়া সবকিছুই।

    কৌশিক বললে, ঠিক আছে, আমরা চলি তাহলে?

    মহাদেব অন্যমনস্কের মতো বললে, ও. কে.!

    বাসু ধীরে ধীরে বাড়ির দিকে চলতে থাকেন। কৌশিক তাঁকে অনুসরণ করে। একবার পিছন ফিরে দোকানের দিকে তাকিয়ে দেখে। মহাদেব ইতিমধ্যে অনেকগুলি পত্রিকা খরিদ করেছে। ভারী ওয়ালেট বার করে দাম মেটাচ্ছে।

    কৌশিক বলে, মামু, একটা জিনিস লক্ষ্য করেছেন? অপর্ণাকে দেখে মহাদেব জালান যেন একটু চমকে উঠেছিল।

    অপর্ণা পাড়ার মেয়ে। কৌশিক তাকে ভালমতোই চেনে।

    বাসু বললেন, হ্যাঁ। ব্যাপারটা আমার নজর এড়ায়নি।

    —কী মনে হলো বলুন তো আপনার? মহাদেব কি অপর্ণাকে চিনত?

    —না। তা মনে হয়নি আমার।

    —তাহলে? তবে অপর্ণার মধ্যে অমন করে ও কী দেখছিল?

    —হতভাগীটার যৌবন! মেয়েটি যে অল্পবয়সী, বিধবা, এটুকু বুঝে নিয়েছে। আন্দাজ করেছে, অর্থকৃচ্ছ্রতাও আছে। আরও কিছু সমঝে নিতে চায় বোধহয়। হোটেলে একা একা থাকে তো। তাই!

    .

    সেদিনই দুপুরবেলা। ঘড়িতে তখন দেড়টা। বাসু-সাহেব আর রানী বসেছিলেন বাইরের বারান্দায়। সচরাচর এই সময়ে ওঁরা মধ্যাহ্ন আহার সারেন। বিশে ভিতর থেকে এসে জানতে চাইল, দাদাবাবুরা তো এলেননি, আপনাদের দু’জনার ভাত বেড়ে দেব টেবিলে?

    রানী বললেন, আর একটু দেখি বরং…

    বলতে বলতে বাসু-সাহেবের গাড়িটা এসে দাঁড়ালো বাড়ির সামনে। নেমে এল কৌশিক আর সুজাতা। গাড়ি লক করে কৌশিক লাফাতে লাফাতে উঠে এল বারান্দায়। বললে, মামু! আপনার হারানো মানিকের সন্ধান পাওয়া গেছে! শ্রীমান অনীশ আগরওয়াল বর্তমানে এই কল্লোলিনী কলকাতাতেই সশরীরে বিরাজমান!

    —তাই নাকি! কোথায়? তার ঠিকানা?

    —বাড়ির অ্যাড্রেসটা এখনো পাইনি….

    –রাস্তার নাম? পাড়া?

    —এক্‌জ্যাক্ট লোকেশানটা,…মানে….

    বাসু ওর কথার মাঝখানেই বলে বসেন, বাঃ বাঃ বাঃ। তবে তো সারা সকাল ধরে মস্ত কাজ করে ফেলেছ! সুতানুটির মতো ছোট্ট একটা গ্রামে অনীশকে কোণঠাসা করে ফেলেছ! আর পালাবে কোথায়? বাই দ্য ওয়ে–সুতানুটিই তো? নাকি গোবিন্দপুর?

    কৌশিক একটা বেতের চেয়ার টেনে নিয়ে ধপাস্ করে বসে পড়ে। বাসু-সাহেবকে কিছু বলে না, সালিশ মানে রানী দেবীকে। বলে, দেখেছেন মামি! মামুর ঐ এক চারিত্রিক দোষ। কারও সাফল্যটা অ্যাপ্রিসিয়েট করতে পারেন না। লোকটা বোম্বাই নয়, চন্ডীগড় নয়, মাদ্রাজ নয়, বাঙ্গালোর নয়, খাশ কলকাতায়! অথচ উনি…

    রানী বলেন, বটেই তো! তুমি দুঃখ কর না, কৌশিক। আমি বুঝতে পেরেছি। শুধু বোম্বাই মাদ্রাজ কেন, লোকটা তো আবুধাবিতেও পালিয়ে যেতে পারত, কিংবা হনলুলু। কিন্তু কীভাবে হদিস পেলে?

    কৌশিক তার স্ত্রীর দিকে ফিরে বললে, তুমি বুঝিয়ে বল, সুজাতা। আমি আর কোন উৎসাহ পাচ্ছি না।

    অগত্যা সুজাতাই বুঝিয়ে বলল, কীভাবে যুক্তির পারম্পর্যে ধাপে ধাপে সমস্যাটা সমাধান করে ওরা অনীশের সন্ধান পেয়েছে। প্রথম কথা : অনীশ আগরওয়ালের পরিকল্পনাটা ছিল নিশ্ছিদ্র। ডি. সি. ক্রাইমের ভাষায় একে নাকি বলে, ‘লেজিটিমেট র‍্যাকেটীয়ারিং’— আইনসঙ্গত ভাবে অপরের মস্তক বিদীর্ণান্তে পনসভক্ষণ! সেক্ষেত্রে আমরা কেন ধরে নিচ্ছি যে, অনীশ এই খেল্টা গুয়াহাটিতেই প্রথম খেলেছে? তা তো নাও হতে পারে। দেখা যাচ্ছে, মাধবী অথবা মহাদেব ঐ সিনেমা-কোম্পানির কাছে অনীশের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেনি। করার উপায়ও নেই। চিত্র-প্রযোজক প্রতিষ্ঠান তো অনীশ আগরওয়ালকে নায়িকা নির্বাচনের ক্ষমতা নিবঢ় শর্তে দিয়ে রেখেছে। প্রার্থিনীকে উৎকোচ দেবার কোনো পরামর্শ তো তারা দেয়নি!

    সুতরাং? যদি ধরে নেওয়া যায় যে, গুয়াহাটিতেই অনীশ তার জীবনের প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি করেনি, তাহলে এটাও যুক্তি-নির্ভরভাবে আশা করা যায় যে, আগের-আগের আছাড়- খাওয়া নির্বাচিতার দল একইভাবে কিল খেয়ে কিল চুরি করেছে। সেসব খবর সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়নি। ভূপতিতার দল আপ্রাণ চেষ্টা করেছে জানাজানিটা যত কম হয়। তা যদি ঘটে থাকে তবে সেই ঘটনাস্থল কোথায়? কলকাতায় সম্ভবত নয়। কলকাতার ব্যাপার হলে ‘সুকৌশলী’ কোনো-না কোনো সূত্র থেকে ঐ মুখরোচক কিস্সাটা শুনতে পেত। তা কলকাতায় যদি না হয় তবে ইম্ফল, ত্রিপুরা, শিলং ইত্যাদিও হবে না। সেসব শহরের লোকসংখ্যা কম, গুয়াহাটির কাছাকাছি জনপদ। সুকৌশলীর আন্দাজ হলো, অনীশ যদি একই কায়দায় আর কোনো ধনীর দুলালীকে লেঙ্গি মেরে ভূতলশায়ী করে থাকে, আর ঘটনাস্থল যদি পূর্বভারত হয় তাহলে এই কয়টি শহরের মধ্যে সম্ভবত কোনো একটিতে— ভুবনেশ্বর, কটক, পাটনা, জামশেদপুর, ধানবাদ বা রাঁচি। এই কয়টি শহরে ‘নেতি-নেতি’ পদ্ধতিতে অগ্রসর হতে হবে। পূর্বভারতে একটি প্রাইভেট ডিটেকটিভ এজেন্সির কমফেডারেশনের সভ্য হয়েছে ‘সুকৌশলী’। ক্রাইম যে-হারে ক্রমবর্ধমান, আর বিভিন্ন রাজ্যের পুলিশ যে-ভাবে স্থানীয় শাসকদলের অঙ্গুলি হেলনে চলতে ক্রমশ অভ্যস্ত হচ্ছে, তাতে প্রাইভেট গোয়েন্দা সংস্থাগুলি এভাবে সঙ্গবদ্ধ হতে বাধ্য হচ্ছে। ওরা পরস্পরকে সাহায্য করে কমিশন বেসিস্-এ। কৌশিক একের পর একটি এস. টি.ডি. টেলিফোন করে শেষ পর্যন্ত হদিস পেল। যা আন্দাজ করেছিল ঠিক তাই। ঘটনাস্থল ইস্পাতনগরী জামশেদপুর। গত নভেম্বর মাসে সেখানে একজন উচ্চপদস্থ পারচেজ অফিসারের একমাত্র মেয়েটিকে একই পদ্ধতিতে বোকা বানানো হয়েছে। বোম্বাইয়ের ফিল্ম কোম্পানির সঙ্গে কন্ট্রাক্ট সম্পাদনের পরে সুরঙ্গমার বাবা পান্ডে-সাহেব একটা বিরাট পার্টি থ্রো করেছিলেন। ইস্পাতনগরীর অফিসার্স ক্লাব থেকেও সুরঙ্গমাকে একটি পৃথক সম্বর্ধনা দেওয়া হয়। তারপর স্ক্রীন-টেস্টের জন্য সুরঙ্গমা পান্ডে আর অনীশ আগরওয়াল বোম্বাই চলে যায়। হ্যাঁ, অনীশ বেনামে কোনো কারবার করেনি—করতে পারেও না—কারণ ফিল্ম কোম্পানি অনীশকেই নির্বাচন-দায়িত্ব দিয়ে রেখেছে। যাহোক, সুরঙ্গমা সেই যে বোম্বাই গেল আর জামশেদপুর ফিরে এল না! বাপিকে সে টেলিফোনে জানিয়েছিল কী- ভাবে সে বোকা বনেছে। এ-ক্ষেত্রে অবশ্য বাস্তবে বোকা বনেছেন পাণ্ডে-সাহেব স্বয়ং। কন্ট্রাক্ট সই হয়ে যাবার পর অনীশকে কালো-টাকার বান্ডিলটা তিনিই তুলে দিয়েছিলেন। সুরঙ্গমা তার বাবাকে জানিয়েছে যে, অনীশ কলকাতায় আত্মগোপন করে আছে। ফলে, সুরঙ্গমাও কলকাতা যাচ্ছে। একটা মুখোমুখি ফয়শালা করতে।

    সুরঙ্গমার বয়স চব্বিশ। স্থানীয় গার্লস স্কুলের গেম্স টীচার। মেয়েদের বাস্কেটবল প্রতিযোগিতায় মহিলা হিসাবে বিহারের প্রতিনিধিত্ব করেছে। ভাল রকম ক্যারাটে জানে। প্রচণ্ড দুঃসাহসী। তবু সে ঐ প্রাইভেট-ডিটেকটিভ এজেন্সিকে সবকিছু জানিয়ে রেখেছে। নির্ভয়ে বলেছে, যদি খবর পান যে, আমার দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু হয়েছে, তাহলে দেখবেন দেহটা যেন পোস্টমটার্ম হয়। বলেন তো, এজন্য কিছু রিটেইনার দিয়ে যাই!

    বাসু জানতে চান, তা ঐ দুঃসাহসিকা সুরঙ্গমা পাণ্ডের ঠিকানাটা কি জানা গেছে? সুজাতা বলে, তা গেছে। ইন্টালি-বাজারের কাছাকাছি একটা বাড়ির এক-কামরার মেজানাইন ফ্লোরের ফ্লাটে।

    —বটে! তা মিস্ পাণ্ডে কলকাতা শহরে রাতারাতি অমন একটা এক-কামরার ফ্লাট যোগাড় করল কেমন করে? তুমি-আমি তো পাই না?

    —সেসব আপনার শুনে কাজ নেই। ওর বাবা জামশেদপুরের একজন পার্চেজ অফিসার। ইন্টালি-মার্কেটের ঐ বাড়িটা একজন সাপ্লায়ারের। ঐ মেজানাইন ঘরখানা গেস্ট-রুম হিসাবে ব্যবহার করা হয়। ফার্নিশ্ড্। সংলগ্ন স্নানাগার ও ছোট্ট কিচেনেট। সাপ্লায়ার ভদ্রলোকের পরিচিত বিশিষ্ট মেহমানরা দু-এক দিনের জন্য কলকাতায় এলে হোটেলে না উঠে ঐ ঘরে আতিথ্য গ্রহণ করেন। সুরঙ্গমা সেই সুযোগটাই নিয়েছে। ওর ঘরে একটি টেলিফোন কানেকশানও আছে।

    —নম্বরটা জানা গেছে?

    —নিশ্চয়। ঘণ্টাখানেক আগে কৌশিক টেলিফোন করেছিল। সুরঙ্গমা তখন ঘরে ছিল না। ঘর তালাবন্ধ করে কোথাও গেছিল। যিনি টেলিফোন ধরলেন তিনি জানালেন, সুরঙ্গমা বিকেল চারটে নাগাদ ফিরে আসবে।

    রানী জানতে চান, ঘর যদি তালাবন্ধ, তাহলে টেলিফোন ধরল কে?

    সুজাতা বলে, এক্সটেনশান-লাইনে দোতলায় বা তিনতলায় সম্ভবত গৃহস্বামী। মামুর যেমন আছে চেম্বারে আর রিসেপশানে।

    বাসু বলেন, জামশেদপুরের প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটার কি জানিয়েছে যে, সুরঙ্গমা অনীশ আগরওয়ালের ঠিকানা জানে?

    কৌশিক এতক্ষণে কথোপকথনে যোগ দেয়। বলে, আজ্ঞে হ্যাঁ। সুরঙ্গমা যে অনীশের ঠিকানা জানে একথা জানিয়েছে তার জামশেদপুরের ইনভেস্টিগেটিং এজেন্সি। সুরঙ্গমা তাদের বলেছে, দু-চার দিনের মধ্যেই সে যাবে ফয়শালা করতে। যদি তিন দিনের মধ্যে আবার ফোন না করে তাহলে ওরা যেন কলকাতায় এসে খোঁজ করে। যাবতীয় ব্যবস্থা করে।

    রানী বলেন, যাবতীয় ব্যবস্থা মানে?

    —মানে, সুরঙ্গমার ডেড বডিটা যাতে পোস্টমর্টাম হয়!

    বাসু বলেন, এ তো আচ্ছা পাগল মেয়ে দেখছি!

    কৌশিক আরও বলে, তাই আমাদের স্ট্যাটেজি হচ্ছে সুজাতা বিকাল চারটে নাগাদ ঐ মেজানাইন ঘরে গিয়ে সুরঙ্গমার সঙ্গে আলাপ করবে। বলবে, ওকেও অনীশ একই ভাবে লেঙ্গি মেরেছে—ভুবনেশ্বরে। তাই অনীশের খোঁজে ও কলকাতায় এসেছে টাকা আদায় করতে!

    রানী এবার বলেন, শোন বাপু। তোমাদের বাকি স্ট্র্যাটেজির কথা না হয় খেতে খেতে আলোচনা কর। বেলা দুটো বেজে গেছে। বিশেও না খেয়ে বসে আছে। বার-দুই উঁকি মেরে দেখে গেছে। তাছাড়া সুজাতা তো তিনটে নাগাদ আবার বেরুবে ঐ ডাকাবুকোর সঙ্গে দেখা করতে। ও একাই যাবে তো?

    বাসু বলেন, না। আমার গাড়িটা নিয়ে কৌশিক আর সুজাতা দু’জনেই যাবে। অনীশের ঠিকানা জানামাত্র আমাকে টেলিফোন করে জানাবে। আমি এখান থেকে ট্যাক্সি নিয়ে যাব। সুজাতা বাড়ি ফিরে আসবে। বাসে বা ট্যাক্সিতে। আর কৌশিক একা গাড়ি নিয়ে ঐ ঠিকানায় আমাকে ‘মীট করবে।

    কৌশিক বলে, ধরুন আমরা দু’জন ওর ঘরে হানা দিলাম। দেখাও পেলাম। তারপর? অনীশ তো বে-আইনি কোনো কাজ করেনি! মানে কোনো প্রমাণ আমাদের হাতে নেই। সে যে সুরঙ্গমা পাণ্ডের বাবার কাছ থেকে অথবা মাধবী বড়ুয়ার কাছ থেকে কোনো টাকা নিয়েছে এটা তো আমরা প্রমাণ করতে পারব না। ও তো স্রেফ অস্বীকার করবে। তাই না?

    বাসু বললেন, তুমি শুধু বাগিয়ে কর্নার-কিটা কর তো কৌশিক। শুধু দেখ, বলটা যেন গোল-লাইনের বাইরে চলে না যায়। অনীশ-গোলকীপারকে কাটিয়ে আমি কিভাবে হেড করব সে চিন্তা আমাকেই করতে দাও। আর হ্যাঁ, তোমার যন্ত্রটা যেন সঙ্গে থাকে। বেগতিক বুঝলে অনীশ আগরওয়াল ভায়োলেন্ট হয়ে উঠতে পারে।

    রানী বলেন, কী দরকার বাপু এসব উটকো ঝামেলায়? আর পাঁচটা ব্যারিস্টার যেভাবে প্র্যাকটিস্ করে….

    কথাটা শেষ হয় না। বাসু তড়াৎ করে লাফিয়ে ওঠেন। চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে দেন; বিশেটা আবার কোথায় গেল? ওদিকে বেলা দুটো বেজে গেছে সে খেয়াল আছে?

    সুজাতা বলে, আমি বলছিলাম কি…

    —ওর নাম কি, খাবার টেবিলে বাকি কথা হবে। শুনলে না, তোমার মামিমা কী বললেন। বিশে, এই বিশে…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article রূপমঞ্জরী – ৩য় খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }