Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প522 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দর্পণে প্রতিবিম্বিত কাঁটা – ১

    এক

    কফি পট থেকে পেয়ালায় কফি ঢালতে ঢালতে রানীদেবী আড়চোখে দেখলেন টেবিলের অপরপ্রান্তে বাসুসাহেব পকেট থেকে সেই চিঠিখানি তৃতীয়বার বার করছেন। রানু বলেন, বুড়ো বয়সে কার প্রেমপত্র পেলে বল তো? বার বার পড়েও তৃপ্তি হচ্ছে না?

    –প্রেমপত্র! ও! এই চিঠিখানা? হ্যাঁ, সকালের ডাকে পাওয়া এই চিঠিখানা আমার মানসিক স্থৈর্যে ব্যাঘাত ঘটিয়েছে বটে। না, এবার এ-কোন মহিলার লেখা চিঠি নয়।

    পেয়ালায় চামচ নাড়তে নাড়তে রানু বলেন, ‘এবার মহিলার চিঠি নয়’ মানে? কোবার ছিল মহিলার চিঠি?

    —মনে নেই? বহুদিন আগে মেরীনগর থেকে মিস্‌ পামেলা জনসন আমাকে একটি দুর্বোধ্য চিঠি লিখেছিলেন।

    —ও হ্যাঁ, সেই সময় সারমেয় গেন্ডুকের কাঁটায়!

    —এবারও অবস্থা প্রায় সেইরকম। অথবা বলা যায় আরও রহস্যময়। কারণ সেবার পত্রপ্রেরকের ঠিকানাটা অন্তত চিঠির মাথায় লেখা ছিল। এবার তাও নেই।

    —তাহলে তুমি জবাব দেবে কী করে?

    —জবাব দিতে হবে না। পত্রলেখক বারণ করেছেন জবাব দিতে। অবশ্য বারণ না করলেও জবাব দিতে পারতাম না, ঠিকানার অভাবে।

    —বুঝলাম। তা কী চান ভদ্রলোক?

    —তুমি নিজেই পড়ে দেখ।

    বছরের প্রথম। বৈশাখ মাস। বসন্ত বিদায় নিচ্ছে। নিউ আলিপুরের নিষ্পাদশ প্রাসাদারণ্যের কোনও ঝোপে-ঝাড়ে লুকিয়ে একটা কোকিল সকাল থেকে একটানা ডেকে চলেছে। বেচারি এখনও বোধকরি তার সঙ্গীনিকে খুঁজে পায়নি। বাৎসরিক মিলনোৎসবটা বন্ধ আছে এই শেষ বসন্তে।

    সুজাতা আর কৌশিক কয়দিনের জন্য নিউজলপাইগুড়ি গেছে। কী একটা তদন্তে। আজই সকালের ট্রেনে ফেরার কথা। ট্রেন বোধকরি যথারীতি লেট। তাই বুড়ো-বুড়ি দুজনে সকালে ব্রেকফাস্টে বসেছেন নিরালায়। দ্বারপ্রান্তে বিশে অবশ্য দাঁড়িয়ে আছে খিদমৎগার হিসেবে।

    বাসুসাহেবের হাতে বিগত তিন-চার মাস কোনও উল্লেখযোগ্য কেস আসেনি। ড্রেস- রিহার্সালের কাঁটাটি সমুৎপাটনের পরে আর কেউ বাসুসাহেবের দ্বারস্থ হয়নি। সুকৌশলীর কিন্তু কাজ আসছে। অধিকাংশই মামুলী কেস। ‘পাত্র-পাত্রী’ ফাইলটা ক্রমশ মোটা হচ্ছে। অর্থাৎ পুত্র ও কন্যার বিবাহ প্রস্তাব পাকাপাকি হবার উপক্রম হলে উদ্বিগ্ন বাবা-মা সুকৌশলীর দ্বারস্থ হন, আজকাল। পাত্রটি ড্রাগ-অ্যাডিক্ট কি না, পাত্রীটির সঙ্গে পাড়াতুতো কোনও দাদার ‘লটঘট’ আছে কি না, এসব তদন্ত করে দেখতে হয়। এ-জাতীয় কেসে ফিজ কম। কাজের হাঙ্গামাও অবশ্য কম। অন্তত বোমা-পিস্তলে আহত হবার আশঙ্কা নেই। উপরন্তু ফিজ-এর অতিরিক্ত একদিন বিয়ে কিংবা বৌভাতের নিমন্ত্রণে যুগলে ভালমন্দ আহার করে আসে। তেমনি কোনও একটা কাজে ওরা দুজনে একত্রে গেছে উত্তরবঙ্গে।

    বাসুসাহেব রানীদেবীর দিকে বাড়িয়ে ধরেন সকালের ডাকে পাওয়া বিচিত্র চিঠিখানি। মোটা কাগজের দামী লেফাফা। রানীদেবী ভিতর থেকে যে চিঠিখানি বার করলেন সেটাও দামী কাগজ। পত্রলেখক মোটা মোটা ইংরেজি হরফে চিঠিখানি লিখেছেন। পত্রে নিজের নাম ও ইংরেজি হরফে আংশিক ঠিকানাটার উল্লেখ আছে। পুরো ঠিকানা নয়। অনুবাদে চিঠিটি এইরূপ নেবে :

    “মোহনমঞ্জিল মোহনপুর

    শ্রীল শ্রীযুক্ত বাবু প্রসন্নকুমার বাসু,

    মহিমাৰ্ণবেষু,

    এ মঞ্জিলে এমন একটি সমস্যা ঘনিয়ে উঠেছে যা অত্যন্ত সাবধানে এবং সংগোপনে সমাধান করার প্রয়োজন। আপনার কণ্টকাকীর্ণ পথের বিভিন্ন মোড়ে বিচিত্র সাফল্যের বিষয়ে আমি সমধিক অবহিত। তাই সম্পূর্ণ দায়িত্বটা আপনার বিচক্ষণ হস্তেই প্রদান করতে ইচ্ছুক। অতি সম্প্রতি আমি বুঝতে পেরেছি যে, আমার সম্মান এবং আমাদের পারিবারিক সুনাম ভূলুণ্ঠিত করার একটি ষড়যন্ত্র সঙ্গোপনে করা হয়েছে। আমি পুলিশ বা আইনের সাহায্য নিতে অসমর্থ এবং অনিচ্ছুক। গোপনীয়তার হেতুতে। এদিকে যা করণীয় তা আমি করছি, কিন্তু হয়তো আপনাকে সশরীরে উপস্থিত হয়ে আমার সমস্যার চূড়ান্ত সমাধানটি করে দিয়ে যেতে হবে। সে প্রয়োজন হলেই আমি আপনাকে টেলিফোন/টেলিগ্রাম করব। আপনি তৈরি হয়ে থাকবেন। এ চিঠির উত্তর না পেলেই আমি খুশি হব। ইতি—

    ভবদীয়

    রায়রায় জগদীন্দ্রনারায়ণ শেঠ বাহাদুর।”

    —রানীদেবী বললেন, ‘রায়’-এর দ্বিত্ব প্রয়োগটা হল কী কারণে?

    একটা ‘রায়’ হচ্ছে উপাধি; দ্বিতীয়টা ‘রায়বাহাদুরের’ মুণ্ডুটা। বোঝা যায় লোকটার অনেক টাকা। ‘রায়বাহাদুর’ উপাধি পেয়েছিল অনেকদিন আগে। প্রাকৃস্বাধীনতা যুগে। ফলে যথেষ্ট বয়স। হয়তো আমার চেয়ে বয়সে বড়। এ ছাড়া বেশ দাম্ভিক। একবারও তার মনে হয়নি যে, আমি কাজটা নাও নিতে পারি। ফিজ-এর প্রসঙ্গ তোলেইনি। যেন আমি তার হুকুমে চলব! কিন্তু নিজের ঠিকানাটা সে গোপন করল কেন? বেশ বোঝা যায়, একটা ‘লেটারহেড থেকে কাগজটা ছিঁড়ে নেওয়া হয়েছে, আর তারপর কাঁচি দিয়ে ঠিকানাটা কেটে বাদ দেওয়া হয়েছে।

    —সেটা বুঝলে কেমন করে?

    —লক্ষ্য করে দেখ, কাগজটার ওপরের প্রান্ত নিচের প্রান্তের সঙ্গে সমান্তরাল নয়। অর্থাৎ কাঁচি দিয়ে কাটবার আগে সেট-স্কোয়ার ধরে পেনসিলের দাগ দিয়ে দেওয়া হয়নি।

    —তা তুমি কী স্থির করলে? যাবে? না যাবে না?

    —বলটা এখন জগদীন্দ্রনারায়ণের কোর্টে। আগে দেখি তিনি ফোরহ্যান্ড ড্রাইভ করেন, না ব্যাকহ্যান্ড।

    —অর্থাৎ টেলিগ্রাম করেন, না টেলিফোন, এই তো? টেলিফোন করলে তবু তাঁর সঙ্গে দুটো কথা বলার সুযোগ পাবে; কিন্তু টেলিগ্রাম করলে? যাবে?

    —কোন্ চুলোয়?

    —’চুলোর’ নির্দেশ নিশ্চয় থাকবে টেলিগ্রামে।

    বাসুসাহেব জবাব দেবার সুযোগ পেলেন না। তখনি একটা ট্যাক্সি এসে দাঁড়ালো বাইরের পোর্টিকোতে। দ্বারপ্রান্তে দণ্ডায়মান বিশে ঘোষণা করে, দাদাবাবুরা এসে গেলেন মনে লাগে।

    একটু পরেই স্যুটকেস আর কাঁধব্যাগ নিয়ে সুজাতা আর কৌশিক প্রবেশ করল। বাসু বললেন, কত লেট ছিল আজ, কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস?

    কৌশিক সেকথার জবাব না দিয়ে জানতে চায়, কফি পটে তলানিতে কিছু আছে?

    এবার জবাব দেয় বিশে, ঠাণ্ডা-কফি খাবেন কেন? এক্ষুনি গরম কফি নেদিচ্ছি? আর কিছু? ডিম-টোস্ট?

    সুজাতা বলল, না রে। সকালে ট্রেন লেট হচ্ছে দেখে আমরা ব্রেকফাস্ট ট্রেনেই সেরে নিয়েছি। তাই শুধু দু-কাপ কফি নিয়ে আয়। আমারটা-র।

    ওরা দুজন বসল দুটি সোফায়।

    রানী বলেন, তোমাদের মামু আজ সকালের ডাকে একটা মিস্টিরিয়াস চিঠি পেয়েছেন—

    সুজাতা মুখের কথা কেড়ে নিয়ে বলে, ‘সারমেয় গন্ডুকের’ উল্লেখ আছে নাকি তাতে?

    বাসু বললেন, না নেই। তবে সেই জাতীয় রহস্যময়ই। চিঠিটা পড়ে দেখ।

    সুজাতা হাত বাড়িয়ে চিঠিখানা নিয়ে পড়ল। তারপর বাড়িয়ে ধরল তার সিনিয়ার পার্টনারের দিকে।

    কৌশিকও পড়ল। দুজনের দৃষ্টি বিনিময় হল। কৌশিক বললে, উই আর ইন দ্য সেম বোট, সুজাতা। মামুকে সব কথা খুলে বলতে পার।

    —সব কথা মানে? কিসের কথা? জানতে চান বাসু।

    —’রায় রায় জগদীন্দ্রনারায়ণ শেঠ বাহাদুর’ এককালে আমাদের ক্লায়েন্ট ছিলেন। বছর তিনেক আগে তাঁর পত্নীর আহ্বানে ওই ‘মোহনমঞ্জিল’-এ আমাদের দুজনকে আতিথ্য নিতে হয়েছিল—ওঁর একটা সমস্যার সমাধানে।

    —আই সি! তা ‘মোহনমঞ্জিল’টা কোথায়?

    —মুর্শিদাবাদ বা লালগোলা লাইনে বেলডাঙা স্টেশন থেকে মাইল দশেক ভিতরে একটা বর্ধিষ্ণু গ্রাম ‘মোহনপুর’-এ।

    —মোহনপুরের মোহনমঞ্জিল? এই শ্রীল শ্রীযুক্ত ‘মোহন’টি কে? জগদীন্দ্রনারায়ণের পূর্বপুরুষ?

    —আপনি ঠিকই ধরেছেন মামু! কিন্তু এখনও বুঝতে পারেননি যে, ওই ‘মোহন ‘ আপনারও সুপরিচিত।

    —আমার সুপরিচিত? গত শতাব্দীর দুজন ‘মোহনকে আমি চিনি। দুজনেই সঙ্গীতজ্ঞ। মোহনচাঁদ বোস- ‘হাফ-আখড়াই’ গানের প্রবর্তক। আর একজন মোহন বৈরাগী -ঢপ কেত্তনে নাম করেছিলেন। তা ইনি কি–

    —না, মামু। ইনি সঙ্গীতজ্ঞ নন। অসিচালনায় দক্ষ ছিলেন। গত শতাব্দীরও নন। তার আগের শতাব্দীতে। পলাশী যুদ্ধের শহিদ – মীরমদনের সতীর্থ মোহনলাল!

    বাসু রীতিমতো চমকে ওঠেন, বল কি! সেই মোহনলালের উত্তরপুরুষ এই জগদীন্দ্রনারায়ণ শেঠ?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ। অনেক পরিশ্রম করে তথ্যটা আমরা অবিষ্কার করেছিলাম। সে এক মস্ত কাহিনী। শুনুন-

    রানীদেবী বাধা দেন, সারারাত ট্রেনের ধকল গেছে। এখন কফিটা গিলে স্নান টান সেরে ঘরোয়া হও প্রথমে।

    কৌশিক বলে, না, না, আমার কিছু ক্লান্ত বোধ হচ্ছে না মামী, ট্রেন জার্নিতে–

    আবার বাধা দিয়ে রানী বলেন, তোমার ক্লান্তির কথা আমি বলিনি, কৌশিক। সুজাতা, তুমি ওঠ। অসময়ে তোমাকে আবার কফি খেতে হবে না। বদ অভ্যাসটা একেবারে ছাড়তে না পার তো, এই ক-মাস আমার কথামতো একটু সামলে চল অদ্ভুত।

    সুজাতা রীতিমতো অপ্রস্তুত হয়ে উঠে দাঁড়ায়। কৌশিকও বোকার মতো মাথা চুলকায়। রানী আবার বলেন, আর একটা কথা, কৌশিক। এই নিউজলপাইগুড়িই হচ্ছে তোমাদের লাস্ট টিপ। এরপর থেকে তুমি একা একাই তোমার ওই সুকৌশলীর তদন্তে যেও। সুজাতা আর বাড়ি থেকে বের হবে না! এ-কমাস।

    বাসু বলেন, কারেক্ট! কাটা নিয়ে কাঁটা-ছেঁড়া অনেক হয়েছে। আর কাঁটা নয়। এখন ফুল ফোটানোর সময় —’যে পারে সে আপনি পারে, পারে সে ফুল ফোটাতে।’

    আবার ধমক দেন রানী, তুমি থাম তো! তোমাকে আর কবিত্ব করতে হবে না।

    বাসুও অপ্রস্তুত! বলেন, ও আয়াম সরি!

    আমি—মানে এ কাহিনীর লেখকও, ‘সরি’! আমিও আপনাদের একটা জরুরি সংবাদ দিতে ভুলেছি। সেই কথা আগেই আমার বলা উচিত ছিল। একটা সুসংবাদ : ‘সকল কাঁটা ধন্য করে’ নিউ আলিপুরের ওই বাড়িটায় একটা গোলাপ ফুল ফোটার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

    এইখানে কিছুটা ব্যাখ্যার প্রয়োজন। কী জানেন, সে সময় নবকল্লোল মাসিক পত্রিকায় আমার সপ্তদশতম কাঁটার কাহিনীটা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছিল : ড্রেস রিহার্সালের কাঁটা। সেই সময় একটি সাহিত্য আড্ডায় এক ভদ্রমহিলার সঙ্গে আলাপ হল। বছর চল্লিশ বয়স, কোন স্কুলে বুঝি বাংলা অথবা ইতিহাস পড়ান। হঠাৎ আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, সোনার কাঁটা গল্পটা আপনি কত সালে লিখেছিলেন?

    বললাম, চুয়াত্তর সালে।

    —তার মানে তেইশ বছর পার হয়ে গেছে। তা… ইয়ে… শারীরিক ত্রুটিটা কার? কৌশিক না সুজাতার?

    আমি বলি, ওদের কোনও শারীরিক ত্রুটি আছে বলে তো আমি জানি না।

    — আপনি না জানলে সেটা কে জানবে? প্রকাশক, সম্পাদক, প্রুফ রিডার না কম্পোজিটার?

    আমি হালে পানি পাই না।

    উনি আবার ধমকে ওঠেন, ওদের বাচ্চা-টাচ্চা হচ্ছে না কেন? আপত্তিটা কার? যদি শারীরিক ত্রুটি না-ই থাকে? কৌশিক নয় নিশ্চয়, পুরুষ মানুষ সচরাচর এসব ব্যাপারে নির্লিপ্ত। তাহলে কার? সুজাতার? ফিগার খারাপ হয়ে যাবে? এই তো? কিন্তু তাই বলে তেইশ বছর! মাই গড! সুজাতার ন্যাকামির তো একটা সীমা থাকবে! ও কী চায়? ‘ম্যানোপজ’-এর পর বাচ্চা? আপনি নিজে কদ্দূর জানেন সেটা বলুন দেখি? ওরা দুজন কি ডাক্তার দেখিয়েছে? নাকি ওরা সেই লালত্রিকোণের চক্করে পড়েছে! ওদের মতো অত্যন্ত ইন্টেলিজেন্ট কাল-এর বাচ্চা না হলে দেশের কী হাল হবে জানেন? হাওলা-গাওলাদের অপোগণ্ড বাচ্চায় দেশটা ভরে যাবে! আপনার সেসব খেয়ালই নেই! তেইশ বছর ধরে ক্রমাগত কাঁটার পাহাড় বানিয়ে চলেছেন! ডাইনে কাঁটা, বাঁয়ে কাঁটা, সামনে কাঁটা, পিছনে কাঁটা। একটা কাঁটা উগরে ফেলতে না ফেলতে আরেকটা কাঁটা। কী পেয়েছেন আপনি! অ্যাঁ?

    সেদিনই মনস্থির করেছিলাম, বুয়েছেন? ঘুম-না-আসা-রাত্রে কৌশিক আর সুজাতাকে পাকড়াও করলাম। প্রথমটায় ওরা কিছুতেই রাজি হতে চায় না। বলে, এতে নাকি ওদের সুকৌশলীর কাজে ঝামেলা হবে। ওরা বরং প্রয়োজনে কোনও অনাথ আশ্রম থেকে সদ্যোজাত কোনও বাচ্চা এনে প্রতিপালন করবে।

    আমি ওদের বোঝাবার চেষ্টা করলাম, সেটা একদিক থেকে খুবই ভাল কথা। একটা অনাথ বাচ্চা মানুষ হয়ে যাবে। কিন্তু তোমাদের পরিবারে অজানা ‘জিনস্’-এর একটা হেরিডিটি- ফ্যাকটর এসে যাচ্ছে তো? তাছাড়া আজকাল আবার নতুন এক বখেড়া শুরু হয়ে গেছে : এইড্‌স!

    কৌশিক আমাকে ধমকে ওঠে, থামুন তো আপনি! যতসব আবোলতাবোল অলুক্ষণে কথা!

    সুজাতা কিন্তু আমাকে সমর্থন করলো। বলল, দাদু কথাটা কিন্তু মিছে বলেনি।

    কৌশিক বলে, তার মানে তুমি রাজি?

    দারুণ লজ্জা পেল সুজাতা। আমি তাড়াতাড়ি কথা ঘোরাতে বলি, তোমার কোনও অসুবিধা হবে না, সুজাতা-দিদি। বিশে তো আছেই। তাছাড়া শুনেছি, বিশের দেশের বাড়িতে এক দিদি আছে। তোমার চেয়ে বয়সে ছোট। স্বামীত্যক্তা। মানে ও নিজেই পালিয়ে এসেছে। স্বামীর মারের হাত থেকে রেহাই পেতে। যেমন মদ্যপ তেমনি নিষ্ঠুর। ছেলেপিলে নেই তাকেও বরং আলিপুরের বাড়িতে নিয়ে আসব?

    সুজাতা জানতে চায়, মেয়েটা রাজি হবে তো?

    আমি হেসে বাঁচিনে। বলি, কী পাগল মেয়ে গো তুমি, সুজাতা। কলমটা তো আমার হাতে! রাজি হবে না মানে? তাকে ঘাড় ধরে আলিপুরে নিয়ে আসব। তার নাম ফুট্‌কি। সেই মেয়েটাই তোমার খোকার দেখভাল করবে!

    কৌশিক আমাকে এখানে মাঝপথে থামিয়ে দিয়ে বলে, আপনি নিশ্চিত জানেন, দাদু? ছেলেই হবে ওর? মেয়ে নয়?

    কী বোকা ওরা! গবেট দুটো বোঝে না: কলমটা আমার হাতে। xx না xy তা স্থির করব আমিই। ভাগ্যবিধাতা নন। আমি সুজাতার দিকে ফিরে জানতে চাই : তোমার কী ইচ্ছে? খোকা না খুকু?

    সুজাতা আমার দিকে তার বড় বড় চোখ মেলে তাকায়। কী লাজুক মিষ্টি দৃষ্টি! কী একটা কথা বলতে যায়—বলা হয় না। তার আগেই তোমাদের দিদা—মানে আমার গিন্নি, ও-পাশের খাট থেকে নেমে এসে আমাকে অ্যাইসা এক ঠেলা মারেন! বলেন, সারা রাত আপনমনে কী বকবক কর বলতো? তুমিও কি আজকাল কমলাকান্ত চাটুজ্জের মতো আফিং-টাপিং ধরেছ নাকি?

    ঘুমটা ভেঙে গেল। স্বপ্নটাও। কিন্তু তখনই মনস্থির করে ফেললাম। আর কাঁটা নয়, ‘গোলাপ’!

    সুজাতার এটা পাঁচ মাস!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article রূপমঞ্জরী – ৩য় খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }