Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প522 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দর্পণে প্রতিবিম্বিত কাঁটা – ৭

    সাত

    পলাশী- -যুদ্ধের দেশপ্রেমী শহিদ মহারাজ মোহনলালের সৎকার কর হল জিয়াগঞ্জের শ্মশানে। বস্তুত গোপনে। মীরজাফর আর মীরনের ভয়ে। শ্মশানে বেচারি সরযূবালা আসতে পারেনি। তাকে আনা হয়নি গৃহাভ্যন্তরেই সে বিধবা সাজল। তার পক্ষকাল পরে মোহনলালের দুই বিশ্বস্ত অনুচর—বলভদ্র আর বিরোচন এসে দেখা করল পুরুষোত্তমদাসের সঙ্গে। তারা পণ্ডিতজীকে পরামর্শ দিল, গোপনে জিয়াগঞ্জ ত্যাগ করে উত্তরভারতের কোনও গোপন স্থানে চলে যেতে নতুন নবাব মীরজাফরের ভয়ে মীরমদনের বিবি-বাচ্চারা রাতারাতি পূর্ণিয়ার দিকে পালিয়ে গেছে। নবাব মোহনলালের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছেন। এখন তার গুপ্তচরেরা মোহনলালের পিতা-মাতা-ভাইবোন-বিবি-বাচ্চাদের সন্ধান করে বেড়াচ্ছে। কিছু লোককে কোতল করে নিষ্ঠুর উদাহরণ স্থাপন না করলে বেইমানদের শায়েস্তা করা যাবে না। মীরজাফরের দৃষ্টিভঙ্গিতে মোহনলাল আর মীরমদন হচ্ছে বেইমান। তারা দুজন সিপাহসালারের আদেশ অগ্রাহ্য করে পলাশী-প্রান্তরে ইংরেজের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে! কী স্পর্ধা!

    পুরুষোত্তমদাস নিতান্ত অসহায়ের মতো বলেন, কিন্তু আমি কোথায় যাব বাবা? পাঞ্জাবের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই; এই জিয়াগঞ্জেই এখন আমার দেশ, জন্মভূমি।

    বলভদ্র বললে, না পণ্ডিতজী, আপনাকে পাকাপাকিভাবে জিয়াগঞ্জ ত্যাগ করে যেতে বলছি না; কিন্তু সাময়িকভাবে ভাবিজীকে নিয়ে আপনার স্থানত্যাগ করাটা নিতান্ত প্রয়োজন মীরজাফর তার গদি বাঁচাতে চতুর্দিকেই শত্রু দেখছে। তাছাড়া মীরজাফরের পুত্র মীরন এ বিষয়ে বাপকেও ছাড়িয়ে গেছে। সিরাজের বংশের যেখানে যে কেউ আছে, হত্যা করে চলেছে। আপনার ব্যবস্থা আমি করে দিচ্ছি। কাশীধামে চৌষট্টি যোগিনী ঘাটের কাছাকাছি আমার দাদামশায়ের একটি বিরাট মোকাম আছে। অসুবিধা হবে না। দাদাজী বাবা বিশ্বনাথের একজন পুরোহিত। দিদা স্বর্গে গেছেন। ফলে ভাবিজীকে পেলে বুড়োবয়সে তাঁকে হাত পুড়িয়ে রান্না করে খেতে হবে না। আমি হাতচিঠি দিয়ে দেব—

    —কিন্তু কোনও যাত্রীদল কি বিশ্বনাথধামে যাবে, জিয়াগঞ্জ থেকে?

    —আমি খোঁজ নিইনি। নেবও না। কারণ জিয়াগঞ্জ থেকে নৌকায় চড়া যুক্তিযুক্ত হবে না আপনি এখানকার নামকরা পণ্ডিতজী—কেউ না কেউ চিনে ফেলতে পারে। তাদের ভিতর কেউ যদি বুঝে ফেলতে পারে যে আপনার সঙ্গিনী মহারাজের বিধবা, তাহলেই সমূহ বিপদ আমি বরং খোঁজ নিয়ে দেখি, মুর্শিদাবাদ থেকে কোনও যাত্রীদল কাশীধামে যাচ্ছে কি না আপনাদের দুজনকে সেখান থেকে বজরায় চড়তে হবে। এ বাস্তুভিটার জন্য চিন্তা করবেন না আমরা দুজন এই বাড়িতেই এসে উঠব। মাস ছয়েকের মধ্যেই সবকিছু থিতিয়ে যাবে। তখন আপনারা দুজন আবার এখানে ফিরে আসতে পারবেন।

    না, ছয়মাসের মধ্যে ওঁরা কাশী থেকে বঙ্গভূমে ফিরে আসতে পারেননি। দেরি হয়েছি আড়াই বছর। পাক্কা আড়াই বছর চুটিয়ে নবাবী করেছিল মীরজাফর আলি খাঁ। নামমহিমায় লোকটা বাংলাভাষায় বিশ্বাসঘাতকতার সমার্থক হয়ে গেছে। বিশ্বাসঘাতক তো ছিল এক ঝাঁব খ্যাঁকশিয়াল—তার ভিতর মীরন নিহত হয় বজ্রাঘাতে; দুর্লভরাম সর্বস্বান্ত হয়ে পথের ভিখার হয়ে যায়—উন্মাদ অবস্থায় তার মৃত্যু ভয়াবহ। দুর্লভরামের প্রতি যে বিশ্বাসঘাতকত করেছিল—বেইমানির বনিয়াদে গেঁথে তুলেছিল ব্রিটিশ বণিক রাজ্য—সেই লর্ড ক্লাইভ অর্থকৃচ্ছ্রতায় আর অপমানে কোণঠাসা হতে হতে শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যা করেছিল লন্ডনে, পলাশী-যুদ্ধের সতেরো বছর পরে। তাদের বিশ্বাসঘাতকতার কথা ইতিহাস ভুলে গেছে; ভোলেনি ওই মীরজাফরের বেইমানিটা। বোধকরি শুধু ধন-দৌলত নয়, গদিটার লোভের জন্যই শুধু মীরজাফরই বেইমান!

    বাংলাদেশের প্রজা অর্ধাহারে থেকেও সর্বোচ্চ হারে যে খাজনা দিতে পারে তার দ্বিগুণ কর দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল গদি-লোভী মীরজাফর। সে প্রতিশ্রুতি রাখতে পারল না বেইমানটা। অঙ্কশাস্ত্রমতে তা সম্ভবও ছিল না। তাই গদির মোহে মাতাল মীরজাফরকে গদিচ্যুত করল ইংরেজ বেনিয়া সরকার, ১৯৬০-এ। তারপরে আরও পাঁচবছর বেঁচেছিল মীরজাফর। বজ্রাঘাতে মীরনের মৃত্যু সংবাদ পাওয়ার পর সে কুষ্ঠরোগে আক্রান্ত হয়। পরিবারবর্গ তাকে ত্যাগ করে। পথ প্রান্তে পর্ণকুটীরে ভিখারির মতো প্রাণত্যাগ করে কুবেরীতি ধনের অধিকারী নবাব মীরজাফর আলি খাঁ বাহাদুর! —বেইমান নবাব!

    কাশীতে বসে সে সংবাদ পেলেন পুরুষোত্তমদাসজী। নবাবের ছেলে নবাব হবে, সে জমানা আর নেই। এখন কোম্পানির রাজত্ব। নিলামের ডাকে যে সর্বোচ্চ ডাক দেবে তাকেই গদিতে বসিয়ে দেওয়া হবে। এই হল নতুন রেওয়াজ। মীরজাফরের পদচ্যুতিতে গদিতে উঠে বসলেন মীরকাসেম আলি।

    মীরকাসেম আলি মীরজাফরের দামাদ। মীরজাফরের কন্যা ফতিমাকে সাদি করে তিনি বিশিষ্ট ওমরাহ হয়ে ওঠেন। পলাশীর যুদ্ধে তিনি ষড়যন্ত্র-দলে ছিলেন এমন প্রমাণ নেই; কিন্তু যুদ্ধান্তে সিরাজ যখন পলাতক, তখন শ্বশুরমশায়ের আদেশে সিরাজকে বন্দী করায় সচেষ্ট হন। পরে রাজস্ব আদায়ের ব্যর্থতায় যখন মীরজাফরের পদচ্যুতি ঘটল, তখন মীরকাসেম একটি নতুন শর্তে বেনিয়াদের প্রলুব্ধ করে গদিলাভ করলেন। ইংরেজ কোম্পানিকে তিনি মেদিনীপুর, বর্ধমান আর চট্টগ্রামের জমিদারি ‘বিনামূল্যে বিক্রয়’ করে দিলেন। অর্থাৎ শর্ত হল, মীরকাসেম বাংলার নবাব হবেন কিন্তু ওই তিনটি পরগণা থেকে খাজনা সরাসরি আদায় করবে বেনিয়া ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মচারীরা। নবাবকে এজন্য কোনও খাজনা দেওয়া হবে না। বলা যায় ইংরেজের সরাসরি রাজ্যলাভের সেটাই সূত্রপাত।

    মীরকাসেম কিন্তু দাস-মনোবৃত্তিওয়ালা শাসক ছিলেন না। ঐশ্বর্য ও বিলাসে আকণ্ঠ ডুবে থাকাকেই তিনি পরমার্থ মনে করতেন না, সিরাজ বা মীরজাফরের মতো। তীক্ষ্ণবুদ্ধি মীরকাসেম বোধহয় দেশকে ভালবাসতেন, তাই বুঝতে পেরেছিলেন, ওই লালমুখো বহিরাগত পিশাচদের তাড়াতে না পারলে কী হিন্দু, কী মুসলমান— ভারতবাসীর শান্তি নেই। স্বীকার্য—তিনি সিরাজকে ধরিয়ে দিতে সাহায্য করেছিলেন। কিন্তু প্রথম কথা, মীরকাসেমের দৃষ্টিতে প্রায় কিশোর সিরাজ অত্যন্ত উচ্ছৃঙ্খল। তার নাবীতে রানী ভবানীর বিধবা কন্যা তারাসুন্দরী পর্যন্ত নিরাপদে পূজা-অর্চনা নিয়ে থাকতে পারতেন না। তাই সিরাজের চরিত্রের যেটা গুণ : দেশপ্রেম, দুঃসাহসিকতা—তাকে ছাপিয়ে মীরকাসেমের দৃষ্টিতে ধরা পড়েছিল—সিরাজের মাদকাসক্তি, তার ইন্দ্রিয়াসক্ত বেলেল্লেপনা। দ্বিতীয় কথা : সিরাজকে তিনি বন্দী করেছিলেন শ্বশুরের নির্দেশে, সেনাপতির আদেশে।

    মীরকাসেম বুঝতে পেরেছিলেন যে, ফোর্ট উইলিয়ামের এত কাছে, মুর্শিদাবাদে বসে নবাবী করায় বিপদ আছে। তাই তিনি তাঁর রাজধানীকে সরিয়ে নিয়ে গেলেন সুদূর মুঙ্গেরে। গঙ্গাতীরে প্রাচীন মুঙ্গের দুর্গকে সংস্কার করে সেখানেই সপরিবারে এবং সাংসদ বাস করতে থাকেন। ধাপে ধাপে, ধীরে ধীরে, নবাব তাঁর প্রভাব বিস্তার করতে থাকেন। তাঁর শ্বশুর—মীরজাফর আলি—অঙ্গীকার করেছিল. ইংরেজ বণিক বিনা শুল্কে বাণিজ্য করতে পারবে। এই একচেটিয়া অধিকার লাভ করে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধারেরা তাদের প্রতিযোগী ব্যবসায়ীদের—ফরাসি, দিনেমার, পর্তুগীজদের মাথায় চাঁদির পয়জার মারতে শুরু করেছিল মীরজাফরি জমানায়। প্রতিযোগীরা ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার আয়োজন করতে থাকে। একচেটিয়া ব্যবসা মানে ইচ্ছেমতো নিত্য ব্যবহার্য পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি। নতুন নবাবের কিছু করার নেই! নবাব তাঁর পূর্ববর্তী নবাব মীরজাফরের জারি করা ফর্মান প্রত্যাহার করতে পারেন না—তাহলেই প্রত্যক্ষ সংঘাত। তাই ভালোমানুষের মতো অন্যান্য ব্যবসায়ীদেরও-ফরাসি- দিনেমারদেরও তিনি বিনা শুল্কে বাণিজ্য-অধিকার প্রদান করে বসলেন। এতে আইনত ইংরেজ কোম্পানি কিছু বলতে পারল না; কিন্তু তাদের ‘বাড়াভাতে ছাই পড়ল’। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বাজারে সমতা ফিরে এল, যদিও রাজ সরকারের রোজগারে টান ধরল।

    কিন্তু এসব ঘটনা আমাদের কাহিনীর পরবর্তীকালের। মুঙ্গেরে যখন মীরকাসেম জাঁকিয়ে বসেছেন তখন একদিন বঙ্গদেশ থেকে ওরা দুই বন্ধু কাশীতে এসে হাজির হল—বলভদ্র আর বিরোচন।

    মোহনলালের পুত্র ‘রাহুল’–নামটা পণ্ডিতজীই দিয়েছিলেন—তখন আড়াই বছরের শিশু। হাতে খাড়ু, মাথায় কাকপুচ্ছ। তাকে কোলে নিয়ে কত আদর করল ওরা দুজন—মোহনলালের দুই অনুচর। তারপর তারা পণ্ডিতজীকে অনুরোধ করল নোঙর তুলে ফেলতে। বলভদ্র আর বিরোচন দুজনেই ইতিমধ্যে মুঙ্গেরে চলে এসেছে। মীরকাসেমের বাহিনীতে যোগদান করেছে। ওরা খবর পেয়েছিল যে, নতুন নবাব শহিদ মীরমদনের স্ত্রীকে ‘যাবৎ জীবন’ অথবা যাবন্নিকা’ একটি মাসোয়ারার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। নবাবের মীর মুন্সীর কানে ওরা দু’বন্ধু মোহনলালের বিধবা এবং শিশুপুত্রের প্রসঙ্গটা তুলে দেয়। নবাব তা শুনে খুশি হয়ে ওদের বলেছেন, মোহনলালের বিধবা ও শিশুপুত্রটিকে মুঙ্গেরে নিয়ে যেতে। শহিদ পিতার অবর্তমানে তার শিশুপুত্রকে তিনি কিছু ‘তওবা’ প্রদান করবেন।

    কাহিনী দীর্ঘায়িত করে লাভ নেই। বলভদ্র আর বিরোচনের ব্যবস্থাপনায় বৃদ্ধ পণ্ডিতজী তাঁর বিগতভর্তা কন্যা ও দৌহিত্রকে নিয়ে গঙ্গার স্রোতধারা বহে চলে এলেন মুঙ্গেরে। নবাব মীরকাসেম আলি খান বাহাদুর মোহনলাল শেঠের বালকপুত্রকে ‘শেঠরায়’ খেতাব দিলেন। আর এই সঙ্গে মুর্শিদাবাদের দক্ষিণে বেলডাঙ্গা পরগণায় একটি জমিদারি প্রদান করলেন। গড়ে উঠল মোহনপুর গ্রাম আর তার কেন্দ্রস্থলে মোহনমঞ্জিল।

    এই ঘটনার পর মাত্র দুই বৎসর রোজনামচা লিখে যাবার সুযোগ পেয়েছিলেন পণ্ডিত পুরুষোত্তমদাস শেঠ। তিনিই ছিলেন নাবালকের তরফের অছি।

    কাশীর বাজারে একরকম রঙরেরঙের কাঠের কৌটো পাওয়া যায় দেখেছেন? কৌটো খুললেই দেখবেন তার ভিতর আর একটি কৌটো। সেটা খুলুন; আবার কৌটো! সেটা খুললে আবার কৌটো। এইভাবে ক্রমান্বয়ে কৌটোর ভিতর কৌটো।

    আমাদের গোয়েন্দা গল্পটাও সেই জাতের হতে বসেছে। এতটা পথ চলে এলাম খুন- জখমের নামগন্ধ নেই, লাশ নেই, ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেই, হোমিসাইড তদন্তকারী নেই—শুধু কৌটোর মধ্যে কৌটো।

    বাসুসাহেবকে গল্প শোনাচ্ছে কৌশিক। কী গল্প?

    না, সত্যপ্রসন্ন গল্প শোনাচ্ছেন কৌশিককে। কী গল্প?

    না, অধ্যাপক বেণীমাধব গল্প শোনাচ্ছেন রায়বাহাদুরকে। কী গল্প?

    না, ডক্টর মিস স্মিথ গল্প শোনাচ্ছেন সব্বাইকে!

    এর তো শেষ হবে না মনে হচ্ছে। তারচেয়ে মূল কাহিনীতে সরাসরি ফিরে আসা যাক।

    বাসুসাহেব কৌশিককে বললেন, এবার সংক্ষেপে জানিয়ে দাও দিকিন, রায়বাহাদুরের স্ত্রী এতদিন পরে হঠাৎ কেন অতসীর সন্ধান নিতে তোমাকে নিয়োগ করলেন?

    কৌশিক বললে, বিশেষ কারণ ছিল। মিস রমলা স্মিথের কাছে ওই কাহিনীটা শোনার পরেই রাতারাতি একটা বিরাট পরিবর্তন হয়ে গেল রায়বাহাদুরের জীবনে। তিনি অন্তর্মুখী অর্ন্তলীন চিন্তায় একেবারে মূক হয়ে গেলেন। ঘড়ির কাঁটার ছন্দ মেনে জীবনযাপনের গ্লানিটুকুই স্বীকার করে নিলেন। আনন্দটুকু বিসর্জন দিয়ে। রবিবারের সন্ধ্যায় দাবা খেলা বন্ধ হল। পুকুরে স্নান বন্ধ হল। কলঘরে বালতিতে তোলা জলে স্নান শুরু করলেন। চোঙমুখ গ্রামাফোনটা নিষ্ক্রিয়। অপরাহ্ণে যে আত্মজীবনীটা লিখছিলেন দীর্ঘদিন ধরে, তা অসমাপ্ত রইল। কেন এই আকস্মিক পরিবর্তন? একথা কে তাঁকে সাহস করে জিজ্ঞেস করবে? শশীকলা করেছিলেন, তার জবাবে রায়বাহাদুর এককথায় শুধু বলেছিলেন, ‘ভাল্লাগে না’।

    সত্যপ্রসন্ন গোপনে এসে দেখা করলেন শশীকলার সঙ্গে।

    জানতে চান : কী হয়েছে বল তো শশী? রায়বাহাদুর রাতারাতি জীবনে এমন বীতরাগ হয়ে গেলেন কেন? মনে হচ্ছে, কোথায় যেন একটা কাঁটা বিঁধছে রায়বাহাদুরের অন্তরে!

    শশীকলা মাথা নেড়ে বাল্য-সহচরকে বলেছিলেন, তুমি ঠিকই আন্দাজ করেছ, সতুদা। সেদিন মিস রমলা স্মিথ-এর কাহিনীটা শোনার পর ওঁর বুকে একটা মর্মান্তিক কাঁটা বিঁধে গেছে।

    —কিন্তু কিসের কাঁটা?

    —দর্পণে প্রতিবিম্বিত কাঁটা!

    —’দর্পণে প্রতিবিম্বিত কাঁটা!’ তার মানে?

    —ভেবে দেখ, দু’জনের জীবনে আড়াইশ বছর আগে-পিছে দুটি ঘটনা ঘটল, যার মধ্যে একটা আশ্চর্য যোগসূত্র আছে। এ যেন ‘হিস্ট্রি রিপিট্স ইটসেল্ফ’! পণ্ডিত পুরুষোত্তমদাসজীর অজ্ঞাতসারে তাঁর কন্যা গান্ধর্বমতে বিবাহ করল মোহনলালজীকে— যে মোহনলাল দুঃশাসকদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে প্রাণ দিলেন। ঠিক তেমনি, তোমাদের রায়বাহাদুরের ভাইও তাঁর অজ্ঞাতসারে গান্ধর্ববিবাহ করে। অপশাসকদের বিরুদ্ধে লড়াই করে শহিদ হয়ে গেল। পুরুষোত্তমদাস আর রায়বাহাদুর দু’জনেই ‘পসথুমাস চাইল্ড’ দুটিকে মানুষ করে তুললেন—এক যেন অপরের দর্পণ-প্রতিবিম্ব।

    বাধা দিয়ে দুগারজি বলেছিলেন, না! তুমি শুধু সাদৃশ্যগুলিই দেখছ শশী, বৈসাদৃশ্যগুলিকে লক্ষ্য করছ না। বিধবা সরযূবালাকে পণ্ডিতজী সাদরে বুকে টেনে নিয়েছিলেন, অথচ রায়বাহাদুর সমুর বিধবাকে সাহায্য তো করেনইনি; অপমান করেছেন—

    —না সতুদা, সমুর বিধবাকে উনি গোপনে অর্থাসাহায্য করতে চেয়েছিলেন—

    —কিন্তু কী মর্মান্তিক শর্তে? সেকথা বল? অতসী কোনওদিন তার মাতৃত্বের দাবি নিয়ে সগৌরবে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না। তাই নয়? সে কোনওদিন শেঠরায়-বাড়ির ছোটবউ হতে পারবে না। তাই নয়?

    শশীকলা জবাব খুঁজে পাননি।

    সত্যপ্রসন্ন বলে চলেন, পুরুষোত্তমদাসজী ছিলেন দরিদ্র, তবু বিধবা কন্যাকে বক্ষপুটে নিয়ে তিনি দেশত্যাগ করেছিলেন, অজ্ঞাতবাসে দিনযাপন করেছেন মোহনলালের বিধবাকে নিয়ে। অপরপক্ষে ধনকুবের রায়বাহাদুর সেই সম্পত্তির অধিকারী হয়েছেন উত্তরধিকার সূত্রে। ভ্রাতৃবধূ পরের বাড়ি বাসন মেজে গ্রাসাচ্ছাদন করছে জেনেও… শশীকলা বাল্যবন্ধুর মুখে হাতচাপা দিয়ে থামিয়ে দেন। বলেন, তুমি আমার একটা উপকার করবে, সতুদা? খোঁজ নিয়ে দেখবে, সেই দুঃসাহসী মেয়েটা আজও বেঁচে আছে কিনা—আমাদের খুকুর গর্ভধারিণী?

    সত্যপ্রসন্ন বলেছিলেন, নাইন্টি-নাইন পার্সেন্ট চান্স : নেই। থাকুক বা না থাকুক, আমার পক্ষে পঁচিশ বছর পরে প্রকৃত সত্যটা উদ্ধার করা অসম্ভব।

    —জানি! তোমাকে আমি মানস সরোবর থেকে আমার জন্য নীলপদ্ম তুলে আনতে বলছি না, সতুদা। তুমি কলকাতা চলে যাও—এই ঠিকানায় গিয়ে মিস্টার কৌশিক মিত্র অথবা তার স্ত্রী সুজাতার সঙ্গে গিয়ে দেখা কর। সমস্ত ঘটনা খুলে জানাও তাদের। ওদের একটা প্রাইভেট ডিটেকটিভ এজেন্সি আছে। পারলে তারাই সন্ধান নিয়ে জানাতে পারবে: অতসী বেঁচে আছে অথবা নেই। থাকলে কোথায় আছে, কী করছে?

    —ধর সে সন্ধান পেলে, তারপর তুমি কী করবে?

    —সন্ধানটা তো আগে পাই। তারপর সেকথা তোমাকে বলব।

    বাসুসাহেব বললেন, বুঝলাম। তা তিনবছর আগে তোমরা সন্ধান করে কী তথ্য জানতে পারলে?

    —প্রায় বিশ বছর আগে অতসী নামের মেয়েটি নিশ্চিতভাবে মারা গেছে!

    –কী ভাবে?

    —আবার পুলিশ এনকাউন্টারে। গোয়েন্দা পুলিশ ওই পরিচারিকার পরিচয় আবিষ্কার করে তাকে গ্রেপ্তার করতে যায়। পারে না। মেয়েটি তার পূর্বেই পালিয়ে যায়। নকশাল পার্টির কমরেডদের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিলই। পরে বাংলা-বিহার সীমান্তে কী একটা নদীবক্ষে একটা এনকাউন্টারে ওদের গোটা দলটা মেশিনগানের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যায়। নৌকাটা ডুবে যায়, মৃতদেহ উদ্ধার করা যায়নি। গোয়েন্দা দপ্তর থেকে আমি খবরটা পেয়েছিলাম, সত্যপ্রসন্নের মাধ্যমে শশীকলা দেবীকে জানিয়েওছিলাম। সম্ভবত এ-সংবাদটা রায়বাহাদুরকে জানানো হয়নি। অবশ্য হয়েছিল কি হয়নি আমি জানি না। আমার জানার কথাও নয়। বাই দ্যাট টাইম আওয়ার কেস ওয়াজ ক্লোজড! শশীকলা আমাদের প্রাপ্য মিটিয়ে দিয়েছিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article রূপমঞ্জরী – ৩য় খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }