Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প522 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দর্পণে প্রতিবিম্বিত কাঁটা – ১০

    দশ

    প্রথম দুই-তিন সেকেন্ড প্রবেশপথের বাইরে গোটা দলটা তড়িতাহতের মতো দাঁড়িয়ে রইল। তারপর বাসু প্রবেশ করলেন স্টাডিতে। মোহান্তিমশাই একটা স্বগতোক্তি করে বসেন, কী সর্বনাশ! রায়বাহাদুর আত্মহত্যা করেছেন!

    তৎক্ষণাৎ পিছনে একটা পতনধ্বনি শুনে বাসু ফিরে দাঁড়ালেন. শশীকলার কণ্ঠ দিয়ে কোনও শব্দ নির্গত হয়নি। কিন্তু তাঁর চরণযুগল দেহভার রক্ষা করতে পারছিল না। তিনি মূর্ছিত হয়ে দোরগোড়াতেই লুটিয়ে পড়লেন।

    বাসু বললেন, সঞ্জয়, ওঁকে ধরাধরি করে ভিতরে নিয়ে যাও।

    কে যে ওই মূর্ছাহতা মহিলাকে সরিয়ে নিয়ে গেল বাসু আর তা দেখলেন না। তিনি এগিয়ে গেলেন চেয়ারে-বসা রায়বাহাদুরের মৃতদেহের দিকে।

    হঠাৎ পিছন থেকে কে যেন বলে উঠল, তাহলে তখন আমরা যে শব্দটা শুনেছিলাম তা কোনও গাড়ির ব্যাকফায়ারের আওয়াজ নয়?…ওটা পিস্তলের শব্দ!

    বাসু আবার এদিকে ফিরে দেখলেন। কথাটা বলেছে কক্ষে উপস্থিত একমাত্র অচেনা মহিলাটি। সালোয়ার পাঞ্জাবি পরা, শ্যামলা কিন্তু সুতনুকা মেয়েটির বয়স বাইশ-চব্বিশ হতে পারে। সম্ভবত এই মোহনপুরেরই বাসিন্দা। আজ রাত্রে হয়তো তারও আমন্ত্রণ ছিল সায়মাসে। সলিলের বোন কি? বুঝে উঠতে পারলেন না।

    বাসু জানতে চান, থানাটা কতদূরে? টেলিফোন করা যাবে? সত্যপ্ৰসন্নবাবু?

    সত্যপ্রসন্ন জবাবে কিছু বলার আগেই অপরাজিতা যেন আর্তনাদ করে ওঠে, না!

    —না? ‘না’ মানে? পুলিসকে তো জানাতেই হবে।

    এবার সত্যপ্রসন্ন এগিয়ে আসেন। অপরাজিতার পিঠে একটা হাত রেখে বলেন, তুমি ভিতরে যাও জিতা, দেখ, তোমার মা কেমন আছেন। তাঁর কাছে-কাছে থাক। আমরা এদিকটা সামলাচ্ছি।

    অপরাজিতা শাড়ির আঁচলে মুখ ঢেকে দ্রুতপায়ে বাড়ির ভিতর দিকে চলে যায়। সত্যপ্রসন্ন এদিকে ফিরে বাসুসাহেবকে বলেন, মোহনপুরেই থানা হেডকোয়ার্টার। টেলিফোনে খবর দিতে কোনও অসুবিধা নেই। এ বাড়িতেও ফোন আছে। থানাতেও। ফোনটা কি আপনি করবেন?

    বাসু বলেন, না, আপনারা যে কেউ করুন। আমি ততক্ষণ ঘরটা খুঁটিয়ে দেখি। পুলিস আসার আগেই। তবে কোনও কিছু আমি ছোঁব না। বাই দ্য ওয়ে, আপনি কি আমাকে চিনতে পেরেছেন মিস্টার দুগার?

    –আজ্ঞে হ্যাঁ! বছর-তিনেক আগে আমি আপনার বাড়িতেও একবার গিয়েছিলাম। তখন অবশ্য আপনার সঙ্গে আমার পরিচয় হয়নি।

    —জানি। শুনুন। আপনি এ ঘরে থাকুন। সাক্ষী হিসাবে। অর্থাৎ আমি কোনও কিছু স্পর্শ করছি না এটা লক্ষ্য রাখতে। অন্য সকলে এ ঘর ছেড়ে চলে গেলেই ভাল হয়।

    কেউ কোনও প্রতিবাদ করল না। বাসুর নির্দেশটা সবাই বিনা বাক্যব্যয়ে মেনে নিল। ধীরে ধীরে সকলে ঘর ছেড়ে বাইরে চলে গেল। সত্যপ্রসন্ন তাঁর পুত্রকে বললেন, সঞ্জয় দেখ, থানাতে বড় দারোগা হরেন্দ্র দত্ত আছেন কি না। মোট কথা থানায় খবরটা দিয়ে আমাকে জানিয়ে দিও।

    সত্যপ্রসন্ন দরজাটা বন্ধ করার চেষ্টা করলেন, তা হল না। একবার বাইরে উঁকি মেরে দেখে নিয়ে নির্জনতা সম্বন্ধে নিশ্চিন্ত হলেন। তারপর প্রশ্ন করেন, আপনি এই মর্মান্তিক সময়ে এখানে এসে উপস্থিত হলেন কি করে?

    —আপনিও কি জানতেন না আমার আসার কথা? রায়বাহাদুর যে আমাকে টেলিগ্রাম করে ডেকে পাঠিয়েছিলেন তা কি আপনিও জানেন না?

    —ডেকে পাঠিয়েছিলেন? আপনাকে? কেন?

    –সে বিষয়ে পরে আলোচনা করা যাবে। আপনি দরজার সামনে পাহারা দিন। আমি ততক্ষণ খুঁজে দেখি।

    —কী খুঁজে দেখবেন আপনি?

    —উনি ডান-কানে ফায়ার করেছিলেন, বুলেটটা বাঁ-কান দিয়ে বার হয়ে ওই দেখুন ওই আয়নাটায় আঘাত করেছিল। আয়নাটা মাকড়শার জালের মতো চৌচির হয়ে ফেটে গেছে। ফলে বুলেটটা প্রতিহত হয়ে ঘরের ভিতরেই কোথাও আছে।

    বেশি খুঁজতে হল না। সামনেই সেটা পড়েছিল মার্বেলের মেঝেতে। বাসু সেটা তুলে দেখলেন এবং ঠিক যেখান থেকে কুড়িয়েছিলেন সেখানে নামিয়ে রাখলেন। এবার উনি এগিয়ে গেলেন টেবিলটার দিকে। টেবিলের ওপর কিছু কাগজপত্র। ঝুঁকে পড়ে দেখলেন রায়বাহাদুর যে ‘আত্মচরিত লিখছিলেন তারই পাণ্ডুলিপি। যে পাতাটা লিখছিলেন সেটাই খোলাই রয়েছে। পৃষ্ঠার মাথায় পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১৩১; একটি মাত্র অনুচ্ছেদ লেখা শেষ হয়েছে। তার নিচে কাঁপা-কাঁপা হস্তাক্ষরে বেশ বড় বড় হরফে ক্যাপিটাল লেটার্সে ইংরেজিতে লেখা : সরি!

    কলমটাও খোলা অবস্থায় পড়ে আছে।

    বাসু এবার মৃত বৃদ্ধের পকেট হাতড়াতে থাকেন।

    সত্যপ্রসন্ন জিজ্ঞেস করেন, কী খুঁজছেন বলুন তো?

    —ঘরের চাবিটা। ঘরটা ভিতর থেকে তালাবন্ধ করে উনি চাবিটা নিশ্চয় বার করে নিয়েছিলেন, না হলে ছিদ্রপথে আমি ঘরের ভিতরটা…….এই তো।

    বাসু ওই মৃত বৃদ্ধের পাশপকেট থেকে একটি চাবি বার করে দেখলেন এবং রুমালে তাঁর নিজের ফিঙ্গারপ্রিন্ট মুছে নিয়ে আবার পকেটে রেখে দিলেন।

    সত্যপ্রসন্ন বললেন, সন্দেহের আর কোনও অবশেষ থাকল না। ভিতর থেকে ঘরটা বন্ধ করে, ওই ‘সরি’ কথাটা লিখে উনি নিজের রিভলভারে নিজেকেই হত্যা করেছেন। কিন্তু উনি আপনাকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন কেন?

    বাসু বললেন, তার চেয়েও বড় কথা, ডেকেই যখন পাঠালেন তখন আমার সঙ্গে কোনও কথাবার্তা না বলে এমন তাড়াহুড়ো করে আত্মহত্যা করে বসলেন কেন? আমি যে আসছি তা উনি আন্দাজ করেছিলেন। স্টেশনে লোক পাঠিয়েছেন, গাড়ি পাঠিয়েছেন, দশরথকেও বলে রেখেছেন। অথচ মিসেস শেঠ কিছু জানেন না, আপনি কিছু জানেন না। নাঃ! জিগ্‌স্‌-পাল- এ অনেকগুলো টুকরো এখনো আমরা খুঁজে পাইনি। সে যাইহোক, আপনি কিছু অনুমান করতে পারেন? কী এমন কাণ্ডটা ঘটল যাতে— কোনও একটা সমস্যা সমাধানের জন্য উনি আমাকে ডেকে পাঠালেন, অথচ আমার সঙ্গে কোনও কথা না বলে এভাবে-

    কায়দা

    —না, স্যার! আমি কিছুই আন্দাজ করতে পারছি না।

    —আপনি শেষ কখন ওঁকে দেখেন?

    —আজই দুপুরে। আমরা একসঙ্গেই মধ্যাহ্নভোজন করেছি। তখনো উনি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিলেন।

    —আপনার মনে হয়নি উনি উত্তেজিত অথবা অস্বাভাবিক মানসিক অবস্থায় আছেন?

    –হ্যাঁ, একটু গম্ভীর ছিলেন। একটা পারিবারিক কারণে উনি কিছুদিন থেকেই উদ্বিগ্ন ছিলেন। কিন্তু সেটা এমন কিছু নয়। মানে, উনি যে এভাবে আত্মহত্যা…..

    —বুঝেছি, বুঝেছি। আচ্ছা ওই মেয়েটি কে? বছর কুড়ি-বাইশ বয়েস। একটা মেরুন রঙের সালোয়ার কামিজ পরা? যে তখন বলল, শব্দটা তাহলে কোনও গাড়ির ব্যাকফায়ার নয়!’?

    —ওর নাম ঝরনা মিত্র। ও আজ দিন-দশেক হল এ বাড়িতে আছে। মোহনপুরের মেয়ে নয়।

    —হ্যাঁ, কিন্তু কোন সূত্রে? শশীকলার আমন্ত্রণে?

    —আজ্ঞে না, ও ছিল আমার ছেলে সঞ্জয়ের সহপাঠিনী। সঞ্জয় লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে বম্বে চলে গিয়েছিল। মেয়েটি এম. এ. পাশ করে একটা স্কুলে পড়ায়। গ্রীষ্মের ছুটিতে বেড়াতে এসেছে।

    —তা ওই মেয়েটি তখন ‘ফায়ারিং’-এর কথা কী বলেছিল। সেটা কি আপনিও শুনেছেন?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ। আমরা তখন অনেকেই বৈঠকখানায় এসে গেছি। হঠাৎ ‘দুম’ করে একটা শব্দ হল। সলিল বলল, “কিসের শব্দ ওটা,’ মিস্ স্মিথ বললেন, ‘রাস্তায় কোন গাড়ি ব্যাকফায়ার করল বোধহয়।’ তখন আমি বললাম, ‘মোহনপুরে কটাই বা গাড়ি? আর রাস্তা তো অনেকদূরে। শব্দটা ডাইনিং হল থেকে এল মনে হচ্ছে।’ অপরাজিতা বললে, ‘না, আমার মনে হল স্টাডিরুমের দিক থেকে।’

    —ওটা যে পিস্তলের ফায়ারিং হতে পারে, এটা আপনাদের কারও মনে হয়নি।

    —তখন হয়নি। হওয়ার কথাও নয়। এখন মনে হচ্ছে, ওটা রায়বাহাদুরের রিভলভারের শব্দই।

    —সেটা আন্দাজ কয়টার সময় বলতে পারেন?

    —পারি। ‘আন্দাজ’ নয়, ঠিক, আটটা পঁয়তাল্লিশ। কারণ শব্দটা শোনার পরেই আমার নজরে পড়েছিল বৈঠকখানার বড় দেওয়াল ঘড়িটায়। ওটা ঠিক তখনই শব্দ করে বেজে উঠল। প্রতি পনের মিনিট অন্তর ওই ঘড়িটা জলতরঙ্গের মতো শব্দ করে।

    —বুঝলাম। এবার বলুন, তখন বৈঠকখানা ঘরে কে কে ছিল?

    —আমরা সবাই ছিলাম।

    —প্লিজ বি স্পেসিফিক। ঠিক কে কে?

    —কেন বলুন তো? ও আয়াম সরি, বলছি বলছি। আমি ছিলাম, মোহান্তি ছিলেন, সঞ্জয়, সলিল. কামাল, জিতা সবাই ছিলাম।

    —মিসেস শেঠ, ঝরনা, দশরথ, অথবা ডঃ মিস স্মিথ?

    —না, শশী একটু পরে আসে। ঝরনা আর রমলাদেবী ছিলেন কি না মনে পড়ছে না। তবে দশরথ তখন ঘরে ছিল না।

    —এই যে একটু আগে বললেন, “মিস স্মিথ বললেন ‘রাস্তায় কোন গাড়ি ব্যাকফায়ার করল বোধহয়।’

    —বলেছিলাম না কি? হ্যাঁ তাই! মিস স্মিথই ও কথাটা বলেন! এখন মনে পড়েছে।

    বাসু পকেট থেকে নোটবই বার করে ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ঘটনাস্থলের একটা স্কেচ করে নিলেন। স্টাডিরুমটা পূর্ব-পশ্চিমে লম্বা। একটামাত্র দরজা পশ্চিমের দেওয়ালে, এক্কেবারে উত্তরপ্রান্তে ঘেঁষে। দরজা খুলে সামনেই সেক্রেটারিয়েট টেবিলটা, তার সামনে গদি-আঁটা চেয়ার। সেটা পশ্চিমদিকে মুখ করে আছে। রায়বাহাদুর পশ্চিমদিকে মুখ করে বসে আছেন। টেবিলের দিকে ফিরে নয়। ঘরে তিনটি জানলা, সবগুলিই শার্সিপাল্লার এবং ভিতর থেকে ছিটকিনি-বন্ধ। চেয়ারের বিপরীতে দক্ষিণের দেওয়ালে ভাঙা আয়নাটা। তার পাশেই ছোট ছোট দুটি টেবিলে দুটি ব্রোঞ্জ ভাস্কর্য। একটি মিকেলাঞ্জেলোর ডেভিড, অপরটি নটরাজ। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সব কিছু দেখছিলেন।

    এই সময় দরজার বাইরে থেকে সঞ্জয় ঘোষণা করল, থানা থেকে ওঁরা এসে গেছেন। এখানে নিয়ে আসব কি?

    প্রশ্নটি বাহুল্য। আত্মহত্যা কেসে তদন্তে এসে থানা অফিসার গৃহস্বামীর ‘আসতে আজ্ঞা হোক’ আমন্ত্রণের জন্য অপেক্ষা করে না। সঞ্জয়কে একপাশে সরিয়ে দিয়ে জনাতিনেক অফিসার আর দুজন পুলিশ ঘরে প্রবেশ করে। বড়-দারোগা দরজার কাছ থেকেই ঘরের চারিদিকে দৃষ্টি বুলিয়ে নিলেন। চেয়ারে বসে থাকা মৃতদেহটাকে একনজর দেখে নিয়ে সত্যপ্রসন্নকে প্রশ্ন করেন: কখন ঘটল এটা?

    ওপাশ থেকে বাসুসাহেব বলে ওঠেন,’ সম্ভবত আটটা পঁয়তাল্লিশে। কারণ ফায়ারিং-এর শব্দটা সেই সময় অনেকেই শুনেছেন।

    এতক্ষণে এপাশ ফিরে বক্তাকে ভাল করে নজর করেন থানা অফিসার, হরেন দত্ত। অবাক হয়ে বলে ওঠেন, একী! স্যার, আপনি! এখানে?

    বাসু বললেন, আমাকে চেনেন মনে হচ্ছে—

    —বিলক্ষণ! আপনাকে চিনব না? থানার চার্জ পাওয়ার আগে পাঁচ-পাঁচটা বছর হোমিসাইডে ছিলাম যে। কতবার আদালতে আপনার ভেল্কি দেখেছি।

    বাসু বললেন, সেসব কথা থাক। ভালই হল আপনি আমাকে চেনেন। নটা বেজে তিন কি চার মিনিটে ওই দরজা ভেঙে আমরা রায়বাহাদুরকে আবিষ্কার করি। অর্থাৎ ফায়ারিং-এর শব্দটা কয়েকজন শুনতে পাওয়ার প্রায় কুড়ি মিনিট পরে। আপনি কাজ শুরু করে দিন হরেনবাবু, রাত বাড়ছে।

    .

    প্রায় পঁয়তাল্লিশ মিনিট পরের কথা। বাসুসাহেব ঘরের পূর্বপ্রান্তে একটা সোফায় বসে ধূমপান করছেন। ভাঙা দরজাটাকে আর স্বস্থানে বসানো যায়নি, তাই দ্বারপ্রান্তে পেতলের ঘণ্টার কাছে একজন পুলিশ প্রহরায় আছে। হরেনবাবুর সঙ্গে যাঁরা এসেছিলেন, ক্যামেরাম্যান আর ফিঙ্গারপ্রিন্ট এক্সপার্ট, তাঁরা কাজ শেষ করেছেন। হরেনবাবুর অনুমতি নিয়ে তাঁরা বিদায় হলেন। মৃতদেহটি মর্গের উদ্দেশে অ্যাম্বুলেন্সে চেপে রওনা হয়ে গেছে। হরেন্দ্রনাথ বাসুসাহেবের পাশে এসে বসলেন। একটা সিগ্রেট ধরিয়ে একমুখ ধোঁয়া ছেড়ে বললেন, ক্লিয়ার কেস! রূদ্ধদ্বার কক্ষে, নিজের রিভলভারের গুলিতে রায়বাহাদুর আত্মহত্যা করেছেন। বেশ বোঝা যায়, উনি ডান হাতে ডান কানে গুলি করেন। সেটা মস্তিষ্ক ভেদ করে বাঁ কান দিয়ে বার হয়ে যায়। আয়নায় প্রতিহত হয়ে মেঝেতে পড়ে। সেটাও পাওয়া গেছে। ঘরের প্রতিটি শার্শিপাল্লা ভিতর থেকে ছিটকিনি বন্ধ। জানলায় গরাদ বা গ্রিল না থাকলেও কোনও জানলা খোলা ছিল না। তাছাড়া দরজার চাবিটা রায়বাহাদুরের পকেট থেকেই পাওয়া গেছে। ক্লিয়ার কেস অব সুইসাইড।

    —আপনার মনে তাহলে কোনও খটকা নেই?

    —আজ্ঞে না। একটা সমস্যার সমাধান হয়নি অবশ্য।

    — সেটা কী?

    —আপনার উপস্থিতিটা। এই মর্মান্তিক সময়ে আপনি কলকাতা থেকে এখানে কেন? বাসু নিঃশব্দে পকেট থেকে দুটি কাগজ বার করে দিলেন। প্রথমটা সাতদিন আগে পাওয়া চিঠিটা; দ্বিতীয়টা কালরাত্রে পাওয়া টেলিগ্রাম।

    সে দুটি খুঁটিয়ে দেখে হরেনবাবু বললেন, যাচ্চলে! সব যে আবার গুলিয়ে দিলেন আপনি! কী ব্যাপার বলুন তো, স্যার?

    —আমি জানি না। এটুকু জানি, কোন একটা প্রচণ্ড দুশ্চিন্তা রায়বাহাদুরকে খোঁচাচ্ছিল। তিনি সেই সমস্যার সমাধানের জন্য আমার সাহায্য চেয়েছিলেন। স্টেশনে লোক পাঠিয়েছিলেন। গাড়ি পাঠিয়েছিলেন। আমাকে তিনি প্রত্যাশা করছিলেন। এক্ষেত্রে আমি এসে পৌঁছনোর ঠিক আগেই তিনি এভাবে…

    —তা ঠিক। কিন্তু ঘরটা ভিতর থেকে তালাবন্ধ ছিল, স্যার! আর জানলাগুলো সব ছিটিকিনি বন্ধ, চাবিটা রায়বাহাদুরের পকেটে….

    —আমি তা অস্বীকার করছি না। কিন্তু আমার প্রশ্নটার জবাব কই? কী মর্মান্তিক সমস্যায় বিচলিত হয়েছিলেন রায়বাহাদুর? যে জন্য সাতদিন আগে ওই চিঠি লেখেন? স্ত্রীকে জানাননি, কন্যা বা একান্তসচিবকে পর্যন্ত জানাননি, অথচ আমাকে টেলিগ্রাম করে আসতে বলেছেন! কী সেই মর্মান্তিক সমস্যাটা? আর আমি আসছি জেনেও এসময়ে…

    —আমরা কি তাহলে একে একে সকলের জবানবন্দি নিতে থাকব? রাত পোয়াবার আগেই? যাতে কেউ ভেবেচিন্তে জবাব না বানাতে পারে?

    —আমি একমত। তবে যাঁরা বাইরে থেকে এসেছেন তাঁদের তিনজনকে আগে ডাকা যাক। মোহান্তি, কামাল আর ডক্টর মিত্র। রাত এগারোটা প্রায় বাজে।

    সেইমতোই ব্যবস্থা হল।

    প্রথমে এলেন বলভদ্র মোহান্তি। রায়বাহাদুরের সাম্প্রতিক কোনও সমস্যার বিষয়ে তিনি কোনও আলোকপাত করতে পারলেন না। ইদানীং ওঁরা রবিবারের সন্ধ্যায় দাবা খেলতে বসেন না।

    হরেনবাবু জানতে চান, আজ রাতে আপনার নিমন্ত্রণ ছিল, তাই না? কিন্তু উপলক্ষটা কী?

    —হ্যাঁ, নিমন্ত্রণ ছিল; কিন্তু হেতুটা কী তা উনি পরিষ্কার করে বলেননি। শুধু বলেছিলেন, আজ কলকাতা থেকে ওঁর একজন মেহমান আসবেন। তাঁরই সম্মানে এই নৈশভোজ। দেখুন, এই আত্মহত্যার ব্যাপারে আমি কোনও কিছুই জানি না। এবার বলুন, স্যার, আমি কি নিজের বাড়িতে ফিরে যেতে পারি?

    —হ্যাঁ, নিশ্চয়। অনেকক্ষণ আপনাকে আটকে রেখেছি।

    রায়বাহাদুরের গাড়িতে বলভদ্র মোহান্তিকে তাঁর বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা হল। দশরথ খুব করিৎকর্মা। এই মর্মান্তিক পরিস্থিতিতেও সে মোহনমঞ্জিলের আতিথেয়তার কথাটা ভুলে যায়নি। ড্রাইভারের হাতে একটা বড় খাবারের প্যাকেট ধরিয়ে দিল।

    মোহান্তিমশাই-এর পরে জবানবন্দি দিতে এল যে ছেলেটি তার নাম কামালুদ্দীন রহমান। বছর ত্রিশের সুঠাম যুবক। স্থানীয় বিধায়ক জয়নাল রহমানের একমাত্র পুত্র। জয়নাল রহমান সাহেব এই এলাকা থেকে পরপর দুবার নির্বাচিত হয়েছেন, শাসকদলের পক্ষে। রাষ্ট্রমন্ত্রী হতে হতেও শেষ পর্যন্ত হতে পরেননি। এ-এলাকায় তাঁর দুর্দান্ত প্রভাব। অর্থনৈতিক বিচারে হয়তো রায়বাহাদুরকে টপকে যেতে পারেননি এখনো, কিন্তু প্রতাপ-প্রতিপত্তি তাঁর অনেক বেশি। কামাল অপরাজিতার সহপাঠী। শুধু তাই নয়, মোহনপুরে একটি নাট্যদলের ওরা দুজন পাণ্ডা মাঝে মাঝেই অভিনয় হয়। ওরা হিরো-হিরোইন সাজে। ব্যাপারটা আদৌ পছন্দ নয় রায়বাহাদুরের; কিন্তু উপায় নেই। ইচ্ছার বিরুদ্ধে যেমন হিন্দু কোড বিল, জমিদারী অ্যাবলিশন, অ্যাডাল্ট ফ্র্যাঞ্চাইজকে মেনে নিতে হয়েছে তেমনি এটাকেও মেনে নিতে বাধ্য হয়েছেন। কামালের আজ নৈশভোজের নিমন্ত্রণ ছিল না। কিন্তু ঘটনাচক্রে সেও উপস্থিত ছিল।

    হরেনবাবুর প্রশ্নের জবাবে কামাল জানালো, সে এসেছিল বিকালে। অপরাজিতার সঙ্গে ওদের মোহনপুর ড্রামাটিক ক্লাবের ব্যাপারে কথা বলতে। মিস্টার রাসু যখন আসেন তখনো সে চলে যায়নি। ডিনারের বেল বাজতে সে সতর্কিত হয়ে ওঠে। বুঝতে পারে রাত করে ফেলেছে; কিন্তু তার প্রস্থানের আগেই বাসুসাহেব ঘরে প্রবেশ করেন।

    হরেনবাবু বলেন, তার মানে আটটা পঁয়তাল্লিশে যখন পাশের ঘরে ফায়ারিং হয় তখন তুমি বৈঠকখানায়?

    —ইয়েস স্যার।

    —তখন ঘরে কে কে ছিল?

    —আমার যতদূর মনে পড়ে মোহান্তিজেঠু ছিলেন, সঞ্জয়, ডাক্তার মিত্র, কাকু-আই মীন দুগার কাকু, অপরাজিতা ছিল।

    —অপরাজিতার মা আর ডক্টর স্মিথ?

    —না জ্যেঠিমা ছিলেন না। রমলা দেবী তার মিনিটখানেক আগেই ঘরে ঢুকেছেন। অথবা হয়তো দেড় মিনিট—

    বাসু জানতে চান, এক-মিনিট না দেড় মিনিট! এভাবে বলার মানে?

    কামাল হেসে বললে, কৌশিকবাবুর ‘কাঁটা সিরিজে’র অনেক গল্পই আমার পড়া আছে, স্যার। আমি বলতে চাই : স্টাডিরুমে ফায়ার করে বৈঠকখানায় এসে পৌঁছতে যে সময় লাগে তার চেয়ে কম সময়। তাছাড়া ঘরটা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল, স্যার। এটা সিম্পল কেস অব সুইসাইড।

    হরেনবাবু জানতে চান, আপনি স্যার এঁকে আর কিছু জিজ্ঞাসা করবেন?

    বাসু বললেন, না!

    কামালুদ্দীন রহমানের পরে এল ডক্টর সলিল মিত্র। প্রতি সপ্তাহে সে একবার করে মোহনমঞ্জিলে আসে। বুড়ো-বুড়ির রক্তচাপ পরীক্ষা করতে। সলিল মোহনপুরেই প্র্যাকটিস করে। সবাইকে খুব ভালভাবে চেনে। গতকালই সে রায়বাহাদুরের রক্তচাপ পরীক্ষা করে দেখেছে। সেটা স্বাভাবিকই ছিল। ও যখন রুগী দেখতে আসে অপরাজিতা ‘রক্তচাপ খাতা’- খানা হাতে হাজিরা দেয়। বুড়োকর্তার বি. পি. দেখা শেষ হলে ডাক্তার মিত্রকে পথ দেখিয়ে তিনতলায় নিয়ে যায়। শশীকলার প্রেশার দেখাতে। তারপরেও কিন্তু ডাক্তারবাবুর ছুটি হয় না। অপরাজিতার ঘরে তাকে গিয়ে বসতে হয়। দশরথদা নানানরকম খাবার বানিয়ে নিয়ে আসে, অপরাজিতার নির্দেশমতো—হিঙের কচুরি, মাছের চপ, ছানার জিলিপি, ক্যারামেল পুডিং—এক-একদিন এক-একরকম। ফলে সলিল প্রায় ঘরের মানুষ হয়ে গেছে। রক্তচাপ দেখে যাবার জন্য সে কিছুতেই কোনও ‘ফি নেয় না। হয়তো সেজন্যই অপরাজিতার ঘরে বসে তাকে আতিথেয়তার বিড়ম্বনা সহ্য করতে হয়। সলিলও জানালো, রায়বাহাদুরের শরীর বা মনে ইদানীংকালে তেমন কিছু পরিবর্তন হয়নি। প্রায় দিনদশেক হল তিনি একটু অতিরিক্ত মাত্রায় গম্ভীর হয়ে গিয়েছিলেন শুধু। পরপর দু-সপ্তাহ দাবা খেলেননি। পুকুরে স্নান করতে যাওয়া ত্যাগ করেছিলেন। তবে আত্মহত্যা করার মতো মর্মান্তিক কোনও ঘটনার বিষয়ে কোনও কথা সে জানে না।

    বাসু জানতে চান, আমাকে তিনি ডেকে পাঠিয়েছিলেন, হেতুটা জানাননি। লিখেছিলেন, ‘সাক্ষাতেই’ কথা হবে। এক্ষেত্রে আমাদের সাক্ষাতের ঠিক পূর্বমুহূর্তে আত্মহত্যা করাটা কি অস্বাভাবিক নয়?

    —কিন্তু আমরা তো জানি না, উনি কোন্ তাৎক্ষণিক আবেগে আত্মহত্যা করলেন। তাছাড়া ত্রিভুবনে ওঁর কোনও শত্রু ছিল বলে শুনিনি। তা থাকলেও রুদ্ধদ্বার কক্ষে তাঁর নিজের রিভলভারে তাঁকে কে গুলি করতে পারে?

    হরেনবাবু জানতে চান, রায়বাহাদুরের অবর্তমানে সম্পত্তিটা কে পাবে?

    —আমি ঠিক জানি না। উইল না করে থাকলে স্ত্রী ও কন্যা।

    বাসু জানতে চান, শুনেছি রায়বাহাদুর দুবার বিবাহ করেছিলেন। সে ক্ষেত্রে প্রশ্ন : শশীকলা কি অপরাজিতার গর্ভধারিণী না বিমাতা?

    ডক্টর মিত্র অসহিষ্ণুর মতো বলে ওঠে, এসব কথা কেন উঠছে?

    —কী আশ্চর্য! সেকথাই তো এতক্ষণ বোঝালাম। আত্মহত্যা না হলে…

    ডক্টর মিত্র দৃঢ়ভাবে দু-দিকে মাথা নেড়ে বললে, সরি স্যার, আপনার ও প্রশ্নের জবাব আমি দেব না। আপনি ‘মা’ অথবা ‘মেয়েকেই’ প্রশ্নটা জিজ্ঞাসা করে জেনে নেবেন।

    —কেন? তুমি কি এ-প্রশ্নের জবাবটা জান না? –

    —আমি সত্যবদ্ধ। আমি জানি, কিন্তু বলব না!–বাসু জানতে চান

    —অল রাইট! দেন য়ু আর এক্সকিউজ ডঃ মৈত্র। আপনি আসতে পারেন।

    সলিল উঠে দাঁড়ায়। বলে, আমার নাম ডক্টর ‘মিত্র’, ‘মৈত্র’ নয়।

    বাসু শ্রাগ করে বলেন, রিয়্যালি? আপনি জানেন, কিন্তু বলবেন না শুনে আমি ভেবেছিলাম আপনার নাম ডঃ হেরম্বচন্দ্র মৈত্র।

    দারোগা বলে ওঠেন, আপনি সব গুলিয়ে ফেলছেন স্যার। ‘হেরম্ব’ নয় হরেন্দ্র! কিন্তু সেটা তো আমার নাম, তাও ‘মৈত্র’ নয়, ‘দত্ত’!

    বাসু আকাশপানে তাকিয়ে বললেন, আয়াম সো সরি।… ‘শিরসি মা লিখ, মা লিখ, মা লিখ!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article রূপমঞ্জরী – ৩য় খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }