Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প522 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দর্পণে প্রতিবিম্বিত কাঁটা – ১৩

    তেরো

    হরেন্দ্রনাথ বললেন, যাক বাবা! রাত পোহাবার আগেই আপনার সমস্যার সমাধানটা হয়ে গেল। অর্থাৎ কেন সাবেক উকিলকে ছেড়ে রায়বাহাদুর ‘ব্যারিস্টারকে তলব করেছিলেন। তাছাড়া আমরা এতক্ষণে বুঝতে পেরেছি মাসখানেক ধরে কোন্ দুশ্চিন্তা বৃদ্ধকে খোঁচাচ্ছিল। ওই এম. এল. এ. সাহেবের ধনুর্ধর পুত্রটি।

    বাসু জানতে চান, ‘ধনুর্ধর পুত্র’ বলছেন কেন?

    — ছেলেটি কী করে জানেন?

    –শুনলাম তো : থিয়েটার করে।

    –হ্যাঁ, কিন্তু যখন থিয়েটার করে না, তখন?

    –তখন?

    –‘পাইয়ে দেবার দালালি’ করে। এম্লে-সাহেবের এজেন্ট-হিসাবে। বাসপারমিটই হোক, অথবা চাকরি। নায্য উপরওয়ালাকে সুপরাসিড করে প্রমোশনই হোক অথবা লোয়েস্ট টেন্ডারকে টপকে ঠিকাদারী। তবে আপনি যেন কাউকে বলে বসবেন না, আমি এসব কথা বলেছি। মোটকথা রায়বাহাদুরের আত্মহত্যা করার কারণটা এতক্ষণে পরিষ্কার বোঝা গেল। আশাকরি এখন আর আত্মহত্যার ব্যাপারে আপনার কোনও সন্দেহ নেই?

    বাসু বিরক্ত হয়ে বলেন, কিসের আত্মহত্যা মশাই? অমন মানুষ কখনো আত্মহত্যা করতে পারে?

    –পারে না? হাতের কাছে লোডেড রিভলভার থাকলেও?

    –না, পারে না। সাইকোলজিক্যালি পারে না। আত্মহত্যা করে দু-জাতের মানুষ। এক, যাদের মনের জোর কম! বাইরের আঘাতে যারা সহজেই ভেঙে পড়ে। হার মেনে নেয়। নাইন্টি-নাইন পার্সেন্ট সুইসাইডাল কেসের সেটাই হচ্ছে মূল হেতু। বাকি এক পার্সেন্টের মনের জোর অসম্ভব দৃঢ়। তারা হার মেনে নিয়ে আত্মহত্যা করে না! ওই যে অলক্ষ্য নাট্যকার আমাদের সামনে সমাধানের অতীত সমস্যা ফেলে দিয়ে বলেন না, ‘এবার?” তখন সেই মৃত্যুঞ্জয়ী মানুষ মৃত্যুকে জয় করতেই আত্মহত্যা করে!

    হরেন্দ্র দত্ত আপ্রাণ চেষ্টা করল। চোখ পিটপিট করল, কান চুলকালো। তবু বুঝতে পারল না। বলল, দু একটা উদাহরণ যদি দিতেন, স্যার?

    –যেমন প্রীতিলতা ওয়েদ্দদার, যেমন যতীন দাশ, যেমন মাতঙ্গিনী হাজরা!

    –মাতঙ্গিনী হাজরা আত্মহত্যা করেছিলেন, স্যার?

    –হ্যাঁ, যদিও আগ্নেয়াস্ত্রটা ছিল পুলিসের হাতে। রায়বাহাদুরের সামনে তেমন কোনও অবস্থার কথা আমরা জানি না। তাছাড়া ভেবে দেখ, হরেনবাবু— এর কি যৌক্তিকতা? ধর আমি রায়বাহাদুর এই চেয়ারে বসে আছি।

    বাসু রায়বাহাদুরের চেয়ারে বসলেন।

    –যে কোনও কারণেই হোক, আমি সিদ্ধান্ত নিলাম : আত্মহত্যা করব। আমি উঠে সব কটা জানলা ভেতর থেকে ছিটকিনি বন্ধ করলাম। দরজাটা বন্ধ করে, চাবিটা পকেটে রেখে টেবিলের সামনে চেয়ারে এসে বসলাম। ‘আত্মজীবনীর’ পাতায় লিখলাম ‘সরি’। আমি নিশ্চয় তখন উত্তরমুখী। তারপর? ড্রয়ার থেকে রিভলভার বার করলাম। সেটা যদি লোডেড না থাকে তা লোড করলাম। তারপর? তারপর আমি কী করলাম?

    –নিজের কানে রিভলভারটা লাগিয়ে ফায়ার করলেন।

    –নো স্যার। অ্যান এম্‌ফ্যাটিক : নো! এরপর আমি চেয়ারটা ঘুরিয়ে পশ্চিমমুখী হলাম! কেন? কী কারণে আমি পশ্চিমমুখী হলাম? বলো? ঘরের পশ্চিম দিকের দেওয়ালে যদি কোনও প্রিয় মানুষের ফটো থাকত শশীকলার, ওঁর বাবার, কোনও ইষ্টদেবতার, মায়ের তাহলে এ-আচরণের একটা মানে থাকত। তা নেই! উনি মুসলমান নন, যে মক্কার দিকে মুখ করে আত্মহত্যা করবেন। তাহলে?

    — সুতরাং?

    –সুতরাং বাকি কয়জনের জবানবন্দি আমাদের নিতেই হবে। দশরথ, সঞ্জয়, ঝরনা, অপরাজিতা….

    সঞ্জয় দুগার স্বীকার করল – রায়বাহাদুর তাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন। অনেক কাজ স্ত্রী বা একান্তসচিবকে না জানিয়ে তিনি সঞ্জয়ের মাধ্যমে করতেন। যেমন, কলকাতা থেকে স্কচ হুইস্কি কিনে আনা। ডাক্তার-নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করে স্টাডিরুমে রুদ্ধদ্বার কক্ষে তিনি ওইভাবে মদ্যপান করতেন। সঞ্জয় যোগান দিত – স্ন্যা, বরফ। স্ত্রীকে তো বটেই, এমনকি দশরথকেও লুকিয়ে। তবে রায়বাহাদুর যে কেন আত্মহত্যা করলেন তা সে জানে না। কোনও আন্দাজ করতে পারে না। শশীকলা অপরাজিতার গর্ভধারিণী না বিমাতা এ-প্রশ্নের জবাবে সে সপ্রতিভভাবে জানালো, বড়জ্যেঠিমা মারা যাবার অনেক পরে খুকু জন্মায় বেনারসে।

    ঝরনার পরিচয় দিতে একটু লজ্জা পেল যেন। হ্যাঁ, ঝরনা ওর কলেজের বান্ধবী। সহপাঠিনী নয়, দু-ক্লাস নিচে পড়ত। ওরা পরস্পরকে বিবাহ করতে ইচ্ছুক। সত্যপ্রসন্নর আপত্তি নেই। তবে রায়বাহাদুরকে ব্যাপারটা জানানো হয়নি।

    ঝরনাও স্বীকার করল তার জবানবন্দিতে যে, একটা বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে সে মোহনপুরে এসেছে। সঞ্জয়ের সঙ্গে বিবাহ হলে এই বিরাট বাড়ির কোনও একটা অংশই তার শ্বশুরবাড়ি হবে। রায়বাহাদুরের আত্মহত্যার হেতুর বিষয়ে তার কোনও আন্দাজ নেই।

    দশরথ স্বীকার করল : বড়কর্তার আত্মহত্যার ব্যাপারটা নিতান্ত অস্বাভাবিক বলে তার মনে হয়েছে। বড়কর্তাকে সে শেষবারের মতো দেখেছে সন্ধ্যে সাড়ে ছয়টা-সাতটা নাগাদ রমলা দেবীর সঙ্গে বসে তিনি কথাবার্তা বলছিলেন। সেই কী একটা বই লেখার ব্যাপারে। রমলা প্রতিদিনই এই সময় এসে দেড়-দুধন্টা কাটিয়ে যান। দশরথ রোজই সেই সময় এক পেয়ালা চা আর বিস্কুট দিয়ে যায় রমলাকে। কাপ-ডিশ উঠিয়েও নিয়ে গিয়েছিল আন্দাজ সাতটা নাগাদ।

    হরেন্দ্রনাথ জানতে চান, তখন তুমি কী দেখেছিলে মনে করতে পার? ঘরের তিনটে জানলাই কি বন্ধ ছিল?

    –আজ্ঞে হ্যাঁ। না হলে সন্ধ্যার ঝাঁকে বড় মশার উপদ্রব হয়।

    বাসু জানতে চান, দেখ দশরথ আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি বুঝে নিতে যে, কেন রায়বাহাদুর এভাবে আত্মহত্যা করলেন। তাই তোমার সাহায্য চাইছি। তুমি যা জান তা আমাদের ঠিক ঠিক জানাও দেখি। প্রথম কথা, জিতাদিদি কি জানে তার গর্ভধারিণী মায়ের নাম? তুমি যে তা জান, তা আমি জানি।

    দশরথ বুদ্ধিমান। সে নতনেত্রে বলে, দিদিমণিও তা জানে।

    –তার গর্ভধারিণী মা কীভাবে মারা যান, সেটাও কি জিতা জানে?

    দশরথ এবার চোখ তুলে তাকায়। বলে, আজ্ঞে সেটা আমি নিজেই জানি না, হুজুর। দিদিমণি জানে কি না তাও জানি না।

    —তুমি কিছু আন্দাজ করতে পারছ? কী কারণে রায়বাহাদুর এভাবে আত্মহত্যা করলেন?

    আবার দশরথ নতনয়ন হল। দুদিকে মাথা নেড়ে জানালো সে কোনরকম আন্দাজ করতে পারে না।

    হরেন্দ্র বললেন, তুমি তাহলে যেতে পার।

    বাসু বললেন, দাঁড়াও, তুমি বহুদিনের মানুষ। কতদিন এ-বাড়িতে কাজ করছ, দশরথ?

    –তা চল্লিশ বছর হবে, হুজুর। জিতাদিদিকে আমিই কোলে-পিঠে করে মানুষ করেছি।

    –সেক্ষেত্রে তুমি নিজে থেকে কি কিছুই বলতে পার না?

    দশরথ আবার বাসুসাহেবের চোখে-চোখে তাকালো। বলল, একটা কথা, ওই যে মেমসাহেব বড়কর্তার জীবন-বেত্তান্ত লিখছেন, ওঁর ডান পায়ে বাত আছে। উনি একটু খুঁড়িয়ে হাঁটেন।

    হরেন্দ্রনাথ ধমকে ওঠেন, এটা কী এমন জরুরী কথা? তোমার মাথায় গোবর!

    –আজ্ঞে হ্যাঁ, না, মানে এই কথার কথা বলছিলাম আর কি।

    দশরথ পালাবার পথ পায় না।

    .

    শেষ জবানবন্দি দিতে এল জিতা। অপরাজিতা।

    সকলের মতো সেও স্বীকার করল, কেন যে রায়বাহাদুর এভাবে আত্মহত্যা করলেন সেটা ওর আন্দাজের বাইরে। বাসু জানতে চান, তুমি কি জান, রায়বাহাদুরের উইলে কী প্রভিশন্স আছে?

    –হ্যাঁ, জানি। বাপিই আমাকে নিজে থেকে বলেছিল.

    — তুমি যে শশীকলা দেবীর কন্যা নও, দত্তক কন্যা, একথা তুমি কত বয়সে জানতে পার? কে জানায়?

    –বোঝবার মতো বয়স যখন হল তখন মা-ই আমাকে বলেছিল। আর কাউকে বলতে বারণ করেছিল। বলেছিল কথাটা মাত্র চারজন জানে। বাপি, মা, কাকামণি আর দশরথদা ছাড়া আর কেই জানে না। এমন কি সঞ্জয়দাও জানে না।

    –তাহলে মায়ের বারণ না শুনে তুমি সেকথা ডাক্তার সলিল মিত্রকে বলে দিলে কেন?

    –কে বলেছে? সলিল?

    –কে বলেছে সেটা বড় কথা নয়। তুমি কি অস্বীকার করতে চাও?

    –না, চাই না। আমি তাকে বলেছি। ডাক্তারের কাছে কিছু গোপন করতে নেই বলে।

    –তুমি কি জান, রায়বাহাদুর একটা নতুন উইল করতে যাচ্ছিলেন?

    –না, জানি না। বাপি বা মা আমাকে কিছু বলেনি।

    –তোমার মা সেকথা জানেন না। সেই উইলটা সই হয়নি। হলে, তাতে প্রভিশন থাকত যে, তুমি সম্পত্তির অধিকারী হবে একটা বিশেষ শর্ত মানলে। যদি তুমি সঞ্জয় দুগারকে বিবাহ কর!

    অপরাজিতা দশ সেকেন্ড নির্বাক তাকিয়ে থাকল। বলল, বাপি ছিল বদ্ধ পাগল। দিন পনের আগে মা আমাকে ওই কথা বলে। আমি মাকে বলেছিলাম যে, সঞ্জয়দা আর আমি খুড়তুতো জ্যাঠতুতো ভাইবোনের মতো মানুষ হয়েছি। ছেলেবেলা থেকে। আমরা দুজনেই দুজনকে ভালবাসি, কিন্তু ভাইবোনের মতো। তাছাড়া সঞ্জয়দা তো স্থির করে রেখেছে ঝরনাদিকে বিয়ে করবে বলে…

    –সঞ্জয় কি রায়বাহাদুরকে জানিয়েছিল যে, সে ঝরনাকে বিয়ে করতে চায়?

    –না জানায়নি। সাহস পাচ্ছিল না। আমাকে অন্তত ঝরনাদি তাই বলেছে।

    বাসু জানতে চান একটা কথা জিজ্ঞেস করি জিতা–প্রশ্নটা একটু ডেলিকেট— তুমি কিছু মনে কর না–

    অপরাজিতা বলে, আপনি খোলা মনে যা ইচ্ছে প্রশ্ন করতে পারেন, স্যার। আমি অফেন্স নেব না। অশোভন প্রশ্ন মনে করলে জবাব দেব না। কী জানতে চান?

    –তোমার পক্ষে স্টেজে অভিনয় করাটায় কি রায়বাহাদুরের আপত্তি ছিল?

    –ও এই কথা! হ্যাঁ ছিল। বাপির আশঙ্কা ছিল আমি ওই কামালদাকে বিয়ে করে বসব। বাপি গোঁড়া হিন্দু। অসবর্ণ বিয়ে কিছুতেই মেনে নিত না।

    বাসু বললেন, তর্কের খাতিরে যদি ধরে নিই যে তোমার বাবা একটা উইল করে গেলেন যে, তুমি সঞ্জয় দুগারকে বিয়ে না করলে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হবে সেক্ষেত্রে তুমি কী করতে? সঞ্জয়কে বিয়ে করতে? না, সম্পত্তিটা ত্যাগ করতে?

    অপরাজিতা উঠে দাঁড়ালো। বলল, জাস্ট আ মিনিট, স্যার। আমি এখনি আসছি।

    গটগট করে সে ঘরে ছেড়ে বেরিয়ে গেল। দশ-পনের সেকেন্ড পরে ফিরে এল ডাক্তার সলিল মিত্রের হাত দৃঢ়ভাবে ধরে। বললে, এই নিন, স্যার, আমার জবাব। দিস্ ইজ মাই হাজব্যান্ড, ডক্টর এস. মিত্র। আমরা দিন পনের আগে কলকাতায় গিয়ে রেজিস্ট্রি ম্যারেজ করেছি। খবরটা মোহনপুরের কেউ জানে না, এই যা।

    ডক্টর মিত্র অবাক হয়ে বলে, কী ব্যাপার? এমন নাটকীয়ভাবে …

    বাসু বললেন, আই কংগ্র্যাচুলেট য়ু। ডক্টর মৈত্র, আই মীন মিত্র!

    ডক্টর মিত্র বলেন, তা তো করছেন; কিন্তু হঠাৎ এমন নাটকীয়ভাবে কথাটা জিতা ঘোষণা করল কেন?

    বাসু জবাব দেবার আগেই অপরাজিতা বলল, তোমাকে পরে আমি বুঝিয়ে বলব। এখন তুমি যাও। আমার জবানবন্দিটা এখনো শেষ হয়নি। তাই নয়, বাসুসাহেব? কিন্তু এত জবানবন্দি নেওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে কেন বলুন তো?

    বাসু বললেন, আমরা স্থির-নিশ্চয় হতে চাই : এটা একটা আত্মহত্যার কেস!

    –স্থির-নিশ্চয় হওয়ার কী আছে? ঘরটা ভিতর থেকে তালাবন্ধ। সমস্ত জানলা ভিতর থেকে ছিটকিনি বন্ধ। রিভলভারটা বাপির। চাবিটা পাওয়া গেল তার পকেট থেকে। এ-ক্ষেত্রে এটা যে আত্মহত্যার কেস তাতে সন্দেহ থাকবে কেন?

    বাসু বললেন, দুটো বিষয়ে আমরা স্থির-নিশ্চয় হতে চাই। প্রথম কথা, কেন তিনি আত্মহত্যা করলেন। দ্বিতীয় কথা কেন তিনি আমাকে টেলিগ্রাম করে ডেকে পাঠিয়েছিলেন।

    একটু ইতস্তত করে অপরাজিতা বললে, হয়তো আমার বোকামিতে! কিন্তু আমি দুঃস্বপ্নেও ভাবিনি যে, বাপি এমন একটা ড্রাটিক স্টেপ নিয়ে বসবে। আঘাত করলে সে চিরদিন প্রত্যাঘাতই করেছে তো। এভাবে সে যে হার মেনে নিতে পারে, তা ছিল আমার দুঃস্বপ্নের অগোচর!

    –তোমার কী ‘বোকামি’-র কথা বলছ, জিতা?

    অপরাজিতা কিছুক্ষণ নতনেত্রে কী যেন চিন্তা করল। তারপর বলল, আগেই বলেছি, বাপির ইচ্ছে ছিল যে, সঞ্জয়দার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। কিন্তু আমাদের দুজনের কেউ তা চাইছিলাম না। সঞ্জয়দা ঝরনাদিকে পছন্দ করে রেখেছে; সাহস করে বাপিকে বলতে পারছে না। এদিকে আমি…

    বাসু বলেন, এখন আর লজ্জা করার কী আছে, জিতা? এখন তো তোমরা স্বামী-স্ত্রী।

    –আমি ইচ্ছে করেই কামালদার সঙ্গে বাড়াবাড়িরকম মেলামেশা করেছিলাম। আমি জানতাম, সলিলকেও বাপি মেনে নিতে চাইবে না; কিন্তু কামালদার বিকল্প হিসাবে বাপি সলিলকে মেনে নেবে–

    হরেনবাবু বলে, তা ঠিক। রায়বাহাদুর ছিলেন কট্টর হিন্দু! তুমি কামালকে বিয়ে করতে চাইছ বলেই তিনি ব্যারিস্টারসাহেবের সাহায্য চেয়েছিলেন। বাসুসাহেব যদি বলতেন ‘কামাল নয়, সলিল’

    তাহলে ‘এনি পোর্ট ইন দ্য স্টর্ম’ আইনে উনি এককথায় তা মেনে নিতেন। বাসু বললেন, কিন্তু তা তো হল না, হরেনবাবু! তার আগেই কেন উনি এমন অবিমৃষ্যকারীর মতো…

    অপরাজিতা বললে, নিয়তি। মৃত্যু বাপিকে টানছিল! তাই অগ্রপশ্চাৎ বিচার না করে সে নিজের রিভলভারে নিজেকে … স্যাড কেস …

    হরেন্দ্রনাথ বলে, ভেরি-ভেরি-স্যাড!

    ঘর খালি হলে হরেন্দ্রনাথ বললেন, একটা কথা বলব, স্যার?

    –বলো।

    –আজ রাতের মতো ‘ক্ষ্যামা’ দেওয়া যায় না? আমরা তো অনেক অনেক তথ্য আবিষ্কার করেছি। কেন রায়বাহাদুর আপনাকে টেলিগ্রাম করেছিলেন। কেন অপরাজিতা কামালের সঙ্গে বিশ্রীভাবে ‘লটঘট করছিল। কেন সঞ্জয় সাহস করে বলতে পারেনি যে, সে ঝরনাকে বিয়ে করতে চায়। কেন অপরাজিতা গোপনে রেজিস্ট্রি বিয়ে করে বসে আছে! তাই না? এখনো কি আপনার সব সমস্যার সমাধান হয়নি? এখনো কি আপনি মেনে নিতে পারছেন না যে, রায়বাহাদুরকে কেউ খুন করেনি। ইটস্ জাস্ট এ কেস অব সুইসাইড!

    বাসু ঘরময় পায়চারি করছিলেন। থমকে থেমে পড়ে বলেন, অলরাইট! আজ রাতের মতো এখানেই থামছি। কিন্তু কাল সকালে ঠিক এখান থেকেই যাত্রা শুরু করব। প্লিজ কাম ব্যাক অ্যাট টেন, টুমরো মর্নিং।

    হরেনবাবু উঠে দাঁড়ায়। আড়মোড়া ভাঙে। একটা সিগারেট ধরিয়ে বলে, কী কী সমস্যার সমাধান এখনও বাকি রইল, স্যার?

    –এক, কেন রায়বাহাদুর ঠিক ফায়ার করার আগে নব্বই ডিগ্রি ঘুরে পশ্চিমমুখো হয়ে বসেছিলেন। দুই, কেন রমলার হাত থেকে বেমক্কা চাবিটা মেঝেতে পড়ে গিয়েছিল …

    –দ্বিতীয়টার জন্য যৌথভাবে দায়ী মাধ্যাকর্ষণ এবং রমলাদেবীর অন্যমনস্কতা।

    –তিন, কেন হঠাৎ দশরথ জানার মনে হল রমলার ডান হাঁটুটে বাত আছে, সে একটু খুঁড়িয়ে চলে …

    –আপনি সেই পাগলের উক্তি নিয়েও চিন্তা করছেন, স্যার?

    –চার, কেন বৈঠকখানার বাইরে বাগানে এই ছেঁড়া ঠোঙাটা পড়েছিল?

    –ছেঁড়া ঠোঙা! মানে?

    বাসু পকেট থেকে একটা ব্রাউন রঙের ঠোঙা বার করে বললেন, এলাকাটা স্পটলেসলি ক্লিন। তাহলে ঠোঙাটা এল কোত্থেকে? কেন? কখন?

    হরেনবাবু বলেন, এটা তো, স্যার প্রায় সেই জাতের প্রশ্ন হল, ‘কুমড়ো নিয়ে ক্রিকেট খেলে কেন রাজার পিসি?’

    বাসু ওর কথায় ভ্রূক্ষেপ না করে বলে চলেন, পাঁচ, কি করে নটরাজ মূর্তির তলায় একটা কাচের টুকরো আটকে আছে

    –নটরাজ মূর্তির তলায়? কী আছে?

    বাসুসাহেব টুলের ওপর থেকে ব্রোঞ্জের নটরাজ মূর্তিটা তুলে এনে দেখালেন। তার তলায় একটা ছোট্ট কাচের টুকরো আটকে আছে। প্রথমবার ঘরটা সার্চ করার সময়েই এটা তাঁর নজরে পড়েছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article রূপমঞ্জরী – ৩য় খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }