Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প522 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিশের কাঁটা – ৩

    তিন

    আহারান্তে সুজাতা আর কৌশিক বাসু-সাহেবের গাড়িখানা নিয়ে বেরিয়ে গেল। রানী দুপুরে ঘণ্টাখানেক গা-গড়িয়ে নেন। তাছাড়া সকাল থেকে তাঁর একটু জ্বর-জ্বর মতো হয়েছে। তিনি ঘুমের বড়ি খেয়ে শুতে গেলেন। বাসু ‘দিবা মা শাপ্সি’ মন্ত্রে বিশ্বাসী। লাইব্রেরী ঘর থেকে ‘ডানসিং উ-লী মাস্টার্স’ নামে একটি সম্প্রতি-প্রকাশিত পপুলার বিজ্ঞানের বই নিয়ে পড়তে থাকেন। কিন্তু তাতেও বাধা। বিশে এসে জানালো, একজন ভদ্রলোক সাক্ষাৎপ্রার্থী। রানী বিশ্রাম নিচ্ছেন। বাসু বলেন, সেদিন কী শেখালাম তোকে? ভিসিটার্স স্লিপে নাম-ঠিকানা লিখিয়ে নিয়ে আয়, আর বাইরের ঘরে তাঁকে বসা।

    একটু পরে বিশ্বনাথ ফিরে এল। ভদ্রলোক স্লিপে কিছুই লিখে দেননি। পরিবর্তে নিজের তাঁর নামাঙ্কিত ছাপা কার্ড দিয়েছেন : ডঃ শান্তনু বড়গোঁহাই, এম. বি. বি. এস., ডি. জি. ও. গুয়াহাটির ঠিকানা ও টেলিফোন নম্বরও লেখা আছে।

    একটু পরে বাসু-সাহেবের চেম্বারে এসে উপস্থিত হলেন ডঃ বড়গোঁহাই। বয়স ত্রিশের কাছাকাছি। স্বাস্থ্যবান, দীর্ঘকায়। মাথার চুলগুলি পেছনে ফেরানো। চোখে চশমা নেই। সরু গোঁফ আছে। বড় বড় পা ফেলে এগিয়ে এলেন বাসু-সাহেবের টেবিলের কাছে। বললেন, নমস্কার স্যার, অসময়ে বিরক্ত করছি। জানি না, দুপুরে আপনি বিশ্রাম নেন কিনা!

    বাসু বললেন, বসুন। গুয়াহাটি থেকে কবে এসেছেন? উঠেছেন কোথায়?

    —এসেছি দিন-তিনেক হলো। উঠেছি একটা হোটেলে। আপনার কাছে কয়েকটা কথা জানতে এলাম। আপনাকে কি মিস্টার মহাদেব জালান অ্যাটর্নি নিযুক্ত করেছেন? মাধবীর ব্যাপারে?

    বাসু বলেন, কেন জানতে চাইছেন বলুন তো?

    —না হলে আমিই আপনাকে ঐ কাজে নিযুক্ত করতে চাইতাম।

    –কোন কাজে? মাধবী নামে কোনো মেয়েকে কি পুলিশ খুঁজছে?

    —আজ্ঞে না। পুলিশে নয়। খুঁজছে মহাদেব জালান, খুঁজছি আমি। আর মহাদেব যদি আপনাকে এনগেজ করে থাকে, তবে খুঁজছেন আপনি। ভবানীভবনের মিসিং স্কোয়াড অবশ্য খুঁজছে না তাকে।

    এই সময় হঠাৎ টেলিফোনটা বেজে উঠল। বিশে বাইরের ঘরে ঝাড়পৌঁছ করছিল। সে ছুটে গিয়ে রিসিভারটা তুলল। তুলে শুনল বাসু-সাহেব তাঁর চেম্বারে বসে এক্সটেনশান লাইনের ফোনটা তুলে কথা বলছেন। বাসু বললেন, হ্যালো? বাসু স্পিকিং….

    বিশে ধারক-অঙ্গে টেলিফোনের জঙ্গম অংশটা নামিয়ে রাখল।

    ও-প্রান্ত থেকে ভেসে এল, আমি মহাদেব বলছি। কোনো সন্ধান পাওয়া গেল?

    বাসু বললেন, ব্যস্ত হচ্ছেন কেন? খবর পাওয়া গেলে আমিই জানাব।

    —আমি আপনার সামনা-সামনি বসে কিছু কথা বলতে চাই।

    —আমি এখন ব্যস্ত আছি। আপনি রাত আটটার সময় আমার চেম্বারে আসতে পারেন। তখন আপনার যা বলার আছে শুনব। আর ভাল কথা, ঐ সময় ফটোগুলো নিয়ে আসবেন। কেমন?

    ক্র্যাডলে টেলিফোনটা নামিয়ে রাখতেই ডক্টর বড়গোঁহাই বলেন, জালান-সাহেব মনে হচ্ছে?

    বাসু সে-প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বললেন, লুক হিয়ার, ডক্টর! আপনার কোনো অ্যাসাইনমেন্ট আমি নিতে পারছি না। কেন, তা আপনি নিশ্চয় আন্দাজ করতে পারছেন। তবে এটুকু বলতে পারি, আমি আপনার স্বার্থের পরিপন্থী কিছু করছি না। ভাল হয়, যদি আপনার হোটেলের ঠিকানা আমাকে জানিয়ে যান। তাহলে প্রয়োজনবোধে আমি আপনাকে কোনো তথ্য জানাতে পারি, যা আমার মক্কেলের স্বার্থবিরোধী নয়।

    —অন্তত একটা কথা বলুন, স্যার। আপনার মক্কেল কি মহাদেব জালান?

    —সার্টেনলি নট! আমার মক্কেল শ্রীমতী মাধবী বড়ুয়া।

    —থ্যাঙ্কস্। সেক্ষেত্রে জানিয়ে যাই আমি উঠেছি রাজাবাজারের কাছে ‘পথিক হোটেলে’। ঘরের নম্বর ৩৭—ওদের প্রতি বোর্ডারের ঘরে-ঘরে টেলিফোন নেই। তবে রিসেপশানে ফোন করে কোনো বোর্ডারকে ডাকলে ডেকে দেয়। কোনো মেসেজ থাকলে লিখে রাখে, নম্বরটা রাখুন কাইন্ডলি।

    বাসু হাত বাড়িয়ে স্লিপ কাগজটা নিলেন। বললেন, থ্যাঙ্কস্ ফর য়োর কাইন্ড ভিজিট।

    ডক্টর বড়গোঁহাই বুদ্ধিমান। বুঝে নিলেন, এটা সাক্ষাৎকারের সমাপ্তিসূচক সৌজন্য- ধন্যবাদ। উনি উঠে দাঁড়ালেন। দরজা পর্যন্ত গিয়ে হঠাৎ থমকে দাঁড়ালেন। এদিক ফিরে বললেন, এক্সকিউজ মি, স্যার। যদি আপনার মক্কেলের সন্ধান পান, আর মনে করেন সে- খবরটা আমি জানলে আপনার মক্কেলের কোনো ক্ষতি হবে না…

    বাসু ওঁর মুখের কথা কেড়ে নিয়ে বললেন, সে ক্ষেত্রে আমি নিজেই আপনাকে টেলিফোনে জানাব। উইশ য়ু বেস্ট অব লাক!

    .

    দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলো। শীতের সন্ধ্যা হুড়মুড়িয়ে আসে। বিশেষ ধুলো আর ধোঁয়ায় যে কল্লোলিনী শহর, যেখানে পাশাপাশি শুধু ইটের উপরে ইট, মাঝেতে মানুষ কীট। বাসু- সাহেব আর রানী দেবী সচরাচর শীতের অপরাহ্ণে পশ্চিমের বারান্দায় বসে চা-পান করতেন—গত বছরও করেছেন—কারণ সূর্যের দক্ষিণায়ন হলে ঐ এক চিলতে বারান্দায় বসে সূর্যাস্তের স্বর্ণাভা উপভোগ করা যায়। যায় নয়, যেত। সম্প্রতি সেখানে একটি মালটি– স্টোরিড মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। সূর্যাস্তের সোনা ছিনতাই হয়ে গেছে। তাই ইদানীং বিশে ওঁদের আপরাহ্লিক-চা ঘরেই পরিবেশন করে যায়।

    রানীর জ্বরটা বেড়েছে। কাল একজন ডাক্তার ডাকতে হবে। সুজাতা আর কৌশিক ফিরে আসেনি। রানী আবার গিয়ে শুয়ে পড়েছেন। বাসু একা-একা ঘর-বার করছেন। সময় আর কাটে না। শেষে টিভির চ্যানেল পালটাতে পালটাতে হঠাৎ ওয়াল্ট ডিজনের একটা পুরনো ছবি পেয়ে গেলেন। তাতেই বুঁদ হয়ে গেলেন।

    একটু পরে বিশে এসে খবর দিল, একজন ভদ্রলোক দেখা করতে চাইছেন। এবার আর ভুল করেনি। ভিজিটার্স স্লিপে সাক্ষাৎপ্রার্থীর নাম-ঠিকানা লিখিয়ে এনেছে : মহাদেব জালান।

    বাসু বললেন, রিসেপশানে বসতে বল। আমি যাচ্ছি—

    ভিতর দিক থেকেও ওঁর চেম্বারে যাবার একটা সরাসরি পথ আছে। বাসু গায়ে একটা পশমের গাউন জড়িয়ে ঐ পথে চেম্বারে এলেন। বিশে গিয়ে বাইরের ঘরে খবর দিল। একটু পরে বাইরের দরজায় সৌজন্যসূচক করধ্বনি করে মহাদেব চেম্বারে ঢুকলেন। নমস্কার করে বসলেন দর্শনার্থীর আসনে। তাঁর পরিধানে ও-বেলার সেই ব্রাউন রঙের স্যুটটাই। হাতে একটা অ্যাটাচি। সেটা চেয়ারের পাশে নামিয়ে রাখলেন।

    বাসু ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বললেন, আপনি একটু তাড়াতাড়ি এসেছেন।

    মহাদেব বলেন, সে কি কথা? আপনি তো বলেছিলেন আজ সন্ধ্যেবেলা আমার সঙ্গে কথা বলতে পারবেন।

    —না, ‘সন্ধ্যেবেলা’ বলিনি। বলেছিলাম, রাত আটটায় আসতে। এখন সাতটা বত্রিশ। মহাদেব নতুন ক্লাসিক কার্টনের সেলফোন-মোড়ক ছিঁড়তে ছিঁড়তে বলেন, কী জানেন, বাসু-সাহেব, আমার আর ধৈর্য মানছে না। ঠিক আছে, আমি না হয় আধঘণ্টা-খানেক ঐ পার্কের বেঞ্চে গিয়ে বসি। আটটার সময়েই আসব।

    বাসু বললেন, না। তার দরকার হবে না। ঠাণ্ডা লেগে যেতে পারে। আপনি বরং সামনের ঘরে ঐ ভিজিটার্স রুমে গিয়ে বসুন। আই মীন, রিসেপশানে। ওখানে দেখবেন, টেবিলে অনেক ম্যাগাজিন আছে। আধঘন্টা কেটে যাবে। আমারও হাতের কাজটা সারা যাবে।

    —থ্যাঙ্কু, স্যার। শুধু একটা কথা বলুন। সুকৌশলী কি এখনো কোনো সন্ধান পায়নি? মাধবী কিংবা আগরওয়ালের?

    বাসু বললেন, এত উতলা হচ্ছেন কেন? ওরা দু’জন সেই খোঁজেই গেছে। এখনো কোনো খবর দেয়নি। যে-কোনো সময়ে আমি জানতে পারব। কিন্তু আমার কিছু জরুরী কাজ আছে…

    —আয়াম সরি, স্যার, এক্সট্রীমলি সরি! আমি বাইরের ঘরে গিয়েই অপেক্ষা করি বরং মহাদেব উঠে চলে গেল বাইরের ঘরে। বাসু-সাহেবের সত্যিই কোনো কাজ ছিল না। ওয়াল্ট ডিজনেতে আর নতুন করে মন বসবে না। নির্জন ঘরে উনি ভাবতে বসলেন। তখন কৌশিক যে প্রশ্নটা করেছিল তার জবাবটা ওঁর জানা নেই। কৌশিক যদি কর্নার কিক্‌টা ঠিক মতো করতে পারে তাহলে কোন কায়দায় বলটাকে গোলে ঢোকাবেন। অনীশ আইনত কোনো অপরাধ করেনি—মানে তা প্রমাণ করা যাবে না। জামশেদপুরের সেই ডাকাবুকো মেয়েটাই বা কী করতে পারে? দু-দশ ঘা বসিয়ে দিতে পারে হয়তো—তাতে তো টাকাটা উশুল হবে না। তবে সে নাকি বলে এসেছে দ্বৈরথ সংগ্রামে তার মৃত্যু হলে যেন তার শব-ব্যবচ্ছেদের ব্যবস্থা করা হয়। অর্থাৎ সেই দুঃসাহসিনী শেষ পর্যন্ত লড়বার জন্য প্রস্তুত হয়েই এসেছে। সে কি শুধু তার ক্যারাটে বিদ্যার উপরেই নির্ভর করতে চায়, অথবা তার সঙ্গে কোনো মরণাস্ত্র আছে?

    হঠাৎ কী মনে হলো, উঠে দাঁড়ালেন। সন্তর্পণ পদক্ষেপে এগিয়ে গেলেন সামনের দরজাটার দিকে, যে দরজা খুলে মিনিট দশেক আগে মহাদেব বেরিয়ে গিয়ে রিসেপশানে বসেছে। নিঃশব্দে হ্যান্ডেলটা ঘুরিয়ে আধ ইঞ্চি মতো ফাঁক করে চোখ লাগালেন দরজার ফাঁকে। দেখলেন, মহাদেব জালান রানী দেবীর টেবিলে টেব্‌ল-ল্যাম্পটা জ্বেলেছেন। একমনে রীডার্স ডাইজেস্টের একটা সংখ্যা পড়ছেন। তাঁর বাঁ-হাতে ধূমায়িত সিগ্রেট। উনি তন্ময়। বাসু নিঃশব্দেই দরজাটা বন্ধ করে নিজের আসনে ফিরে এলেন, ঠিক তখনি বেজে উঠল টেলিফোনটা। তুলে নিয়ে উনি বললেন, বাসু স্পিকিং…

    —মামু! এইমাত্র হদিস পেয়েছি। সুজাতা কিছু নতুন তথ্যও সংগ্রহ করেছে। জামশেদপুর কেসটায়। সুরঙ্গমা সুজাতাকে সাহায্য করতে স্বীকৃত। তবে সে বারে বারে সুজাতাকে বলেছে আজ রাত্রে আগরওয়ালের ডেরায় না যেতে।

    —ঠিকানাটা জানা গেছে?

    —হ্যাঁ। বেগবাগানের কাছে। বাংলাদেশ মিশনের খানকতক বাড়ি পরে। ঐ একই রাস্তায় ‘রোহিণী-ভিলা’।

    — হোটেল?

    —না, অ্যাপর্টমেন্ট হাউস। বহু পুরনো বাড়ি। সাত-আট তলা উঁচু। কারনানি ম্যানসন্স- এর মতো। বোম্বাই-এর সেই ফিল্ম কোম্পানি ঐ বাড়ির একটি দু-কামরা ফ্লাটের ভাড়া গুনে যায়। অনীশ আগরওয়াল কলকাতায় এলে ঐ ফ্লাটে ওঠে। দোতলায় পুবদিকের অ্যাপার্টমেন্ট। নম্বর ২৩

    —অনীশের ঘরে টেলিফোন আছে?

    —না, নেই। তবে একতলায় দারোয়ানের টুলের পাশে একটা টেবিল আছে। তাতে আছে এক সার্বজনীন টেলিফোন। বোর্ডাররা পয়সা দিয়ে সেখানে ফোন করতে পারে। আবার ফোনে কেউ কোনো খবর দিলে দারোয়ান সেটা লিটম্যানের হাতে বিশেষ-বিশেষ বোর্ডারকে পৌঁছে দেয়।

    —বিশেষ-বিশেষ বোর্ডার মানে?

    —যারা দরাজ হাতে বকশিস্ দিতে প্রস্তুত।

    —এত খবর তুমি জানলে কি করে?

    —সুজাতাই জেনেছে সুরঙ্গমার কাছ থেকে।

    —তা সুজাতাকে ও আজ রাত্রে অনীশের ডেরায় যেতে বারণ করল কেন?

    —সুরঙ্গমা যুক্তি দেখিয়েছে—সন্ধ্যার পর পাড়াটা বড় নির্জন হয়ে যায়। সুজাতার পক্ষে তখন একা একা ওখানে যাওয়াটা বিপজ্জনক। তার মতে কাল সকালে দিনের আলোয় সুজাতার পক্ষে ও-পাড়ায় অনীশের সঙ্গে মোকাবিলা করতে যাওয়াই ভাল।

    —অল রাইট। এবার শোন। তুমি সুজাতাকে একটা ট্যাক্সি নিয়ে বাড়ি ফিরে আসতে বল। তোমার মামিমার জ্বর হয়েছে। ঘুমোচ্ছে। সুজাতা তার দেখভাল করুক। আমি এখনি একটা ট্যাক্সি নিয়ে রওনা হচ্ছি। এখন সাতটা পঞ্চাশ। আমার এখানে মহাদেব জালান বসে আছে। তাকে বিদায় করে, ধর পৌনে নটা নাগাদ আমি বাংলাদেশ মিশনের গেটের কাছে পৌঁছাব। . একটু বেশি সময় নিচ্ছি, কারণ তোমার মামিমাকে রাতের খাবারটা খাইয়ে রওনা হব। তুমি আমার গাড়িটা নিয়ে ঐ মিশনের বিপরীত ফুটপাতে রাত ঠিক পৌনে ন’টায় অপেক্ষা কর। যন্ত্রটা সঙ্গে আছে তো?

    —আছে। আমি ঠিক পৌনে নটায় ঐখানে থাকব।

    বাসু টেলিফোনটা নামিয়ে রাখলেন। মিনিটখানেক কী যেন চিন্তা করলেন। তারপর এগিয়ে এসে রিসেপশানের দরজাটা খুলে সে-ঘরে ঢুকলেন। মহাদেব একমনে পত্রিকাটা পড়ছিলেন। বাসুর পদশব্দে বইয়ের পাতায় আঙুল গুঁজে চোখ তুলে চাইলেন। বললেন, আটটা বাজল? আপনার কি এখন…

    বাসু বললেন, আয়াম সরি, মিস্টার জালান। একটা জরুরী টেলিফোন এসেছিল। আমাকে এখনি বের হতে হবে। আপনি বরং একটু ঘুরে আসুন।

    মহাদেব বললেন, কী দরকার? আমি বরং এখানেই অপেক্ষা করি। আপনি কখন ফিরবেন?

    –ধরুন সাড়ে নয়টা।

    —ঠিক আছে। আমি বরং এখানে বসে বসে এই বইটাই পড়ি। একটা দারুণ গল্প পড়ছিলাম রীডার্স ডাইজেস্টে। বড় গল্প—ঘণ্টাখানেক লাগবে শেষ হতে।

    বাসু বললেন, ঠিক আছে। তবে অপেক্ষাই করুন। শুধু ফটো আর কাগজপত্র যা এনেছেন তা আমাকে দিন।

    মহাদেব উঠে দাঁড়ান। রীতিমতো অপ্রস্তুত হয়ে যান ভদ্রলোক। বলেন, আয়াম সো সরি, স্যার। ওগুলো আনতে ভুলে গেছি।…ঠিক আছে, আমি বরং সেগুলো হোটেল থেকে নিয়ে আসছি। ট্যাক্সি নিয়ে যাব আর আসব। যাতায়াতে দেড় ঘণ্টাই লাগুক। আমি সাড়ে নয়টার মধ্যেই ফিরে আসব। আমারই ভুল। মিস্টার মিত্রও আমাকে বলেছিলেন। আমি সবকিছু গুছিয়েও রেখেছি। আসার সময় সেটা অ্যাটাচিতে ভরে নিতে ভুলে গেছি।

    বাসু বললেন, ঠিক আছে। আপনি ট্যাক্সি নিয়ে চলে যান। হোটেল থেকে ছবি আর পত্রিকার কপি নিয়ে আসুন।

    মহাদেব জিজ্ঞেস করেন, ম্যাডামকে আজ দেখছি না যে? আই মীন মিসেস্ বাসু?

    —ওঁর শরীরটা ভাল নেই। আপনি হোটেল থেকে কাগজপত্র নিয়ে এসে ডোরবেল বাজাবেন। আমি আমার কমবাইন্ড-হ্যান্ডকে বলে যাচ্ছি। ও দরজা খুলে আপনাকে বসাবে।

    মহাদেব সম্মতি জানিয়ে বিদায় হলেন। দরজা বন্ধ করে বাসু ফিরে এলেন শয়নকক্ষে। রানী অঘোরে ঘুমোচ্ছেন। কপালে হাত দিয়ে দেখলেন। না, জ্বরটা কমেছে–হয়তো ছেড়েই গেছে। বাসু নিঃশব্দে উলেন গাউনটা ছেড়ে গরম-স্যুট পরে নিলেন। ভেবেছিলেন রানী দেবীকে নৈশ আহার খাইয়ে রওনা হবেন, কিন্তু তিনি অঘোরে ঘুমোচ্ছেন। ঘুম ভাঙানোটা ঠিক হবে না। সুজাতা এসে না হয় খাওয়াবে। হাতে যথেষ্ট সময় আছে। তাড়াহুড়োর কিছু নেই। ড্রয়ারটা খুলে রিভলভারটা হিপ্‌পকেটে ভরে নিলেন। খুনোখুনি হবার কথা নয়। তবে আত্মরক্ষার অস্ত্রটা সঙ্গে থাকা ভাল। বিশেকে বললেন, শোন, আমি একটু বেরুচ্ছি। সাড়ে নটা নাগাদ ফিরে আসব। ঐ যে বাবুটি এতক্ষণ বাইরের ঘরে বসেছিলেন, উনি হয়তো তার আগেই ফিরে আসবেন। ম্যাজিক-আই দিয়ে দেখে নিয়ে তারপর দোর খুলে ওঁকে বাইরের ঘরে বসাবি

    —কোন বাবু? ঐ যিনি এতক্ষণ টেলিফোন করছিলেন?

    বাসু ধমকে ওঠেন, তোর মাথায় কি নিরেট গোবর পোরা? কটা বাবু বাইরের ঘরে বসেছিল এতক্ষণ? একটাই তো? তার কথা বলছি। উনি নটা সাড়ে নটা নাগাদ আবার ফিরে আসবেন। ম্যাজিক-আইয়ের ভিতর দিয়ে ভাল করে দেখে নিয়ে ওঁকে বসতে দিবি। সুজাতাদিদিও এখুনি হয়তো এসে পড়বে। অজানা লোক এসে কলবেল বাজালে দোর খুলবি না। জানালা দিয়ে কথা বলবি। বুঝলি?

    বিশে বললে, না বোঝার কী আছে? এসব কথা তো জানিই।

    —আবার না হয় নতুন করে জানলি। বাড়িতে তো আর কেউ নেই এখন। তাই বলছি। বিশে অবাক হয়ে বললে, মানে? বাড়িতে কেউ থাকবে না কেন? মা আছেন, আমি আছি—

    বাসু চলতে শুরু করেছিলেন, থমকে থেমে পড়ে বলেন, সরি য়োর অনার! আই বেগ টু উইথড্র।

    বিশে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article রূপমঞ্জরী – ৩য় খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }