Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প522 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সকল কাঁটা ধন্য করে – ৪

    চার

    আরও আধঘণ্টা বাদে। বেলা একটা বাজে। অনিমেষও ইতিমধ্যে নিজের থানায় চলে গেছে। কেষ্টার-মা যাব যাব করছে। নিখিল বাড়ি ছেড়ে যাবার আগে গৃহস্বামিনীর কাছে বিদায় নিতে চেয়েছিল; কিন্তু কেষ্টার-মা নিচের তলায় শকুন্তলার শয়নকক্ষ ঘুরে এসে জানালো : বড়দিমনি কেঁদে কেঁদে ঘুমিয়ে পড়েছে।

    অগত্যা ওঁরা তিনজনে নিঃশব্দেই নিষ্ক্রান্ত হলেন সে বাড়ি থেকে। কেষ্টার-মা তার ঘরপানে রওনা হলো। বাসু-সাহেব বললেন, অতঃ কিম্?

    নিখিল বললে, চলুন, প্রথমে কোনও রেস্তোরাঁয় গিয়ে কিছু খেয়ে নেওয়া যাক। বেলা একটা বেজে গেছে।

    বাসু রাজি হলেন না। বললেন, তার চেয়ে তোমার অফিসে চল। সেখানে তোমার ঘরে বসে কিছু খাবার আনিয়ে খেয়ে নিতে পারব। কাজও করা যাবে ঐ সঙ্গে।

    —এত তাড়াতাড়ি করছেন কেন, স্যার?

    —দুজনের সঙ্গে আমাদের এক্ষুণি যোগাযোগ করতে হবে। এক নম্বর : মদ্র-সাহেব, দু- নম্বর এম. এল. এ. সাহেব। আমি জানতে চাই এদের মধ্যে কেউ জানে কি না যে, সল্ট লেক অঞ্চলে রীতা, বিদ্যার্থী নামে একটি সোনালী চুলের মেয়ে এখন শবব্যবচ্ছেদের শীতাতপ- নিয়ন্ত্রিত কামরায় শায়িতা। কালকের কাগজে খবরটা ছাপা হবার পরে ওদের অ্যাটিচুড বদলে যাবে।

    —তাহলে এক কাজ করি, স্যার। আমার বাড়ি চলুন। অফিসে গেলেই পাঁচজন সাক্ষাৎপ্রার্থী, পাঁচটা ফাইল, আর কিছু না হয় তো অন্য একটা মার্ডার কেস ঘাড়ে চাপবে। আমার বাড়িতে গিয়ে টেলিফোন করতে পারব। কাকলি ইতিমধ্যে কিছু খাবার বানিয়ে অথবা আনিয়ে নিতে পারবে।

    অগত্যা তাই।

    মিনিট-পনেরোর মধ্যে ওঁরা পৌঁছে গেলেন নিখিলের বাড়িতে। কাকলি খুবই খুশি। বললে, ও-বেলার জন্য চিকেন দো-পেঁয়াজা করাই আছে। দুজনের মতো ভাত তো আছেই! আমি বরং খান-কয় পরোটা ভেজে দিই।

    বাসু বলেন, তোমাদের তিনজনের জন্য পরোটা বানাও। আমাকে স্রেফ শশা বা টমেটোর ভেজিটেব্‌ব্ল স্যান্ডুইচ বানিয়ে দাও। পরোটা খাব না। আর তোমার মাসিমা কিংবা সুজাতাকে টেলিফোন করে জানিয়ে দাও আমরা দুজনে এখানে খাচ্ছি।

    ওঁরা তিনজনে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ড্রইংরুমে বসলেন। নিখিল জানতে চায়, ওই ফটোটাকে আপনি অতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন কেন, স্যার?

    বাসু পকেট থেকে পাইপ বার করে টেবিলের উপর রাখলেন। বললেন, প্রসঙ্গটা শুরু করেছিলাম নিতান্ত ‘ওয়ইল্ড গুজ চেজ’ হিসাবে। রীতার টেবিলের উপর একটা বড় ফটো টাঙানো ছিল, সেটা সম্প্রতি সরিয়ে ফেলা হয়েছে—এটা এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সূত্র নয়। কিন্তু গোয়েন্দাগিরির ধর্মই হচ্ছে : ‘যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখ তাই…’! ছবিটার অনুপস্থিতি থেকেই আমার মনে প্রশ্ন জাগল, এটা কোন কারণে খুলে রাখা হয়েছে? অ্যাক্সিডেন্টালি দড়ি ছিঁড়ে পড়েনি।

    নিখিল জানতে চায়, কেন? সেটা নয় কেন?

    —কারণ কাছেই রয়েছে ওই ব্যারেল-শেপড্ টিনের ওয়েস্ট-পেপার ড্রামটা। যেটাতে দু’- তিন মাস আগেকার ছেঁড়া ভাউচার রয়েছে, অথচ একটাও ভাঙা কাচের টুকরো নেই। কিন্তু মেয়েটি বললে, মাত্র তিন-চার দিন আগে ফটোটা পড়ে ভেঙেছে। আমার সন্দেহ হলো—এর মধ্যে হয়তো কিছু একটা কার্যকারণ সম্পর্ক আছে। তাই আরও একটু খোঁজখবর নিলাম। মজার কথা : কেষ্টার-মা জানেই না যে, ছবিটা পড়ে গিয়ে কাচ ভেঙেছে-

    নিখিল আবার বলে, কিন্তু ওটা আমাদের তদন্তে কীভাবে সাহায্য করতে পারে?

    —জানি না। কিন্তু আমার মনে হচ্ছে ছবিটা থাকলে আমরা একটা বিষয় নিশ্চিন্ত হতে পারতাম : রীতা বিদ্যার্থী গারফিল্ড সোবার্স থেকে ডেভিড গাওয়ারের দলে কিনা। আই মীন, লে-হ্যান্ডার কি না। কারণ কেষ্টার-মা ইতিমধ্যে জানিয়েছে ছবিতে দেখা যাচ্ছিল রীতা খাটে শুয়ে শুয়ে চিঠি লিখছিল। আমি জানতে চাই : ডান হাতে, না বাঁ-হাতে? সেটা কেষ্টার-মা বলতে পারত না। তার অতটা বুদ্ধি নেই।

    কৌশিক বলল, ধরুন যদি ছবিতে দেখতাম কলমটা ওর বাঁ-হাতে? তাহলে কী ইনফারেন্স হতো?

    —আমরা সিদ্ধান্তে আসতাম : এটা আত্মহত্যার কেস। মেয়েটি ছিল বেঁয়ো। বাঁ-হাতে পিস্তল ধরে নিজের বাঁ-কানের উপর ফায়ার করে আত্মহত্যা করেছে। পরে কেউ পিস্তলটা ওর ডান হাতে গুঁজে দিয়েছে!

    –কে দিতে পারে? কেন দিতে যাবে?

    বাসু বলেন, আমরা এখনও তা জানি না। দু’দুটো ‘ভাইটাল ব্লু’ এখনও আমাদের হাতে আসেনি। এলে, তখন হয়তো ও প্রশ্নের জবাবটা বোঝা যাবে। নাম্বার ওয়ান : ফিঙ্গার প্রিন্ট রিপোর্ট। পিস্তলে আর কারও আঙুলের ছাপ আছে কি না।

    নিখিল বলে, কেউ যদি পরে মেয়েটির মুঠিতে পিস্তলটা গুঁজে দিয়ে থাকে তাহলে মিলিয়ান টু ওয়ান চান্সেও তেমন কোনও ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাওয়া যাবে না। পিস্তলটা মৃত মেয়েটির মুঠিতে গুঁজে দেবার আগে অপরাধী সযত্নে রুমাল দিয়ে সেটা মুছে নেবে—

    বাসু বলেন, অথবা আঁচল দিয়ে!

    কৌশিক এদিকে ফিরে বলে, আপনি কি শকুন্তলাকে সন্দেহ করছেন?

    —না! তবে শকুন্তলাকে বর্তমানে সন্দেহের বাইরে রাখতে পারছি না।

    —কিন্তু শকুন্তলার কী স্বার্থ?

    —শকুন্তলাই যদি হয়, তবে মোটিভও পাব। জোরালো মোটিভ—আদিম রিপু। সেই শাশ্বত ত্রিকোণ! একজন সুদর্শন, সুপ্রতিষ্ঠিত পুরুষ আর দুটি নারী। যে মারা গেছে সেই বেশি সুন্দরী! দ্বিতীয়ত শকুন্তলার জবানবন্দি অনুসারে ঐ ভদ্রলোক এবাড়িতে ইতিপূর্বে ঘন ঘন আসত। ইদানীং আসে না। রীতার সঙ্গে তার অন্যত্র দেখা হয় নিশ্চয়। তৃতীয়ত শকুন্তলার পক্ষে ওই পিস্তলটা সংগ্রহ করা খুব সহজ।

    নিখিল বলে, কিন্তু সে তো ভদ্রেশ্বরে ছিল—

    —তার জবানবন্দি অনুসারে। অ্যালেবাইটা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাছাড়া সকালে এসে সে যে রুদ্ধদ্বার দেখেছিল—এটাও তো তারই জবানবন্দি অনুসারে। হত্যার পর দরজা-জানলা বন্ধ করে সে পুলিশে ফোন করে থাকতে পারে।

    নিখিল বলে, সেক্ষেত্রে পিস্তলটা কি রীতার বাঁ-হাতে থাকত না?

    —হ্যাঁ, তাই থাকার কথা। কেন নেই, তা আমরা এখনো জানি না। মেয়েটি যে ঐ পিস্তলের গুলিতেই মারা গেছে সেটাও তো এখনো জানা যায়নি।

    কৌশিক বলে, আর ধরুন যদি ফটোতে আমরা দেখতে পেতাম কলমটা ডান হাতে ধরে রীতা লিখছে?

    —সেক্ষেত্রে আমাদের সিদ্ধান্ত হতো—এটা আত্মহত্যার কেস আদৌ নয়! মার্ডার! পিস্তলটা ডান হাতে ধরে কেউ বাঁ-কানের উপর ফায়ার করতে পারে না। সেটা ফিজিক্যালি অ্যাবসার্ড। তার মানে ওর পিস্তলটা হাতিয়ে কেউ ওকে ফায়ার করে এবং রিভলভারটা ওর মুঠিতে গুঁজে দেয়। সেক্ষেত্রে আমরা পিস্তলে আদৌ কোনও ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাব না। রুমালেই হোক বা আঁচলেই হোক, মুছবার সময় সব ফিঙ্গারপ্রিন্টই মুছে যাবে। রীতারটাও!

    কৌশিক বলে, এখনো অবশ্য আমরা জানিই না যে, ওই পিস্তলটা বাস্তবে মার্ডার ওয়েপন কিনা। সীসার বলটা সম্ভবত খুলিতেই আটকে আছে। ব্যালাটিক্ এক্সপার্ট কম্পারেটিভ মাইক্রোস্কোপে যাচাই করে প্রথমে বলুন যে, মৃত্যু হয়েছে ওই পিস্তলের গুলিতেই—তারপর আবার আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে। তবে হ্যাঁ, ফটো থেকে যদি বোঝা যেত রীতা কোন হাতে লেখে, তাহলে আমাদের বিশ্লেষণের সুবিধা হতো।

    নিখিল ইতিমধ্যে উঠে গিয়ে একটা ফোন করল। বাসু জানতে চাইলেন, তোমার অফিসে ফোন করলে না কি?

    —না স্যার। মোটর ভেহিক্লস্-এ আমার এক সহকারী বসে। তাকে ওই কালো ফিয়াট গাড়ির নম্বরটা দিলাম। রেকর্ড ঘেঁটে দেখতে, গাড়ির মালিকের নাম। ঘটনাচক্রে লাইসেন্স নম্বর থেকেই বোঝা যাচ্ছে—গাড়িটার লাইসেন্স এখানকার।

    বাসু বললেন, তুমি আর একটা কাজ কর তো হে। এম. এল. এ. সাহেবকে একটা ফোন করে দেখ তিনি বাড়িতে আছেন কি না। এখন অ্যাসেম্‌ব্লি চলছে না। তবে বেলা দেড়টার সময় তিনি বাড়িতে নাও থাকতে পারেন। কায়দা করে সমঝে নাও, মাইতি-সাহেব ইতিমধ্যে খবর পেয়েছেন কি না।

    নিখিল পকেট থেকে কাগজের টুকরোটা আবার বার করে। টেলিফোনের রিসিভারটা তুলে নিয়ে বলল, এই ফোনের একটা এক্সটেনশান আছে পাশের ঘরে, আমার বেডরুমে। আমি সেখান থেকে ফোন করছি। আপনি এটায় শুনুন। তাহলে দু’পক্ষের কথাই শুনতে পাবেন।

    বাসু ওর হাত থেকে ফোনটা তুলে নিলেন।

    নিখিল পাশের ঘরে উঠে গেল। কর্ডলেস্ ফোনটা নিয়ে ডায়াল করতে করতে এ-ঘরে ফিরে এল। বার দুই রিঙিং টোন হতেই ও প্রান্তে কেউ সাড়া দিল : রবিন মাইতি বলছি। বলুন?

    নিখিল বললে, গুড আফটারনুন, স্যার। আমি অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার, ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট, নিখিল দাশ বলছি…

    —বলুন? রীতা বিদ্যার্থীর বিষয়ে কি?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ। আপনি তাহলে খবরটা পেয়েছেন?

    –পেয়েছি। আপনারা ঘুরে এসেছেন তাও শুনেছি।

    —মিস্ শকুন্তলা রায় বুঝি টেলিফোনে খবরটা দিলেন?

    —এ প্রশ্ন অবান্তর। সল্ট লেক আমার কন্সটিটুয়েন্সিতে। এলাকার যাবতীয় খবর আমাকে রাখতে হয়। সবই জেনেছি-

    নিখিলের পিত্তি জ্বলে গেল এম. এল. এ.-সাহেবের হামবড়াই ভঙ্গিতে। বললে, তাহলে তো ল্যাটা চুকেই গেল। কাইন্ডলি বলবেন স্যার, এটা কেস অফ সুইসাইড না মার্ডার?

    মাইতি-সাহেব ধমকে ওঠেন, মানে? সেটা আমি বলব, না আপনি বলবেন? মার্ডার হতে যাবে কেন? বদ্ধঘরের ভিতর…

    —না, আপনি এখনি বললেন না : ‘সবই জেনেছি’…

    —ডোন্ট বি ফ্রিভলাস মিস্টার দাশ! ইটস্ এ ভেরি ভেরি সিরিয়াস কেস। আমি জানতে চাই : আপনারা কতটুকু কী জানতে পেরেছেন। কে মিস্ বিদ্যার্থীকে সুইসাইডে প্ররোচিত করেছে?

    —সেজন্যেই তো আপনাকে টেলিফোন করছি। কিছু তথ্য সংগ্রহ করতে।

    –করুন। কী জানতে চান, বলুন?

    —টেলিফোনে হবে না, মিস্টার মাইতি। সামনা-সামনি বসে কথা বলতে হবে…

    —তাহলে আপনি আমার চেম্বারে চলে আসুন। ওল্ড-কোর্ট হাউস স্ট্রিটে। পাঁচটার সময়। নাম্বারটা জানেন তো?

    —জানি। কিন্তু আলোচনাটা লালবাজারে হলে ভাল হতো না কি? কফিডেন্সিয়েলি কথা বলা যেত।

    —এখানে আমার চেম্বারটাও সাউন্ড-প্রুফ। সে বিষয়ে আপনাকে চিন্তা করতে হবে না। তবে ঠিক পাঁচটায় আসবেন। ট্রাফিক জ্যামে আটকে পড়বেন না। সাড়ে পাঁচটায় আমার অন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে।

    নিখিল বললে, অলরাইট স্যার! তাই হবে।

    লাইন কেটে দিয়ে বাসু-সাহেবের দিকে ফিরে নিখিল বললে, তেজ দেখেছেন এম. এল. এ.-সাহেবের? এখন সিংহবিক্রম! আর মেয়াদ ফুরোলেই যুক্তকরে পথে-পথে ভিক্ষে করে বেড়াবেন : আমাকে আপনার ভোটটা কাইন্ডলি দেবেন স্যার?

    কৌশিক এতক্ষণে বসে বসে টেলিফোন ডাইরেক্টােিত কী যেন খুঁজছিল। তার দিকে ফিরে নিখিল বলে, আপনি কার নম্বর খুঁজছেন বলুন তো?

    কৌশিক বইটা বন্ধ করে মুখ তুলে তাকায়। এক গাল হেসে বলে, না মিস্টার দাশ, আমি কারও নম্বার খুঁজছিলাম না। আমি ডাইরেক্টরি হাতড়ে দেখছিলাম SATAKIA আর SATAPATI-র মাঝখানে কোনও এন্ট্রি আছে কি না। না, নেই!

    —তার মানে?

    —মানেটা খুব ইন্টারেস্টিং! আমার আস্তিনের তলায় বহুক্ষণ ধরে একটা তাস লুকানো আছে। সেটা তুরুপের তাস কিনা বুঝে উঠতে পারছিলাম না। এখন মনে হচ্ছে বোধহয় আমার আন্দাজটা ঠিকই। দেখা যাক চেষ্টা করে। যদি ঠিক হয়, মামু, তাহলে আপনার কাছে আমার খাওয়া পাওনা থাকল। কারণ জিনিসটা আপনারা দুজনেই খুঁটিয়ে দেখেছেন। নজর করেননি। বাসু টেবিলের উপর থেকে পাইপটা তুলে নিয়ে তাতে তামাক ঠেশতে ঠেশতে বলেন : ফায়ার!

    —মিস্ বিদ্যার্থীর সেই ছোট্ট নোটবইটার কথা বলছি। যাতে অনেকগুলি নাম আর টেলিফোন নম্বার লেখা। আপনারা দুজনেও তা দেখেছেন, আমিও খুঁটিয়ে দেখেছি। একটা এন্ট্রিতে আমার কেমন যেন খটকা লাগল। ‘S’-এর ঘরে অনেকগুলি এন্ট্রি। সাহা, সরকার, সেনগুপ্ত, সৎপতি ইত্যাদি বারো-তেরটা নাম। তার মধ্যে একটি উপাধি SATAN—ওটা তার নাম, না উপাধি সেটার উল্লেখ নেই। এখন ডাইরেক্টরি ঘেঁটে দেখছি ‘সতকিয়া’ অর ‘সতপতির’ মাঝখানে SATAN উপাধিওয়ালা কোনও লোকের টেলিফোন নেই। আমার আন্দাজ : এটা নাম নয়, ‘কোড-নাম’–ওই মদ্র ভদ্রলোকের টেলিফোন নম্বারটা মিস্ বিদ্যার্থী এভাবে খাতায় লিখে রেখেছে।

    বাসু বললেন, গুড-ওয়ার্ক! হতে পারে। রীতার জীবনে লোকটা শয়তান; সে এমন কোনও তথ্য জানে যেটা রীতা গোপন রাখতে চায়—তাই ছদ্মনামে টেলিফোন নম্বরটা লিখে রেখেছে। নিখিল, তুমি এক কাজ কর। পরোটা ভাজা থাক। তুমি কাকলিকে একটু ডাক।

    উপায় নেই, কম্বাইন্ড-হ্যান্ডকে গ্যাস-স্টোভের দায়িত্ব দিয়ে কাকলিকে এঘরে আসতে হলো।

    বাসু তাকে ব্যাপারটা বুঝিয়ে বললেন। কাকলিকে কী করতে হবে তাও বললেন, লোকটার সঙ্গে একটা অ্যাপয়েন্টমেন্ট কর রাত আটটায়। তুমি রীতা বিদ্যার্থী হিসাবে কথা বলবে। হিন্দিতে নয়, ইংরেজিতে। তোমার হিন্দি চোস্ত নয়; ধরা পড়ে যাবার চান্স। বেশি কথা বল না। লোকটা তোমার কণ্ঠস্বরে যেন সন্দেহ না করে। অবশ্য এটাই যে সেই লোকটা তা আমরা নিশ্চিত জানি না। উই আর জাস্ট টেকিং আ ওয়াইল্ড চান্স। নাও। তুলে নাও টেলিফোনটা; দেখি তুমি কেমন অভিনয় করতে পার।

    কাকলি টেলিফোনটা ক্র্যাডল থেকে তুলে নিল। এক্সটেনশন লাইনে বাসু কান পাতলেন। ‘SATAN’–এর নম্বারে কাকলি ডায়াল করল। বার তিন-চার রিঙিং টোন—তারপরই কে যেন বলল, হ্যালো?

    কাকলি ইংরেজিতে বললে, আমি রীতা বলছি, রীতা বিদ্যার্থী…

    ও-প্রান্তবাসী হিন্দিতে প্রশ্ন করল, ইয়েস! কাকে খুঁজছেন?

    কাকলি একটু ইতস্তত করে বলল, নামটা টেলিফোনে বলায় অসুবিধা আছে। বুঝেছি, আপনি নন। আয়াম সরি…

    ও-প্রান্ত থেকে লোকটা বলল, না, না, আমিই! তোমার গলার আওয়াজটা প্রথমে ঠিক বুঝতে পারিনি।

    কাকলি জোর দিয়ে বললে, না! আপনি নন! আপনার গলার আওয়াজ শুনে আমিও বুঝতে পেরেছি—আপনি সে লোক নন।

    লোকটা এবার ইংরেজিতে বললে, প্লিজ ডোন্ট কাট্ অফ্। মিস্ রীতা,… মিস্ রীতা…

    কাকলি বিনাবাক্যব্যয়ে ক্র্যাডাল-এ টেলিফোনটা রেখে দিল। বাসু বললেন, এক্সেলেন্ট!

    লাইনটা কেটে দিয়েই তিনি আবার কী একটা নম্বরে ডায়াল করতে থাকেন। ও-প্রান্তে বার দুই-তিন রিঙিং টোনের পর কে যেন রিসিভারটা তুলে নিয়ে বলল, দিস্ ইজ শকুন্তলা রয়…

    বাসু বললেন, লুক হিয়ার শকুন্তলা! আমি পি. কে. বাসু বলছি। ইন্সপেক্টার দাশের সঙ্গে সকালবেলা তোমার বাড়ি গেছিলাম। তুমি চিনতে পারছ আমাকে?

    –ইয়েস। বলুন, স্যার!

    —ঐ মদ্র ব্ল্যাকমেলারটার সন্ধান বোধহয় আমরা পেয়েছি। তার সঙ্গে এই মাত্র আমার এক মহিলা-সহকর্মী রীতা বিদ্যার্থী সেজে টেলিফোনে কথা বলে হঠাৎ লাইন কেটে দিয়েছে। সম্ভবত পাঁচ মিনিটের মধ্যেই সে তোমাকে ফোন করবে। হয় সে এখনো জানে না, অথবা বোঝাতে চাইছে যে, সে জানে না—বিদ্যার্থী আজ সকালে মারা গেছে। লোকটা যদি এখনি ফোন করে তুমি তার নাম জানতে চাইবে। ও তোমাকে কোনোদিনই নিজের নাম জানায়নি এ-কথা বলেছিলে তুমি। আজও জানাবে না নিশ্চয়। সেক্ষেত্রে তুমি রূঢ় ভাষায় বলবে, ‘নাম- না-জানলে রীতাকে ডেকে দিতে পারব না। সরি! প্লিজ ডোন্ট ডিস্টার্ব মি এগেন’ বলে লাইন কেটে দেবে। এবং তৎক্ষণাৎ আমাকে এই নম্বারে ফোন করবে। নম্বরটা লিখে নাও—

    নিখিলের নম্বরটা জানিয়ে বাসু-সাহেব লাইন কেটে দিলেন। কৌশিকের দিকে ফিরে বললেন, ইয়েস মিস্টার গুরু-মারা-চেলা! তোমার একটা ফাইভ-কোর্স ডিনার পাওনা হয়েছে। নাইন্টি-সেভেন পার্সেন্ট চান্স তুমি বুল্‌স্‌-আই হিট করেছ। লোকটার উচ্চারণ বিন্ধ্যাচলের দক্ষিণাঞ্চলের। কাকলিও দুর্দান্ত অ্যাকটিং করেছে। ‘অফেন্স ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স’! লোকটা যেই বলেছে, তোমার কণ্ঠস্বর ঠিক চিনতে পারিনি, অমনি কাকলিও একই ভাষায় রুখে উটেছে. আমার বিশ্বাস, নাইন্টি-ফাইভ পার্সেন্ট চান্স লোকটা রিং-ব্যাক করবে!

    কৌশিক গোবেচারির মতো জানতে চায়, বেমক্কা দু’পার্সেন্ট কমে গেল কেন, মামু?

    নিখিল তাড়াতাড়ি প্রসঙ্গটা বদলে নিতে বললে, আমি আপনার সঙ্গে একমত! দুটো সম্ভাবনা। আইদার ওই লোকটাই খুন করেছে; সেক্ষেত্রে সে রীতার বাড়িতে রিং-ব্যাক করবে একথা প্রমাণ করতে যে, সে জানে না, রীতা মারা গেছে। অথবা লোকটা খুন করেনি; সেক্ষেত্রেও সে যাচাই করতে চাইবে রীতা বিদ্যার্থী কী বলতে চায়। কেষ্টার-মায়ের জবানবন্দি থেকে মনে হয়েছিল, লোকটা মাস-মাস টাকা আদায়ের বদলে একটা থওকা-টাকায় ফয়শালা করতে চেয়েছিল। সেটা পেতে হয়তো ব্ল্যাকমেলার এখনি রিং-ব্যাক করবে।

    কাকলি জানতে চায়, আমার কাজ হয়ে গেছে তো? ছুটি?

    বাসু বলেন, ও মা! ছুটি কি গো? পেটে ইঁদুরে ডন মারছে, আর তুমি ছুটি চাইছ?

    কাকলি ধমকে ওঠে, বেশ লোক বাপু আপনারা! রান্না ফেলে ছুটে এলাম, এখন আমাকেই দোষ দিচ্ছেন!

    কাকলি ফিরে গেল তার রান্নাঘরে।

    বাসু-সাহেব টেলিফোনটা তুলে নিয়ে কী একটা নম্বর ডায়াল করতে থাকেন। দু’একবার রিঙিং টোনের পরেই মেয়েলি কণ্ঠে কে যেন বললে, হ্যালো?

    বাসু জানতে চান, অশোক আছে? অশোক মুখুজ্জে?

    মেয়েটি বলে, না, ও তো বাড়িতে নেই!

    বাসু ধম্‌কে ওঠেন, কেন নেই? কাজের সময় সে বাড়িতে থাকে না কেন?

    ও-প্রান্তবাসিনী বলে, সহজ কারণে বাসু-মামু। হেতুটা এই : ও এখনো রিটায়ার করেনি। আজ সোমবার। উইক ডে’জ-এ দুপুরবেলা…

    ওকে মাঝপথে থামিয়ে বাসু বলেন, বুঝেছি, বুঝেছি! ভারতী বলছ তো? তা তোমার কর্তাটিকে কি অফিসে পাব, না ট্যুরে গেছে?

    —না, কলকাতাতেই আছে। একটু আগে আমার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছে। অফিসের নম্বারটা জানেন তো?

    —জানি! ধন্যবাদ।

    লাইন কেটে দিয়ে নতুন করে ডায়াল করতে করতে নিখিলকে বলেন, অশোক হচ্ছে পূর্বাঞ্চলের চীফ এঞ্জিনিয়ার—টেলিকম ডিপার্টমেন্টের। ভারী ভাল ছেলে। নানা ব্যাপারে আমাকে সাহায্য করে।

    অশোক মুখার্জি, অর্থাৎ টেলিকম ডিপার্টনেন্টেই পূর্বভারতের চীফ এঞ্জিনিয়ারকে অফিসেই পাওয়া গেল। বাসু-সাহেব তাকে একটি টেলিফোন নম্বর দিয়ে বললেন, এই নম্বরটা কার এবং কোন ঠিকানায় তা একটু দেখে দিতে হবে। জানি, তুমি ব্যস্ত মানুষ, কিন্তু তোমার ডিপার্টমেন্টে সবাই নিশ্চয় ব্যস্ত নয়। সেই মেয়েটি কোথায়? কী যেন নাম, হ্যাঁ মনে পড়েছে, অপর্ণা দেব। ভারী কাজের মেয়ে। ‘করেঙ্গে ইয়ে মরেঙ্গে’ টাইপ। তাকে বল, এটা খুঁজে বার করে আমার এই নাম্বারে রিং-ব্যাক করতে—

    অশোক বলে, অপর্ণা দেব-এর নাম আপনার মনে আছে, মামু?

    —থাকবে না? কী দক্ষতার সঙ্গে সেবার (পশ্য : ন্যায়নিষ্ঠ ন্যাসনাশীর কাঁটা) খুঁজে দিয়েছিল সেই ক্রিমিনালটার নাম-ঠিকানা, যার টেলিফোনের শেষ চারটে সংখ্যা ছিল 1836!

    —আশ্চর্য! নম্বরটাও মুখস্ত আছে?

    —তুমি ভুলে গেছ, অশোক। নম্বরটা কষ্ট করে মনে রাখতে হয় না। ওটা ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের জন্মবৎসর!

    —ও হ্যাঁ, হ্যাঁ, মনে পড়েছে। ঠিক আছে, আধঘণ্টার মধ্যেই আপনাকে রিং-ব্যাক করছি। আপনি ওই নম্বরে আধঘণ্টা আছেন তো?

    —আছি।

    —তাহলে আধঘণ্টার মধ্যেই ক্রিমিনালটার নাম-ঠিকানা পেয়ে যাবেন।

    বাসু বলেন, ক্রিমিনাল? লোকটা যে ক্রিমিনাল তা কেমন করে বুঝলে?

    —সহজেই! আমার স্বনামধন্য পূজ্যপাদ বাসু-মামু শুধু ক্রিমিনালদেরই তত্ত্ব-তালাশ নিয়ে থাকেন! এই কারণে!

    —অ! তাই বুঝি? সেক্ষেত্রে আজ বাড়ি ফিরে গিন্নিকে বল, ‘আজ দুপুরে হঠাৎ বাসু-মামু ফোন করেছিলেন।’ ভারতী ন্যাচারালি জানতে চাইবে, ‘কেন?” তখন তোমার ওই সহজ সমাধানটা তাকে শুনিয়ে দিও—আমার স্বনামধন্য পূজ্যপাদ বাসু-মামু শুধু ক্রিমিনালদের তত্ত্ব- তালাশই নিয়ে থাকেন যে!’

    অশোক হো-হো করে হেসে ওঠে। বলে, আপনার সঙ্গে তর্ক-করা বৃথা—

    —তাহলে অহেতুক বৃথা তর্ক কর কেন?—বলে লাইনটা কেটে দেন।

    ক্র্যাডেলে টেলিফোনটা রাখা মাত্র সেটা ঝন্ ঝন্ করে বেজে উঠল। আবার যন্ত্রটা তুলে নিখিলের নম্বরটা ঘোষণা করলেন। ওপক্ষের বক্তা বললে, স্টিার দাশকে একটু ডেকে দেবেন? বলুন, মটোর ভেহিক্লস্ থেকে সেনগুপ্ত ফোন করছে।

    বাসু নিখিলের দিকে তাকাতেই সে কর্ডলেস ফোনটা তুলে নিয়ে সুইট টিপে দিল। ও-প্রান্ত থেকে সেনগুপ্ত বললে, আপনি যে গাড়ির নম্বরটা দিয়েছেন সেটা একটা অ্যাম্বাসাডারের। সাদা রঙ। এইট্টি ফাইভ মডেলের ইঞ্জিন। মালিকের নাম যশোবন্ত সিং। সম্ভবত পাঞ্জাবী শিখ। তার বাড়ির নম্বর বলব?

    নিখিল টেলিফোনে বললে, একটু ধরতো, সেনগুপ্ত। আর একটা টেলিফোন বাজতে শুরু করেছে। সেটাকে থামাই…

    বলে টেলিফোনের মাউথ-পিসে হাত-চাপা দিয়ে বাসু-সাহেবকে জিজ্ঞেস করে, যশোবন্ত সিং-এর নাম-ঠিকানা—

    কথাটা ওকে শেষ করতে দিলেন না বাসু। বললেন, পণ্ডশ্রম! গাড়িটা ফিয়াট। কালো রঙ। বেটা ব্ল্যাকমেলিং করতে যাবার সময় নম্বরপ্লেটটা বদলে নিয়ে অপারেশনে যায়। প্রফেশনাল ব্লাকমেলার! ধরা-ছোঁওয়ার বাইরে থাকতে চায়!

    নিখিল এবার সেনগুপ্তকে জানিয়ে দেয়—যশোবন্ত সিং-রে নাম-ঠিকানায় তার প্রয়োজন নেই।

    কাকলি এসে বলে, খানা তৈয়ার। খানা-কামরামে পাধারিয়ে।

    ওঁরা চারজনে চলে আসেন সংগগ্ন খানা-কামরায়। নিখিল তার কর্ডলেস ফোনটা রেখে দিল পাশেই। শুধু দো-পোঁয়াজি নয়, একটা নিরামিষ তরকারি আর নারকোল দেওয়া ছোলার ডালও দিল ওই সঙ্গে। তাছাড়া রায়তা এবং দোকান-থেকে-আনা মিষ্টি দই। মধ্যাহ্ন আহার যখন মধ্যগগন অতিক্রম করছে, তখন আবার বেজে উঠল টেলিফোন। এবার হতাশাব্যঞ্জক কিছু নয়। সল্ট লেক থেকে শকুন্তলা রায় টেলিফোন করে জানালো–মদ্রসাহেব ফোন করে রীতার সন্ধান করেছে। শকুন্তলা ওঁর নির্দেশমতো লোকটার নাম জানতে চায়। লোকটা বলে, ‘এক্সকিউজ মি ম্যাডাম! প্রয়োজনটা আমার নয়, রীতা দেবীর। একটু আগেই তিনি কী একটা দরকারে আমাকে টেলিফোন করেছিলেন। কথাবার্তা বলতে বলতে যান্ত্রিক গোলযোগে লাইনটা কেটে যায়। কাইন্ডলি মিস বিদ্যার্থীকে একবার ডেকে দিন। আপনি তো মিস্ শকুন্তলা দেবী? তাই না?’ জবাবে শকুন্তলা কড়া ধমক দেয়। আবার বিরক্ত করতে নিষেধ করে টেলিফোনটা নামিয়ে রাখে। লোকটা আর ফোন করেনি। বাসু ধন্যবাদ জানিয়ে লাইনটা কেটে দিলেন।

    কৌশিক বললে, ওয়ান উইকেট ডাউন! মদ্র লোকটা কট-বিহাইন্ড হয়েছে। তার টেলিফোন নম্বরটা অন্তত জানতে পেরেছি আমরা।

    বাসু বললেন, না। কট-বিহাইন্ড নয়। কট অ্যান্ড বোল্ড বাই সুকৌশলী! চিন্তা কর না, নাইন্টি-টু পার্সেন্ট চান্স লাঞ্চ শেষ হওয়ার আগেই দ্বিতীয় উইকেট পড়বে। এবার ক্লিন বোল্ড অপর্ণার গুগলিতে!

    বাসুর কথা অক্ষরে অক্ষরে ফলে গেল। লাঞ্চ শেষ হবার আগেই অশোক মুখার্জি ফোন করে জানালো, সন্ত-মহারাজের নাম এস. স্বামীনাথন! বাগবাজার স্ট্রিটের ঠিকানাটাও দিতে পারল। বাসু ধন্যবাদ দিয়ে জানতে চাইলেন, ‘সন্ত-মহারাজ’ বলছ কেন?

    অশোক জবাবে বললে, আমার স্বনামধন্য পূজ্যপাদ বাসু-মামু যে শুধু সাধুসন্তদের তত্ত্বতালাশ নিয়ে থাকেন তা আপনি জানেন না?

    বাসু বললেন, দ্যাসে আ গুড পিস অব রেইলারি (raillery)।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article রূপমঞ্জরী – ৩য় খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }