Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প522 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সকল কাঁটা ধন্য করে – ৭

    সাত

    ষোলই নভেম্বর, বুধবার, সকাল।

    প্রাতরাশে বসেছেন ওঁরা তিনজন। হ্যাঁ, তিনজনই। সুজাতা বাদে। কারণ কাল সন্ধ্যাবেলায় সুজাতাকে পরীক্ষা করে ‘গাইনো’ পরামর্শ দিয়েছেন তাকে নার্সিংহোমে ভর্তি করে দিতে। বেশি বয়সে প্রথম সন্তান হচ্ছে তো। তাই এই বিশেষ সাবধানতা। হয়তো শেখ পর্যন্ত সিজারিয়ানই করতে হবে।

    বাসু বিনা-মাখন টোস্টে অভ্যাসবশে ছুরিটা বোলাতে বোলাতে বললেন, সিজারিয়ান আজকাল জলভাত। এ তো আর সীজার অথবা ম্যাকডাফের আমল নয়!

    কৌশিকের মাখন-আহারে ডাক্তারের বারণ নেই। সে যেন বাসু-সাহেবকে দেখিয়ে দেখিয়ে টোস্টে মাখনের মোলায়েম প্রলেপ লাগাচ্ছিল। জানতে চায়, জুলিয়াস সীজারকে চিনি, কিন্তু ম্যাকডাফটি কে?

    বাসু ওর ওই দেখিয়ে-দেখিয়ে মাখন মাখানোর কায়দায় বোধহয় চটে ছিলেন। বললেন, সেটা জুলিয়াস সীজারের সৌভাগ্য আর সেক্ষপীয়রের দুর্ভাগ্য।

    ঠিক তখনই বেজে উঠল টেলিফোনটা। যথারীতি বিশে সেটা তুলে নিয়ে শুনল। রাসু – সাহেবের দিকে যন্ত্রটা বাড়িয়ে ধরে বললে, আপনের। হোমিসাইড অফিস থেকে দাশ-সাহেব বলতেছেন।

    বাসু বলেন, হোমিসাইড? সেটা আবার কী?

    এক গাল হেসে বিশে বলে, আমি জানি। যে অফিসে সবাই শুধু খুনোখুনি করে।

    এঁরা তিনজনেই হেসে ওঠেন।

    নিখিল টেলিফোনে জানায় সাম্প্রতিকতম সংবাদ। অনেকটা অগ্রসর হওয়া গেছে। যদিও সমাধানের কোনও ইঙ্গিতই পাওয়া যাচ্ছে না।

    প্রথম কথা : ব্যালাস্টিক এক্সপার্ট ইতিমধ্যে কম্পারেটিভ মাইক্রোস্কোপে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়েছেন মৃত্যুবাহী বুলেটটি রীতার নিজস্ব পিস্তল থেকেই নিক্ষিপ্ত। দ্বিতীয়ত, ব্যাঙ্গালোরে ফ্যাক্স করে জানা গেছে : রীতা বিদ্যার্থীর পিতৃপরিচয় নেই। বস্তুত ফুটপাতের একান্তে সদ্যোজাত অবস্থায় ফুটফুটে মেয়েটিকে আবিষ্কার করে শহরের কোনো এক মানুষ তাকে পুলিশের হেপাজতে জমা দেয়। পরে একটি মিশনারী প্রতিষ্ঠানে রীতা অনাথা হিসাবে মানুষ হয়। তারাই ওকে স্কুলে পড়ায়। স্কুল ফাইনাল পাস করে রীতা কর্ণাটকের বাইরে চলে আসে। তখনও সে মিশনারী সোসাইটি থেকে আর্থিক সাহায্য পেত। পরে গ্র্যাজুয়েট হয়ে একটি বড় কোম্পানিতে রিসেপশনিস্টের চাকরি পায়। ব্যাঙ্গালোরের গোয়েন্দা দপ্তর তার বর্তমান ঠিকানা জানে না। নিখিল জানালো, সে আর একবার ওই করুণাময়ী অঞ্চলের বাড়িটায় যাচ্ছে। বাসু-সাহেব কি ওকে সঙ্গ দেবেন?

    বাসু জানতে চান, আজ তুমি আবার কেন যাচ্ছ, বল তো?

    নিখিল টেলিফোনে বলে, কাল যে প্রশ্নটা মিস্ রায়কে করিনি, আজ সেটাই করে দেখতে চাই, সে কী বলে!

    —কালই বা সেটা জানতে চাওনি কেন?

    –যে কারণে আপনিও তাকে প্রশ্নটা করেননি, সেই একই কারণে। শকুন্তলা রায়কে সন্দেহ তালিকার বাইরে রাখা যাচ্ছিল না। তাই আপনিও তার কাছে জানতে চাননি, রীতা লে-হ্যান্ডার ছিল কি না। তাই না?

    বাসু বললেন, তুমি আমাকে পিক্‌-আপ করে নিয়ে যেও। বিশেষ কারণে কৌশিককে আজ নিয়ে যাওয়া যাবে না। গাড়িটাও তার হেপাজতে থাকবে।

    —বিশেষ কারণে?

    —হ্যাঁ। কাল গাইনো সুজাতাকে নার্সিংহোমে ভর্তি করে নিয়েছেন। হয়তো অ্যাডভান্স ডেলিভারি হবে।

    —আই সী। ঠিক আছে, স্যার, আমি আধঘন্টার মধ্যেই আসছি।

    বাসু-সাহেব তৈরি হয়ে নিলেন। নিখিল আধঘন্টার মধ্যেই এসে পৌঁছাল। রানী দেবী ওর কাছে জানতে চাইলেন, ব্রেকফাস্ট করে এসেছ তো, নিখিল?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ। কিন্তু তাহলেও আমি আর এক কাপ কফি খাব। কিছুটা আলোচনা করার আছে—সল্ট লেকে যাত্রা করার আগে।

    অগত্যা বিশে আবার গেল কফি বানাতে।

    নিখিল বলে, আপনি কি এখনো কোনো সমাধানের ইঙ্গিত পাচ্ছেন না স্যার?

    বাসু বললেন, তুমি তো জানই, আমি নিজের মতো চিন্তা করে চলি। সম্পূর্ণ সমাধানের নাগাল পাওয়ার আগে মুখ খুলি না। আমার মনে একটা সমাধান এসেছে, কিন্তু জিগ্‌গ্স-পা- এ এখনো আছে দু’একটা মিসিং-পিস্। তুমি বরং গুছিয়ে বল—তোমার কী কী সম্ভাবনার কথা মনে হচ্ছে।

    নিখিল বলে, তিনটি বিকল্প সমাধান। কিন্তু প্রত্যেকটিতেই কিছু-না-কিছু প্রশ্নের জবাব নেই। অর্থাৎ একটাও সবসমস্যার সমাধানসম্পন্ন নয়।

    —একে একে বলে যাও।

    —প্রথম সমাধান : আত্মহত্যা। তাহলে তার আগে প্রতিষ্ঠা হওয়া দরকার যে, রীতা বিদ্যার্থী ‘লেফট্-হ্যান্ডার’ ছিল। সে যদি বাঁ-হাতে লিখত, বাঁ-হাতে তালার চাবি খুলত, আক্রান্ত হলে প্রতিবর্তী-প্রেরণায় বাঁ-হাতটাই বাড়িয়ে দিত আত্মরক্ষার জন্য—তাহলে ধরে নিতে হবে যে সে বাঁ-হাতে নিজের প্রাণ নিয়েছে। মোটিভটা তো এতক্ষণে খুঁজে পেয়েছি আমরা : রীতা বাস্টার্ড! খানদানি ঘরের সুপাত্র রবিন মাইতির জীবনসঙ্গিনী সে কোনোদিনই হতে পারবে না। হলে ওই ব্ল্যাকমেলার তাকে সারা জীবন শোষণ করে যাবে! সে এক নরকযন্ত্রণা! তাই উত্তেজনার মুহূর্তে নির্জন বাড়িতে সে আত্মহত্যা করে বসেছে। কিন্তু সে-ক্ষেত্রে পিস্তলটা ওর ডান হাতে চলে এল কী করে? তাছাড়া ঐ কাফ-লিংকটা আর চুরুটের স্ট্যাম্প-এর অস্তিত্বটাও ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না। ফলে এ ব্যাখ্যা সম্পূর্ণ সন্তোষজনক নয়। দ্বিতীয় সম্ভাবনা : পান্ডুরঙ মিছে কথা বলেছে। সে দ্বিতলে উঠে এসেছিল। বৈঠকখানায় নয়, দ্বিতলেই ওরা কথাবার্তা বলেছিল, কেষ্টার-মা চলে যাবার পরে

    কৌশিক বাধা দিয়ে বলে, সেটা একটু কষ্টকল্পনা হয়ে যাচ্ছে না? কেষ্টার মায়ের উপস্থিতিতে দুজনে বাইরের ঘরে বসে কথা বলল, আর তারপর রীতা ওই ব্ল্যাকমেলারটাকে তার শয়নকক্ষে দ্বিতলে নিয়ে যাবে?

    নিখিল বলে, ঘটনাটা যদি এই রকম হয় : কেষ্টার-মা চলে যাবার পর পান্ডুরঙ তাগাদা দেয়—আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে, টাকাটা দাও।’ হয়তো তখন রীতা দ্বিতলে তার শয়নকক্ষে উঠে যায়—আলমারির থেকে টাকাটা বার করে আনতে। পান্ডুরঙ গোপনে তাকে অনুসরণ করে। তারপর ধরা যাক, মেয়েটি যখন স্টিল-আলমারিটা খুলছে তখন পান্ডুরঙ ঠিক ওর পিছনে চুপিসাড়ে এসে দাঁড়িয়েছে। হয়তো রীতা বলেছিল, এ কী? আপনি উপরের ঘরে এসেছেন কেন? আর তখনই পান্ডুরঙ ওকে জড়িয়ে ধরে। এমনটা কি হতে পারে না?

    কৌশিক জানতে চায়, অটোপ্সি-সার্জেন কি এ বিষয়ে…

    —না, বলেননি। শী ওয়াজ নট রেপড বিফোর হার ডেথ!

    বাসু বলেন, ঠিক আছে। তুমি তোমার গল্পটা শেষ কর। এ পর্যন্ত তুমি যা বলেছ তার মধ্যে ‘ফ্যালাসি’ কিছু নেই। এমনটা বাস্তবে ঘটে থাকতে পারে।

    নিখিল উৎসাহিত হয়ে বলে, ধরুন সে সময় ওর মুখে ছিল জ্বলন্ত চুরুট। রীতাকে আক্রমণ করা মাত্র একটা ধস্তাধস্তি হবেই। তাতে ওর হাতের কাফ-লিংকটা ভেঙে ঝিনুকের টুকরোটা মাটিতে পড়ে যেতে পারে। চুরুটটাও মুখ থেকে মেজেতে ছিটকে পড়বে, তাই না?

    —ন্যাচরাল কনক্লুশান। বলে যাও?

    —ধরা যাক, রীতার পিস্তলটা ছিল আলমারির ভিতর। সম্ভাব্যস্থান! মেয়েটি হাত বাড়িয়ে পিস্তলটার নাগাল পেয়ে যায়। পান্ডুরঙের অবস্থা তখন কাহিল। কামাবেগ চরিতার্থ করা অথবা ব্ল্যাকমেলিং-এর টার্গেটকে বাঁচিয়ে রাখার চেয়ে নিজের প্রাণ বাঁচানোর তাগিদটা অনেক বড় হয়ে ওঠে। হাত কাড়াকাড়ি এবং ধস্তাধস্তির সময় পিস্তলটা ফায়ার হয়ে যায়! কালীপূজার রাত বলে রাস্তার ওপাশে কেষ্টার-মা বা মেজবৌ তা শুনতে পায় না। অর্থাৎ পটকার শব্দ বলে মেনে নেয়। এমনটা কি হতে পারে না? –

    কৌশিক বলে, আপনি বলতে চান, তারপর পান্ডুরঙ পিস্তলটাকে রুমাল দিয়ে মুছে রীতার মুঠিতে ধরিয়ে দেয়। সিগারটা অ্যাশট্রেতে ফেলে সব কটা দরজা-জানলা বন্ধ করে?

    নিখিল বলে, হয়তো রীতা ঘবটার তালা ঢুকে ছিল এবং চাবিটা ‘কী-হোলে’ লাগানোই ছিল। সুতরাং বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে পান্ডুরঙ নেমে আসে একতলায়। সদর দরজা খুলেই দেখতে পায় সামনের বাড়ির রোয়াকে বসে আছে দুজন। একজন ওর পরিচিত— কেষ্টার-মা! পান্ডুরঙ লোকটা প্রফেশনাল ক্রিমিনাল। তৎক্ষণাৎ পিছন ফিরে এমনভাবে কথা বলে, যাতে দূর থেকে মনে হয় যে, কপাটের আড়ালে রীতা দাঁড়িয়ে আছে। বলুন স্যার? কোথাও কোনও ‘ফ্যালাসি’ আছে? যা ব্যাখ্যা করা যায় না এমন কিছু তথ্য?

    কৌশিক বলে, আছে নিখিলবাবু। তিন-তিনটে অসঙ্গতি। প্রথম কথা, আপনার হাইপথেসিস্ অনুসারে পান্ডুরঙ একজন পাকা ক্রিমিনাল। সে জানলায় ছিটকিনি দিল, পিস্তলটা রুমালে মুছে নিয়ে রীতার মুঠিতে গুঁজে দিল। আলমারি বন্ধ করে চাবিটা রীতার ব্যাগে ফেলে দিল। এমনকি দরজাটা বাইরে থেকে বন্ধ করে নেমে এল চাবিটা পকেটে নিয়ে। হঠাৎ দুজন সাক্ষীকে দেখে এমন অভিনয় করল যাতে মনে হয়, রীতা দরজার কপাটের আড়ালে দাঁড়িয়ে। এমন একজন পাকা ক্রিমিনাল অ্যাশট্রেতে চুরুটটা রেখে আসবে?

    নিখিল বলে, আপনি ঠিকই বলেছেন। তবে ক্রিমিনালজিতে একটা কথা চালু আছে : ‘দেয়ার্স নেভার সামথিং অ্যাজ আ পার্ফেক্ট মার্ডার!’ কোথাও না কোথাও একটা ভুল হয়ে যায়ই। এছাড়া ও বাপারটার কোনও ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছি না। যাহোক, আর দুটো অসঙ্গতি কী কী?

    কৌশিক বলে, পান্ডুরঙের মতো পাকা ক্রিমিনালের পক্ষে স্বাভাবিক হতো—পিস্তলটা ভাল করে মুছে নিয়ে সেটাকে রুমালে জড়িয়ে রীতার আঙুলের ছাপ তুলে নিয়ে গুঁজে দেওয়া। নয় কি?

    —তা ঠিক! আর তৃতীয় অসঙ্গতি?

    –পান্ডুরঙ রীতাকে দীর্ঘদিন ধরে চেনে। সে নিশ্চয় জানে রীতা বেঁয়ো কি না। যদি প্রমাণিত হয় যে, মেয়েটি লে-হ্যান্ডার ছিল, তাহলে সে কিছুতেই ওর ডান হাতে পিস্তলটা গুঁজে দেবে না। এমনকি যদি সে রাইট-হ্যান্ডার হয়, তাহলেও সে পিস্তলটা বাঁ-হাতেই গুঁজে দিত। কারণ অমন একজন দাগী আসামী নিশ্চয় খেয়াল করত যে, ডান হাতে পিস্তল ধরে ওইভাবে বাঁ-কানের উপর ফায়ার করা ফিজিক্যালি অসম্ভব।

    বাসু বলেন, আর কোনও অলটারনেটিভ সল্যুশান?

    নিখিল একটু দম ধরে চিন্তা করে। তারপর বলে, আজ্ঞে হ্যাঁ। ওই যাকে আপনি বলেছিলেন ইটার্নাল ট্রায়াঙ্গেল’—শাশ্বত ত্রিকোণ। দুটি নারী এবং একটি পুরুষ। এ সাবধানটা মেনে নিলে কেসটা আর ‘হোমিসাইড’ পর্যায়ে থাকবে না, স্যার—হয়ে যাবে ফার্স্ট ডিগ্রি ডেলিবারেট মার্ডার! যার শাস্তি : ফাঁসি।

    কৌশিক বলে, বাই শকুন্তলা রায়?

    —অভিয়াসলি। ভদ্রেশ্বরে আমি লোক পাঠিয়ে খোঁজ নিয়েছি। কালীপূজাটা ছিল মিস্‌ শকুন্তলার নিজের মাসির বাড়ি। সেবাড়ির অনেকেই স্বীকার করেছে যে, শনিবার সন্ধ্যাবেলা সে এসেছিল। পরদিন সন্ধ্যারাত্রে শকুন্তলা ওই বাড়িতে ছিল। প্রদীপ জ্বেলেছে, বাড়ি পোড়ানো দেখেছে। তারপর কালীপূজা শুরু হয়ে যাবার পর আর তাকে কেউ দেখেছে বলে মনে করতে পারছে না। এক-একজন এক-এক রকম বলছে। ভদ্রেশ্বর থেকে হাওড়াগামী শেষ লোকালটা ছাড়ার পর কেউ তাকে দেখেছে বলে মনে করতে পারছে না। একমাত্র ব্যতিক্রম ওর নিজের মাসিমা। তিনি বলেছেন, ভোরবেলা শকুন্তলা তাঁকে প্রণাম করে ট্রেন ধরতে যায়। বাড়ির অন্য সবাই তখন সারারাত জেগে ঘুমে অচেতন। কিন্তু আমার ধারণা—মাসিমা তাঁর বোনঝিকে বাঁচাবার জন্য সজ্ঞানে ডেলিবারেট মিছে কথা বলছেন।…অর্থাৎ শকুন্তলা কখন ফিরে এসেছিল তার প্রমাণ নেই।

    কৌশিক বলে, মোটিভটা ব্যাখ্যা করা নিষ্প্রয়োজন। আপনি বলেছেন, আপনার ধারণায় শকুন্তলার চোখে অ্যাডভোকেট মাইতি ছিল স্বপ্নলোকের রাজপুত্র। মাইতি— যদিও মদ্যপ অবস্থায়—স্বীকার করেছিল, এককালে সে ঘন ঘন ওই করুণাময়ী অঞ্চলে যেত, ইলেকশানের সময় রাতের পর রাত শকুন্তলা মাইতির বাড়িতে কাজ করে গেছে। তার মায়ের স্নেহধন্যা হয়েছে। আর তারপর ঐ সোনালীচুলের দুধে-আলতা মেয়েটি ওর পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়াল। খুন যদি শকুন্তলাই করে থাকে তাহলে উদ্দেশ্যটা পরিষ্কার। আর মার্ডার ওয়েপনটার নাগাল পাওয়াও শক্ত নয় শকুন্তলার পক্ষে। স্টিল আলমারিটা তারই, ডুপ্লিকেট চাবি তার কাছে থাকার সম্ভাবনাটা প্রবল…

    নিখিল বলে, এক্ষেত্রে কিন্তু কাফ-লিংক আর চুরুটের স্টাম্প দোতলায় চলে আসার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে—

    কৌশিক বলে, শকুন্তলার কীর্তি?

    —অবভিয়াসলি! হয়তো শকুন্তলা দেবী জানতেন যে ওই মদ্রসাহেব বিকেলবেলা আসবে। হয়তো টেলিফোনে রীতার সঙ্গে পান্ডুরঙের যখন কথা হয় তখন মিস্ রায় তা শুনেছেন। সেক্ষেত্রে এমনটাও হতে পারে যে, মিস্ রায় রাত সাড়ে দশটা এগারোটার সময় অথবা সকালবেলাতেই ফিরে এসে বান্ধবীর কাছে শোনেন পান্ডুরঙ এসেছিল—

    কৌশিক বলে, কিন্তু রীতা কি নিজে থেকে সে কথা স্বীকার করবে?

    —হয়তো নিচের ঘরে অ্যাশট্রেতে পোড়া চুরুটটা দেখে, আর কাফ-লিংকের ঝিনুকের টুকরোটা ঘটনাচক্রে কুড়িয়ে পেয়ে শকুন্তলা আন্দাজ করেছিল ঠিকই। রীতাকে হত্যা করার পর খুব তাড়াতাড়ি সে কিছু এভিডেন্স সাজিয়ে দেয়। একতলা থেকে চুরুটের স্টাম্প আর কাফ-লিংকের টুকরোটা দোতলার ঘরে নিয়ে যায়। জানলাগুলো ভিতর থেকে ছিটকানি বন্ধ করে দেয়। দরজায় বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে পুলিশে ফোন করে।

    কৌশিক বলে, সেক্ষেত্রে পিস্তলটা সে রীতার ডান হাতে গুঁজে দেবে কেন?

    নিখিল বলে, একটাই সম্ভাব্য সল্যুশন : রীতা ‘লেফ্‌ট-হ্যান্ডার’ ছিল না। ফলে তার বাঁ- হাতে পিস্তলটা গুঁজে দিলে স্বতই মনে প্রশ্ন জাগবে, কেন সে বাঁ-হাতে পিস্তলটা নিয়ে বাঁ-কানে গুলি করে আত্মহত্যা করবে? তাই শকুন্তলা এটাকে ‘আত্মহত্যা’ বলে প্রতিষ্ঠা করতে চায়নি। অপরাধটা পান্ডুরঙের ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে চেয়েছে।সেই জন্যেই চুরুটের স্টাম্প আর ঝিনুকের টুকরোটা সযত্নে নিয়ে এসেছে দোতলায়!

    কৌশিক বলে, আর যদি প্রমাণিত হয় রীতা ‘লে-হ্যান্ডার’ ছিল?

    —তাহলে আবার সব গুলিয়ে যাবে। আমাদের মেনে নিতে হবে ‘আত্মহত্যা’ই সম্ভাব্য সমাধান। আর সেক্ষেত্রে ওই চুরুটের টুকরো আর ঝিনুকের টুকরোটা কী করে দোতলায় উঠে এল এ প্রশ্নটা অমীমাংসিত থেকে যাবে!

    কৌশিক তার মামুর দিকে ফিরে বলল, আপনি কী বলেন?

    বাসু উঠে দাঁড়ালেন। বললেন, আমার মতামত তো আগেই জানিয়েছি। আমাদের হাতে এভিডেন্স যা আছে তা অপ্রতুল। এখন কোনও সিদ্ধান্তেই আসা যাবে না। ইনসাফিশিয়েন্ট ডাটা।

    নিখিল বলে, আর নতুন কোনও সূত্র পাওয়া যাবে না, স্যার। যা হাতে এসেছে তাই দিয়েই…

    —না হে, আমি ওইভাবে জোড়া-তালি দেওয়া সমাধান মেনে নিতে রাজি নই। চল, সল্ট লেকে আবার যাওয়া যাক। দেখা যাক— শকুন্তলা কী বলে। রীতা কি লে-হ্যান্ডার ছিল?

    রানী ধমকে ওঠেন, অত তাড়াহুড়ো করার কী আছে? নিখিল ‘কফি খেতে চাইল না?

    -–ও, আয়াম সরি।

    বিশে কফির ট্রে নিয়ে ঠিক তখনই ঢুকল ঘরে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article রূপমঞ্জরী – ৩য় খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }