Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প522 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সকল কাঁটা ধন্য করে – ৮

    আট

    কলবেল-এর আওয়াজ শুনে কেষ্টার-মা দরজা খুলে দিল। বলল, অ! আপনেরা! আমি বলি অ্যাত্তসকালে কে এল জ্বালাতে…

    নিখিল জানতে চায়, তোমার বড়দিমণি আছেন?

    —আছেন। এখন তো ইস্কুলের ছুটি গো। আসেন, বসেন। আমি খপর দিই।

    বাসু আর নিখিল গিয়ে বসলেন বৈঠকখানায়। একটু পরে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে এল শকুন্তলা। হাতে তার সেদিনের সংবাদপত্র। বোধকরি শয়নকক্ষে সেটাই পড়েছিল এতক্ষণ। ভাঁজ করে সেন্টার-টেবিলের নিচের তাকে সেটাকে রেখে দিয়ে বসে। হাত তুলে নমস্কার করে বলে, কোনও হদিস হলো? কেন রীতা এভাবে আত্মহত্যা করল?

    নিখিল বলে, বলছি। সব কথাই আজ খুলে বলব। তার আগে দু’একটা তথ্য জানাই, এবং জেনে নিই। যে মদ্রদেশীয় লোকটির গাড়ির নম্বর আপনি লিখে রেখেছিলেন তার সন্ধান পাওয়া গেছে। অনুমান করবার যথেষ্ট কারণ আছে যে, লোকটা মাস-মাস রীতা দেবীর কাছ থেকে ‘ব্ল্যাকমেল’-এর টাকা আদায় করতে আসত।

    শকুন্তলার ভ্রূকুঞ্চন হলো। বললে, ব্ল্যাকমেইল! কী ব্যাপারে? রীতার মতো শান্ত স্বভাবের মেয়ে কোনো অপরাধ করে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে এটা বিশ্বাসই হয় না।

    নিখিল বলে, সেইটাই আমার প্রথম প্রশ্ন, মিস্ রায়। আপনি রীতা দেবীকে কিশোরী বয়স থেকে চেনেন। পারলে, আপনিই পারবেন ওর অতীত জীবনের কিছু সন্ধান দিতে। রীতা বিদ্যার্থীর জীবনে এমন কিছু অতীত ঘটনা থাকতে পারে কি—যার জন্য ওকে ব্ল্যাকমেইল করা যায়?

    আমি শকুন্তলা তার ম্যানিকিওর-করা নখের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে বলল, নিশ্চিতভাবে জানি না, রীতার সঙ্গে এ বিষয়ে কখনো আমার কোনো কথাবার্তা হয়নি—কিন্তু স্কুলে একটা গুজব শুনেছিলাম—সত্যমিথ্যা জানি না…

    —থেমে গেলেন কেন? বলুন?

    —দু’একজন বলেছিল, রীতা…মানে… বাস্টার্ড!

    —বাস্টার্ড? মানে ওর জন্মের আগে ওর বাবা-মায়ের বিবাহ হয়নি?

    —না, স্যার। সে অর্থে নয়। ওর মা ছিলেন সম্ভবত কর্ণাটকী মহিলা। সম্ভবত তাঁকে একজন অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান ‘রেপ’ করে। লোকটা পালিয়ে যায়। সন্তান জন্মের পর ওর মা ওকে আঁস্তাকুড়ে ফেলে দেয়। পথচলতি মানুষ ওকে কুড়িয়ে পায়—থানায় জমা দেয়, হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে একটি মিশনারী প্রতিষ্ঠান ওর দায়িত্ব নেয়।…আই রিপীট, স্যার, এটা একেবারে শোনা কথা—গুজব মাত্র। এ নিয়ে রীতার সঙ্গে আমার কোনোদিন কথা হয়নি, অর্থাৎ রীতা আমার কাছে কোনোদিন সেকথা স্বীকার করেনি।

    নিখিল বলে, “যা রটে তার কিছুটা বটে।’ এটা সত্য হলে বাকি ঘটনা পরস্পরার একটা অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়।

    —কী ঘটনা পরম্পরা?

    —ঐ মাদ্রাজী লোকটি এই তথ্য জানত। রীতার ওই বংশ-পরিচয়টা জানাজানি হলে সমাজে তার অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে। অ্যাডভোকেট মাইতির মতো খানদানি ঘরে তার স্থান হতে পারে না। ফলে, পান্ডুরঙ তথ্যটা গোপন রাখার শর্তে ওর কাছে মাসে-মাসে…

    শকুন্তলা বাধা দিয়ে বলে, লোকটার নাম পান্ডুরঙ? তার সন্ধান পেয়েছেন?

    –পেয়েছি। লোকটা সম্ভবত স্বভাবক্রিমিনাল। সে যে ব্র্যান্ডের চুরুট খায় সেই ব্র্যান্ডের চুরুট আমরা পেয়েছি রীতার ঘরে। তাছাড়া এই জিনিসটা দেখুন। এটা কী বলে মনে হয়?

    শকুন্তলা ঝিনুকের টুকরোটা নেড়ে চেড়ে দেখল। বলল, মনে হয় ঝিনুকের কানের দুলের অংশ। এমন দুল অবশ্য আমারও নেই, রীতারও ছিল না। কোথায় পেলেন ওটা?

    নিখিল বললে, না, মিস্ রায়, এটা মেয়েদের দুল থেকে খসে পড়েনি। পড়েছে পুরুষমানুষের ফুলস্লিভ শার্টের কাফ-লিংক থেকে। ঐ পান্ডুরঙেরই আস্তিন থেকে খসে পড়া। আর এটা আবিষ্কৃত হয়েছে রীতা দেবীর শোবার ঘর থেকে….

    —তার মানে কি…তার মানে কি…

    —হ্যাঁ, তাই। রীতা বিদ্যার্থী আত্মহত্যা করেনি। দিস্ ইজ এ কেস অব মার্ডার! শকুন্তলা বজ্রাহতা হয়ে নিস্পন্দ তাকিয়ে থাকে। তারপর সম্বিত পেয়ে আঁচলটা তুলে মুখটা ঢাকে।

    বাসু এতক্ষণ কোনও কথা বলেননি। এবার বললেন, তুমি শান্ত হও মা! বুঝতে পারছি, তুমি এ সংবাদে কতটা শক্ড। কিন্তু তোমার বান্ধবীর হত্যাকারীকে তার প্রাপ্য শাস্তিটা দিতে তুমি নিশ্চয় পুলিসকে সাহায্য করবে?

    শকুন্তলা মুখ মুছে জানতে চাইল, সেই মাদ্রাজী শয়তানটা এখন কোথায়?

    —হাজতে। তাকে মার্ডার-চার্জে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    শকুন্তলা কোনও জবাব দিল না।

    নিখিল বলে, লোকটা স্বীকার করেছে যে, কালীপূজার দিন সন্ধ্যায় সে রীতার কাছ থেকে নগদে পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছে। কিন্তু তার বক্তব্য হচ্ছে, সে টাকা ও নিয়েছে ‘চিট ফ্যান্ডের’ ইন্সটলমেন্ট হিসাবে। ব্ল্যাকমেলিং বাবদ নয়।

    শকুন্তলা অবাক হলো। বলল, চিট ফান্ড? রীতা তো কখনো আমাকে তা বলেনি। ওর হাতে প্রায়ই টাকা থাকত না। মাঝে মাঝে আমার কাছে ধার নিত, আবার পরের মাসে মাইনে পেলে শোধ করেও দিত। সে কোনও ‘চিট ফান্ডে মাসে মাসে ডিপজিট করত এটা আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না। আর যদি তাই করতে চায় তাহলে ‘অ্যাকাউন্ট-পেয়ী’চেকে কেন নয়? লোকটা নিঃসন্দেহে ব্ল্যাকমেলার। পাক্কা শয়তান!

    —আমারও তাই বিশ্বাস। তবু আপনার উপস্থিতিতে আমি ঐ আলমারিটা আর একবার খুলব। খুঁজে দেখব, ওই চেন্নাইয়ের কোনও চিট ফান্ডের সার্টিফিকেট বা রসিদ পাওয়া যায় কি না। গতবার সে উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা তো আলমারিটা সার্চ করিনি।

    শকুন্তলা বললে, চাবি দিচ্ছি। আপনারা খুঁজে দেখুন। তবে, প্লিজ আমাকে রেহাই দিন। ওই ঘরে আমি এখনো যাইনি। যেতে পারছি না। আরও দু চারদিন না গেলে….

    —কিন্তু আপনার অসাক্ষাতে কেমন করে আমরা আলমারি খুলে…

    বাধা দিয়ে শকুন্তলা বলল, অলরাইট। আমি কেষ্টার-মাকে আবার আপনাদের সঙ্গে পাঠিয়ে দিচ্ছি। সে আমার প্রতিনিধি। এভাবেই আইনটাকে বাঁচিয়ে আমাকে রেহাই দিন, প্লিজ। নিখিল রাজি হলো। উঠে দাঁড়াল। চলতে গিয়ে হঠাৎ ফিরে এসে বলল, আর একটা প্রশ্ন মিস্ রায় : রীতা কি ‘লে-হ্যান্ডার’ ছিল?

    —লেফট-হ্যান্ডার? মানে—ওই যারা বাঁ-হাতে লেখে?

    —হ্যাঁ, তাই। আপনি তাকে স্কুলজীবন থেকে দেখেছেন, আপনি নিশ্চয়ই তা জানেন…

    —কেন জানব না? না, রীতা আপনার-আমার মতো ডান হাতেই লিখত। কিন্তু হঠাৎ এ-কথা কেন?

    —পিস্তলটা রীতার কোন হাতে ছিল, তা মনে নেই?

    শকুন্তলা মুখ নিচু করে চিন্তা করল। তারপর মুখ তুলে স্বীকার করল, সরি। তা আমার মনে নেই।

    —মনে নেই? মাত্র দুদিন আগেকার ঘটনাটা…

    —আয়াম এক্সট্রিমলি সরি, অফিসার। এই দুটো দিন ধরে আমি ক্রমাগত চেষ্টা করে গেছি, সেই ক্ষণিক-দেখা দৃশ্যটা ভুলে যেতে! আমার এটুকু মনে আছে : অনিমেষবাবু আর তাঁর কন্সটেব্লা মিলে দরজাটা ভেঙে ফেললেন। তিনজনেই হুড়মুড় করে ঘরে ঢুকলেন। আমিও তাঁদের পিছু পিছু…কিন্তু অনিমেষবাবু হঠাৎ আমাকে রুখে দিলেন। বললেন, ঘরের ভিতরে এলে কোনো কিছু স্পর্শ করবেন না। দূর থেকে…তা, হ্যাঁ, আমি দূর থেকেই দাঁড়িয়ে দেখেছিলাম। ঘরে আদৌ ঢুকিনি…রক্তের মধ্যে পড়ে আছে রীতা। ইনফ্যাক্ট, তার কোথায় গুলিটা লেগেছে, তার হাতে কোনো কিছু ছিল কি না, আমি কিছুই দেখিনি। আমার প্রচণ্ডভাবে গা গুলিয়ে উঠল। আগের রাত্রে ভদ্রেশ্বরে অনেক রাত করে খাওয়া-দাওয়া করেছিলাম…তারপর ঘুম হয়নি…ট্রেন জার্নি…আমার সব কিছু বমি হয়ে গেল। এরপর আমি আর দোতলায় যাইনি!

    নিখিল বলল, কেষ্টার-মাকে পাঠিয়ে দিন দোতলায়। আর আলমারির চাবিটা দিন। আসুন, স্যার-

    বাসু কিন্তু গাত্রোত্থান করলেন না। বসে বসেই বললেন, এর মধ্যে অ্যাডভোকেট মিস্টার মাইতির সঙ্গে তোমার কোনোও কথা হয়েছে? টেলিফোনে?

    শকুন্তলা তার আয়ত চোখজোড়া তুলে বললে, এসকিউজ মি স্যার, তার সঙ্গে কি রীতার মৃত্যুরহস্যের কোনও সম্পর্ক আছে?

    বাসু হেসে বললেন, সেইটাই তো জানতে চাইছিলাম!

    .

    ওঁরা দুজনে সিঁড়ি বেয়ে দ্বিতলে উঠে এলেন। পিছন-পিছন কেষ্টার মা। নিখিল এগিয়ে গিয়ে আলমারিটা খুলল। বাসু-সাহেব হঠাৎ রুখে গেলেন। কেষ্টার-মাকে বললেন, টুলের উপর উঠে ঐ ছবিটা টাঙালো কে গো? তুমি?

    বাসু-সাহেবের অঙ্গুলি নির্দেশে কেষ্টার-মা ঊর্ধ্বমুখ হলো। অবাকও হলো। বলল, অ-মা! ফটোকটা বড়দিমণি আবার টাইঙ্গে দেছে দেখছি…

    বাসু বলেন, না! তোমার ভুল হচ্ছে। বড়দিমণি তো ওই ঘটনার পর এঘরে আর আসেইনি বলল। তুমিই নিশ্চয় টাঙ্গিয়েছ!

    কেষ্টার-মা রুখে ওঠে, না! আমি টাংগাই নাই…

    বাসু আপসের চেষ্টা করেন, বেশ তো, বেশ তো! তা রাগ করছ কেন? এই ছবিটাই তো আগে ছিল ওখানে? তোমার ছোড়দিমণির ছবিটা?

    কেষ্টার মার কেমন যেন ধন্ধ লেগে গেল। বললে, ওই ফটোকটাই কি ছেল ওখানে? ওইডা ছোড়দিমণি?

    বাসু বলেন, সেটা তো তুমি বলবে কেষ্টার-মা! আমি কি আগের ছবিখানা দেকিচি? তা কী বলছ তুমি? এইটাই সেই ছবি তো?

    কেষ্টার-মা একগাল হেসে বললে, এজ্ঞে! পেরথমটায় কেমন যান ধন্দ ধরি গেল! মনে হতি ছিল, এডা ছোড়দিমণি লয়। তার যমজ বোনের ফটোক!

    —এখনো তাই মনে হচ্ছে?

    দুদিকে মাথা নেড়ে কেষ্টার মা বললে, না! এডাই সেডা!

    নিখিল ও-পাশ থেকে প্রশ্ন করে, কী কথা হচ্ছে আপনাদের?

    বাসু বললেন, ওই দেখ! রীতা বিদ্যার্থীর সেই ছবিখানা ফ্রেমিং হয়ে ফিরে এসেছে।

    নিখিল ঊর্ধ্বমুখে ছবিটা দেখে! তারপর আলমারির চাবি বন্ধ করে এদিকে এগিয়ে আসে। বলে, শী ওয়াজ নট দেন আ লেফ্‌-হ্যান্ডেড লেডি?

    এনলার্জড ফটোতে দেখা যাচ্ছে, বাসন্তী রঙের একটা চকড়া-বকড়া সালোয়ার কামিজ পরে বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে রীতা একটা প্যাডে কাকে যেন চিঠি লিখছে। তার ডান হাতে কলম।

    নিখিল আবার আপন মনে বললে, সো দ্যাটস্ দ্যাট! মেয়েটি লেট্-হ্যান্ডার নয় তাহলে?

    বাসু বললেন, তাই তো দেখছি। কিন্তু একটা কথা, নিখিল। কেষ্টার-মা প্রথম-দর্শনে বলেছিল এটা তার ছোড়দিমণির ফটোক নয়।

    –সে কি! কেন? এটা তো রীতা বিদ্যার্থীর ফটোই।

    —হ্যাঁ। তোমার-আমার তাই মনে হচ্ছে বটে, তবে কেষ্টার-মায়ের মনে হয়েছিল : এটা ছোড়দিমণির যমজ বোনের ফটোক।

    নিখিল অবাক হয়। বলে, যমজ বোন! রীতার কি কোনও যমজ বোন ছিল না কি? কি গো কেষ্টার-মা? ও রীতার যমজ বোন?

    কেষ্টার-মা সলজ্জে বলে, পেরথমটায় আমার ‘ভেরম্’ হই গেল, পুলিশ-সাহেব। না গো, এইডা ছোড়দিমণির সেই ফটোকটাই।

    নিখিল একদৃষ্টে ছবিটার দিকে তাকিয়ে ছিল। বললে, ডেট-কার্ডটা পড়া যাচ্ছে—লক্ষ্য করেছেন?

    বাসু বললেন, হ্যাঁ। মাস বা বার কী ছিল পড়া যাচ্ছে না; কিন্তু তারিখটা ছিল কোনো একটা মাসের এগারো তারিখ।

    নিখিল হঠাৎ বলে বসে, হোল্ড এভরিথিং! ব্যাপারটা কী?

    একটা চেয়ার টেনে এনে ফ্রেমে বাঁধানো ফটোটা নামাল সে। উল্টো-পাল্টে দেখল। তারপর হিপপকেট থেকে একটা ম্যাগনিফাইং গ্লাস বার করে খুব গভীরভাবে ছবিটা দেখল। অবশেষে সে বলল, ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে দেখুন!

    বাসু ফটো আর আতস কাচটা নিয়ে পরীক্ষা করে দেখলেন। নিখিল বললে, অ্যানোম্যালিটা নজরে পড়েছে?

    বাসু বললেন, ‘অ্যানোম্যালি’? মানে অসংগতি? কই না। আমি তো যা প্রত্যাশা করেছিলাম, তাই দেখতে পাচ্ছি।

    —রীতার বাম ভ্রূর উপর কাটা দাগটা…

    —হ্যাঁ, এবার ডান ভ্রুতে চলে গেছে এবং এগারো অক্ষরের ইলেকদুটো উল্টো দিকে চলে গেছে…

    –‘ইলেকদুটো উল্টো দিকে চলে গেছে’ মানে?

    —ও! সেটা তোমার নজরে পড়েনি বুঝি? শোন, কলমটা যদি রীতার বাঁ-হাতে থাকত আর কাটা দাগটাও বাম-ভ্রূর উপরে দেখতে পেতাম তাহলে, দাও দেখি তোমার নোটবইটা… নিখিল পকেট থেকে তার নোটবইটা বার করে দিল। বাসু-সাহেব পাশাপাশি দুটি স্কেচ এঁকে বললেন, এই দেখ, ফটোতে যদি কলমটা ওর বাঁ-হাতে থাকত তাহলে এগারো হরফটা ফটোতে ‘ক’-চিহ্নের মতো হতো। কিন্তু তা হয়নি। একের-পিঠে-এক-এর ইলেকদুটো উল্টো দিকে হয়ে গেছে—কারণ কলমটা এসে গেছে ওর ডান হাতে। তাই এগারোটা দেখতে হয়েছে ‘খ’-চিহ্নের ছবির মতো!

    নিখিল বলল, এনাফ!

    —না, নিখিল, এখনো ‘এনাফ’ হয়নি। ফটোটা উল্টে পিছন দিকটা দেখ। বালি-কাগজে আঠা দিয়ে পাশটা এবং পিছনটা মোড়ানো হয়নি। খবরের কাগজ কেটে আঠা দিয়ে সেঁটে তড়িঘড়ি ফটোটা বাঁধানো হয়েছে। একেবারে অ্যামেচারিশ কাজ!

    নিখিল বললে, এই এভিডেন্সটা কনক্লুসিভ! মার্ডারার পুলিশের চোখে ধোঁকা দিতে নিজের ডার্করুমে নিজে হাতে ‘রিভার্স প্রিন্ট এনলার্জ করেছে! প্রমাণ করতে চেয়েছে রীতা ছিল রাইট- হান্ডার।

    —কিন্তু কেন? কী তার উদ্দেশ্য?

    —হত্যাপরাধটা পান্ডুরঙের ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে। আপনি একটু অপেক্ষা করুন, স্যার। গাড়িতে আমার রেডিও-সেটটা আছে। আমি হোমিসাইডে একটা ফোন করি।

    বাসু ওর হাত চেপে ধরেন। বলেন, না, নিখিল, না। আগে সবটা বুঝে নাও! এখনও তুমি সবটা জান না!

    নিখিল দৃঢ়তার সঙ্গে বললে, সরি স্যার! এত বড় একটা ক্লু আমি আস্তিনের তলায় লুকিয়ে রাখতে পারব না। আমার ‘বস’-কে এক্ষণি ওটা জানাতে হবে। আর তিনি যদি মিস্ রায়কে অ্যারেস্ট করতে বলেন, তাহলে সেটাও আমাকে করতে হবে। আমি পুলিশে চাকরি করি, স্যার। কৌশিকবাবুর মতো শখের গোয়েন্দা নই।

    বাসু শ্রাগ করলেন। কেষ্টার মা বলল, হৈছেডা কী?

    নিখিল জবাব দিল না। ফটোটা বগলে নিয়ে তড়িঘড়ি বেরিয়ে গেল বাইরে।

    বাসু ধীর পায়ে নেমে এলেন নিচে। দেখলেন, শকুন্তলা নিশ্চুপ বসে আছে তার বৈঠকখানা ঘরে। বাসু ধীরে ধীরে এসে বসলেন তাঁর পাশটিতে। কেষ্টার-মা কলঘরের দিকে চলে গেল কাপড় কাচতে।

    বাসু পকেট থেকে পাইপ-পাউচ বার করে তামাক ঠেশতে ঠেশতে বললেন, এটা তুমি কী করলে, কুন্তলা মা! এত বুদ্ধি তোমার, আর এটুকু বুঝলে না যে, তোমার ফটোগ্রাফিক ট্রিকস্টা পুলিশে সহজেই বুঝে ফেলবে? লেফট্-হ্যান্ডারকে ওভাবে রাইট-হ্যান্ডার করা যায় না—তার জন্য ‘মোবিয়াস্ প্লেন’-এ স্পেসকে পাক খাওয়াতে হয়। সে বড় কঠিন অঙ্ক, মা…*

    [* নক্ষত্রলোকের দেবতাত্মা দ্রষ্টব্য]

    শকুন্তলা কুঞ্চিত ভ্রূভঙ্গে এতক্ষণ শুনে যাচ্ছিল। এবার বলে, সম্ভবত আপনি বাংলা ভাষাতে কথা বলছেন। ওইটাই আমি স্কুলে পড়াই; কিন্তু আপনার কথা আমি বিন্দুবিসর্গ বুঝতে পারছি না।

    বাসু ঝুঁকে পড়ে বললেন, সাদা-বাংলায় বলি, বুঝবে! রীতা বিদ্যার্থীকে কে গুলিবিদ্ধ করেছে, এ দুনিয়ায় তা তিনজন জানে। এক : রীতা নিজে জানত। সে চিরনির্বাক হয়ে গেছে। দুই : আমি জানি, যেহেতু ঘটনার পারম্পর্য বিশ্লেষণ করে সেটা বোঝার মতো বিশেষ শিক্ষা আমার আছে। তিন : তুমি নিজে। যেহেতু—কিন্তু হেতুটা তোমাকে বোঝানো বৃথা। তুমি জান কীভাবে তুমি নিজেই অপরাধী…

    শকুন্তলা বাধা দিয়ে বললে, আপনার কথা এখন সহজবোধ্য। কিন্তু আপ্তবাক্যধর্মী। এসব আবোল-তাবোল কথা আমাকে কেন বলছেন?

    —বলছি, এজন্য যে, পনেরো মিনিটের ভিতর তুমি রীতা বিদ্যার্থীর হত্যাপরাধে গ্রেপ্তার হবে। ঐ পুলিস অফিসারটি ফিরে এলেই। তোমাকে আমার অনুরোধ—আমাকে দশটা টাকা এনে দাও। আমি তোমার নামে একটা রসিদ কাটি! আইনত তোমাকে মক্কেল বলে স্বীকার করতে হলে সেটা প্রয়োজন। কুইক!

    শকুন্তলা বললে, সরি স্যার! আমি বুঝতে পেরেছি, মিস্টার দাশ রেডিও মেসেজে আমাকে গ্রেপ্তার করার অনুমতি আনতে গেলেন। এখনি এসে আমাকে অ্যারেস্ট করে নিয়ে যাবেন। এই তো? আই নো! আমি সেজন্য প্রস্তুত হয়েই বসে আছি। কিন্তু আপনাকে আমি আমার কাউন্সেলার হিসাবে এনগেজ করতে পারব না! সরি স্যার!

    —কিন্তু কেন? তুমি কি গিল্টি প্লীড করবে?

    —আইনভঙ্গ করেছি, তাই গিটি তো আমি বটেই। কিন্তু রীতাকে আমি হত্যা করিনি! সুতরাং গিল্টি প্লাড করব কোন দুঃখে?

    —তাহলে তুমি আমাকে ….

    কথাটা তাঁর শেষ হলো না। সদর দরজাটা খুলে গেল। নিখিল ফিরে এসে বলল, মিস্ শকুন্তলা দেবী, আয়াম এক্সট্রিমলি সরি টু অ্যানাউন্স…

    কথার মাঝখানে বাধা দিয়ে শকুন্তলা বললে, আপনার দুঃখিত হবার কী আছে মিস্টার দাশ? আপনি তো উপরওয়ালার নির্দেশে আমাকে অ্যারেস্ট করছেন। আমি তৈরিই। শুধু একটা অনুরোধ—

    —বলুন?

    —আমার শোবার ঘরে একটা মিনি-অ্যাকোয়ারিয়াম আছে। তাতে আট-দশটা বিদেশী মাছ আছে। ও বেচারারা তো কোনো অপরাধ করেনি। ওগুলোকে আপনার লোক দিয়ে কোনও অ্যাকোয়ারিয়াম মালিককে পৌঁছে দেবেন। দাম চাই না আমি। জাস্ট এ গিফ্‌ট্! মাছগুলো না হলে মরে যাবে!

    বাসু-সাহেব স্তম্ভিত হয়ে গেলেন মেয়েটির মনের জোর দেখে

    শকুন্তলা ঘরের ভিতর গেল। একটু পরেই একটা ওভারনাইট ব্যাগ নিয়ে সে ফিরে এল। বোঝা গেল, এ ঘটনা তার কাছে সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত নয়। সে মনে মনে তৈরি হয়েই ছিল। শকুন্তলা কেষ্টার-মাকে ডাকল। তার হাতে একটা খাম দিয়ে বলল, এতে তোমার তিন মাসের মাইনে আছে। তুমি অন্য কোথাও কাজ খুঁজে নিও।

    কেষ্টার-মার অর্থগ্রহণ হলো না। বললে, আমার হাতের-কাজ এখনো সারা হয়নি। তুমি কি বেরুচ্ছ বড়দিমনি?

    —হ্যাঁ, নাও এই খামটা ধর। কাপড় কাচার দরকার নেই। এস। আমি দরজা বন্ধ করব। তারপর বাসু-সাহেবের দিকে ফিরে বললে, থ্যাঙ্কু অল দ্য সেম, স্যার, ফর য়োর কাইন্ড অফার।

    বাসু-সাহেব কথা খুঁজে পেলেন না।

    শকুন্তলা এবার দাশের দিকে ফিরে বললে, চলুন?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article রূপমঞ্জরী – ৩য় খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }