Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প522 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিশের কাঁটা – ৪

    চার

    বেগবাগান পার হয়ে বাংলাদেশ মিশনের কাছাকাছি পৌঁছে বাসু- সাহেবের নজর হলো তাঁর গাড়িটা রাস্তার কার্ব ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে। উনি ট্যাক্সিটা ছেড়ে দিলেন। গাড়ির ড্রাইভারের দরজা খুলে এগিয়ে এল কৌশিক। বলল, এবার বলুন, আমাদের অপারেশনটা কী জাতের হবে?

    —তুমি এখানেই গাড়ি নিয়ে অপেক্ষা কর। ‘রোহিণী-ভিলা’ বোধহয় ঐ ছয়তলা বাড়িটা, না? আমি একাই প্রথমে যাব। আমাকে মিনিট দশেকের হ্যান্ডিকাপ দাও। আমি গিয়ে কথাবার্তা শুরু করি। ঘরে ঢুকে আমি দেখব সদর দরজাটা যেন খোলা থাকে। আমার সঙ্গে যেন তোমার পরিচয় নেই। আমি ওর কাছে গেছি মাধবীর তরফে। তুমি এসেছ সুরঙ্গমার তরফে। দুদিক থেকে সাঁড়াশি আক্রমণে ও ঘাবড়ে যেতে বাধ্য। মোট কথা, নাউ অর নেভার। আজ রাতেই একটা শো-ডাউন করতে হবে।

    কৌশিক বলে, আপনার নিজের যন্ত্রটা সঙ্গে আছে তো?

    —আছে। তবে তার প্রয়োজন হবে না। তুমি এসে পৌঁছোনোর আগে বিতণ্ডাটা অত বাড়াবাড়ি হতে দেব না।

    বাসু দৃষ্টিপথের বাইরে চলে যাবার পর কৌশিক একটা সিগ্রেট ধরালো। বাসু পায়ে-পায়ে এগিয়ে গেলেন রোহিণী-ভিলার দিকে। প্রবেশপথে একটা জোরালো বাল্ব জ্বলছে, কিন্তু জনমানবের দেখা পেলেন না। বাড়ির প্রবেশপথ থেকে যখন দশ মিটার দূরে তখন দেখলেন ঐ বাড়িটা থেকে একটি মেয়ে দ্রুতপায়ে বার হয়ে আসছে। বয়স—বিশ-বাইশ। পরনে মেরুন রঙের সালোয়ার কামিজ, একই রঙের উড়নি। তার হাতে একটা টর্চ, পায়ে শাদা রঙের মিডিয়াম-হিল সোয়েডের জুতো। বাসু-সাহেবকে দেখেই সে যেন কেমন সিঁটিয়ে গেল। রাস্তাটা যদিও সেখানে তিন মিটার চওড়া তবু সে দেওয়ালে পিঠ দিয়ে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ে।

    বাসুর মনে হলো, মেয়েটা ভয় পেয়েছে। কেন? তাঁকে? নির্জনতাজনিত আতঙ্ক? এতটা ঘাবড়ে যাবার তো কোনো কারণ নেই। জবাবটা জানা ছিল তবু বাসু ইংরেজিতে জানতে চাইলেন, এটাই রোহিণী-ভিলা?

    অভিনয়-অভিধানে যাকে ‘স্টিল হয়ে-যাওয়া’ বলে সেই কায়দায় এতক্ষণ মেয়েটি দেওয়ালের সঙ্গে সেঁটে নিস্পন্দে দাঁড়িয়ে ছিল। বাসু-সাহেবের প্রশ্নটা শুনেই সে যেন সংবিদ্ ফিরে পেল। নতনেত্রে ‘ইয়েস’ বলেই চলতে শুরু করে। বাসুও এগিয়ে গেলেন বিপরীতমুখো। রোহিণী-ভিলার প্রবেশদ্বারে দাঁড়িয়ে একবার পিছন ফিরে দেখলেন। আশ্চর্য! মেয়েটি দৌড়াচ্ছে না বটে, কিন্তু যেন ‘ওয়াকিং রেস’-এর প্রতিযোগী।

    বাসু এদিকে ফিরলেন। দারোয়ানের টুলটা খালি। টেলিফোনটা দেওয়ালে একটা কাঠের ব্রাকেটে সাঁটা। তালাবন্ধ। লিম্যান নেই। অটোমেটিকের ব্যবস্থা আছে। বাসু লিফটের খাঁচায় ঢুকে দুটি দরজাই বন্ধ করলেন। স্বয়ংক্রিয় লিফটে উঠে এলেন দ্বিতলে। সামনেই তিন নম্বর অ্যাপার্টমেন্ট।

    বাসু কলবেল বাজালেন। ভিতরে কর্কশ একটা ‘বাজার’-এর শব্দ হলো। কেউ সাড়া দিল না। চরাচর শুনশান। কলবেলটা একবার, দুবার, তিনবার বাজালেন। ভিতরে কোনো সাড়াশব্দ শোনা গেল না। অথচ ঘরে আলো জ্বলছে—সদর দরজার উপর গ্রিলবদ্ধ ‘ট্রানসম্’-এর ফোকর দিয়ে দেখা যাচ্ছে ঘরে বাতি জ্বালা আছে।

    দ্বারে করাঘাত করতে গিয়ে নজর হলো দরজায় গোদরেজের ইয়েল-লক। কী মনে হলো, নবটা ধরে ঘোরাতেই দরজাটা খুলে গেল। নিঃশব্দে উনি প্রবেশ করলেন ঘরে। দরজাটা ঠেলে দিলেন আবার।

    এটি নিঃসন্দেহে বৈঠকখানা। ছোট ঘর। কিছু চেয়ার টেবিল। টেবিলের ওপরে একটা স্লিপ কাগজ—কাচের কাগজ-চাপা দেওয়া। তুলে দেখলেন, দেবনাগরী হরফে লেখা আছে “শ্রীআগরওয়াল-2/3-আপনি কামরায় ওয়াপস্ এলে মেহেরবানি করে 24-9378-এ একটা ফোন করবেন—দুপুর দুটো দশ।” কাগজটা যথাস্থানে নামিয়ে কাচের কাগজ-চাপায় ঢাকা দিলেন। বৈঠকখানার অপরপ্রান্তে আর একটি দরজা। এতে ইয়েল-লক ছিল না। বাসু দরজায় ‘নক’ করলেন। কেউ সাড়া দিল না। হ্যান্ডেল ঘুরিয়ে ঠেলতেই এ-দরজাটাও ভিতর দিকে খুলে গেল। এ-ঘরেও আলো জ্বলছে। ঘরের ও-প্রান্তে একটি ডবল-বেড় বড় খাট। তার উপর খুব তাড়াহুড়োয় ছুঁড়ে ফেলা কিছু পুরুষের পোশাক— কোট-প্যান্ট-শার্ট-টাই। খাটের নিচে জুতো- মোজা। আর রক্তের ধারার মধ্যে চিৎ হয়ে পড়ে আছে মৃতদেহটা। বয়স আন্দাজ পঞ্চাশ। কাঁচা-পাকা চুল। চশমাটা ছিটকে দূরে পড়ে আছে। লোকটার ঊর্ধ্বাঙ্গে কিছু নেই, নিম্নাঙ্গে শুধু আন্ডার-ওয়্যার। বুকের বাঁদিকে একটা বুলেটের গর্ত।

    বাসু সাবধানে রক্তের ধারা টপকে লোকটার কাছে এগিয়ে গেলেন। সাবধানেই হাত রাখলেন মণিবন্ধে। নিঃসন্দেহে মারা গেছে। নাড়ির স্পন্দন নেই। তবে মৃত্যু বোধহয় পাঁচ- সাত মিনিট আগে হয়েছে। দেহ শীতল হবার সময়ই হয়নি। উপরন্তু লক্ষ্য করে দেখলেন, বুক থেকে রক্ত এখনো ক্ষীণ ধারায় নির্গত হচ্ছে। অর্থাৎ হৃদপিণ্ড তার কার্যকারিতা থামিয়েছে কিন্তু যেটুকু রক্ত নির্গত হয়েছিল, মাধ্যাকর্ষণের টানে তা বুক থেকে টপটপ করে ঝরে পড়ছে।

    এদিক-ওদিক তাকিয়ে দেখলেন। জনমানবের চিহ্ন নেই। সাবধানে পা ফেলে শয়নকক্ষের ও-প্রান্তের ছোট্ট পাল্লাটা খুলে দেখলেন। সেটা স্নানাগার। সে ঘরেও বাতি জ্বলছে। মেঝে ভিজে নয়। পকেট থেকে রুমাল বার করে প্রতিটি মসৃণ বস্তু—যাতে ওঁর আঙুলের ছাপ পড়ে থাকতে পারে, তা মুছে দিয়ে ফিরে এলেন সদর দরজার কাছে। ইয়েল-লকের কলকব্জা খুঁটিয়ে দেখলেন—’লকিং অ্যারেঞ্জমেন্টটা’। লকের নবটা জমির সমান্তরাল রয়েছে। অর্থাৎ শেষবার যে পাল্লাটা বন্ধ করেছিল সে ‘লক-নবটা’ জমি থেকে খাড়া করে রাখেনি। তার ফলে দরজাটা লক হয়নি। তালাবন্ধ হয়নি। সেজন্যই বাসু-সাহেব হাতল ঘুরিয়ে ঘরে ঢুকতে পেরেছিলেন। উনি রুমাল দিয়ে ভিতর থেকে হ্যান্ডেলের মসৃণ অংশটা মুছে দিলেন। একবার উঁকি মেরে দেখলেন বাইরের দিকে। করিডোর এবং সিঁড়ি জনমানবশূন্য। নিঃশব্দে দরজার বাইরে বার হয়ে এলেন। ঠিক তখনই লিটা চালু হলো। কেউ ওপরে উঠছে। কৌশিক নিশ্চয় নয়। কারণ তার দশ মিনিট পরে আসার কথা। এ অন্য লোক!

    মুহূর্তমধ্যে সিদ্ধান্ত নিলেন। পাল্লাটা আবার খুলে ‘লকনব’টা জমির আলম্ব অবস্থায় রেখে আস্তে পাল্লাটা টেনে দিলেন! ক্লিক্ করে শব্দ হলো। অর্থাৎ দরজার ভিতর থেকে তালা পড়ে গেল। ঠিক তখনই লিটা এসে থামল ঐ ফ্লোরে। লিফটের দরজা খুলে বার হয়ে এল একজন পুলিশ সার্জেন্ট। তার সঙ্গে একজন মাঝবয়সী অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান ভদ্রমহিলা।

    পুলিশ সার্জেন্ট-এর হেলমেটটা মেঝে ফুঁড়ে লিফটে উঠতে শুরু করা মাত্র বাসু পিছন ফিরে ছিলেন। অনীশের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে কলিংবেল বাজাতে থাকেন। চোখে দেখছেন না, কিন্তু ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় দিয়ে অনুভব করছেন ওঁর ঠিক পিছনে নিঃশব্দে এসে দাঁড়িয়ে আছে সার্জেন্টটা। বাসু দু-তিনবার বেল বাজালেন। তারপর হতাশার ভঙ্গিতে কাঁধ ঝাঁকিয়ে এপাশে ফিরলেন। পিছন ফিরতেই সার্জেন্টের মুখোমুখি হলেন। সার্জেন্ট ওঁকে প্রশ্ন করে, কী হলো? ফিরে যাচ্ছেন?

    বাসু যেন এই প্রথম ওকে দেখলেন। ওকে, আর পিছনে যে অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান ভদ্রমহিলা এসে দাঁড়িয়েছেন, তাঁকে। বললেন, তাছাড়া কী করব? দরজাও খুলছে না, সাড়াও দিচ্ছে না। অথচ ওদিকে ভিতরে আলো জ্বলছে।

    সার্জেন্ট প্রশ্ন করে, কে থাকে এই অ্যাপার্টমেন্টে?

    —অনীশ আগরওয়াল। অন্তত আমি সেই রকমই শুনেছি।

    —আপনার পরিচিত? কেন এসেছিলেন ওর কাছে?

    —না, আমার পরিচিত নয়। একটা প্রয়োজনে ঠিকানা সংগ্রহ করে দেখা করতে এসেছিলাম, এত কথা কেন জানতে চাইছেন বলুন তো?

    সার্জেন্ট মহিলাকে ইংরেজিতে প্রশ্ন করে, এঁকে চেনেন? আগে কখনো রোহিণী-ভিলায় বা অন্যত্র কোথাও দেখেছেন?

    প্রৌঢ়া নীরবে দুদিকে মাথা নাড়লেন। বাসু নিঃশব্দে হিপ পকেট থেকে তাঁর ওয়ালেট বার করে একটি নামাঙ্কিত কার্ড পুলিশ অফিসারটিকে দিলেন।

    —ও, আপনিই ব্যারিস্টার পি. কে. বাসু? তাই বলুন! সেজন্যই এত চেনা-চেনা লাগছিল। আদালতে আপনাকে দেখেছি, তা আপনি কতক্ষণ ধরে বেল বাজাচ্ছেন, স্যার?

    —তা মিনিট-খানেক, অথবা দু-মিনিট হবে। কেন?

    —’কেন’ তা বলছি। তার আগে অনুগ্রহ করে বলুন, ঐ দেড়-দু মিনিটের ভিতর আপনি কি ভিতর থেকে কোনো শব্দ শুনেছেন? অথবা সন্দেহজনক কোনো কিছু কি নজরে পড়েছে আপনার?

    —না। ‘সন্দেহজনক’ কিসের কথা বলছেন? কিসের সন্দেহ?

    সার্জেন্ট বলল, এই ভদ্রমহিলার অ্যাপার্টমেন্ট ঠিক পাশেই। উনি বলছেন, মিনিট দশেক আগে এই ফ্লাট থেকে একটা ঝগড়া বা কথা-কাটাকাটির আওয়াজ শুনেছেন। একজন পুরুষ এবং একজন মহিলা। তারপর হঠাৎ দ্রাম করে একটা দরজা বন্ধ হবার শব্দ। ওঁর মনে হয়েছে শব্দটা এ-ফ্লাটের বাথরুম থেকে সেটা ওঁর বাথরুমের লাগাও—একটি মহিলা ‘ফিল্ম কন্ট্রাক্টের’ কথা কিছু বলছিল। বাংলা কথা—উনি অর্থ বোঝেননি, কিন্তু ‘ফিল্ম কন্ট্রাক্টের’ কথা সে বলছিল—

    —বেশ তো। তাতে কী হলো। ‘ফিল্ম কন্ট্রাক্ট’ কথাটা তো অশ্লীল নয়। যে কেউ তা বলতে পারে–

    সার্জেন্ট সে কথায় কর্ণপাত না করে এক নিশ্বাসে বলে গেল—আর তারপরেই উনি একটা ফায়ারিঙের শব্দ শুনেছেন।

    বাসু সবিস্ময়ে ইংরেজিতে বলনে, কী শুনেছেন? ফায়ারিঙের শব্দ? এই ফ্লাট থেকে? প্রৌঢ়া কথোপকথনে যোগ দেন, আমার প্রথমে মনে হয়েছিল রাস্তায় কোনো গাড়ি ব্যাক- ফায়ার করেছে। তাই রাস্তার দিকে জানলার কাছে সরে গিয়ে নিচে ঝুঁকে দেখলাম। তখন ত্রিসীমানায় কোনো গাড়ি ছিল না। এবার আমার আশঙ্কা হলো ওটা তাহলে ফায়ারিঙের শব্দ। আশ্চর্যের কথা, ঐ শব্দটা হবার সঙ্গে সঙ্গে ঝগড়া-ঝাঁটি আচমকা থেমে গেল। এ-ফ্ল্যাটে সব শুনশান! আমার মনে হলো…

    সার্জেন্ট মাঝপথেই প্রশ্ন করে বসে, আপনার পাশের ফ্ল্যাটে কে থাকে তা আপনি জানেন না, এটা কি বিশ্বাসযোগ্য?

    ভদ্রমহিলা রুখে ওঠেন, লুক হিয়ার, সার্জেন্ট! একজন আইন-সচেতন নাগরিক হিসাবে আমার মনে হয়েছিল আপনাকে ডেকে আনা আমার কর্তব্য। তাই জানলা দিয়ে রাস্তায় আপনাকে দেখতে পেয়ে ডেকে এনেছি। সেটা যদি আমার অন্যায় হয়ে থাকে….

    আবারও বাধা দিয়ে সার্জেন্ট বললে, আমাকে ভুল বুঝবেন না ম্যাডাম। আপনি আপনার কর্তব্যই করেছেন। সেজন্য আমরা কৃতজ্ঞ। আমি শুধু জিজ্ঞেস করছিলাম, এই পাশের ফ্লাটে

    —কেন জানব না? এই অ্যাপার্টমেন্টটা বোম্বাইয়ের একটা ফিল্ম কোম্পানি ভাড়া নিয়েছে। তারা যাকে চাবি দেয় সেই’ থাকে এই ফ্লাটে। আজ টম তো কাল হ্যারি। আমি কাউকেই চিনি না।

    সার্জেন্ট নিজে কয়েকবার কলবেল বাজালো। দরজায় দমাদ্দম কিলও মারল। কোনো সাড়াশব্দ জাগল না। এমন সময় লিটা এসে ঐ ল্যান্ডিং-এ দাঁড়ালো। পুলিশ দেখে লিম্যান এগিয়ে এল। বলল, ক্যা হুয়া সাব?

    সার্জেন্ট জানতে চাইল, কেয়ারটেকার কোথায় থাকে? তাকে খবর পাঠাও—এই ফ্লাটের ডুপলিকেট চাবি আমার চাই।

    লিম্যান লিফ্ট-কূপের কাছে এগিয়ে গিয়ে নিচের দিকে মুখ করে হাঁকাড় পাড়ে, দোবেজি! তুর উপর চলা আইয়ে!

    নিচে থেকে প্রতিপশ্ন হলো, কেও? ম্যয় কেঁউ উপর যাউ? তু নিচে আ যা।

    বাসু সার্জেন্টকে বললেন, আমি তাহলে চলি। কোনো প্রয়োজন হলে আমার চেম্বারে ফোন করবেন।

    সার্জেন্ট রাজি হলো। লিম্যানকে আদেশ দিল বাসু-সাহেবকে নামিয়ে দিতে এবং ঐ ফ্লাটের ডুপলিকেট চাবি যোগাড় করে আনতে।

    নিচে এসে বাসু লক্ষ্য করলেন যে, রোহিণী-ভিলার প্রবেশপথ থেকে বাংলাদেশ মিশনের সামনে রাখা ওঁর গাড়িটা দেখা যাচ্ছে না। দ্বিতীয়ত, রোহিণী-ভিলা থেকে দুটি গলিপথ দুদিকে গেছে। একটি পার্কসার্কাসের দিকে, একটি বেগবাগানের মোড়ের দিকে। দ্রুত পদচারণে বাসু এসে পৌঁছালেন নিজের গাড়ির কাছে। কাচ নামিয়ে কৌশিক বলল, কী হলো? অনীশ বাড়ি নেই?

    সে-কথার জবাব না দিয়ে বাসু বলেন, আমি চলে যাবার পর ওদিক থেকে একটি মেয়েকে আসতে দেখেছ? খুব জোরে হেঁটে? বয়স কুড়ি থেকে পঁচিশ, সালোয়ার-পাঞ্জাবি পরা, পায়ে শাদা জুতো, হাতে টৰ্চ?

    কৌশিক বললে, দেখেছি। একটা ফ্লাইং-ট্যাক্সি ধরে বেগবাগানের দিকে চলে গেল। ট্যাক্সিটা ডাইনে মোড় নিয়েছিল। সার্কুলার রোড ধরে, শেয়ালদার দিকে।

    বাসু বলেন, ঠিকই আন্দাজ করেছি। ফলো হার—

    —কী বলছেন মামু? ওকে ফলো করব কী করে? সে তো সাত-আট মিনিটের লীড নিয়েছে। এতক্ষণে পার্ক স্ট্রীটের মোড় পার হয়েছে।

    —আহ্। কেন তর্ক করছ? চিনতে পারনি? ও হচ্ছে সুরঙ্গমা পান্ডে। ও বাড়ি গেছে নিশ্চয়। সোজা ওর ফ্লাটের দিকে চল। ইন্টালি বাজারে ওর ফ্লাটের কাছাকাছি গাড়িটা রাখবে। বাড়িটা আমাকে চিনিয়ে দিয়ে তুমি অপেক্ষা কর। আমি একাই যাব সুরঙ্গমার মেজানাইন ফ্লাটে।

    নটা কুড়িতে ইন্টালি বাজারের কাছাকাছি কৌশিক গাড়িটা পার্ক করল। বাসুকে চিনিয়ে দিল বাড়িটা। বাসু সিঁড়ি বেয়ে উঠে এলেন মেজানাইন ফ্লোরে। সিঁড়ির ল্যান্ডিং-এ দাঁড়িয়ে ঐ ফ্লাটের কলবেল বাজালেন। ভিতরে একটা মিঠে বাজনার সুর শোনা গেল। তারপর দোরগোড়ায় নারীকণ্ঠের প্রশ্ন হলো : কে?

    বাসু অম্লানবদনে বললেন, টেলিগ্রাম!

    একটু বিস্ময়মিশ্রিত প্রতিপশ্ন হলো, কার নামে?

    বাসু তোলামি শুরু করলেন, মিস্ সুর…সুরা….সুরাং সিঁড়িতে আলো কম, ঠিক পড়া যাচ্ছে না। সাম মিস্ এস. পান্ডে। এই দরজা না উপরতলায় যাব?

    ক্লিক্ করে অর্গলমোচনের শব্দ হলো। দরজার পাল্লাটা দশ-পনের সেন্টিমিটার ফাঁক হলো। একটি সুডৌল ফর্সা হাত বার হয়ে এল। পিছন থেকে কথার জবাবও, এই ফ্লোরেই। দাও টেলিগ্রামটা, সই করে দিচ্ছি…

    বাসু হঠাৎ চাপ দিয়ে দরজাটা ঠেলে খুলে দিলেন। ভিতরে প্রবেশ করেই ঠেলে দরজাটা বন্ধ করে দিলেন। দুরন্ত বিস্ময়ে দু-পা পিছিয়ে গেল মেয়েটি। তার পরনে শুধু একটা হাউসকোট। মনে হলো ভিতরে কিছু নেই—শাড়ি-শায়া-সেমিজ-ব্রা। ওর চুলগুলো ভিজা। তোয়ালে দিয়ে বোধকরি এতক্ষণ মাথা মুছছিল। এখন প্রতিবর্তী-প্রেরণায় সেই তোয়ালেটাই বুকে জড়িয়ে বললে, কে আপনি? হাউ ডেয়ার য়ু…

    বাসু বললেন, কাম অন, সুরঙ্গমা। ঠাণ্ডা লাগিও না। ঐ লেডিজ শালটা প্রথমে গায়ে জড়িয়ে নাও।

    কথাটা ও শুনল। বোধকরি স্নানের পর শীত করছিল বলে। অথবা অপরিচিত পুরুষের সামনে অপ্রতুল গাত্রাবরণের অস্বোয়াস্তিতে। শালটা গায়ে জড়িয়ে নিয়ে ও ঘুরে দাঁড়ালো মহড়া নিতে। বাসু-সাহেবের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বলল, এভাবে অনধিকার প্রবেশ করলেন কেন? কে আপনি?

    জবাব না দিয়ে বাসু বড় বড় পা ফেলে এগিয়ে গেলেন টেবিলটার দিকে। তার উপর একটা টেলিফোন। ঝুঁকে পড়ে জোরে জোরে তার নম্বরটা পড়ে শোনালেন : 24-9378

    মেয়েটি ওঁকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল। ছিনিয়ে নিল টেলিফোনের ‘কথামুখ’ অংশটা। সেটা বাগিয়ে ধরে বললে, এই মুহূর্তে আপনি এ-ঘর ছেড়ে চলে না গেলে আমি ইন্টালি থানায় ফোন করব কিন্তু! আপনাকে ট্রেসপসিং চার্জে…

    বাসু একটা চেয়ার টেনে নিয়ে জুৎ করে বসলেন। বললেন, কর। থানাও তোমাকে খুঁজছে। থানার সঙ্গে যোগাযোগ হলে ওরাই উল্টে জানতে চাইবে, অনীশ আগরওয়াল তোমার অনুরোধমতো রিঙ-ব্যাক করেছিল কিনা।

    মেয়েটির সুর নামে। হাতটাও। বলে, কে অতীশ আগরওয়াল?

    —অতীশ নয়, সুরঙ্গমা। অনীশ। রোহিণী-ভিলার। চিনতে পারছ না? যাকে ফোন করেছিলে দুপুরবেলা—দুটো দশ মিনিটে। তার সাড়া না পেয়ে দারোয়ানের কাছে মেসেজ রেখেছিলে…কী আশ্চর্য! এখনো মনে পড়ছে না?

    টেলিফোনটা এবার ধারক-অঙ্গে নামিয়ে রাখল মেয়েটি। বললে, আপনি কিন্তু এখনো নিজের পরিচয়টা দেননি। আপনি কি থানা থেকে আসছেন?

    ‘থানা থেকে!” কেন? থানা থেকে তোমার খোঁজে কারও আসার কিছু কারণ ঘটেছে নাকি?

    মেয়েটি জবাব দেয় না। দাঁত দিয়ে ঠোঁটটা কামড়ে দাঁড়িয়ে থাকে। কী জবাব দেবে বুঝে উঠতে পারে না। বাসুই আবার জানতে চান, তোমার বাথরুমে কে আছে? এই শীতের সন্ধ্যায় ওখানে স্নান করছে কে?

    মেয়েটি যেন প্রতিবর্তী-প্রেরণায় জবাবে বলে, বাথরুমে কেউ নেই।

    বাসু হেসে ওঠেন। কারণ ঠিক তখনই বাথরুমে জলের কলটা বন্ধ হলো! জল্পপড়ার শব্দটাও। বাসু বললেন, ওকে বল গায়ে কিছু একটা জড়িয়ে বাইরে আসতে। তুমি জামশেদপুরে থাক, তাই হয়তো আমার নাম শোননি। ও বোধহয় আমাকে নাম শুনে চিনবে। দরজা খোলার আগে ওকে জানিয়ে দাও পি. কে. বসু, ব্যারিস্টার এসেছেন। ওর সঙ্গে দেখা করতে।

    সুরঙ্গমা রুদ্ধদ্বারের কাছে গিয়ে ওঁর অনুরোধটা জানালো। গায়ে শাড়ির আঁচলটা জড়িয়ে বার হয়ে এল সদ্যস্নাতা একটি তরুণী। জানতে চাইল, কে তিনি? ব্যারিস্টার পি. কে. বাসু? আমাকে কেন খুঁজছেন?

    বাসু ওকে আপাদমস্তক দেখে নিয়ে বললেন, আমার দিকে তাকিয়ে একবার দেখতে। মাধবী। চিনতে পারছ? আধঘন্টা আগে রোহিণী-ভিলার ‘এন্ট্রেন্সে’ যাঁকে দেখে দেওয়ালে সিঁটিয়ে গেছিলে! তাই নয়?

    মেয়েটি জবাব দিল না। বাণবিদ্ধ হরিণীর মতো বিস্ফারিত লোচনে শুধু তাকিয়ে থাকে। বাসু তাঁর মণিবন্ধে ঘড়ির দিকে একনজর দেখে নিয়ে বললেন, সময় অত্যন্ত কম। দশ থেকে পনের মিনিট…

    সুরঙ্গমা জানতে চায়, তারপর কী হবে?

    —পুলিশের ভ্যানটা ইন্টালিতে পৌঁছে যাবে। তার আগে কয়েকটা কথা বলে নিতে চাই, এবং শুনেও নিতে চাই। আমি ধরে নিচ্ছি তোমার নাম মাধবী বড়ুয়া, সাকিন গুয়াহাটি; আর তুমি সুরঙ্গমা পান্ডে, জামশেদপুরের একটি স্কুলের গেম্স টীচার। আমার আন্দাজে ভুল হলে প্রতিবাদ করো, ঠিক হলে চুপচাপ শুনে যাও। কী করে আন্দাজ করেছি জানতে চেও না। অ্যান আই কারেক্ট?

    কেউ কোনো কথা বলে না। বাসু বলেন, তোমাদের মৌনতাই প্রমাণ দিচ্ছে আমার আন্দাজ ঠিক।

    সুবঙ্গমা বললে, কিন্তু পুলিশে আমাদের পাত্তা পাবে কি করে?

    —সহজেই। ঠিক যে পদ্ধতিতে আমি এখানে এসে পৌঁছেছি। তোমার টেলিফোন কলটা একটা সহজ সূত্র। শোন মাধবী, তোমার স্বার্থ দেখবার জন্য মহাদেব জালান আমাকে ‘রিটেইন’ করেছে। আমি তোমাকে জানাচ্ছি যে, তোমার একটা প্রচণ্ড বিপদ ঘনিয়ে আসছে। আমাকে কয়েকটা কথা এক্ষুণি জানতে হবে। জনান্তিকে —

    মাধবী বললে, না! সুরঙ্গমার কাছ থেকে লুকাবার মতো কোনো গোপন কথা আমার নেই! আপনি যা জানতে চান তা ওর সামনেই জানতে চাইতে পারেন। আপনার নাম আমি শুনেছি। কিন্তু আপনিই যে সেই ব্যারিস্টার বাসু তা আমি….

    বাসু ওকে মাঝপথে থামিয়ে দিয়ে বলেন, ইন্টেলিজেন্ট কোশ্চেন! এই দেখে নাও মাধবী। হিপ্‌-পকেট থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্সটা বার করে ওর চোখের সামনে মেলে ধরেন। বলেন, আমি তোমার সঙ্গে একমত নই, মাধবী। সুরঙ্গমার কাছ থেকে লুকাবার মতো কথা তোমার অনেক কিছু আছে। আমাকে তুমি যা বলবে তা ‘প্রিভিলেজড্ কভার্সেশান’; কোনো আদালত আমাকে বাধ্য করতে পারে না সে কথা স্বীকার করতে। কিন্তু সুরঙ্গমাকে যদি পুলিশ ডকে তোলে…

    সুরঙ্গমা বাধা দিয়ে বললে, কেন ওকে মিথ্যে ভয় দেখাচ্ছেন? আমরা কিছুই জানি না। মাধবী কিছু জানে না, কিছুই দেখেনি। এ মার্ডার কেস সম্বন্ধে আমরা…

    মাঝপথেই ও থেমে যায়। বাসু বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠের মতো লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়ান। বলেন, কী বললে? ‘মার্ডার কেস’? কেন? আমি তো এখনো পর্যন্ত বলিনি কেউ খুন হয়েছে? বলেছি? কী সুরঙ্গমা?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article রূপমঞ্জরী – ৩য় খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }