Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প522 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিশের কাঁটা – ৫

    পাঁচ

    সুরঙ্গমা তৎক্ষণাৎ নিজেকে সামলে নিল। বলল, না, আপনি অবশ্য তা বলেননি। কিন্তু আপনার ভাবখানা ঐরকম। যেন পুলিশের হোমিসাইড স্কোয়াড সারা শহর দাবড়ে বেড়াচ্ছে আমাদের দুজনের সন্ধানে।

    বাসু বললেন, তাই বেড়াচ্ছে, সুরঙ্গমা। কেন তারা তোমাদের দুজনকে খুঁজছে তা তোমরা জান, কিন্তু আমার কাছে স্বীকার করছ না। আমার কথাটা শোন। একটুও সময় নষ্ট কর না। তোমাদের দুজনের কাছ থেকেই আমি কিছু তথ্য সংগ্রহ করে নিতে চাই, এখানে পুলিশ এসে পৌঁছানোর আগে। না হলে পুলিশের সামনে আমি কী স্ট্রাটেজি নেব বুঝে উঠতে পারছি না। প্রথমে বল, তোমরা পরস্পরকে চিনলে কী করে?

    সুরঙ্গমা বলে, আমিই ওর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। গুয়াহাটিতে টেলিফোন করেছিলাম।

    —আর একটু আগে থেকে শুরু কর। মাধবী বড়ুয়ার গুয়াহাটির টেলিফোন নম্বর তুমি পেলে কেমন করে? ওকে চিনলে কীভাবে?

    —আপনি নিশ্চয় জানেন, মাধবীর মতো আমিও জামশেদপুরে বোকা বনেছি। ঠিক একইভাবে। সেটা নভেম্বরের ফার্স্ট উইক। অনীশের সঙ্গে আমি বোম্বাই যাই ‘তারকা’ হবার বাসনা নিয়ে। সেখানে গিয়ে টের পাই অনীশ কীভাবে আমাদের লেঙ্গি মেরেছে। মাধবী নিজে হাতে নিজের টাকা দিয়েছিল; আমার ক্ষেত্রে ‘চীটেড’ হয়েছেন আমার বাবা। তাই বোম্বাই থেকে ট্রাঙ্ককলে বাবাকে সব কথা জানাই। ফিরে আসি জামশেদপুরে। বাবার ইচ্ছে ছিল না, কিন্তু আমি একটা ফয়শালা করব বলে গোপনে অগ্রসর হলাম। প্রথমে ঐ জামশেদপুরের একটি প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটিং এজেন্সিকে নিয়োগ করি। তারা দু-তিন দিনের মধ্যেই আমাকে জানিয়ে দিল যে, অনীশ এভাবে একের পর এক নানা শহরে গিয়ে লোককে বোকা বানিয়ে টাকা কামাচ্ছে। মাধবী বড়ুয়ার নাম-ঠিকানা আর টেলিফোন নম্বর তারাই আমাকে সরবরাহ করে। আমি তখন মাধবীকে গুয়াহাটিতে একটা এস. টি. ডি. টেলিফোন করি। তাকে সব কথা খুলে বলি। আর চলে আসতে বলি কলকাতায়। কারণ ইতিমধ্যে ঐ গোয়েন্দা সংস্থা অনীশের কলকাতার ঠিকানাটাও আমাকে সরবরাহ করেছিল। মাধবীকে এই মেজানাইন-ফ্লোরের ঘরে উঠতে বলি। আমার মনে হয়েছিল যে, আমরা দুজনে যদি অনীশকে একসঙ্গে আক্রমণ করি তখন ও বলবার অবকাশ পাবে না যে, এটা ওর অজ্ঞাতসারে অ্যাকসিডেন্টালি হয়েছে। তাকে স্বীকার করতেই হবে যে, এটা ‘ডেলিবারেট র‍্যাকেটীয়ারিং’! সুপরিকল্পিত জুয়াচুরি।

    বাসু বললেন, বুঝলাম। সেজন্যই কি মাধবী আজ রাত পৌনে নয়টা নাগাদ রোহিণী- ভিলায় গিয়েছিলে?

    মাধবী স্বীকার করল।

    বাসু বললেন, কিন্তু তোমাদের তো একযোগে সাঁড়াশি আক্রমণ করার কথা ছিল, তুমি একলা গেলে কেন?

    মাধবী কিছু একটা জবাব দিতে যাচ্ছিল, কিন্তু তার মুখের কথা কেড়ে নিয়ে সুরঙ্গমা বললে, সেরকমই কথা ছিল বটে, কিন্তু আজ আমার একটা থিয়েটারের টিকিট কাটা ছিল বলে ও একাই গিয়েছিল।

    বাসু সুরঙ্গমার দিকে ফিরে বললেন, ওর হয়ে তোমাকে জবাবদিহি করতে হবে না, মিস্ পাণ্ডে। ওকে যা জিজ্ঞেস করছি তার জবাব মাধবীকেই দিতে দাও। তারপর তোমার সঙ্গে কথাবার্তা হবে। কেমন? তা মাধবী, তোমার সঙ্গে অনীশের আজ কী কথা হলো?

    —আমি ঢুকতেই পারলাম না ওর অ্যাপার্টমেন্টে। দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। অনেকবার কলবেল বাজালাম। কেউ সাড়া দিল না। অথচ ভিতরে ইলেকট্রিক বাতি জ্বলছিল। -ভিতরে কোনো শব্দ শোননি? কোনো ঝগড়া বা তর্কাতর্কি? দ্রাম করে দরজা বন্ধ হয়ে যাবার শব্দ? অথবা ফায়ারিঙের?

    সুরঙ্গমা একটু চমকে উঠে বলল, কী বললেন, ফায়ারিঙ?

    বাসু ধমকে ওঠেন, প্লিজ কীপ কোয়ায়েট! এটা স্টেজ নয়!

    মাধবী নিঃশব্দে ডাইনে বাঁয়ে মাথা নাড়ল। নেতিবাচক ভঙ্গিতে।

    —তুমি বলতে চাইছ যে, তুমি ঘরের ভিতর আদৌ ঢোকনি?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ। তাই তো ক্রমাগত বলে চলেছি। ঘরে ঢুকতে না পেরে সিঁড়ি বেয়ে নেমে আসি। আর তখনি আপনার মুখোমুখি পড়ে যাই।

    —তাহলে আমাকে দেখে তুমি অত ঘাবড়ে গেলে কেন?

    —ঘাবড়াইনি তো!

    —ও! ঘাবড়াওনি! তবে বোধহয় আমারই দৃষ্টিভ্রম। সেক্ষেত্রে তোমার জামাকাপড় জুতোয় রক্ত লাগল কী করে?

    —রক্ত? আমার জামাকাপড়ে? কী বলছেন! কই না তো!

    বাসু সুরঙ্গমার দিকে ফিরে বললেন, তোমার বাথরুমে গীজার আছে? অথবা ইমার্শান-হীটার?

    —না, একথা কেন?

    —তাহলে কী কারণে এই জানুয়ারীর সন্ধ্যায় তোমাদের দুজনকেই ঠাণ্ডা জলে স্নান করতে হলো সেটাই আমাকে বুঝিয়ে বল!

    দুজনের মুখে কথা ফোটে না। পরস্পরের দিকে তাকায়।

    বাসু এদিকে ফিরে বলেন, অল রাইট। রাত আট থেকে নটা তুমি কোথায় ছিলে সুরঙ্গমা?

    —রবীন্দ্রসদনের পাশে অ্যাকাডেমি হলে। আমার এক কাজিনের সঙ্গে থিয়েটার দেখছিলাম। শো ভাঙলো রাত আটটা চল্লিশে। তারপর আমার সেই কাজিন তার নিজের গাড়িতে আমাকে পৌঁছে দিয়ে গেল।

    —কী থিয়েটার দেখলে তোমরা?

    —মনোজ মিত্রের ‘অলকনন্দার পুত্রকন্যা’।

    —আই সী। তোমার দাদার গাড়ি আছে শুনলাম। যেহেতু নিজের গাড়িতে পৌঁছে দিল। কী করে সে?

    —আর্কিটেক্ট। নিজেরই ব্যবসা আছে। দোতলায় থাকে। একতলায় অফিস।

    — বিবাহিত?

    —হ্যাঁ। কেন বলুন তো?

    —বউ বুঝি থিয়েটার দেখতে ভালবাসে না?

    —না, তা কেন? বউ আছে নার্সিংহোমে। তার বাচ্চা হয়েছে।

    —বাঃ। তোমার দাদা তো বেশ কাজের ছেলে। বউ নাসিংহোমে আর সে কাজিন-

    সিস্টারকে নিয়ে থিয়েটার দেখে বেড়াচ্ছে। সন্ধ্যায় ভিজিটিং আওয়ার্সে বউ-এর কাছে যায় না!

    —যাবে না কেন? আজ যায়নি।

    —ওকে কি এখন টেলিফোনে পাওয়া যাবে? কী নাম?

    —যাবে, যদি এখান থেকে সোজা বাড়িতেই গিয়ে থাকে। ওর নাম রামলগন ভার্গব।

    বাসু টেলিফোনটা তুলে সুরঙ্গমার হাতে দিয়ে বললেন, তোমার দাদাকে একটা ফোন কর তো? লাইনে রিঙিং-টোন হলেই আমাকে দেবে। দাদার সঙ্গে কথা বলবে না। বুঝলে?

    সুরঙ্গমা আদেশ পালন করল। ম্যানিকিওর করা আঙুলে ছয়-সাতটা নম্বর ডায়াল করল। রিঙিং-টোন হতেই যন্ত্রটা বাড়িয়ে ধরল বাসু-সাহেবের দিকে। একটু পরে ও-প্রান্ত থেকে ভেসে এল, ভার্গব স্পিকিং

    —মিস্টার রামলগন ভার্গব?

    —ইয়েস। স্পিকিং। বলুন।

    —লুক হিয়ার, মিস্টার ভার্গব। আমি পি. জি. হসপিটালের এমার্জেন্সি ওয়ার্ড থেকে বলছি। একটা দুঃসংবাদ আছে। মনটাকে শক্ত করুন।

    —ইয়েস। ফায়ার?

    —মিস সুরঙ্গমা পাণ্ডে কি আপনার পরিচিত?

    —ইয়েস। আমার কাজিন-সিস্টার। কেন?

    —একটা মোটর অ্যাকসিডেন্টে মিস্ পাণ্ডে আহত হয়েছেন। অ্যারাউন্ড রাত সাড়ে আটটায়। অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টস হলের সামনে। জ্ঞান নেই। ওঁর ব্যাগের নোটবইতে আপনার টেলিফোন নাম্বার …

    বাসু-সাহেবের কথাটা শেষ হলো না। তার আগেই ভার্গব ধমকে ওঠে, হোয়াটস্ অল দিস রাবিশ! আপনি কে মশাই? অ্যাবাউট সাড়ে আটটায় সুরো আর আমি অ্যাকাডেমিতে বসে থিয়েটার দেখছিলাম। তারপর শো ভাঙার পর ওকে ওর ইন্টালির বাসায় যখন নামিয়ে দিই তখন নটা পাঁচ-সাত হবে। অথচ আপনি….

    বাসু নিঃশব্দে ধারক-অঙ্গে টেলিফোনটা নামিয়ে রাখলেন। মাধবীর দিকে ফিরে বললেন, অঙ্কটা যে মিলছে না মাধবী! তুমি বলছ, তুমি ঘরের ভিতরে ঢোকনি। সুরঙ্গমার পাক্কা অ্যালেবাঈ আছে। রাত সাড়ে আটটায় সে দাদার সঙ্গে থিয়েটার দেখছে। অথচ আমি যে নিশ্চিতভাবে জানি, রাত আটটা থেকে সাড়ে আটটার মধ্যে তোমাদের দুজনের মধ্যে অন্তত একজন ওঘরে ছিলে?

    সুরঙ্গমা বললে, আমাদের দুজনের মধ্যে একজন? তা তো নাও হতে পারে। কোনো থার্ড মহিলা…

    —না! সে মেয়েটির সঙ্গে অনীশের ঝগড়া হচ্ছিল। ঝগড়ার সময় সেই মেয়েটি ‘ফিল্ম কন্ট্রক্ট’ কথাটা বলেছিল। সুতরাং তৃতীয় কোনো মহিলার প্রশ্ন উঠছে না!

    সুরঙ্গমা বলে, উঠছে স্যার। আমরা দুজন ছাড়া আরও একটি মহিলাকে অনীশ একইভাবে ফাঁসিয়েছে। ভুবনেশ্বরে। ওড়িয়া নয়, মেয়েটি বাঙালী। তার নাম সুজাতা মিত্র। আমি তাকে রোহিণী-ভিলার ঠিকানা দিয়েছিলাম। কিন্তু বারণ করেছিলাম যেন আজ রাতে সে রোহিণী- ভিলায় না যায়। কারণ আজ সন্ধ্যায় মাধবী ওর সঙ্গে একটা অ্যাপয়েন্টমেন্ট করেছিল। ইন ফ্যাক্ট, রামদা থিয়েটারের টিকিটটা না কেটে ফেললে হয়তো আমরা দুজন একসঙ্গেই যেতাম।

    ঠিক তখনি ঘরের টেলিফোনটা বেজে উঠল। সুরঙ্গমা সেটা তুলে নিয়ে আত্মঘোষণা করতেই ও-প্রান্ত থেকে যেনস্টাইফুন ধেয়ে এল। সুরঙ্গমা বলে, তা আমার উপর তড়পাচ্ছ কেন? ও নিশ্চয় তোমার কোনো বন্ধু-টন্ধু—প্র্যাকটিক্যাল জোক করছে।… নিশ্চয়! খুব অন্যায় কথা! বন্ধুকে লোকেট করতে পারলে ধমকে দিও…না, না, আমি আর বাড়ি ছেড়ে বার হইনি। তুমি নামিয়ে গিয়ে গিছ—তা মিনিট কুড়ি হবে, তাই নয়? মোটর অ্যাকসিডেন্ট হবে কী করে! হয়তো তুমি ‘কান’ শুনতে ‘ধান’ শুনেছ!…কী? অলরাইট! অলরাইট! বেশ তো, মেনে নিচ্ছি, ঠিকই শুনেছ! এ তোমার কোনো থার্ড ক্লাস ইয়ার দোস্ত! গুড নাইট!

    টেলিফোনটা নামিয়ে রেখে বাসু-সাহেবের দিকে ফিরে বলে, রামদা!

    বাসু তা আগেই বুঝেছেন। তিনি মাধবীর দিকে ফিরে বলেন, ডক্টর বড়গোঁহাই কলকাতা এসেছেন তা জান?

    মাধবী চমকে ওঠে। বলে, আপনি তাকে কী করে চিনলেন?

    বাসু ধমকে ওঠেন, প্লীজ ডোন্ট কাউন্টার-কোশ্চেন। যা জানতে চাইছি চটপট করে জবাব দাও। সময় খুব কম। এখনি হোমিসাইড-স্কোয়াড থেকে টেলিফোনটা এসে যেতে পারে। বল, বড়গোঁহাই যে কলকাতা এসেছে তা তুমি জান?

    মাধবী সম্মতিসূচক গ্রীবাভঙ্গি করে।

    —ও কোথায় উঠেছে তা জান?

    —জানি! ‘পথিক হোটেল’-এ। গুয়াহাটি থেকে রওনা হবার আগে আমি ডক্টর বড়গোঁহাইকে এই ইন্টালি অ্যাপার্টমেন্টের ঠিকানা আর টেলিফোন নম্বর দিয়ে এসেছিলাম। প্রযোজনে ফোন করতে বা চিঠি লিখতে—

    —অর্থাৎ তুমি তাকে কলকাতায় আসতে বলনি?

    —নিশ্চয় নয়। সে নিজের কাজে কলকাতায় এসেছে।

    —ও! নিজের কাজে! কী কাজ তা জান না বোধকরি? —আমি কেমন করে জানব?

    —বটেই তো! সে কলকাতায় আসার পর তোমাদের দেখাসাক্ষাৎ হয়েছে?

    এবার একটু দেরি হলো জবাবটা দিতে। শেষে মাধবী বলল, না। দেখাসাক্ষাৎ হয়নি। শুধু টেলিফোনে কথা হয়েছে।

    বাসু বলেন, আই সী, ডক্টর বড়গোঁহাই আমার সঙ্গে আজ দেখা করতে এসেছিলেন। বললেন, তিনি তোমার ঠিকানা খুঁজছেন। এবার বল, কে মিথ্যা কথা বলছে? তুমি না বড়গোঁহাই? তোমার ঠিকানা যদি জানাই থাকবে তাহলে তিনি কেন আমাকে ওকথা বললেন?

    —আমি জানি না।

    সুরঙ্গমা হঠাৎ বলে ওঠে, আমি আন্দাজ করতে পারি। ডক্টর বড়গোঁহাই হয়তো জানতে গিয়েছিলেন, আপনি মাধবীর পাত্তা পেয়েছেন কিনা।

    বাসু আবার ওকে থামিয়ে দেন, প্লীজ ডোন্ট ইন্টারাপ্ট মী, মিস্ পান্ডে। যার কাছে যা জানতে চাইছি একমাত্র সে-ই তার জবাব দেবে। ওয়েল মাধবী! ডক্টর বড়গোঁহাই যখন আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন তখন তিনি একটা প্রাইভেট গাড়ি ড্রাইভ করে এসেছিলেন। গুয়াহাটি থেকে বাই রোড কেউ একা কলকাতা আসে না। গাড়িটা কার?

    —না, ও প্লেনেই এসেছে। গাড়িটা কলকাতায় এসে ভাড়া নিয়েছে। ‘রেন্ট-আ-কার’মানে একটা এজেন্সি থেকে।

    —ভাড়া নেওয়া গাড়ি? আমার তো তা মনে হলো না। কী রঙের গাড়ি বল তো?

    —শাদা অ্যাম্বাসাডার। কেন? আপনার কেন মনে হলো ওটা ‘রেন্ট-আ-কার’ এজেন্সির নয়?

    বাসু এতক্ষণে পাইপ পাউচ বার করলেন। বললেন, আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখতে চাওয়ার তোমাকে বুদ্ধিমতী মনে হয়েছিল, আসলে তুমি ততটা নও।

    মাধবী জবাব দেয় না। জিজ্ঞাসু নেত্রে তাকিয়ে থাকে।

    পাইপটা ধরিয়ে বাসু বললেন, এবার আমাকে বুঝিয়ে বল তো মাধবী, কলকাতায় আসার পর তোমার সঙ্গে যদি বড়গোঁহাইয়ের দেখাসাক্ষাৎ না হয়ে থাকে তাহলে তুমি কেমন করে জানলে ওর ভাড়া-করা গাড়িটার রঙ স্কাই-ব্লু বা কালো রঙের নয়? শাদা অ্যাম্বাসাডার? তথ্যটা কি বড়গোঁহাই তোমাকে টেলিফোনে জানিয়েছিল?

    মাধবী লজ্জা পায়। জবাব দেয় না। সুরঙ্গমা আবার ফোড়ন কাটে, আপনি আমাদের দুজনকে এভাবে জেরা করছেন কেন বলুন তো?

    —অঙ্কটা যে মিলছে না। রাত সাড়ে আটটায় অনীশের ঘরের সংলগ্ন বাথরুমে কে ছিল? সিনেমা কন্ট্রাক্টের প্রসঙ্গ কেন উঠল? না সুরঙ্গমা, মেয়েটির নাম সুজাতা মিত্র নয়। কারণ সুজাতা মিত্রের অ্যালেবাঈ আমি নিজে। ও আমারই এজেন্ট। তোমার কাছে এসেছিল অনীশের ঠিকানা সংগ্রহ করতে। ও আমার বাড়িতেই থাকে। ভুবনেশ্বরে নয়।

    সুরঙ্গমা বলে, বুঝলাম। এখন আপনি আমাদের কী করতে বলেন?

    —শোন! তোমরা দুজন যা আন্দাজ করেছ, বরং বলা উচিত দুজনের মধ্যে একজন যা প্রত্যক্ষ করেছ, বাস্তবে সেটাই ঘটেছে. অনীশ আগরওয়াল খুন হয়েছে আজ রাত সাড়ে আটটা থেকে পৌনে নটার মধ্যে। সেসময় অথবা খুনের ঠিক আগে ওর বাথরুমে একজন বঙ্গভাষী মহিলা ছিল। যার সঙ্গে অনীশের উচ্চকণ্ঠে ব্যক্যবিনিময় হচ্ছিল। কী নিয়ে ঝগড়া তা বুঝতে পারেননি প্রতিবেশিনী। কারণ তিনি অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান, বাংলা জানেন না। কিন্তু মেয়েটি— আগেই বলেছি—’ফিল্ম কন্ট্রাক্ট’ বিষয়ে কী যেন বলছিল। অনীশ খুন হয়েছে সম্ভবত রিভলভারের গুলিতে। সারা মেঝেতে চাপ চাপ রক্ত। আমাদের সময় কম। শোন! তোমাদের দুজনের মধ্যে কেউ আত্মরক্ষার্থে অথবা আত্মসম্মানরক্ষার্থে অনীশকে খুন করেছ কিনা তা আমি জানি না;কিন্তু আমার দৃঢ় বিশ্বাস এই যে, তোমাদের দুজনের মধ্যে কোনো একজন আজ রাত সাড়ে আটটা থেকে পৌনে নটার মধ্যে ঐ ঘরের ভিতর গিয়েছিলে। মৃতদেহটা সে দেখেছে। তার জামাকাপড়ে রক্তের দাগ লেগেছে। হয়তো তোমরা দুজনেই ঐ ঘরে ঢুকেছিলে, অথবা একজনের জামাকাপড়ের কাঁচা রক্তের দাগ আর একজনের পোশাকে লেগেছে। না হলে এই শীতের সন্ধ্যায় তোমাদের দুজনকেই ঠাণ্ডা জলে স্নান করতে হতো না। খুন কে করেছে…না, না, তোমরা আমাকে বাধা দিও না। সময় খুব কম। আমার যা বলার আছে তা আমাকে বলতে দাও। প্রথম কথা, সুরঙ্গমা, আমি জানি না, জামশেদপুর থেকে তুমি কোনো রিভলভার সঙ্গে করে এনেছিলে কিনা। তোমার বাবা শুনেছি স্টীল অথরিটির একজন উচ্চপদস্থ অফিসার। তাঁর নিজস্ব রিভলভার থাকা সম্ভব। আছে, তাই নয়?

    —আছে। কিন্তু আমি…তা…

    —নো, নো, নো, সুরঙ্গমা! যেটুকু জানতে চাইছি তার বেশি আমাকে কিচ্ছু বলবে না। বেণী চাইলে স্রেফ বেণী, নট্ উইথ মাথা! বুঝলে না? তুমি আমার মক্কেল নও। তবে এটুকু আমি বলতে পারি : লি কোয়ারফুলি—যদি তোমার ধারণায় বা জ্ঞানমতে তোমার বাবার সেই রিভলভারটা বর্তমানে জামশেদপুরে না থাকার কোনো সম্ভাবনা থাকে, তাহলে রাত পোহালেই তুমি কোনো ক্রিমিনাল ল-ইয়ারের সঙ্গে গিয়ে দেখা করবে! ফলো? আমার কার্ডটা রাখ। প্রয়োজনে আমাকে ফোন কর। আমি ভাল ডিফেন্সের ব্যবস্থা করে দেব।

    সুরঙ্গমা বলে, কেন স্যার? আপনি নিজেই তো–

    —না, তা আমি পারি না। এ কেসে মাধবী আমার ক্লায়েন্ট। মাধবীর তরফে আমি রিটেইনার গ্রহণ করেছি। হয়তো মামলা চলাকালে দেখা যাবে তোমাদের দুজনে স্বার্থে সংঘাত বাধছে-

    —কিন্তু আমার দাদার অ্যালেবাঈ—

    —আই নো, আই নো। সেটা আমি যাচাই করে নিয়েছি। তা হোক। তবু যদি তোমার বাবার রিভলভারটা…এক কথা বারবার বলার দরকার নেই। তুমি বুদ্ধিমতী। নিশ্চয় বুঝতে পারছ আমি কী বলতে চাইছি। অ্যন্ড য়ু মিস্ মাধবী বড়ুয়া! তোমার কোনো অ্যালেবাঈ নেই। বরং উল্টোটা আছে। হত্যামুহূর্তের কয়েক মিনিটের মধ্যেই তোমাকে ঘটনাস্থলে দেখতে পাওয়া গেছে। তখন তুমি অত্যন্ত অস্বাভাবিক অবস্থায় ছিলে। বস্তুত ছুটে পালিয়ে যাচ্ছিলে ঘটনাস্থল থেকে!

    সুরঙ্গমা বলে, কিন্তু দেখেছেন তো আপনি। ওর পক্ষের উকিল।

    বাসু মাথা নেড়ে বলেন, তোমার ভুল হচ্ছে, সুরঙ্গমা। মক্কেল তার আইনজীবীকে বিশ্বাস করে যেটুকু বলে সেটুকুই ‘প্রিভিলেজড়’! তার গোপনীয়তা রক্ষা করতে আসামীর আইনজীবী আইনত বাধ্য। কিন্তু তাই বলে কোনো কোর্ট অফিসার—তিনি যে পক্ষেই থাকুন—তাঁর জ্ঞানমতে প্রত্যক্ষ করা কোনো ঘটনার কথা গোপন করতে পারেন না! নো, নেভার! সেটা এভিডেন্স! মক্কেলের বলা গোপন কথা নয়। তাছাড়া আরও একজন মাধবীকে ঐ বাড়ি ছেড়ে যেতে দেখেছে। সে ঐ সুজাতা মিত্রের স্বামী। মুশকিল হচ্ছে এই যে, এই টেলিফোনের একটা এক্সটেনশান আছে। না হলে তোমাকে পরামর্শ দিতাম ক্র্যাডল থেকে টেলিফোনের মাউথপীসটা নামিয়ে রাখতে।

    সুরঙ্গমা জানতে চায়, কেন স্যার?

    —অনীশের ঘরে দারোয়ানের পাঠানো ঐ স্লিপটা পুলিশের হস্তগত হলেই ওরা এখানে ফোন করবে। তুমি এটা ডেড করে রাখলেও গৃহস্বামীর ঘরে টেলিফোন বাজবে। তিনি লোক পাঠিয়ে তোমাকে বলবেন টেলিফোনে কথা বলতে। বিশেষ যদি থানা থেকে টেলিফোনটা আসে।

    —তাহলে আমি কি কোনো হোটেলে পালিয়ে যাব?

    —আয়াম সরি। এক্সটীমলি সরি, মিস্ পান্ডে। আমি তোমাকে কোনো পরামর্শ দিতে পারি না। তবে একটা কথা বলি, হঠাৎ এভাবে আত্মগোপন করাটা পুলিশ ভাল চোখে দেখবে না। সিদ্ধান্তটা তোমাকেই নিতে হবে। তোমার অ্যালেবাঈ আছে। তোমার বাবার রিভলভারটা যদি জামশেদপুরে থাকে তাহলে তোমার ঘাবড়াবার কী আছে? বাট য়ু মাধবী! তোমার কোনো অ্যালেবাঈ নেই। তুমি পাঁচ মিনিটের ভিতর তোমার স্যুটকেসে সবকিছু গুছিয়ে নাও। নিচে আমার গাড়ি আছে। তোমাকে কোনো হোটেলে চেক ইন করিয়ে আমি বাড়ি যাব। তুমি সেই হোটেল ছেড়ে একদম বার হবে না—যতক্ষণ না আমি পারমিশান দিচ্ছি। নিজে থেকে বড়গোঁহাই বা সুরঙ্গমার সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করবে না। দিন দুই শুয়ে শুয়ে টিভি দেখবে বা বই পড়বে। বুঝলে? পুলিশে তোমাকে খুঁজবে। কারণ সুরঙ্গমার বজ্রবাঁধুনি অ্যালেবাঈ আছে। তোমার তা নেই। নাউ লুক হিয়ার মাধবী–আমি তোমাকে সুরঙ্গমার সামনে জিজ্ঞেস করছি না যে, তুমি গুয়াহাটি থেকে কোনো রিভলভার সঙ্গে করে নিয়ে এসেছ কিনা, অথবা সেল্ফ-ডিফেন্স—আত্মরক্ষার্থে বা আত্মসম্মানরক্ষার্থে তুমি অনীশকে গুলি করেছ কিনা-

    মাধবী দৃঢ়স্বরে বলল, দুটো প্রশ্নের একই জবাব : না!

    —আমি শুনিনি। কোনো তৃতীয় ব্যক্তির উপস্থিতিতে আমি ও-জাতীয় প্রশ্ন মক্কেলকে জিগ্যেস করতেই পারি না। যা বলছি কর। তুমি পাঁচ মিনিটের ভিতর তৈরি হয়ে নাও

    ঠিক তখনই ঝন্‌ঝন্ করে বেজে উঠল টেলিফোনটা।

    সুরঙ্গমা তুলে নিয়ে ‘কথামুখে’ বলল, হ্যালো?… কে? লালবাজার? হোমিসাইড সেকশান? ইয়েস? বলুন। আমার নাম সুরঙ্গমা পান্ডে। হ্যাঁ, এই ঘরেই থাকি…হ্যাঁ, হ্যাঁ, এটা আমারই টেলিফোন আপাতত!

    বাসু বললেন, কুইক! স্যুটকেসটা সাজিয়ে ফেল, মাধবী। ওরা আসছে। এ-ঘরে তোমার কোনো ট্রেস্ রেখে যেও না। বাথরুমে তোমার কোনো ভিজে জামাকাপড় থাকলে তা প্লাস্টিকে জড়িয়ে তুলে নাও। এই চটি পরেই চল। সেই সোয়েডের শাদা জুতোজোড়া কাগজে জড়িয়ে…

    —কোন শাদা জুতো?

    —আঃ! কেন তর্ক করছ যেটা পরে রোহিণী-ভিলায় গেছিলে।

    —আমার কোন শাদা জুতো নেই।

    —অলরাইট। আমারই দৃষ্টিবিভ্রম। মোট কথা তোমার যা যা আছে সবই তুলে নাও! মাধবী স্যুটকেসটা টেনে নিয়ে গুছোতে বসল। ইতিমধ্যে সুরঙ্গমা টেলিফোনটা ক্র্যাডেলে নামিয়ে রেখেছে। বললে, ডিসিশানটা আমাকে আর নিতে হলো না। আমাকে এখানেই থাকতে হবে আপাতত। ওরা আসছে।

    বাসু একটু ইতস্তত করে বললেন, একটা জরুরী কথা বলি। মন দিয়ে শোন। বুঝে, জবাব দাও! তুমি কি একটা ছোট হাতব্যাগে তোমার কোনো দামী জিনিস—জিনিসটার নাম উচ্চারণ না করে—আমার কাছে গচ্ছিত রাখতে চাও?

    সুরঙ্গমা পূর্ণদৃষ্টিতে ওঁর দিকে তাকিয়ে বলল, বাবার রিভলভারটা আমি জামশেদপুর থেকে আনিনি, মিস্টার বাসু।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article রূপমঞ্জরী – ৩য় খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }