Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প522 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চাঁপারঙের মুর্শিদাবাদী শাড়ির কাঁটা – ১১

    এগারো

    পরদিন ভোরবেলাকার মুম্বাই ফ্লাইটে রওনা হয়ে গেল ওরা দুজন—নিখিল আর কৌশিক। মুম্বাই এয়ারপোর্টে পৌঁছে নিখিল বললে, মুম্বাইয়ে আমরা একত্রে থাকব না। আমি থাকব আমার এক সহকর্মীর বাড়িতে চার্চ গেটে। রাত সাড়ে আটটায় আমি থাকব বান্দ্রায়। কার্টার রোডে সমুদ্রের ধারে একটা ‘সি ফেয়ারার্স ক্লাব’ আছে। সেখানেই অপেক্ষা করব। সাড়ে আট থেকে সাড়ে নয়। তুমি একাই যাবে জনাব আবদুল লতিফের বাড়িতে। ওঁর বাড়ি থেকে ক্লাবটা ইষ্টক- ক্ষেপণ দূরত্বে। প্রয়োজনে আমার সঙ্গে যোগাযোগ কর। লোকটা ধরা পড়লে তো নিশ্চয়ই।

    কৌশিক রাজি হল। ওরা নির্গমনদ্বার দিয়ে বার হয়ে আসতেই নিখিল বলল, ওই প্ল্যাকার্ডটা দেখ। লোকটা তোমাকেই রিসিভ করতে এসেছে। ওর কাছে এগিয়ে যাও।

    যারা যাত্রীদের নিতে এসেছে তাদের মধ্যে একজনের বোর্ডে লেখা ‘কে মিত্র’।

    কৌশিক তার কাছে এগিয়ে আসতেই লোকটা বললে, গুডমর্নিং, স্যার, য়ু আর কৌশিক মিত্র? ফ্রম ব্যারিস্টার…

    কৌশিক পাদপূরণ করল : পি. কে বি—

    —আইয়ে স্যার, মেরা সাথ। সামান?

    কৌশিক জানালো তার হাতে যে অ্যাটাচি কেস আছে এছাড়া তার আর কোন মালপত্র নেই। ওরা এগিয়ে এল পার্কিং লটের কাছে। লোকটা সবিনয়ে বলল, বুরা না মানিয়ে সাব, আপকো ড্রাইভিং লাইসেন্স?

    –বুরা মাননেকা ক্যা সওয়াল? বলতে বলতে কৌশিক তার ড্রাইভিং লাইসেন্সটা দেখিয়ে দিল। গাড়িতে তৃতীয় ব্যক্তি নেই। ফিয়াট গাড়ি। ঘুরতে ঘুরতে চলে এল বান্দ্রায়, কার্টার রোডের কাছাকাছি।

    এয়ারপোর্ট থেকে বেশি দূরে নয়। এসে থামল একটা থ্রি-স্টার হোটেলের সামনে।

    এই হোটেলেও কে. মিত্রের নামে একটা সিঙ্গল বেড ঘর আগে থেকেই বুক করা আছে। আবদুল মিঞার বাড়িতে স্থানাভাব নেই—বড় এ/সি গেস্টরুম আছে। তবু তিনি অগ্রিম এই ব্যবস্থাটি করে রেখেছেন। ড্রাইভার হিন্দিতে জানালো, আমার সাহেবকে বাড়িতে বা দোকানে ফোনটোন করবেন না। প্রয়োজনে তিনিই যোগাযোগ করবেন! আপনি যা যা অর্ডার দেবেন, শুধু ভাউচারে সই করে দেবেন। নগদ পেমেন্ট কিছু করবেন না। আমি রাত সাড়ে আটটায় আবার আসব।

    কৌশিকের সঙ্গে একটা ক্রাইম থ্রিলার ছিল। সে সারাদিন বই পড়ল, টি.ভি দেখল, কর্মহীন একটা অলস দিন অতিবাহিত করে দিল হোটেলে। পশ্চিম দিকের জানলা দিয়ে সমুদ্র দেখা যায়। সেদিকে সূর্যাস্ত হল। শুভ্রপক্ষ গাংচিল দলের ক্রমাগত ওড়াউড়ি। কলকাতায় একটা ফোন করল। তার নিরাপদ পৌঁছানো সংবাদ আর হোটেলের টেলিফোন নম্বর জানিয়ে দিতে।

    রাত সাড়ে-আট পার হয়ে গেল। লোকটা এল আরও আধঘণ্টা পরে। বিলম্ব হওয়ার জন্য মাফি চাইল। তারপর বলল, আসুন স্যর, এবার আমরা যাব-

    —কোথায়? জনাব আবদুল লতিফের বাড়িতে?

    —জি না। বান্দ্রা পুলিশ স্টেশন। ওখানেই ওঁরা আপনার জন্য অপেক্ষা করছেন।

    কৌশিক কথা বাড়ালো না। ‘ওঁরা’ বলতে কারা, তাও জানতে চাইল না। রওনা হল ফিয়াট গাড়িতে।

    বান্দ্রা পুলিস স্টেশনে অপেক্ষা করছিল নিখিল দাশ। ধড়াচূড়া পরা। বলল, এস কৌশিক, আলাপ করিয়ে দিই—ইনি মিস্টার সঞ্জয় সিং, বান্দ্রা পি.এস্-ইনচার্জ। খবর ভাল। লোকটা হাতেনাতে ধরা পড়েছে। আবদুল মিঞার বাড়ির কাছাকাছি। তবে অনেকটা দূরে। কোন ‘ইয়ের ব্যাটা’ বলতে পারবে না : এই ধরিয়ে দেবার মধ্যে জহুরী আবদুল মিঞা-সাহেবের কোনো হাত আছে, নেকলেসটা রসিদ দিয়ে ক্যালকাটা পুলিসের তরফে আমি নিয়েছি। দেখবে?

    কৌশিক ইংরেজিতে বলে, এমন জিনিস তো বাজারে খরিদ করে বউকে উপহার দিতে পারব না, কী বলেন সিংজী? একটু হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করি। তাতেই তৃপ্তি।

    ও.সি. সাহেব তাঁর গোঁফ চুমড়িয়ে শুধু বললেন, সহী বাৎ!

    নেকলেসটা বেশ বড় আর ভারী। তিন তিন ছয় আর মাঝখানে একটা বড় পান্নার লকেট। আবদুল মিঞা বাড়িয়ে বলেননি—লাখ্ দুয়েকের বেশি হওয়াও বিচিত্ৰ নয়।

    নিখিল বলে, লোকটা একটা দাগী জুয়েল থিফ। বার্গলারি কেসে মেয়াদও খেটেছে বার- তিনেক। তবে আলমারি ভেঙে গহনা হাতানো ছাড়া আর কোন দিকে ঝোঁক নেই। খুন- খারাপির চার্জ কোনোদিন ওঠেনি খাতায়। ওর এলাকা মুম্বাই শহর। কলকাতা, দিল্লি, চেন্নাইতেও ওদের গ্যাঙটাকে কাজ করতে দেখা গেছে।

    কৌশিক জানতে চায়, কী নাম লোকটার?

    সঞ্জয় সিং আগ্ বাড়িয়ে হিন্দিতে জবাব দেন, দেখুন স্যার, এসব লোকের হরেক কিসিমের নাম থাকে। এরও আছে। পিতৃদত্ত নামটা কী জানি না। মিস্টার দাশ ওকে দেখে বলছেন, লালবাজারে, মানে ওর কলকাত্তাইয়া নাম : নেড়া করিম।

    কৌশিক জানতে চায়, ‘নেড়া করিম’? কেন? এমন অদ্ভুত নাম কেন? লোকটা কি নেড়া? জবাব দিল সঞ্জয় : মূল ব্রেনারের মতো নিপাট কামানো মাথা। লোকটা অর্ডার দিয়ে গোটা কতক পরচুল বানিয়ে রেখেছে। হায়দরাবাদে ওর মাথায় বিরাট বাবুরি, এখানে ‘গুলিট’-এর মতো কোঁকড়া কোঁকড়া চুল। কোলকাতায় নেড়া বোষ্টম। কোথাও ওর দাড়ি-গোঁফ দুইই আছে; কোথাও দাড়ি আছে, গোঁফ নেই; কোথাও গোঁফ আছে দাড়ি কামানো! কলকাতায় শুনেছি—

    নিখিল ওঁর মুখের কথা কেড়ে নিয়ে বলে, হ্যাঁ। গোঁফ-দাড়ি নিপাট কামানো। তবে বছর দুই-আড়াই ওকে দেখা যায়নি। অন্তত কলকাতার জুয়েলারি মার্কেটে অথবা ধনীর প্রাসাদে।

    সঞ্জয় বললেন, এখানেও সে অনেকদিন লুকিয়ে লুকিয়ে ছিল। দেড় দু-বছরের মধ্যে ও অ্যারেস্ট হয়নি। কোনো জুয়েল লিফটিং বা বার্গলারি কেসে ওকে সন্দেহের তালিকাতেও পাওয়া যায়নি। ওদের গোটা গ্যাঙটাই বেশ কিছুদিন ইনঅপারেটিভ হয়ে গেছিল।

    নিখিল জানতে চায়, গোটা গ্যাঙ বলতে?

    —ওরা দলে ছিল তিন-চার জন। সম্ভবত নেড়া করিমই ছিল দলের পাণ্ডা। আর ছিল একজন বিহারী—সে লোকটাও ইদানীং না-পাত্তা। এছাড়া ছিল একজন গোয়ানিজ ইয়াং-ম্যান : আলফান্সা। সেও কর্পূরের মতো উপে গেছে। আমাদের রেকর্ডে দেখছি—নেড়া করিমের একটি মহিলা সহযোগীও এককালে ছিল। কেউ বলে, সে নেড়া করিমের জরু, কেউ বলে রক্ষিতা। মেয়েটি সুন্দরী। বছর পঁচিশ বয়স। কিন্তু তারও কোনো পাত্তা ইদানীং পাওয়া যাচ্ছে না। মাঝে একবার মাসছয়েকের জন্যে তার সাজাও হয়ে যায়। ধরা পড়ে ওদের সঙ্গে; কিন্তু গহনা চুরির কেস-এ সে ছাড়া পেয়ে যায়—

    নিখিল বাধা দিয়ে বললে, এই যে বললেন, মাসছয়েক মেয়াদ খাটে?

    —হ্যাঁ। মিথ্যে সাক্ষী দেবার অপরাধে। ‘আন্ডার ওথ’ সজ্ঞানে মিথ্যে সাক্ষী দিয়েছিল বলে। সে মেয়েটিও এখন না-পাত্তা।

    কৌশিক জানতে চায়, নেড়া করিম কী করে? থাকে কোথায়?

    —বর্তমান নিবাস বোরিভেলি পাহাড়ের গায়ে একটা মুসলমান বস্তিতে। কাজ করে কান্দিভেলিতে। একটা মটোর রিপেয়ারিং শপে। গাড়ি রঙ করার কাজ। আমরা যাব ওর বাড়িতে এবং দোকানে। আপনাদের আসার জন্য অপেক্ষা করছিলাম।

    নিখিল বলে, নেকলেসটা কীভাবে ওর ঝোলার ভিতর এল, সে বিষয়ে ও নিজে কী বলছে?

    —বলছে : ও জানে না। ধরা পড়েই ওর তাৎক্ষণিক স্টেটমেন্ট : এটা কীভাবে তার বিগ-শপার ব্যাগে এসেছে তা ও জানে না। ওর কোনও ‘শ্যালিকাসুত্র’ ওকে ফাঁসাবার জন্য এভাবে ওর ঝোলার ভিতর একটা সোনার গহনা ফেলে দিয়ে পুলিশে খবর দিয়েছে।

    —সেই ‘শ্যালকপুত্রে’র উদ্দেশ্যটা সম্বন্ধে ও কী বলছে?

    সঞ্জয় বলে ‘দ্যা সেম কক্ অ্যান্ড বুল স্টোরি’। শেষবার মেয়াদ খেটে বেরিয়ে আসার পর ওদের গ্যাঙটা আবার ওকে দলে ফিরে যেতে ডাকছে। কিন্তু ও রাজি নয়, কারণ ইতিমধ্যে ও ‘ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির’ হয়ে গেছে। রঙ মিস্ত্রির জীবিকা ছেড়ে সে যেতে চাইল না। তাই এভাবে ওকে ফাঁসানো হল।

    —দেড়-দুলাখ টাকার একটা নেকলেসের বিনিময়ে?

    —তাই তো বলছি : কক অ্যান্ড বুল স্টোরি! গুছিয়ে একটা মিথ্যা গল্পও বলতে পারেনি লোকটা। নেড়াকে ডেকে পাঠাব? কথা বলবেন?

    কৌশিক বললে, হ্যাঁ, লোকটাকে একবার চাক্ষুষ দেখে নেওয়া যাক। দু-চারটে প্রশ্নও করা যাবে, যাতে ওর বাড়ি বা দোকানের লোকের জবানবন্দির সঙ্গে ওর বক্তব্য কতটা মেলে যাচাই করে নেওয়া যায়।

    ও.সির নির্দেশমতো নেড়া-করিমকে হাতকড়া পরানো অবস্থায় নিয়ে এল একজন সশস্ত্র পুলিস। নেড়া করিম খর্বকায় এবং স্থূলকায়। বয়স পঞ্চাশের এপারে নয়। ও.সি. বললেন, ওই টুলটাতে বস, করিম। তুমি নিজেই নিশ্চয় বুঝতে পারছ—ধরা পড়ার পরেই তুমি যে-কথা বলেছিলে তা দাঁড়ায় না। তোমাকে দলে ফিরিয়ে নিয়ে যাবার চেষ্টায় কোনো শালা তোমার ব্যাগে দু-লাখ টাকার একটা গহনা ঝেড়ে দেবে না! …না, না, কোনো কথা বল না। আগে শোন, আমি কী বলতে চাইছি। এক নম্বর কথা : তুমি ফেঁসে গেছ। হাতে-নাতে ধরা পড়েছ। তোমার আবার মেয়াদ হয়ে যাবেই। কোনো শালা ঠেকাতে পারবে না। কিন্তু তুমি যদি আমাদের বলে দাও—সচ্ সচ্ বাতা দেও—কীভাবে তুমি ওটা পেলে, তাহলে তোমার বিরুদ্ধে গহনাচুরির কেসই আমরা আনব না। আনব চোরাই মাল পাচার করার অভিযোগ। চুরির দায়ে সাজা হলে দু-তিন বছর এই বুড়ো বয়সে ঘানি টানতে হবে। কিন্তু চোরাই মাল বেচার অপরাধ বড় জোর ছ-মাস জেল হবে। বাকি দলটা ধরা পড়লে, তুমি যদি রাজসাক্ষী হও তাহলে বেকসুর খালাসও হয়ে যেতে পার! দেখ ভেবে, সত্যি কথাটা বলবে কি না।

    লোকটা মেদিনীনিবদ্ধ দৃষ্টিতে অনেকক্ষণ চুপ করে ভাবল। তার পর বললে, হুজুর ওরা আমাকে জানে মেরে দেবে।

    —দেবে না। সবকটাকে জেলে ঢুকিয়ে দেব। তাছাড়া তুমি যদি চাও তাহলে তোমাকে রাজসাক্ষী করবই না আমরা। তুমি শুধু জানিয়ে দাও কে কোথায় তোমাকে এটা এনে দিয়েছিল। মুম্বাই বাজারে বিক্রির ব্যবস্থা করতে বলেছিল। আমরা জানি, তুমি ওই দল ছেড়ে দিয়েছ। সৎভাবে কান্দিভালিতে একটা মটোর রিপেয়ারিং শপে রঙ মিস্ত্রির কাজ করছ। আমরা আরও জানি, তোমাদের বাকি সবাই—সেই আলফান্স, আর সেই বিহারী বদমাশটার—কী যেন নাম মনে নেই…

    নেড়া করিম হঠাৎ ধরতাইটা ধরিয়ে দেয়, ব্রিজলাল কাহার—হুজুর!

    —হ্যাঁ, ব্রিজলাল! তাদের কারও সঙ্গে মুম্বাই জহুরী বাজারের জান পচান নেই। তুমিই এতদিন চোরাই মাল পাচার করেছ। মুম্বাই, হায়দরাবাদ, কলকাতার অনেক জহুরীর সঙ্গে তোমার জান্-পচান আছে। এ জন্যই ওরা তোমাকে দলে ফেরত নিতে চাইছে। এসবই আমাদের জানা। এখন বল, কে কখন তোমাকে এই নেকলেস্‌টা এনে দিয়েছে। তুমি বান্দ্ৰা অঞ্চলের ওই কার্টার রোডে ওটা নিয়ে কোথায় যাচ্ছিলে? ওখানে তো কোনও জুয়েলারি দোকান নেই?

    নেড়া করিম বললে, হ্যাঁ হুজুর, কবুল খাচ্ছি—এটা আমার ব্যাগে অজান্তে কেউ ফেলে দেয়নি। আমাকে বেচতেই দিয়েছিল। মালটার দাম স্যার, দু-লাখের কম হবে না। কিন্তু দেড়লাখে বেচতে পারলেই আমি এবার পঁচিশ হাজার টাকা মুনাফা করতাম। কারণ আমাকে ওরা জানিয়েছিল শওয়া লাখ্ পেলেই আমি যেন ওটা ঝেড়ে দিই

    সঞ্জয় জানে—মূল প্রশ্নটা হচ্ছে : কে ওকে বেচতে দিয়েছিল। খুব সম্ভবত এ লোকটা জানে না, ওই অলঙ্কারটার সঙ্গে একটা মার্ডার ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তা জানলে হয়তো পঁচিশ হাজার টাকা মুনাফার লোভে সে এতবড় দায়িত্বটা নিতই না। কিন্তু মূল প্রশ্নটা সরাসরি করার আগে লোকটাকে একটু সহজ হবার সুযোগ দিল। জানতে চাইল, তোমাকে হাজতে এরা ঠিকমতো দানাপানি দিচ্ছে তো?

    নেড়া হাসি-হাসি মুখে বললে, ও-সব কথা ছেড়ে দিন স্যার। আমি তো এই প্রথমবার শশুরালে আসিনি। এখানকার আপ্যায়ন সম্বন্ধে আমার ঠিকঠাক অভিজ্ঞতা আছে।

    সঞ্জয় শুনল না। একটা কন্সটেবলকে ডেকে অর্ডার দিল ওর হ্যান্ডকাফ খুলে নিতে। চার পেয়ালা চা আর বিস্কুট আনারও হুকুম দিল।

    হাতকড়ি থেকে মুক্তি পেয়ে প্রৌঢ় মানুষটা একটু স্বস্তি পেল। সঞ্জয়ের অনুরোধে চা-বিস্কুট সেবনেও আপত্তি করল না। বলল, হুজুর, আমি বুড়ো মানুষ। পুরনো দিনের দোস্তটা এল। বলল, মালটা বাজারে ঝেড়ে দিতে পারলে, বিশ-পঁচিশ হাজার মুনাফা থাকবে। নেকলেসটা ওরা কোথায় হাতিয়েছে—দিল্লি, লক্ষ্ণৌ, না কানপুর—আমি জানি না। জানতে চাইও না। কী দরকার আমার জেনে? আমি তো চিনির বলদ। চোরাই মালটা জান্-পহচান আদমির কাছে ঝেড়ে দেব। নগদ রুপেয়া গুনে নেব। ব্যস্। তারপর শালার গহনা বেরুট গেল না হংকং, তাতে আমার কী দরকার? কবুল খাচ্ছি হুজুর, লোভে পড়ে এটুকু পাপ আমি করেছি। এখন রাখলেও আপনি, মারলেও আপনি।

    সঞ্জয় আক্রমণ করল সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত একটা দিক থেকে। ওর মনটা নরম করতে। বললে, বোরিভেলি বস্তিতে এখন কে, কে থাকে?

    —আমার আব্বাজান, বিলকুল বুঢ়া। ঔর আম্মা। চোখে দেখে না। আমার ঘরওয়ালী আর দুটি মেয়ে।

    –ছেলে নেই তোমার?

    —ছিল হুজুর। ‘ছিল’ বলছি কেন? ‘আছে’। তবে আমার নাগালের বাইরে। জাহাজের খালাসী হয়ে গেছে সে। দরিয়ায় দরিয়ায় ঘুরে বেড়ায়। দু-পাঁচ বছর পরে মন চাইলে আসে। যখন ওদের জাহাজ মুম্বাই বন্দরে ভেড়ে।

    —তোমার ঘরওয়ালীর নাম তো জাহানারা বেগম?

    লোকটা চমকে ওঠে। চোখে চোখে তাকায়। পরক্ষণেই বোধহয় ওর পূর্বকথা মনে পড়ে যায়। বছর-তিনেক আগে শেষবার যখন সে ধরা পড়ে তখন ব্রিজলাল আর জাহানারাও ধরা পড়েছিল। ব্রিজলালের দু-বছর সশ্রম সাজা হয়, আর জাহানারার মাত্র ছয়মাসের। মাথা নেড়ে বলে, জী না হুজুর। আমার জরুর নাম ‘ফতিমা’। এ আমার প্রথমপক্ষের

    —আর জাহানারা? যে গতবার তোমার সঙ্গে ধরা পড়েছিল। তারও তো ছয়মাসের মেয়াদ হয়ে যায়! সে কোথায়?

    নেড়া উঠে গিয়ে জানলা দিয়ে বাইরে ‘থুক’ ফেলে এল। গুছিয়ে নিয়ে বসে বললে : দোজখ্।

    —দোজখ্? মতলব?

    ধীরে ধীরে একটি বেদনার কাহিনী মেলে ধরল নেড়া। তার নিজের দু-বছরের মেয়াদ হয়েছিল। তার দ্বিতীয় পক্ষের বিবি জাহানারার হয়েছিল মাত্র ছয় মাসের কারাদণ্ড। নেড়া আশা করছিল মুক্তি পাবার পর জাহানারা আসবে তার খসমের সঙ্গে দেখা করতে। গরাদ দেওয়া খুপরির ভেতর থেকে অনেক অনেক দিন পর সে দেখবে তার সুন্দরী স্ত্রীকে। কিন্তু জাহানারা এল না। এক মাস দু’মাস তিনমাস। তারপর একদিন সাক্ষাত সময়ে দেখা করতে এল ওর প্রথমপক্ষের বিবি, ফতিমা। তার কাছেই পেল সংবাদ : পাখি উড়ে গেছে। ওরই হাতে গড়া সাগরেদ আলফানসোর সঙ্গে।

    চরম বেইমানি! আলফানসোকে নেড়াই নিয়ে এসেছিল এ লাইনে। হাতে ধরে সব কিছু শিখিয়েছিল। গতবার সে ধরা পড়েনি। ফাঁক-ফোকর দিয়ে পালিয়ে যেতে পেরেছিল। পুলিসে তার পাত্তা পায়নি। জাহানারা যেদিন জেনানা ফাটক থেকে ছাড়া পায় সেদিন ভিড়ের মধ্যে লুকিয়ে অপেক্ষা করছিল আলফন্স! জাহানারা জানত, সে নিজে অনিকেত। এতদিন সে ছিল একটা বস্তির ঘরে, নেড়া করিমের সঙ্গে। সে আশ্রয় হাতছাড়া হয়ে গেছে। ওর খসম্ এখনো মেয়াদ খাটছে। জেলখানা থেকে মুক্তি পেল জাহানারা বিলকুল খালি হাতে। তবে একেবারে নাঙ্গা ভিখারি নয়। তার ছিল দু-দুটি সম্পদ—জওয়ানি আর খুবসুরতি।

    না, জাহানারাকে দোষ দেয় না নেড়া। মেয়েটার সঙ্গে তার নিজের বয়সের ফারাকটাও তো দেখতে হবে। জাহানারা পঁচিশ, ও তার ডবল : পঞ্চাশ। নেহাত দম্পতি—তাই এতদিন ব্রিজলাল বা আলফান্স জাহানারার দিকে হাত বাড়ায়নি। আর মাঝে মধ্যে বাড়াতো কি না তাই কি ছাই ও জানে? মোট কথা প্রথমা বিবির মুখে শুনল : আলফন্সের সঙ্গে জাহানারা নিকা করেছে। ওরা দুজনেই ভারত পুলিসের নাগালের বাইরে পালিয়ে গেছে। কে জাহানারার প্লেন ফেয়ার দিল নেড়া জানে না—আন্দাজ করতে পারে মাত্র। আলফান্স ওর সঙ্গে হয়তো যায়নি হয়তো বেচে দিয়েছে কোন আরব শেখকে। জাহানারার বিমানভাড়া হয়তো মিটিয়েছে তার সেই দুই সম্পদই : খুসুরতি আর জওয়ানি।

    হয়তো সে এখন সেই মধ্য প্রাচ্যের আরব শেখের হারেমে আরামেই আছে। দুঃখ করে না নেড়া। এ তার বদনসিব্।

    সঞ্জয় ওকে খোলাখুলি বললে, দেখ করিম! তুমি ওই নেকলেন্সটা চুরির ব্যাপারে জড়িত এটা আমরা বিশ্বাস করি না। কিন্তু কে তোমাকে ওটা বিক্রি করতে দিয়েছে তার নামটা তুমি যদি না জানাও তাহলে বাধ্য হয়েই তোমার বিরুদ্ধে চুরির কেস সাজাতে হবে। আমরা ইতিমধ্যেই জেনেছি—নেকলেসটা চুরি গেছে কলকাতাবাসী এক শেঠ-এর বাড়ি থেকে। তাই কলকাতা থেকে এসেছেন এই অফিসার। উনি শনাক্ত করেছেন গহনাটা। এখন বল, তুমি কতদিন আগে কলকাতা গেছিলে?

    নেড়া তার চিবুক চুলকিয়ে বললে, য়্যাদ নেই হুজুর। মেয়াদ খেটে বার হয়েছি আজ একবছরের উপর। জেলেও ছিলাম বছর দেড়েক। ফলে, কলকাতায় শেষবার গেছি অন্তত তিন-চার বছর আগে।

    —তাহলে তুমি কী স্থির করলে বল? তুমি বুড়োমানুষ। কথা আদায় করতে ওসব ‘কচুয়া ধোলাই টোলাই’ তোমাকে দেব না। তোমার সামনে দুটি পথ খোলা আছে। এক : কে তোমাকে নেকলেস্টা এনে দিয়েছিল তার নাম এবং কোথায় তোমার কাছ থেকে দেড়লাখ টাকা সে নিতে আসত তা আমাদের গোপনে জানিয়ে দাও। আমরা যে তোমার মাধ্যমে জেনেছি এটা গোপন থাকবে—

    —তাই কি কখনো থাকে, হুজুর?

    —থাকে! পুলিস কোথা থেকে কীভাবে কোন্ খবর পায় তা কি জানাজানি হয়? এই যে আজ তোমাকে বান্দ্রা স্টেশনের বাইরে অটো রিকশায় ওঠার মুখে চোরাই মালসহ আমরা গ্রেপ্তার করলাম, এটা কীভাবে? বান্দ্রা এলাকায় তো কোন সোনারূপার দোকান নেই। তাহলে তোমাকে ধরলাম কীভাবে?

    —সেটাই তো ভাবছি, হুজুর।

    —সে ভাবনা ছেড়ে দাও। বরং ভেবে দেখ কোন সাজাটা তোমার মনপসন্দ। চোরাই মাল বিক্রির চেষ্টায় বড় জোর ছয় মাস? নাকি দু-লাখ টাকার গহনা চুরি—যার মেয়াদ না হোক দুটি বছর ঘানি টানা!…না, না, এখনি কিছু ফস্ করে বলে বস না। একটা রাত ভাল করে ভেবে দেখ। কাল সকালে জবাব দিও!

    কান্দিভেলি বা বোরিভেলিতে সমস্যার কোনও সুরাহা হল না। কান্দিভেলিতে যে মটোর রিপেয়ারিং শপে ও রঙ মিস্ত্রির কাজ করে তার মালিক যুক্তপ্রদেশের লোক : রামবিলাস মিশির। প্রৌঢ় নির্বিরোধী ব্রাহ্মণ। দোকানটা মাত্র বছর দুই-তিন খুলে বসেছেন। কিন্তু প্রচুর কাজ পাচ্ছেন। আট-দশ জন লোক দিবারাত্র কাজ করে তাঁর গ্যারেজে। হ্যাঁ, মহম্মদ করিমকে তিনি চেনেন। বোরিভেলির একটা মুসলমান বস্তিতে থাকে। হ্যাঁ, উনি জানেন, লোকটা দাগী আসামী। বছর দুই আগে জেল থেকে বার হয়ে ফ্যা-ফ্যা করে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। উনিই দয়া করে তার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। রামজীর কৃপা হলে হয়তো তার জীবনযাত্রাই বদলে যাবে। না—গতমাস খানেকের মধ্যে মহম্মদ করিম একদিনও কামাই করেনি। গতকাল সে অবশ্য ‘উটি টাইমে’ ছুটি নিয়েছিল। আজ এত বেলাতেও সে কেন যে আসেনি তা উনি আন্দাজ করতে পারছেন না। জ্বরজ্বারি হয়ে থাকবে। অথবা তার আব্বাজান—তিনি খুব বুড়ো—তাঁরই কিছু হয়ে থাকবে।

    অর্থাৎ নেড়া করিম যে নেকলেসচুরির দায়ে থানার হাজতে এ সংবাদটা তার অজানা।

    বোরিভেলির বস্তিতেও একই হালৎ। বাড়ির লোক জানে না, কেন কাল রাত্রে মানুষটা ঘরে ফিরল না। ওরা আশঙ্কা করেছিল : পথ দুর্ঘটনা! বাস-অ্যাকসিডেন্ট! পুলিশ দেখে বেরিয়ে এল সবাই। জড়ো হল বস্তির আশপাশের মানুষ। কী হয়েছে, স্যার?

    সঞ্জয় সিং অনর্গল মিথ্যার সাহায্যে বস্তিবাসীর কৌতূহলকে প্রশমিত করল। হ্যাঁ, মহম্মদ করিম কাল বান্দ্রা স্টেশনের কাছে একটা মটোর গাড়ির ধাক্কা খেয়েছে। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আঘাত মারাত্মক নয়। দু-চার দিনের মধ্যেই ওকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেবে। ওর জ্ঞান আছে। এই ঠিকানায় নাকি ওর জরু ‘ফতিমা বিবি’ থাকে। তার সঙ্গে দেখা করতে চায়। ‘ফতিমা’ কার নাম?

    ভিড় ঠেলে এগিয়ে আসে বছর চল্লিশের একটি মহিলা মাথায় ঘোমটা তুলে। জানতে চায়, হাত পা কাটা যায়নি তো হুজুর?

    –না, না, তেমন কিছু নয়। দুদিনেই ছাড়া পেয়ে যাবে হাসপাতাল থেকে।

    সঞ্জয়ের সঙ্গে এক মহিলা পুলিসও এসেছিল, সে বলল, ভিতরে চলুন দিদি, কথা আছে।

    ভিতরে নিয়ে গিয়ে বলল, করিম ভাই ভালই আছে। ওর হাঁটুতে কিছুটা চোট লেগেছে। শরীরে আর কোনও ক্ষতি হয়নি। আপনি ওর জন্য একটা লুঙ্গি আর ফতুয়া একটা পোঁটলায় বেঁধে দিন। আর, টুথব্রাশ ব্যবহার করে কি করিম ভাই?

    —জী না। দাঁতন।

    —ও আচ্ছা। মেয়েরা বাড়িতেই থাক। বুড়ো দাদু দিদাকে দেখভাল করতে পারবে। আর আচ্ছা, ফতেমা দিদি, ‘জাহানারা’ কার নাম?

    রীতিমতো চমকে উঠল ফতিমা, কেও?

    —প্রথম দিকে, যখন ওঁর ভালো করে জ্ঞান হয়নি তখন উনি বার বার জাহানারার কথা বলছিলেন। আপনার মেয়ে দুটির মধ্যে কারও নাম কি-

    কথার মাঝখানেই ফতিমা বলে ওঠে, জী নেহী! বহ্ ইহা নেহী রহতি!

    —গুজর গয়ী?

    —জী নহী! ভাগ গয়ী।

    বুঝিয়ে বলে, সে ছিল মহম্মদ করিমের দ্বিতীয় পক্ষের বিবি। বড়ি বদমাইশ। পুলিশনে উকী পকড় লি। ছে মাহিনেকা লিয়ে সাজা ভি ছয়ী….

    —তারপর? খালাস হবার পর?

    —না জানে কোথায় ভেগেছে! তবে আমার ঘাড় থেকে তো নেমেছে! খোদার মেহেরবানি।

    —সে কি এখানেই থাকত? এই বাড়িতে?

    —জী নহী! অন্য বস্তিতে। কিন্তু তার খোঁজ এত নিচ্ছেন কেন? সে তো দু-বছর হল নাপাত্তা!

    —না…মানে…অসুস্থ লোকটা তার নাম করে বার বার খোঁজ করছে—

    —তবে বলুন দোজখে তার পাত্তা নিতে! সে দোজখেই আছে!

    একটু ইতস্তত করে মহিলা পুলিস জানতে চাইল, তার কোন তসবির মানে ফটো টটো আছে?

    ফতিমা রুখে ওঠে, জী নহী! বহ্ কবি কী নাম ইঁহা মৎ লিজিয়ে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article রূপমঞ্জরী – ৩য় খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }