Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প522 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চাঁপারঙের মুর্শিদাবাদী শাড়ির কাঁটা – ১২

    বারো

    দিন দুই পরে ওরা ফিরে এল কলকাতায়। নেড়া করিম তার দলের লোকের নাম বলেনি। মানে বলেছে, কিন্তু ‘ধরি মাছ, না ছুঁই পানি’ পদ্ধতিতে। হ্যাঁ, নেকলেস্টা ওকে বিক্রি করতে দিয়েছিল ওর সেই পুরনো দিনের দোস্ত—ব্রিজলাল কাহার। কিন্তু তার পাত্তা ও জানে না। কথা ছিল, ব্রিজলাল এসে ওর কান্দিভেলির কর্মস্থলে মাঝে মাঝে ফোনে খবর নেবে। মালটা ঝেড়ে দেওয়া হয়েছে জালে সে ওই দোকান থেকেই নগদে সওয়া লাখ টাকা নিয়ে যেত। মুম্বাইয়ে সে কোন ঠিকানায় থাকে তা নেড়া করিম জানে না। ব্যস! চ্যাপ্টার ক্লোজড্!

    খবরে খুশি হতে পারলেন না দস্তুর-সাহেব। নেকলেস্টা উদ্ধার হয়েছে জেনে তিনি বিন্দুমাত্র উৎসাহ দেখালেন না। নিখিল দাশ নিজেও খুশি হতে পারেনি।

    বাসু-সাহেব ওদের কাছ থেকে সব কিছু খুঁটিয়ে শুনলেন। বললেন, সমাধানের দিকে আমরা এখনো একপদও অগ্রসর হতে পারিনি। এমনকি দ্বিধারাটাও এখনো একমুখি হল না।

    সুজাতা বলে, ‘দ্বিধারা’ মানে?

    —হত্যার উদ্দেশ্যটা তো দুই ধারায় বইছে। প্রথম থেকেই। যদি সম্পত্তির লোভে প্রফেশনাল মার্ডারার এনগেজড করা হয়ে থাকে তাহলে প্রাইম সাস্পেক্ট রূপেশ মালহোত্রা। সেকেন্ডলি : পামেলা কাত্রোচ্চি। উভয় ক্ষেত্রেই খুনীকে সম্ভবত ওই আট দশ লাখ টাকায় পুরস্কৃত করা হয়েছে। আর যদি সম্পত্তির লোভে কমলকলিকে খুন করা না হয়ে থাকে তাহলে আমাদের জানতে হবে—কে, কে জানতো যে ফার্স্ট-ক্লাস কূপেতে কমলকলি অরক্ষিতা অবস্থায় দশ লক্ষ টাকার গহনা নিয়ে চলেছে!

    সুজাতা বলে, আমরা জানি : অনেকেই সেটা জানত। আবার এমনও হতে পারে আরও অনেকে হয়তো জানতো, যে খবর আমরা জানি না।

    নিখিল বলে, তা ঠিক। রূপেশ আর বিক্রমজিৎ জানত। দস্তুর সাহেব, পামেলা জানতেন, সোমা হাজরা জানত, হয়তো হেড বাবুর্চি ইসমাইল, বা ওঁর হেড বেহারাও জানত। এমনকি দস্তুর-সাহেবের কাজিনের পুত্র, পুত্রবধূ—মানে, যাদের বিয়ের অ্যানিভার্সারিতে কমলকলি চাঁদিপুর যাচ্ছিল, হয়তো তারাও তথ্যটা জানত। আমরা তা জানি না।

    বাসু বললেন, আরও একজন জানত। তার নাম তুমি করলে না।

    নিখিল বলে, আর কে?

    —কমলকলি নিজে।

    পরিবেশটা এতই ঘন হয়ে উঠেছে যে, এ রসিকতায় কেউ কিন্তু হাসল না। বাসু অতঃপর জানতে চান, নেড়া করিমের এমপ্লয়ার, মানে সেই কান্দিভিলির রিপেয়ার শপ ওনারের বয়স কত? দেখতে কেমন?

    কৌশিক বলে, টিপিক্যাল বিহারী ব্রাহ্মণ। তবে স্বাস্থ্য ভালো। লম্বা-চওড়া। কপালে ত্রিপুণ্ড্রক, মাথায় কাঁচাপাকা চুলে লম্বা টিকি। চোখে বাইফোকাল। রঙ কালো। বয়স প্রায় পঁয়তাল্লিশ।

    বাসু চোখ বন্ধ করে শুনছিলেন। হঠাৎ বলেন, আর নেড়া করিম? বেঁটে আর মোটা?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ। রীতিমতো বেঁটে আর মোটাও। কিন্তু আপনি কী ভাবে….

    —ব্যস্ ব্যস্ ব্যস্। আর কিন্তু টিন্তু নয়। জিগ্‌ ধাঁধার ওই একটা পীস্ই খুঁজে পাচ্ছিলাম না। এখন নাইন্টি-এইট পার্সেন্ট চান্স আমার সলুশান হয়ে গেছে। বাকি দু-পার্সেন্ট লুকানো আছে লাউডন স্ট্রিটে। রানু, তুমি দস্তুরকে একবার টেলিফোনে ধর তো!

    রানীদেবী তাঁর হুইল চেয়ারে পাক মেরে টেলিফোনের কাছে এগিয়ে গেলেন। বাসু বলেন, নিখিল, তোমারও একটা জরুরী কাজ আছে। এখনই সঞ্জয় সিংকে একটা ফ্যাক্স করে দাও—কান্দিভেলির রামবিলাস মিশিরকে যেন তিন শিফটে নজরবন্দি করে রাখে। জাস্ট ফর টু ডেজ। লোকটা যেন পালাতে না পারে।

    কৌশিক বলে, রামবিলাস মিশির? কেন? তার কী অপরাধ?

    —বাঃ! তুমিই তো বললে, কপালে ত্রিপুণ্ড্রক, মাথায় টিকি।

    রানু টেলিফোনে দস্তুরকে ধরেছেন। বাসু বললেন, লুক হিয়ার মিস্টার দস্তুর! সেদিন সন্ধ্যায় আপনি অযাচিত আমার বাড়িতে এসেছিলেন। আজ আমি একটা রিটার্ন ভিজিট দিতে চাই। রাইট নাউ। ইন হাফ অ্যান আওয়ার! আপনার সময় হবে?

    —হবে, নিশ্চয় হবে। কিন্তু ব্যাপারটা কী?

    —আপনি টেপ-রেকর্ডারের বোতামটা টেপেননি তো?

    —না, না! কী যে বলেন!

    —তাহলে বলি, আপনি আমাকে যে কাজটা অ্যাসাইন করে ছিলেন তার সমাধান হয়ে গেছে-

    —মানে? আপনি জানেন, কে ট্রেনের কামরার মধ্যে কলিকে…

    উনি বাক্যটা শেষ করার আগেই বাসু-সাহেব বলেন, ইয়েস্ স্যার! শুধু তাই নয়, সেই গোলাপীখামে যে ভদ্রলোক চিঠি লিখেছিলেন তাঁর পরিচয়টাও। বাই দ্য ওয়ে মিস্ পামেলা কাত্রোচ্চি বাড়িতে আছেন তো?

    —না নেই। আমরা পুরী থেকে ফিরে আসার সময় সে ওখানেই থেকে গেছে। ‘তোশলী স্যান্ডস বীচ’-এ। আজই তার ফেরার কথা।

    —অন্তত মিস্ সোমা হাজরা তো আছে? তার কাছে দু-একটা কথা জানার আছে।

    দস্তুর বলেন, সরি স্যার। সেও কলকাতায় নেই। দুদিনের ছুটি নিয়ে বর্ধমানে গেছে। তবে আজই তার ফেরার কথা। সন্ধ্যাবেলা।

    —তা হলে আমরা এখনই আসব?

    —বাই অল মীন্‌স্‌।

    —আমার সঙ্গে নিখিল আর সুকৌশলী দম্পতি থাকবে—

    —য়ু আর অল ওয়েলকাম!

    দস্তুর-সাহেব দস্তুরমতো উত্তেজিত। বাড়ির বাইরে পায়চারি করছিলেন। পর পর দুখানি গাড়ি এসে ভিড়ল পোর্টেকোতে। পুলিসের জিপ আর কৌশিকের ফিয়াট। সেদিনকার সেই বেয়ারা এগিয়ে এসে খুলে দিল ফিয়াট গাড়ির দরজা। দস্তুর আপ্যায়ন করে নিয়ে গিয়ে বসালেন তাঁর বৈঠকখানায়।

    বাসু সরাসরি কাজের কথায় এলেন, আমি কলি-মার ঘরটা একটু দেখব। আপনি আপনার সেই ডুপ্লিকেট চাবির থোকাটা নিয়ে আমাকে পথ দেখিয়ে নিয়ে চলুন।

    কৌশিক, সুজাতা ও নিখিলকে বললেন, তোমরা এখানেই অপেক্ষা কর। আমরা পনেরো মিনিটের ভিতরেই ঘুরে আসছি।

    ঘর থেকে নির্জন করিডোরে বার হয়েই হঠাৎ ঘুরে দাঁড়ালেন দস্তুর। বাসুর হাত দুটি ধরে বললেন, টেল মি স্যার? ইজ ইট রূপেশ?

    –নো! ইট ইজ নট! কিন্তু এভাবে মাঝপথে আমাকে রুখে দেবেন না প্লিজ। লোকটাকে আমি চিহ্নিত করেছি। তার পালাবার পথ নেই। কিন্তু নামটা জানানোর আগে আই মাস্ট সিকিওর দ্য মোস্ট ভাইটাল কনক্লুসিভ এভিডেন্স! সবার আগে দেখতে হবে, সেটা যেন বেহাত হয়ে না যায়। আসুন।

    দস্তুর আর কথা বাড়ালেন না। দুজনে এসে দাঁড়ালেন কমলকলির তালাবন্ধ ঘরের সামনে। দস্তুর চাবির গোছা থেকে একটি চাবি বার করে গোদ্‌রেজের তালা খুলে দিলেন। ঘরে ঢুকেই তিন-চারটে সুইচ জ্বেলে দিলেন। ঘরটা আলোয় আলো হয়ে গেল। চালু হল এয়ার- কন্ডিশনারটা। বন্ধ করে দিলেন ফ্লাশ পাল্লাটা।

    ঘরে একটা প্রকাণ্ড ডবলবেড খাট। একান্তে একটা টেবিলের উপর কমলকলির একটা এনলার্জড ফটো। মাল্যভূষিত। ঘরে ধুনোর গন্ধ। একান্তে সোফা সেটি, সেণ্টার টেবল। বাসু চারিদিকে তাকিয়ে নিয়ে একটা সোফায় বসে বললেন, বসুন। আমি আপনার মনের অবস্থা বুঝতে পারছি। আমার ধারণা : আমি সমাধানে উপনীত হয়েছি—কিন্তু একটু আগেই যে-কথা বললাম : মার্ডার কেস-এ একেবারে পাথুরে প্রমাণ দিতে না পারলে ডেথ্ সেন্টেন্স হয় না। সেই পাথুরে প্রমাণের সন্ধানেই আমি এখন এসেছি।

    দস্তুর বললেন : সার্চ দ্য রুম, ইফ য়ু প্লিজ।

    —দেখছি। তার আগে জানিয়ে দিই—আপনাকে টেনশনমুক্ত করতে—সেই গোলাপী রঙের খামে চিঠিখানা বিক্রমজিৎ লেখেনি। আপনার কন্যার সঙ্গে তার বিবাহোত্তর জীবনে কোনোও অসৎ সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি।

    —তাহলে কে লিখেছে সেই চিঠিখানা? যেটা আমি তার প্রাইভেট ড্রয়ার থেকে আবিষ্কার করি? আর কে হতে পারে?

    —বলছি। তার আগে আপনার হেড কুককে একবার এঘরে আসতে বলুন।

    —হেডকুক? অফ্ অল পার্সেন্স, আমার হেডকুক? কেন? …ও আয়াম সরি।

    ঘরের সুইচবোর্ডে একটা কলবেল ছিল। সেটা টিপে দিলেন। এল একজন খিদমদগার। তাকে বললেন, ইসমাইলকে ডেকে দে। বল জরুরী দরকার।

    মিনিট-খানেকের ভিতরেই ছুটতে ছুটতে এসে হাজির হল মহম্মদ ইসমাইল। দস্তুর প্যালেসের শেফ। খানদানী হোটেলে যেমন থাকে সফেদ চোঙামতো টুপি মাথায়। নত হয়ে সেলাম করে বললে, হুকুম ফরমাইয়ে সা’ব? ক্যা বানানা হ্যয়?

    দস্তুর তাকে বুঝিয়ে বললেন ওকে ডেকে পাঠিয়েছেন বাসু-সাহেব—ওঁর খানদানী মেমান। লোকটা পুনরায় সেলাম করে বাসু-সাহেবের দিকে ফিরে জিজ্ঞাসু নেত্রে তাকালো। বাসু হিন্দিতে বললেন, না, ইসমাইল কোন খাবার বানাবার ফরমায়েশ দেব বলে তোমাকে ডেকে পাঠাইনি। তোমার কাছে দু-একটা খবর জানতে এসেছি। তবে কথাটা তোমার ঠিক ঠাক মনে নাও থাকতে পারে। পাঁচ সাতদিন আগেকার কথা। তোমার যদি ঠিক মতো য়্যাদ না হয় তাহলে কিচেনের আর পাঁচজন বাবুর্চি খানসামার সঙ্গে শলাহ্ করেও আমাকে জানাতে পার। আমি অপেক্ষা করব।

    —লেকিন সওয়াল ক্যাঁ হ্যয়, জনাব?

    —মিসেস মালহোত্রা, মানে কমলকলি দিদিমণি যেদিন—মানে, বুধবার ঊনত্রিশ তারিখ সকালবেলা—ট্রেন ধরতে যান, সেদিন সকালে তিনি কি ব্রেকফাস্ট খেয়ে যান?

    —জী হাঁ সা’ব! মেরা য়্যাদ হ্যায়।

    —কী খেয়েছিলেন তা কি তোমার মনে আছে?

    ইসমাইল লক্ষ্ণৌয়ী বিনয়ে বিগলিত হয়ে খানদানী উর্দুতে যা নিবেদন করল তা এইরকম :

    —জী হাঁ সরকার! আমার সম্পূর্ণ স্মরণে আছে। কেও কি আমার হাতের রান্না দিদিমণি সেই শেষবার গ্রহণ করেন। তারপর আর কিছু তাঁকে রেঁধে খাওয়াতে পারিনি। সেদিন ব্রেকফাস্টে আমি তাঁকে পরিবেশন করেছিলাম চারখানি আলুর পরোটা, মুর্গ-মটর, একটা ওমলেট, সালাড, আর দু পিস সন্দেশ। লেকিন উনি মাত্র দু-পিস্ পরোটা নিলেন। ওমলেট ছুঁলেন না। সন্দেশও একটা মাত্র খেলেন।

    –কোথায় বসে খেলেন? ‘ডাইনিং-হল’-এ?

    —জী না। ওঁর ওয়াক্ত কম ছিল। উনি ট্রেন ধরার জন্য তাড়াহুড়ো করছিলেন। আমি এঘরেই ওঁর খাবার এনে দিয়েছিলাম। ওই টেবিলে বসে উনি ঝট্‌পট ছোট-হারি খেয়ে নিলেন।

    —ঘরে তখন আর কে ছিল? আর কে তাঁকে এঘরে বসে খেতে দেখেছে?

    —আর কে থাকবে হুজুর? সোমা দিদিমণি শুধু ছিলেন। আর পরে রতন জুঠা বর্তন উঠিয়ে নিতে এসেছিল। সে দেখেছে। রতনের নিশ্চয় য়্যাদ হবে। কেও কি দিদি রতনকে বলেছিলেন, ‘রতন পরোটা আর ওমলেট জুঠা করিনি। তুই খেয়ে নিস্।’

    বাসু জানতে চান, তখন দিদিমণি কি একটা কালো শিফন শাড়ি পরে ছিল?

    —হুজৌর, ‘শিফন’ কাকে বলে আমি জানি না। তবে দিদিমণি ঘোর কালো রঙের মসলিন- তরিকা শাড়ি পরেছিলেন, ওই কাপড়ে তৈরি জ্যাকেট ভি পিনে হুয়ে ব্রেকফাস্ট খায়ী!

    বাসু দস্তুরের দিকে ফিরে ইংরেজিতে বললেন, লোকটার মেমারি অ্যাপ্রিশিয়েট করতে আমি যদি ওকে একশ টাকা বক্‌শিস্ দিই আপনি কিছু মনে করবেন?

    —অফকোর্স! বলে দস্তুর ঘুরে দাঁড়ালেন তাঁর হেডকুকের দিকে। পকেট থেকে একটা পাঁচশ টাকার নোট বার করে তাকে দিয়ে বললেন, সাহেব তোমাকে এই ‘তোফা’ দিতে বলছেন, দিদিমণিকে তুমি ভালবাস, তাঁর কথা তোমার এত চমৎকার ভাবে মনে আছে। তারই জন্যে এই তোফা।

    লোকটা লম্বা সেলাম দিয়ে বিদায় হল।

    বাসু বললেন, এবার চলুন, মিস্ সোমা হাজার ঘরটা দেখব।

    —আসুন।

    কিন্তু সোমা হাজরার ঘরে ঢোকায় বাধা পড়ল। সে ঘরটা প্রাসাদের পশ্চিমপ্রান্তে, একান্তে। ঘরের দরজা দু-পাল্লার, সেগুনকাঠের রেইজড-প্যানেল পাল্লা। তাতে গোদরেজের তালা নেই। দুটি পিতলের কড়ায় ঝুলছে একটা মোক্ষম নবতাল। তদুপরি হ্যাপ্ বোল্ট-এ আর একটা মজবুত চাইনিজ লক! দস্তুর বললেন, এ তালার ডুপ্লিকেট চাবি আমার রিঙে নেই দেখছি। মনে হচ্ছে, সোমা নিজেই এই দুটি তালা কিনে এনে লাগিয়েছে।

    বাসু বললেন, তাহলে আপনার ড্রাইভারকে ডাকুন। গাড়ি থেকে টুল-বক্সটা নিয়ে আসুক। তালা দুটো এখনি ভাঙতে হবে। তাছাড়া নিচে খবর পাঠান—ওরাও চলে আসুক। সর্বসমক্ষে তালা দুটি আমি ভাঙতে চাই।

    দস্তুর বললেন, আজ বিকালেই কিন্তু মিস্ হাজরা ফিরে আসবে।

    —আই ডোন্ট কেয়ার! আধঘণ্টার ভিতর তালা দুটি ভেঙে ফেলতে হবে।

    .

    তাই হল। ওঁরা বৈঠকখানায় গিয়ে আবার বসলেন। আধঘণ্টার মধ্যেই দস্তুরের সেক্রেটারি—পামেলা নন, ইনি পুরুষ—এসে খবর দিলেন তালা দুটি ভাঙা হয়েছে; কিন্তু হ্যাম্প-বোল্ট বা হুড়কো এখনো খোলা হয়নি।

    ওঁরা উপরে উঠে এলেন। বাসু স্বহস্তে হুড়কো সরিয়ে ঘরে ঢুকলেন। ছোট ঘর। দুটি জানলাই বন্ধ। একটা সিং বেড খাট। ড্রেসিং টেবিল। খান দুই চেয়ার। একটা ক্যানভাসের ইজিচেয়ার, ওপাশে দেওয়াল ঘেঁষে গোদরেজের স্টিল-আলমারি। খাটের উপর বিছানার চাদর মেঝে পর্যন্ত লুটানো

    সেটা তুলে দেখা হল। নিচে খান-দুই স্যুটকেস। তালাবন্ধ

    বাসু জানতে চান, ওই স্টিল-আলমারিটা কার? আপনার না সোমা হাজরার?

    —আলমারিটা হাউস-প্রপার্টি। কিন্তু ভিতরে বোধহয় রাখা আছে সোমার কাপড় জামা। আমি ঠিক জানি না। কলি অথবা পামেলা থাকলে বলতে পারত।

    —ওর চাবি আছে আপনার কাছে?

    —ঠিক জানি না। চাবিটা ছিল ‘কলি’র কাছে। সে হয়তো সোমাকে দিয়েছে। তবে এর ডুপলিকেট হয়তো দীর্ঘদিন আমার কাছেই অব্যবহৃত পড়ে আছে।

    —লেটস সি।

    —কিন্তু কাজটা কি ঠিক হবে? সোমা তো আজ সন্ধ্যাতেই…

    কথাটা শেষ হল না। বাসু এগিয়ে এসে ওঁর হাত থেকে চাবির গোছাটা কেড়ে নিয়ে দস্তুরের সেক্রেটারিকে দিলেন। বললেন, প্লিজ ট্রাই টু ওপন আপ্

    দু-তিনটি থোকায় ত্রিশ-চল্লিশটা চাবি। ভদ্রলোক একটার পর একটা চাবি দিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যান। নিখিল অস্ফুটে প্রশ্ন করে, ওর ভিতরে আপনি কী খুঁজতে চাইছেন, স্যার? কী থাকতে পারে ওই আলমারির ভিতর?

    —দ্য লাস্ট পীস্ অব দ্য জিগ্‌গ্স পাজল। সেই চাঁপা রঙের মুর্শিদাবাদী শাড়িখানা—যেটা পরে কলি এ বাড়ি ছেড়ে যায়।

    নিখিল প্রতিবাদে কী একটা কথা বলতে যায়। তার আগেই দরজার কাছ থেকে শোনা যায় মহিলা কণ্ঠে একটা আর্তনাদ : একি? একী? আপনারা এখানে কী করছেন? তালা ভেঙে আমার ঘরে ঢুকে…

    সবাই এপাশ ফিরে দেখেন দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে সোমা হাজরা। তার কাঁধে একটা শান্তিনিকেতনী ঝোলা ব্যাগ। আর কী আশ্চর্য! তার পরিধানে চাঁপা রঙের একটা মুর্শিদাবাদী শাড়ি!

    বাসু বলে ওঠেন, দেয়ার য়ু আর!

    তারপর সুজাতা আর কৌশিকের দিকে ফিরে বলেন, কী হে ‘সুকৌশলী’? চাঁপা-রঙের মুর্শিদাবাদী শাড়ি নাকি বাজারে বিক্রি হয় না।

    ঠিক তখনি দস্তুরের সেক্রেটারির হাতের চাপে আলমারির হ্যান্ডেলটা ঘুরে যায়। তিনি বলে ওঠেন, খুলে গেছে, স্যার!

    সোমা হাজরা ঝাঁপিয়ে পড়ে বাধা দিতে যায়। তাকে রুখে দেয় নিখিল। বলে, প্লিজ ডোন্ট অবস্ট্রাক্ট আস। আলমারির ভিতর কী আছে আমাদের দেখতে দিন। আপনার সামনেই আমরা তা দেখব।

    —না, না, না! তা আপনারা পারেন না। আগে সার্চ ওয়ারেন্ট না করিয়ে আমার ঘরের ভিতরেই আসতে পারেন না।…

    বাসু বলেন, কারেক্ট! আন্ডার সেকশান, 442 অব ইন্ডিয়ান পেনাল কোড অনধিকার প্রবেশ! তাছাড়া তালাভাঙা, আন্ডার সেকশান 445 অব I. P. C

    সোমা ঘুরে দাঁড়ায় বাসু-সাহেবের মুখোমুখি। গলায় বিষ ঢেলে বলে, আপনি, আপনিই যত নষ্টের গোড়া। আপনি নিজেকে কী ভাবেন বলুন তো? শাহ-য়েন-শাহ্! বাদশাহ্? যা ইচ্ছে করবেন?

    বাসু-সাহেব একটি ছদ্মকুর্নিশ করে বলেন, জী নেহী জাহানারা বেগম-সাহেবা। বান্দা তো হাঁয় হুজুরাইনকী নফর!

    বিদ্যুৎস্পৃষ্টের মতো লাফিয়ে ওঠে ইন্সপেক্টার নিখিল দাশ।

    –কী? কী বললেন? জাহানারা বেগম সাহেবা?

    —ইয়েস ইন্সপেক্টার দাশ! নেড়া কাশেমের সাগরেদ জাহানারা বেগম কুয়েত, বা দুবাই চলে যাননি। দস্তুর-প্যালেসে চাকরি নিয়েছিল কলির কম্পানিয়নের পরিচয়ে! ঠিক দু-বছর আগে।

    সোমা হাজরা চিৎকার করে ওঠে, কে? কে জাহানারা বেগম? আপনি…আপনারা….

    বাসু ডান হাতটা তুলে তাকে মাঝপথে থামিয়ে দেন। বলেন, একটি কথাও বল না সোমা! যতক্ষণ না তোমার পক্ষের সলিসিটার উপস্থিত হচ্ছেন। সে কন্সটিটিউশানাল রাইট তোমার আছে। কারণ নিখিল তোমাকে অ্যারেস্ট করছে একটা মারাত্মক চার্জে : এইডিং অ্যান্ড অ্যাবেটিং আ ফার্স্ট ডিগ্রি মার্ডার!

    নিখিল নিঃশব্দে এগিয়ে আসে। সোমা হাজরার হাতে পরিয়ে দেয় স্টেনলেস্ স্টিলের একজোড়া বালা। আলমারির হ্যান্ডেল ঘোরানো গিয়েছে আগেই। নিখিল কারও অনুমতির অপেক্ষায় থাকল না। টেনে খুলে দিল আলমারির পাল্লাটা। সামনেই জড়ো করে রাখা একটা কালো শিফনের শাড়ি-জ্যাকেট।

    সোমা দু-হাতে মুখ ঢেকে বসে পড়ে একটা চেয়ারে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article রূপমঞ্জরী – ৩য় খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }