Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026

    হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    July 13, 2026

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    July 13, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি এক পাতা গল্প7 Mins Read0

    এক – ফিয়োদর পাভলভিচ কারামাজভ

    আলেক্সেই ফিয়োদরভিচ কারামাজভ—ফিয়োদর পাভলভিচ কারামাজভের তৃতীয় পুত্র। ফিয়োদর পাভলভিচ ছিল আমাদের মহকুমার একজন জমিদার। এক সময় আমাদের এলাকায় লোকটার নাম শোনা যেত—এবং এখনও যে লোকে মনে করতে পারে এর কারণ তার শোচনীয় ও রহস্যজনক মৃত্যু। ঘটনাটা ঘটেছিল আজ থেকে ঠিক তেরো বছর আগে। সে কাহিনি যথাস্থানে বলা যাবে। নামেই জমিদার, জীবনের অতি অল্প সময় সে তার জমিদারিতে কাটিয়েছে। তার সম্পর্কে কেবল একটি কথাই বলতে হয়—অদ্ভুত চরিত্রের লোক। তবে ওরকম লোকের দেখা হামেশা মেলে না একথা বলা যায় না—ঠিক এমনই এক চরিত্রের যে শুধু কুৎসিত আবার নোংরাই নয়, কাণ্ডজ্ঞানহীনও বটে, যদিও সেই জাতের কাণ্ডজ্ঞানহীন, যাদের আর কোনো বিষয়ে না হোক, নিজেদের বিষয়সম্পত্তি সামলানোর ব্যাপারে জ্ঞান বেশ টনটনে। ফিয়োদর পাভলভিচ যখন জীবনযাত্রা শুরু করে তখন বলতে গেলে তার কিছুই ছিল না। সামান্য ছোটোখাটো জমিদার। সুযোগ পেলে যার তার বাড়িতে পাত পেতে বসে যেত, উঞ্ছবৃত্তি করে জীবন কাটত। কিন্তু যখন সে মারা যায় তখনও তার কাছ থেকে নগদ টাকাই পাওয়া গিয়েছিল এক লক্ষ রুবল। তা সত্ত্বেও আমাদের সারা মহকুমা জুড়ে একেবারে কাণ্ডজ্ঞানহীন উদ্ভট লোক হিসেবে তার সারাটা জীবন কাটে। আবারও বলছি: বোকামি নয়—উদ্ভট বলে যাদের আমরা জানি তাদের অধিকাংশই বেশ চালাক আর ধূর্ত প্রকৃতির—আসলে এটাকে বলা যায় স্রেফ কাণ্ডজ্ঞানহীনতা, তা আবার বিশেষ এক জাতের, জাতিগত।

    লোকটা বিয়ে করেছিল দুবার। তিন ছেলে। প্রথম স্ত্রীর গর্ভে—বড়ো ছেলে দমিত্রি ফিয়োদরভিচ—মিতিয়া। বাকি দুজনের একজন ইভান, আরেকজন আলেক্সেই- আলিয়োশা। তাদের জন্ম দ্বিতীয় স্ত্রীর গর্ভে। ফিয়োদর পাভলভিচের প্রথম স্ত্রী আমাদেরই মহকুমায় মিউসভ নামে রীতিমতো সম্পন্ন ও অভিজাত এক জমিদার পরিবারে মেয়ে। অগাধ বিষয়সম্পত্তির উত্তরাধিকারিণী, সুন্দরী, তার ওপর প্রাণচঞ্চল বুদ্ধিমতী অমন একটি মেয়ে, যার দেখা পাওয়া আজকাল না হলেও সেকালে নিতান্তই দুষ্কর ছিল, লোকসমাজে অপদার্থ নামে পরিচিত ওরকম একটা বাজে লোককে কী করে যে স্বামী হিসেবে বেছে নিতে পারল তার বিশদ ব্যাখ্যার মধ্যে আমি যাচ্ছি না। আজ থেকে দুই প্রজন্ম আগের রোমান্টিক যুগের একটি মেয়েকে আমি জানতাম—এক ভদ্রলোককে সে ভালোবেসেছিল, যে-কোনো সময় স্বচ্ছন্দে তাকে বিয়েও করতে পারত, কিন্তু বছরের পর বছর তার সঙ্গে প্রহেলিকাময় প্রণয়লীলার পর শেষকালে কেন যেন তার মাথায় ঢুকল যে তাদের মিলনের পথে দুর্লঙ্ঘ্য বাধা আছে। তাই এক ঝড়ের রাতে উঁচু খাড়া পাড় থেকে গভীর খরস্রোতা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণ বিসর্জন করল—স্রেফ ঝোঁকের মাথায়, শেক্সপীয়রের ওফেলিয়ার মতো হওয়ার ইচ্ছায়। তার বহুকালের পছন্দসই বড়ো সাধের ওই খাড়া উঁচু পাড়টা যদি অমন চোখ জুড়ান না হত, ওই জায়গায় যদি নেহাৎ সাদামাঠা একটা গদ্যময় সমতল পাড় থাকত তাহলে আত্মহত্যার ঘটনাটা হয়তো আদৌ ঘটত না। ঘটনাটা সত্যি এবং ভেবে দেখতে গেলে আমাদের রুশিদের জীবনে গত দু-তিন প্রজন্মের মধ্যে এরকম বা সমজাতীয় ঘটনার দৃষ্টান্ত বিরল নয়। ঠিক তেমনি, আদেলাইদা ইভানভনা মিউসভার এই অদ্ভুত আচরণও নিঃসন্দেহে ছিল অন্যদের ধ্যানধারণার প্রতিধ্বনি। সেই সঙ্গে এর পেছনে ছিল অন্তরের অবরুদ্ধ চিন্তার জ্বালা। সে হয়তো নারী স্বাধীনতা ঘোষণা করতে চেয়েছিল, হয়তো চেয়েছিল তার আত্মীয়স্বজন ও পরিবার পরিজনের স্বেচ্ছাচার আর সামাজিক রীতিনীতির বিরুদ্ধাচরণ করতে। ধরে নেওয়া যেতে পারে, অলীক কল্পনার মোহে একমাত্র একটি মুহূর্তের জন্য তার মনে এই দৃঢ় বিশ্বাস জন্মেছিল যে উঞ্ছজীবী হওয়া সত্ত্বেও ফিয়োদর পাভলভিচ আসলে প্রগতিমুখী এক যুগসন্ধিক্ষণের নির্ভীক ও তেজস্বী প্রবক্তাদের একজন। অথচ লোকটাকে একটা খল প্রকৃতির ভাঁড় ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না। আরও চটক সৃষ্টি করেছিল প্রণয়ীর সঙ্গে আদেলাইদা ইভানভনার গোপনে গৃহত্যাগ, যা তার নিজের কাছে পরম উপভোগ্য মনে হয়েছিল। এদিকে ফিয়োদর পাভলভিচের তখন যা মানসিক অবস্থা তাতে এমন একটা সুযোগ গ্রহণ করতে তার এতটুকু বাধেনি— এর জন্য সে মুখিয়েই ছিল। যেন তেন প্রকারেণ জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়া তখনও তার একমাত্র লক্ষ্য। বড়ো ঘরের সঙ্গে সম্পর্ক পাতান আর ভালো যৌতুক হস্তগত করার সম্ভাবনায় সে পুলকিত। ওদের দুজনের মধ্যে ভালোবাসা বলতে যা বোঝায় তা সম্ভবত একেবারেই ছিল না-না ভাবী বধূর দিক থেকে, না তার দিক থেকে— এমনকি আদেলাইদা ইভানভনার রূপ যৌবনের কোনো অভাব না থাকা সত্ত্বেও। ফিয়োদর পাভলভিচের মতো অতবড় একটা লম্পট, যে সারাটা জীবন মেয়েমানুষের পেছনে ছোঁক ছোঁক করে বেড়িয়েছে, কোনো বাছবিচার না করে সারা জীবন সামান্যতম প্রশ্রয়ের ইঙ্গিতে মেয়েমানুষের পেছনে দৌড়েছে, তার ক্ষেত্রে এই ঘটনাটা বোধ করি একটা আশ্চর্য ব্যতিক্রম। একমাত্র এই নারীই তার কামনা তেমন জাগ্রত করতে পারল না।

    ফিয়োদর পাভলভিচের সঙ্গে গৃহত্যাগের অনতিকাল পরেই আদেলাইদা ইভানভনার মোহভঙ্গ হল। সে আবিষ্কার করল স্বামীর প্রতি গভীর বিতৃষ্ণা ছাড়া আর কোনো অনুভূতি তার মনের মধ্যে নেই। ফলে এই পরিণয়ের স্বরূপ প্রকাশ পেতে খুব বেশি দেরি হল না। মেয়ের পরিবার অবশ্য সহজই এই ঘটনাকে মেনে নিল, পলাতককে তার প্রাপ্য অংশ মিটিয়েও দিয়েছিল। কিন্তু স্বামী স্ত্রীর জীবনে ইতিমধ্যে চরম বিশৃঙ্খলা শুরু হয়ে গিয়েছিল, ঝগড়াঝাঁটি তাদের নিত্য লেগে থাকত। শোনা যায় এক্ষেত্রে নববধূ এত বেশি উদারতা ও মহত্ত্বের পরিচয় দিয়েছিল যে ফিয়োদর পাভলভিচের ব্যবহারের সঙ্গে তার কোনো তুলনাই চলে না। একথা জানতে কারও বাকি নেই যে আদেলাইদা ইভানভনা পঁচিশ হাজার রুবল হাতে পেতে না পেতে ফিয়োদর পাভলভিচ সঙ্গে সঙ্গে তার পুরোটা হাতিয়ে নেয়— সে টাকার আর কোনো হদিশ মেলেনি। যৌতুক হিসেবে এছাড়া যে একটি গ্রামের জমিদারী আর শহরের একটা সুন্দর বাড়ি মহিলার ভাগে পড়েছিল তাও লোকটা সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল তৈরি করে নিজের নামে লিখিয়ে নেওয়ার তালে ছিল, এ ব্যাপারে চেষ্টার ত্রুটিও সে করেনি। এই নিয়ে বেহায়ার মতো সমানে ঝোলাঝুলি আর ঘ্যানঘ্যান করে স্ত্রীর মনের মধ্যেও তার প্রতি যে অবজ্ঞা ও বিতৃষ্ণার ভাব সে জাগিয়ে তুলেছিল একমাত্র তার ফলস্বরূপ শেষ পর্যন্ত শুধু মানসিক ক্লান্তিবশত, স্রেফ স্বামী রত্নটির হাত থেকে রেহাই পাবার জন্যই হয়তো তার নামে দানপত্র সে লিখে দিত। কিন্তু সৌভাগ্যবশত মহিলার বাপের বাড়ির আত্মীয়স্বজন মাঝে পড়ে প্রতারণার সে পথ বন্ধ করে দেয়। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মারামারির ঘটনা যে বিরল ছিল না তা সুবিদিত। তবে জনশ্রুতি এই যে ফিয়োদর পাভলভিচ মারত না, মারত আদেলাইদো ইভানভনা। রোদে পোড়া তামাটে বর্ণের এই বদমেজাজি, জেদি অসহিষ্ণু প্রকৃতির মহিলাটি ছিল অসাধারণ শারীরিক শক্তির অধিকারিণী। শেষ পর্যন্ত এক দিন ধর্মশিক্ষায়াতনের এক সহায়সম্বলহীন নিঃস্ব শিক্ষগুরুর সঙ্গে গৃহ পরিত্যাগ করে সে চলে গেল। ফিয়োদর পাভলভিচের হাতে রেখে গেল তিন বছর বয়সের সন্তান মিতিয়াকে। ফিয়োদর পাভলভিচ কালবিলম্ব না করে বাড়িটাকে দস্তুরমতো একটা হারেম বানিয়ে ফেলল, নিত্য মেতে রইল উচ্ছৃঙ্খল পানোৎসবে। এরই ফাঁকে ফাঁকে সময় পেলে সে টহল দিয়ে বেড়াত সারাটা জেলা, যাকে পেত তারই সামনে চোখের জলে বুক ভাসিয়ে দিয়ে কুলটা আদেলাইদা ইভানভনার নামে নালিশ করত, প্রসঙ্গত নিজেদের দাম্পত্য জীবন সম্পর্কে এমন সমস্ত খুঁটিনাটি বিবরণ জানাত যা যে কোনো স্বামীর পক্ষে মুখে আনা রীতিমতো লজ্জাজনক। আসল কথা, সর্বসমক্ষে অপমানিত স্বামীর হাস্যকর ভূমিকায় অভিনয় করে, এমনকি রসিয়ে রসিয়ে নিজের অপমানের জ্বালার বিশদ বর্ণনা দিয়ে সে যেন মনে মনে সুখ উপভোগ করত, এমনকি এক ধরনের আত্মপ্রসাদও অনুভব করত। শ্রোতাদের পক্ষে কেউ কেউ ঠাট্টা করে তার মুখের ওপরই বলত, ‘দেখে শুনে মনে হয়, তোমার পদোন্নতি হয়েছে হে ফিয়োদর, পাভলভিচ। দুঃখ কর আর যাই কর, তোমাকে ত দিব্যি খুশি খুশি দেখাচ্ছে।’ অনেকে আবার এমন কথাও বলতে লাগল যে নতুন করে ভাঁড়ামি করার সুযোগ পেয়ে তার খুশি আর ধরে না এবং লোকে যাতে আরও বেশি হাসে সেই উদ্দেশ্যে ইচ্ছে করে এমন ভাব দেখাচ্ছে যেন নিজের হাস্যকর অবস্থাটা সে বুঝতে পারছে না। কিন্তু কে বলতে পারে, হয়তো এটা ছিল তার এক ধরনের সরলতা? অবশেষে পলাতকার সন্ধান পাওয়া গেল। বেচারি তার সেই প্রেমিকার সঙ্গে সাংকৃত পেতেবুর্গে গিয়ে আস্তানা গেড়েছে, সেখানে অবাধ মুক্ত জীবনের স্রোতে মনেপ্রাণে নিজেকে সঁপে দিয়েছে। ফিয়োদর পাভলভিচ সঙ্গে সঙ্গে ব্যস্তসমস্ত হয়ে উঠল, পেতেবুর্গে যাবার তোড়জোড় করতে লাগল। কেন?—তা সে নিজেও জানে না। হয়তো শেষ পর্যন্ত যেতও। কিন্তু এরকম একটা সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে তার মনে হল যাত্রার আগে মনের জোর আনার খাতিরে মদের স্রোতে গা ভাসিয়ে দেবার বিশেষ অধিকার তার আছে। ঠিক সেই সময় তার স্ত্রীর বাপের বাড়ির লোকেরা পেতেবুর্গে মহিলার মৃত্যুসংবাদ পেল। হঠাৎ মৃত্যু, এক বাড়ির চিলেকোঠায়। কেউ বলে মরেছে টাইফাসে, কেউ বা বলে ক্ষুধার তাড়নায়। ফিয়োদর পাভলভিচ যখন তার স্ত্রীর মৃত্যু সংবাদ পেল তখন সে নেশায় চুর। শোনা যায় সেই অবস্থায় নাকি সে ছুটে রাস্তায় বেরিয়ে আকাশের দিকে দুহাত তুলে আনন্দে চিৎকার করতে থাকে: ‘হে প্রভু, এক্ষণে তোমার দাসকে অব্যাহতি দান কর।’ কারও কারও কথায়, সে নাকি একটা বাচ্চা ছেলের মতো এমন হাউ হাউ করে কাঁদতে থাকে যে লোকে তাকে দুচক্ষে দেখতে না পারলে কী হয় তার দশা দেখে দুঃখবোধ করে। হয়তো দুইই সত্যি। অর্থাৎ কিনা স্ত্রীর হাত থেকে মুক্তি পেয়ে সে আনন্দে যেমন আত্মহারা হয়েছিল, তেমনি যে স্ত্রী তাকে মুক্তি দিয়ে গেল তার জন্য চোখের জলও ফেলল- একই সঙ্গে। মানুষ, সে যত বড়ো দুর্বৃত্তই হোক না কেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে কিন্তু দেখা যায় তাদের সম্পর্কে আমাদের যে ধারণা, সাধারণত তার চেয়ে অনেক বেশি সাদাসিধে ও সরলমতি। তাছাড়া আমরা নিজেরাও তো তাই।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহামারটিয়া – শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    Next Article হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    Our Picks

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026

    হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    July 13, 2026

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    July 13, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }