Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প836 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১১. ভুলু নামের ওই বিদঘুটে ছেলেটি

    এগারো

    ভুলু নামের ওই বিদঘুটে ছেলেটি অনিমেষকে বারান্দা পার করে এই ঘরে বসিয়ে রেখে সেই যে উধাও হল আর দেখা নেই। আসার সময় সে লক্ষ করেছিল দু’পাশের দরজা-জানলা বন্ধ। একটা বুড়ি ঝি ছাড়া কোনও মানুষ এ-বাড়িতে আছে বলে মনে হচ্ছিল না। আবরু এ বাড়িতে একটু বেশি কড়া, কিন্তু কেমন যেন গা-শিরশিরে। পরমহংসের আত্মীয় এরা কিন্তু তাকেও ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয় কি না সন্দেহ আছে। এই ঘরে জিনিসপত্র প্রচুর। সবগুলোই ক্লাইভের আমলে কেনা হয়েছিল বোধহয়। ভারী ভারী জিনিসগুলোর কোনও ছিরি-ছাঁদ নেই। একটা তক্তাপোশের ওপর ওকে বসতে দেওয়া হয়েছে এবং এই ঘরের সবকটা দরজা-জানলা খোলা। কিছুক্ষণ পরে অনিমেষের মনে হল তাকে কেউ বা কারা লক্ষ করছে। দরজা বা জানলার বাইরে থেকে চুরি করে এভাবে দেখাটা বোঝা যাচ্ছে চুড়ির শব্দে। খুব অস্বস্তিকর ব্যাপার কিন্তু কিছু করার নেই। চট করে উঠে বাইরে গিয়ে দাঁড়ালে দর্শকদের দেখা যাবে, কিন্তু তাতে লাভ কী!

    বসে থাকাটা যখন আর সম্ভব হচ্ছে না তখন বাইরে নারীকণ্ঠ শোনা গেল, ‘যা না, ভেতরে যা, মাস্টারের কাছে পড়তে হবে যখন তখন লজ্জা করে লাভ কী। মাস্টার হল বাবার মতন।’ বাইরে বোধহয় ঠেলাঠেলি চলছে। ছাত্রীটি ঘরে ঢুকতে চাইছে না। নিজেকে কেমন চোর চোর মনে হল অনিমেষের। সুযোগ থাকলে তক্ষুনি রাস্তায় নেমে যেত সে।

    ভুলুর পেছন পেছন খড়মের আওয়াজ তুলে শিয়ালতালুই ঘরে ঢুকলেন। ঢুকে গ্রামভারী গলায় বললেন, ‘এদিকে আয়’।

    ডাকের সঙ্গে সঙ্গে সুড়সুড় করে যে চলে এল তাকে দেখে অনিমেষ সোজা হয়ে বসল।

    শিয়ালতালুই বললেন, ‘মন দিয়ে পড়াশুনা করবি। এই শেষবার, এবার যেন ফেল না হয়। মাস্টার, ফাঁকি দেবার চেষ্টা কোরো না। পড়াতে যে জানে সে গাধা পিটিয়েও ঘোড়া করতে পারে।’

    অনিমেষ তক্তাপোশ থেকে উঠে দাঁড়াল, ‘আমি কিন্তু সন্ধে নাগাদ আসব।’

    ‘ছ’টা। ছ’টা থেকে সাড়ে আটটা। আড়াই ঘণ্টা পড়ালেই যথেষ্ট।’

    ‘রোজ?’

    ‘রোজ না-পড়ালে তুমি ছাত্রীকে পাশ করাতে পারবে হে? তা হলে মাস্টার রাখতে যাব কেন? আচ্ছা নাও, পড়াশুনা করো।’ শিয়ালতালুই ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন।

    এবার আবার ছাত্রীর দিকে তাকাল অনিমেষ। শরীরের কোথাও খাঁজ আছে বলে মনে হচ্ছে না, কারণ শাড়িটা ওকে আলখাল্লার মতো জড়িয়ে রেখেছে। চট করে একটা পিপের কথা মনে আসে। গায়ের রং অসম্ভব ফরসা, মুখে একটা মিষ্টি ছাপ আছে।

    চিবুক এখন প্রায় বুকের ওপর নামানো। আঁচলের আড়ালে রাখা হাতের আদলেই বিব্রত হল সে, এত মোটা মেয়ে সচরাচর চোখে পড়ে না।

    অনিমেষ কিছু বলার আগেই ভুলু বলল, ‘মা তোকে প্রণাম করতে বলেছে না! প্রণাম কর!’

    কথাটা শেষ হতেই দম-দেওয়া পুতুলের মতো শরীরটা অনিমেষের দিকে এগিয়ে আসতে অনিমেষ আঁতকে উঠল, ‘না, না, প্রণাম করতে হবে না।’

    ভুলু বলল, ‘ছি, ছি, মাস্টারমশাই, মা বলেছে আপনি বাবার মতন, প্রণাম না-নিলে খুকুর পাপ হবে। প্রণাম করো খুকু।’

    অতএব প্রণাম নিতে হল।

    মেয়েটির বোধহয়, ঝুঁকে প্রণাম করে উঠে দাঁড়াতে কষ্ট হচ্ছিল। অনিমেষ বলল, ‘বসো’।

    টেবিল চেয়ার নয়, এই তক্তাপোশের ওপর বসেই পড়াতে হবে। কিন্তু বইপত্র কিছু সঙ্গে আনেনি মেয়েটা। অনিমেষ ঠিক করল প্রথম দিন ওর কোর্সটা জেনে নেবে। অনেকটা দূরত্ব রেখে খুকু বসল। বসার সময় তক্তাপোশের মচমচে শব্দটা কান এড়াল না অনিমেষের। এই ছাত্রীকে পড়াতে হবে ভাবতেই বুকের মধ্যে একটা হিমভাব আসছে। অনিমেষ নিজের জায়গায় বসে দেখল ভুলু ঘরের এক কোণে একটা চেয়ারে বাবু হয়ে বসে এদিকে তাকিয়ে আছে। ছেলেটার দিকে নজর পড়ার পর অন্যরকম অস্বস্তি হতে আরম্ভ করল। ওকে কি পাহারা দেবার জন্যে বসিয়ে রেখেছে? ছেলেটার অস্তিত্ব উপেক্ষা করল অনিমেষ। তারপর গম্ভীর গলায় জিজ্ঞাসা করল, ‘ক্লাস সেভেনে পড়ো?’

    তুমি বলতে সংকোচ হচ্ছিল। এত বড় মেয়েকে প্রথমেই তুমি বলা অন্য সময় হয়তো অসম্ভব হত, এখন পারল। সে নিজের মুখ-চোখে খুব ভারিক্কি ভাব রাখার চেষ্টা করতেই মনে পড়ল তাকে এই বিশাল মেয়েটির বাবার মতন বলা হয়েছে। শরীর দেখলে বয়স ঠাওর হয় না। বলা যায় না, তার সমান বয়সিও হতে পারে। প্রশ্নটার জবাব তখনও আসেনি। অনিমেষ বিরক্ত গলায় জিজ্ঞাসা করল, ‘কী হল?’

    সঙ্গে সঙ্গে ভুলুর গলা ভেসে এল, ‘বাবা তো বলেচেই কোন কেলাসে পড়ে, আবার নেক্কড়ি করে জিজ্ঞাসা করার কী আচে?’

    ‘সে আমি বুঝব, তুমি চুপ করো।’ চাপা গলায় ধমকে উঠল অনিমেষ।

    সঙ্গে সঙ্গে ভুলুর কপালে তিন-চারটে ভাঁজ পড়ে গেল, আর অনিমেষ দেখল মেয়েটা খুব দ্রুত সামনে-পেছনে ঘাড় নাড়ছে। অবাক হতে গিয়ে সামলে নিল, ঘাড় নাড়ার অর্থ সেভেনেই পড়ে।

    ‘কী কী পড়ানো হয়?’

    এবার কোনও উত্তর নেই। হঠাৎ অনিমেষের সন্দেহ হল মেয়েটি কি কথা বলতে পারে না। বোবা মেয়েরাও তো পড়াশুনা করে। নিঃসন্দেহ হবার জন্য জিজ্ঞাসা করল সে, ‘তুমি কি কথা বলতে পারো না?’

    সঙ্গে সঙ্গে মাথাটা নড়বড় করে জানাল, হ্যাঁ।

    ‘তা হলে আমি যেটা জিজ্ঞাসা করেছি তার জবাব দাও।’

    ঠোঁট দুটো খানিক কাঁপল, তারপর খুব নিচু স্বরে সরু গলায় উত্তর এল, ‘ইংরেজি, বাংলা, ভূগোল, ইতিহাস, অঙ্ক, বিজ্ঞান, ড্রইং—।’

    হেসে ফেলল অনিমেষ, ‘না, না, আমি সে কথা জিজ্ঞাসা করছি না, তোমাদের কী কী বই পড়ানো হয়? তুমি তো সঙ্গে কোনও বই আনোনি।’

    সঙ্গে সঙ্গে ভুলু উঠে দাঁড়াল, ‘আমি নিয়ে আসচি বই।’ তারপর দরজা অবধি এগিয়ে থমকে দাঁড়াল। এক সেকেন্ড কী ভেবে বোনের দিকে ঘুরে বলল, ‘আমি তো যেতে পারব না। আমাকে এখানে থাকতে বলেচে।’

    অনিমেষের মাথায় রক্ত উঠে গেল। এরকম নোংরা মানসিকতার মধ্যে কোনও ভদ্রলোক পড়াতে পারে না। এর মধ্যে খুকু উঠে দাঁড়িয়ে সেইরকম গলায় বলল, ‘আমি বই নিয়ে আসচি, আপনি বসুন।’

    ছাত্রী ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর অনিমেষ ভুলুর দিকে তাকাল। সেই একরকম ভঙ্গিতে তাকে জুলজুল করে দেখছে। কপালের ভাঁজগুলো এখনও মেলায়নি। অনিমেষ ডাকল, ‘এই, এদিকে এসো!’

    ভুলু খেঁকুরে গলায় বলল, ‘কেন’?

    ‘আমি ডাকছি তাই আসবে।’

    ‘ইস, ডাকলেই হল! কাচে গেলে ধোলাই লাগাবে, জানি না! মাস্টাররা খুব মারকুটে হয়, জানি বাবা।’ ঘনঘন ঘাড় নাড়তে লাগল সে।

    ‘আমি তোমাকে খামকা মারতে যাব কেন, কয়েকটা কথা জিজ্ঞাসা করব বলে তোমাকে কাছে ডাকছি।’ অনিমেষ গলার স্বর নরম করার চেষ্টা করল।

    ভুলুকে একটু ভাবতে দেখা গেল। অন্যমনস্ক হলেই লালা গড়িয়ে আসে, সেটাকে টেনে নিয়ে কয়েক পা এগিয়ে এসে জিজ্ঞাসা করল, ‘কী কতা?’

    ‘তোমাকে এখানে কে থাকতে বলেছে?’

    ‘বাবা।’

    ‘তোমার বাবা বলেছেন! কেন?’

    ‘আপনি বাইরের লোক, খুকি সোমত্ত মেয়েছেলে তাই।’

    কোনওরকমে ঢোক গিলল অনিমেষ, ‘আগের মাস্টারের সময়ও তুমি থাকতে? মানে এইরকম পাহারা দিতে?’

    ঘাড় নাড়ল ভুলু, ‘হুঁ। তখন মা বলত থাকতে। মা বলত বুড়োরা নাকি খুব খচ্চর হয়।’

    কথাটা শুনে জমে গেল অনিমেষ। এরকম পরিবারের কথা তার কল্পনায় ছিল না। আগের মাস্টারের বয়স আশির ওপর ছিল তা গৃহকর্তা জানিয়েছেন। তবু পাহারা চলত। সে গম্ভীর গলায় বলল, ‘কিন্তু আমি যখন পড়াব তখন তোমার থাকা চলবে না।’

    ‘ইস! সেই ফাঁকে যদি ফস্টিনস্টি চালান! আমাদের বাড়িতে চাকর পর্যন্ত রাখা হয় না এজন্যে—।’ কথাটা শেষ করার আগেই ছাত্রী বইপত্র দু’হাতে জড়িয়ে ঘরে ঢুকল।

    ততক্ষণে অনিমেষের পড়ানো মাথায় উঠেছে। তাকে খাট থেকে নামতে দেখে ভুলু প্রস্তাব দিল, ‘আমাকে যদি এক টাকা করে মাসে দেন তবে—।’

    ‘তুমি ঘর থেকে বেরিয়ে যাও।’ হাত তুলে ওকে দরজা দেখাল অনিমেষ।

    ওর গলার স্বরে এমন একটা কাঁপুনি ছিল যে ভুলু থতমত হয়ে এক লাফে দরজার বাইরে গিয়ে দাঁড়াল। তারপর নিরাপদ দূরত্বে থেকে বলে উঠল, ‘ইস! খুব নেক্কড়বাজ!’

    কথাটার মানে বোধগম্য হল না। এই সময় ছাত্রীটি বলে উঠল, ‘বই এনিচি, দেখুন।’

    অনিমেষ উঠে দাঁড়াল, ‘খুকি, আজকে আমার পড়াবার মন নেই। যদি আবার আসি তখন তোমাকে পড়াব। আজ আমি যাচ্ছি।’ তারপর হনহন করে বাইরে বেরিয়ে এল। কোনওদিকে না-তাকিয়ে সে সোজা বাইরের ঘরের দরজায় এসে দাঁড়াল।

    পরমহংস নেই কিন্তু শিয়ালতালুই খালি গায়ে বসে ওর দিকে তাকিয়ে আছেন। চোখাচোখি হতে নাক কুঁচকে বলে উঠলেন, ‘এ কী, পড়ানো হয়ে গেল! মাস্টাররা যদি ফাঁকি দেয় তবে ছাত্ররা কী শিখবে! না, না, দু’ঘণ্টার কম পড়ানো আমি পছন্দ করি না।’

    অনিমেষ হেসে ফেলল, ‘দুশ্চিন্তা করবেন না। আমি এখানে পড়াব না ঠিক করেছি। আর-একটা অনুরোধ করছি, পড়ানোর চেষ্টা না-করে এবার ওর বিয়ে দেবার ব্যবস্থা করুন। নমস্কার।’ কোনওরকমে প্যাসেজে নেমে পায়ে জুতো গলিয়ে দরজা খুলে রাস্তায় বেরিয়ে এল অনিমেষ।

    ধারেকাছেও পরমহংস নেই। এভাবে একদম না-বলে কয়ে চলে যাবে আশা করা যায় না। অবশ্য যদি থাকার হত ও-বাড়িতেই সে থাকত। কিন্তু পুরো ব্যাপারটার জন্যে অনিমেষ পরমহংসের ওপর রাগ করতে পারছে না। বাড়াবাড়িটা যে এতটা দূর হবে সেটা হয়তো সে আন্দাজ করতে পারেনি। তাই কলকাতা শহরে এরকম পরিবার এখনও থাকতে পারে বিশ্বাস করা শক্ত। এরাও বাংলাদেশের মানুষ, যে-দেশের স্টুডেন্টস ইউনিয়নগুলো ছাত্র ফেডারেশনের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। এই যে এত মিছিল হয়, আন্দোলনের আগুন জ্বলে, তার সামান্য আঁচ এ-বাড়িতে লাগেনি। ঠিক জানা নেই, তবে নিশ্চয়ই এরকম বাড়ির সংখ্যা কম নয়।

    কয়েক পা হাঁটার পর অনিমেষের নিজেকে খুব হালকা মনে হল। যেন একটা ভারী পাথর তার কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছিল, হঠাৎ সরে গেছে। এতক্ষণ যে ধৈর্য ধরে ওখানে পড়েছিল সেটাই আশ্চর্যের। ভদ্রলোকের সঙ্গে কথা বলার সময় ব্যাপারটা ঠাওর করে চলে আসতে পারত। তা হলে কি টাকার লোভ, না ছাত্রীটিকে দেখবার আগ্রহ? ছাত্রীটি যে নিরেট হবে এটা অনুমান করা গিয়েছিল, কিন্তু ধৈর্য না-রাখলে এরকম বাড়ির পূর্ণ চিত্র তো পাওয়া যেত না! টাকাটা পেলে অবশ্যই উপকার হত, কিন্তু আত্মমর্যাদা বিকিয়ে দিয়ে নিশ্চয়ই নয়। অনিমেষ হেসে ফেলল, প্রথম রোজগার করতে গিয়েই তাকে এমনভাবে হোঁচট খেতে হল, যাচ্চলে!

    বি. কে. পাল অ্যাভিনিউতে আসতেই চিৎকার করে কেউ তাকে ডাকছে শুনতে পেল অনিমেষ। পরমহংসের গলা, একটা চায়ের দোকান থেকে দ্রুত পায়ে বেরিয়ে আসছে। কাছে এসে পরমহংস জিজ্ঞাসা করল, ‘হয়ে গেল’?

    ‘কী?’ অনিমেষ ভ্রূ কোঁচকাল।

    ‘দুটোই।’

    পরমহংসের মুখের দিকে তাকিয়ে রাগতে পারল না অনিমেষ। ছেলেটার মুখে এমন মজা-করা ভাব আছে যে রাগাও যায় না। ও বলল, ‘হ্যাঁ বেশ পড়িয়ে টড়িয়ে এলাম। ছাত্রীটি খুব ভাল।’

    ‘ভাল মানে?’ পরমহংসের চোখ বিস্ফারিত হয়ে উঠল।

    ‘ভাল মানে ভাল। ইনটেলিজেন্ট। তুমি তো জল বাদ দিয়ে দুধটুকু খাও আর সহজ কথাটা বুঝতে পারো না!’ কপট বিরক্তি দেখাল অনিমেষ।

    সঙ্গে সঙ্গে হতাশ ভঙ্গি করল পরমহংস, ‘দূর শালা! যা ভেবেছিলাম তাই হল! তা, বলে কেটেছ, না ভক্কি দিয়ে?’

    ‘আমি কেটেছি কে তোমাকে বলল?’

    ‘কেন ছলনা করছ, গুরু! তালুইমশাই আমাকে ভাগিয়ে দেবার পর থেকে ওয়াচ করছি চায়ের দোকানে বসে। দেরি দেখে ভাবছিলাম ক্যালেন্ডার হয়ে ঝুলে গেলে বোধহয়। কিন্তু ওই গোবরে মেয়েটাকে যখন ইনটেলিজেন্ট বলছ তখন তুমি নির্ঘাত কেটে পড়েছ।’ পরমহংস নিশ্চিত গলায় জানাল।

    হেসে ফেলল অনিমেষ, ‘হ্যাঁ, ও মেয়েকে আমি পড়াতে পারব না, অসম্ভব। আর তুমি দেখে শুনে ও বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ভাল করোনি। ফালতু সময় নষ্ট হল।’

    ‘কোনও কিছু ফালতু নয় বন্ধু। যাকে উপেক্ষা করছ সেই একদিন তোমার উপকারে আসতে পারে। কাদের জন্যে দেশ উদ্ধার করবে তা চোখ চেয়ে দেখবে না? তালুইকে কী বললে?’

    ‘বললাম, আমি পড়াব না, পারলে মেয়ের বিয়ে দিয়ে দিতে।’

    ‘যাচ্চলে! হয়ে গেল, ও বাড়ির দরজা আমার জন্যে ফর এভার বন্ধ হয়ে গেল। পড়াবে না সেটা বললেই হত, মেয়েটা সম্পর্কে জ্ঞান দেওয়ার কী দরকার ছিল! চলো।’

    ‘আবার কোথায় যাব?’

    ‘আমার সঙ্গে এসো না! অলটারনেটিভ ব্যবস্থা রাখাই আছে— এটা ফেল করলে, আর একটা ফিট করে রেখেছি। বাড়ির দালালরা যেমন একসঙ্গে দু’-তিনটে বাড়ি দেখায়। এটা হরি ঘোষ স্ট্রিটে, বেশি দূরে নয়।’

    অবাক হয়ে পরমহংসকে বলল অনিমেষ, ‘সে কী! তোমার সন্ধানে ক’টা টিউশনি আছে? এজেন্সি নিয়েছ নাকি। তবে ওরকম বাড়ি হলে আমার গিয়ে দরকার নেই আগে থেকে বলে দিচ্ছি।’

    ‘যাচ্চলে! অত গ্যারান্টি আমি দিতে পারব না। তা ছাড়া তোমাকে তো কেউ দিব্যি দেয়নি যে পড়াতে হবেই। ভাল লাগলে পড়াবে, নইলে নয়। আরে, এক-একটা ছেলে কলেজ-ইউনিভার্সিটিতে পড়তে পড়তে কত টাকা টিউশনি করে রোজগার করে ভাবতে পারবে না। আমাদের পাড়ার সুবলদা টিউশনি করতে করতে এম এ পাশ করল। তারপর চাকরি বাকরি না-পেয়ে টিউশনিটা বাড়িয়ে দিল। রোজ সকাল সাড়ে ছ’টা থেকে আটটা বাগবাজারে, সওয়া আটটা থেকে পৌনে দশটা শ্যামবাজারে, দুপুরে দু’জায়গায় মেয়ে পড়ায়, মর্নিং স্কুল হওয়ার সেইটে সুবিধে, রাত্রে আবার দুটো। সপ্তাহে তিন দিন করে হলে সিক্স ইন্টু টু মাসে বারোটা টিউশনি, একশো পঁচিশ করে ইচ, হাই ক্লাসের স্টুডেন্ট সব। নেট দেড় হাজার টাকা মান্থলি ইনকাম। চাকরি করলেও পেত না বলো?’

    অনিমেষ ঘাড় নাড়ল, তা ঠিক। তবে লোকটার নিশ্চয়ই পার্সোনাল লাইফ বলে কিছু নেই, কোনও কিছু সিরিয়াসলি চিন্তা করতে পারে না। যত টাকাই পাওয়া যাক এরকম চেন-বাঁধা হয়ে বেঁচে থাকার কোনও মানে হয় না। অনিমেষ মরে গেলেও তা পারবে না। কিন্তু একটা এক্সট্রা ইনকাম তার যে খুব প্রয়োজন সে কথা ঠিক। বাবা স্বর্গছেঁড়া থেকে যে টাকা পাঠাচ্ছেন এতগুলো বছরে তার অঙ্কটা বাড়েনি। বাড়ানো যে বাবার পক্ষে সম্ভবও নয় তা সে জানে। মাঝে মাঝে মনে হয় পারলে সে বাবাকে নিষ্কৃতি দিত— এই টাকা পাঠানোর কর্তব্য থেকে। ইউরোপ-আমেরিকায় ছেলেমেয়েরা তো রেস্টুরেন্ট-হোটেলে চাকরের কাজ করে নিজেদের পড়াশুনার খরচ চালায়— সেরকম যদি একটা কিছু করা যেত!

    সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ দিয়ে খানিকটা যাওয়ার পর পরমহংস বলল, ‘আমাদের ডান দিকে কী বলো তো?’

    বিরাট রাস্তার ডান দিকে তাকিয়ে অনিমেষ পুরনো ধাঁচের কিছু ঘরবাড়ি আর দোকানপাট ছাড়া আর কিছু দেখতে পেল না।

    পরমহংস ওর মুখের ভাব লক্ষ করে মজা পেল, ‘জানো না? যাঃ, তুমি নেহাতই নাবালক। এই এলাকাটা ভুবনবিখ্যাত। কোথায় যেন পড়েছিলাম প্যারিসের বারবনিতারা, বঙ্গসন্তানটি এই জায়গা ঘুরে গেছে জানলে, একদম ঠকাবার চেষ্টা করে না। ওরা আদর করে একে ডাকে গোলডি বলে।’

    ‘গোলডি!’

    ‘সোনাগাছি। কলকাতায় আছ আর সোনাগাছি কোথায় জানো না? এই জনচেতনা নিয়ে তুমি রাজনীতি করবে, ইস!’

    আচমকা অনিমেষ জিজ্ঞাসা করল, ‘আজকাল প্রায়ই তুমি এই রাজনীতি করার প্রসঙ্গ তুলছ কেন বলো তো? এটা তো আমার ব্যাপার, তাই না?’

    পরমহংস অনিমেষকে কিছু বলতে গিয়েও চুপ করে গেল। চুপচাপ হাঁটতে হাঁটতে অনিমেষের মনে হল কথাটা এভাবে না-বললেও চলত, যা এতদিন দেখেছে তাতে ছেলেটাকে হাসিখুশি জমাটি বলেই মনে হয়েছে। কিন্তু রাজনীতির ব্যাপার নিয়ে ওইরকম শ্লেষ ভাল লাগে না, বিশেষ করে সে যখন সক্রিয় রাজনীতি করছেই না।

    একটা পার্কের পাশ দিয়ে চলে আসার সময় বড় বড় বাড়ির দরজায় সাজুন্তি মেয়েদের দেখা গেল। সেই কলকাতায় প্রথম আসার পর বউবাজার, কিংবা জলপাইগুড়ির বেগুনটুলির গলিতে সে এদের দেখেছে, তাই চিনতে অসুবিধা হয় না। কিন্তু তার পরেই পাড়াটা স্বাভাবিক, ভদ্রলোকের মনে হল। এরকম সহ-অবস্থান বোধহয় কলকাতাতেই সম্ভব।

    হরি ঘোষ স্ট্রিটের মাঝামাঝি বাড়িটা। এখন রাত হয়েছে, অন্তত সাড়ে সাতটা তো হবেই। পরমহংস বলল, ‘সবে সন্ধে।’

    যিনি দরজা খুলে দিলেন তাঁকে সুন্দরী বললে কম বলা হবে। অহংকার গাম্ভীর্যের সঙ্গে মিশে, চোখের চাহনি শরীরের গঠনের সঙ্গে মিলে এমন একটা ব্যক্তিত্ব এনে দিয়েছে যে চোখ চেয়ে থাকাও যায় না, আবার চোখ সরিয়েও নিতে ইচ্ছে করে না। পরমহংসকে দেখে মহিলা বললেন, ‘আরে, পথ ভুলে নাকি? কী সৌভাগ্য। এসো, এসো।’

    পরমহংস বলল, ‘সঙ্গে আমার বন্ধু আছে, অনিমেষ মিত্র, হস্টেলে থাকে, জলপাইগুড়ির ছেলে।’

    মহিলার দুটো ভ্রূ ডানা মেলার মতো ওপরে উঠল, ‘জলপাইগুড়ি! ও মা, তাই নাকি! বসো, বসো।’

    ছিমছাম সাজানো বাইরের ঘর। কোনও বাড়তি আসবাব নেই। ওরা সোফায় বসার পর মহিলা সামনেই একটা গদি-মোড়া টুল টাইপের আসনে বসলেন, ‘জলপাইগুড়ির কোথায় থাকা হয়?’

    ‘হাকিমপাড়া।’ অনিমেষ বলল। সত্যি, মহিলার চারপাশে এমন একটা মিষ্টি আকর্ষণের মায়া জড়ানো যে ভাল না-লেগে যায় না। বয়স হয়েছে অবশ্যই চল্লিশের চৌহদ্দিতে, কিন্তু কোথাও সেটা তাঁকে আক্রমণ করতে পারেনি। বিজ্ঞাপন ছাড়া এমনটি দেখা যায় না।

    ‘ও মা, হাকিমপাড়ায় যে আমার বাপের বাড়ি ছিল! কী মজা!’

    ‘হাকিমপাড়ায় আপনারা থাকতেন?’

    ‘হ্যাঁ, ওই যে ঝোলনা পুল, ওটার ঠিক ডান দিকে। বর্ষার সময় করলার জল একদম বাড়ির মধ্যে ঢুকে যেত। সেসব দিনের কথা ভাবলেই মন খারাপ হয়ে যায়। কী আনন্দে ছিলাম তখন! আপনাদের বাড়িটা কোনখানে?’

    অনিমেষ বলল, ‘আমাকে তুমি বলবেন, আমি ওর সহপাঠী।’

    ‘বেশ, বেশ। অতটুকু ছেলেকে আপনি বলতে ইচ্ছে করে না, আবার না-বললে—।’

    অনিমেষ হেসে ফেলল, ‘আমরা তো মফস্‌সলের ছেলে, আমাদের অত ভ্যানিটি নেই। ও হ্যাঁ, আমাদের বাড়িটা হল টাউন ক্লাব ছাড়িয়ে তিস্তা নদীর ধারে।’

    ‘কোন বাড়িটা? বিরাম করদের বাড়ির কাছে?’

    ‘না। কিন্তু বিরাম করকে আপনি চেনেন?’

    ‘খুউব চিনি। ওঁরা তো এখন রিচি রোডে আছেন। দু’মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে, বড়জন আমেরিকায়, মেজটা বম্বেতে। ছোটটার কী একটা অসুখ হয়ে শরীর এত রোগা হয়ে গেছে যে ওকে নিয়ে বিরামবাবুদের চিন্তা। তুমি ওদের চেনো নাকি?’ ভদ্রমহিলার চোখ সবসময় কথা বলে।

    ‘চিনতাম। কলকাতায় আসার পর আর দেখা হয়নি।’

    ‘ওই তো, থার্টি ফোর বি রিচি রোডে ওরা থাকে, চলে যেয়ো একদিন।’

    ‘দেখি।’

    ‘আরে, তখন থেকে কথা বলে যাচ্ছি, কী খাবে বলো?’

    পরমহংস এতক্ষণ কথা শুনছিল, এবার বলল, ‘দেশের লোক পেয়ে এমন মগ্ন হয়ে পড়লেন যে আমার কথা খেয়ালই নেই। খাব, কিন্তু আমরা একটা প্রয়োজনে এসেছি।’

    ‘সে তো জানি, দরকার ছাড়া আমার কাছে কেউ আসে না। আগে চা খাও, তারপর শুনব। বোসো তোমরা।’ ভদ্রমহিলার হেঁটে যাওয়ার ভঙ্গিটায় অদ্ভুত মাদকতা আছে।

    অনিমেষ পরমহংসকে নিচু গলায় জিজ্ঞাসা করল, ‘কে ইনি’?

    ‘তোমার দেশওয়ালিভাই। নর্থ বেঙ্গলের লোকদের দেখেছি পরস্পরের প্রতি খুব টান থাকে, সেটা মনে পড়তেই নিয়ে এলাম।’

    ‘কিন্তু এখানে কাকে পড়াতে হবে?’

    ‘ওঁর ছেলে। উনি ইন্ডিয়ান টোবাকোতে বড় চাকরি করেন।’

    ‘ওঁর স্বামী?’

    ‘ছিল, এখন ডিভোর্সি।’

    ‘সে কী!’

    ‘যাঃ, আঁতকে উঠলে! এই মন নিয়ে তুমি পলিটিক্স— সরি, মুখ ফসকে বেরিয়ে এসেছে। এঁরাও আমার আত্মীয়, মানে এঁর হাজব্যান্ড।’

    ‘বাব্বা, তোমার তো ভ্যারাইটিস আত্মীয়স্বজন আছে!’

    ‘অনেকেই অনেকের সঙ্গে সম্পর্ক রাখে না, একমাত্র আমিই সেতু হয়ে আছি। তবে এ-বাড়িতে অনেক দিন পরে এলাম।’

    দেওয়ালে কয়েকটা কিউরিয়ো, একটা বাচ্চা ছেলের দারুণ উজ্জ্বল ছবি চোখ টানে। হঠাৎ অনিমেষের খেয়াল হল এই মহিলা বিরাম করের কথা বলছিলেন। জলপাইগুড়ির এককালের কংগ্রেসি রাজনীতির নেতা বিরামবাবু নিশ্চয়ই আর সক্রিয় নন, থাকলে নাম শোনা যেত। ওঁরা কলকাতায় আছেন, কিন্তু কোনওদিন দেখা করার বাসনা হয়নি। মুভিং ক্যাসেল কি এই মহিলার বান্ধবী? অবশ্য তাঁর বয়স নিশ্চয়ই বেশি। মেনকাদি এবং উর্বশীর বিয়ে হয়ে গেছে, সময় কীভাবে চলে যায়! অনিমেষ আবিষ্কার করল উর্বশী নয়, এতদিন পরে রম্ভার জন্যে মনে কেমন একটা অস্বস্তি হচ্ছে। তার জীবনে রম্ভাই প্রথম, যে নারী হবার আগেই ওকে চুমু খেয়েছিল। কী বিরক্তি এবং ক্রোধ সে সময় তাকে মেয়েটাকে ঘেন্না করতে সাহায্য করেছিল! এখন এই মুহূর্তে হাসি পায়। ভদ্রমহিলা যা বললেন তা যদি সত্যি হয় তা হলে রম্ভাই এখন অসুস্থ! সেই স্বাস্থ্যবতী মেয়েটা—। সেই দুপুরে শরীরের জ্বর নিয়ে শুয়ে-থাকা মেয়েটার সব অহংকার সে চুরমার করে দিয়েছিল নির্লিপ্ত হয়ে— এখন কেমন যেন মায়া লাগছে সে কথা ভেবে। অনিমেষের খেয়াল হল এই মহিলার নিশ্চয়ই ও বাড়িতে যাতায়াত আছে এবং রম্ভা যখন শুনবে যে অনিমেষ টিউশনির উমেদারি করতে এখানে এসেছে তখন নিশ্চয়ই ঠোঁট বেঁকাবে। মেয়েরা কি পুরুষের স্মৃতি ভুলে যায়? যদি না-যায় তা হলে নিশ্চয়ই রম্ভা এতদিন বাদে মন খুলে হেসে নেবে।

    অনিমেষ ঘুরে বসল, ‘এই, তুমি এখানে টিউশনির কথা বোলো না।’

    অবাক হল পরমহংস, ‘কেন’?

    ‘না, আমি ঠিক করলাম, জলপাইগুড়ির লোকের বাড়িতে টিউশনি করব না। এটা ঠিক হবে না।’

    ‘যত সব ফালতু সেন্টিমেন্ট। ভাল মাল দেবে বুঝলে!’

    ‘দিক। তবু না, প্লিজ। এসব কথা পেড়ো না।’

    ‘কিন্তু আমি যে বললাম প্রয়োজনে এসেছি—।’

    ‘কথাটা ঘুরিয়ে নিয়ো, সে তুমি পারবে।’

    ‘তোমার টাকার দরকার নেই?’

    ‘আছে।’

    ‘তা হলে?’

    ‘আমার কতগুলো জমানো স্মৃতি আছে, সেগুলোকে বিক্ষত করে টাকা চাই না। এ তুমি ঠিক বুঝবে না।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগীতবিতান ছুঁয়ে বলছি ১ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }