Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প836 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২২. খুব দ্রুত ঘটে যাচ্ছিল ঘটনাগুলো

    বাইশ

    খুব দ্রুত ঘটে যাচ্ছিল ঘটনাগুলো। জীবনটা কি এইরকম? যখন কিছু ঘটে না তখন দমবন্ধ গ্রীষ্মের দুপুরের মতো থমকে থাকে সবকিছু। আর যখন ঘটার পালা আসে তখন উত্তাল ঢেউয়ের মতো, কোনও কিছু গ্রাহ্য না-করে বেপরোয়া ছুটে চলে। সেইরকম ছুটে যাওয়ার সময় যেন এই দিনগুলো। অনিমেষ পেছন ফিরে তাকাবার সুযোগ পাচ্ছিল না।

    সুবাসদার সঙ্গে দেখা হয়নি অনেকদিন। খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করেছে সে কিন্তু সঠিক সংবাদ পাওয়া যায়নি। এই নিয়ে দু’বার সুবাসদা নিজে আসবে বলে আর আসেনি। এখন অনিমেষদের কাজকর্ম খুব বেড়ে গেছে। পার্টি অফিস— ইউনিভার্সিটি করতে করতে অনেকটা সময় ব্যয় হয়ে যাচ্ছে। নতুন নতুন লোকের সঙ্গে নিত্য পরিচয় হচ্ছে। কিন্তু পুরনো যারা রাজনীতিতে সংশ্লিষ্ট নয়, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে আসছে। যেমন পরহমহংস। যেদিন সময় পায় সেদিন ক্লাস করতে গেলে দেখা হয়। একই রকম আছে ছেলেটা। এই যেমন আজ দেখা হতেই বলল, ‘মালকড়ির শেয়ার পাচ্ছ মনে হচ্ছে গুরু। কামিয়ে নাও যত পারো।’

    অনিমেষ হকচকিয়ে বলল, ‘শেয়ার পাচ্ছি মানে?’

    পরমহংস বলল, ‘তুমি যদি ভূত হও তা হলে ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াবে। তা না-হলে এখান থেকে ফায়দা তুলবে।’

    অনিমেষ হেসে বলল, ‘আমাকে দেখে কী মনে হচ্ছে?’

    পরমহংস বলল, ‘মাল গুটোচ্ছ বেশ।’

    অনিমেষ প্রতিবাদ করতে গিয়ে থেমে গেল। কোনও লাভ নেই। যে নিয়মটা চালু হয়ে গেছে তার বাইরে চিন্তা করতে আমরা অভ্যস্ত নই। এই মুহূর্তে তার পকেটে মাত্র দুটো টাকা পড়ে আছে। মাসের শেষ হতে অনেক দেরি এবং এতবড় কলকাতায় তাকে ওই টাকায় মাসটা চালাতে হবে। পরমহংস ওর মুখের পরিবর্তন লক্ষ করে বলল, একসময় তুমি টিউশনি করবে বলে খেপে উঠেছিলে। অথচ এখন সেসব কথা ভুলেও বলো না। তার মানে তোমার টাকার দরকার নেই। ঠিক কিনা?’

    অনিমেষ বলল, ‘তা নয়। আসলে আমি বোধহয় খুব উদ্যোগী ছেলে নই। যা মাথায় আসে তাই করার জন্যে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। তা ছাড়া পার্টির কাজে এত সময় দিতে হয় যে ধরা-বাঁধা অনেক কাজ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এই কাজ করতে কেউ মাথার দিব্যি দেয়নি। কিন্তু আমি এ-কাজ না-করেও পারব না। তার ফলে অনেক আর্থিক কষ্টের মধ্যে আমাকে দিন কাটাতে হয়, বিশ্বাস করো, রাজনীতি করে যারা পয়সা পায় তাদের সঙ্গে আমার এখনও আলাপ হয়নি এবং সেই ভূমিকায় নিজেকে দেখার কোনও আগ্রহ নেই।’

    পরমহংস বলল, ‘এরকম নেশার কোনও মানে আমি বুঝতে পারি না। যখন সময় চলে যাবে তখন দেখবে তোমার স্কোরে একটাও রান জমেনি। তুমি কি ভাবছ এই করে দেশের চেহারা পালটে দিতে পারবে? মিছিমিছি নিজেকে নষ্ট করার কোনও মানে হয়!’

    অনিমেষ বলল, ‘এইরকম চিন্তা যদি সবাই করে তা হলে আগামী দশ বছর পরে দেশের কী অবস্থা হবে তা ভাবতে পারো?’

    পরমহংস বলল, ‘এখন কথাটা মানছ না, পরে বুঝবে। তুমি যা-ই বোঝাতে চাও দেশের সাধারণ মানুষ তা বুঝবে না। তারা একটা জিনিসই জানে, যে তাদের ব্যক্তিগত প্রয়োজন মেটাবে সেই তাদের বন্ধু। ওসব ইজম টিজমে ওদের কিছু যায় আসে না। সব শালা আমরা দারোগাবাবু হয়ে বসে আছি। হাঁসে ডিম পাড়ুক আমরা হাফবয়েল খাব। তা তোমার পরীক্ষা টরিক্ষা দেবার ইচ্ছে আছে?’

    অনিমেষ বলল, ‘কোনও লাভ নেই দিয়ে তবুও দেব।’

    পরমহংস বলল, ‘লাভ নেই জেনেই তো এম এ পড়তে এসেছি বাংলায়। দু’বছর ভাল ভাল মেয়ের সঙ্গে আড্ডা মারার এই সুযোগ কি কেউ ছাড়ে? কপালে কোনও ব্যাঙ্ক বা সরকারি অফিসের কেরানিগিরি অপেক্ষা করছে তা তো জানি। কিন্তু পরীক্ষা না-দিলে প্রেস্টিজ থাকে না। তুমি তো ক্লাস করছ না, পড়াশুনা হচ্ছে কি?’

    অনিমেষ বলল, ‘লাস্ট দু’মাসে ম্যানেজ হবে না? তুমি কী বলো?’

    রামকৃষ্ণের মতো মুদ্রা করল হাতের আঙুলে পরমহংস। তারপর বলল, ‘ও হ্যাঁ, মনে পড়েছে, তোমাকে শোভনাদি খুঁজছিল, একদিন দেখা কোরো।’

    ‘কেন, কী ব্যাপার?’

    ‘টিউশনির জন্যে গিয়েছিলে, বোধহয় সেই ব্যাপারেই।’

    ‘ভদ্রমহিলা বেশ ভাল।’ অন্যমনস্ক গলায় বলল অনিমেষ।

    ‘তাই নাকি? স্পিন ধরেছে মনে হচ্ছে!’

    ‘ইয়ারকি মেরো না। মহিলার মুখে একটা ব্যথার ছায়া ঘোরে।’

    ‘দয়া করে সেই ছায়াটা সরাবার চেষ্টা কোরো না, তা হলেই উনি আরও ব্যথা পাবেন। তোমার বান্ধবী আসছেন, আমি চলি।’

    পরমহংস ঘুরে দাঁড়াতেই অনিমেষ দেখল মাধবীলতা আসছে। বেলঘরিয়া থেকে ফিরে আসার পর ওর সঙ্গে দেখা হয়নি অনিমেষের। সাদা জামা সাদা শাড়িতে খুব সুন্দর দেখাচ্ছে। সে পরমহংসের হাত ধরে বলল, ‘এই, পালাবে না।’

    মাধবীলতা সামনে এসে দাঁড়িয়ে হাসল, ‘কী খবর?’

    অনিমেষ বলল, ‘কোথায় ছিলে?’

    ‘লাইব্রেরিতে। আমাদের তো পাশ করতে হবে।’

    ‘একে চেনো?’

    সঙ্গে সঙ্গে পরমহংস সামান্য ঝুঁকে নমস্কার করে বলল, ‘ঈশ্বর, এও আমাকে শুনতে হল, অনিমেষ আমার পরিচয় দিচ্ছে!’

    অনিমেষ দেখল মাধবীলতা হাসছে এখনও। সে বলল, ‘তোমরা কি আগে থেকেই—’

    পরমহংস হাত নেড়ে জানাল, ‘অফকোর্স। আমিই তো ফার্স্ট ওর পেছনে লাইন দিই, তুমি তো পেছন থেকে ওভারটেক করে চেয়ার দখল করলে। আমার কপালই এইরকম, বন্ধুরাই শত্রু হয়।’ ওর বলার ভঙ্গি এমন যে মাধবীলতা হাতের খাতা দিয়ে ওকে কপট আঘাত না-করে পারল না। শরীর খর্বকায় বলে পরমহংস মাথা নিচু করে একপাশে সরে গিয়ে উচ্চগ্রামে হাসতে শুরু করল। অনিমেষের মনে পড়ল, তার অ্যারেস্ট হওয়ার বিকেলে এই পরমহংসই ওকে খবর দিয়েছিল বসন্ত কেবিনের ওপরে মাধবীলতা বসে আছে। সে ব্যাপারটা বলতেই পরমহংস বলল, ‘দারুণ ব্যাপার হয়েছিল সেদিন। আমি ইউনিভার্সিটির উলটো ফুট থেকে দেখলাম তুমি ফালতু ফালতু শহিদ হয়ে গেলে—’

    অনিমেষ জিজ্ঞাসা করল, ‘ফালতু ফালতু মানে?’

    ‘নিরীহ হরিণশাবকের মতো তুমি রাস্তা পার হচ্ছিলে আর পুলিশ ভ্যানটার তখন একটা কেস দেখাবার প্রয়োজন ছিল তাই টুক করে তোমায় তুলে নিল। কোনওরকম বিপ্লব বিদ্রোহ নয়, ঠাকুরঘরে ঢোকার মতো তুমি ভ্যানের ভেতরে ঢুকে গেলে।’

    অনিমেষ হাসল, ‘তারপর?’

    ‘তারপর আর কী? পুলিশ চলে গেলে তুমি ছাত্রদের কাছে বিপ্লবী হয়ে গেলে। কমরেড অনিমেষের মুক্তি চাই, বাপস! মেয়েরা গুজব ছড়াতে লাগল। অনেক লড়াই করে তুমি ধরা দিয়েছ এইসব। তা এই মহিলাও বোধহয় সেইসব গুজবের একটি শ্রবণ করে বসন্ত কেবিনে আশ্রয় নিয়েছিলেন। আমি কি ছাই সে সব জানতাম। দেখলাম একা হরিণ কচি ঘাস খাচ্ছে। দেখে নির্মল হৃদয়ে পাশে গিয়ে বসলাম, নিজের পরিচয় দিয়ে লাইন করার চেষ্টা করলাম।’

    মাধবীলতা ঠোঁট কামড়ে বলল, ‘কীসের লাইন?’

    ‘একটা মোগলাই পরোটা আর চায়ের।’

    ‘ওমা!’ মাধবীলতা হতবাক।

    অনিমেষ বলল, ‘খাওয়াল না?’

    ‘খাওয়াবে কী! এক ডজন অমাবস্যা মুখে নিয়ে বসে থাকলে কাউকে খাওয়ানোর কথা মনে আসে। আমি শালা আলাপ জমাবার জন্যে কারেন্ট টপিক ব্যবহার করতেই ফেঁসে গেলাম।’ আফশোসের মুখ করল পরমহংস।

    ‘ডিটেলস প্লিজ।’

    ‘যেই বললাম, অনিমেষ একটা দারুণ ছেলে। চেনেন নিশ্চয়ই? আমাদের সঙ্গে পড়ে, মাই ফ্রেন্ড। আজ পুলিশকে ভুলিয়ে ভালিয়ে ভ্যানে উঠে বাড়ি চলে গেল। অমনি এই মহিলা ভেঙে পড়লেন।’

    ‘মোটেই না, একদম ইয়ারকি করবেন না।’ ফুঁসে উঠল মাধবীলতা।

    ‘বেশ, তা হলে একা একা বসন্ত কেবিনে কী করছিলেন?’

    ‘আশ্চর্য। আমি ওখানে চা খেতে যেতে পারি না?’

    ‘একা একা?’

    ‘হ্যাঁ। আপনারা যেটা পারেন সেটা একটা মেয়ের পক্ষে কি পারা অন্যায়?’

    হাত জোড় করল পরমহংস, ‘ক্ষমা করুন, আমার অন্যায় হয়ে গেছে। কিন্তু এতসব শোনার পরও যদি হৃদয় না-গলে তা হলে আফশোসের কথা।’

    ‘হৃদয় গলবে কী কারণে?’

    ‘বাঃ, আমি যদি খবর না-দিতাম তা হলে অনিমেষ আপনার কাছে যেত? সেই সুবাদে আমার একটা মাটন ওমলেট আর কফি পাওনা হয়ে আছে।’

    ‘ঠিক আছে, এত করে যখন বলছেন, আর একদিন খাওয়াব। আজ আমার কাছে বেশি পয়সা নেই।’

    ‘নেই তো কী হয়েছে, ধার দিচ্ছি।’

    ‘মানে? আপনার কাছ থেকে ধার নিয়ে আপনাকেই খাওয়াতে হবে? কী ডেঞ্জারাস লোক!’ কপালে চোখ তুলল মাধবীলতা।

    ওরা বারান্দায় দাঁড়িয়ে কথা বলছিল। অনিমেষের খেয়াল হল টি. এন. জি. সেদিন ক্লাসে বলেছিলেন একবার দেখা করতে। করা হয়নি। ভদ্রলোক যদি এখনও টিচার্স রুমে বসে থাকেন তা হলে দেখা করে এলে হয়। সে শুনল পরমহংস বলছে, ‘ওর ব্যাপারটা নিয়ে আপনি কিছু ভাবছেন?’

    ‘কী ব্যাপার?’ মাধবীলতা জিজ্ঞাসা করল।

    ‘এই যে, শ্রীমান ক্লাস করছেন না, দেশ উদ্ধার করতে পার্টি করছেন, এসব করে ভবিষ্যতে গোলমালে পড়বে তা বুঝতে চাইছে না। আপনার এখন কর্তব্য ওকে বুঝিয়ে বলা।’ পরমহংস গড়গড় করে বলে গেল।

    ‘আমি কেন?’

    ‘দোহাই, আর খেলবেন না, আমি মাইরি কিছুতেই এইরকম খেলা সহ্য করতে পারি না। কেমন নার্ভ ছেড়ে যাওয়ার অবস্থা হয়।’

    মাধবীলতা হাসল, ‘দেখুন ওকে আমি খুব অল্প জানি। তবে যদি কেউ মনে করে সে যা করছে তা ঠিক করছে তাতে কোনও বাধা দেওয়া উচিত নয় বলেই বিশ্বাস করি।’

    ‘কিন্তু যদি সাফারিংস আসে।’

    ‘সেটা তো জেনেশুনেই ডেকে আনা হচ্ছে, তাই এলে তার জন্যে আফশোস করে লাভ কী। এমন ছেলেমানুষের মতো কথা বলেন না!’

    অনিমেষের মনে হল এবার কথার মোড় ঘোরানো দরকার। পরমহংস ক্রমশ ব্যক্তিগত পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে আলোচনাটা। আর একটু এগোলেই নিশ্চয়ই মাধবীলতা ফোঁস করে উঠবে আর তখন সামলানো মুশকিল হয়ে পড়বে। সে একটু ব্যস্ততা দেখিয়ে বলল, ‘তোমরা এখন কী করছ?’

    পরমহংস বলল, ‘কফিহাউস যাব।’

    মাধবীলতা ঠাট্টা করল, ‘কেন, কফি শিকার করতে?’

    পরমহংস বলল, ‘কী করি বলুন, অন্য কিছুর এলেম নেই যে।’

    অনিমেষ ওদের দাঁড়াতে বলে টিচার্স রুমে চলে এল। যা ভেবেছিল তাই, ঘর ফাঁকা। ফিরে এসে বলল, ‘টি এন জি-র সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম, উনি নেই। চলো, বেরিয়ে পড়ি।’

    মাধবীলতা হাঁটতে হাঁটতে জিজ্ঞাসা করল, ‘হঠাৎ টি এন জি কেন?’

    ‘একদিন ক্লাসে আমাকে দেখা করতে বলেছিলেন, আর যাওয়া হয়নি।’

    কথাটা শোনামাত্র দু’জনে অবাক হয়ে অনিমেষের দিকে তাকাল। পরমহংস বলল, ‘গুরুদেব লোক মাইরি। ছ’মাস আগের কথা আজ মনে পড়ল? এরপর হয়তো দশ বছর বাদে একদিন এসে জিজ্ঞাসা করবে, ‘মাধবীলতা, তুমি যেন কী কথা বলছিলে সেদিন—,’ কথাটা শেষ না-করে দ্রুত পা চালাল সে। চিৎকার করে বলল, ‘কফিহাউসে আছি, ইচ্ছে হলে এসো, নইলে চরে খাও।’

    চোখমুখ লাল করে মাধবীলতা বলল, ‘আচ্ছা ফাজিল তো!’

    অনিমেষ বলল, ‘কিন্তু ভীষণ হাসিখুশি।’

    ‘তা অবশ্য, মনে প্যাঁচ থাকলে কেউ এরকম কথা বলতে পারে না। যার যত প্যাঁচ সে তত গম্ভীর। এতদিন পরে দেখা হল তবু হাসি দেখলাম না।’

    অনিমেষ চোখ ছোট করল, ‘আমার মনে প্যাঁচ আছে?’

    ‘আছেই তো।’ মাধবীলতা অন্যদিকে মুখ ফেরাল।

    ‘কীরকম?’

    ‘এতদিন দেখা হয়নি তবু খোঁজ নেবার ইচ্ছে হয়েছিল?’

    ‘তুমি ক্লাসে আসোনি?’

    ‘আমি কিছু বলব না।’ গম্ভীর মুখে হাঁটতে শুরু করল মাধবীলতা।

    হঠাৎ এই পরিবর্তনের কোনও কারণ বুঝতে না-পেরে অনিমেষের অস্বস্তি শুরু হল। সেদিন বাসে যা হয়েছিল তার পুনরাবৃত্তি যদি হয় তা হলেই সর্বনাশ। মাধবীলতা মুখ গম্ভীর করলেই মনে হয় বুকের ভেতরটা টলমল করছে। সে দ্রুত পা চালিয়ে মাধবীলতার পাশাপাশি গিয়ে জিজ্ঞাসা করল, ‘এই, কী হয়েছে!’

    মাধবীলতা অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে হাঁটলেও অনিমেষ ওর গালের নীচে একটা শিরার কাঁপুনি লক্ষ করল। আর প্রশ্ন করতে সাহস পেল না। চুপচাপ ওরা হেঁটে গেল অনেকটা পথ।

    বউবাজার ছাড়িয়ে যেতে গিয়ে অনিমেষ পাশের একটা রেস্টুরেন্ট দেখিয়ে বলল, ‘একটু চা খাব।’

    ‘আমার খাওয়ার ইচ্ছে নেই।’ থমথমে মুখ এখনও মাধবীলতার।

    ‘থাক তা হলে।’

    একটু ইতস্তত করল মাধবীলতা, তারপর বলল, ‘আমি বসছি।’

    ‘না, একা একা চা খাওয়া যায় না।’

    কপালে ভাঁজ ফেলে মাধবীলতা অনিমেষের মুখের দিকে এক পলক দেখে নিয়ে খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে রেস্টুরেন্টের ভেতর ঢুকল। বেশ ভিড় দোকানটায়। একটা টেবিলে দু’জন লোক বসে আছে। অনিমেষ সেদিকে এগোতেই বয় একটা কেবিনের পরদা উঁচু করে ধরে তাদের ডাকল। অনিমেষ হাত নেড়ে তাকে নিষেধ করতে যেতেই অবাক হল। মাধবীলতা সেই কেবিনে ঢুকে গেল। এরকমটা কখনওই হয়নি। অনুচ্চারিত একটা শর্ত ছিল যেন ওদের, কোনও নির্জন কেবিনে বসবে না। মাধবীলতার ধারণা কেবিনের পরদা ফেলে লোকে বদমাইশি করতে বসে। অথচ আজ অমন নির্দ্বিধায় সে ঢুকে গেল কেন?

    অনিমেষ কেবিনে ঢুকে বিপরীত দিকের চেয়ারে বসতেই বয়টা জিজ্ঞাসা করল, ‘মোগলাই, ফিশফ্রাই, ব্রেস কাটলেট, কবিরাজি— কী দেব?’

    অনিমেষ বলল, ‘কিছু না, শুধু চা।’

    ‘ওনলি চা?’ ছেলেটা যেন তাচ্ছিল্যের গলায় প্রশ্নটা করল। অনিমেষের রাগ হয়ে গেল বলার ধরনে। যেন রেস্টুরেন্টে ঢুকলেই একগাদা খাবার খেতে হবে নইলে মান থাকবে না। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে মাধবীলতা বলে উঠল, ‘ফিশফ্রাই আছে? তা হলে দুটো দিন।’

    ছেলেটি হাসল, তারপর পরদা ফেলে দিয়ে চলে গেল।

    অনিমেষ জিজ্ঞাসা করল, ‘এটা কী হল?’

    ‘তোমার খিদে পেয়েছে।’ মাধবীলতার মুখের ভাব একটুও বদলায়নি।

    ‘তুমি কী করে জানলে?’

    ‘মুখ দেখলেই বোঝা যায়।’

    ‘কিন্তু আমার পকেটে মাত্র দুটো টাকা আছে। এতে মিটবে?’

    এবার বিচলিত হল মাধবীলতা। আজ ব্যাগ নিয়ে আসেনি, হাতে শুধু খাতা ছিল। কিন্তু কোমর থেকে রুমাল বের করে তার গিঁট খুলে একটা টাকা আর কিছু খুচরো পয়সা বের করল। একটু বিব্রত মুখে সে জিজ্ঞাসা করল, ‘এতে হবে না?’

    অনিমেষ হেসে ফেলল, ‘ছেড়ে দাও, আমি ওকে শুধু চা দিতে বলছি।’

    ‘না,’ ঘাড় শক্ত করল মাধবীলতা, ‘ফিশফ্রাই খাবই। আমার হাতে সোনার বালা আছে।’

    ‘সোনার বালা দিয়ে কী হবে?’

    ‘জমা দিয়ে যাব, পরে দাম দিয়ে ছাড়িয়ে নেব।’

    একদৃষ্টে মেয়েটাকে দেখল অনিমেষ। অসম্ভব জেদি কিন্তু ছেলেমানুষ মনে হচ্ছে ওকে। ব্যাপারটা যে হাস্যকর তা ওর মাথায় কিছুতেই ঢুকছে না। অনিমেষের মনে হল এইরকম অপ্রস্তুত অবস্থায় ঢোকাটাই তার অন্যায় হয়েছে। সে মুখ নামিয়ে টেবিলের কাচের তলায় রাখা মেনুকার্ডের ওপর চোখ রাখল। ফিশফ্রাইয়ের দাম একটাকা চল্লিশ আর চায়ের দাম তিরিশ। অর্থাৎ তিন টাকা চল্লিশ পয়সা ব্যয় করলেই এ যাত্রায় রেহাই পাওয়া যায়। দু’জনের কুড়িয়ে বাড়িয়ে সেটা হয়ে যাবে কিন্তু বাড়ি ফেরা?

    সে জিজ্ঞাসা করল, ‘তোমার রেলের টিকিট আছে?’

    ঘাড় কাত করল মাধবীলতা। তারপর খাতাটা খুলে মাসের টিকিটটা দেখাল। অনিমেষ নিশ্চিন্ত গলায় বলল, ‘যাক, প্রবলেম সলভ্ড। তোমার সোনার বালা হাতেই স্থির থাক। আমাদের যা পয়সা আছে তাতে স্বচ্ছন্দে দাম মেটানো যাবে।’

    বোঝাটা কমে যেতে হাসল মাধবীলতা। এই হাসি দেখলে মনে হয় একটি সুন্দর মুখের সরল বালক হাসছে। একটু আগে, হেঁটে আসার সময় যে কালো মেঘ জমেছিল তা এখন উধাও, ভাগ্যিস এই টাকার সমস্যাটা উঠেছিল, অনিমেষ মনে মনে বয়টাকে ধন্যবাদ দিল। সে একটু সহজ গলায় জিজ্ঞাসা করল, ‘এবার বলো, তোমার কী হয়েছে?’

    ‘যাই হোক, তোমার কিছু এসে যায়?’

    ‘যায়। যায় বলেই তো তুমি মুখ গম্ভীর করলেই মরে যেতে ইচ্ছে করে।’ অনিমেষ সত্যি কথাই বলল।

    ‘যাও! যত বানিয়ে বানিয়ে কথা বলা। আমি যে ক্লাসে ছ’দিন আসিনি, মরে আছি কি বেঁচে আছি খোঁজ নেওয়ারও প্রয়োজন নেই, না? আমি তো ভেবেছিলাম আজ তোমার হস্টেলেই চলে যাব।’ মাধবীলতা আবদারের ভঙ্গিতে কথা শেষ করল।

    ‘পার্টি অফিস থেকে বেরুতে রোজ দেরি হয়ে যাচ্ছিল। এই যাঃ, আমি ভেবেছিলাম তুমি আমার জন্যে নোট নিয়ে যাচ্ছ— মুশকিলে পড়তে হবে। যাক, কী হয়েছে বলো?’

    ‘মেয়েদের তো এই বয়সে একটাই সমস্যা থাকে। আমার বিয়ের জন্যে সবাই এত ব্যস্ত হয়ে উঠেছে যে মাঝে মাঝে মনে হচ্ছে আমি ওদের বোঝা হয়ে আছি যেন। এ-দেশে মেয়ে হয়ে জন্মানোটাই পাপ।’

    ‘এ-কথাটা তুমি বলছ, কিন্তু ভাবো তো, ইউনিভার্সিটি অবধি আসার সুযোগ তো তুমি পেয়েছ! এরকম ক’টা মেয়ের ভাগ্যে ঘটছে?’

    ‘বাঃ তাই একটা লজ্জার কথা ঢাকা দিয়ে রাখতে হবে?’

    ‘লজ্জা কেন? মেয়েরা বড় হলে বাপ-মা তাকে সুপাত্রে দিয়ে জীবনটা নিশ্চিন্ত করতে চাইবে না? স্নেহ থেকেই তো এটা আসে।’

    ‘তা হলে সুপাত্রটিকে মেনে নেব? কী বলো তুমি?’

    ‘তোমার যদি বাসনা হয়।’

    ‘দেখো, আমি তোমাকে ধরে রাখিনি। যদি মনে হয় আমাকে তোমার কোনও প্রয়োজন নেই তা হলে স্বচ্ছন্দে চলে যেতে পারো। কারও দয়া নিয়ে আমি বেঁচে থাকতে চাই না। আমি আমার ব্যাপার নিজেই বুঝে নেব।’

    মাধবীলতার মুখ আবার থমথমে হয়ে যাচ্ছে দেখে অনিমেষ বলল, ‘তখন থেকে শুধু আমায় বকেই যাচ্ছ, আসল কথাটা বলে ফেলো।’

    ‘এমন জ্বালায় না!’ মাধবীলতা আনমনে কথাটা বলতেই বয় খাবার দিয়ে জিজ্ঞাসা করল, ‘কিছু বললেন?’

    ‘না না, আপনাকে নয়।’

    বয় চলে যেতে অনিমেষ বলল, ‘জ্বালাল তো অথচ নয় বললে কেন?’

    মাধবীলতা তার সেরা অলংকার ভুরুর তলায় চাহনি রাখতেই অনিমেষ চোখ বন্ধ করল। ওর এই চাহনিটায় বুকের মধ্যে যেন লক্ষ জলতরঙ্গ বেজে ওঠে। সে দেখল মাধবীলতা নিজের প্লেটের ফ্রাইটা দু’ভাগ করে একটা টুকরো তার প্লেটে তুলে দিয়ে বলল, ‘অনেক কষ্টে থামিয়েছি।’

    ‘কী?’ অনিমেষ বুঝতে পারল না।

    ‘বিয়ে। বাড়িতে খুব ঝামেলা হয়েছে। মা তো কথাই বন্ধ করে দিয়েছেন। বুঝতে পারছি না কতদিন এভাবে চলবে। কোনওরকমে এম এ পাশ করতে পারলে আর চিন্তা করি না।’ মাধবীলতাকে খুব গম্ভীর দেখাচ্ছিল।

    অনিমেষ দেখল সে খাচ্ছে না, ছুরিটা দিয়ে খাবার নাড়াচাড়া করছে শুধু। বুকের মধ্যে এক ধরনের চাপ অনুভব করল অনিমেষ। হঠাৎ হাত বাড়িয়ে সে মাধবীলতার কবজি ধরল, ‘তুমি ভেঙে পোড়ো না লতা—।’

    কথা না-বলে ঘাড় নেড়ে না বলল মাধবীলতা। তারপর কেমন কান্না-মেশানো গলায় বলল, ‘শোনো, তুমি আমাকে কখনও অবহেলা কোরো না।’

    ‘আমি প্রতিজ্ঞা করছি। আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারি না ও কথা।’

    মাধবীলতা ধীরে ধীরে হাত ছাড়িয়ে দিল।

    কিছুক্ষণ বাদে অনিমেষ জিজ্ঞাসা করল, ‘সেদিন আমি গিয়েছিলাম বলে বাড়িতে কোনও অসুবিধে হয়নি তো?’

    ‘কথা হয়েছিল। তুমি কে, কোথায় থাকো, এইসব। আমি জানি আমার ব্যাখ্যা ওদের সুখী করেনি। আচ্ছা, একটা কথা বলতে পারো, যে মেয়েকে তিল তিল করে বাবা-মা বড় করল আদর যত্নে, সেই মেয়ে বড় হয়ে গেলেই কেন তাকে সন্দেহ করতে হবে সবসময়? কেন মনে হয় সে অন্যায় করছে বোধহয়।’

    ‘স্নেহের আধিক্যই এর কারণ।’

    ‘কী জানি, অধিকারবোধ বড় অন্ধ করে দেয় মানুষকে।’

    খাবারের বিল মিটিয়ে বাকি পয়সা ক’টা টিপস দিয়ে দিতে ছেলেটি খুশি হয়ে নমস্কার করল।

    ওরা রাস্তায় বেরিয়ে আসতেই মাধবীলতা বলল, ‘তোমার আমার দু’জনের কাছেই আর পয়সা নেই, না?’

    ‘হুঁ।’ অনিমেষ শূন্য পকেটের কথা ভাবতে চাইছিল না। এখনও মাসটা চালাতে হবে। কী করে যে চলবে ঈশ্বর জানে। মুখে বলল, ‘বেশ মুক্তপুরুষ মনে হচ্ছে।’

    মাধবীলতা ঠোঁট বেঁকাল, ‘এমন স্বার্থপর না, আমারও যে পয়সা নেই এটা ভুলে গেলে কথাটা বলার সময়!’

    ও হাসল। মুক্তপুরুষ বললে যে ছবিটা মনে আসে, মুক্তনারী বললে তা কখনওই বোঝা যায় না। সে বলল, ‘তোমার তো বাবা বাড়িতে পৌঁছালেই পয়সা পাওয়ার সুযোগ আছে কিন্তু ওই দুটো টাকাই আমার শেষ সম্বল ছিল। এখন এই কলকাতায় আমার একটা পয়সাও নেই।’

    ‘কত লাগবে তোমার?’

    ‘মানে?’

    ‘আমি কাল তোমাকে দিতে পারি। আমার কিছু জমানো টাকা আছে।’

    ‘থাক, দেখি ম্যানেজ করব যা হোক করে।’

    ‘দেখলে, তোমার মনে কেমন প্যাঁচ! আমার কাছে পয়সা নিলে অহংকারে লাগবে না? যে মেয়েটা—।’

    ‘আচ্ছা আচ্ছা, ঠিক আছে। কাল গোটা ত্রিশ টাকা এনো। কবে কখন শোধ করতে পারব আগে থেকে কথা দিতে পারছি না কিন্তু।’

    ‘আমি যাকে দিই তার থেকে ফেরত নেবার জন্যে দিই না।’

    ‘বেশ। কিন্তু মহারানি, তুমি কি ভাল করে ব্যাপারটা ভেবে দেখেছ? আমার জীবন এর পর অনিশ্চয়তায় ভরে যাবে। রাজনীতির কাজে কখন কোথায় থাকব তার ঠিক নেই। চাকরি-বাকরি করে স্থির হয়ে থাকব তারও কোনও সম্ভাবনা নেই। তখন?’

    ‘তখন আমি তোমার সঙ্গে সঙ্গে থাকব। এ-কথা বোঝো না কেন আমি কখনওই তোমার বাধা হয়ে দাঁড়াব না।’

    শেয়ালদা স্টেশনে পৌঁছানোর পর মাধবীলতা বলল, ‘তুমি যেন কবে বাইরে যাচ্ছ?’

    ‘সামনের মাসে। নির্বাচনের কাজ করলে অনেক অভিজ্ঞতা হবে। তা ছাড়া জায়গাটা আমার একদম অচেনা নয়।’

    ‘কবে ফিরছ?’

    ‘ভাবছি নির্বাচন শেষ হলে বাড়ি ঘুরে আসব।’

    ‘আমাকে নিয়ে যাবে সঙ্গে?’

    ‘তুমি যাবে?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘তোমার বাড়ি?’

    ‘সে আর ভাবি না। না, এখন যাব না। যেদিন তোমার পরিচয় নিয়ে যেতে পারব সেদিন আমি যাব। এখন তুমি কাজ করে এসো।’

    পকেটে পয়সা না-থাকায় পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিল অনিমেষ। পথ যদিও দীর্ঘ নয় তবু তার মনে হচ্ছিল সে যেন উড়ে উড়ে যাচ্ছে। এত আনন্দ কেউ পায়!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগীতবিতান ছুঁয়ে বলছি ১ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }