Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প836 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৭. দাসপাড়ার উপনির্বাচনের কংগ্রেসপ্রার্থী

    সাতাশ

    দাসপাড়ার উপনির্বাচনে কংগ্রেসপ্রার্থী বিপুল ভোটে জয়লাভ করলেন। কলকাতার মানুষ খবরের কাগজের এই সংবাদটাকে তেমন গুরুত্বই দিল না, যেন এটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার, না-জেতাটাই ছিল আশ্চর্যের। ভোটের ফলাফল বের হলে অনিমেষরা হিসেব করেছিল মোট ভোটের সত্তর শতাংশ বাক্সে পড়েছে। বাকি ত্রিশভাগ যারা ভোট দেয়নি তাদের সমর্থন পেলে কী কাণ্ড হত বলা যায় না। দেখা গেল আগেরবার বিরোধী প্রার্থী যত ভোট পেয়েছিল এবার তা থেকে হাজার খানেক বেড়েছে।

    বিমান বা সুদীপ এই নির্বাচন নিয়ে কোনও কথা বলছে না। যা গিয়েছে তার সম্পর্কে ভেবে কিছু লাভ নেই। পার্টির নেতারা নিশ্চয়ই নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ত্রুটিগুলো সামলে নেবেন সামনের বার। অনিমেষ জিজ্ঞাসা করতে বিমান জবাব দিয়েছিল, ‘পর্যালোচনা চলছে।’

    সুবিমলবাবুর ব্যাপারটার পর থেকে অনিমেষ নিজের ভেতরে যেন আর উৎসাহ খুঁজে পাচ্ছিল না। এই মানুষটির দ্বৈতসত্তার কথা জেনেও পার্টি তাঁকে মূল্যবান বলে মনে করে, কমরেডের সম্মান দেয়, এটা কেমন কথা? ক্রমশই সে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছিল। এখন অভ্যেসবশত ইউনিয়ন অফিসে যায়, কথা শোনে কিন্তু আলোচনায় উৎসাহ পায় না।

    এইসময় ভারতবর্ষ আর পাকিস্তান একটা যুগ্ধে লিপ্ত হল। সন্ধের পরই কলকাতা শহর অন্ধকারে ডুবে যায়, তড়িঘড়ি মানুষ ঘরে ফিরে যাচ্ছে। যে-কোনও মুহূর্তেই পাকিস্তানের বোমারু-বিমান কলকাতার আকাশে দু’-একটা বোমা টুক করে ছেড়ে দিয়ে যেতে পারে। তবে চিনের সঙ্গে যখন গোলমালটা লেগেছিল তখনকার মতো দিশেহারা অবস্থা এখন নয়। মানুষ জানে পাকিস্তান যতই গর্জাক ভারত দখল করার হিম্মত নেই। কিন্তু এই মুহূর্তে ভারতবাসী কংগ্রেস সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে, বহুমুখী বিরোধীরাও মূক হয়ে আছে। তবু যুদ্ধটা ঠিক জমছে না।

    এই যুদ্ধ অনেকটাই সাজানো, ফলাফল জানাই আছে— এইরকম বোধ পার্টির নেতাদের থেকে শুরু করে ক্যাডার পর্যন্ত সঞ্চারিত। সাধারণ মানুষও বেশ মজা পেয়ে গেছে। সিনেমা দেখার ভঙ্গিতে কাগজে যুদ্ধের খবর পড়ে কারণ তারা সবাই জানে পাকিস্তানিরা কখনওই তাদের গায়ে হাত দিতে পারবে না। কিন্তু যুদ্ধের কারণেই কংগ্রেস সম্পর্কে তিক্ততা ক্ষীণ হয়ে এল।

    অবশ্য শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের আঁচ গায়ে লাগল। হুহু করে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাচ্ছে। ভারতবাসীর মতো সব সইয়ে জাত পৃথিবীতে বিরল। কোথাও কোনও প্রতিবাদ নেই, যেন যুদ্ধ হলে দাম বাড়াটাই স্বাভাবিক কথা। চোখের সামনে মানুষ মানুষকে ঠকাচ্ছে এবং সেটাকে খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতেই গ্রহণ করে সবাই। অনিমেষের মনে হয়, সাতচল্লিশ সালের পনেরোই আগস্টেই এ-দেশের মানুষের মেরুদণ্ডটিকে খুলে নিয়ে মাউন্টব্যাটেন-সাহেব দেশে চলে গেছেন।

    যুদ্ধটা যখন থেমে গেল খুব আফশোস হচ্ছিল ওর। পাকিস্তান কেন পূর্ববঙ্গকে ব্যবহার করল না? কেন ঢাকা থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে বোমারু-বিমান উড়ে এসে কলকাতার ওপর বোমা ফেলল না? যদি কোনও জাদুমন্ত্রে পাকিস্তানি সেনা পশ্চিমবাংলায় ঢুকে পড়ত তা হলে উত্তেজনার আগুন পোয়ানোর বিলাসিতা ছাড়তে হত এ দেশের মানুষকে। নিজস্ব সুবিধের ছকে সাজানো রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা তখন হারিয়ে যেতে বাধ্য হত। প্রতিরোধ শক্তি জনসাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লেই ওইসব নেতাদের ছুড়ে ফেলতে একটুও সময় লাগত না। এই দেশে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠা করতে হলে সশস্ত্র যুদ্ধ চাই। ঘরে আগুন না-লাগলে ঘরের প্রতি ভালবাসা টের পাওয়া যায় না। স্বার্থের পৃথক খোলসগুলোকে চূর্ণ করতে যুদ্ধ চাই, নইলে এই নিরাসক্তির ভান কখনওই ঘুচবে না।

    অনিমেষ এখন বিশ্বাস করে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মানসিকতা পরিবর্তন করার ক্ষমতা কমিউনিস্ট পার্টির নেই। শুধু প্রতিপক্ষকে গালিগালাজ করলে হয়তো একটা সাময়িক সমর্থন পাওয়া যায় কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে হলে যোগ্যতা অর্জন করতে হয়, সেটিই করা হচ্ছে না। যা কিছু চটজলদি আবেগকে পরিচালিত করে সাধারণ মানুষ তাকেই গ্রহণ করে। এ দেশের কমিউনিস্ট পার্টির তাবড় তাবড় নেতাদের চালচলন কথাবার্তার সঙ্গে বেশিরভাগেরই ব্যক্তিগত জীবনের কোনও মিল নেই। তাঁদের দেখে কোনওরকম অনুপ্রেরণা যদি সাধারণ মানুষ না-পায় তা হলে তাঁদের আদর্শে শ্রদ্ধাশীল হবে কী করে? সবচেয়ে বিস্ময়ের কথা কমিউনিস্ট পার্টির মতো সুশৃঙ্খল সংস্থা কংগ্রেস নয়। কমিউনিস্ট ক্যাডাররা নিঃস্বার্থ হয়ে নেতাদের হুকুম মেনে নেয়। এরকম শক্তিশালী একনিষ্ঠ কর্মী পেয়ে নেতারা কী করতে চান বোঝা যাচ্ছে না। দলের নীচের তলার কর্মীরা কাজ করে ভাবাবেগে, নেতাদের পদক্ষেপ হিসেব করে। তাঁরা আবেগ আনেন বক্তৃতার সময়, ব্যক্তিগত স্বার্থ হারাতে কেউ বিন্দুমাত্র রাজি নন।

    মোটামুটি এই যখন দেশের রাজনৈতিক চেহারা তখন ঘোলাজলে পাক খেয়ে কী লাভ? অদ্ভুত হতাশাজনিত ক্লান্তি ক্রমশ অনিমেষকে আচ্ছন্ন করে ফেলছিল। এই সময় ছাত্র ইউনিয়নগুলো দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে দেশব্যাপী আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নিল। আন্দোলন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে হাত মিলিয়ে চলবে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মিছিল করে মনুমেন্ট পর্যন্ত গিয়ে নেতাদের বক্তৃতা শোনা— এই হল আন্দোলনের চেহারা। অনিমেষ দু’দিন কংগ্রেস সরকার নিপাত যাক, খাদ্য চাই, বস্ত্র চাই, বাঁচার মতো বাঁচতে চাই, দুনিয়ার ভুখা মানুষ এক হও, এক হও স্লোগান দিতে দিতে গিয়েছে মিছিলের সঙ্গে। মাধবীলতাও ছিল সঙ্গে।

    মিছিল মনুমেন্টের নীচে পৌঁছালে জায়গাটা একসময় সমুদ্রের চেহারা নিল। বাঁশের খুঁটির ওপর লাল কাপড়ের মঞ্চে নেতারা বসে সেই সমুদ্র দেখছিলেন। মাধবীলতা এই প্রথম এতসব নেতাদের একসঙ্গে দেখতে পেয়ে বেশ উত্তেজিত। এঁরা বিধানসভায় প্রায়ই শোরগোল তোলেন। কিন্তু এই গাঁধীজিমার্কা আন্দোলনে কী ফলবে অনিমেষ বুঝতে পারছিল না। দেশের মানুষ বিক্ষুব্ধ এই কথাটুকু বোঝানোর জন্যই যদি এত আয়োজন তা হলে সেটা কি কংগ্রেসি নেতাদের আজ অজানা আছে? তারা যদি সেই তথ্যটিকে উপেক্ষা করতে পারে তা হলে এই মিছিলের বিক্ষোভে কী এসে যায় তাদের। জনসাধারণের প্রাণশক্তির হাস্যকর অপব্যবহার ছাড়া ব্যাপারটা অন্য কিছু মনে হচ্ছে না অনিমেষের কাছে।

    পরপর দু’জন নেতা একই ভাষা এবং ভঙ্গিতে বক্তৃতা দিলেন। দেশ আজ বিপন্ন, কংগ্রেসি সরকারের শোষণে দিশেহারা। এই সরকারকে ছুড়ে ফেলে দিতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। কথাগুলো বলার সময় গলা কাঁপিয়ে, অনেকটা যাত্রার ঢঙে হাত নেড়ে একটা নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি করে ফেললেন ওঁরা দু’জনেই। কথা বলার সময় আবেগে মাঝে মাঝে কণ্ঠরুদ্ধ হয়ে যাচ্ছিল। ওঁদের চিৎকৃত ভাষণ যখন শেষ হল তখন বঙ্গে বর্গি পালার শেষে যে হাততালি পড়ে তারই অনুরণন মনুমেন্টের তলায় ছড়িয়ে পড়ল। বক্তৃতায় ক্লান্ত নেতাদের ভঙ্গি দেখে মনে হচ্ছিল তাঁরা এইমাত্র ঘরে ঘরে অন্ন বিলিয়ে ফিরে এলেন। সবশেষে যিনি উঠলেন তাঁর জন্যেই জনতা উদগ্রীব হয়ে অপেক্ষা করছিল। এর আগেও দেখেছে সে, আজও দেখল। গানের অনুষ্ঠানে ছোট বড় শিল্পীরা একে একে গেয়ে যান, কোনও চাঞ্চল্য দেখা যায় না শ্রোতাদের মধ্যে। কিন্তু শেষ নামটি যেই ঘোষিত হয় এবং বিখ্যাত শিল্পী যখন মঞ্চে এসে দাঁড়ান তখন হাততালি পড়ে, যেন এতক্ষণে অনুষ্ঠানটি সার্থক হল।

    এখন যিনি বলতে এলেন তাঁরও সেই ইমেজ। উনি যখন বলেন তখন যুক্তি দিয়ে বলবেন এটাই সবার ধারণা। এর আগের মিটিং-এ উনি প্রথমে বলেছিলেন বলে বাকি বক্তারা অসন্তুষ্ট হয়েছিল। কারণ তাঁদের কথা শোনার জন্য কেউ অপেক্ষা করেনি।

    জনতাকে নড়েচড়ে বসতে দেখে অনিমেষ মাধবীলতাকে বলল, ‘চিনতে পারছ ওঁকে?’

    মাধবীলতা ঘাড় নেড়ে বলল, ‘হ্যাঁ। বেশ ব্যক্তিত্ব আছে, না?’

    অনিমেষ বলল, ‘অন্তত যাত্রা করবেন না এটা বলা যায়।’

    মাধবীলতা বলল, ‘তুমি অমন বেঁকা বেঁকা কথা বলছ কেন? তোমাদের পার্টির নেতা না?’

    অনিমেষ তর্ক বাড়াল না। শুধু মাধবীলতার দিকে একবার তাকিয়ে বক্তৃতায় মন দিল। খুব শান্ত ভঙ্গি, প্রতিটি শব্দ আলাদা উচ্চারণ করেন। আবেগের বাড়াবাড়ি নেই। যেটা বলছেন তা কেন বলছেন তা ওঁর জানা আছে। স্বভাবতই কংগ্রেসি সরকারকে আক্রমণ করে উনি কথা বলছিলেন। কিন্তু একসময় অনিমেষের মনে হল উনি খুব ভাল কথাশিল্পী। সুন্দর সাজানো কথা বিশ্বাসযোগ্য করে বলেন কিন্তু কোনও ধরাছোঁয়ার মধ্যে যান না। তাঁর কথায় এমন একটা জাঁকজমক আছে যে লোকে সেইটে বুঝতেই পারে না। আন্দোলনের পরবর্তী পর্যায় কারাবরণ এবং তারপরে বাংলা বন্ধ।

    ধর্মতলা থেকে ফেরার সময় অনিমেষ সিদ্ধান্ত নিল এই রাজনীতি থেকে সে কিছুদিন সরে থাকবে। দশহাজার লোককে পুলিশ এসপ্লানেড ইস্ট থেকে ধরে বাসে করে খিদিরপুরে নামিয়ে দিলে কী ধরনের রাজনৈতিক লাভ হয় তা ওর মাথায় ঢুকবে না। এই কি কারাবরণ? অথবা সারা দেশ একদিনের জন্য অচল করে মোক্ষ লাভ হবে? এতে কি মনে হবে দেশের মানুষ তাদের পাশে আছে? এখনও যখন সাধারণ মানুষ মনে করে কমিউনিস্টদের ভোট দিলে তারা দেশটাকে রাশিয়া কিংবা চিনের হাতে তুলে দেবে! পার্টির মধ্যে ইতিমধ্যেই বিরোধ শুরু হয়েছে। বেশ কিছু সক্রিয় কর্মী নেতৃত্বের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে বিরাগের পাত্র হয়েছেন। পার্টির মধ্যে একটা অনিশ্চয়তা চলছে এ সংবাদ বিভিন্ন ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে আসছিল। অনিমেষ হাঁটতে হাঁটতে ভাবছিল, এম এ পরীক্ষাটা দিয়ে দেওয়া যাক মন দিয়ে কিছুদিন পড়াশুনা করে।

    মৌলালির মোড়ে হেঁটে এসে মাধবীলতা বলল, ‘ভীষণ টায়ার্ড লাগছে, কোথাও বসি চলো।’

    অনিমেষ দেখল মেয়েটার মুখটা কালো হয়ে গেছে, চোখের তলায় বেশ কালি। ওর হঠাৎ মনে হল মাধবীলতার এই চেহারা সে কোনওদিন দেখেনি। মুখের মধ্যে একটা খসখসে ভাব এসে গেছে, চাহনিতে ক্লান্তি বোঝা যায়।

    অনিমেষ জিজ্ঞাসা করল, ‘কী হয়েছে তোমার?’

    মাধবীলতা ভ্রূ কুঁচকে সেই চাহনিটা ব্যবহার করল, ‘আমার! কী হবে?’

    অনিমেষ বুঝতে পারল মাধবীলতা যদি নিজে থেকে কিছু না-বলে তা হলে শত চেষ্টা করেও ওর কাছ থেকে ব্যাপারটা জানা যাবে না।

    মাধবীলতা হাসল, ‘কী থেকে কী কথা! বললাম কোথাও চলো বসি, না তোমার কী হয়েছে! বসতে চাইলেই কিছু হতে হয় বুঝি!’

    অনিমেষ একটা ছোটখাটো চায়ের দোকান দেখতে পেয়ে বলল, ‘চলো এখানে বসি। তবে শুধু চা খেতে হবে।’

    মাধবীলতা বলল, ‘সেটা আমি বুঝব।’

    দোকানটা নিচু ধরনের। অবস্থা যে ভাল নয় তা চেহারা দেখেই মালুম হয়। ছড়িয়ে ছিটিয়ে যারা আড্ডা মারছিল তারা বেশ উৎসুক চোখে ওদের দিকে তাকাল। অনিমেষ সেটা দেখেও গা করল না। একটা ছোঁড়া এলে মাধবীলতা তাকে দুটো করে টোস্ট আর চা দিতে বলল। তারপর অনিমেষের দিকে ঘুরে জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি কিন্তু আজকাল সব কথা আমার কাছে বলো না!’

    ‘কী কথা?’

    ‘বিমানদের সঙ্গে তোমার ঠিক মিলছে না, না?’

    ‘কী করে বুঝলে?’ অনিমেষ অবাক হল। এসব কথা ও কখনও মাধবীলতার সঙ্গে আলোচনা করেনি।

    ‘আমি কি ঠিক বলছি?’

    ‘মোটামুটি।’

    ‘যাক। তা হলে তোমাকে বুঝতে আমার ভুল হয় না।’

    অনিমেষ মাধবীলতার চোখে চোখ রাখতেই সে মুখ নামিয়ে নিল। কথাটায় এমন সুখ জড়ানো যে তা অনিমেষকেও স্পর্শ করল। কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে সে বলল, ‘আসলে আমি এই দলের কাজকর্ম মানতে পারছি না। এরা যেভাবে চলছে সেভাবে চললে এ দেশে কোনওদিনই কমিউনিজম আসবে না। বুঝেসুঝে অন্ধ হয়ে থাকতে ভাল লাগছে না।’

    মাধবীলতা বলল, ‘তুমি কি অন্য কোনও দলে যাবে?’

    অনিমেষ বলল, ‘অন্য দল? ধ্যুৎ! সেগুলো তো আরও খারাপ। না, কোনও দলফল নয়, ভাবছি এখন মন দিয়ে পড়ব।’

    মাধবীলতা বলল, ‘আমি তোমার রাজনৈতিক ব্যাপারে কোনও কথা বলতে চাই না। তবে একটা অনুরোধ করব। হুট করে কিছু করে ফেলো না। তুমি যদি বিমানদের সঙ্গে সম্পর্ক না-রাখতে চাও তবে ঝগড়া করে নয়, চুপচাপ কোনও সংঘর্ষ ছাড়াই সরে দাঁড়াও। একদিনে করলে সেটা ধরা পড়ে যাবে তাই কয়েকদিন সময় নাও।’ তারপর হেসে বলল, ‘কিন্তু এম এ-র রেজাল্টটা যেন ভাল হয়।’

    অনিমেষ বলল, ‘তোমার চেয়ে নিশ্চয়ই ভাল হবে না।’

    মাধবীলতা দিয়ে যাওয়া টোস্টের ওপর গোলমরিচ ছড়াতে ছড়াতে বলল, ‘আমার বোধহয় পরীক্ষা দেওয়াই হবে না।’

    চমকে উঠল অনিমেষ, ‘সেকী! কেন?’

    মুখ না-তুলে মাধবীলতা বলল, ‘ওসব ছেড়ে দাও। বাড়িতে চিঠি দিয়েছ?’ চোয়াল শক্ত হল অনিমেষের। কিছুক্ষণ ধরেই ও বুঝতে পারছিল মাধবীলতার কিছু হয়েছে, যার জন্য ওকে চিন্তা করতে হচ্ছে খুব এবং তার ছাপ পড়েছে চোখমুখে। এতদিন ব্যাপারটা লক্ষ করেনি বলে সে নিজের ওপরই বিরক্ত হল। খুব গম্ভীর গলায় বলল, ‘তুমি যদি কিছু না-বলতে চাও তা হলে আমার পক্ষে এসব খাওয়া অসম্ভব।’

    হেসে ফেলল মাধবীলতা, ‘ওমা! কী ছেলেমানুষ! এখন কি আর রাগ করে খাবার নষ্ট করার বয়স আছে! খোকা কোথাকার!’

    ‘ইয়ারকি মেরো না। তুমি যদি না-চাও তা হলে অবশ্যই তোমার ব্যাপারে আমি কথা বলব না। কিন্তু সেটাই জানা দরকার।’ অনিমেষ বলল।

    মাধবীলতা বলল, ‘অমনি রাগ হয়ে গেল!’

    অনিমেষ বলল, ‘আমাকে কি এতই অপদার্থ ভাবো যে রাগ করবার যোগ্যতাও নেই!’ টেবিলের ওপর দুই কনুই, হাতের ওপর চিবুক, মাধবীলতা অনিমেষের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে নিজেকে সামলাতে পারল না। বুকের মেঘ কখন যে টুক করে জল হয়ে চোখে গড়ায় তা যদি বোঝা যেত আগেভাগে। অনিমেষ হতভম্ব হয়ে গিয়েছিল। তারপর চাপা গলায় বলল, ‘এটা চায়ের দোকান!’

    দেওয়ালের দিকে মুখ ঘুরিয়ে চট করে দু’চোখ সামলে নিল মাধবীলতা। কিন্তু তার ভেতরটা ঠান্ডা হতে সময় লাগল আরও কিছুক্ষণ। ওরা নীরবে টোস্ট খেয়ে চায়ের কাপে হাত দিল। অনিমেষ কোনও কথা বলছিল না। মাঝে মাঝে তার মাধবীলতাকে এত গভীর মনে হয় যে সে হাজার চেষ্টা করেও ডুব দিয়ে তল দেখতে পাবে না। চটুল হালকা টাইপের মেয়েদের সহজেই উপেক্ষা করা যায় কিন্তু মাধবীলতাকে নয়।

    চা খেয়ে দাম দিল মাধবীলতা। তারপর রাস্তায় নেমে শিয়ালদা স্টেশনের দিকে হাঁটতে হাঁটতে বলল, ‘বাবার জন্যই বোধহয় আমার এম এ পরীক্ষা দেওয়া হবে না!’

    ‘মানে?’

    ‘উনি মরিয়া হয়ে উঠেছেন আমার বিয়ে দেওয়ার জন্য। আমি ওঁকে বলেছি এসব চিন্তা ছাড়তে। আমার মুখে এরকম কথা উনি আশা করেননি। ফলে অগ্নিকাণ্ড আরম্ভ হয়ে গেছে। যা ইচ্ছে তাই বলছেন! আমাকে এখান থেকে বাইরে পাঠিয়ে দেবার পরিকল্পনা করছেন। যে পাত্রটিকে ওঁরা নির্বাচিত করেছেন সে বোধহয় আমার কথা শুনে হাতছাড়া হয়ে গেছে, ফলে আরও দিশেহারা অবস্থা। আমি বলেছি পরীক্ষা অবধি অপেক্ষা করতে কিন্তু ভাবগতিক দেখে মনে হচ্ছে তা করবে না।’ মাধবীলতা মাথা সোজা করে হাঁটছিল। যেন কথাগুলোর মধ্যে নিজের অবস্থাটাকে জরিপ করছিল।

    অনিমেষের বুকের ভেতরটা হুহু করে উঠল। সে মাধবীলতার জন্য কিছু করার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠল। না, যে-কোনওভাবেই ওর এম এ পরীক্ষা দেবার ব্যবস্থা করতে হবে।

    ‘কিন্তু, কেন ওঁরা এমন করছেন?’

    ‘ওঁরা আমার ভাবগতিক দেখে ভাল বুঝছেন না তাই।’ হাসল মাধবীলতা, ‘বোধহয় বুঝতে পেরেছেন আমি মনের দিক থেকে একা নই।’

    ‘তাতে কী হয়েছে?’

    ‘কোনও পিতামাতাই মেয়েদের নির্বাচনের ওপর আস্থা রাখতে পারে না। সবসময় ভাবে এই বুঝি বোকামি করল!’

    ‘তুমি আমার কথা ওঁদের বলেছ?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘কী বললেন ওঁরা?’

    ‘নাই বা শুনলে। শোনো, আমি গত রবিবার একটা স্কুলে ইন্টারভিউ দিয়েছি। আমার এক বন্ধুর দিদি ওই স্কুলে কাজ করে। যদি চাকরিটা হয়ে যায় তা হলে বেঁচে যাব।’

    ‘তুমি চাকরি করবে? পড়াশুনা করবে না?’

    ‘সে পরে দেখা যাবে। প্রাইভেটেও পরীক্ষা দেওয়া যায়। হয়তো চাকরিটার জন্যই দিতে হবে। সেসব এখনই ভাবছি না। এখন যেটা সমস্যা হল সেটা হল একটা ভাল হস্টেল। তোমার জানাশোনা কোনও হস্টেল আছে?’ মাধবীলতা অনিমেষের দিকে তাকাল।

    অনিমেষ মাথা নাড়ল, ‘না। তবে হস্টেলের খোঁজ নিতে পারি। কিন্তু তুমি বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসবে?’

    মাধবীলতা দাঁড়িয়ে পড়ল। দু’পাশে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড়, হকারের চিৎকার। তারই মধ্যে স্পষ্ট গলায় জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি কি চাইছ না বাড়ি থেকে আমি বেরিয়ে আসি?’

    ‘তুমি কি যথেষ্ট ভেবেছ?’

    ‘আমার প্রশ্নের উত্তর দাওনি।’

    অনিমেষ একটুও ভাবল না। বলল, ‘ওঁরা তোমাকে জোর করে অন্য কোথায় পাঠিয়ে বিয়ে দেবেন এটা আমি মানতে পারি? কিন্তু এতদিনের পরিচিত পরিবেশ আর আত্মীয়স্বজন ছেড়ে তুমি একা হস্টেলে এসে উঠবে— এ ব্যাপারে তোমার কোনও দ্বিধা আছে কিনা তাই জানতে চাইছিলাম। নিজের কাছে পরিষ্কার হলে পৃথিবীতে কে কী মনে করল তাতে কিছু এসে যায় না।’

    ‘আমার সবকিছু পরিষ্কার যদি তুমি পাশে থাকো। আমি কোনও অন্যায় করিনি। বাবা যদি না-মানতে পারেন তা হলে সেটা দুঃখের। আমি তো হস্টেলে একা থাকছি না! তুমি তো আছ। তুমি কখনও আমায় ফেলে না-গেলেই হল।’ মাধবীলতা হাসল। আত্মবিশ্বাস এবং লজ্জা একসঙ্গে চলকে উঠল যেন।

    অনিমেষ বলল, ‘বড্ড আফশোস হচ্ছে।’

    মাধবীলতা ঘাড় বেঁকাল, ‘কেন?’

    ‘নিজেকে খুব অপদার্থ মনে হচ্ছে। তুমি যখন এত বড় ঝুঁকি নিচ্ছ তখন আমার হাতে এক ফোঁটা জোর নেই। এখনও আমি বাবার পাঠানো টাকার ভরসায় থাকি। আমার উচিত তোমাকে বিপদ থেকে বাঁচানো, কিন্তু দেখো, শুধু কথা ছাড়া আমি কিছুই করতে পারছি না। দেখি, কী করতে পারি।’ শেষের কথাটা একটু চিন্তা-জড়ানো গলায় বলল অনিমেষ।

    মাধবীলতা বলল, ‘এই, তুমি কি চাও আমি এখানে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে কাঁদি?’

    ‘মানে?’

    ‘আর একবার ওইসব কথা বললে আমি এমন সিন করব যে মজা বুঝবে!’

    ‘কিন্তু—।’

    ‘কোনও কিন্তু নয়। আমার কথা তোমাকে ভাবতে হবে না। তুমি এম এ পাশ করে—।’ না-ভেবে কথাটা শুরু করে হঠাৎ থেমে গেল মাধবীলতা।

    ‘থামলে কেন?’ হাসল অনিমেষ, ‘বাংলায় এম এ পাশ করে কেউ চাকরি পায় না। আমি পরীক্ষা দেব দু’-তিন জন মানুষের ইচ্ছা পূর্ণ করতে। কিন্তু চাকরি যদি করতে হয় তা হলে বি এ পাশের ডিগ্রিটাই যথেষ্ট। তা ছাড়া, যদি বলি রাজনীতি করতে চাই লোকে আমাকে হাম্বাগ ভাববে। যেন ওটা করার জিনিস নয়। এককালে যারা সিরিয়াসলি কমিউনিস্ট পার্টি করত, গণনাট্য করত, এমন কয়েকজনকে আমি জানি কী দুরবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। তাঁরা সারাজীবনে চাকরি পাননি। অবস্থা যদি না-পালটায় তা হলে এ দেশে যারা রাজনীতি করতে চায় তারা হয় না-খেয়ে মরবে কিংবা চোরাপথে টাকা নিয়ে বিত্তশালী হবে। দ্বিতীয়টি আমার দ্বারা হবে না। অতএব আমার সঙ্গে ভাগ্য জড়িয়ে হয়তো তুমি সারাজীবনের জন্য পাকাপাকি অশান্তি ডেকে আনলে।’

    মাধবীলতা খুব মনোযোগ দিয়ে কথাগুলো শুনছিল। শেষ হলে বলল, ‘আমি এখন কোনও কথা বলব না। যদি চাকরিটা পাই তা হলে এর জবাব পাবে। আমি যা করব তা করেই দেখাতে চাই। আগে থেকে লম্বাচওড়া কথা বলে কোনও লাভ নেই। শুধু তুমি আমার একটাই কাজ করে দাও, এ মাসের মধ্যে একটা ভদ্র হস্টেল খুঁজে দাও। চাকরিটা যেহেতু দক্ষিণেশ্বরের দিকে, নর্থে হস্টেল হলে ভাল হয়।’

    ওরা হাঁটতে হাঁটতে শিয়ালদা স্টেশনের মধ্যে ঢুকে পড়েছিল। আজ হঠাৎ মাধবীলতাকে ওর ভীষণ আপন মনে হচ্ছে। এই মেয়েটা শুধু অনিমেষের জন্যই তার সবরকম নিরাপদ জীবনের মায়া ত্যাগ করে বেরিয়ে আসতে চাইছে এর চেয়ে বড় অহংকার আর তার কী আছে! কিন্তু এ-কথাটা ভাবলেই নিজেকে ভীষণ অসহায় মনে হয়। তার সামনে কত কী করার আছে অথচ সে কিছুই পারছে না। একজন প্রেমিক হিসেবে যেমন একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে তেমনি, কোনও ফারাক নেই। দুটো হাত আছে কিন্তু তাতে একটাও আঙুল নেই। ক্রমশ একটা অপদার্থ ছাড়া নিজেকে অন্য কিছু মনে হচ্ছে না।

    ট্রেনে উঠে মাধবীলতা বলল, ‘শোনো, একদম মাথা গরম করবে না। সবকিছু আমার ওপর ছেড়ে দাও।’

    ‘সবকিছু মানে? আমি সুদ্ধু?’

    ‘আমার সব তো তুমিই।’

    ট্রেন চলে গেলে অনিমেষ যখন স্টেশন থেকে বেরিয়ে আসছিল তখন তার পা ভারী, ভীষণ ক্লান্ত লাগছে হঠাৎ। মাধবীলতার শেষ কথাটা অন্য সময় শুনলে নিজেকে সম্রাট মনে হত, আনন্দে বুকের ভেতরটা আশ্বিনের সকাল হয়ে যেত। কিন্তু এখন, এখন সে খুশি হতে পারছে না কেন? সেই যে দুপুরটা যার শরীরে রোদ নেই, মরা আলো ন্যাতানো, মাথায় মেঘের জলজ ছাতা, সময়টা যেন কাটতেই চায় না, ঠিক সেইরকম লাগছে।

    হস্টেলে ফিরেই শুনল তাকে কে একজন ডাকতে এসেছিল। দারোয়ান নাম বলতে পারল না। বলল, সাহেব ওপরে গিয়েছিলেন। সাহেব? অনিমেষ অবাক হল। কোনও সাহেবের সঙ্গে তো তার আলাপ নেই। নিজের ঘরের তালা বন্ধ। অনিমেষ এদিক ওদিক দেখল। কে এসেছিল না-জানলে খুব অস্বস্তি হচ্ছে। হঠাৎ ওর মনে হল মাধবীলতার বাড়ি থেকে কেউ আসেনি তো? ওর বাবা? অনিমেষ ঠোঁট কামড়াল। যদি তিনি আসেন তা হলে সে কি তর্ক করবে না ভদ্রলোককে বোঝাবে যে তিনি মেয়ের ওপর ভুল করছেন!

    ঠিক সেইসময় তমাল ঘর থেকে বেরিয়ে ওকে দেখে বলে উঠল, ‘কখন ফিরলে?’

    ‘এই তো।’

    ‘তোমার কাকা এসেছিলেন।’

    ‘কাকা?’

    তমাল আবার ঘরে ফিরে গিয়ে একটা কার্ড বের করে এনে ওর হাতে দিল, ‘অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেছিলেন। বলেছিলেন আগামীকাল সকালে যেন তুমি অবশ্যই যাও। গ্র্যান্ড হোটেলে আছেন।’

    অনিমেষ চকচকে কার্ডটায় দেখল, প্রিয়তোষ মিটার লেখা, আর কিছু নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগীতবিতান ছুঁয়ে বলছি ১ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }