Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প836 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩১. সবুজ ডোরাকাটা শাড়ি

    একত্রিশ

    সবুজ ডোরাকাটা শাড়ি আর কালো জামা নীলার শরীরে, কিন্তু শরীরটাকেই চিনতে কষ্ট হয়। এই সামান্য সময়ের ব্যবধানে নীলার চেহারায় অজস্র ধুলো জমা পড়েছে। গালের হনু সামান্য উঁচু হয়েছে, চোখ ভেতরে।

    অনিমেষের হতভম্ব মুখের দিকে তাকিয়ে নীলা হাসল। কোনও কোনও মেয়ে আছে সময় যার কাছ থেকে সব কেড়ে নিলেও হাসিটাকে দখল করতে পারে না। নীলার এই হাসি সেইরকম, অহংকারী। বলল, ‘অমন করে কী দেখছ, এসো।’

    ‘তুমি! এখানে?’ অনিমেষ এতক্ষণে ধাতস্থ হয়েছে।

    ‘এখানেই তো থাকি। আমাদের বাড়ি। এসো ঘরে এসো।’

    অনিমেষ মাধবীলতার দিকে তাকাল। ওর চোখে কিছুটা কৌতূহল কিছুটা বিব্রত ভাব। ইশারায় ওকে নিশ্চিন্ত করে সঙ্গে আসতে বলল সে। নীলার পেছন পেছন বারান্দা ডিঙিয়ে ঘরে ঢুকল ওরা। ঘরে ঢুকে নীলা বলল, ‘এ পাশের জানলায় দাঁড়িয়ে ছিলাম, হঠাৎ দেখতে পেলাম তুমি যাচ্ছ। আমি তোমার নাম ধরে চেঁচিয়েছিলাম। তুমি বুঝতে পারোনি, না?’

    ‘কেউ আমাকে ডাকছে এটুকু বুঝতে পেরেছিলাম, কিন্তু—।’ অনিমেষ হাসল।

    নীলার এই ঘরের সঙ্গে ওর হস্টেলের কোনও ফারাক নেই। আসবাব বলতে একটা বড় তক্তাপোশ, বিছানায় চাদর পাতা, এক কোনায় আলনায় কয়েকটা ময়লা কাপড় ঝুলছে, ঘরের অন্য কোনায় স্টোভ এবং রান্নার জিনিসপত্র। ও পাশের ঘর থেকে নীলা দুটো কাঠের চেয়ার টানতে টানতে নিয়ে এল। এসে বলল, ‘এখনও ঠিক গুছিয়ে উঠতে পারিনি। বসো।’

    বাবার মুখে নীলার ব্যাপারটা শুনেছিল সে। কিন্তু ব্যাপারটা যে এই পর্যায়ে তা ভাবতে পারেনি। দেবব্রতবাবুর বাড়িতে সে যখন ছিল তখন দেখেছে ওঁরা কী বিলাসের মধ্যে বাস করতেন। সেই নীলা এখন যে ঘরটাকে আমার ঘর বলছে তার সঙ্গে ওই জীবনটাকে একটুও মেলানো যায় না। সে ঠিক করল নীলা যদি নিজে থেকে কিছু না-বলে তা হলে কোনও কৌতূহল প্রকাশ করবে না। নীলাকে চিরকাল এইরকম পরিবেশে দেখেছে এমন ভঙ্গি করবে।

    মাধবীলতাকে বসতে বলে সে অন্য চেয়ারটা টেনে নিল। নিয়ে বলল, ‘তোমার সঙ্গে এর আলাপ করিয়ে দিই, এর নাম মাধবীলতা।’

    মাধবীলতা হেসে বলল, ‘আপনাকে আমি চিনি।’

    নীলা চোখ কপালে তুলল, ‘ওমা, কেমন করে?’

    ‘ইউনিভার্সিটিতে দেখেছি। আপনি বোধহয় আমার সিনিয়র ছিলেন।’

    নীলা চোখে হাসল, ‘তোমরা এক ক্লাসে পড়ো বুঝি?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘তা হলে তো এক বছরের সিনিয়ার হবই। কিন্তু আমি তো অনেকদিন ও পাট ছেড়েছি। আমাকে চেনার তো কোনও কারণ নেই। না না, তাই বলি কী করে, আমি যে অনেক ছেলের সঙ্গে ঘুরতাম, চেনা স্বাভাবিক।’ হাসল আবার সে। তারপর অনিমেষকে বলল, ‘তোমার চেহারা কিন্তু বেশ পালটে যাচ্ছে।’

    ‘কীরকম হচ্ছে?’

    ‘মফস্‌সলের গন্ধটা আর একদম নেই। বেশ অ্যাট্রাকটিভ হয়েছে।’

    কথাটা বলার ধরনে এমন মজা ছিল যে মাধবীলতাও হেসে ফেলল। অনিমেষ বলল, ‘তুমি একটুও পালটালে না।’

    ‘কে বলল? তুমি এই ঘরে বসেও বলছ আমি আগের মতো আছি?’

    অনিমেষ যদি ভুল না-করে তা হলে সে তীক্ষ্ণ অভিমানটাকে স্পর্শ করল যেন। সঙ্গে সঙ্গে সংকুচিত হল সে। এই প্রসঙ্গটা এড়িয়ে যেতে চায় সে। কিন্তু প্রশ্নটা করে নীলা ওর দিকে তাকিয়ে আছে দেখে বলল, ‘আমি তোমার কথা বলার ধরনটায় পরিবর্তন না হওয়াটাই বলতে চেয়েছিলাম, অন্য কিছু নয়।’

    নীলা দাঁতে ঠোঁট কামড়াল। তারপর খুব দ্রুত নিজেকে স্বাভাবিক করে নিয়ে বলল, ‘এদিকে এসেছিলে কোথায়?’

    মাধবীলতা অনিমেষের দিকে তাকিয়ে হাসল। অনিমেষ সহজ গলায় বলল, ‘ওর জন্য একটা হস্টেল দেখতে, জায়গা পাওয়া গেল না।’

    ‘তুমি কি বাইরে থাকো? এই, তখন থেকে তোমাকে তুমি বলে যাচ্ছি— কিছু মনে কোরো না। তুমিও আমাকে তুমি বলতে পারো।’ নীলা আবার সহজ।

    ‘না না ঠিক আছে।’ মাধবীলতা এমনভাবে মাথা নাড়ল যেন তুমি বলাতে সে কিছু মনে করছে না কিন্তু নীলার প্রথম প্রশ্নটার জবাব দিল না সে। ব্যাপারটা যে নীলার বুঝতে অসুবিধে হয়নি তা অনিমেষের চোখ এড়াল না। কারণ নীলার ঠোঁটে হাসিটাকে চলকে উঠেই মিলিয়ে যেতে দেখল সে। এবার নীলা দরজার কাছে গিয়ে সেই বাচ্চা মেয়েটাকে ডেকে আনল। তারপর একটা ছোট কেটলি ঘরের কোনা থেকে নিয়ে ওর হাতে দিয়ে নিচু গলায় কিছু বলতেই সে ঘাড় নেড়ে ছুটে গেল। সেদিকে তাকিয়ে নীলা বলল, ‘জানো অনিমেষ, এই বাচ্চাটা আমাকে খুব ভালবাসে। ও না-থাকলে আমি খুব অসুবিধেয় পড়তাম।’

    ‘কে হয় তোমার?’

    ‘আমার! কেউ না। নীচের ভাড়াটেদের মেয়ে।’

    মাধবীলতা বলল, ‘আপনি কি আমাদের জন্য কিছু আনতে পাঠালেন?’

    নীলা বলল, ‘কেন?’

    ‘আমার কিন্তু একটুও খাবার ইচ্ছে নেই।’

    ‘কেন?’

    মাধবীলতা অনিমেষের দিকে তাকাল। নীলা প্রশ্ন করছে একই ভঙ্গিতে এবং তাতে এক ধরনের জেদ ফুটে উঠছে। মাধবীলতা নিচু গলায় বলল, ‘আমার ফেরার তাড়া ছিল।’

    ‘বেশি দেরি হবে না। রাস্তার ওপাশেই চায়ের দোকান।’ নীলা নিশ্বাস ফেলল।

    নীলার বাড়িতে চায়ের ব্যবস্থা নেই, দোকান থেকে আনাচ্ছে, অনিমেষ কোনও কারণ খুঁজে পাচ্ছিল না। তা ছাড়া ও যতই সহজ ভঙ্গিতে কথা বলার চেষ্টা করুক, কোথাও একটা অস্বস্তি আছে তা বোঝা যাচ্ছিল। নীলার বর্তমান অবস্থার কারণ না-জানলে কথাবার্তাও বেশিক্ষণ চালানো যায় না। সে হেসে বলল, ‘তুমি বাড়িতে চা তৈরি করো না?’

    নীলা মাথা নাড়ল, ‘সামনেই দোকান রয়েছে, ঝামেলা করে কী হবে?’

    ‘ভদ্রলোককে দেখছি না!’

    ‘ও বেরিয়েছে। আসবে এক্ষুনি। তোমাদের তো আবার হাতে সময় নেই, না-হলে বলতাম একটু বসে যাও।’ নীলা কথাগুলো শেষ করতেই নীচে থেকে একটা লোক উঠে এল। আধাবয়সি পাকানো চেহারা।

    ‘দিদিমণি, আমি নন্দ।’

    ‘নন্দ, নন্দ কে?’

    ‘অ। দাদাবাবু বুঝি আমার কথা বলেনি?’

    ‘না তো।’

    ‘আমার নাম নন্দ বকশি। দাদাবাবু আমাকে সাবলেটের কথা বলেছিল। তা খুব ভাল ভাড়াটে আছে সন্ধানে। দেড়শো অবধি রাজি করানো যাবে মনে হয়। ঘরটা একটু যদি দেখান।’ লোকটা খুব বিনীত ভঙ্গিতে বলল।

    নীলা দরজার কাছে দাঁড়িয়ে বলল, ‘ও ভাড়া দেবে বলেছে?’

    ‘ভাড়া মানে, আইনসম্মত ভাড়া নয়। সাবলেট।’ নন্দ হাসল, ‘যা বাজার পড়েছে দিদিমণি, চিন্তা করবেন না, দাদাবাবু আমাকে সব বলেছে। খুব ছোট ফ্যামেলি, স্বামী-স্ত্রী আর তিনটে বাচ্চা।’

    নীলা বলল, ‘ঠিক আছে, কিন্তু একটু যদি ঘুরে আসেন অসুবিধে হবে?’

    ‘না না, বিন্দুমাত্র নয়। এই ঘণ্টাখানেক বাদে এলে হবে?’

    ‘হ্যাঁ।’

    নন্দ বকশি চলে গেলে নীলা ঘুরে বলল, ‘এমন জ্বালিয়ে মারে না লোকগুলো! বাড়তি ঘর আছে একটু জানলেই হল।’

    অনিমেষ লুকোচুরিটা স্পষ্ট বুঝতে পারল। নীলা অন্তত আর্থিক সুখে নেই। হঠাৎ ওর মনে হল মাধবীলতার জন্য ওরা হস্টেল খুঁজে বেড়াচ্ছে, তার চেয়ে নীলাকে বললে কেমন হয়! নীলারা যখন ঘরটা ভাড়া দিচ্ছেই তখন—। সঙ্গে সঙ্গে মনে হল যে থাকবে তার সঙ্গে কথা না-বলে প্রস্তাবটা করা উচিত হবে না।

    এইসময় মেয়েটি চা নিয়ে এল। অনিমেষ দেখল যেভাবে হস্টেলে বাইরে থেকে চা আনিয়ে ওরা ভাগ করে খায় সেভাবে নীলা দুটো কাপ আর একটা টিন থেকে বিস্কুট বের করে ডিশে ঢেলে এগিয়ে দিল।

    চায়ের স্বাদ এত বারোয়ারি যে কারও ঘরে বসে খেতে ইচ্ছে করে না। নীলা সেটা বেশ আরামেই চুমুক দিতে দিতে আচমকা বলল, ‘আমার একটা চাকরি দরকার অনিমেষ।’

    ‘চাকরি!’ অনিমেষ হোঁচট খেল।

    ‘হ্যাঁ। ওর ওপর খুব প্রেশার পড়ছে। একা সামলে উঠছে না। অনেকগুলো স্কুলে অ্যাপ্লাই করেছি কিন্তু হচ্ছে না। কোথাও মেয়েদের চাকরি খালি আছে শুনলে আমাকে জানিয়ো, কেমন?’ নীলা তক্তাপোশটার ওপর এসে বসল।

    অনিমেষ আর পারছিল না, এবার জিজ্ঞাসা করেই ফেলল, ‘মেসোমশাই, মানে তোমার বাবা এসব জানেন?’

    কপালে ভাঁজ পড়ল নীলার, ‘এসব মানে?’

    ‘তুমি চাকরি খুঁজছ। খুব প্রয়োজন—।’

    ‘নাঃ। অন্তত আমরা বলতে যাইনি। সত্যি কথা বলতে কী বাবার সঙ্গে সেই বাড়ি ছাড়ার দিন থেকে আমার দেখা নেই।’

    ‘নেই কেন?’

    ‘তুমি কিছু শোনোনি?’

    মহীতোষকে লেখা দেবব্রতবাবুর চিঠির কথা মনে পড়তে ইচ্ছে করেই সে না বলল না, ‘শুনেছি মানে এইটুকু যে তুমি নিজে পছন্দ করে বিয়ে করে বাড়ি থেকে চলে এসেছ, ব্যস।’

    ‘তুমি সেটা শোনার পর আমাদের বাড়িতে যাওনি?’

    ‘না।’

    ‘কেন?’

    ‘অস্বস্তি হচ্ছিল।’

    ‘কেন?’

    ‘ওঁরা ব্যাপারটাকে কীভাবে নিয়েছেন জানি না তাই।’

    ‘মেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলে বাপ-মা কীভাবে নেয়? ওঃ অনিমেষ, তুমি এখনও মফস্‌সলি রয়ে গেছ। তুমি গেলে অবশ্য খুব খাতির পেতে কারণ তোমার সঙ্গে আমি বের হইনি। কী ভাই, তুমি কিছু মনে করছ না তো!’ শেষের কথাটা মাধবীলতার উদ্দেশে বলা। সে ওটা শুনে সামান্য হাসল।

    চায়ের কাপ মাটিতে নামিয়ে রেখে অনিমেষ সোজা হয়ে বসল, ‘এমন কী ব্যাপার হয়েছিল যার জন্য একদম বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হল?’

    ‘পে-রে-ম।’ চিবুকে, ঠোঁটে হাসি চলকে উঠল নীলার। নিজেকে নিয়ে এরকম ঠাট্টা চেনাশোনা মেয়ের মধ্যে একমাত্র নীলাই করতে পারে। অনিমেষের মুখের দিকে তাকিয়ে মনে হল কিন্তু কথাটা এখনকার নীলার মুখে একদম মানাচ্ছে না। নীলা এই সামান্য সময়েই বেশ ভারী, সেই চটুলতা আর নেই। ইচ্ছাকৃত ভাবে পুরনো সময়টাকে ধরার চেষ্টা কথাবার্তায়।

    অনিমেষ হেসে ফেলল, ‘তোমাকে যা দেখেছি তার সঙ্গে এই অবস্থাটা মেলাতে পারছি না।’

    হঠাৎ ফোঁস করে উঠল নীলা, ‘কেন পারছ না?’

    ‘কেমন যেন গোলমাল হয়ে যাচ্ছে।’

    ‘সেটা তোমার অক্ষমতা, আমার নয়।’

    এইসময় মাধবীলতা উঠে দাঁড়াল, ‘তোমার না-হয় কথা বলো, আমি চলি।’

    নীলা বলল, ‘ওমা তা কি হয়! তোমাকে ছেড়ে অনিমেষ এখানে গল্প করবে বসে, এটা কি ভাল দেখায়?’

    মাধবীলতা বলল, ‘তাতে কী হয়েছে?’

    ‘আমার সহ্য হবে না।’

    ‘এ আপনি কী বলছেন!’

    ‘ঠিক বলছি। আচ্ছা তোমার সঙ্গে তো ওর বেশ জানাশোনা। কখনও তুমি ওকে আসতে বলেছ কোথাও আর ও সেখানে সময়মতো আসেনি, এমনটা হয়েছে?’ প্রশ্নটা করে নীলা আড়চোখে অনিমেষের চেহারাটা দেখল।

    মাধবীলতা হেসে ফেলল, ‘মনে পড়ছে না।’

    ‘তবেই দেখো।’ কথাটা মাধবীলতাকে বলে নীলা অনিমেষকে জিজ্ঞাসা করল, ‘তোমার মনে পড়ে!’

    ‘পড়ছে। সেদিন আমার পায়ে খুব—।’

    অনিমেষকে থামিয়ে দিল নীলা, ‘না, কোনও কৈফিয়ত শুনতে চাই না। যে-কোনও কারণেই হোক তুমি আসতে পারোনি। আমি তোমাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছি না যে তুমি সাফাই গাইবে। আসলে সেদিন আমাকে খুব বড় একটা সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। একা ভেবে উঠতে পারছিলাম না বলে তোমাকে আসতে বলেছিলাম।’

    নীলা ওদের বারান্দা অবধি এগিয়ে দিল। এতক্ষণ নীলার কথাবার্তা বলার ধরন অনিমেষের ভাল লাগছিল না। কিন্তু একটা প্রশ্ন বারবার তাকে বিদ্ধ করছিল, নীলার স্বামী কে? এত বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে ও কোন ভাগ্যবানকে বিয়ে করল? যাকে করল তার আর্থিক অবস্থা যখন এইরকম তখন এমন কী বিশেষ যোগ্যতা তার আছে! সে স্বাভাবিক গলায় বলল, ‘আর একদিন এসে তোমার মিস্টারের সঙ্গে আলাপ করে যাব।’

    ‘যেয়ো।’ আবাহনও নেই বিসর্জনও নেই।

    চোখের আড়াল না-হওয়া পর্যন্ত নীলাকে বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখল অনিমেষ। বেশ রাত হয়েছে। মাধবীলতা দ্রুত হাঁটছিল। অনিমেষ পাশাপাশি চলতে চলতে বলল, ‘কেমন দেখলে?’

    ‘কী?’ মাধবীলতা কিছু ভাবছিল। প্রশ্নটা বুঝতে সময় নিল।

    ‘নীলাকে।’

    ‘ভালই তো।’ হাসল মাধবীলতা, ‘তোমার খুব বন্ধু ছিলেন উনি?’

    ‘তা একরকম বলতে পারো, আবার নাও পারো। কলকাতায় আসার পর হাসপাতাল থেকে গিয়ে যাদের বাড়িতে আমি থেকেছিলাম সেই ভদ্রলোকের মেয়ে নীলা। তখন ও অত্যন্ত আধুনিকা, আমার পক্ষে পাল্লা দেওয়া মুশকিল ছিল এবং সে চেষ্টাও আমি করিনি। আসলে আমি ওকে বুঝতে পারি না। প্রথম দিনই ও আমাকে বলেছিল, ওর নাম নীলা এবং সেটা অনেকের সহ্য হয় না। বোঝো!’ অনিমেষ হাসল।

    ‘মুখের ওপর সত্যি কথা বলেছিলেন।’

    ‘হ্যাঁ। কিন্তু সেই মেয়ে যখন এরকম আর্থিক অনটনে রয়েছে স্রেফ জেদের বশে বিয়ে করে, আজ কেমন অস্বস্তি হয়।’

    ‘কেন? উনি যদি বৈভবের চেয়ে এই কষ্টটাকেই আনন্দের মনে করেন তা হলে তোমার চিন্তা করার কী আছে। ভালবেসে যখন কেউ সিদ্ধান্ত নেয় তখন সে অনেক কিছু অবহেলায় ছেড়ে আসতে পারে। বিশেষ করে মেয়েরা।’ মাধবীলতা গাঢ় গলায় কথাগুলো বলল।

    কথাটা মানতে পারল না অনিমেষ, ‘সব কৃতিত্ব মেয়েদের হবে কেন? পৃথিবীর সিংহাসন এক কথায় ছেড়ে দিয়ে ভালবাসাকে আঁকড়ে ধরেছিলেন যিনি তিনি পুরুষ।’ কথাগুলো বলার সময়েই মনে হল মাধবীলতা কি নিজের কথাই বলছে না? আজ যে হস্টেল খোঁজার প্রয়োজন হল সেটা তো তাকে ভালবেসে, কোনও সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে সেইজন্যেই। অথচ তাকে এই মুহূর্তে কিছুই ছেড়ে আসতে হচ্ছে না। এ অবস্থায় ওর সঙ্গে তার তর্ক করা সম্পূর্ণ অনুচিত।

    মাধবীলতা কিন্তু অনিমেষের কথাটাকে তেমন আমল দিল না। শ্যামবাজারের মোড়ে পৌঁছে বলল, ‘তুমি কিন্তু কালকের মধ্যেই হস্টেলের চেষ্টা করবে, করবে তো?’

    ‘হ্যাঁ নিশ্চয়ই। তুমি ভেবো না। ওহো, তখন নীলার বাড়িতে বসে একটা কথা মাথায় এসেছিল। বলব বলব করেও বললাম না।’ অনিমেষ জানাল।

    ‘কী?’ মাধবীলতা মুখ তুলল।

    ‘নীলারা যখন একটা ঘর ভাড়া দিতেই চাইছে তখন সেটা তুমি যদি নিতে তা হলে কেমন হত! হয়তো একটু বেশি খরচ হত—।’ অনিমেষ তাকাল ওর দিকে।

    ‘যাঃ, তা কি হয় কখনও! আমি খাব কোথায়? স্কুলে যা মাইনে দেবে সবই বেরিয়ে যাবে।’ তারপরেই গলা পালটে গেল মাধবীলতার, ‘ওই মহিলাও আমাকে ভাড়া দিতেন না।’

    ‘কেন? আমি বললে নিশ্চয়ই দিত।’

    ‘তুমি ঠিক বুঝবে না।’

    ‘উঁহু, নীলাকে তুমি বুঝতে পারোনি।’

    ‘তুমি বুঝেছ?’

    ‘অনেকটা।’

    মাধবীলতা হাসল। তারপর নরম গলায় বলল, ‘উনি যে খুব শিগগির মা হতে যাচ্ছেন এটা বুঝতে পেরেছ?’

    অনিমেষ চমকে উঠল। যাচ্চলে! এতক্ষণ ওরা বসেছিল কিন্তু একবারও সে এসব চিন্তা করেনি। চোখেও পড়েনি কিছু। এককালে মনে হত যে মেয়েদের সিঁদুর পরাটা বুঝতে পারে না। কে বিবাহিতা কিংবা অবিবাহিতা সিঁথি দেখে ঠাওর করতে পারে না। মেয়েরা কী একটা কায়দায় সেটাকে বেশ লুকিয়ে রাখতে পারে। আবার নীলার সামনে বসে থেকেও ওর আসন্ন মাতৃত্ব টের পায়নি। এটাও কি আজকাল লুকিয়ে রাখা যায়? কিংবা মেয়েদের এইসব ব্যাপার মেয়েরাই বিশেষ চোখে দেখতে পায় যেটা পুরুষদের থাকে না।

    অনিমেষ হাসল, ‘না পারিনি, হার মানছি।’

    মাধবীলতা প্রসঙ্গ পালটাল, ‘যা হোক, আমি হস্টেলে থাকতে চাইছি আর পাঁচটা মেয়ের সঙ্গে। কোথাও ঘর ভাড়া করে থাকলে নানান কথা উঠবে। একটা মেয়ে একলা আছে জানলে লোকের কৌতূহল বাড়েই। তা ছাড়া তুমিও তখন হুটহাট চলে আসবে আমার ঘরে সেটাও আমি চাই না।’

    অনিমেষ হকচকিয়ে গেল, ‘আমি তোমার কাছে যাই এটা চাইছ না?’

    ‘ভুল করলে। আমি হস্টেলে থাকলে তুমি দেখা করতে যাবে বই কী। কিন্তু একটা ঘরে আমি একলা স্বাধীনভাবে আছি, সেখানে তুমি আসো এটা আমি চাই না।’ মাধবীলতা নির্দ্বিধায় বলল।

    ‘তুমি তা হলে আমাকে বিশ্বাস করো না!’ অনিমেষের খুব খারাপ লাগছিল কথাগুলো শুনতে। আচমকা যেন মাধবীলতা সম্পর্কটাকে বদলে দিচ্ছে।

    ‘তোমাকে নয়, আমি নিজেকেই বিশ্বাস করি না।’ মুখ নিচু করল মাধবীলতা। যেন গভীর চাপ থেকে হুশ করে ওপরে উঠে এল অনিমেষ, উঠেই মনে হল ওই চাপ কতটা কষ্টদায়ক এবং সেটা মাধবীলতাকে এই মুহূর্তে নুইয়ে ফেলেছে। এরকম অকপট স্বীকারোক্তি যে মেয়ে করতে পারে— অনিমেষের ইচ্ছে করছিল মাধবীলতার হাতটা জড়িয়ে ধরে কিন্তু এই হাজার মানুষের ভিড়ে তা সম্ভব নয়।

    এইসময় একটা আটাত্তরের সি বাস এসে থামতেই মাধবীলতা বলল, ‘আমি চলি।’

    ‘কালকে আসছ?’

    ‘দেখি।’

    ‘না, এসো।’

    মাধবীলতা হাসল। তারপর বাসে উঠে দরজার হাতল ধরে দাঁড়িয়ে রইল ভিড়ের মধ্যে যতক্ষণ অনিমেষকে দেখা যায়।

    আমহার্স্ট স্ট্রিটের মেয়েদের হস্টেলে জায়গা পাওয়া গেল। মাধবীলতা চলে গেলে অনিমেষ থ্রি বি বাস ধরে সোজা চলে এসেছিল এখানে। চট করে হস্টেল কিংবা মেস বলে মনে হয় না। লাল বাড়িটার সামনে চিলতে বাগান, শৌখিন মানুষের বাড়ি বলেই মনে হয়। রাত হয়েছে কিন্তু অফিস ঘরটা তখনও খোলা ছিল। অনিমেষ দেখল একজন বয়স্কা মহিলা টেবিলের ওপাশে বসে আছেন। চোখে চশমা, গোল মুখ, সাদা শাড়ি, বেশ ভারিক্কি ভাব। দরজায় দাঁড়িয়ে নমস্কার করতেই ভদ্রমহিলা মুখ তুললেন, ‘আসুন’। গলার স্বরে ব্যক্তিত্ব স্পষ্ট।

    ‘আমি হস্টেলের সুপারের সঙ্গে কথা বলতে চাই।’

    ‘বসুন।’ অনিমেষ চেয়ার টেনে বসলে মহিলা হাসলেন, ‘কী ব্যাপার বলুন।’

    ‘আপনিই কি-?’ অনিমেষ ইতস্তত করছিল।

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘এই হস্টেলে সিট খালি আছে?’

    ‘আছে। গতকাল খালি হয়েছে।’

    অনিমেষ স্নান করার তৃপ্তি পেল। যে-ক’টা হস্টেল ওরা আজ দেখেছে এইটে তার মধ্যে সবচেয়ে ভাল। এখানেই যদি জায়গা পাওয়া যায় তা হলে সৌভাগ্যই বলতে হবে। সে মহিলার দিকে ঝুঁকে বলল, ‘এই হস্টেলে জায়গা পেতে হলে কোনও নিয়মকানুন পেরিয়ে আসতে হয় কি?’

    ‘নিয়মকানুন?’ মহিলার চোখে সামান্য বিস্ময়, ‘হ্যাঁ, বোর্ডারকে অবশ্যই মহিলা হতে হবে।’

    ‘সে তো বটেই। আমি তা বলছি না। আমি জানতে চাইছিলাম এটা কি ওয়ার্কিং গার্লস হস্টেল না স্টুডেন্টস হস্টেল?’ অনিমেষ জিজ্ঞাসা করল।

    ‘মূলত এটা ছাত্রীদের হস্টেল ছিল তবে এখন কেউ কেউ চাকরিও করে।’ মহিলা এবার সরাসরি প্রশ্ন করলেন, ‘যাঁর জন্যে জায়গা খুঁজছেন তিনি আপনার কে হন?’

    ‘আত্মীয়।’ উত্তরটা অনিমেষ আগে থেকেই তৈরি করে রেখেছিল।

    ‘আপনি কী করেন?’

    ‘আমি এবার এম. এ. দেব। আমিও হস্টেলে থাকি।’

    ‘আত্মীয় মানে, আপনার বোন?’

    বোনের মতো বলতে গিয়ে অনিমেষ সামলে নিল। এক পলক মাত্র, তবু তার মধ্যেই অনিমেষ ঠিক করে ফেলল সত্যি কথাই বলবে। ওরা অন্যায় কিছু করছে না অতএব তার মুখোমুখি হতে বাধা কী! সে স্বাভাবিক গলায় বলল, ‘আমার এক সহপাঠিনী সম্প্রতি স্কুলে চাকরি পেয়েছেন। কোনও কারণে তাঁর পক্ষে বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়া সম্ভব নয়। ওঁর জন্যেই জায়গা খুঁজছি।’

    মহিলা এতক্ষণ যে ভঙ্গিতে কথা বলছিলেন অনিমেষের উত্তর শোনার পর সেটা পালটে গেল। চেয়ারে হেলান দিয়ে তিনি কিছুক্ষণ অনিমেষকে দেখলেন। তারপর জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তা হলে আত্মীয় বললেন কেন?’

    ‘আমি আত্মীয় বলেই ওকে মনে করি।’

    আস্তে আস্তে মহিলার ঠোঁটে হাসি ফুটে উঠল। বললেন, ‘কিন্তু এখানে থাকতে হলে বাবা-মা অথবা ওরকম কাউকে গার্জেন হতে হয়। তাই নিয়ম।’

    ‘সেটা সম্ভব নয়। আমি শুধু এ-কথাই বলতে পারি আপনার হস্টেলের অন্য মেয়েরা যে আচরণ করে সে তার থেকে ব্যতিক্রম হবে না।’ এইভাবে কথা বলতে অনিমেষের আর অসুবিধে হচ্ছে না। ওর চেতনায় একটা ক্ষীণ অনুভব হচ্ছিল যে এরকম কথা যেহেতু কোনও বয়স্কা মহিলার পছন্দসই নয় তাই মাধবীলতা এখানে জায়গা পাবে না। তা সত্ত্বেও সে সত্যি কথা বলতে চাইল। মাধবীলতা প্রাপ্তবয়স্কা, নিজের ভালমন্দ বোঝে, তাকে কারও আশ্রয় বিনা এঁরা গ্রহণ করবেন না কেন? প্রয়োজনে সে তর্ক করে যেতে পারে। এ ব্যাপারে স্পষ্ট কথা বলার সময় এসেছে।

    ‘উনি এম. এ. পড়ছেন বলছিলেন, তখন কি বাড়িতে থাকতেন?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘এখন সেটা সম্ভব নয়?’

    ‘নয় বলেই তো এসেছি।’

    ‘এ ব্যাপারে ওঁর বাড়ির লোক কোনও আপত্তি করবেন না তো?’

    ‘প্রাপ্তবয়স্কা বোর্ডার নিয়ে ঝামেলা হবে কেন?’

    কয়েক মুহূর্ত চিন্তা করলেন মহিলা। তারপর বাঁ দিকের ড্রয়ার খুলে একটা ফর্ম বের করে অনিমেষের দিকে এগিয়ে দিলেন, ‘আপনি সত্যি কথা স্পষ্ট বলতে পেরেছেন বলে আমার কোনও আপত্তি থাকছে না। আই লাইক ইট। কিন্তু কোনওরকম বাজে ঝামেলা আমি চাইব না, সেটুকু মনে রাখবেন।’

    একটা রূঢ় কথা বলতে গিয়ে নিজেকে সামলে নিয়ে অনিমেষ ফর্মটা ভরতি করতে গেল। সঙ্গে কোনও কলম নেই। ভদ্রমহিলা সেটা বুঝতে পেরে একটা কলম এগিয়ে দিলেন। নাম, বয়স, কী পড়ে অথবা অন্য কিছু করে কিনা, বাড়ির ঠিকানা, গার্জেনের নাম পরপর জানতে চাওয়া হয়েছে। সেগুলোর জবাব লিখতে লিখতে গার্জেনের নামের বেলায় অনিমেষ ইতস্তত করতে লাগল। ভদ্রমহিলা এতক্ষণ লক্ষ রাখছিলেন। এবার হেসে বললেন, ‘আপনার নাম আর ঠিকানা লিখুন।’

    ব্যাপারটা খুবই সামান্য কিন্তু নিজের নাম লিখতে গিয়ে অনিমেষ বুকের মধ্যে শিরশিরানি অনুভব করল। এই প্রথম কাগজে-কলমে মাধবীলতার সঙ্গে তার নাম জড়িত হল। মাধবীলতা কোনও অন্যায় করলে হস্টেল কর্তৃপক্ষ তাকে জানাবে। যেন অত্যন্ত গুরুদায়িত্ব নিল সে আজ থেকে এইরকম বোধ হচ্ছিল।

    ফর্ম ভরতি করে অনিমেষ জিজ্ঞাসা করল, ‘এখন কত দিতে হবে?’

    ‘এক মাসের চার্জ, আর আনুষঙ্গিক কিছু।’

    পকেটে একশোটা টাকা আছে। অনিমেষ ইতস্তত করল। এতে অবশ্যই কুলোবে না। সে বলল, ‘এক কাজ করুন, এখনই রসিদ লিখবেন না। আমার কাছে একশো টাকা রয়েছে। ওটা আমি দিয়ে যাচ্ছি। আগামীকাল কিংবা পরশু বাকি টাকাটা দিয়ে দেব। ও সামনের মাসের পয়লা তারিখ থেকেই থাকবে। অসুবিধা হবে?’

    মহিলা বললেন, ‘আপনার উচিত ছিল সঙ্গে টাকাটা আনা। যা হোক, এখন কিছু দিতে হবে না। দু’দিনের মধ্যে টাকা দিয়ে যাবেন।’

    অনিমেষ উঠে দাঁড়াল, ‘আপনাকে অজস্র ধন্যবাদ।’

    ভদ্রমহিলা কোনও কথা বললেন না। কিন্তু অনিমেষ দেখল উনি ঠোঁট টিপে হাসছেন।

    বাইরে বেরিয়ে আসতেই একটা হইচই শব্দ উঠল। কেশব সেন স্ট্রিট থেকে একদল ছেলে ছুটে আসছে। এ পাশের লোকজন পালাচ্ছে। তারপরই দুম দুম করে কয়েকটা বোমা ফাটল চৌমাথায়। চারধারে লোক আতঙ্কে আড়ালে যাচ্ছে। অনিমেষ ফুটপাতে দাঁড়িয়ে ব্যাপারটা দেখল। একটা ছেলে, রোগা, ঢ্যাঙা, হাতে দুটো বোম নিয়ে মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে চিৎকার করছে, শাসাচ্ছে কাউকে। তার ভয়ে জায়গাটা এখন মধ্যরাতের মতো নির্জন।

    অনিমেষের ইচ্ছে হল ওকে জিজ্ঞাসা করে কেন সে এমন করছে! কিন্তু তখনই ছেলেটা আবার দৌড়ে কেশব সেন স্ট্রিটে ফিরে গেল। কয়েক পা হাঁটতে হাঁটতে অনিমেষের খেয়াল হল এই জায়গাটা ভাল নয়। কাগজে দেখেছে প্রায়ই গোলমাল লেগে থাকে এখানে। বোমবাজি হয়। এইরকম জায়গায় মাধবীলতাকে থাকতে হবে। ব্যাপারটা নিয়ে চিন্তিত হতে গিয়েই হেসে ফেলল সে। আজ নয় কাল, সারা বাংলাদেশেই যদি এরকম হয়ে যায়, তা হলে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগীতবিতান ছুঁয়ে বলছি ১ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }