Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিরীটী অমনিবাস ১১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প468 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. আর একটা প্রশ্নের জবাব চাই

    আর একটা প্রশ্নের জবাব চাই।

    কিসের জবাব?

    চিৎকার শুনে আপনিই সবার আগে তিনতলায় যান। তাই তো?

    এবং বোধ হয় নির্বাণীতোষের শয়নঘরের দরজা খোলা দেখে সোজাই গিয়ে ঘরের মধ্যে ঢুকেছিলেন?

    হ্যাঁ।

    সেটাই আমার কাছে যেন কেমন আশ্চর্য মনে হচ্ছে—

    কেন?

    দীপিকা দেবী ঘরে ঢুকেও ঘরের দরজা খুলে রেখে দিয়েছিলেন, সেটা একটু অস্বাভাবিক নয় কি!

    এতক্ষণে যেন শিখেন্দুর কাছে কিরীটীর কথার তাৎপর্যটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সেও বলে ওঠে, সত্যিই তো, ঠিকই তো আপনি বলেছেন কিরীটীবাবু, ঘরের দরজাটা তো খোলা থাকার কথা নয়—

    অথচ আপনি খোলাই আছে-দেখেছিলেন?

    হ্যাঁ।

    যাক সে কথা, তারপর ঘরে ঢুকে আপনি কি দেখেছিলেন?

    দীপিকা মেঝের ওপর অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে।

    না।

    কি বলছেন?

    বলছি এই যে, দীপিকাদেবী ঘরের মেঝেতে পড়ে ছিলেন না।

    তবে কোথায় ছিল সে? কথাটা বলে কেমন যেন একটু বোকার মতই চেয়ে থাকে শিখেন্দু কিরীটীর মুখের দিকে।

    বাথরুমের মধ্যে। সেখান থেকে তাঁর অচৈতন্য দেহটা আপনি বুকে করে তুলে এনে পরে ঘরের মেঝেতে শুইয়ে দিয়েছিলেন, তাই নয় কি?

    কিন্তু–

    আমি জানি শিখেন্দুবাবু, আমার অনুমান মিথ্যে নয়। আমি যা বললাম সেই রকমই ঘটেছিল।

    শিখেন্দু নীরব।

    তাহলে মনে হচ্ছে, অবিশ্যি এবারেও আমার অনুমানই দ্বিতীয় অনুমান, দীপিকাদেবী ঘরে ঢুকবার পর দরজা বন্ধ করে দেন ঘরের, কিন্তু নির্বাণীতোষকে ঘরের মধ্যে দেখতে পান না। খুঁজতে খুঁজতেই তখন গিয়ে বাথরুমে ঢোকেন, বাথরুমের আলোটা নেভানো ছিল সম্ভবত, আলোটা জ্বালবার পর তাঁর স্বামীর মৃতদেহটা তাঁর দৃষ্টিতে পড়ে, সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার করে তিনি মুহূর্তে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যান। আর তাই যদি হয় তো ঘরের দরজাটা খুলে দিয়েছিল কে?

    কে? প্রতিধ্বনির মতই যেন শিখেন্দু কথাটার পুনরাবৃত্তি করল।

    একজনের পক্ষেই সেটা খুলে দেওয়া সম্ভব ছিল—

    কে? কার কথা বলছেন?

    হত্যাকারী। শান্ত নির্লিপ্ত কণ্ঠে কিরীটী কথাটা যেন উচ্চারণ করল।

    হত্যাকারী!

    হ্যাঁ, অথচ তাকে আপনি দেখেননি

    না।

    তাহলে সে কোন্ পথে এ বাড়ি থেকে বের হয়ে গেল? এবং কখন? শুধু তাই নয় শিখেন্দুবাবু, ওই সঙ্গে আরও তিনটে প্রশ্ন আসছে

    প্রশ্ন! আরও তিনটে?

    তাই-ই। প্রথমত হত্যাকারী তখনও উপরেই ছিল, কিন্তু কেন? কেন সে হত্যা করার পরও চলে গেল না? দ্বিতীয়, হত্যাকারীকে সম্ভবত দীপিকাদেবী দেখেছেন, দেখতে পেয়েছিলেন; কথা হচ্ছে হত্যাকারী দীপিকাদেবীর পরিচিত কেউ, না কোন তৃতীয় অপরিচিত ব্যক্তি? এবং তৃতীয়ত, আকস্মিকভাবে স্বামীর মৃতদেহটা আবিষ্কার করা মাত্রই জিনি চিৎকার করে উঠে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন, না হত্যাকারীকে চিনতে পেরেই, চিৎকার করে জ্ঞান হারিয়েছিলেন?

    শিখেন্দু যেন একেবারে বোবা। তার মুখে কোন কথাই নেই।

    শুনুন শিখেন্দুবাবু, যতদূর আমি বুঝতে পারছি, অবিশ্যি কোন বিশেষ চিকিৎসকই দীপিকাদেবীকে পরীক্ষা করে বলতে পারবেন, বর্তমানে ঘটনার আকস্মিকতায় বা নিষ্ঠুরতায় যাই হোক, তাঁর সম্পূর্ণ স্মৃতি বিলুপ্ত হয়েছে। এবং হত্যাকারীকে খুঁজে বের করতে হলে সর্বাগ্রে ওঁর স্বাভাবিকতা, স্বাভাবিক চেতনা ফিরে আসা একান্ত দরকার এবং আমার মনে হয় সে ব্যাপারে আপনিই সবচাইতে বেশি সাহায্য করতে পারবেন।

    আমি?

    হ্যাঁ, আপনি।

    কিন্তু কেমন করে?

    আপনার ভালবাসা দিয়ে, যে ভালবাসা এতকাল ধরে এবং এখনও নিঃশব্দে ফন্তুর মত আপনার মনের মধ্যে বয়ে চলেছে।

    না, না–সহসা যেন অস্ফুট চিৎকার করে ওঠে শিখেন্দু, পারব না—আমি পারব না কিরীটীবাবু, ক্ষমা করুন, আপনি যা বলছেন সে আমার দ্বারা হবে না।

    হবে। হতেই হবে। নির্বাণীতোষ আপনার বন্ধু, আর ফিরে আসবে না কোনদিনই, কিন্তু একবার দীপিকার কথা ভাবুন তো, এখন না হয় তিনি বেঁচেও মরে আছেন, কিন্তু যখন তাঁর মনের ঐ বর্তমান কুয়াশা কেটে যাবে, তখন তাঁর অবস্থাটা কি হবে! আপনার ভালবাসাই যে আজ তাঁর জীবনের একমাত্র আশা। বাঁচবার একটিমাত্র পথ। আপনার ভালবাসা—আপনার স্নেহ দিয়ে ওঁর ঐ অহল্যার ঘুম আপনাকেই ভাঙাতে হবে। যা হবার তা তো হয়েছেই, কিন্তু ওঁকে জানতে দিন, ও যেন জানতে পারে, পৃথিবীটা আজও ওঁর কাছে শুকিয়ে যায়নি। জীবনের সব কিছু নির্বাণীতোষের সঙ্গে সঙ্গেই নিঃশেষ হয়ে যায়নি। সমস্ত অর্থ মিথ্যে হয়ে যায় নি।

    আপনি জানেন না কিরীটীবাবু, দীপু কি গভীরভাবে ভালবাসত নিবুকে। যে মুহূর্তে ও সজ্ঞানে উপলব্ধি করতে পারবে নিবু নেই, ওর কাছে বেঁচে থাকার প্রশ্নটাই মিথ্যে হয়ে যাবে।

    কিরীটী শান্ত গলায় প্রত্যুত্তর দিল, না, শিখেন্দুবাবু, যাবে না। মানুষই মানুষকে চরম দুঃখ দেয় আর মানুষই চরম দুঃখকে বুক পেতে নেয়। আর তাই আজও জীবন এত দুঃখ এত বিপর্যয় ও এত আঘাতের পরও মিথ্যে হয়ে যায় নি। আজও মানুষ তাই বাঁচার চেষ্টা করে, পৃথিবীতে তারা বেঁচে আছে, শেষ হয়ে যায়নি। আপনার কাছে তাই আমার অনুরোধ, দীপিকার এতবড় দুর্দিনে আপনি ওঁর কাছ থেকে দূরে সরে থাকবেন না।

    শিখেন্দুর দুই চোখের কোল বেয়ে তখন নিঃশব্দে দুটি ধারা তার গণ্ড ও চিবুককে প্লাবিত করে দিচ্ছে।

    আমি এবারে উঠব শিখেন্দুবাবু, শিবতোষবাবুকে বলে দেবেন, এ নিষ্ঠুর হত্যারহস্যের মীমাংসা করবার আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করব। আর আমার বাড়ির ঠিকানা তো আপনি জানেন, ফোন নম্বরটাও গাইড় থেকে দেখে নেবেন। আমি কিন্তু আপনার পথ চেয়েই থাকলাম।

    কিরীটী উঠে ঘরের দরজা ঠেলে বের হয়ে গেল।

    পারলারে আর প্রবেশ করল না। সোজা পোর্টিকোতে গিয়ে গাড়িতে উঠে বসে হীরা সিংকে বলল, নিজের কোঠী চল।

    বীরেন মুখার্জী তখনও তাঁর জবানবন্দি নেওয়া শেষ করতে পারেন নি।

    বাড়ির সকলেরই জবানবন্দি দেওয়া হয়ে গিয়েছিল, সে-সময় তিনি যতীশ সামন্তকে নিয়ে পড়েছিলেন।

    কিরীটী ঘর ছেড়ে চলে যাবার পরও অনেকক্ষণ শিখেন্দু চেয়ারটার উপর স্তব্ধ হয়ে বসে রইল।

    কিরীটী রায়ের কথাই সে ভাবছিল, কি করে মানুষটা জানতে পারল যে সে-ই বাথরুম থেকে অচৈতন্য দীপিকাকে বুকে করে ঘরের মধ্যে নিয়ে এসেছিল!

    মুখে স্বীকার না করলেও কথাটা তো মিথ্যা নয়। সে-ই সর্বপ্রথমে তিনতলায় গিয়েছিল, ঘরের দরজাটা খোলা দেখে ভিতরে গিয়ে ঢোকে সোজা। দরজাটা ভিতর থেকে বন্ধ থাকলে কি করত সে জানে না, তবে খোলা পেয়েও তার মনে ঐ মুহূর্তে কোন প্রশ্নই জাগেনি, কেন দরজাটা খোলা রয়েছে! ঘরে ঢুকে ঘরের মধ্যে কাউকে না দেখতে পেয়ে এদিক ওদিক তাকাতে তাকাতে ওর নজরে পড়ে বাথরুমের দরজাটা খোলা, ভিতরে আলো জ্বলছে।

    কোন রকম চিন্তা বা ইতস্তত না করেই সে গিয়ে বাথরুমে ঢুকেছিল। ঢুকেই য়ে দৃশ্যটা তার চোখে পড়ে, নিবণীতোষের ছোরাবিদ্ধ রক্তাক্ত দেহটার পাশেই দীপিকার দেহটা পড়ে আছে অচৈতন্য।

    ঘটনার আকস্মিকতায় ও ভয়াবহতায় সে যেন হঠাৎ বিমূঢ় নিশ্চল হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু একটু পরেই তার স্বাভাবিক বিচারবুদ্ধি ফিরে আসে, তখন সে প্রথমে নির্বাণীতোষকে পরীক্ষা করে, সে মৃত দেখে তার পর পরীক্ষা করে দীপিকাকে। সে জ্ঞান হারিয়েছে।

    কয়েকটা মুহূর্ত অতঃপর সে ভেবে পায় না কি করবে। তারপর নীচু হয়ে গভীর মমতায় দীপিকার অচৈতন্য শিথিল দেহটা বুকের উপর তুলে নিয়ে শোবার ঘরে এসে ঢোকে। সেই সময়ই সিঁড়িতে পায়ের শব্দ পায়, তাড়াতাড়ি তখন সে দীপিকার অচৈতন্য দেহটা মেঝেতেই নামিয়ে দেয়, আর ঠিক সেই মুহূর্তেই শিবতোষবাবু এসে ঘরে প্রবেশ করেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন, কি ব্যাপার, বৌমা….

    একটু থতমত খেয়ে গিয়েছিল শিখেন্দু প্রথমটায়, কিন্তু পরক্ষণেই নিজেকে সামলে নিয়ে বলেছিল, বুঝতে পারছি না কিছু কাকাবাবু, ঘরে ঢুকে দেখি দীপিকা পড়ে আছে।

    কিন্তু কিরীটীবাবু সত্যটা অনুমান করলেন কি করে? আগের একটা কথা যা কিরীটীবাবু বলে গেলেন, নির্বাণীতোষের শয়নঘরের দরজাটা খোলা ছিল কেন? সত্যিই তো, কেন খোলা ছিল? স্বাভাবিকভাবে তো বন্ধ থাকারই কথা। তবে কি ক্লান্ত দীপিকা দরজাটা ঘরে ঢুকবার পর তাড়াতাড়িতে বা অন্যমনস্কতায় ভিতর থেকে লক্ করতে ভুলে গিয়েছিল! না, সেই সময়ই সন্দেহজনক কিছু তার চোখে পড়ায় বা শব্দ শোনায় সে দরজাটা লক্ করবার কথা ভাববারও সময় পায়নি!

    কিন্তু এ সবই তো গেল যুক্তিতর্কের কথা। হত্যা রহস্যের মীমাংসার ব্যাপারে যুক্তিতর্কের কথা—স্বভাবতই যাকিরীটীবাবুর মত তীক্ষ্ণবুদ্ধি লোকের মনে উদয় হয়েছে, হওয়াটা স্বাভাবিক।

    হত্যাকারী কে?

    কে হত্যা করল নির্বাণীতোষকে? আর কেনই বা হত্যা করল? নির্বাণী চিরদিনই সাদাসিধে সরল প্রকৃতির মানুষ, কারও সঙ্গে কখনও মনোমালিন্য হয়নি, ঝগড়া বিবাদও করেনি। সবাই তাকে বরাবরই ভালবেসেছে। তবে তাকে এইভাবে হত্যা করল কেন?

    সকাল হয়ে গিয়েছে, প্রায় সাড়ে ছটা বাজল।

    অফিসঘর থেকে বেরুতেই যতীশ সামন্ত সামনে এসে দাঁড়াল, শিখেন্দুবাবু!

    বলুন।

    দারোগাবাবু আপনাকে একবার ডাকছেন।

    কেন?

    বোধ হয় আপনার জবানবন্দি নেবেন।

    চলুন।

    আপনি যান, কর্তাবাবু ডাকছেন, আমি একবার ওপরে যাব। সামন্ত বললে।

    কাকাবাবুকে বলে দেবেন কিরীটীবাবু চলে গেছেন।

    আচ্ছা।

    শিখেন্দু এগিয়ে গিয়ে পারলারে প্রবেশ করল।

    শিখেন্দুকে ঘরে প্রবেশ করতে দেখে বীরেন মুখার্জী মুখ তুলে তাকালেন, আসুন শিখেন্দুবাবু, বসুন।

    শিখেন্দু বসল।

    বীরেন মুখার্জী প্রশ্ন করলেন, আপনি আর শিবতোষবাবুই মৃতদেহ প্রথমে আবিষ্কার করেন?

    হ্যাঁ।

    এঁদের মানে শিবতোষবাবুর ফ্যামিলির সঙ্গে আপনার দীর্ঘদিনের পরিচয়,তাই না?

    হ্যাঁ, আমি ওঁর বন্ধুর ছেলে।

    আচ্ছা, আপনি তো নির্বাণীতোষবাবুর সহপাঠী ছিলেন, তাঁর কোন শত্রু ছিল বলে জানেন?

    না।

    কখনও কারও সঙ্গে মনোমালিন্য, ঝগড়াঝাঁটি বা মারামারি হয়নি তাঁর?

    না।

    তবে যে কেন লোকটাকে অমন ক্রুয়েলি হত্যা করা হল বুঝতে পারছি না! কাউকে আপনার এ ব্যাপারে সন্দেহও হয় না?

    না।

    ব্যাপারটা দেখছি যেমন স্যাড তেমনি জটিল। তারপর একটু থেমে বললেন বীরেন মুখার্জী, মসেস মল্লিক তো কোন প্রশ্নের জবাবই দিলেন না আর দীপিকাদেবী তো মনে হচ্ছে প্রচণ্ড শোকে মেমারিই হারিয়েছেন! ঠিক আছে ওঁরা সুস্থ হয়ে উঠুন, তারপর এক সময় মাসা যাবে। বিশেষ করে দীপিকাদেবীকে আমি কয়েকটা প্রশ্ন করতে চাই। এখন তাহলে মামি উঠব।

    একটা অনুরোধ আছে আপনার কাছে মিঃ মুখার্জী। শিখেন্দু বললে।

    বলুন?

    সংবাদপত্রে যেন ব্যাপারটা না ছাপা হয়। বুঝতেই পারছেন এত বড় একটা ফ্যামিলির প্রেসটিজ

    না না—আমরা কিছু বলব না। কিন্তু পাড়াপড়শীরা তো আছে, সংবাদপত্রের নিউজরিপোর্টারদের কি আর কিছু জানতে বাকি থাকবে!

    আর একটা কথা—

    বলুন?

    ডেড বডি কখন পেতে পারি?

    বুঝতেই পারছেন তো, ব্যাপারটা মাডার কেস-তদন্ত না হলে তো পাবেন না দেহ। একটু পরেই এসে ডেড বডি নিয়ে যাবে। তবে চেষ্টা করব আজই যাতে পান। শিবতোষবাবুর সঙ্গে তো ডি.সি.-র পরিচয় আছে, তাঁকেই একবার বলতে বলুন না ওঁকে ফোনে। আচ্ছা চলি।

    শিখেন্দুরও নিজেকে অতিশয় ক্লান্ত লাগছিল।

    সারাটা রাত চোখের পাতা এক করতে পারেনি, চোখ দুটো জ্বালা করছিল, ঘর থেকে বেরুতেই রাজেনের সঙ্গে দেখা হল।

    রাজেন, আমি একবার মেসে যাচ্ছি, ঘণ্টা-দেড়েকের মধ্যেই ফিরব–কেউ খোঁজ করলে বোলো।

    যে আজ্ঞে।

    বড় রাস্তায় আসতেই একটা খালি ট্যাক্সি পেয়ে গেল শিখেন্দু। ট্যাক্সিতে উঠে বসে বললে, শিয়ালদার দিকে চলিয়ে সদারজী।

    কলেজের কাছাকাছিই সারকুলার রোডের ওপরে একটা মেসেছাত্রজীবন কাটিয়েছে শিখেন্দু। কলেজ-হোস্টেলে কখনও সে থাকেনি। পাশ করার পরও ঐখানেই রয়ে গিয়েছে।

    ওরা তিনজনই নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজের ছাত্র।

    নির্বাণীতোষ বরাবর বাড়িথেকেই পড়াশুনা করেছে। দীপিকাথেকেছেকলেজেরকম্পাউণ্ডের মধ্যে, লেডিজ হোস্টেলে।

    দিন পনের হল তার বাবা বিয়ের ব্যাপারে সপরিবারে দিল্লী থেকে এসে বালিগঞ্জ অঞ্চলেই বাড়ি ভাড়া করে আছেন, ইদানীং দীপিকা সেখানেই ছিল।

    হোস্টেলে পাশাপাশি দুটো ঘরে ওরা চারজন থাকে; ও আর সঞ্জীব একটা ঘরে, পাশের ঘরে নির্মল ও পরেশ।

    ঘরে ঢুকে দেখে জানলাপথে রোদ এসে পড়েছে, সঞ্জীব তখনও শয্যায় শুয়ে ঘুমোচ্ছে। পাশবালিশটা জড়িয়ে।

    সঞ্জীব—এই সঞ্জীব!

    শিখেন্দুর ডাকে সঞ্জীব চোখ মেলে তাকাল, কে?

    ওহ—ওহ—

    বিরক্ত করিস না শিখেন্দু, একটু ঘুমোতে দে। সঞ্জীব আবার চোখ বুজলে।

    এদিকে খবর শুনেছিস?

    পরে শুনব, সঞ্জীব ঘুম-জড়ানো গলায় কথাটা বলে আবার ঘুমোবার চেষ্টা করে।

    ওঠ–শোন্-নির্বাণী মারা গেছে, এই–

    সঙ্গে সঙ্গে যেন লাফিয়ে উঠে বসল শয্যার উপরে সঞ্জীব, অ্যাঁ! কি বললি? কে মারা গেছে?

    নির্বাণী মারা গেছে, নির্বাণীতোষ মল্লিক।

    কি যা-তা জোক্ করছিস এই সকালবেলা! সঞ্জীব বললে।

    জোক নয়, সত্যি—হি হ্যাজ বিন ব্লুটালি মাডারড, সঞ্জীব।

    মার্ডারড! সঞ্জীব কথাটি বলে ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থাকে যেন শিখেন্দুর মুখের দিকে।

    হ্যাঁ।

    সত্যি–সত্যি বলছিস শিখেন্দু? সঞ্জীব যেন কথাটা তখনও বিশ্বাসই করতে পারছে না।

    শিখেন্দু তার খাটের ওপর বসে সঞ্জীবের মুখের দিকেই চেয়ে থাকে। সঞ্জীব চিরকালই পাতলা, বোগা। গায়ের রংটা যেমন টকটকে ফর্সা, মুখখানিও তেমনি সুন্দর, যেন একটা মেয়েলী ছাপ আছে মুখে। পরনে লুঙ্গি, গায়ে একটা গেঞ্জি। চোখেমুখে প্রসাধনের চিহ্ন, ঠোঁটে লিপস্টিকের রক্তিমাভা।

    কাল তুই বৌভাতের নিমন্ত্রণে যাসনি? শিখেন্দু জিজ্ঞাসা করল।

    কখন যাব! থিয়েটারই তো শেষ হল রাত সাড়ে বারোটায়! বলেই তো ছিলাম, কাল আমাদের পাড়ার ক্লাবে থিয়েটার আছে। বহ্নিশিখা নাটকে আমাকে কল্যাণীর রোল করতে হয়েছে।

    পাড়ার ক্লাব মানে পাইকপাড়ায় ওরা দীর্ঘদিন ধরে আছে, মানে ওর বাবা রাধিকা বসু মশাই। ঐ পাড়াতেই সঞ্জীবের জন্ম, পাড়ার ক্লাবের থিয়েটারে ও বরাবর ফিমেল রোল করে এসেছে। মানায়ও ওকে ফিমেল রোলে চমৎকার এবং অভিনয়ও করে খুব ভাল।

    সঞ্জীব বলল, অত রাত্রে কেউ কোথাও নিমন্ত্রণ খেতে যায়! তাছাড়া ভীষণ টায়ার্ড লাগছিল, ফিরে এসে দেখ না মুখের মেকআপও ভাল করে তুলতে পারিনি, কোনমতে একটু মেকআপ তুলেই শুয়ে পড়েছি। কিন্তু এইমাত্র তুই যা বললি তা সত্যি!

    হ্যাঁ, আমাকে এখুনি আবার স্নান করে বেরুতে হবে। দীপা একেবারে বোবা হয়ে গিয়েছে, বোধ হয় স্মৃতিভ্রংশ হয়েছে।

    হবেই তো, বেচারী! হাউ স্যাড, ফুলশয্যার রাত্রেই!

    কি করে মেরেছে বেচারীকে জানিস সঞ্জীব!

    কি করে?

    একটা ছোরা একেবারে পিঠের বাঁ দিকে আমূল বসিয়ে দিয়েছে।

    বলিস কি! কি করে মারল, বাড়িভর্তি লোক ছিল—কে মারল কেউ কিছু জানতেই পারল না!

    শিখেন্দু সংক্ষেপে তখন সমস্ত ঘটনাটা বলে গেল।

    সঞ্জীব যেন একেবারে হতবাক। বললে, সত্যি আমি যেন এখনও ভাবতেই পারছি না ব্যাপারটা শিখেন্দু।

    কেবল তুই কেন, কেউই আমরা ভাবতে পারছি না! নির্মল কোথায়? নির্মলকে ডাক—

    সঞ্জীব নির্মলকে নাম ধরে ডাকতেই সে পাশের ঘর থেকে এসে এদের ঘরে ঢুকল। গালে শেভিং ক্রিম লাগান, হাতে সেফটি রেজার, অর্ধেক কামাতে কামাতেই ওদের ডাকে ঘরে এসে ঢুকল, কি ব্যাপার? শিখেন্দু কখন ফিরলি?

    নির্বাণীতোষ খুন হয়েছে কাল রাত্রে, জানিস? শিখেন্দু বললে আবার।

    খুন হয়েছে—নির্বাণী? কি কি বলছিস তুই শিখেন্দু?

    এবারে সঞ্জীবই ব্যাপারটা বললে নির্মলকে।

    তুই কাল রাত্রে কখন নির্বাণীদের বাড়ি থেকে চলে এসেছিলি? শিখেই প্রশ্নটা করল।

    আ—আমি তো—মানে আমি তো বোধ হয় দশটার পরই চলে এসেছি, তখন তো নির্বাণী প্যাণ্ডেলেই ছিল। নির্মল বলল।

    হ্যাঁ, নির্বাণী আগাগোড়াই প্যাণ্ডেলে ছিল। রাত পৌনে এগারটা নাগাদ আমাকে বলল তার বড় মাথা ধরেছে। তাই আমি বললাম, আমাদের বন্ধু বান্ধবরা তো সবাই এসে গেছে, এক সঞ্জীব বাকি; সে এলে আমি খাইয়ে দেবখন, তুই যা, ওপরে চলে যা, শিখেন্দু বলল।

    তারপর? সঞ্জীব শুধাল।

    নির্বাণী ওপরে চলে যায়।

    তারপর?

    আর পৌনে বারোটা নাগাদ দীপা ওপরে গিয়েছিল, তারপরেই ব্যাপারটা জানা গেল! শিখেন্দু বলল।

    ওঃ! নির্মল বলল।

    তাহলে মনে হচ্ছে পৌনে এগারটা থেকে রাত পৌনে বারোটা, ঐ একঘন্টা সময়ের মধ্যেই কোন এক সময় নির্বাণীকে কেউ খুন করে গিয়েছে। সঞ্জীব বলল।

    ইতিমধ্যে পরেশও এসে ঘরে ঢুকেছিল এবং সব শুনেছিল, ওরা তিনজন কেউ লক্ষ্য করেনি; হঠাৎ ঐ সময় পরেশ বলল, নির্মল তো অনেক রাত্রে ফিরেছিস, রাত বোধ হয়। তখন সাড়ে বারোটারও বেশী হবে, আমি পৌনে বারোটায় প্রায় শুয়েছি, কিন্তু ঘুমোই নি। দশটার পরই যদি তুই নির্বাণীদের বাড়ি থেকে চলে এসে থাকিস তো তোর ফিরতে এত দেরি হল কেন রে?

    বাসে যা ভিড়! নির্মল বলল।

    অত রাত্রে বাসে ভিড়! পরেশ কথাটা বলে নির্মলের মুখের দিকে তাকাল এবং বলল, দেখ বাবা, চালাকি করো না, অতক্ষণ কোথায় ছিলে বল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাত নিঝুম – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article অবগুণ্ঠিতা – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }