Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কেয়াপাতার নৌকো – প্রফুল্ল রায়

    প্রফুল্ল রায় এক পাতা গল্প1251 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.০৮ অবনীমোহনের সঙ্গে কথা

    অবনীমোহনের সঙ্গে কথা বলতে বলতে আগে আগে হাঁটছিলেন হেমনাথ। ডাকটা কানে আসতে থমকে দাঁড়িয়ে পড়লেন। তারপর এদিক সেদিক তাকাতেই তাঁর চোখে পড়ে গেল। বিনুরাও দেখতে পেল।

    সামনের দিক থেকে একটা লোক লম্বা লম্বা পা ফেলে ব্যস্তভাবে এগিয়ে আসছে। কাছাকাছি আসতে টের পাওয়া গেল, তার বয়স অনেক দিন আগেই পঞ্চাশ পেরিয়েছে। এখন ষাট ছুঁই ছুঁই। বেশির ভাগ চুলই রুপোর তার। অবশ্য কাঁচা চুলেরা একেবারে দখল ছাড়েনি, এখানে ওখানে ছড়িয়ে থেকে যতখানি পেরেছে যৌবনের পতাকা তুলে রাখতে চেষ্ট করছে। মুখখানা পরিষ্কার কামাননা। পরনে বাড়িতেকাঁচা হাফহাতা পাঞ্জাবি, স্কুল প্রায় হাঁটু পর্যন্ত। তুলনায় ধুতিটা অস্বাভাবিক খাটো, খালি পা। গলায় তিন লহর তুলসীর মালা।

    এতখানি বয়স হয়েছে, কিন্তু শরীর মেদশূন্য, স্বাস্থ্যের ভিত বেশ মজবুত। মাঝারি মাপের শক্ত সবল এই মানুষটিকে ঘিরে কোথায় যেন খানিকটা দৃঢ়তা ফুটে আছে।

    হেমনাথ বললেন, আরে অধর যে। কেমন আছ?

    লোকটা অর্থাৎ অধর বলল, ভালই। আপনের শরীল গতিক?

    ওই একরকম চলছে। হেমনাথ হাসলেন, তারপর এই দুপুরবেলা সেজেগুঁজে গিয়েছিলে কোথায়?

    বিনুর হাসি পেল। পরেছে তো একটা বেঢপ পাঞ্জাবি আর খাটো ধুতি, তাতে আবার পায়ে জুতো নেই। একে নাকি সাজা বলে!

    অধর বলল, আপনের বাড়ি গেছিলাম। গিয়া শুনলাম, আমাগো এইদিকে আছেন। বৌ-ঠাইরেন বইতে কইছিল, আমি আর বসি নাই। লৌড়াইতে লৌড়াইতে ফিরা আইছি, যদি আপনেরে এইখানে ধরতে পারি। শ্যাষম্যাষ পারছি।

    আমাদের বাড়ি গিয়েছিলে কেন?

    বড় দরকার– বলতে বলতে বিনুদের সম্বন্ধে সচেতন হয়ে অধর শুধলো, এয়ারা? এগো তো আগে দেখি নাই।

    হেমনাথ আলাপ করিয়ে দিলেন। অধরের পরিচয়টাও এবার পাওয়া গেল। পুরো নাম অধর সাহা। রাজদিয়া থেকে কয়েক মাইল উজানে কমলাঘাটের মস্ত গঞ্জ, অধর সেখানে বড় পাইকারি ব্যবসাদার। অনেকগুলো ধান-চালের আড়ত আছে তার। টাকাপয়সা যে কত তার লেখাজোখা নেই।

    পরিচয় টরিচয় হল বটে, বিনুদের সম্বন্ধে কিন্তু তেমন আগ্রহ নেই অধরের। সে হেমনাথকে বলতে লাগল, এইদিকে যহন আইসাই পড়ছেন আর দেখাটাও হইয়া গ্যাছে তহন আমার বাড়ি একবার পায়ের ধূলা দিতে হইব।

    হেমনাথ বললেন, আজ আর তোমার ওখানে যেতে বলো না অধর। তাকিয়ে দেখ কত বেলা হয়েছে। রামকেশবটা রাস্তা থেকে ওর বাড়ি ধরে নিয়ে গিয়েছিল। বড় দেরি করিয়ে দিয়েছে। বাড়ি ফিরতে ফিরতে আমাদের বেলা হেলে যাবে।

    রামক্যাশবের বাড়ি যাইতে পারেন আর আমার বাড়ির কাছে আইসা যাইবেন না, হেয়া (তো) কিছুতেই হইব না। নাছোড় পেয়াদার মতো জেদ ধরল অধর, আসেন

    হেমনাথ বোঝাতে চাইলেন, পরে একদিন আসব’খন। এখন তোমার ওখানে গেলে আরও দেরি হয়ে যাবে। ছেলেমেয়েগুলোর এখনও স্নান-খাওয়া হয়নি।

    কিন্তু কে কার কথা শোনে। অধর বলতে লাগল, দুই দন্ডও না বড়কত্তা, হের (তার) আগেই আপনেরে ছাইড়া দিমু। এটু কষ্ট কইরা একবার খালি আহেন। জবর দরকার–

    হেমনাথ বললেন, তোমার দরকারের কথাটা এখানেই বলে ফেল না।

    এইখানে কইলে হইব না, বাড়িতে নিয়া কয়টা জিনিস আপনেরে দেখামু।

    ছাড়বে না যখন কী আর করা। চল– অধরের জেদ আর মিনতির কাছে নিজেকে সঁপে দিলেন হেমনাথ।

    এই সময় অবনীমোহন বলে উঠলেন, আপনি ঘুরে আসুন মামাবাবু, আমরা বরং রাস্তায় দাঁড়াই। হেমনাথ ব্যস্ত হয়ে পড়লেন, রাস্তায় কি দাঁড়িয়ে থাকবে, এস—এস—

    অধরও সায় দিল, হ হ, আসেন—

    বিনুরা যেদিক থেকে এসেছিল, আবার সেদিকে খানিকটা পিছিয়ে যেতে হল। তারপর রাস্তা থেকে ডান ধারে দু’পা গিয়ে সরু খালের ওপর বাঁশের সাঁকো, সাঁকো পেরিয়ে অধরের পিছু পিছু যেখানে এসে তারা পৌঁছল সেটা ফুলফলের বাগান। আশ্বিনের এই দুপুরবেলায় গাছগাছালির ঘন ছায়া এখানে নিবিড় হয়ে আছে। ছায়াচ্ছন্ন বাগানটার পর টিনের চমৎকার একখানা তিনতলা বাড়ি।

    কলকাতায় সাততলা আটতলা কত বাড়ি দেখেছে বিন, তাদের ছাদগুলো যেন আকাশের মেঘেদের ছুঁয়ে আছে। কিন্তু টিনের তেতলা এই প্রথম দেখল। অবাক চোখে চারদিকে তাকাতে লাগল সে।

    অধর সাহার বাড়িটার মাথায় প্যাগোডার মতো নকশা করা টিনের চাল। তার দু’ধারে দুটো টিনের ময়ূর পেখম মেলে আছে। দেওয়ালগুলো অবশ্য কাঠের।

    বাড়ির ভেতরে ঢুকে অধর বলল, চলেন, দোতালায় যাই।

    হেমনাথ বললেন, আবার টঙে ওঠাবে?

    উপুরে না গ্যালে তো জিনিসগুলান দেখাইতে পারুম না।

    কাঠের সিঁড়ি বেয়ে আগে আগে ওপরে উঠতে লাগল অধর। হেমনাথরা তাকে অনুসরণ করতে লাগলেন।

    একটা ব্যাপার বিনু লক্ষ করল, বাড়িটা আশ্চর্য রকমের নির্জন আর স্তব্ধ। অধর সাহা ছাড়া আর কাউকেই দেখা যাচ্ছে না। শিশু-বৃদ্ধ-যুবক বা যুবতীর কণ্ঠস্বর কোনও দিক থেকেই ভেসে আসছে না। রূপকথার যক্ষপুরীর মতো এখানে জীবনের কোনও অস্তিত্ব বুঝি নেই।

    খানিক আগে বিনুরা রামকেশবের বাড়িতে ছিল। অনেক মানুষ, অজস্র হইচই বা ফেনায়িত কোলাহল–সব মিলিয়ে যেন একটা সজীব রঙিন মেলার ভেতর অনেকখানি সময় কাটিয়ে এসেছে। তুলনায় এ বাড়ির নির্জনতা, নৈঃশব্দ চোখে কানে বিধতে লাগল।

    একটু পর অধরের পিছু পিছু মস্ত একখানা ঘরের মধ্যে চলে এল বিনুরা। ঘরটার একধারে চেলা কাঠের পাহাড়। খুব সম্ভব দুতিনটে বড় বড় গাছ কেটে ওভাবে রাখা হয়েছে। আরেক পাশে সারি সারি সাজানো অনেকগুলো পেতলের নতুন কলসি, কাঁসার থালা-বাটি-গেলাস, আর নতুন নতুন খাট। তা ছাড়া, আরও অসংখ্য জিনিস।

    এক পলকে সব দেখে নিয়ে জিজ্ঞাসু চোখে অধরের দিকে তাকালেন হেমনাথ।

    মুখ কাচুমাচু করে অধর বলল, আপনের লগে পরামশ্য না কইরাই এইসব কিনাকাটা সারছি বড়কত্তা। একটু থেমে আবার বলল, দ্যাখেন জিনিসগুলান–একেবারে বাছা বাছা, পছন্দসই। কোনও শালায় কইতে পারব না অধর সা’ দানে খারাপ জিনিস দিছে।

    হেমনাথ বিমূঢ় মুখে বললেন, কিন্তু ব্যাপারটা কী?

    হেমনাথের চোখে চোখ রেখে অধর শুধলো, বুঝতে পারেন নাই?

    না। ধীরে ধীরে হেমনাথ মাথা নাড়লেন।

    একটু চুপ করে থেকে অধর বলল, দানসাগর ছাদ্দ করুম।

    শ্রাদ্ধ!

    হ।

    কার?

    কার আবার, আমার। নিজের বুকে একটা আঙুল রেখে অধর সাহা ফিসফিস করে বলল।

    আর হেমনাথ যেন কথা বলতে ভুলে গিয়ে একেবারে বোবা হয়ে গেলেন। তার চোখমুখ দেখে মনে হল, এমন আজগুবি কথা চৌষট্টি পঁয়ষট্টি বছরের জীবনে আর কখনও শোনেন নি।

    একটু কি ভেবে নিয়ে অধর আবার বলল, উই যে লাকড়ি (চেলা কাঠ) দেখতে আছেন, এগুলান দিয়া আমি মরলে আমারে পোড়ান হইব। আর এই নূতন খাটপালং থাল-ঘটি-গেলাস-বাটি-হগল দানের জিনিস। ছাদ্দের সোময় বামনগো দিমু। বুঝলেন নি বড়কত্তা, মরার আগেই নিজের ব্যবোস্তা নিজেই কইরা রাখলাম। অ্যামন কি আগামী বচ্ছর গয়ায় গিয়া নিজের পিন্ডটাও দিয়া আসুম।

    নিষ্পলক তাকিয়ে ছিলেন হেমনাথ। এতক্ষণে কথা বললেন, হঠাৎ তোমার ঘাড়ে এ পাগলামি চাপল কেন?

    ঠিক এভাবে হেমনাথ বলবেন তা যেন আশা করে নি অধর। আহত সুরে বলল, এরে আপনে পাগলামি কন!

    তা ছাড়া কী?

    হেমনাথের কথার উত্তর না দিয়ে অধর বলল, আপনে তো হগলই জানেন বড়কত্তা—

    হেমনাথ বললেন, কী জানি?

    আমার পোলা দুইখান ক্যামন। অধর সাহা বলতে লাগল, দশ বচ্ছর তারা আমার লগে সম্পর্ক রাখে নাই। তাগো ভরসা করি না। কিন্তুক–

    হেমনাথ প্রশ্ন করলেন, কিন্তু কী?

    হিন্দু হইয়া জন্মাইছি। মরার পর কে ছাদ্দ করব, কে পিন্ডি দিব তার তো ঠিক নাই। ওইটুকের লেইগা আত্মার সদগতি হইব না! পরকাল বইলা তো একখান কথা আছে।

    তোমার ভালমন্দ কিছু হলে ছেলেরা আসবে না, এমন কথা আগে থেকেই ভবছ কেন? তা ছাড়া বলতে নেই, তোমার স্বাস্থ্য বেশ ভালই। বয়েসেও আমার চাইতে ঢের ছোট। এর ভেতর মরার চিন্তা তোমার মাথায় চুল কী করে?

    দার্শনিকের মতো মুখ করে অধর বলল, বড়কত্তা, মাইনষের জীবন বড় তাজ্জবের বস্তু। এই আছে, এই ফা। কার কখন ওপারের ডাক আইব, কেউ জানে না। রাবণের সিঁড়ির লাখান ছাদ্দশান্তি আমি ফেলাইয়া রাখুম না।

    হেমনাথ উত্তর দিলেন না।

    বিনুর এইসব কথাবার্তা ভাল লাগছিল না। টিনের তেতলা দেখার বিস্ময়টাও ধীরে ধীরে কখন ফিকে হয়ে গেছে। সে উসখুস করতে লাগল। এদিকে অবনীমোহন সুধা আর সুনীতি চুপচাপ। তাদের মুখচোখ দেখে প্রতিক্রিয়া বোঝা যাচ্ছে না।

    অধর আবার বলল, ভাবতে আছি পূজার পরেই এট্টা ভালা দিন দেইখা ছাদ্দটা চুকাইয়া ফেলুম। একশ’জন ভাল বামন ভোজন করামু। আইচ্ছা বড়কত্তা, কারে কারে ডাকা যায় কন তো?

    হেমনাথ বললেন, এখনও তো দেরি আছে। পরে এ নিয়ে ভাবা যাবে। আজ চলি।

    অহনই যাইবেন?

    হ্যাঁ। আজ আর দেরি করতে পারব না। বিনুদের নিয়ে হেমনাথ ঘরের বাইরে বেরিয়ে এলেন। সেখান থেকে সিঁড়ি বেয়ে একতলায়। তারপর ঝুপসি বাগান পেরিয়ে সোজা দক্ষিণগামী বড় রাস্তায়।

    অধরও সঙ্গে সঙ্গে এসেছিল। সে বলল, দুই চাইর দিন পর আমি কিন্তুক আপনের বাড়িত যামু।

    হেমনাথ বললেন, এস।

    ছাদ্দশান্তির ব্যাপারে আপনের লগে মেলা (অনেক) পরামশ্য আছে।

    আচ্ছা, আচ্ছা–

    অধর সঙ্গে সঙ্গে হাঁটছিল। হেমনাথ বললেন, কথা তো হয়ে গেল। এই রোদের ভেতর কষ্ট করে আর তোমাকে যেতে হবে না।

    অধর দাঁড়িয়ে পড়ল। হেমনাথরা এগিয়ে গেলেন।

    দাদুর পাশাপাশি হাঁটতে হাঁটতে অধর সাহার কথা কিন্তু ভাবছিল না বিনু। বার বার ঝিনুকের কথাই মনে পড়ে যাচ্ছিল। এ পাড়ায় আসা হল। সেই সকাল থেকে এতখানি বেলা পর্যন্ত রামকেশব আর অধর এই দুটো লোক তাদের আটকে রাখল অথচ ঝিনুকদের বাড়িতেই শুধু যাওয়া হল না। বার বছরের বিনুর ছোট্ট, উষ্ণ, কোমল মনটা সেজন্য ভারাক্রান্ত হয়ে আছে।

    খানিক যাবার পর অবনীমোহন শুধোলেন, লোকটা অদ্ভুত তো—

    বিনু বুঝল, অধরের কথা বলছেন অবনীমোহন। সে জানে মানুষ মরে টরে গেলে অন্যেরা তার শ্রাদ্ধ করে। কিন্তু একটা লোক জীবিত অবস্থায় নিজের শ্রাদ্ধ নিজেই করতে যাচ্ছে দেখেও বিনু খুব অবাক হল না, তেমন কৌতূহলও বোধ করল না। ঝিনুক যেন চারদিকের সব কিছু থেকে তাকে অন্যমনস্ক করে রেখেছে।

    হেমনাথ মৃদু হাসলেন, তা একটু—

    অবনীমোহন বললেন, এমন লোক আগে আর কখনও দেখি নি।

    উত্তর না দিয়ে হেমনাথ হাসতে লাগলেন।

    অবনীমোহন বললেন, ছেলেদের ওপর খুব রাগ দেখলাম। কারণটা কী?

    সে অনেক ব্যাপার। পরে বলব।

    আর কেউ নেই ওঁর?

    না। স্ত্রীকে ঢের আগেই খেয়ে বসেছে।

    অবনীমোহন আরও কী বলতে যাচ্ছিলেন, হেমনাথ তার আগেই বলে উঠলেন, যাই, আড়ত থেকে মাছগুলো নিয়ে আসি। আয় দাদাভাই’ বলেই বিনুকে নিয়ে ডানদিকে নদীর ঢালে নেমে গেলেন।

    কথায় কথায় কখন তারা নৌকোঘাটে এসে গিয়েছিলেন, অবনীমোহনের খেয়াল ছিল না। হঠাৎ তার মনে পড়ল, যাবার সময় মাছের জন্য আড়তে পয়সা দিয়ে গিয়েছিলেন হেমনাথ।

    নৌকোঘাটটা রাস্তা থেকে বেশ খানিকটা নিচে। নদীর জল জায়গাটা ছুঁয়ে আছে। তার গা ঘেঁষে সারি সারি মাছের আড়ত।

    যাবার সময় আড়তগুলোর গায়ে যত জেলেডিঙি বিনুরা দেখে গিয়েছিল, এখন তার দশ গুণ জমা হয়েছে। নদীর দূর দূরান্ত থেকে চিত্রবিচিত্র পাল তুলে আরও অগণিত নৌকো এদিকে ছুটে আসছে। ইলিশ মাছের ভারী আঁশটে গন্ধ এখানে বুঝি বার মাস অনড়। নদীর এলোমেলো দুরন্ত বাতাসও তা উড়িয়ে নিয়ে যেতে পারছে না।

    আড়তে যেতেই সেই লোকটাকে দেখতে পেল বিনু। হেমনাথ এর হাতেই মাছের পয়সা দিয়ে গিয়েছিলেন।

    লোকটা মাঝবয়সী। থলথলে মাংসল চেহারা, গায়ের রং কালো। সব সময় জলের কাছে থাকার জন্যই বোধহয় চামড়া রুক্ষ, খসখসে। গ্রীষ্ম বর্ষা হাজার নখে তারা গা চিরে চিরে দিয়েছে। পরনে আধময়লা ধুতি ছাড়া আর কিছুই নেই। হাতে চৌকো সোনার তাবিজ, গলায় সরু হার, মোটা মোটা গাঁটওলা আঙুলে পলা আর গোমেদের আংটি।

    কোলের কাছে টিনের ক্যাশ-বাক্স আর লাল হিসেবের খাতা নিয়ে একটা তক্তপোশে বসে ছিল লোকটা। বিনুদের দেখেই লাফ দিয়ে নেমে এল। আপ্যায়নের সুরে ব্যস্তভাবে বলল, আসেন– আসেন। বসেন বড়কত্তা–

    হেমনাথ বললেন, এখন আর বসব না নকুল। তাড়াতাড়ি মাছ দাও—

    হেয়া (তাই) কখনও হয়। আড়তে আপনের পায়ের ধূলা পড়ল, একদণ্ড বইসা না গেলে শান্তি পামু ক্যান? বলতে বলতে নকুলের কী যেন মনে পড়ে গেল। বিনুকে দেখিয়ে বলল, নাতিরেই খালি আনছেন, জামাই আর নাতিনরা কই?

    রাস্তার দিকে আঙুল বাড়িয়ে হেমনাথ বললেন, ওখানে।

    পথে খাড়া করাইয়া আইছেন! ক্যান, আমার এইহানে বসনের জাগা আছিল না? নকুলকে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ দেখাল।

    হেমনাথ বোঝাতে চেষ্টা করলেন, অনেক বেলা হয়ে গেছে, তাই আর আনি নি। আনলে আরও দেরি হয়ে যাবে।

    এট্টু দেরি হইব বইলা আনবেন না! পেরথম দিন আমার আড়তের দুয়ারে ওনারা আইলেন, দুইটা মিঠাই না খাওয়াইয়া ছাড়তে পারি! আপনের নাতি-নাতিন-জামাইর উপুর আমার জোর নাই? যাই ওনাগো ডাইকা আনি।

    নকুল রাস্তার দিকে ছুটতে যাচ্ছিল, তার আগেই খপ করে তার একখানা হাত ধরে ফেললেন হেমনাথ, আজ থাক নকুল। একদিন তোমার বাড়িতে ওদের নিয়ে যাব। তখন যত পার খাইও–

    একটু ভেবে নকুল বলল, ঠিক তো?

    ঠিক।

    কথা দিলেন কিলাম।

    হ্যাঁ–হ্যাঁ, কথার খেলাপ হবে না। তুমি মাছ দাও—

    বিনু অবাক হয়ে দেখছিল। আড়তদার এই লোকটাকে তার খুব ভাল লাগছে। তার মধুর ব্যবহার, তার আন্তরিকতা বুঝিয়ে দিচ্ছে দাদুকে কতখানি ভালবাসে সে, কতখানি শ্রদ্ধা করে। শুধু কি এই লোকটাই, হিরণ, মজিদ মিঞা, মজিদের বোনাই হাসেম আলি, রামকেশব-সারা রাজদিয়াই হয়তো হেমনাথের জন্য হৃদয় পেতে রেখেছে। বিনু টের পেল তাদের যে এত খাতির, এত মর্যাদা-সব, সব দাদুর জন্য।

    নকুল ডাকল, আহেন, মাছ বাইছা লন (নিন)–

    আড়তটার সামনের দিকে রাস্তা, পেছনে নদী। দু’টো দিকই খোলা। নকুলের সঙ্গে যেতে যেতে বিনু লক্ষ করল, পেছন দিকে ইলিশের পাহাড় জমে আছে–পূর্ব বাংলার চকচকে লোভনীয় রুপোলি ফসল।

    আড়তের তলায় সারি সারি জেলে ডিঙি। আট দশটা লোক ডিঙিগুলো থেকে মাছ গুনে গুনে ইলিশের পাহাড়টার দিকে ছুঁড়ে দিচ্ছে। মাছির ভনভনানির মতো শোনা যাচ্ছে, রামে রাম, রামে দুই, রামে তিন–

    আরেক দল তোক কাঠের প্যাকিং বাক্সে পরত পরত বরফের তলায় মাছ সাজাচ্ছে। বিনু জানে ওই বাক্সগুলো কলকাতায় চালান যাবে।

    একসময় রুপোর পাহাড়টার কাছে এসে পড়ল বিনুরা। একসঙ্গে এত মাছ, এমন ঝকঝকে জীবন্ত জলের ফসল আগে আর কখনও দেখে নি সে।

    নকুল বিনুকে বলল, পাঁচখান মাছ বাইছা লও ছোটকত্তা—

    বিনু লজ্জা পেয়ে গেল। মাছ তো বাছলই না, দাদুর আড়ালে গিয়ে দাঁড়াল।

    হেমনাথ বললেন, পাঁচটা মাছ কেন? তিনটের দাম তো তোমায় দিয়ে গেছি।

    নকুল বলল, আইজ জবর মাছ উঠতে আছে বড়কত্তা। দরও ঝপর ঝপর লামতে আছে। অহন ট্যাকায় দশটা বিকাইতে আছে, রাইতের দিকে বিশটা কইরা বেচতে হইব।

    হেমনাথ কিছু বললেন না।

    নকুল এবার বিনুকে নিয়ে পড়ল, কই, মাছ বাছলা না?

    বিনু একইভাবে দাঁড়িয়ে থাকে।

    বিনুর মনোভাব বুঝতে পেরে নিজেই সেরা ছ’টা মাছ বেছে বেঁধে দিল নকুল।

    হেমনাথ বললেন, আবার ছ’টা কেন?

    হেসে নকুল বলল, ছোটকত্তা পয়লা দিন আমার আড়তে আইল। হের (তার) সোম্মান নাই? এট্টা মাছ তারে খাইতে দিলাম।

    মাছ নিয়ে রাস্তায় আসতে সুধা বলল, এত দেরি করলে কেন দাদু?

    হেমনাথ বললেন, আর বলিস না ভাই। ওই আড়তদার মানে আমাদের নকুলটা কিছুতেই ছাড়ে। তোদের আড়তে নিয়ে মিষ্টি খাওয়াবার বাই তুলেছিল। কত কষ্টে যে ঠেকিয়েছি! তবে কড়ার করিয়ে নিয়েছে, একদিন ওর বাড়ি তোদের নিয়ে যেতে হবে।

    অবনীমোহন ওধার থেকে বললেন, এখানকার মানুষজন বড় ভাল।

    আবেগময় সুরে হেমনাথ উত্তর দিলেন, সত্যিই ভাল অবনীমোহন–

    এরপর ইলিশ মাছ নিয়ে কিছুক্ষণ উচ্ছ্বসিত আলোচনা চলল। আট আনায় পাঁচটা বড় বড় ইলিশ, তার ওপর একটা ফাউ। অবনীমোহন ভাবলেন, এ যেন এক স্বপ্নের দেশ।

    .

    একসময় স্টিমারঘাট, সারি সারি সেই মিষ্টির দোকান, খোয়া বাঁধানো পথ আর নদীটা পেছনে ফেলে সেই কাঠের পুলটার কাছে এসে পড়ল বিনুরা। ঠিক সেই সময় শোনা গেল, হেম—হেম– পেছন থেকে কে যেন খুব চেঁচিয়ে ডাকাডাকি করছে।

    হেম নিশ্চয়ই হেমনাথ। তাঁকে যিনি নাম ধরে ডাকতে পারেন, হয় তিনি বন্ধুস্থানীয়, নতুবা গুরুজন টুরুজন হবেন।

    সবাই একসঙ্গে ঘুরে দাঁড়াল। আর ঘুরতেই বিনু দেখতে পেল, দূরে পথের বাঁকে কালকের সেই জারাজীর্ণ দুর্বল ঘোড়াটা তার চাইতেও পুরনো ভাঙাচোরা গাড়িটাকে টেনে নিয়ে আসছে। কালকের সেই কোচোয়ানটাকে দেখা যাচ্ছে না, চালকের জায়গায় ধবধবে সাদা একটি মানুষ বসে আছেন।

    নিশ্চয়ই লালমোহন, অর্থাৎ ডেভিড লারমোর। তিনি ছাড়া রাজদিয়ায় সাহেব আর কে আছে? কাল এঁর কথা অনেক শুনেছে বিনু। যৌবনের মধ্যদিনে সুদূর আয়ার্ল্যান্ড থেকে পূর্ব বাংলার এই প্রান্তে এসেছিলেন, তারপর কয়েক যুগ কেটে গেছে। তাকে সামনাসামনি দেখবার জন্য বিনুর ছোট্ট হৃৎপিন্ড যেন লাফাতে লাগল।

    কিছুক্ষণের ভেতর ফিটনটা কাছে এসে থামল। কোচায়ানের সিট থেকে একরকম লাফ দিয়েই নেমে এলেন লারমোর।

    হেমনাথ বললেন, বয়স কত হল হে?

    লারমোর হেসে বললেন, তোমার চাইতে গুনে গুনে চার বছরের বড়।

    কিন্তু যেভাবে নামলে তাতে তিরিশ বছরের ছোট বলে মনে হচ্ছে। বুড়ো হাড়ে একবার চোট লাগলে দেখতে হবে না। ছ’মাসের জন্যে বিছানা নিতে হবে।

    তাচ্ছিল্যভরে লারমোর বললেন, কিচ্ছু হবে না।

    দু’চোখে অসীম বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে ছিল বিনু। লালমোহনের চুল, ঘন জোড়া ভুরু, গায়ের রং, ঋষিদের মতো লম্বা দাড়ি সব কিছু দুধের মতো সাদা। ভুরুর তলায় স্বচ্ছ জলে আলোর নাচনের মতো দু’টি স্নিগ্ধ চোখ। পিঠ সামনের দিকে একটু নুয়ে পড়েছে। গা-ময় এত কুঞ্চন যাতে চামড়া সোনার জালি জালি মনে হয়। পরনে ধুতি আর কামিজ, পায়ে লাল কাপড়ের জুতো। গলায় কালো কারে রুপোর ক্রশ ঝুলছে।

    বড়দিনে কলকাতার সাহেবপাড়ায় রাস্তার মোড়ে মোড়ে প্রচুর আলো টালো দিয়ে ‘ক্রিসমাস ট্রি’ সাজায়। তার সঙ্গে ধবধবে দাড়িওলা এক বুড়োও থাকে। বিনু বুড়োর নামটা মনে করতে পারল সান্টা ক্লজ। পোশাকটুকু বাদ দিলে লারমোর যেন অবিকল সান্টা ক্লজ।

    হেমনাথ বললেন, এস, পরিচয় করিয়ে দিই–

    লারমোর বললেন, তোমার আর কষ্ট করতে হবে না, ওটা আমিই পারব। বলে অবনীমোহনের দিকে ফিরলেন, তুমি নিশ্চয়ই আমাদের জামাই। সুধা-সুনীতি-বিনুকে বললেন, আর তোমরা অবশ্যই দাদাভাই দিদিভাই। তোমাদের নাম তো জানি না। নামগুলো বল–

    অবনীমোহনের হঠাৎ কী হয়ে গেল, ঋষির মতো দেখতে এই বয়স্ক বিদেশি মানুষটির পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করলেন। দেখাদেখি সুধা-সুনীতি-বিনুও প্রণাম করল। তারপর একে একে সবাই নিজের নিজের নাম বলল।

    সবাইকে আশীর্বাদ করে লারমোর অবনীমোহনের উদ্দেশে বললেন, কাল স্টিমারঘাটে তোমাদের আনতে যেতে পারি নি। বিশেষ দরকারে হাটে গিয়েছিলাম–

    অবনীমোহন বললেন, মামাবাবু সে কথা বলেছেন।

    কাল হাট থেকে ফিরতে ফিরতে অনেক রাত হয়ে গিয়েছিল। আজ সকালে উঠেই চলে আসব ভেবেছিলাম। তখনও কতকগুলো ঝঞ্জাট এসে জুটল। সব মিটিয়ে বেরুতে বেরুতে দুপুর হয়ে গেল। ভাল কথা, রমু কোথায়? তাকে তো দেখছি না।

    হেমনাথ বললেন, সে বাড়িতে আছে।

    লারমোর শুধোলেন, তোমরা গিয়েছিলে কোথায়?

    রাজদিয়া শহরটা ওদের একটু ঘুরিয়ে দেখাচ্ছিলাম।

    লারমোর এবার অবনীমোহনকে সাক্ষী মানলেন, শোন তোমার মামাশ্বশুরের কথা। আমি গাড়ি থেকে লাফিয়ে নেমেছি বলে তো খুব উপদেশ ঝাড়া হল। আর উনি যে বুড়ো হাড়ে মাইল মাইল হেঁটে এলেন, তার বেলা?

    সবাই হাসতে লাগল। লারমোর আর হেমনাথের ভেতর বন্ধুত্বটা যে কতখানি নির্মল, স্বচ্ছ আর প্রীতিপূর্ণ তা যেন অনায়াসে টের পাওয়া যাচ্ছে।

    বিব্রত মুখে হেমনাথ বললেন, লাফানো আর হাঁটা–কিসে আর কিসে! সে যাক গে, রাস্তায় দাঁড়িয়ে আর একটা কথাও নয়।

    লারমোর কিছু বলতে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই হেমনাথের হাতে ইলিশ মাছগুলো দেখতে পেলেন। সঙ্গে সঙ্গে সারা মুখে হাসির ছটা ঝলমলিয়ে উঠল। উচ্ছ্বসিত খুশির গলায় তিনি বললেন, নজর পড়েছে তা হলে–

    ঢের আগেই পড়া উচিত ছিল। পেটিগুলো সর্ষে দিয়ে ভাতে দিলে যা হয় না–একেবারে হেভেন। চোখ বুজে বুঝিবা স্বর্গসুখটা কল্পনা করতে লাগলেন লারমোর।

    ভুরু কুঁচকে হেমনাথ বললেন, এখানে দাঁড়িয়ে থাকলে বোধহয় পেটিগুলো ভাতে দেওয়া যাবে। সেজন্যে বাড়ি যাওয়া দরকার।

    লারমোর ব্যস্ত হয়ে উঠলেন, হ্যাঁ হ্যাঁ, সবাই গাড়িতে ওঠ। বলে নিজেই ফিটনের দরজা খুলে দিলেন।

    অবনীমোহন হেমনাথ সুধা আর সুনীতি উঠতেই দেখা গেল, গাড়িতে আর জায়গা নেই। লারমোর বললেন, বিনুদাদা কোচোয়ানের সিটে আমার পাশে বসে যাবে।

    পাশাপাশি যেতে যেতে বার বার মুখ তুলে লারমোরকে দেখতে লাগল বিনু। চোখাচোখি হলে অবশ্য মুখটা সরিয়ে নিচ্ছে।

    এই মুহূর্তে বিনুর মন থেকে রামকেশব, রুমা ঝুমা, অধর সাহা, নকুল, রুপোর পাহাড়ের মতো ইলিশের স্থূপ, মনোরম নদীতীর, এমনকি ঝিনুক পর্যন্ত মুঝে গেছে। তার বারো বছরের অপরিণত অস্তিত্বের পুরোটাই দখল করে নিয়েছেন এই বিস্ময়কর চমকপ্রদ মানুষটি, যার নাম ডেভিড লারমোর।

    বারকয়েক চোখাচোখির পর বিনু ধরা পড়ে গেল। সমেহ হেসে লারমোর শুধালেন, কী দেখছ?

    লজ্জা পেয়ে বিনু তাড়াতাড়ি চোখ নামিয়ে নিল, উত্তর দিল না।

    কিছুক্ষণ নীরবতা। তারপর আবার তাকাতে লাগল বিনু। তার মনের কথাটা বোধহয় পড়তে পারলেন লারমোর। বিনুর দিকে খানিক ঝুঁকে বললেন, আমায় কিছু বলবে?

    এই মানুষটি সম্বন্ধে এই মুহূর্তে বিনুর মনে অনেক জিজ্ঞাসা, অসীম কৌতূহল। ঘাড় ঈষৎ হেলিয়ে সে জানালো-বলবে।

    লারমোর বললেন, বল না—

    এতক্ষণে গলায় স্বর ফুটল বিনুর। ফিসফিসিয়ে বলল, পরে।

    পরে কেন, এখনই বলে ফেল।

    বিনু চুপ।

    একটু ভেবে হাসতে হাসতে লারমোর বললেন, আচ্ছা, পরেই বলো।

    একসময় ফিটনটা বাড়ি পৌঁছে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশতধারায় বয়ে যায় – প্রফুল্ল রায়
    Next Article আলোর ময়ুর – উপন্যাস – প্রফুল্ল রায়

    Related Articles

    প্রফুল্ল রায়

    আলোর ময়ুর – উপন্যাস – প্রফুল্ল রায়

    September 20, 2025
    প্রফুল্ল রায়

    শতধারায় বয়ে যায় – প্রফুল্ল রায়

    September 20, 2025
    প্রফুল্ল রায়

    উত্তাল সময়ের ইতিকথা – প্রফুল্ল রায়

    September 20, 2025
    প্রফুল্ল রায়

    গহনগোপন – প্রফুল্ল রায়

    September 20, 2025
    প্রফুল্ল রায়

    নিজেই নায়ক – প্রফুল্ল রায়ভ

    September 20, 2025
    প্রফুল্ল রায়

    ছোটগল্প – প্রফুল্ল রায়

    September 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }