Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কোজাগর – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প561 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কোজাগর – ১৪

    ১৪

    সকালে বেড়াতে বেরিয়েছিলাম, ঝুম্রীবাসার কাছের জংলি-সুঁড়িপথে। একটু গিয়েই পরেশনাথের সঙ্গে দেখা।

    একটা ঝুড়ি মাথায় করে চলেছিল ও।

    বললাম, কোনদিকে রে?

    ও বলল, আমলকী কুড়োতে। গোদা শেঠ পঁচিশ নয়া করে দেবে এক এক ঝুড়িতে!

    এক ঝুড়ি ভরতে কতক্ষণ লাগবে?

    তা কী বলা যায়? তেমন গাছ পেলে অল্প সময়েই ভরে যাবে। নইলে তিন-চার ঘণ্টাও লেগে যেতে পারে। বললাম, চল্, আমি গাছ ঝাঁকাব, নয়ত পাথর মারব মগডালে; আর তুই কুড়োবি।

    ও খুব খুশি হলো। আমার পায়ে পায়ে চলতে লাগল। একটু গিয়েই পথের ওপর একটা কাঠের সাঁকো। দুপাশে আসন, পন্নন্, গাম্হার আর শালগাছ। নিচের পাহাড়ী ঝরনাটা এখানে একটা দহ’র মতো সৃষ্টি করেছে। সেখানে জল বেশ গভীর। কিন্তু স্বচ্ছ। জলের মধ্যে বালির ওপরে ছোট ছোট মাছ সাঁতার কাটছে। গাছ-গাছালির ফাঁক-ফোকর দিয়ে রোদ এসে পড়েছে জলের ওপর। কতকগুলো কালো কালো পোকা চিড়িক্ চিড়িক্ করে জলছাড়া দিয়ে নড়ে বেড়াচ্ছে। পোকাগুলোর শরীরের মাঝের অংশটা বোধহয় স্বচ্ছ। কারণ জলের নিচে তাদের মাথা আর লেজের দিকের ছায়াই শুধু পড়ছে। ছায়াগুলো এমনভাবে পড়ছে যে, তিন-তিনটে বিন্দু দিয়ে গড়া অসংখ্য অসংলগ্ন ত্রিকোণাকৃতি এবং বিভিন্নমুখী দ্রুতগতি ছায়ায় ভিড় হয়েছে সেখানে। ঐ ছায়াগুলোকেও মনে হচ্ছে এক-রকমের জীবন্ত পোকা। দাঁড়িয়ে পড়ে, আমরা পোকাগুলোর খেলা দেখতে লাগলাম। আর জলের নিচে তাদের ছায়ার নাচ।

    এই বনপথের আনাচে-কানাচে কত কী আশ্চর্য আপাততুচ্ছ অথচ অসাধারণ সব দৃশ্য ও অনুভূতি ছড়ানো আছে! এত শব্দ, এত রঙ, এত গন্ধ যে, যার চোখ কান আছে এবং অনুভব করার শক্তি আছে; তার পক্ষে এতে বিভোর না হয়ে থাকা সম্ভব নয়।

    পরেশনাথ উত্তেজিত গলায় বলল, “পিল্লু”।

    তারপর বলল, ভারি মজার পিল্লুগুলো, না?

    অন্যমনস্ক গলায় ওকে বললাম, যা বলেছিস।

    পিল্লু হচ্ছে, পিলুয়ার অপভ্রংশ। পিলুয়া মানে পোকা।

    একটা কাঠঠোকরা কাঠ ঠুকছে বনের গভীরে। ভারি ছন্দোবদ্ধ, এক স্কেলে বাঁধা সুষম সে আওয়াজ। আরো গভীর বনের ছায়ায় বসে একটা ক্রো-ফ্রেজেন্ট ডেকে চলেছে গম্ভীর গলায়।

    হঠাৎ উজ্জ্বল লালরঙা বড় একটা প্রজাপতি কোথা থেকে যেন উড়ে এল। একটু আগেও তাকে দেখিনি। “লাল তিতলি লাল তিল” বলতে বলতে ছোট্ট পরেশনাথ মুহূর্তের মধ্যে ঝুড়িটা ব্রিজের ওপর ধপ্ করে ফেলে দিয়েই নদীর দিকে দৌড়ে গেলো। তারপর উন্মাদের মতো দু-হাত তুলে নেমে গেল খাড়া পাড় বেয়ে। প্রজাপতিটা জলের কোণায় জল থেকে হাত দুয়েক উঁচুতে একবার স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে পরক্ষণেই জলের ভিতরের দিকে উড়ে গেল, তারপর আবার ওপরে উঠে এল। এমনি করে দ্রুত উঠতে নামতে লাগল।

    পরেশনাথ দৌড়ে দুহাত বাড়িয়ে প্রজাপতিটাকে ধরতে চেষ্টা করতে লাগল, এবং কী ঘটল বোঝাবার আগেই সঙ্গে সঙ্গে জলে পড়ে গেল। জল ছিট্‌কে উঠল মুহূর্তের মধ্যে। রোদ ঝিমিকিয়ে উঠল ছিকানো জলবিন্দুতে। সেই বনপথের অনামা পাহাড়ী নদীর ওপরে এক নিমেষের জন্যে একটা আস্ত হিরের খনির সব হিরে দেখা দিয়েই আবার মিলিয়ে গেল।

    ব্রিজের রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে দেখলাম যে, পরেশনাথ তলিয়ে যাচ্ছে স্বচ্ছ জলের নিচে। পোকাগুলো ভয় পেয়ে বিভিন্ন দিকে সরে যেতে লাগল। মাছের ঝাঁকে, হঠাৎ চিতাবাঘ দেখা চিতল হরিণের ঝাঁকের মতোই চমক্‌ লাগল।

    পরেশনাথ কী সাঁতার জানে না? শহরের ছেলেরা না জানতে পারে, এরাও যে সাঁতার জানে না তা ভাবনারও বাইরে ছিল। ব্যাপারটা বুঝতে যতটুকু দেরি হল, তাতেই সময় যা নষ্ট হল। পরক্ষণেই আলোয়ানটা খুলে ফেলে জলে নেমে গেলাম। আমার কাঁধ অবধি জল। দুহাতে পরেশনাথকে তুলে ফেললাম। তখনও বেশি জল খায়নি ও। কিন্তু দম্ আটকে গেছিল। দম বন্ধ হওয়াতে, মুখ আর ঠোঁট একেবারে নীল হয়ে গেছিলো।

    কিছুক্ষণ পর ও চোখ খুলে অস্ফুটে বলল, মাঈরে…মাঈ…! হাম ক্যা বুড় যাতা থা বাবু?

    আমি আমার আলোয়ানটা ওর গায়ে জড়ালাম। ঐ শীতের সকালে হঠাৎ জলে পড়ে গিয়ে এবং ভয় পেয়ে কুঁকড়ে গেছিল পরেশনাথ।

    প্রকৃতিস্থ হবার পর শুধোলাম, সাঁতার জানিস না তুই?

    নাঃ। এখানে জল কোথায় যে, শিখব? বর্ষাকালে নালায় আমি আর বুলকি ঝাঁপা-ঝাঁপি করি বটে, কিন্তু অল্প জলে। মা জানে না। জানলে, মারবে।

    প্রজাপতিটা তখনও জেলর ওপর উড়ছিল।

    এই বর্ষায় তোকে সাঁতারকাটা শিখিয়ে দেব। আর এই শীতে, সাইকেলে চড়াও শেখাব।

    সাইকেল?

    পরেশনাথের চোখ মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল আনন্দে। কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে ও অনেকক্ষণ ধরে লাল প্রজাপতিটার দিকে চেয়ে থেকে হঠাৎ গম্ভীর গলায় বলল, ঐ তিতলিটা কিন্তু খতরনাক্। ও-ই আমাকে জলে ডুবিয়ে মারছিল একটু হলে। ওটা একটা ভূত। আমি সব্বাইকে বলে দেব যেন কেউ লাল তিতলির পিছনে না দৌড়য়।

    চুপ করে রইলাম।

    ভাবছিলাম, আমার বাড়িতেও তো একটা তিতলি আছে। অবশ্য তার গায়ের রঙ এতোটা লাল নয়।

    ছোট্ট পরেশনাথ আজ আর আমলকী কুড়োতে রাজি নয়। ঐ লাল তিতলি যে অমঙ্গলের দূত, অপ্রাকৃতিক কোনো ব্যাপার; সে সম্বন্ধে সে নিঃসন্দেহ। ও, ওর বাবা মানিয়ারই মতো। গভীর সব কুসংস্কার, ভৌতিক এবং আধিভৌতিক সব ভাব ও ভয় ওদের মস্তিষ্কে। আমার সাধ্য কী যে ওকে বোঝাই?

    দুজনেই একেবারে ভিজে গেছিলাম। ওর হাতে একটা আধুলি দিয়ে যে যার পথে চললাম। পরেশনাথ চলে গেল সাঁকোর পিছনের অন্য সুঁড়িপথে ওর বাড়ির দিকে। আমি, যে পথে এসেছিলাম সে পথে।

    একটু এগিয়ে গিয়েই দেখি, পথের বাঁদিকে হাঁটু সমান ঘাসবনে চার-পাঁচটি শম্বর দাঁড়িয়ে আছে। তখনও মাঠ ভেজা আছে শিশিরে একটু একটু। অনেকগুলো হলুদ প্রজাপতি উড়ছে মাঠটাতে। সবুজ জঙ্গলের পটভূমিতে দারুণ একটি কম্পোজিশন। বড় বড় হনুমানের একটা দল ঝাঁপাঝাঁপি করছে মাঠের পিছনের উঁচু উঁচু গাছগুলোতে। চোখ তুলেই একটা শিউলে শম্বর অনড় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা সত্ত্বেও, আমাকে দেখতে পেল। দেখতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ওরা একসঙ্গে দৌড়ে পালাল জঙ্গলের গভীরে।

    যদি একটা ভালো ক্যামেরা থাকত, তাহলে এত বছর ধরে যে সব ছবি তুলে রাখতে পারতাম তাতে হয়ত ঘর ভরে যেত। বন আর বন্যপ্রাণীর ছবি বিক্রি করে হয়ত বড়লোক হয়ে যেতে পারতাম। কিন্তু ভালো ক্যামেরা ও তার আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি কেনার ক্ষমতা আমার নেই। রঙিন ফিল্ম কেনারও নেই। দ্বিতীয়ত, আগেই বলেছি যে, সব রকমের যন্ত্রপাতির সঙ্গেই আমার জন্মগত বিরোধ। সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘দেশে বিদেশে’তে পড়েছিলাম, চোখের থ্রি-পয়েন্ট-ফাইভ লেন্স দিয়ে ছবি তুলে মস্তিষ্কের ডার্করুমে রেখে দেওয়াতে বিশ্বাস করতেন তিনি। যখন খুশি ছেপে নিতেন যে কোনো সাইজে।

    ফোটোগ্রাফি সম্বন্ধে আমার তেমন একটা পক্ষপাতিত্বও নেই। এই শম্বরদের ঘাসের মধ্যে দৌড়ে যাওয়া, এই সকালের গন্ধ, এর রূপ, এর রঙ এবং এর মধ্যে মিশে যাওয়া আমার মনের এইক্ষণের ভাবের সামগ্রিকতার কতটুকুই বা ধরতে পারতো ক্যামেরা! রঙিন ফিল্মই হোক আর মুভি ক্যামেরাই হোক, তারা শুধু এই সকালের এক ভগ্নাংশকেই ধরে রাখতে পারতো। উইথআউট রেফারেন্স টু দ্যা কনটেক্সট্। ন্যাচারলিস্ট-এর বিদ্যা ও পরিশীলিত মন আমার নেই। আমি কোনোদিন সালিম আলি বা এম কৃষ্ণান বা কৈলাস সাংখালা হতে চাই না। কখনও জিম করবেটের দরদের ভাগীদার হতে পারলে হয়তো হতে চাইতাম। এই কলমটুকু ছাড়া মূলধন আমার আর কিছুই নেই।

    বাড়ি ফিরে চান-টান সেরে নিয়ে নাস্তা করলাম। রবিবারে একটু দেরিতে চান করি। সপ্তাহে এই একটা দিনের সারাদিনটাই আমার। আমার একার। নিরবচ্ছিন্ন অবসরের। তিতলিকে বলি একবেলাতেই রান্না সেরে ও-বেলাটা ছুটি নিতে। কিন্তু ও কথাটা পুরো শোনে না। আমাকে খাইয়ে-দাইয়ে বাড়ি চলে যায় দুপুরে। বিকেলে আবার আসে। চা করে খাওয়ায় দ্বিতীয় কাপ। প্রথম কাপ আমি নিজেই বানিয়ে খাই। তারপর রাতে খাবার গরম করে টাটকা রুটি বানিয়ে আমাকে খাইয়ে-দাইয়ে ও বাড়ি যায়।

    প্রতি রবিবারই সকালটা এদিকে-ওদিকে ঘুরে বেড়াই বনে জঙ্গলে, যেখানে জিপ বা ট্রাক যাবার পথ নেই। কখনও সঙ্গে কেউ থাকে, কখনও বা একলাই। সারা সপ্তাহে নানা কাজে কর্মে, নানা মানুষের সঙ্গে মেলামেশায় মনের মধ্যে যেটুকু জট পাকিয়ে ওঠে এবং টেনশান্ গড়ে ওঠে সব আবার খুলে, ঝরে যায় বনে বনে হেঁটে বেড়ালে। নির্জন বনের মধ্যে একা একা হাঁটার মতো গভীর বিশুদ্ধ আনন্দ আর বেশি নেই। তাতে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে আওয়াইন্ড করা যায়।

    বইগুলি রথীদা রাঁচি থেকে জোগাড় করে এনেছিলেন। যাঁর বই তাঁকে ফেরত দিতে হবে তাড়াতাড়ি।

    ফাগুয়ার গান—

    “তার সুরেলা চুল ছড়ানো ছিল মাটিতে,
    আমি ফুল তুলব।
    সূর্যাস্তের সময় তার সুরেলা চুল ছড়ানো ছিল মাটিতে
    আমি ফুল তুলব।
    শোওয়ার সময় তার সুরেলা চুল ছড়ানো ছিল মাটিতে
    আমি একটি সুন্দর ফুল তুলেছি।”

    আরেকটা গান—

    “এই নতুন সরসী খুব গভীর।
    আগে আমি পালাই।
    তারপর গিয়ে সবাইকে বলব।”

    আরও একটা—

    “এই মেয়েটা কে রে?
    যে বলে, বিয়ে করবে না?
    পাকা তেঁতুলের মতো যে নরম,
    ভাগ্যিস তুই আমাকে এই মেয়ের কথা বলেছিলি—
    ঈস্‌স্‌ কী তেঁতুলের মতো নরম রে!”

    “সারহুল্”-এর গানও আছে। সারহুল উৎসব এখানকার ওরাওঁদের একউৎসব।

    শাল গাছকে পুজো করে ওরা তখন। বসন্ত শেষে হয়।

    যেমন—

    ফড়িংগুলো বৃষ্টির মতো, উড়ছে
    র এই সকাল,
    আঃ! আষাঢ় শ্রাবণের এই সকাল
    ফড়িংগুলো উড়ছেই, উড়ছেই উড়ছেই।

    আসলে, এখানে ফড়িং বলতে নৃত্যরত ছেলেদের কথাই বলা হচ্ছে গানে।

    সেইরকম অনেক আষাঢ়ে গানও আছে।

    “পাহাড়ের গায়,
    হলুদ শর্ষেক্ষেতে,
    হরিণগুলি চরছিল।
    একটি তীর ছুঁড়লাম,
    দুটি তীর ছুঁড়লাম,
    তিনটি তীর ছুঁড়লাম,
    হায়!
    ওরা কেবল লেজ নাচাল।”

    এখানে হরিণ মানে যুবতী মেয়েরা।

    ওমালির বই পড়তে পড়তে কতদিন আগে চলে যাই। তখন না জানি এই সব বন পাহাড় আরও কত সুন্দর, নির্মল ও নির্জন ছিল! ভাবতেও ভাল লাগে।

    ছুটির দিনগুলোতে শোওয়ার ঘরের জানলার সামনে বসে পড়ি, অথবা ডাইরি লিখি। ছাতারে পাখিগুলো বাইরের পুটুসের ঝোপে নড়ে চড়ে বসতে বসতে অনর্গল কথা বলে। ঝুমকো জবার গাছে বুলবুলিদের মেলা বসে তখন। কত কথা যে বলে ওরা। ওদের শীষে শীষে শীতের মন্থর রোদ-ঝরা আধ-ঘুমন্ত ওম্-ধরা দুপুর সজীব হয়ে ওঠে। এ বন থেকে ও বনে টিয়ার ঝাঁক উড়ে যায় ট্যা ট্যা ট্যা করে হাওয়ায় চাবুক মেরে। দূরের ক্ষেতের ফসলের গন্ধ, রাখওয়ার ছেলেদের বাঁশির সুর, হাওয়ায় গড়িয়ে যাওয়া শুকনো শালপাতার ঝর্ ঝর্ শব্দ সব মিলিমিশে কেমন এক ঘুমপাড়ানি আমেজ আনে।

    মাঝে মাঝে মুখ তুলে জানালা দিয়ে দূরে তাকাই। আদিগন্ত সবুজ প্রকৃতি শীতের রোদের সোনালি বালাপোষ মুড়ে ঝিম্ ধরে পড়ে থাকে। হুলুক পাহাড়ের উপত্যকায় তখন শকুন ওড়ে চক্রাকারে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঋজুদা সমগ্ৰ ৫ – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article লবঙ্গীর জঙ্গলে – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }