Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কোজাগর – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প561 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কোজাগর – ১৬

    ১৬

    টুসিয়ার কাল সারারাত ভালো ঘুম হয় নি। ঘুমের মধ্যে বারবার চমকে চমকে উঠেছে। কতবার যে পাশ ফিরেছে, তা ওর মনে নেই। ভোরের পাখি ডাকাডাকি করার সঙ্গে সঙ্গেই বিছানা ছেড়ে উঠে, মা যা কাজের ভার দিয়েছিল, ও সে সব কাজ সারতে লেগেছে।

    কাল টুসিয়া আয়নাতে দেখেছিল নিজেকে। এতদিন মা নিয়মিত তার শরীরের যত্ন করেছে। করৌঞ্জের তেল আর সাবানের কল্যাণে আর রোজ চুলের পরিচর্যায় তার রূপে যেন ছটা লেগেছে।

    কালোর মধ্যে টুসিয়ার মতো এমন সুন্দরী প্রাণবন্ত মেয়ে এ-বস্তিতে আর দুটি নেই। সাধে কি আর নানকুয়ার পছন্দ হয়েছিল ওকে। ভেজ্জা নাচে সকলেই ওর জুড়ি হতে চায়। নানকু এখানে থাকলে, ও কিন্তু নানকু ছাড়া আর কারো সঙ্গেই নাচে না।

    এগারোটার সময়ই বাবা আর তার আট বছরের ছোটভাই লগন বাস স্ট্যান্ডের দিকে রওনা দেবে আজ। বাসটা পৌঁছতে প্রায় সাড়ে বারোটা-একটা হবে। অনেক আগে থেকেই অপেক্ষা করবে ওরা। যদি কোনো কারণে বাস তাড়াতাড়ি এসে যায়। দাদা হীরু ও তার বন্ধুকে দুটো ঘরের মধ্যে, সবচেয়ে ভালো ঘরটা ছেড়ে দিচ্ছে ওর মা-বাবা। ওরা নিজেরা ঐ ক’টা দিন গরু-ছাগলের মতো গাদাগাদি করে থেকে যাবে এক ঘরে।

    এ ক’দিন রোজ চৌপাইয়ে গরম জল ঢেলে ও রোদ দিয়ে খটমল মারা হয়েছে। সারাদিন রোদে দেওয়া কাঁথাকে নিজের নরম বুকের কাছে চেপে ধরে টুসিয়া তার অদেখা, অনাগত স্বামীর বুকের উষ্ণতাটুকু অনুমান করার চেষ্টা করেছে। মা গোঁদনি ধানের পায়েস্ রেঁধেছে।

    গোদা শেঠের দোকানে রসদ-টসদ আনতে প্রায় পঞ্চাশ টাকা বাকি পড়ে গেছে টুসিয়ার বাবার। তা যাক্। ওরা সকলেই জানে শহরের বড় অসর তার দাদা, বলতে গেলে টাকার খনিরই মালিক। দাদা এলেই ধারধোর সব শোধ করে দেবে। মাইনে ছাড়াও তার দাদার অনেক উপরি রোজগার। সরকারি অসর হওয়ার মতো পয়মন্ত জীবিকা আজকাল খুব কমই আছে। জীবনে অভাব বলতে কিছুই থাকে না। যাই-ই চাওয়া যায়, তাই-ই নাকি পাওয়া যায়, তেমন তেমন জবরদস্ত চাকরিতে। তার দাদা এবং দাদার বন্ধু জবরদস্ত ডিপার্টে কাজ করে বলে শুনেছে টুসিয়া, তার বাবার কাছে। পুলিশের কাজ করে দাদা।

    টুসিয়ার মা, শুয়োরের মাংসটা উনুনে চাপিয়ে, টুসিয়ার বাবাকে বিষম তাড়া-লাগালো। বলল, এখনও রওয়ানা হলে না? তোমার মতো বে-আক্কেলে মানুষ দেখি নি আর।

    তারপর টুসিয়ার বাবা আর ভাই সূর্যের দিকে তাকিয়ে আর কোনো ঝুঁকি নেয়নি। আকাশে একটু মেঘ-মেঘ করেছে। সূর্যের ঘড়ি, ভুলও দেখাতে পারে। তাই-ই তারা সকাল সকালই রওয়ানা হয়ে গেছে।

    বাস স্ট্যান্ডে পৌঁছে ওরা জানতে পেলো যে, বাস আসার সময়ের অনেক আগেই পৌঁছে গেছে ওরা। বাস আসতে আরো এক ঘণ্টা দেরি। তাতে ক্ষতি হয়নি কোনো। পথের পাশের চায়ের দোকানে বসে টুসিয়ার বাবা পথ-চল্লি ও থেমে-থাকা সব লোককেই এ খবরটা শুনিয়ে দিয়েছে, তার কেউ-কেটা ছেলে, ভারি সরকারি অর আজ গ্রামে আসছে। পঞ্চায়েত থেকে হীরুকে একটা সম্বর্ধনা দেবারও কথা উঠেছিল। কিন্তু হীরুর বাবা জুই বারণ করেছে। তার জানা নেই যে, ছেলে তা পছন্দ করবে কি করবে না। যে ছেলেকে সে জানতো, সে ছেলেতে এবং যে লায়েক ছেলেটি সবান্ধবে আজ আসবে পুরানো গাঁয়ে, তাদের দুজনের মধ্যে অনেক অমিল দেখবে হয়তো জুগ। তাই জুগ্ সাবধান হয়েছে। তার বেটা, হীরুয়া বেটা; বাবাকে সবদিক থেকে ছাড়িয়ে গেছে, তাই কি ছোট মাপের বাপকে হীরু আর সম্মান দেবে না?

    নানা কথা মনের মধ্যে তোলপাড় করছে এ ক’দিন হলো। একথাও মনে হচ্ছে যে, হীরুর বন্ধুর যদি টুসিয়াকে পছন্দ না হয়? এই ছোট্ট জায়গায়, ছোট্ট গ্রামে বহিরাগত যুবকের সঙ্গে মেলামেশা করার পরও যদি সেই অসর ছেলেটি টুসিয়াকে বিয়ে না করে, তাহলে কি টুসিয়ার বিয়ে হবে ভবিষ্যতে? টি-টি পড়ে যাবে না গ্রামে!

    নানকুয়াই বা কী বলবে? ও কি কথা বলবে তখন? যদি বলে, তাহলে অপমানই করবে হয়তো! নানকুয়া ছেলেটা ভালো। তবে, বড়ই গোঁয়ার-গোবিন্দ। তাছাড়া, কোথায় হীরুর বন্ধু আর কোথায় ও। কার সঙ্গে কার তুলনা! হনুমানজির সঙ্গে চুহার। তবে সেই ছেলেটি যদি টুসিয়াকে প্রত্যাখ্যান করে তাহলে কি নানকুয়াও প্রত্যাখ্যান করবে? স্বাভাবিক। তাহলে কী হবে?

    বুড়ো আর বেশি ভাবতে পারে না। নিজের ভাবনা ভাবা অনেক সহজ। নিজের রক্তজাত সন্তানদের ভালোমন্দ এবং তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবনা, বড় অসহায়ের ভাবনা। নিজের হাতে কলকাঠি থাকে না, অথচ অন্যের কলকাঠি নাড়ার কারণে সুখ ও দুঃখের ভাগীদার হতে হয় বয়স্ক বা অবসর-প্রাপ্ত মা-বাবাকে। জুর বর্তমান অবস্থাটা বড়ই করুণ। বড়ই পরনির্ভর হয়ে রয়েছে সে।

    জুগনু একটা সিগারেট ধরালো। চিরকাল বিড়ি খেয়ে এসেছে সে। কিন্তু আজকে তার অসর ছেলের যদি ইজ্জতে লাগে তার বাবা বিড়ি খেলে? অথবা, তার বন্ধু যদি ভাবে কিছু? তাই, সাদা ধবধবে সিগারেটটাকে দু-আঙুলের মধ্যে নিয়ে, কেউকেটা বেটা হীরুর আর তার বন্ধুর পথ চেয়ে বসে আছে, আর ভুস্-স্ ভুস্ করে অনভ্যস্ততায় সিগারেট টানছে।

    বাসটা আসার সময় হয়ে এল। বুড়োর সিগারেট-ধরা আঙুল দুটি নিঃশব্দে এবং সকলের অগোচরে কাঁপতে লাগল। বুড়োর পিছনে আরও দু-একজন বুড়ো জমায়েত হয়েছে। ভালুমারের ছেলে হীরুকে অসর হয়ে ফিরে আসতে দেখবে তারা। একটা ঘটনার মতো ঘটনা ঘটতে চলেছে এই চুপচাপ, হুলুক্ পাহাড়ের পাঁচিলপাহারায় ছোট্ট বস্তির লাল-মাটির বুনো বুনো গন্ধভরা পথে।

    বাসটাকে আসতে দেখা গেল। পিছনে লাল ধুলোর মেঘ উড়িয়ে বাসটা এসে স্ট্যান্ডে দাঁড়াল। কোলে একটা ছোট কালো পাঁঠা নিয়ে নামল একজন। মুরগি, লাউ, কুমড়ো, বাজরার বস্তা সব নামল একে একে। মানুষ-জন, মেয়ে বউ নামতে লাগল। যারা এখানে নামবে না, তারা জানালায় হাত রেখে মুখ বাড়িয়ে দেখতে লাগল। পানের পিক্ ফেলল পিচ্ পিচ্ করে দুজন। কন্ডাক্টর বাসের রেলিং দেওয়া ছাদে দাঁড়িয়ে একে একে প্রত্যেকের মালপত্র নামিয়ে দিল।

    কিন্তু হীরু বা তার অদেখা বন্ধু কেউই নামল না সেই বাস থেকে।

    জুগনু বুড়োকে পিছন থেকে অন্য এক বুড়ো শুধোলো, কী হল? বুড়োর অনভ্যস্ত অন্যমনস্ক আঙুলের ফাঁকে সিগারেট পুড়ে এল এবং হঠাৎ তার আঙুলে ছ্যাঁকা লাগতে হুঁশ হল বুড়োর।

    টুসিয়ার ছোটভাই লগনও উদ্‌গ্রীব হয়ে তাকিয়ে ছিল বাসটার দিকে! তার দাদা কত কী উপহার দিয়ে নামবে বাস থেকে! অনেক কল্পনা করেছিল বাচ্চা ছেলেটা।

    বাসটা কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে চলে গেলো হর্ন বাজিয়ে দিঠিয়ার দিকে।

    আবার ধুলো উড়ল। ফেলে দেওয়া শালপাতা, কাগজ কুচি, এটা-সেটা, ধুলোর মেঘের মধ্যে ঘুরপাক খেতে লাগল। জুগনু বুড়ো বসে থাকা অবস্থা থেকে বাসটা আসার সঙ্গে সঙ্গে দাঁড়িয়ে উঠেছিল। দাঁড়িয়েই রইল স্থাণুর মতো।

    ছোট ছেলে লগন হাত ধরে হ্যাঁচকা টান দিল।

    বাড়ি যাবে না বাবা?

    যাব।

    বলে, বুড়ো বাড়ির পথে হাঁটতে লাগল।

    আকাশে, চারপাশে রোদ ঝক্‌ক্, করছিল তখন। বুড়োর মনে হল তখন রাত হলে, ভালো হতো। কাউকে এই লজ্জার, অসম্মানের মুখ আর দেখাতে হতো না।

    নিজেদের বাড়ির কাছাকাছি আসতেই দূর থেকে দেখতে পেল আমগাছ আর নিম গাছের ছায়ার ঘর দুটির সামনে টুসিয়ার মা দাঁড়িয়ে আছে পথের দিকে চেয়ে। ওদের একা আসতে দেখে জুর বৌ বোধ হয় ঘরের মধ্যে টুসিয়াকে কিছু বলে থাকবে। টুসিয়ারা দৌড়ে এল বাইরে। তারপর মা ও মেয়ে নির্বাকে ধীরে ধীরে মাথা নীচু করে হেঁটে আসা ক্লান্ত, ব্যথিত এবং চিন্তান্বিত জুগনু ও লগনের দিকে চেয়ে রইল।

    টুসিয়ার ছোট ভাই-ই শুধু খেলো। মা, বাবা এবং টুসিয়া কেউই খেলো না। অনেক কিছু রেঁধেছিল মা। খাওয়ার মতো মানসিক অবস্থা ছিল না ওদের কারোই।

    বিকেলে, বেলা পড়ে গেলে টুসিয়া গাছ-তলায় রোদে পিঠ দিয়ে বসে ছিল। বাবা একটু পর আবার যাবে বাস স্ট্যান্ডে। যদি বিকেলের বাসে তারা আসে।

    ও হঠাৎ দেখল, টিহুল হেঁটে আসছে ওদের ডেরার দিকে।

    টিহুল কাছে এসে বলল, হীরু এসেছে।

    টুসিয়া চমকে উঠল।

    ঘরের ভিতর থেকে টিহুলের গলা শুনে সকলে দৌড়ে বাইরে এল। জুগনু বলল, কোথায়? হীরু কোথায়?

    ফরেস্ট বাংলোয়। দুপুরে এসেছে জিপ গাড়িতে করে, সঙ্গে অন্য একজন অসর। আমাকে দিয়ে খবর পাঠিয়েছে যে, মাত্র দুদিনের জন্যে এসেছে, অফিসেরই কাজে। এখান থেকে মহুয়াডারে যাবে।

    এখানে থাকবে না? আসবে না? টুসিয়ার মা অবাক গলায় শুধোলো।

    মনে হয় না।

    টিহুল মুখ নিচু করে বলল।

    তারপর বলল, বাড়িতে থাকা ওর পক্ষে সম্ভব নয়। তাছাড়া ভারী অসরের পক্ষে ঐরকম বাড়িতে থাকা কষ্টের। অসম্মানেরও। তোমরা ইচ্ছা করলে দেখা করতে পারো।

    ওরা সকলে চুপ করে থাকলো। কেউই কোনো কথা বলল না।

    হঠাৎ টিহুল বলল, হীরু নাম পালটেছে।

    নাম পালটেছে?

    বাবা, মা এবং মেয়ে একসঙ্গে বলে উঠল, ধরা গলায়।

    হ্যাঁ, টিহুল বলল,। নাম মানে, পদবী। হীরু ওরাওঁ এখন হীরু সিং। এত বড় অসর বনে গিয়ে নিজেকে ও আর বন পাহাড়ের লোক বলে পরিচয় দিতে চায় না। ওর জিপের ড্রাইভারের কাছেই সব শুনলাম। ড্রাইভার বলছিল যে, পাটনাতে সাহেবের বাড়িতে মাংস ও শাকসবজি ঠান্ডা করার সাদা বাক্স আছে—ফিরিজ্ না কি বলে যেন। গান-বাজনা শোনার জন্যেও নানা রকম যন্ত্রপাতি আছে। বড় বিলিতি কুকুর আছে। সাহেব ক্লাবে যায়। একটা খেলা খেলে, যার নাম টিনিস্। ভালো অসর বলে খুব সুনাম সিং সাহাবের। মায়না ছাড়াও, মাসে দশ-পনেরো হাজার টাকা উপরি আছে। রাজার মতো থাকে সাহেব। আরো অনেক উন্নতি হয়ে যাবে সাহেবের।

    তারপর টিহুল হঠাৎই বলল, শুনলাম, হীরু নাকি সাহেবের মতো কমোড ছাড়া টাট্টি করতে পারে না আজকাল।

    কমোড? কমোড কী?

    অবাক গলায় টুসিয়ার মা শুধোলো।

    সে সাহেবদের টাট্টির চেয়ার।

    চেয়ার কী?

    কুর্সি।

    টুসিয়ার মা বলল, একবারও ওর ছোট ভাই লগনের কথা, আমার কথাও জিজ্ঞেস করল না হীরু? টুসিয়ার কথা?

    ভারী অসরের সামনে আমি কি যেতে পারি? আর্দালি এসে আমাকে খবর দিতে বলল, তাই-ই এসেছি।

    আরদালি কী খবর দিতে বলল?

    হীরুর বাবা শুধোলো।

    টিহুল মুখ নিচু করে বলল, আরদালি বলল, জুনু ওরাওঁকে খবর দিতে, সিং-সাহাব এবারে দেখা করতে পারছেন না। জরুরি কাজে এসেছেন। এখান থেকে চলে যাবেন মহুয়াডারে। পরে এলে, দেখা করে নেবেন। যদি সময় হয়।

    তারপর টিহুল বলল, আমি যাই। আমার জল ভরতে হবে বাংলোর ট্যাঙ্কিতে। সাহেবরা বিকেলে চান করবেন আবার। গরম জলও করতে হবে।

    টিহুল কথা ক’টি বলেই আবার মুখ নামিয়ে নিল।

    সরল টিহুল জানে যে, হীরু যে অপমানটা তার বাবা-মা ভাইবোনকে করল, সেটা তাদের একার অপমান নয়। এটা পুরো ভালুমার বস্তিরই অপমান। মনে পড়ল টিহুলের, ছোটবেলায় খেলতে খেলতে ও একবার ধাক্কা দিয়ে ফিলে দিয়েছিল হীরুকে, গোবরের মধ্যে। টিহুলকে হীরু “টিউলা ভাইয়া” বলে ডাকত। খেলার সাথী ছিল।

    অপমান টিহুলের নিজেরও কম হয়নি।

    হীরু যখন জিপ থেকে নামল, তখন টিহুল মহুয়া গাছতলায় দাঁড়িয়ে ছিল। হীরুর চোখ তাকে অবশ্যই দেখিছিল, ছেঁড়া জামাটা আর দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা খাকি হাফ-প্যান্ট পরা অবস্থায়। কিন্তু হীরু তাকে দেখেও চেনেনি।

    টিহুল জানে যে, টুসিয়ারা আর কখনও হীরুকে ফিরে পাবে না। ওরা ওর কেউই নয়। সিংসাহাব ভালুমারকে চিরদিনের মতোই ভুলে গেছে। যে ভালুমার বস্তি জুগনু ওরাওঁ-এর ছেলে হীরু ওরাওঁ-এর জন্য গর্বিত সেই ভালুমারকেই হীরু পুরোপুরি অস্বীকার করেছে। নাম বদল করে অস্বীকার করেছে জুর পিতৃত্ব পর্যন্ত।

    টুসিয়া হঠাৎ লক্ষ করল যে, তার আট বছরের ছোট ভাইটা ওদের বাড়ির সামনের পাহাড়ী নালার শুকনো বুকে নেমে গিয়ে নুড়ি পাথর কুড়োচ্ছে দ্রুত হাতে, আর আকাশের দিকে প্রচণ্ড আক্রোশে সেই পাথরগুলো ছুড়ে চলেছে একটা একটা করে। ছোট্ট লগন জানে, ওর লক্ষ্যবস্তু ওর নাগালের বাইরে। তবু ছেলেমানুষি অবুঝ রাগে ও পাথর ছুড়েই চলেছে। লগনের রাগটা কিন্তু মিথ্যা! এবং রাগটা সত্যিই।

    টুসিয়া শূন্য দৃষ্টিতে সেই দিকে চেয়ে ছিল আর গুণছিল।

    পাথরগুলো অত দূরের ঝাঁটি জঙ্গলে ভরা বড় বড় কালো পাথরের টিলাতে গিয়ে শব্দ করে পড়ছে। শব্দ গুণছে টুসিয়া। চুরমার হওয়া স্বপ্নগুলোর। টুসিয়া গুণছে। এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয়…। টুসিয়া গুণেই চলেছিল। কখন যে ছায়াগুলো দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়ে এসেছে, কখন পাখিরা সব ঘরে গেছে ডাকতে ডাকতে, কখন সূর্যটা হারিয়ে গেছে পশ্চিমের ঢালে, ঝুম্রীবাসার জঙ্গলের গভীরে কখন যে অন্ধকার নেমে এসেছে টুসিয়া এসবের কিছুই লক্ষ করেনি।

    আলো এখন আর কোথাওই নেই। টুসিয়ার চারিদিকেই অন্ধকার। দারুণ অন্ধকার। হঠাৎ মা ডাকল। যেন বহুদূর থেকে, যেন অন্য কোনো দেশ থেকে।

    —টুসিয়া; টুসিয়া।

    হুঁ—উ—উ…

    টুসিয়া জবাব দিল। যেন, ঘোরের মধ্যে।

    মা বলল, কাঠগুলো জড়ো করাই আছে। একটু আগুন জ্বাল্। আজকে বড় শীত। ও বুঝতে পারছিল তা।

    এত শীত আগে কখনও বোধ করেনি টুসিয়া। আজকে ওর নবীন, নরম উষ্ণতার স্বপ্নে স্বপ্নিল উৎসুক শরীর এবং কবোষ্ণ মনের দাঁড়ে দাঁড়ে শীতের পাখিরা একে একে এসে বসেছে সারে সারে। দূরাগত তাদের ডানায় বয়ে আনা বিদেশি শীতের ঝাপটায় ক্রমাগত কুঁকড়ে যাচ্ছে টুসিয়া। দিশি নানকুর পুরোনো প্রেমিকা টুসিয়া।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঋজুদা সমগ্ৰ ৫ – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article লবঙ্গীর জঙ্গলে – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }