Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্ষ্যাপা তিনজন – কাজী মাহবুব হোসেন

    কাজী মাহবুব হোসেন এক পাতা গল্প184 Mins Read0
    ⤷

    ক্ষ্যাপা তিনজন – ১

    এক

    বুড়ো ব্যাঙ্কারের টাকা গোনা দেখছে কাউবয় রনি ড্যাশার। খুব যত্নের সাথে কাজ করছে লোকটা। পনেরো হাজার ডলারের ব্যাপার-যত্ন আর সতর্কতা আপনা থেকেই আসে। চোখের সামনে টাকার স্তূপটা বড় হচ্ছে। কিন্তু ওটার পিছনে রোদ-ঝড়-বৃষ্টি মাথায় করে মাসের পর মাস হাড়ভাঙা পরিশ্রম গেছে। তার ওপর ছিল ঝড়ের সময়ে বজ্রপাতের প্রচণ্ড শব্দে অস্থির গরুগুলোর স্ট্যামপিডের ভয়, আর ডাকাতের হামলা।

    এছাড়া আরও অনেক খেসারত ওদের দিতে হয়েছে। লোন ট্রী ক্যানিয়নে ওর প্রিয় কাউ-পোনিটা একটা অবাধ্য ষাঁড়ের আক্রমণে মারা পড়েছে। একটা মসিহর্নকে দড়ির ফাঁসে ধরার চেষ্টায় জুনিপার ঝোপে দড়ি পেঁচিয়ে ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে পা ভেঙে তিন সপ্তাহ বিছানায় পড়ে ছিল ল্যাঙ্কি। টোয়া থেকে আসা তরুণ ছেলেটার রক্তও মিশে আছে ওই টাকায়। অসীম উদ্দীপনা আর প্রাণপ্রাচুর্য নিয়ে বেচারি ওদের দলে যোগ দিয়েছিল। স্ট্যামপিডের আগে-আগে ঘোড়া নিয়ে ছোটার সময়ে প্রেয়ারি কুকুরের একটা গর্তে খুর ঢুকে যাওয়ায় ছিটকে পড়ে ঘোড়ার সাথে সেও প্রাণ হারাল। দেহের যেটুকু পাওয়া গেল তা কবর দিয়ে হ্যাট আর পিস্তল এল পেসোতে ওর ভাইয়ের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

    ‘এই নাও, রনি,’ গোনা শেষ করে বলল ব্যাঙ্কার। ‘আমি জানি দেনা শোধ করতে পেরে বাক এখন অনেক হালকা বোধ করবে।’

    ‘হ্যাঁ,’ স্বীকার করল রনি, ‘কিছু কিছু ব্যাপারকে সে খুব গুরুত্ব দেয়। পারতপক্ষে ঋণের মধ্যে ঢুকতে চায় না বাক।’

    ‘জানি, পশ্চিমের র‍্যাঞ্চটা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়ার পরই নিজের র‍্যাঞ্চ বাকের কাছে বাকিতে বিক্রি করে পশ্চিমে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাড হ্যাডলে। জানত টাকাটা মার যাওয়ার ভয় নেই। তুমি নিজেই কি টাকাটা পৌঁছে দিতে যাচ্ছ?’

    ‘হ্যাঁ, বুড়ো বাড হ্যাডলে আমারও বন্ধু। তাছাড়া বাক বার ২০ র‍্যাঞ্চ ফেলে এই মুহূর্তে পশ্চিমে যেতে পারবে না।’

    ‘হ্যাডলের এখন একটা মেয়েও আছে শুনছি।’

    ‘এখন মানে? আগেও তো ছিল। তিন বছর আগে এখান থেকে সময়েই ওর বয়স ছিল পনেরো।’

    ‘ভাল কথা’-চেয়ার ঘুরিয়ে ওর দিকে ফিরে বসল ব্যাঙ্কার-’তোমার সাথে আর কে যাচ্ছে?’

    ‘আমি একাই যাচ্ছি। ডাগ মারফি কি একটা কাজে ব্যস্ত, আর এখন বাকের পক্ষে আরেকজন কাউকে ছাড়াও সম্ভব না। তাছাড়া এটা দুজনের কাজও নয়।’

    ‘হয়তো। কিন্তু ওদিককার ব্যাপার-স্যাপারই আলাদা। কয়েকদিন আগেই ম্যাকক্লিলান থেকে আমার এক বন্ধুর চিঠিতে জানলাম সপ্তাহ তিনেক আগে ওর ব্যাঙ্কে ডাকাত পড়েছিল। ক্যাশিয়ার খুন হয়ে গেছে, একজন ডেপুটি শেরিফ আহত। ডাকাত দলটাকে ধরা যায়নি, পাসির চোখে ধুলো দিয়ে ওরা পালিয়েছে।’

    ‘ফাঁকি দিয়ে পালিয়েছে?’

    ‘হ্যাঁ, স্রেফ হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে।’

    টাকাগুলো তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্যে তৈরি হলো রনি।

    ‘বাক আমার জন্যে অপেক্ষা করছে, এখন আমার র‍্যাঞ্চে ফিরে যাওয়াই ভাল। এই টাকা নিয়ে তুমি মিছে দুশ্চিন্তা কোরো না। আমি ঠিক মতই এটা বাডের কাছে পৌঁছে দেব।

    প্যাকেটগুলো কালো শার্টের ভিতর ভরে, প্যান্টের বেল্টটা একটু এঁটে, গান- বেল্ট ঠিক মত বসিয়ে, পিস্তল দুটো একটু আলগা করে, দরজার দিকে এগোল ড্যাশার।

    চেয়ার ছেড়ে উঠে জানালার কাছে দাঁড়িয়ে রনির যাওয়া দেখছে ব্যাঙ্কার। সেই পরিচিত হাঁটার ঢঙ, বলিষ্ঠ গড়ন আর সরু কোমর। কোল্ট •৪৫ পিস্তল দুটোর ওপর বহুল ব্যবহারের ছাপ রয়েছে। বুট জোড়া ধুলোময়।

    জানালা থেকে সরে আসছে, এই সময়ে ওর চোখের কোণে নড়াচড়া ধরা পড়ল। একটা লোক ব্যাঙ্কের পাশ থেকে রাস্তায় নেমে রনির পিছু নিল। হয়তো ওই লোক রনিকে টাকা তুলতে দেখেছে। ভুরু কুঁচকাল ব্যাঙ্কার। স্ত্রী সাপার নিয়ে তার জন্যে বাড়িতে অপেক্ষা করছে। এখন যদি রনিকে সাবধান করতে সে সেলুনে ঢোকে তবে কত ঘণ্টার জন্যে যে আটকা পড়বে তার ঠিক নেই।…যাকগে, নিজেরটা নিজেই সামলাতে পারবে ড্যাশার…সবসময়ে ও তাই করেছে।

    .

    সন্ধ্যা হয়ে এসেছে। দালানের কোনাগুলো আবছা হয়ে উঠছে। রাস্তা পার হয়ে সেলুনে ঢুকল রনি। ভিতরে, পোকার খেলা চলছে একটা টেবিলে। খেলোয়াড়রা কেউ ওর চোখে চোখ রাখছে না—সতর্কতার সাথে এড়িয়ে যাচ্ছে। পরস্পরকে ওরা চেনে, এবং জানে, মোটামুটি সমানে-সমানেই খেলা চলছে। কিন্তু রনি হচ্ছে ড্র পোকারের দক্ষ ওস্তাদ। ওকে খেলায় নিতে চায় না কেউ।

    বারে তিনজন লোক দাঁড়িয়ে আছে। নবাগত। সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময়ে ওদের একজনকে পার হতে দেখেছে রনি। এক নজর দেখে ধাঁচটা বুঝে নিল। ভবঘুরে গোছের লোক-কিছুটা আউটল ধরনের ছাপও যেন রয়েছে।

    ওদের জামা-কাপড়ে রয়েছে ট্রেইলের পুরু ধুলো। কিন্তু অস্ত্রগুলো মোছা, পরিষ্কার। গানবেল্টের কার্তুজগুলো ঝকঝক করছে। ওদের মধ্যে কম বয়সী লোকটা যখন রনির দিকে আড়চোখে তাকাল, রনি দেখল ওর একটা চোখ অর্ধেক বোজা। প্রথমে ভেবেছিল লোকটা চোখ টিপছে-পরে বুঝল ওর চোখটাই ওই রকম।

    বাকি দুজনও শক্ত চেহারার। লম্বা লোকটার কাঁধ একটু কুঁজো। চেহারায় বদমেজাজ আর নিষ্ঠুরতার গভীর ছাপ পড়েছে। তৃতীয়জন মাত্র কৈশোর পেরিয়েছে। কিন্তু ওর চেহারা দেখে বোঝা যায় এরই মধ্যে ট্রেইলে অনেক কঠিন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছে ও।

    রেঞ্জ জীবন মানুষকে শক্ত করে তোলে। এমন ভবঘুরে লোক এই সময়ে প্রায়ই দেখা যায়, কারণ টুইন রিভার্স শহরটা যে ট্রেইলের ওপর পড়েছে সেটা এই মাসগুলোতে বেশি ব্যবহৃত হয়।

    ‘কাল সকালেই রওনা হচ্ছ, রনি?’ বারের ওপর কনুই রেখে সামনে ঝুঁকে প্রশ্ন করল বারটেণ্ডার। ‘জনি বলছিল তুমি পশ্চিমে বাড হ্যাডলের ওখানে যাচ্ছ।’

    নামটা শুনেই স্ট্রেঞ্জার তিনজন চমকে ফিরে তাকাল। লোকগুলোর মুখের ভাবে, আর ওই নাম ওদের কাছে পরিচিত বুঝে রনির কৌতূহল জাগল। মুখ ফিরিয়ে নিল ওরা। আধ-বোজা চোখের লোকটা নিচু স্বরে অন্য দুজনকে কি যেন বলছে।

    ‘হ্যাঁ,’ জবাব দিল ড্যাশার। ‘তিন বছর আগে ওর গরু আর র‍্যাঞ্চ কিনেছিল বাক। ওই ব্যাপারেই আমাকে পাঠাচ্ছে ও। কিছুদিন ভাল পাহাড়ী বাতাস খেয়ে আসা যাবে।’

    ‘শুনেছি বাড নাকি ওখানে একটা ভাল র‍্যাঞ্চ কিনেছে?’

    ‘কেনেনি। ওর বৌ ছিল স্প্যানিশ। পুরানো একটা স্প্যানিশ গ্রান্টের অংশ হিসেবে পরিবারের তরফ থেকে সে ওটা পেয়েছিল। তাই পনেরো বছর বয়সের হাড্ডিসার মেয়েটাকে নিয়ে ওখানেই বাস করতে গেছে।’

    ওদের মধ্যে একজন হেসে উঠল। মুখ তুলে তাকাল রনি। দুজন চোখ নামিয়ে নিলেও আধ বোজা চোখের লোকটা নির্ভীক ভাবে চেয়ে রইল।

    ‘তোমার বাড হ্যাডলের ওখানে যাওয়ার কথা আমাদের কানে এল,’ মন্তব্য করল সে। ‘ওখানে যাওয়ার কথা ভুলে যাও-ওখানকার লোকজন স্ট্রেঞ্জার মোটেও পছন্দ করে না।’

    ‘তাই নাকি?’ বিদ্রূপের স্বরে বলল রনি। ‘হয়তো আমাকে দেখে ওদের মত পালটাবে।’

    এবার লম্বা লোকটা ওর কথার জবাব দিল, ‘তুমি যেতে চাচ্ছ যাও। হয়তো ওকে খুঁজেও পাবে-কিন্তু এর ফল ভাল হবে না!’ কথা শেষ করে গ্লাস নামিয়ে রেখে বেরিয়ে গেল সে। সঙ্গী দুজনও ওর পিছু নিল। বাইরে ওদের মধ্যে একজন কি যেন বলল-একসাথে হেসে উঠল ওরা।

    আড়চোখে বারটেণ্ডারের দিকে চাইল রনি। ‘ওদের তুমি চেনো?’

    ‘আজ দুপুর থেকে নিয়ে সারাদিন এখানেই কাটিয়েছে ওরা। ট্যারা লোকটা ওর ঘোড়ার খুরে নতুন নাল লাগাতে দিয়েছে। তারপর সবাই পশ্চিমে রওনা হবে।’

    তথ্যটা জেনে নিজের মনেই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ভেবে দেখছে রনি। টাকাটার কথা কি ওরা জানে? হয়তো ওরা সাধারণ কাউহ্যাণ্ড—নতুন শহরে একটু রঙবাজি করছে? কিন্তু রনির মন বলছে ব্যাপারটা ঠিক তা নয়। ওরা মোটেও সহজ লোক না। সবদিক বিচার করে সে সিদ্ধান্তে পৌঁছল যে তার কাছ থেকে টাকাটা লুট করাই যদি ওদের উদ্দেশ্য হয়, তবে ওরা তা আজ রাতেই করবে-সম্ভবত এখনই। ওদের মিছে অপেক্ষা করিয়ে লাভ নেই। কয়েক মিনিট শহরের প্ল্যানটা ভাল ভাবে স্মরণ করে নিয়ে বারটেণ্ডারকে বিদায় জানিয়ে বেরিয়ে এল ড্যাশার।

    সেলুনের উলটো দিকে জিন চড়ানো ঘোড়ার পাশে ওদের একজন বসে আছে। রনি বেরোবার সঙ্গে সঙ্গে সিগারেটে লম্বা একটা টান দিল সে। ওটা হঠাৎ খুব উজ্জ্বল হয়ে জ্বলে উঠল। একটা বাঁকা হাসি ফুটে উঠল রনির ঠোঁটে। একটা সিগনাল। ওরা ভেবেছেটা কি? সে একটা অজ্ঞ হাঁদারাম? নিচে নেমে ঘোড়ার পেটি আঁটার ফাঁকে সে আড়চোখে কম বয়সী লোকটাকে লক্ষ করছে।

    ওখানে কেবল তিনটে জায়গা আছে, যেখানে দাঁড়ালে লোকে ওই সঙ্কেতটা দেখতে পাবে। হার্ডওয়্যার দোকানের ওপাশে একটা সরু ফাঁক রয়েছে। আরও একটু দূরে, লিভারি আস্তাবলের পাশের গলি থেকেও দেখা যাবে। তৃতীয়টা হচ্ছে উলটো দিকে শেরিফের অফিসের পাশে। বোকা ছাড়া আর কেউ লিভারি আস্তাবলের পাশে অপেক্ষা করবে না, কারণ গলিটার অন্য প্রান্ত ঘোড়ার করাল দিয়ে বন্ধ।

    রাতটা বেশ ঠাণ্ডা। রাস্তার ওপাশে ওই লোকটার বসে থাকার মাত্র একটাই কারণ থাকতে পারে-রনি বার থেকে বেরোলে অন্যদের সাবধান করা। এখন রনি যেদিকেই যাক, ওদের তৈরি থাকতে হবে। সুতরাং বাকি দুজনকে দুদিকে থাকতে হবে।

    অর্থাৎ হার্ডওয়্যার স্টোরের পাশে আর শেরিফের অফিসের কাছেই অপেক্ষা করছে ওরা। একজন ওকে থামাবে, বাকি দুজন পিছন দিক থেকে এগিয়ে আসবে। লোকটা কি পিস্তল ঠেকাবে? নাকি সিগারেট ধরাবার জন্যে আগুন চেয়ে সঙ্গীদের এগিয়ে আসার সময় দেবে? সহজ হলেও প্ল্যানটা চমৎকার।

    পেটি শক্ত করে এঁটে ঘোড়ার পিঠে ওঠার জন্যে পাদানিতে পা রাখল রনি। তারপর, কি যেন মনে পড়েছে, এমন ভাব দেখিয়ে আবার সেলুনে ঢুকল। সেলুনের লোকজনের অবাক দৃষ্টি উপেক্ষা করে সোজা কামরা পার হয়ে পিছনের দরজা দিয়ে গলিতে নামল।

    স্পারের শব্দ না তুলে সাবধানে দ্রুত হেঁটে শেরিফের অফিসের দিকে এগোল রনি। দালানটার পিছনে পৌঁছে সতর্ক ভাবে উঁকি দিল। অন্ধকারে সরু গলির মুখে সত্যিই একজন অপেক্ষা করছে। কঠিন একটা হাসি ফুটে উঠল ওর মুখে। নিঃশব্দে রনি লোকটার পিছনে এসে দাঁড়াল। ‘শিকার খুঁজছ?’ হালকা সুরে প্রশ্ন করল সে।

    ট্যারা লোকটা ঝট করে ঘুরে দাঁড়াল। একই সাথে পিস্তল বের করার জন্যে হাত বাড়াল। ড্যাশারের শক্ত মুঠির প্রচণ্ড ঘুসিটা পড়ল ওর চিবুকে। হাঁটু ভাঁজ হয়ে আসছে, দ্বিতীয় ঘুসিটা ঝুলে পড়া চোয়ালে আঘাত হেনে ওকে অজ্ঞান করে ফেলল। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওর শিথিল দেহটা ঝপ করে মাটিতে পড়ল।

    লোকটাকে টপকে গলির মুখে এসে দাঁড়াল রনি।

    সংক্ষিপ্ত ধস্তাধস্তির শব্দে সন্দিগ্ধ হয়ে সিগনাল-দাতা তরুণ ঘোড়াটাকে পাশ কাটিয়ে এগিয়ে এল। ‘ভাসকো? কি হয়েছে?’ নিচু স্বরে প্রশ্ন করল সে।

    গলি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে এল রনি। ‘মতের বিরোধ!’

    হঠাৎ সামনা-সামনি পড়ে গিয়ে থতমত খেল তরুণ। অভিজ্ঞতার অভাবে কথায় এড়াবার চেষ্টা না করে সরাসরি পিস্তলের দিকে হাত বাড়াল সে।

    সেলুনের ওপাশে লুকানো লম্বা লোকটাও এদিকে কিছু গোলমাল হয়েছে বুঝে আড়াল থেকে বেরিয়ে ওদের দিকে এগোচ্ছে। ড্যাশারকে চেনার সঙ্গে সঙ্গে সেও পিস্তল বের করল।

    রনি যে কখন পিস্তল বের করেছে দেখতে পেল না ওরা। কেবল নলের মুখে দুটো শিখা জ্বলে উঠতে দেখল। প্রথম গুলি লম্বা লোকটার বাম পকেট ফুটো করল-দ্বিতীয় গুলি বেল্টের দু’ইঞ্চি উপরে পেটে বিধল। দুজনের মধ্যে ও-ই বেশি বিপজ্জনক ছিল। তৃতীয় গুলিতে বিস্ফারিত চোখে হাঁটু গেড়ে পড়ে গেল তরুণ। ওর বুলেটটা রনির শার্টের হাতা টেনে বেরিয়ে গেল। চতুর্থ গুলিতে ছেলেটা পিস্তল ছেড়ে মুখ থুবড়ে পড়ল।

    ঘুরে, দুই লাফে সরু গলিতে ফিরে এল ড্যাশার। ওখানে কেউ নেই! ট্যারা লোকটার ঘোড়ার খুরের শব্দ মিলিয়ে যাচ্ছে দূরে।

    গোলাগুলির শব্দে দরজা-জানালা দিয়ে লোকজন উঁকি দিচ্ছে। কিছু লোক রাস্তাতেও নেমেছে। হার্ডওয়্যার স্টোরের সামনে লম্বা লোকটার ওপর ঝুঁকে আছে দুজন। এগিয়ে গেল রনি। লোকটার পাশে হাঁটু গেড়ে বসে ওকে চিত করল।

    মারা যাচ্ছে ও। মাথাটা সামান্য তুলে ধরে ওকে একটু আরাম দেয়ার চেষ্টা করল ড্যাশার। মরণাপন্ন লোকটার ওপর তার কোন আক্রোশ নেই। তবে কোন দুঃখও বোধ করছে না। লোকটা নিজের পথ নিজেই বেছে নিয়েছে।

    হঠাৎ চোখের পাতা খুলে গেল। লোকটা রনির দিকে তাকাল। ‘ফাস্ট!’ ফ্যাসফ্যাসে গলায় বলল সে। ‘তুমি খুব ফাস্ট!’

    লোকটার শ্বাস ভারী। আরও লোকজন এগিয়ে আসার সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। ‘সরি,’ বলল সে।

    ‘এমন কেন করলে?’ প্রশ্ন করল রনি।

    ‘টাকা। ভাসকো দেখেছে।’

    ‘হ্যাডলের ব্যাপারটা কি? তোমরা ওকে চেনো?’

    কয়েকবার চেষ্টার পর ওর মুখ থেকে কথা বেরোল। ‘চি…চিনি। ওখানে… যেয়ো…না। পারবে না। বাণ্ডি…শাৰ্পি…ভয়ানক।’

    ‘হ্যাডলের খবর কি? ওরা ভাল তো?’ লোকটার মরণ ঘনিয়ে এসেছে বুঝে তাড়াতাড়ি প্রশ্ন করল রনি।

    কোন জবাব এল না। কথাগুলো হয়তো লোকটা বোঝেনি, ওর চেতনা এখন ঝিমিয়ে আসছে। তবু ঠোঁট নড়ে উঠল, কি যেন বলার চেষ্টা করছে ও। ‘হাসির…কথা…হাড্ডিসা…র!’ কথার সাথে লম্বা মানুষটার জীবনও ফুরাল।

    উঠে দাঁড়িয়ে পিস্তল দুটোতে গুলি ভরে নিল রনি। তরুণ ছেলেটার কাছে কয়েকজন ভিড় করে আছে। ওদের মধ্যে বারটেণ্ডারকেও দেখা যাচ্ছে। সাদা এপ্রোনটা আছে ওর পরনে-হাতে একটা শটগান। ওদিকে এগোল ড্যাশার।

    ‘এদিককার কি খবর?’ বারটেণ্ডারকে প্রশ্ন করল সে।

    অন্য একজন জবাব দিল। ‘মারা পড়েছে। দুটো গুলিই পেটে বিধেছে-ঠিক নাভির ওপর। একটা রূপার ডলার দিয়েই গর্ত ঢাকা যায়।’

    ‘ওদের সাথে আরও একজন ছিল!’ বলে উঠল বারটেণ্ডার। ‘সে কোথায়?’

    ‘ভেগেছে। তবে যাওয়ার আগে চোয়ালে একটা চোট নিয়ে গেছে।’

    নিজের ঘোড়া, টপারের কাছে ফিরে এল রনি। জিনে উঠে বসতেই সাদা গেল্ডিঙটা পরিচিত ফিরতি ট্রেইল ধরল। রনির জন্যে বাক উইলিয়ামস র‍্যাঞ্চে অপেক্ষা করছে। দেরি দেখে নিশ্চয় এতক্ষণে অস্থির হয়ে উঠেছে বুড়ো।

    র‍্যাঞ্চে ফিরে দেখল, সাপার খেতে বসেছে বাক। ওর স্ত্রী জেনি খাবার বেড়ে দিচ্ছে। শার্টের বোতাম খুলে টাকার প্যাকেটগুলো টেবিলে রাখল রনি।

    ‘সেই কখন বেরিয়েছ, আর ফেরার নাম নেই! আমার তো দুশ্চিন্তাই হচ্ছিল!’ অভিযোগ করল বাক।

    ‘দুশ্চিন্তা?’ টিপ্পনী কাটার সুযোগ ছাড়ল না রনি। ‘আমার ওপর কাজ চাপিয়ে দিয়ে নিজে দিব্যি একা-একা গিলতে বসে গেছ! তোমার চিন্তা করার অবসর আছে?’

    ‘ঠাট্টা রাখো। এত দেরি হলো কেন?’ চেহারা দেখেই অভিজ্ঞ বুড়ো টের পেয়েছে রনি কিছু একটা ঘটিয়ে এসেছে।

    বাকের একমাত্র ছেলে বছর সাতেক আগে রাসলারদের গুলিতে মারা পড়েছে। অবশ্য র‍্যাঞ্চারের হাত থেকে ওরা কেউ রেহাই পায়নি। কিন্তু ছেলের শোকে চুল পেকে অকালেই বুড়ো হয়ে গেছে বাক। বছর ছয়েক আগে রনি বার ২০ র‍্যাঞ্চে কাউহ্যাণ্ড হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছে। এরই মধ্যে সে র‍্যাঞ্চের সেকেণ্ড-ম্যান হয়ে দাঁড়িয়েছে। সব কাজেই তীক্ষ্ণ বুদ্ধি, বিচক্ষণতা আর সাহসের পরিচয় পেয়ে বাক ওকে একটু ভিন্ন নজরে দেখে। হয়তোবা নিজেও যৌবনে ওই রকম বেপরোয়া ছিল বলেই-কিংবা ছেলের অভাব কিছুটা পুরোন হওয়ার কারণে। একই রক্ত না হলেও ওদের মধ্যে সুন্দর একটা গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

    র‍্যাঞ্চারের প্রশ্নের জবাব না দিয়ে একটা চেয়ার টেনে সাপার খেতে বসে পড়ল রনি। বাককে আরও একটু না জ্বালিয়ে মুখ খুলবে না। প্লেটে রসাল মাংসের একটা বড় চাক আর সবজি তুলে নিয়ে খাওয়া শুরু করল। ওর কাপে কফি ঢেলে দিল জেনি।

    ‘কি হলো-শহরে কি ঘটেছে বললে না?’ তাড়া লাগাল বাক।

    ধীরে-ধীরে শহরে যা-যা ঘটেছে সব খুলে বলল রনি। কেবল বাড় হ্যাডলের বিপদ সম্পর্কে আউটলর কথাগুলো চেপে গেল। রনির কথা শুনে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করল জেনি। আউটলদের সম্পর্কে কিছু মামুলি কথাবার্তা বলল বাক। কিন্তু রনির মন তখন অনেক দূরে-ট্রেইলে।

    হ্যাডলে যদি সত্যিই কোন ঝামেলায় পড়ে থাকে তবে সময় মতই ওখানে পৌছবে রনি। চমৎকার মানুষ বাড। বিশাল আর কঠিন লোক-কিন্তু অতিথিপরায়ণ বলে ওর খ্যাতি আছে।

    আউটল মরার আগে কিছু নাম উল্লেখ করেছিল-মনে পড়ল রনির।

    কি যেন বলেছিল? বাণ্ডি আর শার্সি। শাৰ্পি!

    চমকে উঠল রনি। কাপ নামিয়ে রাখতে গিয়ে টেবিলে ঠুকে গিয়ে একটু কফি চলকে পড়ল।

    ‘কি হলো?’ জানতে চাইল বাক। ধুরন্ধর চোখ দুটো জবাব খুঁজছে। কিছু মনে পড়েছে?’

    ‘কই, না তো?’

    ‘তোমাকে আমি ভাল মতই চিনি, রনি,’ বলল বাক। ‘বিশেষ একটা চিন্তা তোমার মাথায় এসেছে।’

    কাপটা তুলে নিয়ে হাত দিয়ে টেবিল মুছল রনি। ভাব দেখাচ্ছে যেন কিছুই হয়নি।

    ‘ডাগ মারফি ফিরেছে?’

    বাকের চোখ উজ্জ্বল হলো। জেনির উদ্দেশে সে বলল, ‘দেখেছ? আমি জানতাম! একটা বিপদের সম্ভাবনা নিয়ে ভাবছে ও। নইলে এই সময়ে হঠাৎ মারফির কথা জিজ্ঞেস করত না!’

    আরও এক চাক মাংস আর কিছু আলু ফর্ক বিধিয়ে নিজের প্লেটে তুলে নিল।

    ‘কেন? ওর কথা মনে আসাই তো স্বাভাবিক। ডাগ একজন টপ কাউহ্যাণ্ড। ল্যাসো ছোঁড়া আর ঘোড়া বশ করায় সে ডেড-শট ওয়াইলসের মতই ওস্তাদ!’

    স্থির দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ রনির দিকে চেয়ে থাকল বাক।

    ‘হ্যাঁ, পিস্তলেও ওর হাত দারুণ। আর ডাগের মত ঝামেলার মোকাবিলা করতে তৈরি মানুষও আমি একটার বেশি দুটো দেখিনি!’

    ‘সেটা আবার কে?’ প্রশ্ন করল রনি।

    ‘বোঝো না? আমার মনে হয় বিপদের সাথে তোমার ঘনিষ্ঠ কোন আত্মীয়তা আছে। যেখানেই যাও, সেও হাজির! কত লোক শহরে যাচ্ছে-আসছে, কিছুই ঘটে না-কিন্তু তুমি গেলে কিছু-না-কিছু ঘটবেই!’

    ‘এই ট্রিপে কিছু ঘটার চান্স নেই,’ নির্বিকার চেহারায় মিথ্যা বলল রনি। ‘তোমার টাকা আমি নিরাপদে বাডের কাছে পৌঁছে দেব।’

    বাককে সান্ত্বনা দিল বটে, কিন্তু শার্পির নামটা ওকে ভাবিয়ে তুলেছে। অবশ্য শার্পি নামের আরও অনেক লোক থাকতে পারে। বাণ্ডি তার অপরিচিত। এক শার্শির কথা সে শুনেছে, এবং যা শুনেছে তার পুরোটাই খারাপ।

    শার্সি বুমার প্রথমে মোষ শিকারি ছিল। পরে শিকার ছেড়ে পশ্চিমের একটা বুনো শহরে মার্শাল হিসেবে কাজ নেয়। কিন্তু বেশিদিন টিকতে পারল না- যথেচ্ছ হত্যার কারণে তার চাকরি গেল। ওখান থেকে সরে লোকটা এওয়ার্থ, অ্যাবিলিন, ডজ, সিমেরন, ব্লুফিল্ড, ইত্যাদি শহরে ঘুরেছে। প্রত্যেক শহরেই পিস্তলের লড়াইয়ে সে মানুষ মেরেছে। তারমধ্যে অন্তত দুটো ছিল স্রেফ খুন। বদমেজাজ আর কথায়-কথায় পিস্তল তোলার অভ্যাসের কারণে বন্ধুর বদলে কেবল শত্রুই বেড়েছে ওর।

    এরপর হঠাৎ করেই গা-ঢাকা দিয়েছে শার্সি। নেভাডা আর মনট্যানার মাইনিঙ ক্যাম্পে গুজব শোনা যায় যে লোকটা ক্যালগেরিতে একজন মাউন্টেড পুলিশ অফিসারকে হত্যা করে ওখান থেকে সরে পড়েছে। শহরে ওই মরণাপন্ন আউটল যদি এর কথাই বলে থাকে, তবে সত্যিই বিপদের কথা। শার্পি একটা জঘন্য প্রকৃতির খুনী।

    কিন্তু বাড হ্যাডলের র‍্যাঞ্চে ওই ধরনের লোক কি করছে? ভেবে পাচ্ছে না রনি। তাছাড়া পিস্তলবাজের ভয়ে ভীত হওয়ার লোক নয় বাড। হয়তো মিছেই দুশ্চিন্তা করছে ও।

    ‘সকালেই রওনা হব আমি,’ বলে উঠল সে। ‘এই লম্বা যাত্রায় ধীরে-সুস্থেই এগোব। কিছু কঠিন এলাকা পেরোতে হবে-তাই ঝুঁকি না নিয়ে কেবল দিনের বেলায় পথ চলব।’

    ‘আমিও তোমার সাথে রওনা হব কি না ভাবছি,’ পরিস্থিতি বোঝার জন্যে কথা পাড়ল বাক। স্ত্রীর চোখের দিকে তাকাচ্ছে না। ‘লম্বা পথ। অ্যাপাচিরা আবার রেজারভেশন থেকে বেরিয়ে পড়েছে কিনা কে জানে?’

    জেনি কি যেন বলার জন্যে মুখ খুলেছিল, কিন্তু সে কিছু বলার আগেই সশব্দে হেসে উঠল রনি।

    ‘তোমার কি ধারণা আমার একজন নার্সমেইড দরকার? তুমি এখানে এদিকটা সামলাও। হ্যাডলের টাকা পৌঁছে দিয়ে ওখানে কয়েকদিন বিশ্রাম করার ইচ্ছা আছে আমার।’

    উঠে দাঁড়াল রনি। ‘আচ্ছা, সুজানার লেখা শেষ চিঠিটা কি আছে তোমার কাছে?’

    ‘আছে। কিন্তু ওটা দিয়ে কি হবে? চিঠিটা তো তোমাকে পুরোটাই পড়ে শুনিয়েছি আমি?’

    ‘হ্যাঁ। তবু নিজে একবার পড়ে দেখতে চাই।’

    বাঙ্কহাউসে ফিরে চিঠিটা পড়তে বসল। একটা জায়গায় মেয়েটা লিখেছে:

    রনিকে বোলো, ওর কাছে যেসব খেলা আমি শিখেছিলাম সেগুলোর কথা আমার খুব মনে পড়ে। বিশেষ করে যেটা আমি সবথেকে বেশি পছন্দ করতাম সেটার কথা। বাবাও প্রায়ই ড্রাই ক্যানিয়নে ওর সাথে প্রথম দেখা হওয়ার কথা স্মরণ করে। অনেকটা সেই রকমই আছি। রনি এলে আমাদের খুব ভাল লাগবে।

    রনির মনে আছে, রাসলাররা হ্যাডলেকে ড্রাই ক্যানিয়নে কোণঠাসা করে ফেলেছিল। ওই সময়ে রনি ওখানে না পৌছলে র‍্যাঞ্চারের বাঁচার কোন উপায় ছিল না। চারজন রাসলারের মধ্যে দুজন রনির গুলিতে মারা পড়ার পর বাকি দুজন আত্মসমর্পণ করেছিল।

    চিঠিটার ওপর আর একবার চোখ বুলিয়ে কাগজ-পেনসিল নিয়ে বসল রনি। যেসব অক্ষরের ওপর দুবার কলম ঘোরানো হয়েছে, কেবল সেগুলো কাগজে লিখে ফেলল।

    ‘ন-ধা-ব-সা-ব-খ-ছি-আ-দে-প-বি’

    এবার অক্ষরগুলো উল্টো করে আবার সাজিয়ে লিখল:

    ‘বিপদে আছি খুব সাবধানত’

    সাধারণ চিঠির ভিতর এভাবে গোপন মেসেজ পাঠানোই ছিল সুজানার সবচেয়ে প্রিয় খেলা। এর আগে চিঠিটা রনিকে পড়ে শোনানো হয়েছিল বলে ব্যাপারটা সে টের পায়নি। তাছাড়া ওরা যে বিপদে থাকতে পারে তা কল্পনাও করতে পারেনি ও। এখন বুঝতে পারছে শুধু বিপদ নয়, কঠিন বিপদে পড়েছে ওরা। চিঠিতে স্পষ্ট করে কিছু লেখার স্বাধীনতাটুকুও নেই। অর্থাৎ চিঠি সেন্সর করছে কেউ।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেতের পর – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    শেষ অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    খুনে মার্শাল – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }