Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্ষ্যাপা তিনজন – কাজী মাহবুব হোসেন

    কাজী মাহবুব হোসেন এক পাতা গল্প184 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক্ষ্যাপা তিনজন – ২

    দুই

    পরদিন সূর্য ওঠার আগেই বেরিয়ে পড়ল রনি। বিদায় দেয়ার সময়ে বারবার ওকে সাবধান থাকতে অনুরোধ করেছে বাক। আরও বলেছে ডাগ মারফি আর ডেড-শট ওয়াইল্স্ ফিরলেই সে ওদের পাঠিয়ে দেবে। রনি অবশ্য বলেছে সে একাই সব সামলাতে পারবে। কিন্তু জানে, বুড়ো তবু ওদের পাঠাবে।

    তৃতীয় দিন সকালে স্যান ইসিড্রোর তীরে পৌছার আগেই রনি ট্রেইল ছেড়ে সরে গেল। পাথরের গোলকধাঁধার ভিতর দিয়ে পথ করে নিয়ে ঝর্নার ধারে পৌছল। এমন করার নির্দিষ্ট কোন কারণ নেই-নিছক খেয়াল-বশেই এই বাড়তি সাবধানতা। একটা বিপজ্জনক কাজ হাতে নিয়েছে ও। ট্রেইলে নিজের পার হওয়ার চিহ্ন রাখতে চাইছে না।

    ডান দিকে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে হর্সশু মেসা। দক্ষিণে কিছুটা দূরে জনসন মেসা প্রাচীরের মত দেখাচ্ছে। গিরিপথ পেরিয়ে ওপাশে রয়েছে বিশাল সমতল জমি। ওর ওপর দিয়েই বইছে উত্তাল কেনেডিয়ান রিভার।

    ঘোড়াটাকে পানি খেতে দিয়ে নিচে নামল রনি। পাথরের ফাঁক দিয়ে চুইয়ে পড়া পানি বোতলে ভরে নিল। এই ঝর্নাটা নিঃসন্দেহে অ্যাপাচিদের কাছে পরিচিত। কিন্তু আশপাশে কারও উপস্থিতির চিহ্ন দেখতে পেল না। চিন্তিত ভাবে ভুরু কুঁচকাল রনি। আজ সারা সকাল কেমন যেন একটা অনিশ্চয়তা আর অশুভ আশঙ্কা ওর মন ছেয়ে রেখেছে।

    কোন কারণ নেই, তবু অস্বস্তি বোধ করছে রনি। খুব সতর্ক নজর রাখছে সামনের নির্জন এলাকার ওপর।

    সামনের ট্রেইলেই কোথাও আছে ভাসকো। কিন্তু ওই আউটলকে ভয় পাচ্ছে না রনি, অ্যাপাচিদের নিয়েই ওর দুশ্চিন্তা। রেজারভেশনেই ওদের থাকার কথা, কিন্তু ইদানীং ইণ্ডিয়ান এজেন্টদের অন্যায়-অবিচারে ওরা অতিষ্ঠ হয়ে আবার রেইড করতে শুরু করেছে। দশ-বারোটা রেইডের খবর টুইন রিভার্সেও পৌঁছেচে।

    যে এলাকা দিয়ে রনি এগোচ্ছে, সেটাই ছিল অ্যাপাচিদের শক্ত ঘাঁটি। জাত- যোদ্ধা ওরা। রেইড চালিয়ে লোকজন খুন করে দমকা হাওয়ার মত মরুভূমিতে অদৃশ্য হওয়ায় ওদের জুড়ি নেই।

    মাঝ-দুপুর নাগাদ রনি ক্লিফটন হাউস স্টেজ স্টেশনে পৌছে যাবে। ওখানে গেলেই এদিকে বর্তমানে ইণ্ডিয়ানদের আক্রমণ চলছে কিনা জানা যাবে। হয়তো বাড হ্যাডলে বা সার্কেল এইচ সম্পর্কেও কিছু তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

    এলাকাটা আবার খুঁটিয়ে দেখে নিয়ে আবার ঘোড়ার পিঠে উঠল রনি। ঝর্নাটা পেরিয়ে গিরিপথ ধরল।

    স্তব্ধ পরিবেশ। রনির কঠিন নীল চোখদুটো অনবরত চারপাশ দেখে আবার ট্রেইলের ওপর ফিরে আসছে। এখানে নাল-বিহীন ঘোড়ার খুরের কিছু ছাপও দেখা যাচ্ছে। পশ্চিমে অনেকদিন হলো আছে ও-অ্যাপাচিদের হালকা ভাবে নেয়ার পাত্র সে নয়।

    দুপাশ থেকে ক্যানিয়নের দেয়াল সরে গেল। উন্মুক্ত এলাকায় এসে পড়েছে রনি। সামনে চিকোরিকা ক্রীক দেখতে পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়ল। কেনেডিয়ানের ওপাশে গ্রামা ঘাসে ছাওয়া খোলা জমি দূরে ব্লু মাউন্টিনস পর্যন্ত বিস্তৃত। ক্লিফটন হাউস এখান থেকে দেখা যাচ্ছে না। চোখের আড়ালে আছে।

    একটা তীক্ষ্ণ চিৎকারে চমকে লাগাম টেনে থেমে দাঁড়াল রনি। শব্দটা আবার শোনা গেল। ওয়্যাগন চালকের পরিষ্কার তীক্ষ্ণ স্বর। পরক্ষণেই গুলির মত আওয়াজ তুলে বাতাসে চাবুক ফোটার শব্দ এল।

    ‘গাধা,’ বিড়বিড় করল রনি ড্যাশার। এই এলাকায় অমন চিৎকার করা নেহাত বোকামি।

    গেল্ডিঙটাকে আবার আগে বাড়াল রনি। দেখতে না পেলেও বুঝতে পারছে গাড়ি-চালক ক্রীকের তলায় নেমেছে। এগিয়ে গিয়ে ওয়্যাগনটা দেখতে পেল। ছয়টা বলিষ্ঠ খচ্চর ওয়্যাগন টানছে। একটা লোক আর মহিলা পাশাপাশি বসে আছে। ওদের সাথে বাকস্কিন ঘোড়ার পিঠে রয়েছে চোদ্দ-পনেরো বছর বয়সের একটা ছেলে।

    পাথর আর ঝোপের আংশিক আড়াল নিয়ে এগিয়ে গেল ড্যাশার। ঢালু ঢাল বেয়ে ওয়্যাগনটাকে কোনাকুনি ভাবে উপরে উঠিয়ে আনার চেষ্টা করছে চালক। ছেলেটা ‘আগে-আগে চলছে-পিছন ফিরে চিৎকার করে সে ওয়্যাগনের আরোহীদের কি যেন বলল। গাড়িটা উপরে উঠে আসার সঙ্গে সঙ্গে বাতাস কাঁপিয়ে একটা গুলির শব্দ উঠল।

    ওপাশের পাথরের ভিতর থেকে একটু ধোঁয়া উঠতে দেখল রনি। মুহূর্তে আড়াল থেকে সাত-আটজন অ্যাপাচি বেরিয়ে ওয়্যাগন লক্ষ্য করে ছুটে এল। ঘোড়া সহ ছেলেটা পড়ে গেছে। খাপ থেকে রাইফেলটা বের করার ফাঁকে দেখতে পেল চালকও তার পুরোনো শার্পস রাইফেলটা তুলে নিয়েছে।

    রাইফেল কাঁধে ছুঁইয়েই ট্রিগার টিপে দিল ড্যাশার। উইনচেস্টারটা ওর হাতে লাফিয়ে উঠল। প্রথম অ্যাপাচিটা ঘোড়া থেকে পড়ে কিছুটা ধুলো উড়িয়ে স্থির হয়ে গেল।

    ওয়্যাগন চালকও নিশ্চয় একই মুহূর্তে গুলি ছুঁড়েছিল। একটা ঘোড়া পড়তে দেখা গেল। দুদিক থেকে আক্রমণ আসতে দেখে অ্যাপাচিরা একটু হকচকিয়ে গেছে। একটু সামনে বেড়ে আবার গুলি ছুঁড়ল ড্যাশার-দ্বিতীয় ইন্ডিয়ান ঘোড়ার পিঠ থেকে ছিটকে পড়ল।

    দ্রুত আরও দুটো গুলি ছুঁড়ে রাইফেল খাপে গুঁজে ঊর্ধ্বশ্বাসে ইন্ডিয়ানদের লক্ষ্য করে ঘোড়া ছোটাল রনি। অ্যাপাচিরা পাথরের পিছনে আড়াল নিতে ছুটছে। পাথরের কাছে পৌছার আগেই প্রথম জনের পথ আটকে দাঁড়াল ড্যাশার। মারিয়া হয়ে অ্যাপাচি লোকটা সোজা ওর দিকেই এগিয়ে ছুরি হাতে ঝাঁপ দিল।

    ডান দিকের পিস্তলটা বেরিয়ে এসেছিল ড্যাশারের হাতে-ভারী নলটা সজোরে ছুরি ধরা হাতের ওপর নামিয়ে আনল সে। ইণ্ডিয়ানের কব্জির হাড় ভেঙে গেছে। ব্যথায় চিৎকার করে নিচে পড়ল লোকটা। ঘোড়ার খুরের তলায় পিষে এর চিত্কার গোঙানিতে পরিণত হলো।

    ঘোড়ার মুখ ঘুরিয়ে ওয়্যাগনের কাছে ফিরে এল রনি। চালক ঘোড়ার তলা থেকে ছেলেটাকে বেরোতে সাহায্য করছে।

    ‘তুমি ঠিক সময় মত এসে পড়েছিলে, মিস্টার!’ উত্তেজিত স্বরে বলে উঠল ছেলেটা। ‘নইলে আমার বাঁচার কোন উপায় ছিল না!’

    ওয়্যাগন-ড্রাইভারের চেহারাটা বিষণ্ন। একেবারে সাদা হয়ে গেছে এর মুখ- ভয়ে এখনও কাপছে লোকটা।

    ‘ধন্যবাদ, মিস্টার,’ বলে সরু হাত বাড়িয়ে দিল ড্রাইভার। ‘সত্যিই সাহায্য করেছ!’

    লোকটার চোখ দুটো এখন ওকে যাচাই করে দেখছে। কৌতূহল প্রকাশ পাচ্ছে ওর চোখে।

    ‘গোলাগুলিতে তোমার দারুণ হাত,’ মন্তব্য করল লোকটা। ‘তুমি কি এদিককার লোক?’

    ‘ঘুরে-ফিরে বেড়াচ্ছি,’ বলল রনি। ভাবছি পশ্চিমে মগোলসের দিকটা একটু দেখব।’

    লোকটার চেহারা একটু আড়ষ্ট হলো। সতর্ক ভাবে সে বলল, ‘ওই এলাকা থেকে দূরে থাকাই ভাল বন্ধু হিসেবেই বলছি। এসব এলাকা আমি চিনি। বছর দুই হলো ম্যাকক্লিল্যানের কাছে র‍্যাঞ্চ করছি। এইমাত্র কলোরাডো থেকে বউ আর ছেলেকে নিয়ে ফিরছি। মগোলন্‌স্ এড়িয়ে চলাই তোমার জন্যে ভাল। অবশ্য যদি—’

    কথার মাঝখানেই হঠাৎ থেমে গেল লোকটা। নার্ভাস ভাবে জিভ দিয়ে চেটে ঠোঁট ভেজাল।

    ‘যদি কি?’ লোকটার ওয়্যাগনের পাশে-পাশে ঘোড়া হাঁটিয়ে এগোচ্ছে রনি।

    ‘কিছু না।’ লোকটা ওর চোখের দিকে তাকাচ্ছে না। ‘তোমাকে আবারও ধন্যবাদ। তোমার জন্যেই আমরা এ যাত্রা বেঁচে গেছি। কথাটা আমি ভুলব না।’ মুখ তুলে তাকাল সে। ‘আমার নাম মরগ্যান। ম্যাকক্লিল্যানের ছয় মাইল উত্তরে আমার র‍্যাঞ্চ। যখন খুশি এসো।’

    মগোলন্‌স্ সম্পর্কে লোকটার রহস্যময় মন্তব্যে কৌতূহল বোধ করছে রনি। ‘আমি ক্লিফটনের দিকে যাচ্ছি। হয়তো ওখানেই আজকের রাতটা কাটাব। চলো একসাথেই এগোই।’

    ‘ওখানকার খাবারটা ভাল,’ মন্তব্য করল মরগ্যান।

    এই এলাকায় তথ্য জোগাড় করার সবথেকে খারাপ উপায় হচ্ছে প্রশ্ন করা। এটা ভাল করেই জানে রনি। সে নিজেও চাপা প্রকৃতির, কিন্তু পশ্চিমের লোকের তুলনায় কম। কিছু-কিছু এলাকায় প্রশ্ন করা বা মুখ খোলা দুটোই খারাপ। তবু কিছু তথ্য পাওয়ার আশায় মামুলি কথাবার্তা চালিয়ে গেল রনি।

    শেষে ছেলেটাই ওর সাথে কথা শুরু করল। ‘তোমার ঘোড়াটা চমৎকার! কিন্তু ওটাকে মাসট্যাঙ বলে আমার মনে হচ্ছে না।

    ‘ঠিকই ধরেছ,’ ব্যাখ্যা করল রনি। ‘এখান থেকে উত্তরে একটা ঘোড়ার র‍্যাঞ্চ আছে। লোকটা আমার বন্ধু। ওর একটা উপকার করায় সে আমাকে এই ঘোড়াটা উপহার দিয়েছে। টপারের মা অ্যারাবিয়ান মেয়ার আর বাপ হচ্ছে বিশাল আইরিশ স্ট্যালিয়ান। এর হাঁটাই অনেক ঘোড়ার দৌড়ানোর মত দ্রুত।’

    ‘এই রকম একটা ঘোড়াই আমার পছন্দ!’ গদগদ স্বরে বলল ছেলেটা। ‘ওকে আমি বাতাসের আগে ঢাল বেয়ে ছুটে নামতে দেখেছি!’ রনির দিকে মুখ তুলে চাইল সে। ‘আমার নাম জেরোমি। তোমার কি নাম?’

    রনি দেখল এই প্রশ্নে ড্রাইভারের মাথাটা সামান্য এদিকে ফিরেছে। ওর কৌতূহল স্পষ্ট প্রকাশ পাচ্ছে। কিন্তু সেও জানে পশ্চিমে প্রশ্ন করা হারাম।

    ‘আমার নাম রেগান,’ সহজ সুরেই জবাব দিল ড্যাশার। ‘কিন্তু বেশিরভাগ লোক আমাকে রেড রিভার বলে ডাকে।’

    ক্লিফটন হাউসে পৌছানো পর্যন্ত ওরা নিচু স্বরে আলাপ চালাল। স্টেজ স্টেশনে চারটে জিন চাপানো ঘোড়া বাঁধা রয়েছে। বোঝা যাচ্ছে ওটা বেশ জনপ্রিয়। একটা ওয়্যাগনও একপাশে দাঁড় করানো রয়েছে। আশপাশে কয়েকজন ইতস্তত দাঁড়িয়ে সময় কাটাচ্ছে। ওদের চোখ প্রথমে মরগ্যানের ওপর থেকে ঘুরে রনিকে দেখে আবার মরগ্যানের দিকে ফিরল।

    ছেঁড়া জামা আর মাথায় নোঙরা সমব্রেরো পরা একটা হ্যাঙলা লোক মরগ্যানের দিকে এগিয়ে ওর সাথে কথা বলল। লোকটার দাঁতগুলো বড়-বড়, ঊরুর সাথে বাঁধা রয়েছে ওর পিস্তল।

    মেক্সিকান আস্তাবল-রক্ষী রনির দিকে এগিয়ে এল।

    ‘কর্ন আছে তোমাদের?’ প্রশ্ন করল রনি। ‘থাকলে ওকে কিছু খেতে দাও। কাল সকালেই আমি আবার রওনা হব।’

    ‘সি, সেনিয়র। লোকটা রনির ঊরুর সাথে বাঁধা পিস্তল দুটো আর রাইফেলটা খেয়াল করল। রাইফেলটা খাপ থেকে বের করে নিয়েছে রনি।

    মরগ্যান আর বড় দাঁতওয়ালা লোকটা ওকে লক্ষ করছে। ওদের উপেক্ষা করে লম্বা কামরাটায় ঢুকল ড্যাশার। বারে দাঁড়িয়ে আছে দুজন। কয়েকজন একটা টেবিলে বসে ড্র পোকার খেলছে।

    ‘পথে কোন ইণ্ডিয়ান দেখেছ?’ প্রশ্ন করল একজন বিশাল লোক। শেভ না করায় বক্তার চেহারা কালচে দেখাচ্ছে।

    ‘হ্যাঁ।’ দরজার দিকে মাথা ঝাঁকাল রনি। ‘মরগ্যান আর আমার সাথে ওদের ছোট একটা মোকাবিলা হয়ে গেছে। ওরা সাত-আটজন ছিল।’

    ‘পড়েছে কেউ?’

    ‘চার বা পাঁচজনও হতে পারে।’

    সঙ্গীর সাথে মরগ্যান ভিতরে ঢুকেছে।

    ‘চমৎকার শূটিঙ, মরগ্যান,’ বলল বিশাল লোকটা। ‘আমি জানতাম না তোমার হাত এত ভাল।’

    ‘আমি না। রেগান একাই চারজনকে মেরেছে। আমার এক গুলির শার্প নিয়ে আজ ওদের হাতে নির্ঘাত মারা পড়তাম। আমি একটাকে ফেলেছি। লোড করে ওঠার আগেই ওরা আমাদের ধরে ফেলত। ছেলেটা নিজের ঘোড়ার নিচে আটকা পড়েছিল।’

    ‘ঠিক সময়েই পৌছেছিলে তুমি,’ বিশাল লোকটা বলল। ‘তোমার নাম রেগান? আমি সায়মন ড্রিল। পশ্চিমে আমার র‍্যাঞ্চ।’

    ‘যা শুনছি তাতে মনে হচ্ছে র‍্যাঞ্চ করার জন্যে কঠিন এলাকা বেছে নিয়েছ তুমি,’ বলল ড্যাশার।

    ‘এদিকে থাকার কথা ভাবছ?’ প্রশ্ন করল সায়মন। ‘কাজ করতে চাইলে ডি বারে এসো। আমার ভাল লোক দরকার।’

    ‘হয়তো পরে।’ হাসল রনি। ‘এখনও ফতুর হইনি আমি।’ সবাই হেসে উঠল।

    ‘তোমার ঘোড়াটা সামলে রেখো,’ পরামর্শ দিল সায়মন। ‘এই দেশে ভাল ঘোড়া অদৃশ্য হতে সময় লাগে না।’

    হঠাৎ কামরাটা স্তব্ধ হয়ে গেল। মরগ্যানের দেঁতো সঙ্গী ধীরে সোজা হয়ে র‍্যাঞ্চারের দিকে ফিরল। সায়মন সেটা খেয়াল করে থাকলেও ওর আচরণে টের পাওয়া গেল না। কামরার নীরবতা উপলব্ধি করে রনি বলল, ‘আমি যেখান থেকে এসেছি সেখানে ওরা ঘোড়া চোরের জন্যে দড়ির ফাঁস ব্যবহার করে।’

    ‘এখানেও আমরা কেউ-কেউ সেটাই করার ইচ্ছা রাখি।’ সায়মন কথা বলছে কিন্তু একা রনিকে বলছে না- কামরার সবাইকেই শোনাচ্ছে। এবং না শোনার ভান করলেও প্রত্যেকটা লোক মনোযোগ দিয়েই ওর কথা শুনছে।

    ‘এখানকারই কেউ?’ নাড়ি টিপে বোঝার চেষ্টা করল রনি। ‘নাকি মেক্সিকোতে পাচার করা হচ্ছে?’

    ‘দুটোই,’ জবাব দিল সায়মন। বুড়ো আঙুল দুটো বেল্টের ফাঁকে গুঁজল সে। রনি খেয়াল করল লোকটার কোমরে একটাই অস্ত্র ঝুলছে—তাও বেশি উঁচুতে। ‘বেশির ভাগ এখানেই থাকছে। আমার ধারণা টেক্সাসের রেঞ্জ ডিটেকটিভরা খুঁজলো পাহাড়ী মাঠগুলোতে অনেক হারানো গরু-ঘোড়া দেখতে পাবে। র‍্যাঞ্চারদের সবার এক হয়ে রাসলারদের চুরি বন্ধ করার সময় এসে গেছে। হাণ্ট’-তাস খেলোয়াড়দের একজন মুখ তুলে তাকাল-’তুমি এতে আমার সাথে আছ?’

    সায়মানের দিকে চেয়ে ঢোক গিলল হান্ট। ‘আমার কোন স্টক খোয়া যায়নি- অর্থাৎ তেমন কিছু না।’

    সায়মন ড্রিলের চেহারা কঠিন হলো। ‘তাহলে ব্যাপারটা এই রকম? ভাল, কিন্তু এমন অনেকে আছে যারা ওই লাইনে ভাবে না। শূটিঙ শুরু হলে কেবল দুটো পক্ষ থাকবে। হয় আমাদের পক্ষে, নইলে বিপক্ষে!’

    কালো সরু গোঁফওয়ালা একজন পাতলা গড়নের লোক শান্ত স্বরে বলল, ‘এই ধরনের কথা একটু নিচু স্বরে বলা ভাল, সায়মন। কথাটা যদি শার্পির কানে যায়, সে হয়তো এটা পছন্দ করবে না।’

    সায়মন অটল রইল। ‘আমি শার্পিকে অভিযুক্ত করিনি। কারও বিরুদ্ধেই আমি অভিযোগ আনিনি। কিন্তু সময় এলে আমি ঠিকই নাম বলব।’

    ‘তুমি শার্পি বুমারের কথা বলছ না তো?’ কথার ছলে প্রশ্ন করল রনি। ‘একজন শার্পি বুমারের কথা আমি শুনেছি বলে মনে হচ্ছে।

    ‘শুনেছ?’ বড় দাঁতওয়ালা লোকটা বলল। ‘না শোনার কোন কারণ নেই! সে এই দেশের সবথেকে ফাস্ট গানম্যান! আমার ধারণা ওয়েস হার্ডিনও ওর সামনে কিছুই না!’

    ‘কি করছে ও? র‍্যাঞ্চিঙ?’ জানতে চাইল রনি। ‘আমি শুনেছিলাম একটা শহরের মার্শাল হিসেবে যথেচ্ছ পিস্তল ব্যবহার করত ও-জুয়াড়ীদের সাথে বেশ খাতিরও ছিল।’

    ‘সে র‍্যাঞ্চিঙই করছে,’ জবাব দিল সায়মন। ‘হ্যাডলে নামের একটা ব্র্যাঞ্চারের সাথে জুটেছে ও।’

    ব্যস্ত ভাবে দরজার দিকে এগোল মরগ্যান। যেন বেরিয়ে পড়তে পারলেই বাঁচে। ওর দিকে চেয়ে কি যেন বলতে যাচ্ছিল সায়মন। কিন্তু কিছু বলার আগেই বেরিয়ে গেল লোকটা। এক মুহূর্ত পরে সায়মন মাথা ঝাঁকিয়ে দরজার দিকে দেখাল। ‘ওর কাছে কিছু ভাল স্টক আছে,’ বলল সে।

    দেঁতো লোকটা ঘুরে দাঁড়াল। ‘অর্থাৎ?’ ওর স্বরে অশুভ সুর। ‘মরগ্যান আমার বন্ধু।’

    আবার কামরাটা স্তব্ধ হলো। দুজনকে যাচাই করে দেখে র‍্যাঞ্চারের জন্যে উদ্বিগ্ন বোধ করছে রনি। কিন্তু ওদের কথার মাঝে নাক গলাবার অধিকার ওর নেই-এবং তা সে করবেও না।

    রনিকে অবাক করে দিয়ে র‍্যাঞ্চার নিজেই চমৎকার ভাবে পরিস্থিতি সামলে নিল। বলল, ‘মানে আবার কি? কিছুই না। আমি ওর তাগড়া মিউলগুলোর কথা বলছিলাম। মিসৌরির এপাশে আর এত ভাল মিউল আমি দেখিনি!’

    গানম্যানকে উপেক্ষা করে ওর দিকে পিঠ দিয়ে দাঁড়াল সায়মন।

    এক মিনিট পর আবার দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দ হলো। রনি দেখল লোকটা চলে গেছে। নিচু স্বরে সে বলল, ‘মরগ্যানের বন্ধু লোকটাকে দেখে মনে হয় পিস্তলে হয়তো ওর হাত ভাল।’

    ‘তা ঠিক।’ সায়মনের স্বর শুষ্ক। ‘ওর নাম জনি রিগ। লোকটা পিস্তলবাজ। হ্যাডলের র‍্যাঞ্চে কাজ করে।’

    ‘জনি রিগ? তাই? এমন নাম ও কোথায় পেল?’

    হেসে উঠল সায়মন। ‘আর পাঁচজনের মত। অহরহ নাম বদলায় ওরা।’

    ‘হর্স স্প্রিঙসের ট্রেইলটা কেমন?’ প্রশ্ন করল রনি। ‘ওই পথেই যাব আমি।’

    ‘প্রায় আগের মতই।’ রনিকে যাচাই করে দেখল সায়মন। ‘ওই চাকরিটা খোলা রইল, বন্ধু।’ মাথা ঝাঁকিয়ে পিস্তল দুটোর দিকে ইঙ্গিত করল র‍্যাঞ্চার। ‘ওগুলোয় তোমার ভাল হাত আছে বুঝতে পারছি।’

    মাথা নাড়ল রনি। ‘হয়তো পরে।’

    যাওয়ার জন্যে ঘুরল সায়মন। ‘শোনো,’ শান্ত স্বরে বলল সে, ‘তুমি যদি হর্স স্প্রিঙসের দিকে যাও তবে তোমার ঘোড়া আর টাকা, দুটোই ভাল মত সামলে রেখো।’

    লোকটার যাওয়া দেখল রনি। তারপর পোকার টেবিলের কাছে গিয়ে দাঁড়াল। পেশাদার জুয়াড়ীর নজর নিজের ওপর অনুভব করেও ওকে উপেক্ষা করল সে। দেখল জুয়াড়ীর হাত বেশ চালু এবং লোকটা চতুর। জিতছে ও, কিন্তু সামান্যই। এই খেলায় ওর হয়তো কয়েক ডলার জিত থাকবে। অনেক জুয়াড়ীই বেশি জিততে গিয়ে হয় আর সব খেলোয়াড়দের ভয় পাইয়ে তাড়িয়ে দেয় বা গুলি খেয়ে মরে।

    এই লোক বারবারই জিতবে, কিন্তু একবারে বেশি নেবে না। এসব খেলোয়াড় খেলা ছেড়ে উঠে গেলেও কেউ টের পাবে না যারা জিতেছে সেও তাদেরই একজন।

    খেলোয়াড়দের একজন ওকে নাম ধরে ডাকায় রনি জানল লোকটার নাম ডীন। নামটা মনে গেঁথে নিয়ে এক রাতের জন্যে ভাড়া করা কামরায় এসে ঢুকল রনি। সাপার খাওয়ার জন্যে একটা স্যাণ্ডউইচ কিনে এনেছে।

    কামরায় গরুর চামড়ায় ছাওয়া একটা বাঙ্ক, পাশেই কাঠের চেয়ার। একটা ছোট টেবিলে এক জগ পানি আর গামলা রাখা আছে। একটা জানালাও রয়েছে। দরজাটা ভিতর থেকে লাগাবার ব্যবস্থা আছে। দরজা বন্ধ করে গানবেল্ট খুলে চেয়ারের ওপর রাখল রনি। একটা পিস্তল খাপ থেকে বের করে কম্বলের তলায় রাখল। উরুর পাশে ওটা হাতের কাছে থাকবে। সে জানে, বালিশের তলা পর্যন্ত হাত আনার সময় পায়নি বলে অনেকেই রাতের বেলা বিছানায় খুন হয়েছে।

    দরজায় হালকা টোকা পড়ল। বাকি পিস্তলটা কোমরে গুঁজে দরজার দিকে এগোল রনি।

    ‘কে?’

    ‘ডীন।’ নিচু স্বর। ‘আলাপ করতে এলাম।’

    বাম হাতে দরজা খুলে দিল সে। ডীন ভিতরে ঢুকে আড়চোখে কোমরে গোঁজা পিস্তলটা লক্ষ করে হাসল।

    ‘এটা ফ্রেণ্ডলি ভিজিট।’

    ‘নিশ্চয়,’ সায় দিল রনি, ‘বিছানার কিনারে বসতে পারো তুমি।’

    এগিয়ে বিছানার ওপর বসল জুয়াড়ী। পায়ের ওপর পা তুলে হ্যাট খুলে হাঁটুর ওপর রাখল।

    ‘অ্যাপাচিদের বিরুদ্ধে লড়ার পরেই সায়মনের সাথে পরিচয়?’

    ‘হ্যাঁ।’

    লোকটা নিজের মর্জিতে এসেছে, কথা সে-ই বলুক। অপেক্ষা করছে রনি। ‘এখান থেকে পশ্চিমের এলাকাটা চমৎকার যদি ঠিক লোকের সাথে পরিচয় থাকে।’

    ‘হ্যাঁ। বেশিরভাগ এলাকাতেই তাই হয়।’

    ‘টেক্সাস থেকে?’

    ‘অনেক দেশ ঘুরে এসেছি। তোমার মতলবটা কি? তুমি খেলা শুরু করেছ, আমি শো দিয়েছি। তোমার হাতের তাস দেখাও?’

    ‘স্মার্ট।’ হাসল ডীন। ‘পছন্দ করলাম। রেখে-ঢেকে-চলতে-জানা মানুষের সংখ্যা খুব কম।’

    ‘ছেলেবেলায় শুনেছি, ‘খালি কলসি বাজে বেশি।’

    ‘ঠিক।’ রনির দিকে চেয়ে ওকে যাচাই করে দেখে ডীন আবার বলল, ‘তোমার কায়দায় যারা পিস্তল ঝোলায় তাদের প্রায় সবাইকেই আমি চিনি-কিন্তু তোমাকে ঠিক চিনে উঠতে পারছি না।

    ‘তাহলে হয়তো একজন আছে যাকে তুমি চেনো না।’

    ‘বিশ্বাস করা কঠিন। যারা চেনার মত, যেমন ডক হলিডে, বেন থমসন, হিকক, হার্ডিন, আরূপ এবং আরও অনেকের সাথেই আমার পরিচয় আছে। যাক, সায়মন তোমাকে চাকরি দিতে চেয়েছিল-নিচ্ছ?’

    ‘জবাবটা তুমি শুনেছ-এখনও টাকায় টান পড়েনি আমার।’

    ‘ভাল বেতন দেবে ও।’

    ‘একজন ভাল দিলেও অন্য কেউ আরও বেশি দিতে পারে।’

    হাসল ডীন। ‘তুমি তাহলে কাজের জন্যে সবথেকে চড়া দাম চাও?’

    ‘তুমি চাইতে না?’

    ‘চাইতাম।’ নীরবে একটু চিন্তা করে ডীন আবার বলল, ‘কিন্তু মানুষ কি পাচ্ছে, সেটা আগে থেকে যাচাই করে দেখতে চায়। লোক-দেখাতেও অনেকে তোমার মত পিস্তল ঝোলাতে পারে।’

    ‘অর্থাৎ?’ কঠিন ঠাণ্ডা চোখে তাকিয়ে আছে রনি।

    হঠাৎ আতঙ্কিত বোধ করছে ডীন। জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজাল। ‘কিছু না!’ বলে উঠল সে। ‘কাজের নমুনা না দেখে মানুষ কিভাবে বুঝবে? কাজ দেখাতে পারো??

    চেয়ার থেকে একটু সামনে ঝুঁকল রনি। ওর নীল চোখ দুটো ভয়ানক আর কঠিন হয়ে উঠেছে।

    ‘কেউ যদি বলে সে পিয়ানো বাজাতে জানে,’ শান্ত নিচু স্বরে বলল রনি, ‘তাকে মিথ্যাবাদী প্রমাণ করতে হলে একটা পিয়ানো দরকার। কেউ যদি বলে সে ঘোড়া পোষ মানাতে পারে তবে তাকে বুনো ঘোড়ার পিঠে চাপিয়ে দিতে হয়। কিন্তু কেউ যদি বলে সে ফাইটার, মিথ্যে বড়াই করছে কিনা বুঝতে হলে তুমি কিছু শুরু করো।’

    পরস্পরের চোখে চোখ রেখে দুজন তাকিয়ে আছে। শেষে ডীনই চোখ সরাতে বাধ্য হলো। হেরে গিয়ে রাগ হচ্ছে ওর, কিন্তু পেশাদার জুয়াড়ী সে-তাই চেহারায় কিছু প্রকাশ পেল না।

    ‘তোমার কথায় যুক্তি আছে, বন্ধু। ফাইটার না হয়েও যে বলে সে ফাইটার, সে বোকা। নিজের মরণ সে নিজেই ডেকে আনবে।’ একটা চুরুট ধরিয়ে একটু ইতস্তত করল ডীন। ‘তুমি কি আমাকেই তোমার মূল্য যাচাই করে দেখার প্রস্তাব দিচ্ছ?’

    ‘আরে, না,’ সহজ সরল একটা হাসি দিল রনি। ‘আমার মনে হয় না তুমি পিস্তলবাজ ভাড়া করার লোক। কিন্তু তুমি বা আর কেউ যদি সত্যিই বাজিয়ে দেখতে চায় তবে ওটাই একমাত্র উপায়, কি বলো? শো চেয়ে দেখো লোকটা ব্লাফ দিচ্ছে কিনা। তুমি তো পোকার খেলোয়াড়, এটা নিশ্চয়ই বোঝো?’

    মাথা ঝাঁকাল ডীন, দ্রুত চিন্তা চলছে ওর মাথায়। ‘হ্যাঁ, আমি বুঝি। আমার ধারণা তুমি ব্লাফ দিচ্ছ মনে করে কেউ চ্যালেঞ্জ করলে দেখবে তোমার হাতে ফুল হাউস।’

    ‘হয়তো। কিন্তু তাতে কি?’

    ‘তাহলে,’ নিজের মনে কথাগুলো গুছিয়ে নিয়ে বলল সে, ‘আমি বলব তুমি যদি সায়মন ড্রিলের টাকা চাও, ওর কাছেই কাজ নাও। কিন্তু যে আরও বেশি টাকা দিতে পারবে তার সাথে কথা বলতে চাইলে হর্স স্প্রিঙসে গিয়ে ওল্ড করাল বারের স্যামকে বোলো আমি তোমাকে পাঠিয়েছি। তুমি কাজ খুঁজছ।’

    ‘ধন্যবাদ।’ উঠে দাঁড়াল রনি। ‘দেখি, সেটাও করতে পারি।’

    ‘তা যদি না করো,’ দরজার কাছে পৌঁছে বলল ডীন, ‘তবে এই এলাকা ছেড়ে চলে যেয়ো। জানাশোনা না থাকলে স্ট্রেঞ্জারের জন্যে এটা অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠতে পারে।’

    ‘কিংবা যাদের ভুল লোকের সাথে জানাশোনা?’

    হাসল ডীন। ‘দেখতে পাচ্ছি পরস্পরকে আমরা পরিষ্কার বুঝেছি। তুমি যদি এদিকে থাকো, তবে হয়তো কোন রাতে পোকার খেলা যেতে পারে।‘

    ‘হয়তো। কিন্তু সেটা ঠিক হবে না। বাচ্চার হাত থেকে লজেন্স ছিনিয়ে নেয়ার মতই হবে।’

    ‘মানে?’ খেপে উঠল ডীন।

    ‘তুমি টেক্স ইউয়াল্টের নাম শুনেছ?’

    ‘কে?’ আড়ষ্ট হলো ডীন। চোখ দুটো তীক্ষ্ণ হয়ে উঠেছে। নামটা যে ওর পরিচিত তা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। ইউয়াল্ট তাসের সবথেকে ধুরন্ধর ওস্তাদ। তাসে যত রকম চুরি আছে সবই সে জানে, এবং নিজেও অনেক নতুন উপায় উদ্ভাবন করেছে।

    ‘ভাবলাম তোমার জেনে রাখা ভাল,’ নরম সুরে বলল ড্যাশার, ‘আমি নিজে যেটুকু জানতাম না, তাও টেক্স ইউয়াল্ট আমাকে শিখিয়েছে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেতের পর – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    শেষ অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    খুনে মার্শাল – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }