Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্ষ্যাপা তিনজন – কাজী মাহবুব হোসেন

    কাজী মাহবুব হোসেন এক পাতা গল্প184 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক্ষ্যাপা তিনজন – ১০

    দশ

    বেসিনে অ্যাপাচিদের বিরুদ্ধে শার্পির দলের লড়াই চট করে শেষ হলো না। ওটা অমীমাংসিত ভাবে এগিয়ে চলল। শেষে এক সময়ে অ্যাপাচিরা সরে পড়ল। ঠিক কখন যে ওরা ক্ষান্ত দিল তা শার্পি জানে না। লড়াই শুরু হওয়ার সময়ে অ্যাপাচিরা সংখ্যায় ছিল আটজন। শুরুতেই শার্সি প্রথম-দেখা ইণ্ডিয়ানকে শেষ করেছে, কিন্তু একই সাথে বার্ট ডেভিসকে হারিয়েছে।

    ড্যাশারের কৌশলটা ওর কাছে মুহূর্তে পরিষ্কার হয়ে গেছে। রনিই যে ওর পিছনে অ্যাপাচিদের লেলিয়ে দেয়ার জন্যে ওই আগুনটা জ্বেলেছিল তাতে ওর মনে কোন সন্দেহ নেই। এদিকে শার্পির লোকজনকে লড়াইয়ে ব্যস্ত রেখে ওদিক দিয়ে রনি দিব্যি নিরাপদে সরে পড়ছে। ভীষণ খেপেছে শাৰ্পি, কিন্তু করার কিছুই নেই—নিজেকে সংযত করে অ্যাপাচিদের শেষ করার দিকে মনোযোগ দিল, এবং শেষ পর্যন্ত তাই করল। কমপক্ষে আরও তিনজন ইণ্ডিয়ান মরেছে, তবে তারও দুজন লোক আহত হয়েছে।

    রনির বিরুদ্ধে এখানে হেরে গিয়ে সেও একটা মারাত্মক চাল খেলল। ‘টোনি,’ আহতদের একজনের দিকে ফিরে বলল শার্পি, ‘তুমি রুবেনকে নিয়ে রওনা হয়ে যাও। ঘোড়া মরে মরুক, তোমরা ঘোড়া ছুটিয়ে সার্কেল এইচে বাণ্ডিকে খবর দাও। ওকে বলবে, আলমাতে লোক পাঠিয়ে ড্যাশার আর হ্যাডলেদের ঠেকাতে হবে। ওরা যেন কিছুতেই আলমায় পৌছতে না পারে। বিভিন্ন র‍্যাঞ্চে ফ্রেশ ঘোড়া নিয়ে আমাদের লোক ড্যাশারের আগেই আলমায় পৌঁছতে পারবে।

    ‘ওখানে পৌছে জাইসের সাহায্য নিয়ে সবক’টা ট্রেইলে পাহারা বসাবে। ঝামেলার দরকার নেই-ওদের তিনজনকেই শেষ করতে হবে। হত্যার কাজটা যারা করবে তারা প্রত্যেক হ্যাডলের জন্যে একশো, আর ড্যাশারের জন্যে পাঁচশো ডলার পাবে।’

    ‘পাঁচশো?’ টোনির চোখ দুটো চকচক করে উঠল। ‘আমি নিজেই যাব, বস্!’

    ‘ওরা যদি আগেই আলমায় পৌঁছে থাকে?’ প্রশ্ন তুলল রুবেন।

    ভ্রূকুটি করে একটু চিন্তা করল শার্সি। ‘তাহলে ওদের মেরে শহর থেকে দূরে কোথাও নিয়ে গায়েব করে ফেলতে হবে। কাজটা চুপিসারে করতে হবে, যেন কেউ ওদের খুঁজে না পায়।’

    ওদের রওনা করিয়ে দিয়ে বাকি লোকজনকে জড়ো করল শাৰ্পি।

    ‘তোমরা ছড়িয়ে পড়ো,’ বলল সে। ‘যে রনির ট্রেইল খুঁজে বের করতে পারবে, তাকে ওখানেই নগদ বিশ ডলার দেয়া হবে!’

    মুখ তুলে বিবর্ণ আকাশের দিকে তাকাল গানম্যান। এই অবস্থায় পাহাড়ে আটকা পড়লে ঝামেলা হবে। যত এগোবে প্রতি মাইলেই বিপদ বাড়বে। যদি তুষার পড়তে শুরু করে-হঠাৎ ওর চোখ দুটো উজ্জ্বল হয়ে উঠল।

    তুষার! চমৎকার সমাধান! ওই উঁচু পাহাড়ে তুষার ঝড়ে পড়লে ড্যাশারকে আর প্রাণ নিয়ে ফিরতে হবে না। কোন দিকেই যেতে পারবে না ও। শীত পার হওয়ার আগে ওদের কেউ খুঁজেই পাবে না। ওরা যদি একটা আশ্রয় খুঁজেও পায়, শীতে জমে মরবে, কিংবা না খেয়ে মরবে। ওর সব সমস্যার সমাধান হবে। তা যদি না-ও হয়, তবু তার লোকজন রনির আগেই আলমায় পৌছবে। পথের দূরত্ব দ্বিগুণ হলেও ওই ট্রেইলগুলো ভাল, আর র‍্যাঞ্চগুলোয় আউটলদের ব্যবহারের জন্যে তাজা ভাল ঘোড়ারও ব্যবস্থা করা আছে। খোঁড়া হ্যাডলে আর ওই মেয়েকে সামলাতে ড্যাশার পিছিয়ে পড়বে।

    পাইয়ট ট্র্যাকার ট্রেইল ধরে আসছিল, শার্পিকে দেখে সে হাত ওঠাল।

    ‘ট্র্যাক পেয়েছি,’ ভাঙা ইংরেজিতে বলল সে, ‘তুমি চলো।’

    শার্পির ডাকে সবাই গুহার মুখে এসে হাজির হলো। ভিতরের অন্ধকার ছায়ার দিকে চেয়ে গানম্যান মন্তব্য করল, ‘মরতে চাইলে মানুষ ওখানে ঢুকবে।’

    ‘মরে না,’ প্রতিবাদ করল ট্র্যাকার। ‘আলমা যায়।’

    ওপাশের খোলা জায়গায় পৌঁছে ঝোপের আড়ালে ট্রেইলটা খুঁজে বের করতে ওদের প্রচুর সময় লাগল। ওরা যখন আয়রন ক্রীকের ক্রসিঙে পৌঁছল ততক্ষণে জোর তুষারপাত শুরু হয়েছে। অবস্থা দেখে শার্সি ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল। কারণ আরও এগোনো অযথা ঝুঁকি নেয়া হবে, এবং মনেমনে রনির জন্যে যে ফাঁদ চেয়েছিল, সেই তুষারের ফাঁদে নিজেই পড়ার ভয় আছে। কাজটা নিজের হাতে শেষ করা আর সম্ভব হবে না, তুষার আর আলমার লোকজনের ওপরই সেটা ছেড়ে দিতে হবে।

    ‘আমরা এবার ফিরব,’ জানাল শার্পি। ‘এতক্ষণে ওরা অনেক উপরে উঠে গেছে।’

    ‘তাই যদি হয়, তাহলে ওরা শেষ,’ খুশি হয়ে বলল আলফনসো। তুষারকেও সে ইণ্ডিয়ানদের মতই ভয় করে। ঝড়ের মধ্যে এগোনো ওর মোটেও পছন্দ হচ্ছিল না। ‘এক ঘণ্টার মধ্যেই সবগুলো পাস্ বন্ধ হয়ে যাবে।’

    .

    দুজন রাইডার সার্কেল এইচ র‍্যাঞ্চহাউসের উঠানে এসে থামল। ডাগ মারফি আর ডেড-শট ওয়াইল্স্। পথে ওরা কারও দেখা পায়নি। র‍্যাঞ্চহাউসে কাছাকাছি পৌঁছে ঝোপের আড়াল থেকে নজর রেখে দেখেছে কেউ কোথাও নেই। শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ। করালে গোটা ছয়েক ঘোড়া ইতস্তত ঘুরে বেড়াছে; সকালের মিষ্টি রোদে ওদের পালিশ করা লোমের আবরণ চিকচিক করছে; রান্নাঘরের চিমনি দিয়ে সরু ধোঁয়া অলস মন্থর গতিতে এঁকেবেঁকে উপরে উঠছে।

    ‘হাউ ডু ইউ ডু, জেন্টলমেন? তোমরা নাস্তা খেয়েছ?’ বারান্দার ছায়ায় দাঁড়িয়ে বলল বাণ্ডি। বহুক্ষণ আগেই জানালা দিয়ে ওদের দেখতে পেয়েছে সে। ঝোপের আড়ালে থামা, সতর্কতা, সবই লক্ষ করেছে। এবং ওদের হাবভাব দেখে চতুর বাণ্ডি ঠিকই চিনেছে ওরা কে। বর্তমান পরিস্থিতিতে কি করণীয় তা মনেমনে গুছিয়ে নিয়েই অভ্যর্থনা জানাতে দরজায় এসে দাঁড়িয়েছে।

    সূর্যের কড়া আলোর বিপরীতে ছায়ায় দাঁড়ানো বক্তাকে দেখার জন্যে চোখ কুঁচকাল ডাগ। ‘আমরা কফি খেয়েছি,’ বলল সে, ‘তবে নাস্তা জুটলে মন্দ হয় না।’

    হাসি মুখে বারান্দায় বেরিয়ে এল বাণ্ডি। ইস্তিরি করা ধূসর স্যুটে লোকটাকে চমৎকার দেখাচ্ছে। ‘তাহলে আর দেরি কেন? নেমে পড়ো! সঙ্গ পেয়ে ভালই হলো।’ হাত তুলে বাঙ্কহাউস দেখাল সে। ‘র‍্যাঞ্চের লোক সবাই বেরিয়ে গেছে। এসো, ভিতরে এসো।’

    বাণ্ডির ধূর্ত চোখ দ্রুত আগন্তুক দুজনকে যাচাই করে নিল। ভাসকোর মৃত্যুর খবর সে পেয়েছে। মুহূর্তে মারফিকে হত্যাকারী হিসেবে চিনে নিল। এই তরুণ কাউহ্যাণ্ড এত ফাস্ট, বিশ্বাস করা কঠিন ঠেকছে। কিন্তু কাছে এলে ওর ঠাণ্ডা চোখের দিকে চেয়ে বাণ্ডির ভিতরটা একটু কেঁপে উঠল-ওই কাঁপন, ওর মনের সব সংশয় দূর করে দিল।

    বাণ্ডির ডাকে রাধুনী এসে টেবিলে খাবার বাড়তে শুরু করল। ডেড-শট খেয়াল করল রাঁধুনী ওদের দিকে স্নেহ-ভরা চোখে তাকাচ্ছে, কিন্তু বাণ্ডির দিকে তাকানোর সময়ে মেয়েটার চোখের ভাব বদলে যাচ্ছে। ভয়? ভাবল সে, কিন্তু পরক্ষণেই চিন্তাটা নাকচ করে দিল। বাণ্ডির মত অমায়িক ভদ্রলোক কমই দেখা যায়।

    ‘হ্যাডলে কোথায়?’ মারফি হঠাৎ প্রশ্ন করল। কথার ধরনে প্রশ্নটা কৈফিয়ত চাওয়ার মত শোনাল। এই প্রশ্নের জন্যে প্রস্তুত ছিল না বুল। প্রথমে একটু অপ্রস্তুত হলেও কলেজে শিক্ষিত লোকটা ‘মুহূর্তে নিজেকে সামলে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল যে পরিবর্তনের সময় এসে গেছে।

    ‘চলে গেছে,’ বলল সে। ‘রনি ড্যাশার নামে একটা লোক হ্যাডলে আর তার মেয়েকে নিয়ে এখান থেকে পালিয়েছে। শার্সি বুমার ওদের পিছনে ধাওয়া করছে।’

    কাউহ্যাণ্ড দুজনের মধ্যে দৃষ্টি বিনিময় হলো। মারফি কফির কাপ তুলে নিল, দ্রুত চিন্তা চলছে ওর মাথায়। এই লোকটা কে, বা কি? ওকে বন্ধু বলেই মনে হচ্ছে-কিন্তু মারফির স্বভাবটাই সন্দেহপ্রবণ। অথচ বন্ধু না হলে লোকটা যা বলল, সেটা ওদের বলতে গেল কেন?

    বলে চলল বাণ্ডি। ‘এখানকার পরিস্থিতি খুব খারাপ হয়ে উঠেছিল। অবশ্য ভিতরকার কথা আমি খুব কমই জানি, কারণ বেশির ভাগ সময় আমাকে বাইরে- বাইরেই কাটাতে হয় বিভিন্ন কাজে। তোমরা তো জানো হ্যাডলের কিছু মাইনিঙের শেয়ারও আছে।’

    মারফি জানে না। কিন্তু যা জানে না তা জানতে ওর আপত্তি নেই, তাই মনোযোগ দিয়ে শুনছে। ওদিকে খাবারটাও ভাল, এবং বেশ খিদেও পেয়েছে। ডেড-শটও খাওয়ায় ব্যস্ত; কিন্তু ওর চোখ আর কান, দুটোই খোলা আছে। তবে রাধুনীর প্রতিই ওর আগ্রহ বেশি। ও ভাবছে, হ্যাডলের হাঁড়ির খবর পেতে হলে, যে হাঁড়ি-ঠেলে, তাকেই জিজ্ঞেস করা দরকার-কারণ সে পুরানো কর্মচারী। সুযোগ পেলেই ওর সাথে কথা বলবে ডেড-শট।

    ‘আমার বিশ্বাস,’ সতর্কতার সাথে বক্তব্য রাখছে বাণ্ডি, ‘সব কিছুতেই শার্পি বেশি মাত্রায় খবরদারি করছে। নিজে উপস্থিত না থাকলে সে কখনও আমাকে মিস্টার হ্যাডলে বা তার মেয়ের সাথে দেখা করতে দেয়নি। মালিকের সব নির্দেশ আমাকে ওরই মাধ্যমে জানতে হত। কিছুকিছু আদেশ আমার কাছে অস্বাভাবিক বা মালিকের জন্যে ক্ষতিকর মনে হলেও আমাকে মেনে নিতে হয়েছে।’

    ওদের খাওয়ার মাঝেই কয়েকজন রাইডার বাইরে থেকে ফিরে এল। ডেড- শট লক্ষ করল ঘোড়াগুলো দেখে ওরা র‍্যাঞ্চহাউসের দিকে তাকাল। ওদের একজনের দাঁত বেশ বড় বড়। লোকটা ঘোড়া দুটোকে ধীরে চক্কর দিয়ে খুঁটিয়ে দেখে দ্বিতীয়বার র‍্যাঞ্চহাউসের দিকে তাকিয়ে বাঙ্কহাউসে ঢুকল।

    ‘আসলে,’ বলে চলল বাণ্ডি, ‘এদিককার ঘটনা আমি বিশেষ কিছুই জানি না। আমি জানি ড্যাশারের ধারণা হয়েছে মিস্টার হ্যাডলে আর তার মেয়েকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে এখানে আটকে রাখা হচ্ছে, তাই সে ওদের সরিয়ে নিয়ে গেছে। শার্পির কাণ্ড-কারখানা দেখে মনে হচ্ছে ধারণাটা মিথ্যা নয়। সবথেকে শক্ত লোকজন বেছে নিয়ে শার্সি ওদের পিছনে ধাওয়া করেছে।’

    কথা বলার ফাঁকে ভবিষ্যৎ ভেবে নিয়েই বলছে বাণ্ডি। শার্পি যদি ড্যাশারকে ধরতে পারে তাহলে দুজনের একজন মরবে। শার্সি মরলে চিন্তা নেই, কারণ তার বিরুদ্ধে কেউ কিছু প্রমাণ করতে পারবে না। কিন্তু ড্যাশার মরলেই মুশকিল। এই দুজনকে যদি শার্পির বিরুদ্ধে খেপিয়ে তুলে ওকে খতম করানো যায়, তাহলে তার নিজস্ব প্ল্যানে আর কোন বাধা থাকবে না। পুরো র‍্যাঞ্চটা সে একাই ভোগ করতে পারবে। এদের দুজনকে কোন বাহানায় এখানে ধরে রাখতে পারলেই তার লাভ।

    ‘এখনই বেরিয়ে পড়লে তোমাদের কোন লাভ হবে না,’ পরামর্শ দিল বাণ্ডি। ‘ওদের এখন আর ধরতে পারবে না। তারচেয়ে তোমরা এখানেই বিশ্রাম করো, শার্পি ওদের ধরতে পারুক আর না-ই পারুক, ওকে এখানে ফিরে আসতেই হবে। কারণ, আকাশ দেখে মনে হচ্ছে তুষারপাত হবে, এবং বরফের মধ্যে শার্পি পাহাড়ে থাকবে না, সব পথ বন্ধ হয়ে যাবে।’

    ‘তোমার কি মনে হয় ড্যাশার আলমায় যাওয়ার চেষ্টা করছে?’ প্রশ্ন করল মারফি।

    ‘আমি নিশ্চিত। ওদিকে যাবার আর কোন জায়গা নেই। মিস্টার হ্যাডলে আর সুজানাকে নিয়ে ওখানে পৌঁছতে পারলে ড্যাশারও নিরাপদ থাকবে।’

    ‘ড্যাশার? নিরাপদ? হাঃ,’ তাচ্ছিল্যের হাসি হাসল ডেড-শট। ‘নিজের নিরাপত্তার ধার ধারবে না সে, শার্পিকে শেষ করতে ধাওয়া করবে!’

    ‘কোন ভুল নেই,’ ওকে সমর্থন করল ডাগ। ‘ওকে আগে শেষ করে ওর দলের আর সবাইকে শেষ করতে এখানে আসবে।’

    ‘ওর ওপর দেখছি তোমাদের অগাধ বিশ্বাস,’ মন্তব্য করল বুল। ডাগের কথায় কেমন একটা ঠাণ্ডা অনুভূতি হচ্ছে ওর। কিন্তু রনি ড্যাশার শার্পির কি করবে? পিস্তলে ওর হাত কিছুটা ভাল হতে পারে তবু নিছক সাধারণ কাউহ্যাণ্ড সে। আর বুমার হচ্ছে পেশাদার পিস্তলবাজ। ‘আমার তো মনে হয় দুজনের মধ্যে শাৰ্পিই ধোপে টিকবে।

    ‘শার্সি বুমারের খ্যাতির কথা আমি শুনেছি,’ স্বীকার করল ডেড-শট। ‘কিন্তু রনির সামনে দাঁড়াবার যোগ্যতা আছে এমন লোক আজ পর্যন্ত আমার চোখে পড়েনি।’ কফির কাপটা আবার ভরে নিল সে। ‘শার্পির সাথে এতে আর কে কে আছে? সে কি একা?’

    ‘ভাসকো সেদিন রাতে হর্স স্প্রিঙসে মারা পড়েছে।’ ডাগের দিকে চোখ ফেরাল বুল। ‘তোমারই হাতে-আমার বিশ্বাস।’

    ‘হ্যাঁ, শুনেছি ওটাই ওর নাম। আর কে?’

    ‘হিসেব করে দেখি’-সতর্ক হলো বুল-’বার্কারকে রনি মেরেছে, কিন্তু আর একজন আছে, ফিউরি। বিষাক্ত লোক, আর একজন আছে টিচ। তারপর আছে হর্স স্প্রিঙসের বারটেণ্ডার স্যাম হাডসন-শার্পির পুরানো বন্ধু। ওর যদি কিছু হয় বেশির ভাগ লোকই দ্রুত সরে পড়বে। সে-ই হচ্ছে পালের গোদা।’

    ‘তুমি ওর সাথে আছ কেন?’ কথার ছলে জিজ্ঞেস করল ডেড-শট।

    মাছি তাড়ানোর ভঙ্গিতে বাতাসে হাত নাড়ল বুল। ‘আমাকে ওর দরকার ছিল, আর ভেবেছিলাম হ্যাডলে পরিবারকে আমি সাহায্য করতে পারব। এখানকার পরিস্থিতি পুরো বুঝতে না পারলেও এটুকু বুঝেছিলাম আমার উপস্থিতিতে হ্যাডলেরা স্বস্তি পায়। তাই আমি থেকে গেছি। তাছাড়া এখানে আমারও কিছু স্বার্থ আছে।’

    ‘পার্টনার?’ প্রশ্ন করল ডাগ।

    চট করে চোখ তুলে ডাগের দিকে তাকাল বুল। কথাটা কি ব্যঙ্গ করে বলা হলো? ডাগ চুপচাপ খাচ্ছে। বাণ্ডির প্রতিক্রিয়া সে লক্ষ করেছে বলে মনে হলো না। ‘ঠিক তা নয়, সাবধানে কথা সাজাচ্ছে সে, ‘কিন্তু আমার স্বার্থ আছে। আমি র‍্যাঞ্চের পক্ষ থেকে কিছু স্টক বিক্রি করেছি-কিছু নিজেও কিনেছি। এই র‍্যাঞ্চেই আমার নিজস্ব ব্র্যাণ্ডের কিছু গরু চরছে।’

    ‘ব্র্যাণ্ডটা কি?’

    ‘সার্কেল বি।’ নিচু স্বরে জবাব দিল বুল। কথাটা রাঁধুনীর কানে যাক, এটা সে চায় না। কারণ, ব্যাণ্ডটা বুমারের নামে রেজিস্ট্রি করার জন্যে ওকে পাঠানো হয়েছিল। সে ওটা নিজের নামেই রেজিস্ট্রি করে এসেছে। বুমার আর বুল, দুটো নামই ‘বি’ দিয়ে শুরু। এটার পুরো সুযোগ নিয়ে সে অত্যন্ত চতুর একটা প্ল্যান এঁটেছে। র‍্যাঞ্চ দখল করার কাজ সবই করবে শার্পি, কিন্তু ফায়দা লুটবে বাণ্ডি। কাগজে-কলমে সার্কেল বি-র মালিক বুল, সুতরাং শার্পি র‍্যাঞ্চ দখল করার পর ওকে খুন করিয়ে সে মালিক হয়ে বসলে কারও বলার কিছু থাকবে না। পুরোপুরি চোরের ওপর বাটপাড়ি। কাজ এখনও অনেক বাকি ব্র্যাণ্ডের ব্যাপারটা আগেই শার্সি জেনে ফেললে বাণ্ডির বিপদ আছে, তাই ওকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হচ্ছে।

    ‘আমি ভেবেছিলাম ওটা বুমারের ব্র্যাণ্ড,’ বলল ডেড-শট।

    ‘ওর কোন ব্র্যাণ্ড নেই। কথাটা দু’একবার তুললেও শেষ পর্যন্ত ফাইল করেনি। আমার মনে হয় হ্যাডলের স্টক চুরি করার দিকেই ওর ঝোঁক বেশি। কতগুলো কুখ্যাত রাসলারের সাথে ওর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আছে।’

    বাণ্ডি জানে সে যেসব কথা বলেছে, এরপর শার্সি শীঘ্রি মারা না পড়লে ওর জীবনের দাম কানাকড়িও থাকবে না। এখন শার্সি ফিরলে, এই দুজনকে দিয়েই তাকে কাজটা করাতে হবে।

    ‘শার্পি বুমার ভয়ানক লোক,’ সতর্কতার সাথে মনেমনে কথাগুলো গুছিয়ে নিয়ে আবার বলে চলল বাণ্ডি। ‘ও যতদিন বেঁচে আছে, আমাদের সবার বিপদও তত বাড়ছে। হ্যাডলেদের সাহায্য করায় ড্যাশারের ওপর সে ভীষণ খেপেছে। ড্যাশারকে ও শেষ করেই ছাড়বে। ওদের কারও রেহাই পাওয়ার উপায় নেই। ‘

    ড্যাশারের ওপর আস্থা থাকা সত্ত্বেও অমঙ্গলের আশঙ্কায় মুখ কুঁচকে ভাবছে ডাগ। অ্যাপাচি এলাকায় রনিকে একা যুঝতে হবে নয়জন কঠিন খুনীর বিরুদ্ধে। আবার একজন খোঁড়া বুড়ো, আর তার মেয়েকেও ওর রক্ষা করতে হবে-কঠিন কাজ, সন্দেহ নেই।

    সঙ্কল্পে কঠিন হয়ে উঠল ডাগের চোয়াল। সে বলল, ‘শার্পি এখানে ফিরে এলে সে মরবে।’

    মাথা ঝাঁকাল বাণ্ডি। ‘ওর মত লোকের ‘মরাই উচিত।’ উঠে দাঁড়াল সে। ‘তোমরা নিশ্চিন্তে খাওয়া সেরে এখানেই বিশ্রাম করো পুরো বাড়িটাই খালি রয়েছে। খুচরো লোকের সাথে ঝামেলা না চাইলে বাঙ্কহাউসে তোমাদের না যাওয়াই ভাল। শার্সি যেকোন সময়ে ফিরতে পারে। তোমরা যেয়ো না, আমি এখনই ফিরব।’

    বাইরে এসে চুরুট ধরিয়ে একটা লম্বা টান দিল বাণ্ডি। বর্তমানে গ্র্যাণ্ড ক্যানিয়নের ওপর বাঁধা দড়ির ওপর দিয়ে হাঁটার মত অবস্থা ওর। পা ফস্কালেই মৃত্যু। মারফি দক্ষ পিস্তলবাজ, ওর সঙ্গীও হয়তো যোগ্য লোক, কিন্তু তবু সে নিজেও রাইফেল হাতে আড়ালে প্রস্তুত থাকবে। ঝুঁকি নিতে সে রাজি নয়।

    বাকি লোকজনকে সামলাবার জন্যে সে টার্কি স্প্রিঙস ক্যানিয়ন থেকে নিজের লোকজন নিয়ে আসবে। কেবল চারজন, কিন্তু ওরা বাছাই করা লোক। নিজের মনেই হাসল বাণ্ডি। শার্সি বুমার একটা বোকা লোক। পিস্তলের জোরে সে কেবল শত্রুই বাড়িয়েছে। লোকটা টেরই পায়নি বাণ্ডি কিভাবে তলেতলে সব গুছিয়েছে।

    কফি কাপের দিকে চেয়ে চিন্তা করছিল মারফি। মুখ তুলে সে বলল, ‘এই ব্যাপারটা আমার কাছে ভাল ঠেকছে না।’

    ‘চলো, আমরা কথা বলে দেখি রাধুনী কতটা জানে।’

    মহিলার সাথে কথা বলে সবকিছু দিনের আলোর মত পরিষ্কার হয়ে গেল। শার্সি আর বাণ্ডি একই সাথে কাজ করছে। বাণ্ডি আশা করছে শার্পি ধাওয়া করে রনি আর হ্যাডলেদের শেষ করেই ফিরবে। সুতরাং ডাগ আর ডেড-শটকে শার্পির পিছনে লাগিয়ে ওকে খতম করতে পারলেই র‍্যাঞ্চটা ওর দখলে চলে আসবে, এবং সেও দিব্যি সার্কেল বি-র নামে র‍্যাঞ্চটা চালাতে পারবে।

    খাবার ঘরে ফিরে এল ওরা। জানালার কাছে এগিয়ে ডাগ দেখল করালের কাছে দাঁড়িয়ে বাণ্ডি উদ্‌গ্রীব হয়ে পাহাড়গুলোর দিকে চেয়ে আছে। হঠাৎ দুজন আরোহী দ্রুতবেগে ঘোড়া ছুটিয়ে এসে হাজির হলো। দরজা দিয়ে বারান্দায় বেরিয়ে এল ডাগ। লোক দুটো ঘোড়ার পিঠ থেকে নেমে বাণ্ডির সাথে কথা বলল। বাঙ্কহাউস থেকে একজন বেরিয়ে এসে ওদের ঘোড়া নিয়ে গেল। বাণ্ডি ওদের দুজনকে নিয়ে বাঙ্কহাউসে ঢুকল।

    স্নো পড়তে শুরু করেছে। উঠানে নেমে লোকগুলো যেখানে দাঁড়িয়েছিল সেদিকে এগোল ডাগ আর ডেড-শট।

    ‘রক্ত দেখা যাচ্ছে,’ বলল ডেডশট, ‘আহত হয়েছে ওরা।’

    ‘সম্ভবত রনির সাথে ওদের মোলাকাত হয়েছে, কিন্তু শার্পি এখনও ফেরেনি-অর্থাৎ রনি এখনও পশ্চিমেই যাচ্ছে।’

    ‘কিংবা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে।’

    ‘চলো, ওদের মুখ থেকেই শোনা যাক!’

    দ্রুত উঠান পেরিয়ে বাঙ্কহাউসের দিকে এগোল ওরা। দরজার কাছে পৌঁছতেই দরজা খুলে বাণ্ডি বেরিয়ে এল। ওদের সামনে দেখে একে-একে দুজনকে দেখল।

    ‘ভিতরে যেয়ো না!’ তীক্ষ্ণ স্বরে বলে উঠল সে। ‘কোন দরকার নেই!’

    ‘যারা এইমাত্র এল তাদের সাথে আমরা কথা বলতে চাই।’

    ‘দরকার নেই। তোমরা যা জানতে চাও তা আমিই জানাচ্ছি।’ বাইরে বেরিয়ে পিছনে দরজাটা বন্ধ করল সে।

    ‘ওই লোকগুলো আহত।’ বিরক্ত স্বরে বলল ডাগ। লোকটাকে অপছন্দ করতে শুরু করেছে সে।

    ‘তা ঠিক,’ স্বীকার করল বাণ্ডি। ও ভয় পাচ্ছে, যেসব কথা এই দুজনকে সে বলেছে তার সামান্য কিছুও যদি প্রকাশ পায় তাহলে সব পণ্ড হবে। ‘রনি শার্পিকে বোকা বানিয়েছে। অ্যাপাচিদের লেলিয়ে দিয়ে ওদের মধ্যে লড়াইয়ের ফাঁকে সরে পড়েছে। এরা দুজন আহত হয়েছে, দলের একজন মারাও পড়েছে।’

    ‘রনি বেরিয়ে গেছে?’

    ‘হ্যাঁ। এরা যখন এসেছে, তখনও কেউ ওর ট্রেইল খুঁজে পায়নি। অবশ্য এতক্ষণে হয়তো পেয়েছে। ওদের সাথে একজন পাইয়ূট ট্র্যাকার আছে।

    সবথেকে বড় কথা রনি এখনও জীবিত আছে। এবং পথ চলছে।

    ‘ভাল কথা,’ ডেড-শট বলল, ‘কিন্তু আমরা সব কথা ওদের মুখ থেকেই শুনতে চাই। আমরা ভিতরে যাচ্ছি।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেতের পর – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    শেষ অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    খুনে মার্শাল – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }