Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্ষ্যাপা তিনজন – কাজী মাহবুব হোসেন

    কাজী মাহবুব হোসেন এক পাতা গল্প184 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক্ষ্যাপা তিনজন – ১১

    এগারো

    ইতস্তত করছে বাণ্ডি বুল। মুহূর্তের জন্যে ওর মাথা রাগে গরম হয়ে উঠেছিল। কিন্তু এদের বিরুদ্ধে লাগতে যাওয়ার ফলাফল আঁচ করে নিজেকে সংযত রাখল। কিন্তু এই দুজনকে বাঙ্কহাউসে ঢোকা থেকে বিরত রাখার কোন ভাল অজুহাত ওর মাথায় আসছে না। ‘ওদের বিব্রত কোরো না!’ প্রতিবাদ করল বাণ্ডি। ‘ওরা দুজনই আহত। ওদের বিশ্রাম নিতে দাও।’

    ‘বিশ্রাম ওরা পাবে।’ সরাসরি বাণ্ডির দিকে চোখ ফেরাল ডাগ। পরস্পরকে যাচাই করছে ওরা। শেষে বাণ্ডিই চোখ সরিয়ে নিল। ‘শুনে রাখো,’ আবার বলল সে, ‘ডেড-শট আর আমি এখানকার সব খবরাখবর নিতে চাই। তাই না, ডেড- শী?’

    ‘নিশ্চয়।’ বুটের গোড়ালির ওপর দুলছে ডেড-শট। ওর চোখ দুটো কঠিন হয়ে উঠেছে, কিন্তু মুখে হাসি। ‘এখানকার সব ঘটনাই আমাদের কাছে খুব ইন্টারেস্টিঙ মনে হচ্ছে। রনি ফিরে না আসা পর্যন্ত আমরা এখানে থাকছি। ও যদি ফিরে না আসে, তবে সে যা শুরু করেছিল তা আমরাই শেষ করব। পুরাপুরি!’

    বাণ্ডির ভিতরে কেমন যেন একটা অস্বস্তিকর অনুভূতি হচ্ছে। ঝামেলায় জড়াতে তৈরি লোক সে অনেক দেখেছে, কিন্তু এমন আর দুটো দেখেনি।

    ‘ঠিক আছে, তোমরা চাইলে ওদের সাথে কথা বলো,’ পরোয়াহীন ভাব দেখিয়ে বলল বাণ্ডি, ‘কিন্তু ওরা কর্মচারীর বেশি কিছু না। ওরা জানে সামান্যই, আঁচ করে বেশি। ওদের মধ্যে দাড়িওয়ালা লোকটা টোনি, আর অন্যজন রুবেন।’

    ‘ধন্যবাদ।’ দরজার দিকে এগোল ডাগ। ‘তোমার সাথে পরে দেখা হবে।’ দরজা ঠেলে ভিতরে ঢুকে বামে সরে দাঁড়াল সে। ডেড-শট ওকে অনুসরণ করল।

    মুখ তুলে তাকিয়ে দুজন অপরিচিত লোককে ঢুকতে দেখে ওদের চেহারা কঠিন হলো। ‘তোমরা আবার কে?’ প্রশ্ন করল রুবেন।

    ‘দুজন ভবঘুরে স্ট্রেঞ্জার। কিছু প্রশ্ন নিয়ে এসেছি।’

    ডাগ মারফি ওদের যাচাই করে দেখল। লীডার গোছের কেউ নেই, তবে এরা কঠিন লোক।

    ‘আমরা সব ফাইটিঙেই আগ্রহী, তবে আপাতত এই ইণ্ডিয়ান লড়াই সম্পর্কে জানতে চাই।’

    ‘গল্প শোনাবার মূড আমাদের নেই,’ বিরক্ত কণ্ঠে বলল রুবেন। নবাগত লোক দুটোর মাতব্বরি চাল ওর অসহ্য ঠেকছে।

    ‘আহা, এমন পরপর ভাব দেখাচ্ছ কেন?’ সহজ সুরে বলল ডেড-শট। তারপর একটা বাঙ্কে বসে সিগারেট রোল করতে শুরু করল। ‘আমরা শুধু ওদিকে পাহাড়ে কি ঘটেছে সেই গল্প শুনতে চাই। ওটা নিশ্চয় আকর্ষণীয় হবে। তোমাদের কে গুলি করেছে?’

    টোনি এতক্ষণ তাকিয়ে দেখছিল, এবার তার হলুদ চোখ দুটো সরিয়ে নিল। আহত হয়ে ওর মেজাজটা একটু তিরিক্ষি হয়ে আছে। ওদের কারও চোটই মারাত্মক নয়, তবে বেশ কিছু রক্ত হারিয়েছে। কিন্তু ও কিছু বলার আগে রুবেনই পালটা প্রশ্নে জবাব দিল। ‘তোমরা কে? এখানে কি চাও?’

    ‘সাধারণ কাউহ্যাণ্ড। ওদিকে আমাদের একজন বন্ধু আছে।’ মাথা ঝাঁকিয়ে পাহাড়ের দিক ইঙ্গিত করল ডেড-শট। ‘ওর নাম ড্যাশার। ওকে চেনো?’

    চমকে মাথা তুলে স্ট্রেঞ্জার দুজনের দিকে কতক্ষণ চেয়ে থাকল। ‘না,’জবাব দিল রুবেন, ‘ওর নামও শুনিনি।’

    হেসে উঠল ডাগ। শব্দটা টোনির কানে অপ্রীতিকর শোনাল। চট করে ওকে যাচাই করে দেখে সাবধানে বলল, ‘না, ওকে চিনি না।’ ডাগের ওপর থেকে চোখ সরাল না সে।

    ‘এরকম একটা জবাবই আশা করেছিলাম,’ ডাগ বলল, কিন্তু আমার ধারণা আমরা তোমাদের বোঝাতে পারব যে বাড়াবাড়ি না করাই ভাল। জানো, তোমাদের মেয়াদ এখানে শেষ? মানে শার্সি, আর তার দলের, সবার।

    ‘মেয়াদ শেষ?’ কুৎসিত ভাবে হাসল রুবেন। ‘বোকার মত কথা বোলো না! এই র‍্যাঞ্চ দখলে রাখতে শার্পির কোন ঝামেলাই হবে না-হলেও বাঙি প্রলেপ দিয়ে তা ঠিক করে নেবে।’

    ‘ও, তাহলে সেও একই গোয়ালের গরু? দলের লোক?’

    ‘তাছাড়া কি?’ হাসি মিলিয়ে ওর চেহারা গম্ভীর হলো। ‘তোমাদের কেটে পড়া ভাল। এই মুহূর্তে আমি ঝামেলায় যেতে চাই না।’

    ‘না,’ শান্ত স্বরে বলল মারফি। ‘আমরা নয়, তোমরাই যাবে। অবশ্য সেটাও তোমাদের ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে। যদি লক্ষ্মী ছেলের মত কথা বলো, কেবল তাহলেই ঘোড়ায় চড়ে এখান থেকে যেতে পারবে। নইলে কয়েটিদের খাওয়া শেষ হলে ওরা তোমাদের কবর দেবে।’

    ‘মুখেই কেবল বড়বড় কথা,’ অবজ্ঞার সাথে ভেঙচি কাটল রুবেন। ‘করার মুরোদ আছে?’

    ‘নিশ্চয়! দেখতে চাও?’ একপা আগে বেড়ে তৈরি হয়ে দাঁড়াল ডাগ।

    হঠাৎ কৌতুকের সাথে রুবেনের সাহসও অনেকখানি উবে গেল। লোকটা চতুর নয় বটে, কিন্তু বিপদ-সঙ্কেত দেখতে পেলে ঠিকই চেনে। এবং এখন সে বিপদ দেখতে পাচ্ছে। পরিষ্কার।

    ‘তুমি কি জানতে চাও?’ জিজ্ঞেস করল সে। ‘তুচ্ছ ব্যাপার নিয়ে ফাইট করে লাভ নেই।’

    ‘ড্যাশার এখন কোথায়?’

    হেসে উঠল রুবেন। ‘আমি যেসব প্রশ্নের উত্তর জানি তেমন কিছু জিজ্ঞেস করো। লোকটা স্রেফ হাওয়া হয়ে গেছে। পাথরের ওপর চললে সাপ যতটুকু ট্রেইল রাখে, সে তাও রাখেনি। যাও বা ট্রেইল পেলাম, দেখলাম যে পথে পাহাড়ী ছাগলও নামতে ভয় পাবে সেই পথেই নেমেছে ও।

    ‘নিচে একটা আগুন জ্বলতে দেখে আমরা আক্রমণ করতে এগোলাম-উলটো দিক থেকে অ্যাপাচিরাও একই উদ্দেশ্যে আগুনের দিকে এগোচ্ছিল। লড়াই হলো, আমরাই জিতলাম, কিন্তু বার্ট ডেভিসকে হারালাম। ড্যাশার এর ফাঁকে সরে পড়ল। আমরা যখন ফিরি তখনও ওর ট্রেইলের সন্ধান পাওয়া যায়নি।’

    হঠাৎ মাথা তুলল ডেড-শট। ঘোড়ার খুরের শব্দ ওর কানে এসেছে। কিন্তু বাইরে উঁকি দিয়ে কিছুই চোখে পড়ল না। চারদিক নিস্তব্ধ। অবিরাম তুষার পড়ছে। রনির কথা মনে হলো ওর। উঁচু পাহাড়ে আরও ভারী তুষারপাত হচ্ছে এখন, বাতাসও খুব ঠাণ্ডা।

    রাতে চামড়া আর মাংস ভেদ করে শীত হাড় পর্যন্ত গিয়ে বিধবে। তুষার এই হারে পড়তে থাকলে ভোর হওয়ার আগেই সব গিরিপথ বন্ধ হয়ে যাবে। এই প্রথম রনির জন্যে ডেড-শটের দুশ্চিন্তা হচ্ছে, কারণ এখন কেবল আউটল নয়, বরফ আর পাহাড়ী শীতের বিরুদ্ধেও ওকে যুঝতে হবে।

    ‘তোমাদের জখম ব্যাণ্ডেজ করা শেষ হলে জিনিসপত্র গুছিয়ে নিয়ে এখান থেকে বিদেয় হও,’ বলল ডাগ। ‘এখানে আর তোমাদের রাখা হবে না।’

    ‘আমাকে আদেশ দিচ্ছ তুমি?’ অবজ্ঞার সাথে বলল রুবেন। ওর সাহস আবার ফিরে আসছে। সে লক্ষ করেছে টোনি ব্যাণ্ডেজ বাঁধা শেষ করে নিজের বাঙ্কের মাথার কাছে দাঁড়িয়েছে। রুবেন জানে আকস্মিক প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্যে বালিশের তলায় একটা পিস্তল রাখে টোনি। উত্তেজনায় রুবেনের ঊরুর পেশী জিনসের মোটা কাপড়ের নিচে আঁকড়ে শক্ত হয়ে ফুলে উঠল।

    ওর এই আড়ষ্ট অবস্থাই মারফিকে সাবধান করল। ওদের দুজনের ওপর চোখ রেখেই সে কথার ছলে প্রশ্ন করল, ‘বাণ্ডি এখানকার কি? সে-ই বস্, নাকি শার্পি?’

    ‘শার্পি।’ রুবেনের স্বর নীরস শোনাল। ‘বাণ্ডি নিজেকে অনেক বড় মনে করে, কিন্তু শার্পির কাছে ও কিছুই না। তবে আমি শার্সি হলে ওর ওপর কড়া নজর রাখতাম। লোকটা ঠাণ্ডা মেজাজে একা বসে মাছির পা একটা-একটা করে ছিঁড়তে পারে-ওর রুচিটাই বিকৃত।’

    ‘ভাল; এখন আমরা যাচ্ছি।’ একজন থেকে অন্যজনের দিকে তাকাল মারফি। ‘মনে রেখো কি বলেছি। কোন রকম চালাকি করতে যেয়ো না, তাহলে মিছে মারা পড়বে। সময় থাকতেই চলে যাও, কারণ বাছাই করে ছাঁটাই শুরু হয়ে গেছে। তোমাদের এক ঘণ্টা সময় দেয়া হলো!’

    পাশ ফিরে চেয়ে মারফি দেখল দরজার পাশে ঝোলানো শেভ করার আয়নায় টোনিকে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। ডেড-শটের দিকে চেয়ে নড করে ঘুরে দরজার দিকে এগোল সে। চট করে বালিশের তলা থেকে পিস্তল বের করার জন্যে হাত বাড়াল টোনি।

    আয়নায় নড়াচড়া লক্ষ করে মুহূর্তে ঘুরে কোমরের পাশ থেকেই গুলি করল মারফি। গুলিটা সরাসরি টোনির বুকে বিঁধল। পিস্তল তুলে তাক করারও সময় পায়নি ও। হাঁটু ভাঁজ হয়ে মেঝের ওপর গড়িয়ে পড়ল লোকটা। রুবেনের মুখ থেকে রক্ত সরে গেছে, ওর টেবিলে রাখা পিস্তলের বাঁট ধরা হাত ওই অবস্থাতেই স্থির হয়ে রয়েছে। অবাক বিস্ময়ে চেয়ে সে বোঝার চেষ্টা করছে স্ট্রেঞ্জার দুজনের হাতে তারই দিকে তাক করা পিস্তল দুটো কোথা থেকে এল।

    ‘তুমি কি ড্রটা শেষ করতে চাও?’ সহজ সুরে প্রশ্ন করল ডাগ। ‘তাহলে আমি না হয় আমারটা খাপে রাখি, তারপর আবার প্রথম থেকে শুরু করা যাবে?’

    ‘তোমার ড্র দেখে আমার শখ মিটে গেছে, মিস্টার,’ বলে, জিভ দিয়ে ঠোঁট চাটল রুবেন। ‘আমি কেবল প্রাণ থাকতে এখান থেকে সরে পড়ার একটা সুযোগ চাই।’

    ‘বেশ, আমরা বাধা দেব না।’

    টোনির দিকে একবার আড়চোখে চেয়ে উঠে দাঁড়াল রুবেন। ‘এমন আমি জীবনে দেখিনি। ওই ছেলের চোরা-পিস্তলে অগাধ বিশ্বাস ছিল।’ বেডরোল তুলে নিয়ে দরজার কাছে গিয়ে থামল সে। ‘আমি কোনদিকে যাব?’

    ‘সেটা তোমার ইচ্ছা,’ জবাব দিল ডেড-শট। ‘কিন্তু তোমাকে যেন আমরা আবার না দেখি। যদি চাও, হর্স স্প্রিঙসে গিয়ে তুমি শার্পির দলের সবাইকে সুস্থ আবহাওয়ায় সরে যাওয়ার পরামর্শ দিতে পারো।’

    রুবেন চলে যাওয়ার পর র‍্যাঞ্চহাউসে ফেরার জন্যে এগিয়েও তুষারের ওপর কয়েকটা ঘোড়ার খুরের ছাপ দেখে ওরা থামল। ঘোড়াগুলোকে বাঙ্কহাউসের পাশ দিয়ে নিঃশব্দে হাঁটিয়ে নিয়ে ট্রেইল ধরা হয়েছে। ওরা জানে না যে এই আরোহীদেরই রনিকে বাধা দেয়ার জন্যে বাণ্ডি আলমার দিকে রওনা করিয়ে দিয়েছে। এবং নিজেও ঘোড়ায় চড়ে উত্তরে টার্কি স্প্রিঙস ক্যানিয়নের দিকে গেছে। সে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নিজের লোকজনকে র‍্যাঞ্চে নিয়ে আসার সময় হয়েছে।

    ‘ওদের কি আমরা অনুসরণ করব?’ কি করা উচিত বুঝতে পারছে না ডেড- শট।

    ‘চলো, আগে বাণ্ডিকে খুঁজে বের করি। ওর সাথে আমাদের আবার কথা হওয়া দরকার।’

    .

    পাহাড়ে অনবরত বরফ পড়ছে। তুষারের সাদা চাদরে ঢাকা পড়েছে ট্রেইল। কেবল ডাইনে আর বাঁয়ের ঝোপঝাড় দেখে ট্রেইল চিনে রনিকে এগোতে হচ্ছে। উইলো ক্রীক পার হয়ে এসেছে ওরা। রনির ধারণা সামনে একটা ট্রেইল দেখতে পেয়েছে ও।

    বাড হ্যাডলে রনির পাশে সরে এল। ‘শার্পি এই তুষারের মধ্যে আমাদের অনুসরণ করবে না,’ বলল সে। ‘ও নির্ঘাত ফিরে যাবে।

    ‘আমারও তাই মনে হয়।’ বুড়োর চেহারা খুঁটিয়ে লক্ষ করল রনি। লোকটা কাহিল হয়ে পড়েছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু এখন থামার মানে নিশ্চিত মৃত্যু। একজনের নয়, সবারই। ‘কিন্তু ভেব না সে পুরোপুরি হাল ছাড়বে। অন্য পথে ও আমাদের বাধা দেয়ার চেষ্টা করবে।’

    রনির কথাটা একটু ভেবে দেখল হ্যাডলে। ‘হ্যাঁ, ও যদি ঘোরা পথে লোক পাঠায় তবে বারবার ঘোড়া বদলে নিয়ে ছুটলে আমাদের আগে ওরা আলমায় পৌঁছতে পারবে।’

    ‘ও কি পথে তাজা ঘোড়া পাবে?’

    ‘নিশ্চয়। রাসলারদের সাথে ওর ভাল যোগাযোগ আছে। রাসলারদের গোটা- ছয়েক আস্তানায় ওরা ঘোড়া বদলাবার সুযোগ পাবে। হ্যাঁ,’ স্বীকার করল বাড়, ‘ওরা আমাদের জন্যে অপেক্ষা করবে-অবশ্য যদি আমরা বেরোতে পারি।’

    ‘আমরা বেরোব। আচ্ছা, আলমায় কি ওর বন্ধুবান্ধব আছে?’

    ‘হ্যাঁ। ওই ঈগল সেলুনটা হচ্ছে টাউট আর আউটলদের আড্ডা। অনেক আগেই ওটা পুড়িয়ে শেষ করা আমাদের উচিত ছিল।’

    অনেক উঁচুতে উঠেছে ওরা। দশ হাজার ফুট উঁচুতে গোড়ালির গাঁট পর্যন্ত তুষারের ওপর ঘোড়াগুলো নিষ্ঠার সাথে পরিশ্রম করে চলেছে।

    বাকি দুজনের যে কতটা সহ্য করতে হচ্ছে, সেটা রনি নিজের কষ্ট থেকেই বেশ বুঝতে পারছে। সব রকম আবহাওয়াতে কষ্ট সহ্য করে সে অভ্যস্ত। তুষারপাত থামার কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এখন থেকে ট্রেইলগুলো বন্ধ হওয়া শুরু করবে। ওরা যদি এখন থামে তাহলে পাহাড়েই আটকা পড়বে। পরিস্থিতির গুরুত্ব সে জানে, তাই সামান্য বিশ্রাম ছাড়া কোথাও বেশিক্ষণ থামার ইচ্ছা ওর নেই।

    ওপাশে পৌছার জন্যে ওদের এখন আর মাত্র একশো ফুট উঁচুতে উঠতে হবে। কিন্তু গিরিপথের কাঁধটা এখনও বেশ দূরে। পথ যেন ফুরোতেই চায় না। তুষার আরও গভীর হয়েছে প্রায় ঘোড়ার হাঁটু পর্যন্ত। পায়ে-পায়ে এগোচ্ছে ঘোড়া।

    বাতাসে তুষারের ঘনত্ব এখন আরও বেড়েছে। সামনে বা পিছনে বেশিদূর দেখা যাচ্ছে না। পিঠ সোজা করে জিনের ওপর স্থির বসে আছে বাড। তুষারের পুরু আবরণে ওকে স্নোম্যানের মতই দেখাচ্ছে।

    কিছুক্ষণ পর হঠাৎ রনির দেহের ভর সামনের দিকে ঝুঁকে এল। নিচে নামছে ওরা! আরও কিছুদূর এগোবার পর তুষার পাতলা হয়ে এল। রনি বুঝল পুব ঢালের তুষার পশ্চিম ঢালে বিশেষ সুবিধা করতে পারছে না- মাত্র অল্পকিছু তুষার উপচে এপাশে আসছে।

    বিশ্রাম নেয়ার জন্যে ক্যাম্প কর জায়গা খুঁজছে রনি। সে জানে বাড কেবল মনের জোরেই ঘোড়ার ওপর টিকে আছে-লোকটা যেকোন মুহূর্তে পড়ে যেতে পারে। আরও কিছুটা নামার পরে পাহাড়ের গায়ে বিরাট একটা গর্ত দেখতে পেয়ে আপাতত ওখানেই থামার সিদ্ধান্ত নিল রনি। বারো ফুট চওড়া গর্তটা পাহাড়ের ভিতর প্রায় বিশ ফুট ঢুকে গেছে। ছাদটা দশ ফুট উঁচু। ক্যাম্প করার জন্যে আদর্শ জায়গা। ভিতরে ঘোড়াগুলোর জন্যেও যথেষ্ট জায়গা হবে।

    বাডকে ধরাধরি করে পাথরের দেয়ালে হেলান দিয়ে বসিয়ে দ্রুত কাঠ জোগাড় করে এনে আগুন জ্বালাল রনি। সুজানা তুষার গলিয়ে কফি তৈরি করতে ব্যস্ত হলো। ওদের খাবার ফুরিয়ে গেলেও কফি আছে। গরম কফিতে খিদে না মিটলেও শীতের কামড় কিছুটা কাটবে।

    ‘একটু সামনে ঝুঁকে বসো, বাড়,’ পরামর্শ দিল রনি। ‘আগুনের তাপে কিছুটা -আরাম পাবে।’

    ‘ওহ্, দারুণ চাঙ্গা বোধ হচ্ছে, বাছা।’ শীতে কাঁপা হাত দুটো আগুনের দিকে বাড়িয়ে ধরল হ্যাডলে। ‘মনে হচ্ছে আমার বয়স বিশ বছর কমে গেছে।’

    ‘যাত্রার কঠিন অংশ আমরা পিছনে ফেলে এসেছি!’ উৎসাহ যোগাবার চেষ্টা করল ড্যাশার।

    ‘ওরা যদি সামনে আমাদের বাধা দেয়?’ প্রশ্ন তুলল সুজানা।

    ‘ট্রেইলের ওপর নজর ওরা অবশ্যই রাখবে। কিন্তু হয়তো ততটা সতর্ক থাকবে না। ভাবতেই পারবে না এই দুর্যোগ মাথায় করে আমরা পাহাড় ডিঙিয়ে বেরিয়ে আসতে পারব। অতর্কিতে আক্রমণ করে আমিই ওদের শেষ করব।’

    ‘না, রনি, প্লীজ, ঝুঁকি নিও না!’ উদ্বিগ্ন হলো সুজানা।

    ওর দিকে চেয়ে হাসল রনি, কিন্তু ওর চোখ দুটো সঙ্কল্পে কঠিন। ‘হ্যাঁ, সু, আমি ঠিক তাই করব, ওদের এক-এক করে শেষ করব। ওরা আমাকে খেপিয়ে তুলেছে।’

    বিশ্রাম নেয়ার ফাঁকে কফি খাচ্ছে ওরা। সামনের সমস্যা নিয়ে ভাবছে রনি ট্রেইলের ওপর যে নজর রাখা হবে এ-বিষয়ে সে নিশ্চিত। সিলভার ক্যানিয়ন ধরে নামবে ওরা, নিচের দিকে ছোটছোট কয়েকটা মাইনিঙ ক্যাম্প আছে। কিন্তু কোনটাই নিরাপদ হবে না। হয়তো মরিয়া হয়ে শার্পি ওদের মৃত্যুর জন্যে পুরস্কারও ঘোষণা করে থাকতে পারে। তাহলে দেখামাত্র গুলি করবে ওরা।

    দুঘণ্টা বিশ্রাম নিয়ে আবার রওনা হলো ওরা। তুষারপাত থেমে গেছে। খাপ থেকে রাইফেল বের করে তুষার ঝেড়ে কল-কব্জা পরীক্ষা করে দেখে নিল রনি। পিস্তল দুটোর বেলাতেও তাই করল। কিন্তু একটা পিস্তল কোমরে গুঁজল। এতে পিস্তলটা দেহের তাপে গরম থাকবে, ঠাণ্ডায় আঁকড়ে যাবে না।

    ঘোড়াগুলোর মধ্যে এখন আর কোন তেজ অবশিষ্ট নেই। মন্থর গতিতে হাঁটছে। ট্রেইলটা এখন ক্রমাগত নিচে নামছে। দূরে একটা কেবিন দেখতে পেল রনি। কিন্তু ওটার চিমনি দিয়ে ধোঁয়া উঠছে না। পরবর্তী মাইলে আরও দুটো কেবিন চোখে পড়ল। সবই প্রসপেক্টর বা কোন মাইনারের তাড়াহুড়া করে তৈরি জোড়াতালি দেয়া কেবিন।

    যত নিচে নামছে ঝোপঝাড় আর গাছপালাগুলো ততই ঘন আর লম্বা হচ্ছে। সামনের দিকে জঙ্গলের ওপর তীক্ষ্ণ নজর রেখেছে রনি। একটু ঝিলিক বা সামান্য ইঙ্গিত দেখার অপেক্ষায় আছে।

    হঠাৎ সেটাই তার চোখে পড়ল: একটা আলোকিত জানালা!

    সঙ্গীদের ইঙ্গিতে থামিয়ে নিচে নেমে জঙ্গলের ভিতর দিয়ে হেঁটে এগিয়ে গেল রনি। বেশ কাছে পৌঁছে উঁকি দিয়ে দেখল কেবিনে যাওয়ার পথে তুষারের ওপর সদ্য তৈরি ট্র্যাক দেখা যাচ্ছে।

    হাত দুটো কোটের বোতামের ফাঁক দিয়ে ঢুকিয়ে আঙুলগুলোকে গরম রাখার জন্যে দেহের সাথে চেপে ধরল। এই সময়ে হাতের আঙুল আড়ষ্ট হতে দেয়া যাবে না। আঙুলে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করে নিয়ে কেবিনের দিকে এগোল রনি।

    জানালায় আলো সুজানা আর বাডও দেখেছে। ওরা জানে রনি কি করতে গেছে।

    ‘ড্যাড, ওকে আমরা সাহায্য করতে পারি না?’ রনির জন্যে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠল সুজানা।

    ‘না, বাছা,’ বলল সে, ‘ওর অজান্তে আমাদের এগোনো ঠিক হবে না। তাতে ওর ঝামেলাই বাড়বে। এখন ওর কাছে প্রতিটা বুলেটই শত্রুর বুলেট, যেকোন নড়াচড়াই শত্রুর। আমরা কেবল ওর বাধাই হয়ে দাঁড়াব।’

    .

    অত্যন্ত সাবধানে পা ফেলে নিঃশব্দে তুষার ভেঙে জানালার তলায় হাজির হলো রনি। উবু অবস্থা থেকে সামান্য মাথা উঁচিয়ে ভিতরে উঁকি দিল। তিনজন লোক একটা টেবিল ঘিরে বসে তাস খেলছে। তিনজনই কঠিন-দর্শন লোক। কেবিনটাকে ঘুরে সামনে এসে বাম হাতে ঠেলে দরজা খুলল সে।

    তিনজনই মুখ তুলে দরজার দিকে চাইল। অবাক চোখে ওরা দরজায় দাঁড়ানো লোকটাকে দেখছে। ভিতরে ঢুকে দরজা টেনে দিল রনি।

    ‘হাওড়ি, বয়েজ! আমি রনি ড্যাশার!’

    ওদের দুজন চেয়ার ছেড়ে লাফিয়ে উঠে পিস্তলের দিকে হাত বাড়াল। কিন্তু বের করার সময় পেল না, রনির জোড়া পিস্তলের গুলিতে ওরা ঢলে পড়ল। তৃতীয় লোকটা শূন্যে হাত তুলে চিৎকার করল, ‘মেরো না! আমি এর মধ্যে নেই!’

    ‘তাহলে বাইরেই থাকো,’ বলল রনি। তারপর ওর দিকে এগিয়ে কঠিন স্বরে প্রশ্ন করল, ‘তোমাদের কে পাঠিয়েছে? শার্পি?’

    ‘আমাকে কেউ পাঠায়নি! এটা আমারই কেবিন। তোমাকে মারার জন্যে ওদের পাঠানো হয়েছিল। আমি পিস্তলবাজ নই-ওদের কিভাবে ঠেকাব?’

    ‘বুঝলাম। এখানে তোমার ঘোড়া কয়টা আছে?’

    ‘তিনটে ঘোড়া আর একটা খচ্চর আছে। তুমি আমাকে পথে বসাবার কথা ভাবছ না তো?’

    ‘তুমি যাতায়াতের জন্যে মিউলটা ব্যবহার করতে পারবে। এখন কফি আর খাবার তৈরি করো।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেতের পর – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    শেষ অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    খুনে মার্শাল – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }