Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্ষ্যাপা তিনজন – কাজী মাহবুব হোসেন

    কাজী মাহবুব হোসেন এক পাতা গল্প184 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক্ষ্যাপা তিনজন – ৫

    পাঁচ

    তাকিয়ে থেকে রাইডারদের যাওয়া দেখে রনির দিকে মুখ ফেরাল সায়মন। ওর চেহারায় বিস্ময়ের ছাপ সুস্পষ্ট।

    ‘ওহ্, দারুণ ফাস্ট তোমার হাত!’ বলল সে। ‘বার্কার ছিল একজন পেশাদার পিস্তলবাজ!’

    ‘তাই নাকি?’ খালি কার্তুজ ফেলে পিস্তল দুটোয় গুলি ভরে খাপে রাখল রনি। ‘শার্সি তাহলে কিছু পেশাদার গানম্যান পুষছে?’

    ‘ওর লোকজন প্রত্যেকেই পিস্তলবাজ। আজ তুমি আমার জীবন বাঁচিয়েছ। লোকগুলো আমাকে খুন করার উদ্দেশ্য নিয়েই এখানে এসেছিল। আরও অনেককে ওরা এইভাবে মেরেছে।’ একটা খুশি খুশি ভাব ফুটে উঠেছে র‍্যাঞ্চারের চেহারায়। ‘আজ ওদের কিছুটা শিক্ষা হয়ে গেল। এর আগে কেউ ওদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সাহস পায়নি। ওরা বুক ফুলিয়ে যা-খুশি তাই করে বেড়িয়েছে।’

    ‘তোমার গরু খোয়া যাচ্ছে?’

    ‘কিছু, কিন্তু খুব সামান্যই। ওদের বড় কোন মতলব আছে বেশ বুঝতে পারছি।’

    ‘ম্যাকক্লিল্যানের ব্যাঙ্ক ডাকাতি সম্পর্কে তুমি কিছু জানো?

    চট করে মুখ তুলে তাকাল সায়মন। ‘জানি? না, জানি না, তবে ওই বিষয়ে আমি কিছু চিন্তা-ভাবনা করেছি। ওই লোকগুলো দিব্যি টাকা নিয়ে সটকে পড়ল। প্ল্যান মাফিক কাজ করেছে ওরা-অত্যন্ত ধূর্ত প্ল্যান!’

    ডি বার পর্যন্ত বাকি পথ ওদের প্রায় নীরবেই কাটল। পাশ দিয়ে ডায়মণ্ড ক্রীক বয়ে যাচ্ছে। র‍্যাঞ্চহাউস, আস্তাবল, বাঙ্কহাউস আর করাল একটা চারকোনা জায়গা ঘিরে রেখেছে। ভিতরে ঢোকার জন্যে একটা কাঠের গেট রয়েছে। অ্যাপাচিদের বিরুদ্ধে লড়ার জন্যেই এই ব্যবস্থা।

    ‘তিন-চারবার আমাদের ওপর অ্যাপাচিরা হামলা চালিয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই আমরা ওদের হটিয়ে দিয়েছি।’ একটা টিনের বেসিনে রনির মুখ-হাত ধোয়ার ফাঁকে কথা বলছে সায়মন। ‘অবশ্য একবার আমরা একজন কাউহ্যাণ্ডকে খুইয়েছি। লোকটা বাইরে রয়ে গেছিল।’

    খাবার-ঘরটা নিচু ছাদের লম্বা একটা ঘর। শক্ত গড়নের এক মেক্সিকান মহিলা ভিতরে ঢুকে টেবিলে খাবার সাজিয়ে রাখতে শুরু করল। অল্পক্ষণের মধ্যেই কাউহ্যাণ্ডরা দল বেঁধে ঢুকে যার-যার জায়গায় বসে খাওয়া শুরু করল। খাবারটা ভাল। পরিমাণেও যথেষ্ট। রনি টের পায়নি ওর কতটা খিদে পেয়েছে, মাংসের প্লেটটা পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়ে বড় আরেক চাকা মাংস তুলে নিল সে।

    খাওয়া শেষ করে রনি উঠতে যাচ্ছে দেখে হেসে উঠল ড্রিল। ‘করছ কি?’ বলল সে। ‘আসল জিনিসই তো তোমার খাওয়া হয়নি! এই মেক্সিকান মহিলা সীমান্তের এপারে এসে একটা রান্না খুব ভাল শিখেছে-চমৎকার অ্যাপ্‌ল পাই বানায়।’

    চট করে আবার বসে পড়ল রনি। কাপে কফি ঢেলে নিল।

    ‘আজকে বার্কারকে দেখলাম,’ মন্তব্য করল একজন কাউহ্যাণ্ড। ‘রেঞ্জে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। আমি ধারণা করেছিলাম তোমাকে খুঁজছে। আমরা সবাই মিলে বেরোবার জোগাড় করছি, এই সময়ে দেখলাম তুমি ফিরছ।’

    ‘ভাল মত দেখে নিয়েছ তো?’ বলল সায়মন, ‘কারণ ওকে আর তুমি দেখতে পাবে না। ‘

    সে চিৎকার করলেও হয়তো এত দ্রুত সবার মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারত না। টেবিলে অ্যাপ্‌ পাই হাজির হয়েও ওদের মনোযোগ টলাতে পারল না। ওরা ড্রিলের ওপর থেকে চোখ সরিয়ে রনিকে দেখে আবার ড্রিলের দিকে তাকাল। লাল চুলওয়ালা একজন কাউহ্যাণ্ড ব্যাখ্যা দাবি করল।

    শান্ত ভাবে, সবার আকুতি ভরা নজর উপেক্ষা করে ফর্ক দিয়ে অ্যাপ্‌ল্‌ পাই কাটল সায়মন। পাইটা পুরো আড়াই ইঞ্চি চওড়া, এবং রসাল। পশ্চিমের কোন র‍্যাঞ্চে একটা পাইকে চারটের বেশি ভাগ করার কথা কেউ ভাবতেই পারে না।

    নীরবে পাই চিবিয়ে কফিতে একটা চুমুক দিল সায়মন। শেষে লাল চুলের লোকটাই আবার বলল, ‘আর ধৈর্য ধরে রাখতে পারছি না-কি ঘটেছে?’

    ‘আমার সাথে বার্কারের কিছু কথা কাটাকাটি হয়েছে আজ,’ বলল সায়মন। ‘এই বন্ধু আমার পক্ষ নিল। তারপর একটা ভুল করে বসল বার্কার।’

    কাপটা তুলে একটা লম্বা চুমুক দিয়ে ওটা আবার নামিয়ে রাখল র‍্যাঞ্চার।

    ‘অর্ধেক পেটে রেখে কথা বোলো না!’ খেপে উঠল লাল চুলের লোকটা, ‘কি ঘটেছে তাই বলো!’

    হাসল সায়মন। ‘বললাম তো ভুল করে বসল বার্কার। সত্যিই ভুল করল, পিস্তলের দিকে হাত বাড়াল সে।’ ঘড়ি দেখার ভান করল র‍্যাঞ্চার। ‘এই সময়ে সার্কেল এইচে ওরা বার্কারকে বুট হিলে কবর দেয়ার ব্যবস্থা করছে।’

    সবাই ওর মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। ‘মানে-তুমি ওকে হারিয়ে দিয়েছ?’

    প্রশ্ন করল একজন।

    ‘আমি না,’ বলল সায়মন। ‘আমার এই বন্ধু। ওর দুটো পিস্তলই একসাথে গর্জে উঠল। একটা গুলি বার্কারের পকেটে তামাকের থলি ফুটো করল, অন্যটা ফিউরির হাত থেকে ওর পিস্তলটা ফেলে দিল। জিনের ওপর স্থির অপেক্ষায় থাকল আমার বন্ধু-কিন্তু চোখের সামনে ওর বিদ্যুৎ-গতি ড্র দেখার পর ওদের কারও ঝামেলা করার শখ থাকল না। এই সময়ে আমি আমার রাইফেল বাগিয়ে ধরলাম। ড্যাশার প্রস্তাব দিল ওরা যেন লাশ তুলে নিয়ে সরে পড়ে।’

    ‘ড্যাশার?’ রেড সামনে ঝুঁকে রনিকে খুঁটিয়ে দেখল। ‘মানে, বার ২০-র রনি ড্যাশার?

    ‘বার ২০-তে ছিলাম,’ স্বীকার করল রনি। ‘এখন ঘুরে বেড়াচ্ছি।’

    ‘তুমি এদিকে কিছুদিন থেকে গেলে ভালই হয়,’ গম্ভীর ভাবে বলল রেড। ‘এখানে বুমার নামে একটা লোক আছে, ওর সাথে তোমার দেখা হওয়া দরকার।’

    ‘ওকে সময় দাও,’ বলল সায়মন। ‘ও ফিউরিকে বলেছে সে যেন শার্পিকে খবর দেয় রনি ড্যাশার শীঘ্রি দেখা করতে আসছে। শার্পি যেন কার্পেট বিছিয়ে, বা পিস্তল হাতে, যেভাবে খুশি তৈরি থাকে!’

    ‘না!’

    ‘হ্যাঁ, ঠিক ওই কথাই বলেছে!’

    পাইটা সত্যিই ভাল। দ্বিতীয় একটা টুকরো নিজের প্লেটে তুলে নিল রনি। ওদিকে চেয়ে সায়মন মন্তব্য করল, ‘এই র‍্যাঞ্চের খাওয়াটা দারুণ। কেউ কাজ করতে চাইলে তার এখানেই কাজ নেয়া উচিত!’

    রনি দাঁত বের করে হাসল, কিন্তু কিছু বলল না। পরে র‍্যাঞ্চের কর্মচারীদের দিকে চেয়ে প্রশ্ন করল, ‘বাড হ্যাডলের মেয়েটাকে ইদানীং কেউ দেখেছ? আমি ওকে শেষ যখন দেখি তখন একেবারে হাড্ডিসার ছিল।’

    রেড হাসল। ‘সেটা নিশ্চয় বহুদিন আগের কথা,’ বলল সে। ‘বর্তমানে পেকোসের এপাশে ওর মত সুন্দরী আর দুটো নেই! বিশ্বাস করো, ওর প্রতিটা অঙ্গ অপূর্ব সুন্দর!’

    ‘ওর হাতটা কেমন, রেড?’ হাসছে সায়মন। অন্যান্য কাউহ্যাণ্ডও শব্দ করে হেসে উঠল।

    রেডের মুখটা লাল হয়ে উঠল। অপ্রস্তুত হয়ে ক্ষুব্ধ চোখে সবাইকে একবার দেখে রনির দিকে ফিরল। ‘ওদের কথা তুমি শুনো না! মানুষের পিছনে লাগা ওদের স্বভাব!’

    এলোচুলের একজন কাউবয় মুখ তুলে রনির দিকে চেয়ে চোখ টিপল। ‘মেয়েটাকে একবার নাচের পার্টিতে নিয়ে গেছিল রেড। পরে সুজানাকে চুমো খাওয়ার চেষ্টা করেছিল। ওহ্, ওকে কী চড়টাই না মারল মেয়েটা! তিন দিন পাঁচ আঙুলের ছাপ ছিল ওর গালে! তবু ওর লজ্জা নেই-প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে, লুকিয়ে লুকিয়ে মেয়েটাকে দেখতে যেত। হ্যাডলের অ্যাকসিডেন্টের পর অবশ্য মেয়েটা আর ওখানে বেড়াতে যায় না।’

    রেড সরাসরি রনিকে প্রশ্ন করল, ‘তুমি কি সত্যি-সত্যিই সার্কেল এইচে যাচ্ছ?’

    ‘হ্যাঁ, সম্ভবত আগামীকাল।’

    ‘আমরা সবাই তোমার সাথে যাব,’ ঘোষণা করল সায়মন।

    ‘না, আমি একা যাব,’ বলল রনি। তারপর আবার বলল, ‘তবে দেখা না দিয়ে ওখানে পৌঁছার পথ যদি আমার জানা থাকে তাহলে সুবিধা হবে।’

    একটা বুড়ো মুখ তুলে তাকাল। ‘দুটো রাস্তা আছে, কিন্তু দুটোই কঠিন। প্রথমটা হিলার পশ্চিম শাখা ধরে হট স্প্রিঙসের ছয় মাইল উপরে পৌছে ট্রেইলটা উত্তরে তিন মাইল গেছে জঙ্গলের ভিতর দিয়ে, তারপর পশ্চিমে মোড় নিয়ে সার্কেল এইচের দিকে এগিয়েছে।

    ‘দ্বিতীয়টা ওয়েস্ট ফর্কের অন্যপাশে লিট্ল ক্রিক ধরে উপরে উঠে হোয়াইটওয়াটার ক্রিক যেখানে মিশেছে সেখানে পার হয়েছে। ওটার খুব কাছেই একটা কেবিন আছে। কেবিন থেকে সার্কেল এইচ র‍্যাঞ্চ ঠিক ছয় মাইল পশ্চিমে। ফর্কের উত্তর দিকের ভাঙাচোরা এলাকা দিয়ে এগোলে র‍্যাঞ্চহাউসের খুব কাছে পৌঁছানো সম্ভব।’

    ‘ওটার পশ্চিমে মগোলন্‌স্ আর জার্‌কি মাউন্টিস্,’ বলল সায়মন। ‘বিশ্বাস করো ওটা খুব রুক্ষ এলাকা। জ্যাকসন মেসার পর থেকেই পাহাড় আরও উঁচু হতে শুরু করেছে। শোনা যায় ওখানে টার্কিফেদার নামে একটা গিরিপথ আছে, কিন্তু আমরা কেউ দেখিনি বা জানি না ওটা কোথায়। হয়তো নিছক উড়ো কথা।’

    মাথা নাড়ল বুড়ো। ‘ওখানে সত্যিই একটা পাস্ আছে, সায়মন। আমি নিজে কখনও ওই পথে পার হইনি বটে, কিন্তু যারা পেরিয়েছে তাদের মুখেই শুনেছি। স্নো ক্রীক ট্রেইলটা নিচে নেমে প্রায় মিলিয়ে গেছে, কিন্তু জন্তু- জানোয়ারের আবছা ট্রেইলের মত এগিয়ে ওটা মগোলন্‌স্ পার হয়ে সিলভার ক্রীক ট্রেইলে পড়ে আলমায় গেছে। কেউ ঠেকায় পড়লে টার্কিফেদার পাস্ পেরিয়ে হোয়াইটওয়াটার বলডিকে দক্ষিণে রেখে পশ্চিমে এগোলে আলমায় পৌঁছতে পারবে।’

    ‘ভাল,’ মন্তব্য করল সায়মন, ‘কিন্তু তোমার ওই পথে চলার কোন প্রয়োজন পড়বে না, তুমি লিট্ল ক্রিক ট্রেইল ধরেই সার্কেল এইচে পৌঁছতে পারবে। ওই পথে র‍্যাঞ্চহাউসের দুশো গজের মধ্যে হাজির হলেও কেউ টের পাওয়ার সম্ভাবনা কম।’

    মাথা ঝাঁকাল রনি। যা শুনেছে সব মনের মধ্যে ভাল ভাবে গেঁথে নিল। এসব ব্যাপারে পশ্চিমের লোকজনের স্মৃতিশক্তি অসাধারণ। কোনদিন ওই এলাকায় না গেলেও কল্পনায় পুরোটা ছবির মত দেখতে পায়। নিখুঁত বিবরণ দেয়ার ক্ষমতাও ওদের অদ্ভুত।

    .

    পরদিন সকালে রনির ঘুম ভাঙল। রাতটা সায়মনের র‍্যাঞ্চেই কাটিয়েছে সে। আড়মোড়া ভেঙে মাথার পিছনে হাত রেখে বাঙ্কেই শুয়ে থাকল। সে আবিষ্কার করেছে আবার ঘুমিয়ে না পড়লে বিছানাই চিন্তা করার জন্যে সবথেকে ভাল জায়গা।

    সন্ধ্যা থেকে শুরু করে অনেক রাত পর্যন্ত বুড়ো কাউহ্যাণ্ডের সাথে আলাপ করেছে ও। জায়গা মত প্রশ্ন করে প্রয়োজনীয় অনেক খুঁটিনাটি প্রশ্ন জেনে নিয়েছে। কথা বলতে পছন্দ করে বুড়ো, রনির মত মনোযোগী শ্রোতা পেয়ে সেও মন খুলে গল্প করেছে।

    সার্কেল এইচে লোকজনের সংখ্যা কত জিজ্ঞেস করায় কাউহ্যাণ্ড বলেছিল, ‘আসা-যাওয়ার মধ্যে জনা বিশেক আছে।’ কিন্তু পরক্ষণেই চতুর বুড়ো রনির উদ্দেশ্য বুঝতে পেরে ধূর্ত দৃষ্টিতে চেয়ে বলেছিল, ‘তোমার যদি ওখান থেকে দ্রুত সরে পড়ার প্রয়োজন হয় তবে সোজা পশ্চিমে যেয়ো। তাহলে ওদের বাধ্য হয়ে দুই ভাগ হয়ে এগোতে হবে। একদল ক্রসিঙের ওই কেবিনটার দিকে যাবে, অন্যদল জ্যাকসন মেসার উত্তরে ছুটে মিডল্ ফর্কের ক্রসিঙে পৌঁছবে। ওইভাবে ওরা ধারণা করবে তোমাকে আটকে ফেলেছে-কিন্তু তুমি লিলি পীক পার হয়ে পশ্চিমে জার্‌কিসে গিয়ে নিরাপদে ঘাঁটি গাড়বে। ওরা যদি তোমার খোঁজে ওখানে ঢোকে, তাহলে বুঝতে হবে ওদের চেয়ে বড় গাধা আর কেউ নেই। তবে অ্যাপাচিদের জন্যে তোমাকে চোখ খোলা রাখতে হবে!’

    কম্বল সরিয়ে বিছানা ছেড়ে উঠে তৈরি হয়ে নিল রনি। সবার সাথে নাস্তা সেরে বেরিয়ে পড়ল। আজ সায়মনের দেয়া একটা বাকস্কিনে চড়েছে ও, টপারকে বিশ্রাম নেয়ার জন্যে র‍্যাঞ্চে রেখে এসেছে। টপারের মত না হলেও ঘোড়াটা পাহাড়ী পথে কিভাবে চলতে হয় বোঝে। ভাল ঘোড়া।

    মাঝ-দুপুরের দিকে কেবিনের ট্রেইলে এসে উঠল রনি। এই প্রথম কিছুটা অস্বস্তি বোধ করছে। শুনেছে এই ট্রেইলটা আউটলদের কাছে পরিচিত এবং ওরা মাঝেমাঝে এটা ব্যবহারও করে। ট্রেইল ধরে এগোনো বোকামি হবে, তাই ক্যানিয়নে নামল সে।

    অগভীর ঝর্না ধরে দুমাইল এগিয়ে দেখল সামনে দশফুট উঁচু দেয়ালের মত পথ আটকে রেখেছে প্রায় খাড়া একটা জলপ্রপাত। নিজে বেয়ে উপরে উঠতে পারবে বটে, কিন্তু ঘোড়া নিয়ে ওঠা অসম্ভব। বুঝল ফিরে যেতে হবে।

    কিন্তু আশ্চর্য! ঘোড়াটাই জলপ্রপাত এড়িয়ে উপরে ওঠার পথ খুঁজে বের করল। একটু ডান দিকে সরে পাথরের ফাঁকে-ফাঁকে সাবধানে পা ফেলে এগিয়ে গেল বাকস্কিন। কখনও পানিতে নামছে আবার বেরোচ্ছে।

    উপরে উঠে দেখল আরেকটা ঝর্না পশ্চিম দিক থেকে বয়ে এসেছে। দুটো ঝর্না যেখানে মিলেছে তার কিছুটা উপরে আছে ও। কেবিনের পথ খুঁজে বের করে জঙ্গলে ঢুকে থামল রনি। ঘোড়ার পিঠ থেকে নেমে কিছু ঘাস ছিঁড়ে নিয়ে ঘোড়ার পাগুলো ডলে দিল। কারণ, বরফ গলা ঝর্নার পানি অত্যন্ত ঠাণ্ডা। ঘোড়াটাকে বেঁধে কেবিনের দিকে হেঁটে এগিয়ে গলার স্বর শুনতে পেল।

    ঝপ করে মাটিতে শুয়ে ক্রল করে একটা গাছের গুঁড়ির পিছনে আড়াল নিল। মাথাটা সামান্য উঁচু করে শিকড়ের ওপর দিয়ে উঁকি দিয়ে দুজনকে দেখতে পেল রনি। একজন কেবিনের বারান্দায় বসে আছে, অন্যজন ঘোড়ার পিঠে। যে, মাত্র পৌঁছেচে সে-ই কথা বলছে।

    ‘হ্যাঁ, বার্কার।’ নিচু স্বরে একটু গুঞ্জন শোনা গেল, তারপর একই লোক জবাব দিল, ‘গতকাল বিকেলে। লোকটা বলেছে ওর নাম রনি ড্যাশার।’

    ‘লোকটা একাই আছে?’ সন্দিগ্ধ স্বরে প্রশ্ন করল গার্ড।

    ‘তাই মনে হয়,’ জবাব দিল আরোহী। ‘ও সায়মন ড্রিলের সাথে ছিল, কিন্তু জনি রিগ ওকে ক্লিফটনসে দেখেছে, তখন সে একাই ছিল।’

    ‘ও একা থাকলেই বাঁচি,’ অসন্তোষ প্রকাশ করল গার্ড। ‘ওই আউটফিটের কথা আমি শুনেছি, ওদের একজনের সাথে কারও ঝামেলা হলেই দেখা যায় সবাই মিলে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। ড্যাশারের তরুণ সঙ্গী ডাগ মারফি একাই একটা কঠিন রাসলার দলকে শেষ করেছিল। ডাচ বিলকেও সে-ই গুলি করে মেরেছে।’

    ‘ড্যাশারের মিস নেই, বার্কারের হার্ট ফুটো করে দিয়েছে ও।’

    ‘ফিউরির কি হয়েছে?’

    ‘ফিউরি? ও আহত গ্রিজলির মত মেজাজ দেখাচ্ছে। ড্যাশার গুলি করে ওর হাত থেকে পিস্তল ফেলে দিয়েছে। হাতের উলটো পিঠে গভীর খাঁজ কেটে গুলিটা বেরিয়ে গেছে—ওই জখম চট করে সারবে না। সে বলে বেড়াচ্ছে হাত ভাল হলেই ড্যাশারকে খুন করবে।’

    ঘোড়ার মুখ ফেরাল রাইডার। ‘শার্পির নির্দেশ মত এদিককার খবর নিয়ে গেলাম। পরে আবার দেখা হবে।’

    ‘থেকে যাও। আমার কাছে এক প্যাকেট তাস আছে।’

    ‘তা হয় না। শার্পি ইদানীং অস্থির হয়ে উঠেছে। হয়তো এখানেও এসে হাজির হতে পারে-তুমি তো জানো তাহলে কি ঘটবে।’

    ঘাসের ওপর শুয়েই রনি লোকটাকে ঘোড়া হাঁটিয়ে চলে যেতে দেখল। কেবিনের গার্ড উঠে দাঁড়িয়ে এগিয়ে ক্লিফের ধার থেকে রাইডারকে ঝর্না পার হতে দেখে আবার ফিরে এল। তারপর হাতের রাইফেলটা নামিয়ে রেখে সাপার তৈরি করায় মন দিল।

    রনি উঠতে গিয়েও একটু ভেবে চুপচাপ শুয়েই থাকল। সাপার তৈরি হওয়ার আগে লোকটাকে কব্জা করে লাভ নেই-তাহলে নিজের সাপার নিজেই তৈরি করতে হবে। লোকটাকে যথেষ্ট সময় দিয়ে কোনাকুনি ভাবে কেবিনের দিকে এগোল, যেন ভিতর থেকে ওকে দেখা না যায়।

    মাঝ-বয়সী গার্ড কেবিনে গজর-গজর করছে। হঠাৎ একটা ফ্রাইঙ-প্যান হাতে দরজা দিয়ে বেরিয়ে বারান্দার কিনারে দাঁড়িয়ে প্যান-ধোয়া পানি উঠানে ফেলল। ফেরার জন্যে ঘুরতেই দেখল দরজার পাশে পিস্তল হাতে দাঁড়িয়ে আছে রনি।

    থমকে আড়ষ্ট হয়ে ঢোক গিলল গার্ড। ‘তুমি কে? কি চাও?’ কোনমতে নিজেকে সামলে নিয়ে সে প্রশ্ন করল।

    ‘আমি ড্যাশার,’ শান্ত স্বরে বলল রনি, ‘সাপার চাই। দুজনের জন্যে যথেষ্ট তৈরি করেছ?’

    অসহায় ভাবে দাঁড়িয়ে আছে লোকটা। ‘করব; কিন্তু তুমি ওই পিস্তলটা নামাও। আমি কোন দোষ করিনি।’

    ‘তাহলে গানবেল্টটা খুলে নিচে ফেলো,’ সদয় স্বরে বলল রনি। ‘বাধ্য না হলে তোমাকে মারার ইচ্ছা আমার নেই।’

    বাম হাতে বেল্টটা খুলে নিচে ফেলে রনির নির্দেশ মত সরে দাঁড়াল গার্ড। কেবিনে ঢুকে দরজার পাশে দেয়ালে হেলান দেয়া রাইফেল থেকে গুলিগুলো বের করে নেয়ার পর বারান্দা থেকে গার্ডের-পিস্তল তুলে লোকটাকে সামনে রেখে কেবিনে ফিরল।

    স্টোভে খাবার তৈরি করছে গার্ড। দুটো ট্রেইলের ওপরই নজর রাখার জন্যে সুবিধা মত জায়গা বেছে নিয়ে বসেছে ড্যাশার। ব্যাপারটা লক্ষ করে লোকটা মন্তব্য করল, ‘নজর রেখে লাভ নেই; এখন আর কেউ আসবে না।’

    ‘না এলেই ভাল,’ নির্বিকার স্বরে বলল রনি। ‘নইলে ঝামেলা কমাতে হয়তো তোমাকেই আমার আগে গুলি করতে হবে।’

    ‘না! আমাকে মেরো না!’ লোকটা ভয় পেয়েছে। ‘সত্যি বলছি আমি চুপচাপ মেঝের ওপর বসে থাকব-কোন ঝামেলা করব না! গুলি খাওয়ার শখ আমার নেই!’

    দুজনে মুখোমুখি বসে নীরবে খাচ্ছে। খাওয়ার ফাঁকে লোকটা বারবার ভীরু চোখে তাকাচ্ছে। রনির মুখ দেখে বোঝার চেষ্টা করেছে শেষ পর্যন্ত সে জানে বাঁচবে কিনা।

    খাওয়া শেষ করে টেবিল থেকে সরে বসল রনি। গার্ডের সন্ত্রস্ত অবস্থা টের পেয়ে সে বলল, ‘তোমাকে ভালমানুষ বলেই মনে হচ্ছে। এখনই ঘোড়ায় চেপে সরে পড়াই তোমার উচিত-সোজা দক্ষিণে।’

    ‘শার্সি আমাকে খুন করে ফেলবে!’ প্রতিবাদ করল গার্ড। ওর মুখটা ফ্যাকাসে হয়ে গেছে। বারবার ঢোক গেলায় কণ্ঠা ওঠা-নামা করছে। ও আমাকে ছাড়বে না!’

    ‘শার্পি এদিকে ব্যস্ত থাকবে, তোমার পিছনে ধাওয়া করার সময় পাবে না ও। সার্কেল এইচ কয়েকদিনের মধ্যেই নরক হয়ে উঠবে। প্রচণ্ড গোলাগুলি হবে ওখানে। শার্পির খেলা শেষ। অনেক মানুষ মরবে। আমি তোমাকে একটা শেষ সুযোগ দিচ্ছি, মিছে ওর মত একটা ঠগের জন্যে বেঘোরে প্রাণ হারিয়ে তোমার কোন লাভ নেই।’

    ঢোক গিলে চোয়াল চুলকাচ্ছে গার্ড। রনি ড্যাশারের অসাধারণ ক্ষমতার কথা সে জানে, কিন্তু তবু পুরো আস্থা আসছে না।

    ‘এত লোকের বিরুদ্ধে তুমি একা কি করবে?’ মনের দ্বিধাটা কথায় প্রকাশ করল গার্ড।

    ‘আমি একা কে বলল? বার ২০ থেকে আরও লোক আসছে। চূড়ান্ত একটা নিষ্পত্তি না করে আমরা কেউ ফিরব না।’ রনি জানে কথাটা সত্যি না হলেও পুরোপুরি মিথ্যে নয়। বাক উইলিয়ামসের সাথে এবিষয়ে কোন কথা না হলেও সম্ভবত বুড়ো লোক পাঠাবে বলেই ও ধারণা করছে।

    গার্ডের মনে আর সন্দেহ রইল না। সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল ও।

    ‘ঠিক আছে, আমার ঘোড়াটা ওদিকে গাছের আড়ালে রাখা আছে-আমি সরে পড়ছি।’

    নিজে সামনে দাঁড়িয়ে থেকে ওকে রওনা করিয়ে দিল রনি। তারপর বাকস্কিনটাকে কেবিন থেকে কিছুটা দূরে নিয়ে রাতের জন্যে গাছের তলায় ক্যাম্প করল।

    ভোর হওয়ার আগেই বেরিয়ে পড়ল রনি। সার্কেল এইচ র‍্যাঞ্চহাউস যখন ওর চোখে পড়ল তখন পুবের আকাশ ফিকে হতে শুরু করেছে। একটা এভারগ্রীনসের ঘন ঝোপের ভিতর ঘোড়াটাকে বেঁধে হেঁটে এগিয়ে র‍্যাঞ্চহাউসের কাছাকাছি পাইনে ছাওয়া একটা ছোট টিলার ওপর পাথরের আড়ালে ঘাঁটি গেড়ে বসল। সকালে র‍্যাঞ্চের লোকজন সবাই একসাথে নাস্তা খাবে। তারপর কারা কাজে যাচ্ছে, আর র‍্যাঞ্চে কোথায় কে থাকল তা ভাল করে বুঝে নিয়ে তবেই সে নিচে নামবে। শার্পি বুমার, বা বাণ্ডি বুলের সাথে সামনা-সামনি কথা বলাই ওর উদ্দেশ্য।

    একে-একে আটজনকে বাঙ্কহাউস থেকে বেরোতে দেখল রনি। পোশাক দেখে ওদের চিনে রাখল। হাতে পট্টি-বাঁধা লোকটা ফিউরি। আহত হলেও এখন সে নেকড়ের চেয়েও ভয়ানক। কারণ গানম্যানের কাছে গর্ব খর্ব হওয়ার থেকে বড় অপমান আর নেই।

    নাস্তা সেরে কিছুক্ষণের মধ্যেই লোকগুলো ঘোড়া নিয়ে বেরিয়ে পড়ল। কেবল ফিউরি আর একটা লম্বা লোক বাঙ্কহাউসেই রয়ে গেল। ধৈর্য ধরে অপেক্ষায় রইল রনি। শার্সি বা বাণ্ডিকে এখনও দেখতে পায়নি। লোকগুলো অদৃশ্য হওয়ার অল্পক্ষণ পরে একটা ছাই রঙের ঘোড়া উঠানে এসে থামল। ওটার আরোহী, বাণ্ডি। ওই ঘোড়াটাকেই এলক মাউন্টিনের দিকে যেতে দেখেছে বলে মনে হচ্ছে ওর।

    মুখ তুলে চেয়ে র‍্যাঞ্চহাউসের বারান্দায় কারও সাথে কথা বলল বাণ্ডি।

    ‘হ্যাঁ, ভোরের আগেই রওনা হয়েছি। বীভারের লাইন কেবিনে ছিলাম।’ তারপর অন্য একটা প্রশ্নের জবাবে বলল, ‘না, পথে কাউকে দেখিনি।’

    শার্সি বুমার বারান্দা থেকে নেমে এগিয়ে এল। ওকে দেখেই চিনতে পারল রনি, কারণ লোকটা অস্বাভাবিক রকম লম্বা। যদিও দূরত্ব বেশি নয়, তবু চোখে দূরবীন লাগিয়ে ওদের দুজনকে খুঁটিয়ে দেখল। শার্পি কি যেন বলায় ঝট করে মুখ তুলে তাকাল বাণ্ডি। ‘বার্কারকে মেরেছে?’ ওর স্বরে বিস্ময়।

    উঠে নিজের ঘোড়ার কাছে ফিরে এল রনি। বিনোকিউলার স্যাডল-ব্যাগে রেখে জিনে চেপে বাকস্কিনটাকে হাঁটিয়ে টিলা থেকে নামল। উঠানের দুজন আর রনির মাঝে র‍্যাঞ্চহাউসের কোনাটা থাকায় ওকে দেখতে পায়নি কেউ। তিরিশ ফুটের মধ্যে চলে আসার পর ঘোড়ার খুরের শব্দে ওরা মুখ তুলে চাইল।

    ‘হাওডি, শাৰ্পি, বাণ্ডি!’ ওদের বুঝে ওঠার সময় দিল রনি। ‘আমি ড্যাশার।’

    দুজনের কেউ নড়ল না। বিস্ময়ে আড়ষ্ট হয়ে গেছে। অপ্রত্যাশিত ভাবে রনিকে দেখে হতবাক।

    ‘ভাবলাম পুরানো বন্ধু হ্যাডলের সাথে দেখা করে যাই,’ শান্ত স্বরে বলল সে। ‘শুনেছি তোমরাও আছ।’

    ঘোড়ার আড়াল নিয়ে নিচে নামল রনি। তারপর লাগাম ছেড়ে দিয়ে সামনে এগোল। জানে ঘোড়াটা স্থির দাঁড়িয়ে থাকবে।

    স্বভাবজাত ভাবে পিস্তলের দিকে হাত বাড়াতে চাইছে শার্সি, রনিকে মেরে ফেলতে চাইছে, কিন্তু ওর সহজাত বুদ্ধি বাধা দিচ্ছে।

    ‘নিশ্চয়, ড্যাশার!’ বলল সে। ‘বুড়োর মুখে তোমার কথা অনেক শুনেছি। দুঃখের বিষয় লোকটা অসুস্থ। খুব খারাপ অবস্থা।’

    ‘তোমার কিছু লোকের সাথে পরশু আমার দেখা হয়েছিল,’ জানাল রনি। ‘ওরা ট্রেইলে আমাকে বাধা দিয়েছিল।’

    ‘হ্যাঁ, এমন একটা ঘটনা ঘটায় আমি দুঃখিত, ড্যাশার।’ শার্পি এখন নিজেকে সম্পূর্ণ সামলে নিয়েছে। মনেমনে পরবর্তী প্ল্যান আঁটছে। ‘রাসলারদের নিয়ে এদিকে অনেক ঝামেলা হচ্ছে, তাই রেঞ্জে স্ট্রেঞ্জার দেখলেই লোকজনের হাত নিশপিশ করে।’

    ব্যাপারটা যে ড্রিলের রেঞ্জে ঘটেছে, এবং ড্রিলকেই ঠেকানো হয়েছিল, এই সত্যটা দুজনেই উপেক্ষা করল।

    ‘বাড কি ভিতরে? ওর সাথে একটু দেখা করতে চাই।’

    ‘সেও তোমাকে দেখলে খুশি হবে,’ শান্ত স্বরে বলল বুমার। ‘কিন্তু ঘণ্টা দুয়েকের আগে তা হবে না। দশটার আগে সে কখনও ওঠে না। ডাক্তারের নির্দেশ।’

    ওর ঠাণ্ডা দৃষ্টি রনির চোখের ওপর স্থির হলো। পুরো এক মিনিট পরস্পরের দিকে চেয়ে রইল ওরা। তারপর শার্পির কঠিন মুখে হাসি ফুটে উঠল।

    ‘নাস্তা খেয়েছ? আমরা এইমাত্র খেয়ে উঠলাম। চলো, ভিতরে এসো।’

    ফিউরি বাঙ্কহাউসের দরজায় দাঁড়িয়ে অবিশ্বাসে বিস্ফারিত চোখে তাকিয়ে আছে। রনি ড্যাশার এখানে! সম্মানিত অতিথিকে ভিতরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে! রাগে জ্বলে উঠে এগোল সে, কিন্তু পরক্ষণেই ওর গতি ধীর হলো। হাতের অবস্থা খারাপ, অপেক্ষা করাই ভাল।

    পরিস্থিতি বুঝে শার্পিই প্রথমে সিঁড়ি দিয়ে উঠে ভিতরে ঢুকল, ওর পিছনে বুল। এই বিশেষ ক্ষেত্রে অতিথিকে শেষে ঢুকতে দেয়াই ভদ্রতা।

    টেবিল এখনও পরিষ্কার করা হয়নি। হাতের ইশারায় রনিকে বসতে বলে ওরাও বসল। চেঁচিয়ে আরও কফি আর একজনের জন্যে নাস্তা আনার নির্দেশ দিল শার্সি। রাঁধুনী ঘরে ঢুকে টেবিলে খাবার রাখল। মুখ তুলে দরজায় অপূর্ব একটা মেয়েকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে বিস্ময়ে হাঁ হয়ে গেল রনির মুখ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেতের পর – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    শেষ অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    খুনে মার্শাল – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }