Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্ষ্যাপা তিনজন – কাজী মাহবুব হোসেন

    কাজী মাহবুব হোসেন এক পাতা গল্প184 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক্ষ্যাপা তিনজন – ৭

    সাত

    রনি ভাল পোকার খেলোয়াড়। মুখ দেখে কার হাতে কেমন তাস আছে তা বোঝার ক্ষমতা সে অনেক আগেই অর্জন করেছে। সে জানে, হ্যাডলে যে মুখ খুলবে না, এ বিষয়ে শার্পি একেবারে নিশ্চিত না হলে ওকে কিছুতেই একলা ঢুকতে দিত না। তাই পরিস্থিতি বোঝার জন্যে প্রথমেই সে হ্যাডলের মুখের দিকে চাইল। সমস্ত প্রশ্নের জবাব মুখ দেখেই ওকে পড়ে নিতে হবে।

    মাথা তুলে তাকাল হ্যাডলে। কঠিন চোখ দুটো চকচক করছে। ‘হাওড়ি, রনি! বাক আর ওরা সবাই কেমন আছে?’

    ‘চমৎকার আছে ওরা, বাড। তোমাকেও খুব ভাল দেখাচ্ছে।’

    ডাহা মিথ্যে কথা বলল রনি। লোকটাকে আসলে অত্যন্ত দুর্বল আর অসহায় দেখাচ্ছে। ওর মধ্যে আগের সেই হ্যাডলেকে খুঁজে পেল না সে, কেবল কাঠামোটাই পড়ে আছে।

    কথা চালিয়ে যাচ্ছে রনি। কিন্তু কথার ফাঁকে ঘরের সবকিছু যাচাই করে দেখে নিয়েছে। কোন অস্ত্র নেই ওখানে। জানালাগুলো অনেক উঁচুতে, সুতরাং একমাত্র ওই দরজা ছাড়া এখান থেকে বেরোবার উপায় নেই।

    ‘শুনলাম তুমি একজন পার্টনার নিয়েছ। এই বুমার লোকটা কেমন; ভাল?’

    প্রায় দুমিনিট কোন জবাব এল না। রনি স্পষ্ট টের পাচ্ছে লোকটার মনের ভিতর কি পরিমাণ সংঘর্ষ চলছে। বাড যে তার বউ আর মেয়েকে কি রকম ভালবাসত তা সে নিজেই দেখেছে। মেয়েটা ঠিক তার মায়ের মতই দেখতে হয়েছে। ওর কোন ক্ষতি বুড়ো সহ্য করতে পারবে না।

    ‘হ্যাঁ, শাৰ্পি ভাল লোক,’ অবসন্ন স্বরে বলল বাড। ‘সে গরু বোঝে, মানুষও বোঝে।’ শেষের কথাটায় যেন একটু তিক্ততার আভাস রনির কানে ধরা পড়ল।

    ‘বাণ্ডিও কি তোমার পার্টনার হচ্ছে নাকি?’

    বাড়ের চেহারা মুহূর্তের জন্যে কুঁচকে চোখে ঘৃণার ভাব ফুটে উঠে আবার মিলিয়ে গেল। ‘না, না! তোমার এমন ধারণা কিভাবে হলো?’

    ‘এমনি, ভাবছিলাম!’ পা টান করে বসল রনি। ‘উইলিয়ামস তোমাকে গরু কেনার টাকাগুলো দিতে চায়।’

    ‘তুমি টাকাটা এনেছ?’ ওর বলার ভঙ্গিতে, না এনে থাকলেই ভাল, এমন একটা ভাব দেখতে পেল রনি।

    ‘সাথে আনিনি,’ সতর্কভাবে বলল সে, ‘কিন্তু আমি—’

    দ্রুত বাধা দিল বাড। ‘ওর কাছে এখন না থাকলে দরকার নেই।’ তারপর একটু চুপ করে থেকে বলল, ‘আমার যদি কিছু হয়, তবে ওটা সুজানাকে দিয়ো। আর, ওরও যদি কিছু হয়, তবে বাক আর তুমিই রেখো।’

    ‘বাজে কথা রাখো!’ বলে উঠল রনি, ‘তোমার বা সুজানার কিচ্ছু হবে না! হ্যাঁ, আমি বলছি!’ একটু সামনে ঝুঁকে এসে নিচু স্বরে সে আবার বলল, ‘তুমি বুমারকে এখানে জায়গা দিয়েছ কেন? লোকটা খুনী; আউটল!’

    দীর্ঘ একটা শ্বাস ফেলল বাড। রনির দিকে তাকাচ্ছে না। ‘মানুষ যাকে খুশি কাজে নিতে পারে,’ বিড়বিড় করে বলল সে। ‘এবং যার কাছে খুশি র‍্যাঞ্চ বিক্রি করতে পারে। তুমি আমার উপকার করতে চাইলে সোজা ঘোড়া নিয়ে বাকের কাছে ফিরে যাও, রনি। আর এসো না। সুজানা আর আমার,’ দুঃখের সাথেই সে বলল, ‘আমাদের নিজস্ব সমস্যা আছে। সেই সমস্যার সমাধান আমাদেরই করতে হবে।’

    ধীরে উঠে দাঁড়াল রনি। ‘বাড, আমি এখানে বসে এই মুহূর্তে কিছুই করতে পারছি না বটে, কিন্তু তুমি পছন্দ করো আর না-ই করো, আমি পণ করেছি তুমি ভাল হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে না পারা পর্যন্ত আমি এই এলাকা ছেড়ে নড়ছি না!’

    বুড়োর চোখে একটু আশার আলো ফুটল। সুজানা তাড়াতাড়ি এগিয়ে এল। ‘ওহ, যদি-’

    ‘বোলো না।’ গানবেল্টটা ঠিক করে নিল রনি। ‘আমি হাঁদা নই। তোমার ওই বুড়ো বাপ পোকার খেলা কোনদিন শিখল না। জীবনে কখনও আমাকে ধাপ্পা দিতে পারেনি-আজ নতুন করে কি পারবে?’

    এগিয়ে দরজা খুলল রনি। ‘আবার দেখা হবে?’

    ‘রনি’-ওর হাতের ওপর হাত রাখল সুজানা-’সাবধানে থেকো।’

    হাসল রনি। ‘বললাম তো, আবার দেখা হবে।’ দরজা দিয়ে বেরোতে গিয়েও দাঁড়াল। প্রশ্ন করল, ‘একান্ত দরকার হলে ও কি ঘোড়ার পিঠে বসতে পারবে?’

    একটু ইতস্তত করে মাথা ঝাঁকাল সুজানা। ‘পারবে। আমার মনে হয় খুব খুশিও হবে।’

    মাঝের কামরাটা পার হলো রনি। ওরা তাকে কিছুই জানায়নি, কিন্তু ওরা যে এখানে বন্দি, এটা সে বেশ বুঝতে পারছে। সম্ভবত দুজনেই ভয় পাচ্ছে, কিছু করতে গেলে অন্যজনের ক্ষতি করবে শার্পি। লোকটার প্ল্যানে কোন খুঁত দেখতে পাচ্ছে না রনি। সে যদি হঠাৎ এসে না পড়ত, এসব কথা অজ্ঞাতই রয়ে যেত।

    রনির সাড়া পেয়ে ঝট করে মুখ তুলে তাকাল শার্সি। ‘সেই আগের হ্যাডলে আর নেই, তাই না?’ চামড়ায় মোড়া চেয়ারে হেলান দিয়ে বলল সে। ‘খুব কাহিল হয়ে পড়েছে।’

    ‘হ্যাঁ,’ সমর্থন করল রনি। ‘কেবল খোলসটা আছে।’

    ‘তুমি ওকে গরু বিক্রির টাকাটা দিয়েছ?’ কথার ছলে প্রশ্ন করল সে।

    ‘অ্যা? ওহ, না, আজকে দিইনি। পথে কয়েক জায়গায় থামতে হলো বলে ওটা একখানে সামলে রেখেছি,’ সেও কথার ছলেই জানাল।

    শার্পির মুখের চেহারা দেখে চেষ্টা করে হাসি চাপল ড্যাশার। পনেরো হাজার বেশ বড় অঙ্ক। ওটা হাতে পাওয়ার আগে আর ওকে খুন করার চেষ্টা করবে না লোভী গানম্যান।

    একটা চেয়ারে বসে ফুটন্ত কফি ঢেলে নিল রনি। টেবিলে কিছু ডোনাটও রাখা আছে। প্লেটটা কাছে টেনে নিয়ে খাওয়া শুরু করল।

    ‘আধঘণ্টার মধ্যেই রওনা হব আমি,’ বলল রনি। ‘ভাবছি আর সবাই না পৌছানো পর্যন্ত হর্স স্প্রিঙসেই ওদের জন্যে অপেক্ষা করব।’

    ‘ওই ডীলটার ব্যাপারে হ্যাডলের সাথে আমি কথা বলব,’ অস্বস্তিভরে প্রতিবাদ করল শার্সি। ‘আমাকে কিছুই জানায়নি ও। তুমি বলছিলে তোমার কিছু লোকজন এসে পৌঁছেচে?’

    ‘পৌঁছানোর কথা,’ মিথ্যা বলল সে।

    ‘তেমন কোন খবর আমি পাইনি,’ জানাল শার্সি। ‘হয়তো এদিক-ওদিক কোথাও গেছে।’

    ‘সেটা খুবই সম্ভব।’ কফিতে চুমুক দিয়ে আরেকটা ডোনাট তুলে নিল রনি। ‘ওই দুজন রাসলারদের পিছনে ধাওয়া করতে খুব পছন্দ করে-খাওয়ার চেয়েও বেশি—অথচ দুজনই পেটুক।’ হঠাৎ একটা চিন্তা মাথায় এল। একটু বাজিয়ে দেখার উদ্দেশ্যে সে কথার মোড় পালটাল।

    ‘আচ্ছা, তোমরা কেউ ডীন নামে একজন জুয়াড়ীকে চেনো?’

    শার্পি ভুরু কুঁচকাল, কিন্তু বাণ্ডি চমকে মাথা তুলল। যা বোঝার ছিল বুঝে নিয়েছে রনি।

    ‘কেন? ওকে আমরা দুজনেই চিনি,’ জবাব দিল শাৰ্পি।

    ‘ভাবছি, এলক মাউন্টিন এলাকায় ও কি করছিল।’

    বাণ্ডির মুখ থেকে রক্ত সরে গেছে। নাকের দুপাশ ফুলে উঠেছে, শার্পির

    দিকে তাকিয়ে আছে সে।

    চেয়ার ছেড়ে অর্ধেক উঠে এসেছে বুমার। ‘ডীন?’ ওর স্বরে অবিশ্বাস। ‘এলক মাউণ্টিনে?’

    ‘হয়তো কিছুই না,’ হেসে কাটিয়ে দেয়ার চেষ্টা করল রনি। ওর কাজ হয়ে গেছে। ‘সম্ভবত নিজের কোন ধান্দায় ঘুরছে। জুয়াড়ীরা ওই রকমই হয়- সবসময়ে টাকা বানাবার ফিকিরে থাকে। অবশ্য অনেকেই তাই করে-সেদিন রাতে জনি রিগ আমাকে বলছিল’-থামল সে। ‘কিন্তু সেটা আমার ওপর আস্থা রেখে বলেছে।’

    এবার লাফিয়ে উঠে দাঁড়াল শার্পি। চেয়ারটা উলটে পড়ল, সেদিকে খেয়াল নেই। ‘জনি কি বলেছে?’ কর্কশ স্বরে জানতে চাইল সে। ওর চোখ দুটো কঠিন আর ভয়ানক হয়ে উঠেছে।

    ‘এমনি, কিছু কথা বলছিল,’ হাত নেড়ে কথাটা উড়িয়ে দেয়ার ভঙ্গি করল রনি। ‘নিজের স্বার্থ সবাই দেখে। এজন্যে কাউকে তুমি দোষ দিতে পারো না।’

    উঠে দাঁড়াল রনি। ‘আমার বেরিয়ে পড়ার সময় হয়েছে। তোমাদের সাথে পরিচিত হয়ে খুশি হলাম মিস্টার বুমার, মিস্টার বুল। আমি আমার লোকজন নিয়ে বাছুরগুলো নিতে আসব তখন আবার দেখা হবে।’

    উঠান পেরিয়ে এগোল রনি। মনেমনে সে নিজের কাজে খুশি হয়েছে। লোকগুলোকে বিভ্রান্ত করে দিয়ে আসা গেছে। আউটলরা নিজেকে ছাড়া আর কাউকে বিশ্বাস করে না। একবার সন্দেহের বীজ ঢুকিয়ে দিতে পারলে নিজেদের মধ্যেই মারপিট লেগে যাওয়া বিচিত্র কিছু নয়।

    বাকস্কিনের পিঠে চেপে উত্তরে রওনা হলো রনি। ওদিকেই ইণ্ডিয়ান ক্রীক ট্রেইল এবং ওটাই হর্স স্প্রিঙসে যাবার প্রধান রাস্তা। কেউ অনুসরণ করছে কিনা খেয়াল করার জন্যে ট্রেইল থেকে সরে কয়েকবার অপেক্ষা করল। তৃতীয়বার লোকটাকে দেখতে পেল। আধ মাইল পিছনে আছে সে। লোকটা ওকে পেরিয়ে উত্তরে অদৃশ্য হওয়ার পর আড়াল থেকে বেরিয়ে পশ্চিমে এগোল রনি।

    ক্যানিয়ন ক্রীক পেরিয়ে আরও পশ্চিমে যাচ্ছে। এবড়োখেবড়ো পাহাড়ী এলাকা। কিন্তু বাকস্কিনটা এমন অনায়াসে পথ চলছে, যেন পার্কে বেড়াতে বেরিয়েছে।

    গাছপালার ভিতর ক্যাম্প করল রনি। ঘোড়াটাকে বেঁধে অল্প কিছু খেয়ে গাছের তলায় শুয়ে পড়ল। বিশ্রাম দরকার, রাতে তার অনেক কাজ আছে।

    লম্বা চার ঘণ্টার একটা ঘুম দিয়ে সন্ধ্যার পর রনির ঘুম ভাঙল। ঘোড়ায় জিন চাপিয়ে আবার সার্কেল এইচের পথ ধরল। র‍্যাঞ্চের কাছে পৌঁছে সকালে যেখানে থেমেছিল সেখানেই ঘোড়ার পিঠ থেকে নামল।

    ঠাণ্ডা আর তাজা বাতাস। প্রত্যেকটা শ্বাসই ঠাণ্ডা পানি খাওয়ার মত তৃপ্তি দিচ্ছে। পাইন আর ধোঁয়ার হালকা একটা গন্ধ বাতাসে ভাসছে। র‍্যাঞ্চ আর বাঙ্কহাউসে আলো দেখা যাচ্ছে। কয়েক মিনিট স্থির দাঁড়িয়ে এলাকাটা আবার নতুন করে খুঁটিয়ে দেখল। তারপর সাবধানে এগিয়ে করালের পিছনে চলে এল। আশপাশে কাউকে দেখতে না পেয়ে অন্ধকারে ধীরে ধীরে বাঙ্কহাউসের জানালার কাছে পৌঁছে ভিতরে উঁকি দিল। নিজের বাঙ্কে শুয়ে ঘুমাবার চেষ্টা করছে ফিউরি। সকালে যাকে দেখেছিল, সেই লম্বা কাউহ্যাণ্ড দরজার দিকে মুখ করে বসে পেশেন্স খেলছে। ভিতরে আর কেউ নেই।

    ‘এসো, একটু তাস খেলি,’ প্রস্তাব দিল লম্বা কাউহ্যাণ্ড। একা খেলতে খেলতে বিরক্তি ধরে গেছে ওর।

    ‘বিরক্ত কোরো না, ঘুম জড়ানো স্বরে বলল ফিউরি। ‘ঘুমাতে দাও- বারোটা থেকে আমার ডিউটি।’

    ‘ঠিক আছে, ঘুমাও। বারোটায় তোমাকে জাগিয়ে দেব।’

    আরও কিছুক্ষণ চেষ্টা করে মিলাতে না পেরে তাসগুলো গুছিয়ে তুলে নিয়ে শা করে আবার খেলা শুরু করতে গিয়ে ফিউরির নাক ডাকার শব্দে ফিরে তাকাল। ‘দেখো কাণ্ড!’ বিড়বিড় করল সে, ‘এরই মধ্যে ঘুমিয়ে পড়েছে।’

    ‘হ্যাঁ,’ নিচু একটা স্বর শোনা গেল, ‘ঘুমটা ওর দরকার, ওকে জাগিও না।’

    চমকে মুখ ফেরাল তাস খেলোয়াড়। পিস্তলের বাঁট ধরার জন্যে বাড়ানো হাতটা জমে স্থির হয়ে গেল। তারপর ধীরে হাতটা দূরে সরাল। ভিতরে ঢুকে খোলা দরজার মুখ থেকে একটু বাম পাশে সরে দাঁড়াল ড্যাশার হাতে কোল্ট। ‘গলা দিয়ে শেষ একটা শব্দ করতে চাইলে চিৎকার করতে পারো,’ নিচু স্বরে বলল সে। ‘নইলে গানবেল্টটা খুলে সাবধানে টেবিলে রাখো।’

    ঘামছে আউটল। একবার ঢোক গিলে খুব ধীরে বেল্ট খুলে টেবিলে রাখল। কালো ঘন জোড়া-ভুরুর তলা দিয়ে কঠিন, শীতল চোখে রনির দিকে চেয়ে আছে সে।

    ‘এবার ঘুরে দাঁড়াও,’ পিস্তল নেড়ে ইঙ্গিত করল ড্যাশার।

    লম্বা লোকটা ইতস্তত করছে। ‘ওটা দিয়ে আমার মাথায় মেরো না,’ বলল সে। ‘আমি তোমার কোন ক্ষতি এখনও করিনি।’ নেকড়ের দাঁত বের করে হাসল আউটল। ‘কিন্তু পরের বার যখন দেখা হবে এর জন্যে আমি তোমার চামড়া তুলে ফেলব!’

    লোকটা ঘুরে দাঁড়াল। রনি ওর হাত দুটো পিছমোড়া করে বেঁধে, মুখে এক টুকরো কাপড় গুঁজে মুখটাও বেঁধে ফেলল।

    ফিউরি এখনও দিব্যি ঘুমাচ্ছে। স্বপ্নে দেখছে রনিকে বাগে পেয়ে সে পিস্তলের ট্রিগার টানতে যাচ্ছে। এই সময়ে পেটে শক্ত কিছুর ঠাণ্ডা স্পর্শে চোখ খুলে দেখল ড্যাশার ওর দিকেই তাকিয়ে আছে।

    ‘একটা টু শব্দ করলে পিস্তলটা তোমার মাথায় ভাঙব!’ সাবধান করল রনি।

    ধড়মড় করে উঠে বসে চিৎকার করার জন্যে মুখ হাঁ করল ফিউরি। সোলার প্লেক্সাসের ওপর শক্ত খোঁচায় ওর ভিতর থেকে পুরো বাতাস বেরিয়ে গেল। নির্বিকার ভাবে লোকটার কানের পিছনে পিস্তলের নল ঘুরিয়ে আঘাত করল রনি। জ্ঞান হারিয়ে দুভাঁজ হলো আউটল। বাঁধা লোকটার দিকে চেয়ে রনি বলল, ‘এই লোক কারও কথা বিশ্বাস করতে চায় না!’

    ফিউরিকে বাঁধা শেষ হলে বাঙ্কহাউস থেকে বেরিয়ে করাল থেকে দুটো ভাল ঘোড়া এনে জিন চাপিয়ে র‍্যাঞ্চহাউসের পাশে রেখে সিঁড়ি বেয়ে উঠল

    মেক্সিকান রাঁধুনী মেয়েটার সাথেই সবার আগে দেখা হলো। ‘বুয়েনস্ নচেস্, সেনরা,’ নরম সুরে বলল রনি। ‘তোমার তরফ থেকে কোন ঝামেলা চাই না আমি।’

    ‘কোমো?’

    ‘ওই দরজাটা খোলো।’ পিস্তল নেড়ে ইঙ্গিত করল রনি। ‘হ্যাডলেদের আমি এখান থেকে নিরাপদ কোথাও নিয়ে যাব।’

    ‘আমাকেও নিয়ে চলো! প্লীজ!’ অনুরোধ জানাল রাঁধুনী।

    ‘আপাতত তোমাকে এখানেই থাকতে হবে, চিকিতা। পরে আমি ফিরে এসে সব ব্যবস্থা করব।’

    দরজা খুলল মেয়েটা। কিন্তু ভিতরের দরজাটার সামনে পৌঁছে মাথা নাড়ল। নক করল রনি। ‘সুজানা! বাড!’

    ভিতরে পায়ের আওয়াজ হলো। ‘রনি?’ সুজানার অবিশ্বাস মেশানো স্বর শোনা গেল। ‘ওহ, তুমি সত্যিই এসেছ!’

    ‘হ্যাঁ। দরজাটা খোলো।’

    ‘এদিকে কেবল একটা হুড়কো আছে-দরজার চাবি শার্পির কাছে।’

    ‘ঠিক আছে, হুড়কো নামিয়ে রেখে তুমি বাডকে নিয়ে তৈরি হও। আমরা এখনই ঘোড়ায় চড়ে রওনা হব।’

    একটু পিছনে সরে দরজায় লাথি মারল রনি। তারপর আবার। কিন্তু মজবুত দরজাটার নড়ার কোন লক্ষণ দেখা গেল না। বাইরে বেরিয়ে গুদাম থেকে একটা কুড়াল নিয়ে এল রনি। জায়গা মত দুটো বাড়ি পড়তেই দরজা খুলে গেল। বাড একটা লাঠিতে ভর দিয়ে উঠে দাঁড়াবার চেষ্টা করছে। সুজানা আর রনি দুপাশ থেকে ধরে ওকে দরজার সামনে নিয়ে এল। ‘আমাকে কেবল একটা ঘোড়ার পিঠে তুলে দাও,’ ভাঙা স্বরে বলল বাড। ‘আমি আর কিছু চাই না। যদি মরতেই হয়, জিনের ওপরই মরব!’

    মেক্সিকান মেয়েটা অদৃশ্য হয়েছে। বাডকে জিনের ওপর শক্ত করে বসিয়ে ছুটে গিয়ে ভিতর থেকে ওদের জন্যে দুটো রাইফেল আর পিস্তল নিয়ে এল রনি। এই সময়ে একটা ক্যানভাসের থলিতে খাবার নিয়ে হাজির হলো রাঁধুনী।

    ওর দিকে চেয়ে হাসল রনি। ‘গ্রাসিয়াস, চিকিতা!’ বলল সে। ‘তুমি আমার ডার্লিঙ!’ আদর করে মাঝ-বয়সী মহিলার থলথলে গাল টিপে দিল রনি। কপট লজ্জায় ওর হাতে চাপড় মারল মেয়েটা।

    ঘোড়ার পিঠে উঠে বসল রনি। ‘ভায়য়া কন ডিয়স!’ বিদায় জানাল রাঁধুনী। ‘Go with God!’ ঘোড়া আগে বাড়িয়ে বিড়বিড় করল সুজানা। তার আশীর্বাদই আমাদের দরকার।’

    হঠাৎ ঘোড়ার খুরের আওয়াজ তুলে কয়েকজন আধ-মাতাল রাইডার উঠানে এসে থামল। ঘোড়ার পিঠ থেকে নেমে ওদের মধ্যে দুজন হাসি-ঠাট্টার মধ্যে বাঙ্কহাউসের দিকে এগোল। দরজার কাছে পৌঁছে ওদের হাসি থেমে গেল।

    ‘স্লিম! ফিউরি! একি!’ চিৎকার করল একজন। ওদের মাঝে বিস্ময় আর বিভ্রান্তির কোলাহল উঠল। মনেমনে একটা গালি দিল রনি।

    ‘তোমরা এগোও, আমি আসছি,’ সুজানাকে বলল সে। ‘মগোলনসের দিকে যাও। জলদি!’

    ‘ঠিক আছে!’

    ওদের ঘোড়ার খুরের শব্দ জঙ্গলের ভিতর মিলিয়ে গেল। উইনচেস্টারটা খাপ থেকে বের করে কাঁধে ঠেকাল রনি। দ্রুত পাঁচটা গুলি ছুঁড়ল পরপর। প্রথম গুলিতে বাতিটা গেল, দ্বিতীয়টা দরজায় লাগল, তৃতীয় আর চতুর্থটা জানালা দিয়ে ঢুকল, আর শেষটা লাগল সিঁড়িতে। ঘোড়ার মুখ ঘুরিয়ে সুজানাদের পিছনে ছুটল সে।

    একবার মুখ তুলে তারাগুলোর দিকে চেয়ে বুঝল এখন রাত প্রায় বারোটা হয়েছে। অর্থাৎ হাতে ছয় ঘণ্টা সময় আছে। এর পরে ওরা সহজেই ট্র্যাক করতে পারবে। সুজানা বেশ দ্রুতই এগোচ্ছে। ঘোড়া নিয়ে হ্যাডলের পাশে এসে পৌছল রনি।

    ‘কেমন বুঝছ, বাড? টিকতে পারবে তো?’

    ‘আমি ঠিকই পারব!’ রনির রাইফেলে গুলি ভরা দেখছে বাড। ‘ঠিক সেই পুরানো দিনের মত। বাক আমাদের সাথে থাকলে আরও ভাল লাগত!’

    ‘হ্যাঁ,’ বলল রনি। বিভিন্ন জায়গায় পুরানো দিনের কথা ওরও মনে পড়ছে। ‘তবে বাকের বদলে ওয়াইল্স্ বা ডাগ মারফি থাকলে আমাদের জন্যে আরও ভাল হত।’

    ‘মারফি? ওকে আমি চিনি না, কিন্তু ওই নামটাই আজ আমি শুনেছি।’

    ‘কী?’ বিশ্বাস করতে পারছে না রনি। ‘মারফি সম্পর্কে কিছু শুনেছ?’

    ‘হ্যাঁ। ওর সাথে হর্স স্প্রিঙসে কার যেন পিস্তলের লড়াই হয়েছে। পুরো ঘটনা জানি না।’

    সুজানার পাশে সরে এল রনি। ‘তুমি এই ট্রেইলটা চেনো?’

    ‘বেশ ভাল করেই চিনি। এদিকে আগে প্রায়ই বেড়াতে আসতাম। তবে জারকির ওপাশে কখনও যাইনি। তুমি চেনো?’

    ‘শোনা কথায় চিনি। ভাগ্যের ওপর আমাদের নির্ভর করতে হবে।’

    অনেক পিছনে দূর থেকে চিৎকারের শব্দ ভেসে এল।

    ‘আমি একটু পিছিয়ে থাকছি,’ বলল রনি। ‘ওরা হয়তো আমাদের হঠাৎ আবিষ্কার করে ফেলতে পারে। তবে ওদের দুভাগ হয়ে নদীর ক্রসিঙ দুটোর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।’ একটু পিছিয়ে সে আবার জিজ্ঞেস করল, ‘আচ্ছা, মারফি কাকে মেরেছে তুমি জানো?’

    ‘মারফির কথা আমি শুনিনি। আমার কানে এসেছে ভাসকো হর্স স্প্রিঙসে গোলাগুলিতে মারা পড়েছে।’

    খুশিতে দাঁত বের করে হেসে পিছিয়ে পড়ল রনি। হঠাৎ খুব ভাল বোধ করছে। কাজ একাও করা যায়, কিন্তু ডাগ আর ডেড-শটের মত লোক আশপাশেই আছে জানলে মনের জোর অনেক বেড়ে যায়। ভাসকো মারা গেছে! লোকটাকে নিশ্চয় যমে টেনেছিল, নইলে মারফির মত বিচ্ছুর সাথে লাগতে যাবে কেন?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেতের পর – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    শেষ অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    খুনে মার্শাল – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }