Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্ষ্যাপা তিনজন – কাজী মাহবুব হোসেন

    কাজী মাহবুব হোসেন এক পাতা গল্প184 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক্ষ্যাপা তিনজন – ৮

    আট

    র‍্যাঞ্চ থেকে বেশ কিছু মাইল দূরে চলে এসেছে ওরা তিনজন। কয়েকবার ঘোড়া থামিয়ে কান পেতে শুনেছে রনি। মাথাটাকে পরিষ্কার আর সক্রিয় রাখার চেষ্টা করছে ও। একা থাকলেও অনুসরণকারী ঝানু আউটলদের ফাঁকি দিয়ে পালানো সহজ হত না, কিন্তু একজন খোঁড়া আর একটা মেয়ের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে কাজটা প্রায় অসম্ভব ঠেকছে। অন্ধকারে ঘন পাইন জঙ্গলের ভিতর পুরু নরম পাইন কাঁটার কার্পেটের ওপর দিয়ে ঘোড়াগুলো নিঃশব্দে এগোচ্ছে। মাঝেমাঝে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসছে, মাথার উপর তারা দেখা যাচ্ছে আকাশে। বাতাসটা ঠাণ্ডা, তাজা, আর স্তব্ধ। কান পাতলে পিছনে বহু দূর থেকে একটা- দুটো চিৎকার এখনও কানে আসছে, তবে ওদের ভিতর দূরত্ব আগের তুলনায় বেড়েছে।

    বাম দিকে কালো দৈত্যের মত দাঁড়িয়ে আছে নয় হাজার ফুট উঁচু লিলি মাউন্টিন। ডান ধারে জ্যাকসন মেসার কাঁধ। সামনেই কোথাও রয়েছে ওয়েস্ট ফর্ক ক্রসিঙের ট্রেইল। ইচ্ছে করেই বাকস্কিনটাকে এগিয়ে নিয়ে ওই ট্রেইল ধরল রনি। জানে জোরে ঘোড়া ছুটিয়ে যেকোন সময়ে আউটলর দল ওদের ধরে ফেলতে পারে, কিন্তু বাঁচার জন্যে ফল্স্ ট্রেইল রাখা অত্যন্ত জরুরী, তাই ঝুঁকিটা নেয়াই সবথেকে ভাল উপায়।

    কয়েক মিনিট পথ চলার পরেই বাকস্কিনের খুর পাথরে বাড়ি খাওয়ার আওয়াজ উঠল। বাম দিকের এলাকাটা পুরো স্যাণ্ডস্টোনে ছাওয়া। ট্রেইল ছাড়ার জন্যে আদর্শ জায়গা। কিন্তু এখানে ট্রেইল ছাড়ল না রনি। পিছনের অনুসরণকারী লোকগুলো পাসিকে ফাঁকি দিয়ে বহুবার পালিয়েছে-এত সহজে ওদের ফাঁকি দেয়া যাবে না। আরও অনেকদূর এগিয়ে ঢাল বেয়ে নেমে একটা বালুময় জায়গায় বামে ঘুরল। মাইলখানেক এগিয়ে ওদের থামাল রনি।

    ‘একটু বিশ্রাম নাও,’ বলল সে। ‘আমি ট্রেইল ঢাকার জন্যে ফিরে যাচ্ছি।’ অন্ধকারে অদৃশ্য হলো রনি। কি করবে সেটা আগেই মনেমনে ঠিক করে নিয়েছে। ট্রেইল ছেড়ে ওয়াশ ধরে এগোবার পথে কতগুলো গরুকে বিশ্রাম নিতে দেখেছিল-সেগুলোকে তাড়িয়ে ওয়াশ ধরে রওনা করিয়ে দিল। এখন আর নরম বালুর ওপর ঘোড়ার খুরের চিহ্ন আলাদা করে চেনার সাধ্য কারও হবে না। গরুগুলোকে ছেড়ে ফিরে আসার জোগাড় করছে, এই সময়ে অনুসরণকারীদের ঘোড়া ছুটিয়ে আসার শব্দ শুনতে পেল। ওয়াশের কাছে পৌছে ওদের গতি ধীর হলো।

    ‘এখানে?’ স্বরটা অপরিচিত

    ‘না!’ ফিউরি প্রায় গর্জে উঠল। দু’দুবার অপদস্থ হয়ে দারুণ খেপে আছে সে। ‘আমরা সোজা ক্রসিঙে যাব। চিহ্ন দেখে অনুসরণ করা এখন সম্ভব না। এই এলাকা ছেড়ে বেরোতে হলে ওকে নদী পার হতেই হবে।’

    ‘সে যদি পশ্চিমে যায়?’ প্রশ্ন করল একজন।

    ‘তোমার মাথা-খারাপ হয়েছে? ওদিকে কতগুলো কানা-ক্যানিয়ন ছাড়া আর কিছু নেই। বেরোতে হলে ওকে উত্তর বা দক্ষিণের ক্রসিঙ পেরোতে হবে।’

    ‘শার্পি এখানে উপস্থিত থাকলে ভাল হত,’ মন্তব্য করল একজন।

    ‘সে থাকলে এমন কি হাতি-ঘোড়া মারত?’ ধমকে উঠল ফিউরি। ‘আমরা যা করছি সেও তাই করত। চিন্তার কারণ নেই—ওই শয়তানটাকে আমরা ঠিকই শেষ করব!’

    লোকগুলো ট্রেইল ধরে এগিয়ে গেল। ওদের খুরের শব্দ দূরে মিলিয়ে যাবার পর ফিরে চলল রনি। বালু যেখানে সবথেকে পুরু, সেখান দিয়ে এগোচ্ছে। আলগা বালুর ওপর চলতে ঘোড়াটার একটু কষ্ট হলেও এতে স্পষ্ট কোন ছাপ থাকছে না।

    ‘চলো, এগোই,’ ওদের কাছে পৌছে বলল রনি। ‘ফিউরি লোকজন নিয়ে ক্রসিঙে গেছে। ওখানে আমাদের না পেয়ে দিনের আলো ফুটলেই ট্র্যাক খুঁজে পিছু নেবে।’

    এগিয়ে চলল ওরা। বাম পাশে জার্কি মাউণ্টিনস। সামনে ক্লিয়ার ক্রীক পার হলো। ওটা লিলি মাউন্টিনের খাড়া ভাঁজ বেয়ে নেমে উত্তরে বয়ে গেছে। উঁচু পাহাড় আর তারা দেখে দিক ঠিক রাখছে। মাঝে মাঝে দূর থেকে কয়োটির ডাক ভেসে আসছে। এছাড়া আর কোন শব্দ নেই। ভোর হওয়ার আগেই পাথরের আড়ালে একটা গর্তে ক্যাম্প করল রনি।

    ঘোড়ার পিঠ থেকে নেমে বাবার কাছে ছুটে গেল সুজানা। হ্যাডলের চেহারা ক্লান্তিতে মলিন, কিন্তু চোখ দুটো সংকল্পে উজ্জ্বল। দুজনে মিলে বুড়োকে নিচে নামাল ওরা।

    ‘আমাকে নিয়ে চিন্তা কোরো না, রনি,’ বলল বাড। ‘আমি ঠিকই আছি- অনেকদিন পর ঘোড়ায় চড়েছি, তাই একটু কাহিল। বিশ্রাম নিলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।’

    দ্রুত হাতে সাবধানে একটা ছোট্ট আগুন জ্বেলে ফেলল রনি। একটু দূরে সরে ফিরে দেখল চারপাশের পাথর আগুনটাকে চমৎকার আড়াল করেছে। আঁচ করল র‍্যাঞ্চ থেকে প্রায় পনেরো মাইল দূরে চলে এসেছে ওরা। দিনের আলোয় অনুসরণকারী আউলটরা দ্রুত এগিয়ে আসবে। খাওয়া শেষ করে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়েই আবার রওনা হতে হবে।

    .

    ঝর্নায় ঘোড়াকে পানি খাওয়াবার সময়ে নরম মাটিতে কতগুলো ছাপ দেখতে পেয়ে ঘোড়ার পিঠ থেকে নেমে চিহ্নগুলো পরীক্ষা করছে রনি। নাল ছাড়া ঘোড়া। সুজানা ঘোড়া নিয়ে ওর দিকে এগিয়ে এল।

    ‘বুনো ঘোড়া?’ প্রশ্ন করল মেয়েটা।

    ‘না।’

    পশ্চিমের মেয়েকে এর বেশি কিছু বলতে হলো না। কথাটার অর্থ সে পরিষ্কার বুঝেছে। বাড হ্যাডলে খাপ থেকে রাইফেলটা টেনে বের করল।

    ‘কয়জন?’ জানতে চাইল বাড়।

    ‘ছয় থেকে আটজন হবে, ঠিক বোঝা যাচ্ছে না।’ হ্যাটটা মাথার পিছন দিকে ঠেলে দিয়ে ভাগ্যকে একটা গালি দিল রনি। পিছনে আউটল, সামনে ইণ্ডিয়ান। প্রশ্ন হচ্ছে: কোন্ দল বেশি খারাপ? এই ঝর্নাটাই ওয়েস্ট ফর্ক। এখান থেকে টার্কিফেদার ক্রীক খুব দূরে নয়। পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেখছে সে। বড়জোর ঘণ্টাখানেক আগের ছাপ ওগুলো। ইণ্ডিয়ানরা কি চলে গেছে? নাকি সামনেই কোথাও ক্যাম্প করেছে? শার্পি তার লোকজন নিয়ে কতদূর এগিয়েছে?

    ওরা যে পথে চলছে তাতে ওখান থেকে আলমার দূরত্ব পঞ্চাশ মাইলের বেশি হবে না। কিন্তু অ্যাপাচিদের উপস্থিতি ছাড়াও ওই পাহাড়ী ট্রেইলের প্রতিটি মাইল অত্যন্ত দুর্গম।

    ‘ঝুঁকিটা আমরা নেব,’ নিজের সিদ্ধান্ত জানাল রনি। ‘আমরা এগিয়ে টার্কিফেদারে পৌছে ক্যাম্প করব। আমাদের সবারই বিশ্রাম দরকার- ঘোড়ারও। শার্সি ধাওয়া করে আসছে বলেই আমাদের ধরে নিতে হবে।’

    ‘ইণ্ডিয়ানদের কি হবে?’ প্রশ্ন করল বাড।

    হাসল রনি। ‘ওরা নিজেদেরটা নিজেই সামলাতে পারবে।’ হ্যাটটা নামিয়ে চুলের ভিতর আঙুল চালিয়ে ওটা আবার মাথায় এঁটে বসিয়ে সামনের দিকটা টেনে নামিয়ে দিল। ‘বলা যায় না, এইসব পাহাড়ে যথেচ্ছ ঘুরে বেড়ানোয় অনেক ঝুঁকি। হয়তো ওদের একটা বিপদও ঘটে যেতে পারে!’

    ঘোড়ার পিঠে চেপে সতর্কভাবে আগে বাড়ল রনি। ট্র্যাকগুলো স্পষ্ট। ওরাও সম্ভবত একই পথে এগোচ্ছে। এটা হয়তো ওয়ার-পার্টি নাও হতে পারে, যদিও সেটার সম্ভাবনাই বেশি। গতিপথ দেখে মনে হয় আলমার কাছাকাছি কোন বসতি, বা মাইনিঙ ক্যাম্পে অনর্থ ঘটাতে চলেছে ওরা।

    পাহাড়ের পাথর আর গাছের ফাঁকে সরু পথ দিয়ে দুটো ঘোড়া পাশাপাশি চলার জায়গা নেই। সার বেঁধে পাহাড়ের গা বেয়ে নামছে ওরা। নিচের ঘাসে ছাওয়া সবুজ উপত্যকাটা উপর থেকে খুব সুন্দর দেখাচ্ছে। কিন্তু ট্রেইল ছেড়ে একটা স্যাণ্ডস্টোন ক্লিফের দিকে এগোল রনি। গোলাপী রঙের পাথরের মাঝখানে কোয়ার্টসের একটা সাদা ডোরা দেখা যাচ্ছে। ওটার গোড়ায় সিকামোর আর কটনউড গাছ ওখানে পানির আশ্বাস দিচ্ছে।

    খুব সাবধানে পথ চলছে রনি। মাঝেমাঝে থেমে কান পেতে শুনছে। স্বীকার না করলেও দুশ্চিন্তায় ওর মুখের ভিতরটা শুকিয়ে এসেছে। ওদের পথের ওপরই কিছুটা দূরে হঠাৎ একটা চিল আকাশে উড়ল। মনে হলো কাছাকাছি কিছু নড়তে দেখেই ভয় পেয়ে ওটা আকাশে উঠেছে।

    পাহাড়ের গা থেকে বেরিয়ে থাকা একটা বড় পাথর ঘুরে সামনে সরু ক্যানিয়নের মত উপত্যকা ওর চোখে পড়ল। দুপাশের পাথর চেপে এসে ক্যানিয়নের অন্য মাথা খুব সরু হয়ে শেষ হয়েছে। ছোট্ট মালভূমির মত জায়গাটাতে বেশ কিছু বড়-বড় গাছ জন্মেছে। উপরের ক্লিফ থেকে কিছু বিশাল আকারের পাথরও গড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত ঘোড়া ছুটিয়ে এগোল রনি। শেষ একশো গজ খোলা আর ঢালু। কিন্তু ওরা নিরাপদেই গাছের আড়ালে পৌঁছল।

    লাগাম টেনে ঘোড়া থামিয়ে সব খুঁটিয়ে দেখল রনি।

    মালভূমি বলা চললেও এর এলাকা মাত্র এক একর। মাঝখানের খোলা জায়গাটা সবুজ ঘাসে ভরা। চারপাশে পাইন, সিডার, সিকামোর আর কটনউড গাছ ওটাকে ঘিরে রেখেছে। প্রচুর ম্যানজানিটাও জন্মেছে। একটা ছোট্ট জলপ্রপাত উপরে ক্লিফের ফাটল থেকে বেরিয়ে গোড়ায় খসে পড়া পাথরের ওপর আছড়ে পড়ছে। বাম দিকে দুপাশের ক্লিফ চেপে এসেছে, কেবল একটা সরু ফাঁক দেখা যাচ্ছে।

    ‘আমরা রাতটা এখানেই কাটাব, বাড়,’ বলল রনি। ‘হয়তো আগামী দিনটাও আমাদের এখানে কাটাতে হতে পারে। ঘটনা কেমন গড়ায় তার ওপর সব নির্ভর করবে। বাধ্য না হলে ইণ্ডিয়ানদের বিরুদ্ধে সংঘর্ষে যেতে চাচ্ছি না আমি।’

    ক্লিফের গোড়ার কাছে কতগুলো বড়-বড় পাথর আর গাছের ভিতর বেশ নিরাপদ একটা জায়গা বেছে নিয়ে ওরা ক্যাম্প করল। রাইফেলটা তুলে নিয়ে খোলা জায়গার কাছে মাত্র পৌঁছেচে, এই সময়ে ওরা যেদিক দিয়ে ঢুকেছে সেখানে জঙ্গলে বাদামী রঙের একটা নড়াচড়া ওর চোখে পড়ল। এবং তারপরেই ঘোড়ার পিঠে কয়েকজন ইণ্ডিয়ান বেরিয়ে এল।

    ওরা সংখ্যায় চারজন। যেদিক দিয়ে এল তাতে বোঝা যাচ্ছে এরা অনুসরণ করছিল-অর্থাৎ এরা সামনের লোকগুলো নয়, ভিন্ন একটা দল। ওর চোখের সামনেই উলটো দিক থেকে কতগুলো অ্যাপাচি বেরিয়ে এল। এরা সংখ্যায় এগারো জন। বাড় আর সুজানাকে সাবধান করা দরকার, কিন্তু ফিরে যাবার উপায় নেই। ওরা ট্র্যাক দেখতে পেয়েছে, জানে রনিরা কোথায় আছে।

    এক মুহূর্ত পরে ফিরে তাকিয়ে দেখল সুজানা ওর দিকেই আসছে। ওর ইশারা পেয়ে চট করে উপুড় হয়ে শুয়ে ক্রল করে এগিয়ে এল। ‘অ্যাপাচি,’ ফিসফিস করে বলল রনি। ‘ঝামেলা হবে।’

    ইণ্ডিয়ানদের দেখে সুজানার চোখ বিস্ফারিত হয়েছে। কিন্তু কোন প্রতিবাদ বা নালিশ নেই-নীরবেই বর্তমান অবস্থাকে স্বীকার করে নিল পশ্চিমের মেয়ে। ওই লোকগুলোর মধ্যে বিতর্ক চলছে। সম্ভবত এখন আক্রমণ করবে, নাকি পরে, সেটা নিয়েই। সন্ধ্যা হতে আর বেশি বাকি নেই। অ্যাপাচিরা রাতে কখনও লড়ে না।

    ‘ওরা কি এখনই আক্রমণ করবে?’ প্রশ্ন করল সুজানা।

    ‘কিছুই বলা যায় না, অ্যাপাচিদের মাথায় কখন কি খেলবে তা কেউ বলতে পারে না। মনে হচ্ছে কিছু লোক চাইছে, কিছু চাইছে না। যাক, আত্মরক্ষার জন্যে আমাদের পজিশনটা ভাল। তবে আমাদের সাথে আরও খাবার থাকলে ভাল হত।’

    ‘মানে, আমরা এখানে আটকা পড়তে পারি?’

    ‘হতে পারে।’ হঠাৎ হাসল রনি। ‘শার্পি এখন আমাদের ধরে ফেললে মন্দ হয় না। অ্যাপাচিদের সাথে সে-ই ফাইট করুক।’ চিন্তাযুক্ত মুখে কিছুক্ষণ অ্যাপাচিদের দিকে চেয়ে সে জিজ্ঞেস করল, ‘তোমার বাবার কি অবস্থা?’

    ‘খুব ক্লান্ত, রনি। কিন্তু মুখে কিছুতেই স্বীকার করবে না। কেবল মনের জোরেই সব ধকল সহ্য করছে।’

    দুজনে নীরবে অ্যাপাচিদের দিকে তাকিয়ে আছে। সুজানা আবার বলল, ‘ওরা কতদূরে আছে? আমরা এখান থেকে ওদের গুলি করে মারতে পারব না?’

    ড্যাশারের কঠিন নীল চোখ কৌতুকে ভরে উঠল।

    ‘তা পারব,’ বলল সে। ‘কিন্তু সেধে বিপদ ডেকে এনে লাভ আছে? কিছু করতে চাইলে ওরাই তা শুরু করুক। ওরা হয়তো ঝামেলায় না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।’ আরও কিছুক্ষণ ওদিকে চেয়ে থেকে বলল, ‘মনে হয় ওরা তিনশো গজ দূরে আছে।’

    ‘ওরা কি ভাল গুলি ছুঁড়তে পারে, রনি?’

    আড়চোখে তাকাল রনি। ‘আমার থেকে শুনে রাখো, সু, ওদের কেউ-কেউ দারুণ গুলি ছোঁড়ে। একবার সত্তরজন মেক্সিকান একটা অ্যাপাচিকে কোণঠাসা করেছিল। ওদের সবাইকে ঠেকিয়ে লোকটা পালাতে সক্ষম হয়েছিল। লড়াইয়ে সাতজন মেক্সিকানকে ও গুলি করে মেরেছিল। প্রত্যেকটা গুলিই খুলি ফুটো করে ঢুকেছিল। একেই বলে শূটিঙ! ওকে ছেড়ে বাকি মেক্সিকানদের বাড়ি ফিরে যাওয়ায় আমি কোন দোষ দেখি না।’

    ঘাসের গন্ধটা চমৎকার। গা এলিয়ে দিয়ে পেশীগুলোকে ঢিলে করল রনি। ‘তুমি ফিরে যাও, সুজানা,’ শান্ত স্বরে বলল সে। ‘আমাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করো। মনে হচ্ছে সামনে লম্বা অপেক্ষা রয়েছে।’

    ‘তুমি কি করবে?’ উদ্বিগ্ন চোখে তাকাল মেয়েটা।

    ‘অপেক্ষা করব। ওরা যদি এদিকে আসতে চায় ঠেকাবার চেষ্টা করব। যদি না পারি দৌড়ে ছুটে আসব।’

    ‘সাবধান থেকো,’ অগত্যা বলল সুজানা। ‘তুমি বড্ড বেশি ঝুঁকি নাও।’

    ‘তা নয়।’ মাথা নাড়ল রনি। ‘কেবল বোকারাই ঝুঁকি নেয়। এড়ানো সম্ভব হলে ভাল যোদ্ধা কখনও ঝুঁকি নেয় না। কিন্তু যেখানে উপায় নেই সেখানে মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিতেই হয়।

    ‘পৃথিবীতে কেবল দুই রকম যোদ্ধাই আছে। ভাল যোদ্ধা আর মৃত যোদ্ধা। যখন আমি ছোট ছিলাম, একবার খেলার সাথীরা উঁচু ক্যানিয়নে গাছের গুঁড়ির তৈরি পুলের ওপর দিয়ে আমি হাঁটতে রাজি হইনি বলে আমাকে ঠাট্টা করেছিল। ওরা সবাই কয়েকবার করে পার হলো, কিন্তু আমি যাইনি। ওপারে যদি কিছু থাকত, যেটা আমার চাই, তাহলে আমি নিশ্চয়ই ওটা আনতে যেতাম। কিন্তু কেবল নিজেকে জাহির করার জন্যে বাহাদুরি দেখাবার কোন মানে হয় না।’ হাসল রনি। ‘সাহসী আর বোকার মধ্যে এখানেই তফাত।’

    মেয়েটা চলে যাওয়ার পর বুকের কাছে শার্টে হাত মুছে অ্যাপাচিরা যেখানে অদৃশ্য হয়েছে সেদিকে নজর রাখল রনি। হঠাৎ ওদের আবার দেখা গেল। সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে ওরা। পনেরোজনই একসাথে আক্রমণ করতে এগিয়ে আসছে। হঠাৎ পেটের ভিতর কেমন একটা শূন্যতা অনুভব করল সে। আসুক ওরা, দূরত্ব আরও কিছু কমুক।

    তিনশো গজ থেকে হেঁটে এগোচ্ছে পোনি। দুশো গজ, একশো পঞ্চাশ, শেষে একশো হলো। রাইফেলটা স্থির হাতে ধরে সামনের ইণ্ডিয়ানটার পেট লক্ষ্য করে ট্রিগার টিপল রনি। ওর হাতে উইনচেস্টারটা গর্জে লাফিয়ে উঠল নালের মুখ ঘুরিয়ে এক মুহূর্ত স্থির রেখে আবার গুলি ছুঁড়ল। একে-একে ঘোড়ার পিঠ থেকে গড়িয়ে পড়ল দুজন। আরও তিনবার দ্রুত ট্রিগার টিপল সে। তারপর উঠে পিছন দিকে ছুটল।

    পাথরে ঘেরা ক্যাম্পটা পঞ্চাশ গজ দূরে। পিছন থেকে তীক্ষ্ণ ইণ্ডিয়ান স্বরে চিংকার উঠল। ওর পাশ ঘেঁষে একটা গুলি বেরিয়ে গিয়ে গাছে বিঁধল। ওদিকে ক্যাম্পের পাথরের আড়াল থেকে দুটো রাইফেল জবাব দিল। রনি ঘুরে দাঁড়িয়ে কোমরের পাশ থেকেই দুটো গুলি ছুঁড়ল। দুটোই হিট। একটায় ঘোড়া উলটে পড়ল, অন্যটা লাগল একজন অ্যাপাচির হাঁটুতে। আবার ছুটল ড্যাশার। ছুটতে ছুটতেই রাইফেলে গুলি ভরছে।

    একটা গাছের আড়ালে ঝাঁপিয়ে পড়ে গড়িয়ে গুলি ছোঁড়ার পজিশন নিল। তাকিয়ে আছে। খোলা মাঠটা সম্পূর্ণ ফাঁকা, ওখানে জীবনের কোন চিহ্ন নেই-

    একেবারে স্তব্ধ। কেবল একটা মরা ঘোড়া আর একটা লাশ পড়ে আছে।

    রনির দিকে তাকাল সুজানা মেয়েটার চেহারা উত্তেজনা আর ভয়ে একেবারে ফেকাসে হয়ে গেছে। শব্দ করে হেসে উঠল বাড। ‘আমি একটাকে ফেলেছি!’ খুশি স্বরে বলল সে। নিউ মেক্সিকোতে আসার পর এই প্রথম ওকে সাত্যিই জীবন্ত হতে দেখল রনি। ‘ওদের থামাতে পেরেছি, রনি?’

    ‘হয়তো কিছুক্ষণের জন্যে।’ ইণ্ডিয়ানরা যেদিক থেকে এসেছে সেই উঁচু ক্লিফ আর গাছপালার দিকে তাকাল ড্যাশার। ‘ওরা কাল সকালেই আবার আসবে। অবশ্য সংখ্যায় কিছু কমেছে।’

    আগুনের ধারে সরে গেছে সুজানা। ‘কফি তৈরি,’ নিচু স্বরে জানাল সে। ‘তোমাদেরটা নিয়ে আসব?’

    ফিরে তাকাল রনি। জানে মেয়েটা অত্যন্ত ভয় পেয়েছে, এমন একটা বিপদে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সে তার কাজ ঠিকই চালিয়ে যাচ্ছে। এমন মেয়ে সচরাচর দেখা যায় না। এটা সত্যিই বিরল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেতের পর – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    শেষ অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    খুনে মার্শাল – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }